আমার প্রিয় পোস্ট
- পড়তে চাইলে পড়তে পারেন নাফিস ইফতেখারের ড্রাফটে নেয়া পোস্টসমূহ

+ একটি ঐতিহাসিক পোস্ট - অণুজীব
- এই লাল্টু মার্কা নব্য বুদ্ধিজীবি টা কেডা? প্রাইভেট টিভি চ্যানেলের টকশোতে মাঝে মাঝে দেখা যায় উনাকে। - পাকাচুল
- কাঙাল মামার শোকেসে যেসব পোস্ট ছিলো - কাঙাল মামা
- অনুবীক্ষন যন্ত্রের মাধ্যমে তোলা আমাদের দেহের ভিতরের কলকব্জার অসাধারন সব ছবি - সারওয়ার ইবনে কায়সার
- রাগিবনামা - যেমন ইচ্ছে লেখার আমার ব্লগের খাতা - রাগিব
- জগজিত সিং এর অমর কীর্তি - ৭৬ টি এ্যালবাম একসাথে (আমার আপলোড করা) - কবির চৌধুরী
- আধুনিক শকুন্তলা উপাখ্যান ( পূর্ণবয়স্কদের জন্য ) - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- আমার প্রিয়তে রাখা,ভালো লাগা পোষ্ট সমগ্র (সংস্কার চলছে) - ২ - জিসান শা ইকরাম
- আট বছর ধরে পৃথিবী ঘুরে বেড়িয়ে যে উনত্রিশটি শিক্ষা আমি পেয়েছি - বিলাশ বিডি
- তেল-গ্যাস : এইসব কমিশনখোরের অতীত ভালো নয়, শুনুন আলোচিত সেইসব অডিও টেপ - ফিউশন ফাইভ
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- সিফিলিসের জীবানু কার কাছ থেকে আসলো - মুজিব রহমান
- জানা অজানা যত গুগল সার্ভিস: গুগল সার্ভিস গাইড পর্ব ১ - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- অসাধারণ কিছু জিমেইল ফিচার: জিমেইল গাইড- পর্ব:১ - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- ২৬ বছর বয়সেই মিলিয়নিয়ার হওয়া Adam Khoo তার সৌভাগ্যকে বিশ্লেষণ করেছেন। চলুন দেখি কিভাবে... - মুভি পাগল
- GRE ফ্রি ডাউনলোড এর কারখানা !!!যাবতীয় মালমশলা ফ্রি ডাউনলোড : পর্ব -৩ ( আপডেট এপ্রিল ৫ ২০১০) - পরিবেশবাদী ঈগলপাখি
- গ্রামীন মডেম দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দারুন প্লাগইনস - হা...হা...হা...
- ফ্রিওয়্যার সফটয়্যার ডাউনলোডের জন্য কিছু সফটয়্যারের ওয়েবলিঙ্ক (Freeware Software List) সংগ্রহে রাখুন - মুস্তাফিজুর রহমান (মুন্না)
- ইয়োগা: সুদেহী মনের খোঁজে |১৬| আসন: ধনুরাসন। - রণদীপম বসু
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাদের লেখা ও স্মৃতিচারণ - চিন্তিত দার্শনিক
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ইনকা সভ্যতা, পাথর নগর, স্প্যানিশ বর্বরতা ও মাচু পিকচুর সেই সূর্যদেবতার থান ... - ইমন জুবায়ের
- শাস্ত্রীয় মৌলবাদী এবং সেক্যুলার মৌলবাদী—উভয়েই পরিত্যাজ্য! - ম্যাভেরিক
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- 'সামহয়ারে'র মত আরো কিছু ওয়েব সাইট - জানজাবিদ
- একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী > সব দোষ চাপানো হচ্ছে শ্রমিক অসন্তোষ আর চাঁদাবাজদের উপর > আসল কাহিনী কী ? - মনজুরুল হক
- অনিঃশেষ দেশভাগের কথকতা : সুধা কি সাদিয়ার কথা শুনছে - ফারুক ওয়াসিফ
- ব্লগীয় চিপাবুদ্ধি
- নাফিস ইফতেখার
- সামহোয়ারইনের যত্তসব অপশনের ব্যাবচ্ছেদ - কাঙাল মামা
- ভালোবাসা: ছেলেরা যেমন চায়, মেয়েরা যেমন হয়.... (শ্যাষ) - মাহবুবা আখতার
- গাছভুদাই না হইলে কেউ জঙ্গী হয় না - লেখাজোকা শামীম
- কর্পোরেট ইকো ক্যাম্পেইনের রকমসকম - জ্বিনের বাদশা
- ইমরান ব্লগ স্রষ্ট া - দেবরা
- সামহোয়ারে আপনার পড়া সেরা তিনটি লেখা কি কি? (উৎসর্গ, নাস্তিকের ধর্মকথা, বিবর্তনবাদী) - জ্বিনের বাদশা
- গণতন্ত্রের বেশী বেশী চর্চা নাকি আগে ধর্ষণকারীদের লিঙ্গ কেটে ফেলা কোনটা আগে করতে হবে? (একটি ১৮ +
) - ইউনুস খান
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
সমাজ ও সময় নিয়ে চাছাঁছোলা লেখনী। স্বার্থান্বেষী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন মহল ও নূন-নেমক খাওয়া হরিদাশ পালদের গাত্রদাহ হতে পারে।

তাবলীগ নিয়ে অজনপ্রিয় কয়েকটি কথা-
২৫ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২
বয়স তখন হাইস্কুলে পড়ি এমন। পাড়ার মসজিদে মাগরিবের নামাজের সালাম ফেরালাম। ঘাড়টা তখনো বাঁ দিকেই রয়ে গেল প্রায়। তখনি সামনের কাতারের এক লোক দাড়িয়ে "ইনশাআল্লাহ বাকি নামাজ বাদ ঈমান ও আমলের জরুরী বয়ান হবে। সব ভাই বসি। বহুত ফায়দা হবে।"আশৈশব বই, বক্তৃতা, সভা-সমিতি, সেমিনার, ওয়াজ প্রভৃতির প্রতি, তা যে মত ও পথের লোকই আয়োজন করুক না কেন, একটা টান আছে। সুতরাং, বসে পড়লাম। বেশির ভাগ নিয়মিত মুসল্লী চলে গেলে বোঝা গেল 'অচেনা' একদল লোক এসেছে এখানে গাট্টি-বোচকা নিয়ে। আল্লাহ, ফেরেশতা, পরকাল, নামাজ ও দ্বীনের পথে মেহনত ইত্যাদি নিয়ে নাতিদীর্ঘ বয়ান দিলেন বয়োবৃদ্ধ একজন। মোদ্দাকথায়, ওনাদের বহরে শামিল হয়ে বহুল প্রচারিত ফায়দা হাসিলের আহ্বান জানালেন। আনুমানিক ১ সপ্তাহ অবস্থান শেষে দলটি চলে গেলেন।
কলেজে-ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় আবার রেগুলার দেখা পেলাম দলটির। এশার নামাজ শেষে ৫/৭ জনের ছাত্র-তাবলীগ প্রেয়ার রুমে গোল হয়ে বসে মোটাসোটা একটা বই, নাম ফাজায়েলে আমা'ল, পড়ে একজন, বাকিরা শুনে। বিস্তারিত পড়ার ধৈর্য্য নেই, তাই উল্টে-পাল্টে দেখলাম একদিন। নামাজ রোজা দাওয়াত সহ নানান দোয়া দরুদের ফজিলত, শিক্ষামূলক কাহিনী- এটাই বইটার আদ্যপান্ত। এর বাইরে সপ্তাহে একদিন তারা লাইন ধরে হলের কক্ষে কক্ষে যেতেন। আহ্বান একটাই, ওনাদের বহরে শামিল হয়ে বহুল প্রচারিত 'ফায়দা হাসিলে।'
তাবলীগকে অনিয়মিত দেখি আরেক স্থানে। মৎস্য ভবন থেকে শেরাটনের দিকে ফুটপাত ধরে হাটঁতে হাটঁতে। বছরজুড়ে কাকরাইল মসজিদ ও সংলগ্ন এলাকা গমগম। তাসবীহ, টুপি, আতর, ঢিলা কুলুখ, মেসওয়াক, ও খাবারের দ্রস্টব্য গন্ধ নাকে লাগবেই এখানে। দেশ ও বিদেশের নানান বয়সী, বিশেষত: বয়স্ক, মানুষের ভীড়। লক্ষ্য একটাই- ফায়দা হাসিল।
বছরে আরেকবার নিয়মিত তাবলীগের প্রচার-জোয়ার বয়ে যায় ইজতেমা নামক সম্মেলনের প্রাক্কালে। মোটামুটি ৫ দিনের জন্য যাবতীয় মতাদর্শের টিভি, রেডিও, পত্রিকা 'মুসলিম বিশ্বের ২য় বৃহত্তম' এ সমাবেশের বয়ানে বয়ানে মত্ত হয়ে উঠে। লক্ষ লক্ষ মানুষের ভীড়াক্রান্ত রাস্তা, রেল, বাসের ছবি, হাত তুলে স্রস্টার দরবারে মোনাজাত, খালেদা-হাসিনা-এরশাদ ইত্যাদিদের সদলবলে আখেরীমোনাজাতে যোগদানের খবর। তারপর হারিয়ে যায়। নীরবে আমরা যারযার মত ঝাঁপিয়ে পড়ি আগেকার কাজে।
আপাত: এটাই তাবলীগ। সাধারনের কাছে। তবে আরেকটু গভীরে পেয়েছি অদ্ভুত কিছু বিষয়। ছাত্র-তাবলীগের মধ্যে অনেক বন্ধুকে পেয়েছি যারা ঘোরতর ছাত্রলীগ সমর্থক (!), প্রায় সবাই শিবিরের ঘোর-বিরোধি! তবে 'কলেজ-মেডিক্যাল-ভার্সিটিতে' ছদ্মবেশধারী তবলীগও আছে। শিবির, লীগ, দল, ফ্রন্টের টানাটানি থেকে বাচতে ফার্স্ট ইয়ারে কূশলী অনেকে 'তাবলীগের লেবাস' নিয়ে ফেলেন। তবে সেটাও কম কঠিন নয়। এ বয়সে দাড়ি, পান্জাবির ভাড় বহন করা কি চাট্টিখানি কথা! এ ধরনের বেশ কজনকে চিনি যারা স্নাতক শেষে দিব্যি দাড়ি ফেলে দিয়েছেন!! আহলে সুন্নাত, খারেজী, ওহাবী বা নানা ধরনের ধর্মীয় গ্রুপের অনেক মৌলভী মওলানাকে দেখেছি তবলীগের প্রতি সমালোচনা মুখর। কাউকে কাউকে এ ব্যাপারে নীরব, কেউবা পক্ষবাদী।
যেমনটা দ্বিধাগ্রস্ত আমিও। ইজতেমায় লক্ষ লক্ষ মানুষ যায়। কেন যায়? হয়ত আশা করে সওয়াব হবে। এভাবে আশা করে কোনো একস্থানে লক্ষ কোটি বা তারও বেশি লোক জড়ো হলেই কি সওয়াব হবে? কি কি কাজ করতে হবে, করলে ভাল হবে, কিকি কাজ করলে গোনাহ হবে তা কি মানুষের হাতে ছেড়ে দেয়া হয়েছে? না তো, বরং পরিপূর্নভাবে আল্লাহ রাসুলদের মাধ্যমে দিয়েই দিয়েছেন। সামর্থ্যবান মুসলিম/মানুষদের জন্য হজ্জ্ব নামক বিধানতো কারো কাছেই অজানা নয়। এটার অতিরন্জনে ২য়, ৩য়, ৪র্থ সম্মেলন করে, কাল্পনিক সওয়াব আশা করা কেমন কথা? কেউ কেউ বলতে পারেন- এখানে মানুষ প্রশিক্ষন লাভ করে। আসলে কি তাই? প্রশিক্ষন কি এত সোজা? আর প্রশিক্ষনের খোদা ও তার নবীরাসুলদের প্রদর্শিত টেকনিক কিংবা রেফারেন্স বই পুস্তক কি এসব? নাকি এটা নেহায়েতই লক্ষমানুষের আরেকটি গন্তব্যহীন সম্মেলন? সওয়াব ক্ষুধার্ত বোধহীন মুসলিমদের যুক্তিহীন বিক্ষিপ্ত করুনা প্রার্থনা? মুসলিম উম্মাহ নামক একটি 'আন্তর্জাতিক ভূতের' কল্যান কামনা, যার কল্যান জর্জ বুশও কামনা করতেন! সুযোগ পেলেই যে কেউ এর কল্যান কামনা করেন। আর ইজতেমা মাঠ থেকে বাসাই ফিরেই এর পাছায় বাঁশ দেন!!!
চোর, ডাকাত, ঘুষখোর, পেশাদার খুনী অনেকেই চুলে পাক ধরলে দিব্যি তাবলীগে যোগ দিয়ে ফেলেন। ঘুরতে থাকেন এ মসজিদ থেকে ও মসজিদ। যথারীতি বয়ান দিতে থাকেন আসরের নামাজের পর। কবর, হাশর নিয়ে বয়ান করতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন। অদ্ভুত এক ব্যাপার- অদ্যাবদী ১টাকা ঘুষ ফেরত এসেছে, রাস্ট্রীয় কোষাগার লুট করা ১টি পয়সাও ভুল বুঝতে পেরে ফেরৎ দিয়েছেন, কারো উপর অন্যায়ের জন্য মাফ চেয়েছেন তেমনটি দেখিওনি, শুনিওনি। কিন্তু আল্লাহর কাছে রাতদিন মাফ চাইছেন, ফাজায়েলে আমাল পড়ছেন, বয়ান করছেন!
আল্লাহ কে যে, তাদেরকে মাফ করবে? আল্লাহর কি কোন অধিকার আছে আরেকজনের মেরে দেয়া টাকা মাফ করার? এটা শুনতে খারাপ লাগতে পারে যে, এ ধরনের দাগী বার্ধ্ক্যপীড়িত সন্ত্রাসীদের একটা উত্তম আখড়া কিংবা আখেরাতেও লুটে পুটে খাওয়ার একটা ভালো রাস্তা (কাল্পনিক)হিসেবে তাবলীগকে পাওয়া যায় দেদার।
মসজিদে রাত্রিনিবাস ও ধ্যানের ব্যাপারে ইসলামে কিছু নেই তা না। বরং তাবলীগের জন্মের ঢের আগে রাসুল (স) রমজানের শেষ ১০ দিন পুরুষদের জন্য মসজিদ আর মহিলাদের গৃহঅভ্যন্তরে নিবীড় ধ্যানের উপদেশ দিয়েছেন। এর বাত্যয় ঘটিয়ে দল বেঁধে বছরব্যাপী মসজিদ ভ্রমন কিছুতেই কল্যানকর কিছু হতে পারেনা। এটা স্বরচিত সুন্নত (!) বা বড় জোড় 'ইসলামি বৈরাগ্যবাদের' চর্চা হতে পারে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): তাবলীগ ;
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
Interesting . onek bisoyei ekmot.
লেখক বলেছেন: thanx
অলস ছেলে বলেছেন:
অজনপ্রিয় কথায় সহমত। মানুষ যত বেশি খারাপ কাজ করবে অন্যায় কাজ করবে পৌরোহিত্যতন্ত্র ততই বেশি জনপ্রিয়তা পাবে। কাঁদতে কাঁদতে ভেড়ার পালের মধ্যে ইজতেমায় দৌড়ায় আর বাকী পুরো বছর দেদারসে ঘুস খায় আমার দেখা এক সরকারী কর্মচারী।
ফালতু মিয়া বলেছেন:
+ দিলাম, কারণ আমার চিন্তার সাথে মিল আছে। অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি দিয়ে কখনো কোন কাজ হয় না। ৩৬০ জনের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমে তারা ৩ জনই এখন র্পযন্ত গড়তে পারেনি।
>>নাকি এটা নেহায়েতই লক্ষমানুষের আরেকটি গন্তব্যহীন সম্মেলন? সওয়াব ক্ষুধার্ত বোধহীন মুসলিমদের যুক্তিহীন বিক্ষিপ্ত করুনা প্রার্থনা? মুসলিম উম্মাহ নামক একটি 'আন্তর্জাতিক ভূতের' কল্যান কামনা, যার কল্যান জর্জ বুশও কামনা করতেন! সুযোগ পেলেই যে কেউ এর কল্যান কামনা করেন। !!!!
নির্মম সত্য।
আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞানে উনাদের মুরুব্বী গোছের আমীর কয়েকজনের সাথৈ বাহাস করেছী। কিন্তু জবাব এড়িয়ে গেছেন নানা বাহানায়...
তারও পরে জেনেছি ইহুদী লবিয়িং এর ব্যাপারে... ইসলামমকে ডাইভার্ট করে নির্বীর্য এক রুপে কোটি কোটি মানুষকে বিরত রাখার এক কৌশল হিসেবে তারা এর পেছেন বহুপ্রকার সমর্থন দেন বলে।
আর আমাদের মহল্লার খুব পরিচিত তাবলীগার... চার চিল্লা দিয়া আম্রিকার ভিসা লইয়া সম্মেলনে গেলেন... মাস তিনেক পরে শুনি উনি দাড়ি কামাইয়অ এক চশমার দোকানে জব নিয়ে ওখানেই রয়ে গেছেন!!!!
গৌরী সেন বলেছেন:
আপনে গেসিলেন "ফায়দা হাসিল" করতে পুরানা কাহিনি মনে পৈরা গেল। এগো অত্যাচারেই মসজিদ ছারসিলাম এইট নাইনে পড়তে সময়। জোড় কৈরা নাম লেখায়া ফালাইতো... লেখানির সময় কৈত লেখাও লেখাও, লেখাইলেই আল্লায় তৌফিক দান করবো। পরে না গেলে তেড়া তেড়া কথা শুনাইতো। আরে ভাই, আমিতো নাম লেখাইসি, আল্লাইতো তৌফিক দিলনা
লেখক বলেছেন: না। ইচ্ছাও নাই।
গৌরী সেন বলেছেন:
আজকে আপনে তাবলিগ আর ইস্তেমারে কটাক্ষ কৈরা লেখসেন, দেখেন জামাতি রাজাকারের পুতেরা যারা জিহাদি জোশে জোশিয়ান তারা আয়া পরসে আপনেরে বাহবা দিতেView this link
লেখক বলেছেন: ডাক্তারের কাছে রোগী আসলে এটা কোন প্রাসংগিক বিষয়না- রোগী হিন্দু না মুসলিম।
আমার লেখা কে পড়ল, না পড়ল- তার জাত খোজাঁ ও তা পেয়ে 'পাঠকের জাতিগত' এনাটমী করা নিতান্তই মুর্খতা।
বরং লেখা সম্পর্কে মতামত দেয়া যেতে পারে।
লেখক বলেছেন: আমি মোটেও কটাক্ষ করিনি। সে রকম ফিল হলে দু:খিত।
বকুল০৮ বলেছেন:
লেখাটা ইন্টারেস্টিং ..... তার চেয়ে ইন্টারেস্টিং হলো সীমান্ত বাদে যারা আপনার সাথে সহমত পোষন করেছে (সাথে হয়তো + ও নিবেদন করেছে) সব্বাই ই সামুব্লগের স্বীকৃত জামায়াত-শিবির-রাজাকার-ছদ্মবেশী জাতী্য়তাবাদী (যারা লজ্জায় নিজেদের জামায়াতী-মুসলিম লীগিয় পরিচয় দিতে চায় না, অনেকটা আপনার মত) ঘরানার ব্লগার। এর মধ্য দুজন তো আবার নিজেদের সাচ্চা মুসলিম হিসেবে জাহিরে সদাব্যস্ত থাকলেও নিক রেখেছে অন্য ধর্মের। তাই লেখাটি পড়ার সাথে সাথে সহমত পোষণকারীদের আসল পরিচয় পেয়ে দারূন মজা পাইছি।আচ্ছা ইসলামে কাদের মোনাফিক বলা হয়?
লেখক বলেছেন: লেখাটা কেন ইন্টারেস্টিং তাতো বললেন না।
পথ হারা পাখি বলেছেন:
মসজিদে রাত্রিনিবাস ও ধ্যানের ব্যাপারে ইসলামে কিছু নেই তা না। বরং তাবলীগের জন্মের ঢের আগে রাসুল (স) রমজানের শেষ ১০ দিন পুরুষদের জন্য মসজিদ আর মহিলাদের গৃহঅভ্যন্তরে নিবীড় ধ্যানের উপদেশ দিয়েছেন। এর বাত্যয় ঘটিয়ে দল বেঁধে বছরব্যাপী মসজিদ ভ্রমন কিছুতেই কল্যানকর কিছু হতে পারেনা। এটা স্বরচিত সুন্নত (!) বা বড় জোড় 'ইসলামি বৈরাগ্যবাদের' চর্চা হতে পারে।
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
সহমত
এ সামাদ বলেছেন:
লাইম লাইটে আসার জন্য তুমি এইটা লিখেছ এটা আমি বুঝতে পেরেছি। এজন্য মন্তব্য করলাম না। তুমি আরো লেখ তোমার কলমের কালি আরো বেশি হোক। যেন না ফুরাই।
লেখক বলেছেন: কে হে ভ্রাত হটাৎ তুমি সম্বোধন করছেন। আমি যখন যা মনে আসে লিখি। প্রচার ও প্রসারের জন্য নয়।
দাম বলেছেন:
সহমত +
লেখক বলেছেন: আইলাম
ডট কম ০০৯ বলেছেন:
এটা স্বরচিত সুন্নত (!) বা বড় জোড় 'ইসলামি বৈরাগ্যবাদের' চর্চা হতে পারে
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন:
চোর, ডাকাত, ঘুষখোর, পেশাদার খুনী অনেকেই চুলে পাক ধরলে দিব্যি তাবলীগে যোগ দিয়ে ফেলেন। খুবই সত্য কথা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
অবয়ব বলেছেন:
""শিবির, লীগ, দল, ফ্রন্টের টানাটানি থেকে বাচতে ফার্স্ট ইয়ারে কূশলী অনেকে 'তাবলীগের লেবাস' নিয়ে ফেলেন। তবে সেটাও কম কঠিন নয়। এ বয়সে দাড়ি, পান্জাবির ভাড় বহন করা কি চাট্টিখানি কথা! এ ধরনের বেশ কজনকে চিনি যারা স্নাতক শেষে দিব্যি দাড়ি ফেলে দিয়েছেন!""নির্মম সত্য কথা। এছাড়া আরেকটা কথা বলি। যারা টুপি দাড়ি রাখে স্যাররা মনে করেন, তারা ছেলে ভাল, পড়াশুনা, ধর্ম কর্ম ছাড়া আর কিছু বুঝে না। ফলে পরীক্ষার সময় এরা অন্যদের তুলনায় স্যারদের কাছ থেকে একটু হলেও আলাদা নজর পায়।
""চোর, ডাকাত, ঘুষখোর, পেশাদার খুনী অনেকেই চুলে পাক ধরলে দিব্যি তাবলীগে যোগ দিয়ে ফেলেন। ঘুরতে থাকেন এ মসজিদ থেকে ও মসজিদ। যথারীতি বয়ান দিতে থাকেন আসরের নামাজের পর। কবর, হাশর নিয়ে বয়ান করতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন। অদ্ভুত এক ব্যাপার- অদ্যাবদী ১টাকা ঘুষ ফেরত এসেছে, রাস্ট্রীয় কোষাগার লুট করা ১টি পয়সাও ভুল বুঝতে পেরে ফেরৎ দিয়েছেন, কারো উপর অন্যায়ের জন্য মাফ চেয়েছেন তেমনটি দেখিওনি, শুনিওনি। কিন্তু আল্লাহর কাছে রাতদিন মাফ চাইছেন, ফাজায়েলে আমাল পড়ছেন, বয়ান করছেন! আল্লাহ কে যে, তাদেরকে মাফ করবে? আল্লাহর কি কোন অধিকার আছে আরেকজনের মেরে দেয়া টাকা মাফ করার?""
ভাল লাগল পড়ে। +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
মো. ইব্রাহীম হুসাইন বলেছেন:
interesting...............
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
প্রায় সহমত।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
এ বিষয়টি নিয়ে আপনার সাথে আরো বিস্তারিত আলাপনের ইচ্ছা ছিল, পাললিক মন। কিছু মাঝ পথে কট্টর জামাতীদের সহমত জানিয়ে কেটে পড়তে দেখে সেটারও আপাতত রুচি হচ্ছেনা।আপনার প্রিয় পোস্টের তালিকা কিছুটা হলেও ইঙ্গিত দেয় বৈকি!কে কী করল বা না করল সেটি যাচাই বাছাইয়ের আগে আমি নিজে কি করলাম সেদিকে তাকানো দরকার। তাবলীগের মধ্যে অনেক বন্ধুকে পেয়েছি যারা ঘোরতর ছাত্রলীগ সমর্থক (!), প্রায় সবাই শিবিরের ঘোর-বিরোধি! কথা সত্য। আবার এটিও সত্য ছাত্র রাজনীতির কোপানল থেকে বাচতে অনেক সাধারণ ছাত্র তাবলীগের সাথে উঠা বসা করে।
চোর, ডাকাত, ঘুষখোর, পেশাদার খুনী অনেকেই চুলে পাক ধরলে দিব্যি তাবলীগে যোগ দিয়ে ফেলেন। ঘুরতে থাকেন এ মসজিদ থেকে ও মসজিদ। নবীজীর কাফেলার মাঝেও মোনাফেক ছিল, আর কেউ যদি শেষ বয়সে প্রায়শ্চিত্য করতে তাবলীগে নাম লেখায় তাহলে তাকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতে হবে, এটি তো ধর্মের কথা হতে পারেনা।
এটার অতিরন্জনে ২য়, ৩য়, ৪র্থ সম্মেলন করে, কাল্পনিক সওয়াব আশা করা কেমন কথা? কেউ কেউ বলতে পারেন- এখানে মানুষ প্রশিক্ষন লাভ করে। আসলে কি তাই? প্রশিক্ষন কি এত সোজা? আর প্রশিক্ষনের খোদা ও তার নবীরাসুলদের প্রদর্শিত টেকনিক কিংবা রেফারেন্স বই পুস্তক কি এসব?
সত্যি কথা বলতে কী, আমি কিন্তু জামাত পন্থী ছাড়া এ ধরনের বক্তব্য কোন আলেম, মুফতি, শায়খ কে দিতে শুনিনি। হাজীরা সৌদীতে হজ্জ্ব করতে গিয়ে বিনা মূল্যে যে তাফসীরে মারেফুল কোরআন পান, মুফতী শফীর লেখা উনি নিজেই সাক্ষাৎ করেছিলেন তাবলীগের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইলিয়াসের সাথে এবং সমর্থন ও সাধুবাদ জানিয়ে গিয়েছিলেন। এটাকে হজ্জ্বের বিকল্প বা ধারেরর কাছে কিছু বলা হয়নি হচ্ছেও না। আপনি আপনার অফিস, দৈনন্দিন কাজ, পার্থিব বিষয়াদি ফেলে স্রষ্টার জন্য কতটা টান, সময়, শ্রম দিবার মানসিকতা রাখেন বা রাখার চর্চা রাখতে চান সেটির একটি মহড়া মাত্র, এ মহড়া তাবলীগের জন্য না ভেবে স্রষ্টার টানে ভাবলে সুবিধে হয়। গরীব মানুষেরা এত গুলো স্রষ্টার রাস্তায় এত মানুষের ঢল দেখে এক স্বর্গীয় টান অনুভব করে, স্রষ্টাকে স্মরণ করার জন্য যেকোন জনসমাবেশকে চ্যালেঞ্জ করার মত ধর্মীয় ভিত্তি কোথায়?
তাবলীগের সমস্যা গুলো আমি অন্য ভাবে দেখি, জামাত পন্থীরা যেমন কিছুর ব্যাপারে মওদুদী রচিত তাহফীমূল কোরআনে বুদ হয়ে থাকে, তাবলীগের দৌড় হল ফাজায়েলে আমল। তারা পথ ভ্রষ্টতার ভয়ে কোরআনের অনুবাদও পড়ার সাহস করেনা। পরিবার পরিজনের দায়িত্ব ফেলে যেভাবে দিনের পর দিন বাইরে কাটায় সেটি দৃষ্টি কটু। এত কিছুর পরেও মুসলিম হিসেবে আপনার কর্তব্য হল যে যেভাবে যতটুকু ইসলামের জন্য শ্রম দিচ্ছে সেটিকে শ্রদ্ধার দৃষ্টিতে দেখা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের হল গুলোতে দু'চার টা তাবলীগের যে ছেলে গুলো আছে ওরাই দাড়ি রাখে, জিকির করে , নফল সুন্নত নামায ঠিক মত পড়ে, চোখ কান, মুখকে যথা সম্ভব মন্দ ব্যবহার থেকে দূরে রাখে। ওরা না থাকলে তরুণদের মাঝে এই প্রচেষ্টা দেখানোর মত কেউ থাকতনা। এখন আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন রিচ্যুয়াল গুলো আপনি বা আপনার সমমনা রা কতটুকু পালন করে বা করছে? স্রষ্টা কার প্রার্থনা কখন কিভাবে কবুল করছেন, সেটি তিনিই ভাল বলতে পারবেন। অন্তত অমুক ইমাম জামাত করে বলে তার পিছে নামায পড়া হারাম, বা ওমুক ইমাম তাবলীগের মত বেদাত করে বলে তার পিছে নামায পড়া মাকরূহ- এ সমস্ত বিভাজনমূলক কথা বলে নিজের সমমনাদের দল ভারী হবে কিন্তু আদতে ধর্মের জন্য সেটি প্রচন্ড হানিকর।
লেখক বলেছেন: কিছু মাঝ পথে কট্টর জামাতীদের সহমত জানিয়ে কেটে পড়তে দেখে সেটারও আপাতত রুচি হচ্ছেনা।আপনার প্রিয় পোস্টের তালিকা কিছুটা হলেও ইঙ্গিত দেয় বৈকি!
তাহলে তো আপনাকে প্যান্ট পড়াও ছেড়ে দিতে হবে কেননা, জামাতীরা প্যান্ট পড়ে! ইন্টারনেট ব্যব হার বাদ দিতে হবে, জামাতীরাও তা করে! কি আমার রুচির জাহাজ।
আমার প্রিয় পোস্ট ক্যামনে আপনেরে চুলকাইল তাও বুঝতাছিনা।
আমার অবজারভেশ গুলোর সাথে একমত পোষনও করলেন আবার পেরেক মারতেও ছাড়লেননা!
বুড়া শয়তানরে তাবলীগ থেকে বের করে দেয়ার কথা তো আমিও বলিনি। খুশি হতাম কোন একটি শয়তানও যদি পুরানা পাপগুলোর ন্যায্য প্রায়:শ্চিত্ত করত। তা ত হয়না। বরং মরার আগে কবরের ভয়ে চিল্লা দেয়। 'গাছেরটাও খাবে তলারটাও কুড়াবে'- তাবলীগ এ দর্শনের মহান আখড়ায় পরিনত হয়েছে দেখেই আমার বক্তব্য।
স্রস্টাকে স্মরন করবার কি স্রস্টা নির্দেশিত কোন রাস্তা নেই? রাস্তার খোজঁ না করে ক্ষেতের আইল ধরে হাঁটলে সাধুবাদ জানানোর কি আছে? "পথ ভ্রষ্টতার ভয়ে কোরআনের অনুবাদও পড়ার সাহস করেনা!" এ একটা কথা কি সমস্ত মুর্খতার নির্জলা স্বীকৃতি নয়?
কোন ভিত্তিতে আপনি টংগীর ইজতেমাকে ধর্মীয় সম্মেলন বলছেন? তাহলে পল্টনের সম্মেলন গুলো কোন দোষে ধর্মীয় সম্মেলন নয়?
বায়োস্কোপ বলেছেন:
সহমত
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
পুরোপুরি সহমদ, আমার পাশের রুম হলের তাবলীগের হেডকোয়ার্টার। কাজেই আমার একমত না হয়ে উপায় নাই
জুমানজি১১ বলেছেন:
সাঈফ শেরিফ এর কমেন্টের সাথে একমত।আমি সাথে কিছু যোগ করি। যারা নেগেটীভ কমেন্ট করেছেন তাদের কয়জন তাব্লীগ এ সময় দিএয়েছেন (৩, ৭, ১০, ৪০...) জানলে ভালো হত। কিন্তু যদি কেউ তাব্লীগ এ না গিএ কেবল বাহির থেকে কমেন্ট করেন তাইলে আমি বলব মিস্টি খেতে কেমন তা না ছেখে দেখা পর্যন্ত বোঝাটা দুস্কর বৈকি!
যেই দল কোনো টাকা পয়সা চায় না, বাতসরিক চাদা তোলে না, কারো সাতেও নাই পাচেও নাই, গরীব হোক আর বড়লোক সবাই এক থালে ভাত খাচ্ছে, রিকশাওলাকে যয়েন্ট সেক্রেটারী ভাই বলে সম্বোধন করছে (and vice versa) তাদের মাঝে এতো গুলা ভালো গুন থাকা সত্তেও আমরা খালি ছিদ্র অন্বেষণে ব্যস্ত...বড়ই হাস্যকর। হুযুর (সা
সাইফ শেরিফ এর একটা কথা খুব খেয়াল কইরা...বিশ্ববিদ্যালয়ের হল গুলোতে দু'চার টা তাবলীগের যে ছেলে গুলো আছে ওরাই দাড়ি রাখে, জিকির করে , নফল সুন্নত নামায ঠিক মত পড়ে, চোখ কান, মুখকে যথা সম্ভব মন্দ ব্যবহার থেকে দূরে রাখে। ওরা না থাকলে তরুণদের মাঝে এই প্রচেষ্টা দেখানোর মত কেউ থাকতনা। এর চেয়ে বড় বাস্তব আর কিছু নাই তরুন সমাজের যে হাল।
আরেক ব্লগার বলেছেন যে দাড়ি টুপি থাকলে স্যার রা প্রেফার করে...আমাদের ক্লাসে দুইজন ছিল...এরা বেশীরভাগ সময় ই পরিস্কার আক্ক্রোশ এর শিকার হইসে স্যারদের...অনেকের ই ভাবটা এরকম...আজকের এই ডিজিটাল দুনিয়ায় দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠে কএক্টা সেকেলে আশ্ছে পড়তে।
আরো অনেক কিছু লেখার ছিল কিন্তু আমার লেখা অগোছাল তাই আর বাড়ালাম না...তবে যারা তাব্লীগ এর মধ্যে অনেক দোষ পেয়েছেন হতে পারে সত্যি কি মিথ্যা তাদের জন্য একটি গ্রাম্য প্রবাদ স্মরণ করিএ দিতে চাই...'' চালনী কয় হুইচ (সূচ) রে, হুইচ তোর পু_কি ছেদা''. Sorry for the Vulgar word.
লেখক বলেছেন: তাবলীগরাই ভালো বা ভালোরাই তাবলীগ ২ টাই ফালতু কথা। মানুষের ভালোত্বকে শিবির, তাবলীগ, মিলিটারী, সৌদি এসব বিশেষায় না নিলেও চলে।
কেননা- মিথ্যাবাদী, ঘুষখোর, সন্ত্রাসী, চোর, গীবতকারী, ঝগড়াটে, অপবাদদানকারী, প্রতিবেশীকে কস্টদেন এমন তাবলীগও কম না।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
বহু ছেলেকে দেখেছি চুটিয়ে প্রেম করছে, হঠাৎ করে প্রেমের মোহের মঞ্চ থেকে বেরিয়ে তাবলীগ হয়ে গেল। আপাত দৃষ্টিতে খারাপ এ কারণে যে একটা মেয়ে ভালবাসার মানুষটির সঙ্গ থেকে বঞ্চিত হল। কোন একদিন দুপুরে লাঞ্চ করার দাওয়াত দিলে দেখি সে রোজা রেখেছে। এ বয়সে এ যুগে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাচতে সে সংযম সাধনা করছে দেখে বিস্ময়ে হতভম্ব হয়ে যাই। কাকরাইলে বৃহস্পতিবার গিয়েছি বেশ ক'বার বয়ান শুনতে। মাঝে মাঝে ভাল লাগেনি, মাঝে মাঝে মনে হয়েছে পৃথিবী নির্মম, বর্বর, অমানবিক বাস্তবতা থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছি। সপ্তাহান্তের ছুটিতে ছেলেরা গার্ল ফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরছে, কেউ মুভি দেখছে, কেউ নামায কাযা করে ঘুমাচ্ছে, কেউ বন্ধু-বান্ধব নিয়ে আড্ডা দিচ্ছে, পরনিন্দা করছে আড্ডায় অশ্লীল প্রসঙ্গ তুলছে। সেখানে ঠিক এই বয়সের তাবলীগের ছেলেরা যা করে ছুটির দিনে, সেটি বিস্ময়কর। চাকুরি পাবার সুবিধার্তে ছেলেরা দাড়ি শেভ করে ফেলছে অথচ ওরা সমাজে কটু দৃষ্টি উপেক্ষা করে দাড়ি রাখছে। মিটিং এর অজুহাতে নিজের অনেক নামায কাযা করেছি, কিন্তু ওদের দেখেছি পরীক্ষার ফেলে পরীক্ষার মাঝে নামায পড়ে নিতে, এমন কি বিদেশে খোলা রাস্তায় দাড়িয়ে এক কোণায় নামায পড়ে নিল। এধরনের অভ্যেস দুনিয়ার কোন কোন ফায়দা হাসিলের জন্য সেটি জানতে ইচ্ছে করে।
লেখক বলেছেন: নামাজ, রোজা, হজ্জ, জাকাত, পরোপকার কারী লক্ষ লক্ষ অ-তাবলীগিযে রয়ে গেল তা আপনার চোখে পড়লনা। আর এগুলো করতে হলে যে তাবলীগ করতে হয় তাও আমি জানতামনা।
হায়রে! গত ১২৫০ বছরের মরহুম মুসলিমরা তো তাহলে বরবাদ হয়ে গেল। গত শতাব্দীর দিল্লি হতে উদগত তাবলীগ যে তখনো পয়দা হয়নি।
নরাধম বলেছেন:
হাহাহহা.......ভাল লিখেছেন, তবে জামাতি চিন্তাচেতনাটা ঠিক ঢাকতে পারেননি। মোটামোটি শিবিরের পোলাপাইনরা এসব কথাই বলে।
আপনি ঠিক বলেছেন যে তাবলীগের লোকজনে জামাতিকে পছন্দ করেনা, যদিও জামাতিদের নিয়ে তাবলীগিরা তেমন মাথা ঘামাইনা। কিন্তু তার থেকেও বেশী সত্য যে জামাতিরা তাবলীগিদেরকে পারলে পিঠাই। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মসজিদে তাবলীগিদের বইপত্র ছুড়ে ফেলে দেয় নিয়মিত জামাতিরা। এসবের আমি প্রত্যক্ষ সাক্ষী। অবশ্য এটার একটা কারন আছে, তাবলীগে পারসোনাল পায়েটীকে যেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় সেরকম করলে জামাতিদের রিক্রুটমেন্ট হবেনা। তাই বলা যায় তাবলীগ প্রসার হলে জামাতের সমস্যা আছে।
তবে তাবলীগের লোক ছাত্রলীগ-আ'লীগ করে এটা মিন করানো মনে হয় আপনার পোস্টের সবচেয়ে হাস্যকর ইস্যু। আমি নিজে আ'লীগ, বিএনপি, জাপা বা পার্টীহীন সবাইকেই হাজারে হাজারে দেখেছি। শুধু শিবির নাই। ঢাবি'তে শিবিরের কোন পোলা ভুল বুঝতে পেরে শিবির থেকে সরে এসে তাবলীগ করলে তাকে রাতের আঁধারে পিঠিয়ে তক্তা বানানো হয়। এটারও আমি নিজে সাক্ষী। একজনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাসিয়ে দেয়া হয়।
যাই হোক, এসব পোস্ট দিয়ে তেমন কাজ হবে বলে মনে হয়না। তাবলীগ তো দিনদিন অবিশ্বাস্যভাবে বেড়েই চলছে। পেরু বা মেক্সিকো, সুরিনাম বা মালি এসব দেশের দুরবর্তী অন্ঞলে ইসলাম যাদের পুর্বপুরুষদের ধর্ম ছিল অথচ এখন ভুলে গেছে তাদের ধর্ম কি, এসব মানুষকে আবার ইসলামের দিকে আনতেছে এসব আপনার ভাষায় মূর্খ তাবলীগিরা। মূর্খ যেহেতু ইম্প্লাই করতেছেন তাই প্রসংগক্রমে বলি, আমি এখানে যে শহরে থাকি সেখানকার তাবলীগি আমীর এমআইটি থেকে পাশ করা লোক। নর্থ-সাউথের আর্কিটেকচারের প্রতিষ্ঠাতা।অবশ্য এটাও ঠিক যে রাসুল (সাঃ) এর প্রথম দিকের অনুসারীরা বেশিরভাগই সমাজের নিম্নস্তরের মানুষই ছিল। সকল ধরণের পরিবর্তন সমাজের নিম্নস্তরের মানুষ দ্বারাই আসে।
লেখক বলেছেন: এম আই টি, বুয়েট, ঢাবি থেকে পাশ করা প্রচুর ২ নম্বরী লোক সমাজে পাবেন। তারা যেমন ২ নম্বরীকে জায়েজ করেনা তেমনি তাবলীগের ভরে ২/৪ জন এম আই টি, বুয়েট, ঢাবি এটাকে জাস্টিফাই করেনা।
শিবির বনাম ছাত্র-তাবলীগ একটা জমজমাট আলোচনা হতে পারে; বা জামাত বনাম তাবলীগ, সেটা এ লেখার আওতার বাইরে।
নরাধম বলেছেন:
তাবলীগের যারা বিরোধিতা করে তাদেরকে প্রধাণত দু-শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
১। শিবির-জামাতি
২। মাজারপন্থি।
আপনার পোস্টটা প্রথম ক্যাটাগরির।
Click This Link
এই পোস্টটা দ্বিতীয় ক্যাটাগরির।
আমি প্রায় ৬-৭ বছর ধরে কিছুটা হলেও তাবলীগের চেষ্টা করি। আমার চোখে তাবলীগের অনেক সমস্যা ধরা পরে। কিন্তু আমি তবুও লেগে থাকি। কারন মানুষকে আমূল পরিবর্তন করার জন্য তাবলীগ ছাড়া কোন পন্থা নেই, ওখানে ৪০ দিন সময় দিয়ে মানুষ যেরকম গড়ে পরিবর্তন হয়, সেরকম মনে হয় আপনার নিজামী-মুজাহিদের পিছনে ঘুরে সারা জীবনেও হতে পারবেনা। তাই মুজাহিদ বলে তারাই স্বাধীনতা এনেছে, তারাই স্বাধীনতা রক্ষা করবে।
লেখক বলেছেন: নীচে দেখুন
নরাধম বলেছেন:
আপনার কথামতে মসজিদকে পাঁচবার নামাজ পড়ে তালা দিয়ে রাখা যায়, শুধু সারাদিনে ধরেন সবমিলিয়ে মসজিদ ১ ঘন্টা খোলা থাকল ৫ বার নামাজের জন্য। গির্জা বা মন্দিরও এরকমই খোল থাকে। রাসুল (সাঃ) এর সময় অবশ্য সবসময় মসজিদ আবাদ থাকত। মধ্যরাতে ১টা আজান দেয়া হত। এখনও মদীনায় মধ্যরাতে সহ ৬টা আজান দেওয়া হয়। যারা মসজিদে ছিল তারা বাসায় যাবে আর যারা ঘুমিয়ে ছিল তারা মসজিদে ইবাদৎ করতে আসবে এটাই ছিল উদ্দেশ্য। সমস্তধরণের সামাজিক কাজ মসজিদেই হত।আপনার কথামত সেটা না করে গির্জাস্টাইলে সানডে সার্ভিসের মত মসজিদে ৫ বার খোল রাখাটাই মনে হয় ভাল।
তাবলীগের যারা বিরোধিতা করে তাদের সবচেয়ে সমস্যা হচ্ছে বড় কোন ইস্যু নাই! এজন্য আসব আলতু-ফালতু ছোটখাট ত্যানা-প্যাঁচানো মার্কা কথা বলতে হয়।
নরাধম বলেছেন:
আপনার পোস্টের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ঠ্য মনে হচ্ছে কমেন্টকারীরা। সামুর সবচেয়ে চিহ্নিত রাজাকার ছাগুরা আপনাকে বাহবা দিচ্ছে। আর কি বলার আছে?
ত্রিভুজ বলেছেন:
নরাধম এর বিষয়ে আমি একটা অনুমান করেছিলাম। অনুমান নির্ভর কথা বলা অনুচিত তাই বলিনি। নরাধম তাহলে তাবলিগ পন্থী? ভুল হলে জানিয়ে দিবেন।
বিডি আইডল বলেছেন:
কোন বিষয়ে না জেনে বা অল্প জেনে পোষ্ট দেওয়া ভালো...মজা পাইলাম
ত্রিভুজ বলেছেন:
বিডি আইডল, তাবলিগ এর বিষয়ে জানতে আগ্রহী। আপনি এই বিষয়ে একটা বিস্তারিত পোস্ট দিতে পারেন।
বিডি আইডল বলেছেন:
@ ত্রিভুজ...তাবলিগ নিয়ে পোষ্ট করার মত জ্ঞাণ, সময়, ধৈর্য, ইচ্ছা কিংবা তাবলীগের প্রতি সফট কর্ণার কোনটাই নাই....আপনি বরং তাবলিগের ভুল-ত্রুটি গুলো নিয়ে একটা পোষ্ট দিতে পারেন...কিছু জানতে পারবো হয়ত
নরাধম বলেছেন:
ত্রিভুজ, তাবলীগপন্থি বলতে কি বুঝাতে চাচ্ছেন সেটা পরিষ্কার না। তাবলীগ কোন পার্টী বা মতাদর্শ না, আ'লীগ করলে আওয়ামীপন্থী, বিএনপি করলে বিএনপিপন্থী, জামাত করলে রাজাকারপন্থী বলে, কারন এসব রাজনৈতিকদল। তাবলীগ সেরকম কিছু না। আবার এটা সমাজতন্ত্র বা পুঁজিবাদের মত কোন মতাদর্শও না। তাই তাবলীগপন্থী বলাটা একটা অক্সিমরন। তবে আমি মাঝে মাঝে তাবলীগে যাই, যদিও তাবলীগে গিয়ে লোকজন যেভাবে পরিপূর্ণ ইসলাম মানতে শুরু করে সেরকম ঈমানের জোর আমার নেই। তবুও প্রচন্ড প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও ইসলামকে মেনে চলার চেষ্টা করি এবং নিজেকে মুসলমান হিসেবে পরিচয় দিতে আমি গর্ববোধ করি। আমি বিশ্বাস করি এই যে সামান্য পরিমান হলেও খুবই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ইসলামের উপর চলার চেষ্টা করা, এয়ারপোর্টে, বিমানে বা ট্টেনে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ইনফেরিয়রিটি কমপ্লেক্স ছাড়া নামাজ পড়ার চেষ্টা করা, এসব তাবলীগে যাওয়ার জন্যই আমার ক্ষেত্রে অনেক সহজ হয় মনে হয়। তাবলীগে না গিয়ে এসব করা যাবেনা সেটা বলছিনা, কিন্তু অন্তত আমার ক্ষেত্রে ইসলাম মানা অনেক সহজ হয় তাবলীগের সাথে লেগে থাকলে।
তাবলীগের ভালমন্দ পোস্ট দিয়ে বুঝানো সম্ভব না। There are things you have to understand first and then do and there are things you have to do to understand. তাবলীগে পরে দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে। তাই আপনি যদি বুঝতে চান তাহলে ৩দিন সময় লাগাতে পারেন। ভুল ধরতে যাওয়ার জন্য গেলে অবশ্য আবার সমস্যা। ওপেন মাইন্ড নিয়ে যান, যদি আসলেই বুঝতে চান। যে একটা অসম্ভব স্বর্গীয় অনুভূতি তাবলীগে সময় লাগালে পাওয়া যায় সেটা বাইরে থেকে কোনদিনই বুঝা সম্ভব না। যেমন এই পোস্টের লেখক কোনদিন তাবলীগে যাইনি, সেটা লেখা দেখেই বুঝা যায়।
আর যদি একান্তই না গিয়ে কিছুটা নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোন থেকে ধারণা পেতে চান, তাহলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডঃ ইয়াহিয়া আক্তারের "তাবলীগ: সমাজবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে" বইটা দেখতে পারেন। ইয়াহিয়া আক্তার ভাল সমাজবিজ্ঞানী, তিনি তাবলীগে কোনদিন যাননি। এখন সমাজবিজ্ঞান গবেষক হিসেবেই লিখেছেন বইটা। আবারও বলছি, তাবলীগে না গিয়ে কোনদিনই তাবলীগ সম্পর্কে বুঝা সম্ভব না।
লেখক বলেছেন: তাহলে আমাকে চুলায় ঢুকে বুঝতে হবে গরম কেমন, আটলান্টিকে ডুব দিয়ে বুঝতে হবে সাগর কেমন, সর্ব হারায় যোগ দিতে হবে ঐটা কেমন, ট্রাক চালানো শিখতে হবে সেটা কেমন!!!!
ভাই মাফ করেন।
অদ্ভুতুড়ে বলেছেন:
আমার বুয়েটের হলের এক রুম-মেট, বিকালে নামাযের পর তাবলীগি বয়ান শুনে রুমে এসে ব্রিটনি স্পিয়ার্সের গান শুনতেন।
অদ্ভুতুড়ে বলেছেন:
আমার বুয়েটের হলের এক রুম-মেট, বিকালে নামাযের পর তাবলীগি বয়ান শুনে রুমে এসে ব্রিটনি স্পিয়ার্সের গানের ভিডিও দেখতেন।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
নরাধম ভাইয়ের ২৮ নম্বর ক্লাসিফিকেশনের সঙ্গে একমত নই। আমি জামাতিও না, রাজনৈতিক সংশ্রব কখনই ছিলোনা (চাইলে খোঁজ নিতে পারেন) আর মাজারপন্থাকে ঘৃণা করি।তাবলীগের যেটা খুব বিরক্তি ধরায় সেটা হলো ওদের ‘বাড়াবাড়ি’ করা। জোর করে নাম লেখানোর চেষ্টা করা। নামাযী হিসাবে পরিচিত ছিলাম ইউনিতে। তারপরও, আমাকে অনেক বিষয়েই জোরাজুরি করতো। আমার পাশের রুমের কেউ তো নামাযই পড়তো না। তাদের থেকে তো তারা দূরেই থাকতো। হলে এমন এক ভাই ছিলো, পরের দিন পরীক্ষা আছে, জানার পরও জোর করে বয়ান শুনিয়ে দিত। তবে, এটা ঠিক যে, আমার দেখা ছেলে গুলো খুব ‘Calm’!
লেখক বলেছেন: পরিমিতিবোধ নাই বললেই চলে।
কোন মেসেজ নেয়না, তোতা পাখির মত বলতে থাকে।
দামাল ছেলে বলেছেন:
আমার পরিচিত এক চরম বখাটে আর উদ্ভট ছেলে তাবলিগে গিয়ে লম্বা জামা, পাগড়ি আর দাড়ি নিয়ে ফিরে এলো। নিয়মিত তাবলিগের বৈঠকে বসে আর অন্যদেরও দাওয়াত দেয়। দেখে খুব ভালো লাগল।কিন্তু, একদিন পাড়ার এক গলিতে তাকে দেখতে পেলাম মহল্লার অন্যান্য বখাটে ছেলেদের সাথে। ভেবেছিলাম, বখাটেদের সাথে ঘোরাঘুরি বন্ধ করেছে সে। কিন্তু একি! তাকে দেখলাম ওদের সাথে গাঁজা টানতে। সেই লম্বা জামা আর পাগড়ি মাথায় দিয়েই.......!
সেদিন থেকে বুঝলাম, তাবলিগ আসলে মানুষের খোলসটাকে পরিবর্তন করে মাত্র।
দামাল ছেলে বলেছেন:
আমার পরিচিত এক চরম বখাটে আর উদ্ভট ছেলে তাবলিগে গিয়ে লম্বা জামা, পাগড়ি আর দাড়ি নিয়ে ফিরে এলো। নিয়মিত তাবলিগের বৈঠকে বসে আর অন্যদেরও দাওয়াত দেয়। দেখে খুব ভালো লাগল।কিন্তু, একদিন পাড়ার এক গলিতে তাকে দেখতে পেলাম মহল্লার অন্যান্য বখাটে ছেলেদের সাথে। ভেবেছিলাম, বখাটেদের সাথে ঘোরাঘুরি বন্ধ করেছে সে। কিন্তু একি! তাকে দেখলাম ওদের সাথে গাঁজা টানতে। সেই লম্বা জামা আর পাগড়ি মাথায় দিয়েই.......!
সেদিন থেকে বুঝলাম, তাবলিগ আসলে মানুষের খোলসটাকে পরিবর্তন করে মাত্র।
লেখক বলেছেন: কি?
মাসুদুল হক বলেছেন:
কে তাবলিগ সমর্থন করে, কে করে না এসব নিয়ে নিজেদের মধ্যে লাগার কোন মানে হয় না। আবার অনেকে তাবলীগ করা মানুষদের দেদারসে দুর্নামও করছেন। কেউ তাবলিগ বা অন্য যেকোন ধর্মীয় প্রচারণা মূলক কাজ করে যদি পরে অন্যায় করে সে দোষ কি সে তাবলিগ বা ধর্ম প্রচারক সংঘের না তার ব্যক্তিগত?
কোরআনে আল্লাহ বলেছেন,দ্বীনের প্রচারে নিয়োজিত থাকা সব মুসলমানেরই অন্যতম দায়িত্ব। সে দায়িত্ব পালনের রয়েছে অনেক অপশন, কোনটা সবচেয়ে ভাল অপশন সেটা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে যার কাছে যেটা সুলভ সেটা অন্তত পালন করা উচিত।
তাবলিগ এসব অপশনের মধ্যে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি অপশন।যা পুরো পৃথিবীতে হাজার হাজার মানুষকে ধর্মীয় জীবনের দিকে নিয়ে আসছে। মোদ্দা কথা তাবলিগ হল ধর্ম প্রচারের একটি পদ্ধতি,যেমন বক্তব্য দেয়া,লেখালিখি করা এগুলোও এক একটা পদ্ধতি...
তাই এ পদ্ধতিতে আপনি অংশগ্রহন করুন বা নাই করুন নিন্দা করার কোন কারন আমি দেখি না...
নরাধম বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তাহলে আমাকে চুলায় ঢুকে বুঝতে হবে গরম কেমন, আটলান্টিকে ডুব দিয়ে বুঝতে হবে সাগর কেমন, সর্ব হারায় যোগ দিতে হবে ঐটা কেমন, ট্রাক চালানো শিখতে হবে সেটা কেমন!!!!ভাই মাফ করেন।
বাহ্, আপনার ডিডাকটিভ পাওয়ার খুবই দারুন। খুবই মজা পাইলাম। এই না হলে আর জামাতি!
তবে এটা ঠিক যে গরমে কোনদিন না গেলে গরম কেমন বুঝবেননা।এন্টার্কটিকার পেন্গুইন আগুনের গরম কেমন সেটা জানেনা। রসগোল্লা না খাইলে রসগোল্লার মাহাত্ব বুঝবেননা, এজন্য ঝান্ডুদাকে ইটালিয়ানদেরকে রসগোল্লা খাওয়াইতে হইছিল।(আমার যদ্দুর মনে আছে)। সাগর কেমন আটলান্টিকে না ডুবলেও অন্তত কোনদিন দেখতে হবে সামনাসামনি। ট্রাক চালিয়ে কেমন লাগে সেটা না চালিয়ে কখনও বুঝা সম্ভব না। চালাতে দেখা আর চালানো একই না। সর্বহারা একটা রাজনৈতিক আন্দোলন (অন্তত একসময় বইখাতায় এরকম বলত তারা), তাদের আদর্শের সাথে না মিললেও, তাদেরকে ডীপলি বুঝতে হলে অবশ্যই তাদের সাথে অনেক মিশতে হবে ইনসাইডার হয়ে, অন্তত এনথ্রপলজিস্টরা সেটাই বলেন।তেমনি গোলাম আজমের জীবনী পড়ে তাবলীগ বুঝবেননা।
"লেখক বলেছেন: পরিমিতিবোধ নাই বললেই চলে।
কোন মেসেজ নেয়না, তোতা পাখির মত বলতে থাকে।"
এটা ঠিক বলেছেন। শিবিরও কোন মেসেজ নেয়না। তোতাপাখির মত নিজামী-মুজাহিদের শিখানো বুলিই চালাই। যারা সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনে আছে তারাও কোন মেসেজ নেয়না। তাবলীগ যারা করে তারা তো আরো অনেক ডীপলি ইনভলভড, তারা প্র্যাকটিকেলি একটা প্রসেসের ভিতর দিয়ে গেছে, ৪০দিন চিল্লা দিচ্ছে, তারা আপনার নিজস্ব পদ্ধতির মেসেজ নেওয়ার কথা না।
পরিমিতিবোধ বলতে যদি বুঝান শিবিরের ছেলেদের মত নামাজও পড়ব,
আবার মেয়েদের সাথে টাংকিও মারব বা তথাকথিত আধুনিক দেখানোর জন্য সব ধরণের মুভিকে হালাল বলব, তাইলে সে ধরণের পরিমিতিবোধ তাবলীগিদের নাই বললেই চলে। রিচুয়ালের ক্ষেত্রে তারা অনেক বেশি স্ট্রিকট।কেউ তাদেরকে মোল্লা বলবে কিনা, ব্যাকডেটেড বলবে কিনা সেটার একদমই কেয়ার করেনা।আমি লেইট-টীনেজে এগনস্টিক ছিলাম, ঢাবি'তে আমার বন্ধু মাসুমের এই একটা কোয়ালিটিই আমাকে তাবলীগের দিকে টানে এবং বিশ্বাসী বানায়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে শিবিরের কাজকর্ম গভীরভাবে দেখেছি, প্রথমদিকের লুইচ্চারা ছিল সব শিবির। ঢাবিতে এসে দেখলাম একটা ছেলে সম্পূর্ণভাবে পাগরী, লম্বা জোব্বা পড়ে আসে ক্লাসে। অনেকেই তাকে টিটকারি মারে, সে তোয়াক্কা করেনা। ক্লাসে সুন্দরী মেয়েদের দিকে তার কোন নজর নেই, আমিও প্রথমদিকে তাকে ব্যাকডেটেড, ব্রেইনওয়াশড মনে করতাম। পরে খানিকটা আগ্রহী হয়ে মিশার পর দেখলাম, ম্যান, হি ইজ ড্যাম স্মার্ট। আরো অনেকদিন পর তাবলীগে কাকরাইলে বয়ান শুনতে গেলাম, সেই থেকে শুরু। আই'ম গ্ল্যাড দ্যাট আই মেট হিম। হাজারটা আধুনিক শিবির মানুষের মনে ঘৃণা ছাড়া আর কিছুই জাগ্রত করেনা, এই একজন মাসুম আমাদের ক্লাসের ৯০জনের অনেককেই পরিবর্তন করে ফেলেছিল, ইনক্লুডিং মি।
"লেখক বলেছেন: এম আই টি, বুয়েট, ঢাবি থেকে পাশ করা প্রচুর ২ নম্বরী লোক সমাজে পাবেন। তারা যেমন ২ নম্বরীকে জায়েজ করেনা তেমনি তাবলীগের ভরে ২/৪ জন এম আই টি, বুয়েট, ঢাবি এটাকে জাস্টিফাই করেনা।"
ছাগলামি যুক্তি। মেইন পয়েন্টগুলো এড়িয়ে গিয়ে ঝোঁপঝাড়ে কোপাকোপি করতেছেন। ওটা দিয়ে আমি তাবলীগ জাস্টিফাই করতেছিনা। আপনি ইম্প্লাই করেছেন তাবলীগিরা মূর্খ, সেজন্যই কথাটা এসেছে।
নরাধম বলেছেন:
মাসুদুল হকের সাথে একমত। কিন্তু যাদের ভেস্টেড ইন্টারেস্ট আছে তারা সবসময়ই যারা কাজ করতেছে তাদের বিরুদ্ধে বলবেই, সেটা যতই সিলি হোক।
@ দামাল ছেলে এট আল, স্যাম্পল সাইজ বড় না হলে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়না। ১ জনকে দেখে যে সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেছেন!! আপনার আশে পাশে অন্তত ৩০ জনের স্যাম্পল কালেক্ট করে তারপর সিদ্ধান্ত নিন।এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নাইযে তাবলীগ যে স্কেলে মানুষকে পরিবর্তন করে সে স্কেলে অন্যকোনভাবেই পরিবর্তন করা সম্ভব না এবং এটার ডীপ সাইকলজিকাল কারন আছে।
জানজাবিদ বলেছেন:
ভাই নরাধম, একটা জিজ্ঞাসা আপনার কাছে। যাকাতের ব্যাপারে ইসলামের বিধান কি? ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা ছাড়া যাকাত ব্যবস্থা কি কায়েম করা সম্ভব? আবু বকর (রা.........আপনি আমার প্রিয় একজন ব্লগার, আপনার একাধিক পোস্ট আমার প্রিয় তালিকায় আছে। তর্কাতর্কির জন্য প্রশ্নগুলো করি নাই, সত্যি সত্যি জানতে চাই।
নরাধম বলেছেন:
জানজাবিদ, আপনি সিনসিয়ারলি জিজ্ঞেস করেছেন সেটা আমি বুঝতে পারছি। আমি প্রিয়ব্লগার হওয়ার মত কেউ না, মাথাগরম মানুষ, তবুও আপনার একজন প্রিয়ব্লগার শুনে খুবই ভাল লাগল, প্রশংসা শুনলে আমার খুবই ভাল লাগে।
আপনি যে প্রশ্নটা করেছেন সেটা খুবই ভ্যালিড প্রশ্ন। এবং এরকম প্রশ্ন সিনসিয়ারিটির পরিচায়ক বলে মনে করি।
সত্যি বলতে কি তাবলীগে এসব নিয়ে কিছুই বলেনা। তাদের প্রথম উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের অন্তরজগতকে পরিবর্তন করা। ডিটেলসে না গিয়ে সংক্ষেপে বলছি।
আপনি যদি মুহম্মদ (সাঃ) এর লাইফ হিস্টরি দেখেন তাহলে দেখবেন যাকাত এসেছে যখন মদীনায় রাষ্ঠ্রব্যবস্থা কায়েম হয়েছে তার পর। তার মানে আপনি যে বললেন যাকাত কায়েম করার জন্য ইসলামী রাষ্ঠ্রব্যবস্থা কায়েমটা অত্যাবশ্যক সেটা ঠিক। যাকাত না দিলে আবু বকর (রাঃ) জিহাদ করেছেন সেটাও ঠিক, কিন্তু সেটা ইসলামী রাষ্ঠ্রব্যবস্থা কায়েম হওয়ার পর।
এখন কথাটা হচ্ছে ইসলামী রাষ্ঠ্রব্যবস্থা কায়েম করার জন্য মুসলমানরা নিজেরা তৈরী আছে কিনা? ইসলামী রাষ্থ্রব্যবস্থা বাদ দেন, জামাতে নামাজ পড়ে কত পারসেন্ট মুসলিম? ফজরের নামাজ তো মনে হয় বিশ্বের ২% মুসলিমও পড়েনা জামাতে। যদি ২% ও লোক জামাতে নামাজ পড়তে রাজি না হয়, তাহলে আপনি কিভাবে আশা করবেন তারা ইসলামী রাষ্ঠ্রব্যবস্থা কায়েম করতে রাজি হবে? আপনি ইসলামী রাষ্ঠ্রব্যবস্থা চালু করতে চাইলে মুসলমানরাই প্রথমে বাঁধা দিবে। যে লোক বাসার পাশে মসজিদ থাকা স্বত্ত্বেও মসজিদে সপ্তাহে ১ বারও যেতে চায়না, এরকম লোকের সংখ্যায় কি মুসলমানদের মধ্যে ৮০% না? আমি শুধু সবচেয়ে মৌলিক ইবাদত এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের কথায় বললাম। এরপরে হালা খাওয়া, দূর্ণীতি না করা, যাকাত দেওয়া এসব তো অনেক পরের ব্যাপার। যেখানে সবচেয়ে মৌলিক এবং গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের এই অবস্থা সেখানে আপনি কিভাবে মানুষকে ইসলামী রাষ্ঠ্রব্যবস্থা কায়েম করার জন্য উদ্ধুদ্ধ করবেন? ইসলামী রাষ্ঠ্ড়ব্যবস্থাকে সবচেয়ে বেশি ভয় পায় মুসলমানরাই।
তাহলে সমাধান কি? সমাধান হচ্ছে তাদের ঈমানের অবস্থা পরিবর্তন করা। রাসুল (সাঃ) মক্কাজীবনের মোটামোটি পুরোটাই, মিরাজের আগ পর্যন্ত, শুধু সাহাবা (রাঃ) দের ঈমানের উপর মেহনত করেছেন। তাদের অনেক ত্যাগের মধ্যে দিয়ে গিয়ে ঈমানটা পারফেক্ট হয়েছিল। এরপরে যখন বিভিন্ন হুকুম আসতে থাকল তাতে তাঁদের জন্য সেগুলো মানা অনেক সহজ হয়ে গেল। শতশত বছর ধরে তারা মদপান করত, কিন্তু যখন হুকুম আসল তখন তারা সংগে সংগে মদপান ছেড়ে দিল। এখানে আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে ইসলাম কিন্তু গ্র্যাজুয়াল পরিবর্তন চাই, বিপ্লব না। তাই প্রথম হুকুম আসছে মদ খেয়ে নামাজে যাইওনা, তারপর আসছে মদ সম্পূর্ণ হারাম। প্রথমেই মদ হারাম বললে হয়ত তাঁদের জন্য মানতে অনেক কষ্ট হত। তেমনি নামাজে প্রথম প্রথম এদিক ওদিক তাকানো যেত, পরে শুধু সালাম দেয়া নেয়া যেত, পরে সম্পূর্ণ চুপ থাকার হুকুম। বুঝা যাচ্ছে রাসুল (সাঃ) চেয়েছেন মানুষ যেন অন্তর থেকে মেনে নেয়, জোর করে না। যখন মানুষের অন্তর ঈমানের জোরে বলীয়ান হয়, তার জন্য সম্পূর্ণভাবে ইসলাম পালন খুবই সহজ হয় এবং কোরানে যে ইগ্যালিটারিয়ান জাস্ট এন্ড ইকুইটেবল পলিটিকো-ইকনমিক-কালচারেল সমাজের কথা বলা হয়েছে এবং রাসুল (সাঃ) প্রতিষ্ঠ করে গেছেন সেটা প্রতিষ্ঠা করা একদমই ইজি হবে। কারন তখন মানুষ ঈমানের জোরে ইবাদত করবে, তার জীবনের সমস্ত সময় ইসলাম অনুসারে চালাবে। এটা হয়ত ওটোপিয়ান লাগবে, কিন্তু রাসুল (সাঃ) সেটা করে গিয়েছিলেন। যেহেতু কোরআন সবসময়ের জন্য, তাই সেই সোসাইটি অবশ্যই প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। হয়ত ১০০% লোক সেরকম হবেনা, কিন্তু একটা সিগনিফিক্যান্ট অংশ যদি সেরকম হয় তাহলে তারা আপনা-আপনি ইসলামী শাসন চাইবে। সাহাবারা (রাঃ) নতুন কি হুকুম আসছে সেটা শুনার জন্য মুখিয়ে থাকতেন।
এখন পরের কথায় আসি। আপনি প্রশ্ন করতে পারেন যে আমাদের দেশ তো মুসলিম দেশ, তাতে তো ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে রাসুল (সাঃ) এর মত সাহাবাদের যেরকম মনোহাগতিক পরিবর্তন হয়েছে সেরকম না করেই। আমি একমত যে আমাদের দেশ মুসলিম দেশ, কিন্তু আমাদের দেশ মু'মিনদের দেশ না। কোরানে বলা আছে "হে মুমিনগন, তোমরা ঈমান আন।" খেয়াল করেন, মু'মিন গনকে ঈমান আনতে বলা হচ্ছে! মুসলমানদেরকে ঈমান না এনে কবরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। এজন্যই দেখা যায় আমাদের মুসলমানরা জাকির নায়েকের লেকচার শুনে তালি দেয়, কিন্তু মসজিদে নামাজ পড়তে যেতে চায়না। ব্লগে ইসলাম ইসলাম করে ফাটিয়ে ফেলে, সবাইকে ইসলাম-বিরোধী বলে ফতোয়া দেয় কিন্তু বাসায় বসে পর্ণো দেখে। (আমি নাম ধরে বলছিনা।) এরকম কেন হচ্ছে? তার পক্ষে সব জানা স্বত্তেও ইসলাম মানা সম্ভব হচ্ছেনা কেন? কারন ঈমানের দূর্বলতা। মুসলমান হিসেবে জন্মগ্রহণ করলেই ঈমানদার হয়না। ঈমান একুয়ার করতে হয় চেষ্টার মাধ্যমে। সমস্যা হচ্ছে আমাদের মুসলমানরা ভুলেই গেছে ঈমান একুয়ার করার জিনিস, এটা আপনাআপনি আসেনা! এই একুয়ার করার জন্য কিছুটা চেষ্টা এবং কিছুটা স্যাক্রিফাইস দরকার। সাহাবা (রাঃ) রা সেই স্যাক্রিফাইস করেছিলেন বলেই তাদের জন্য ইসলাম মানা সহজ হয়ে গেছিল। একটা উদাহরন দিই। সন্তানের প্রতি মায়ের ভালবাসা সবসময়ই বেশি বাপের চেয়ে (কিছুটা ব্যতিক্রম থাকতে পারে)। কেন? কারন মা অনেক বেশি স্যাক্রিফাইসের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, বাপ সেরকম স্যাক্রিফাইস করেনি। আবার আপনি নিজে সে টাকা কামাবেন সে টাকার প্রতি আপনার ভালবাসা অনেক বেশি লটারী পাওয়ার টাকার চেয়ে, কারন নিজে টাকা কামাতে আপনাকে কষ্ট করতে হয়েছে। সেরকম ইসলামের প্রতি ভালবাসাটা আসবে যদি সেটার জন্য কষ্ট করা হয়। দেখবেন রিভার্টদের ইসলামের প্রতি ভালবাসা অনেক বেশি, কারন তারা অনেক বেশি কষ্টের মাধ্যমে গেছে। আমরা যেহেতু জন্মসুত্রেই পেয়েছি ইসলাম, কোন কষ্ট করা লাগেনি সেজন্য আমাদের ইসলামের প্রতি কোনই মায়া নাই, নামাজ না পড়লে খারাপ লাগেনা, হারাম খেতে গায়ে বাঁধেনা, যাকাত দিলে টাকা কমে যাচ্ছে মনে করতেছি।
তাবলীগ এই জিনিসটাই করতে চাচ্ছে। যদি কেউ তার নিজের টাকা, নিজের শ্রম, নিজের সময় দিয়ে ইসলাম শিক্ষা এবং প্রচারের জন্য যায় তাহলে তার মধ্যে ইসলামের প্রতি ভালবাসাটা আসবে। তার অন্তর ঈমানে মজবুত হবে। ঈমানের মজবুত হলে তার জন্য নামাজ পড়া, যাকাত দেয়া এসব সহজ হবে, সে নিজেই চাইবে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য। অন্তত ২০-৩০% সমাজের লোকও যদি এটা চায়, তাহলে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা করা অনেক সহজ। মুসলমানরাই ইসলামী সমাজকে যে এখন বয় পায় সেটা পাবেনা। এজন্যই দেখবেন, যে ৩ দিন লাগাই সে অন্তত পরের ১ সপ্তাহ মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়ে। আর আপনি তাকে ইসলাম শ্রেষ্ঠ সেটা অন্যসব ধর্মের উদাহরন দিয়েও যদি বুঝান, সে সব মানবে, শুনবে, কিন্তু নামাজ পড়তে যেতে বললে তার অজুহাত চলে আসবে। কারন সে স্যাক্রিফাইসাল প্রসেসের মধ্যে দিয়ে যাইনি। যে ১২০ দিন সময় লাগাই সে সবধরণের ইসলামী হুকুম মানতে রাজি হয়ে যায়, যাকাত তো ব্যাপারই না।
তাই আগে ইসলামী রাষ্ঠ্রব্যবস্থা না, আগে মানুষের ঈমানী পরিবর্তন চাই। ঈমানী পরিবর্তন ছাড়া যতই ইসলামী রাষ্ঠ্রব্যবস্থা চালু করতে চান, তা কোনদিনই হবেনা, কারন তাতে মুসলমানরা নিজেরাই সাই দিবেনা। জোর করে বিপ্লব করেও লাভ নাই, তাহলে ইরানীদের মত হবে, দেশের বাইরে গেলে ইসলাম থেকে ১০ মাইল দূরে থাকবে। তাই তাবলীগিরা খুব ছোটা হয়ে মানুষের দরজায় দরজায় যায়, কতধরণের সমালোচনা সহ্য করে। এই যে মানুষের দরজায় গিয়ে কড়া নাড়া, এটা যে কি কষ্টের কাজ সেটা না করলে বুঝা যাবেনা। মসজিদে বয়ান করলে যারা মসজিদে আসে তারাই শুনবে, কিন্তু ৯৫% তো মসজিদেই আসেনা, তাদেরকে কে বলবে?
আমি আর লম্বা করতে চাইনা। আশা করি কি বুঝাতে চেয়েছি বুঝেছেন। তাবলীগ সম্পর্কে আরো অনেক প্রশ্ন আছে, তারা কেন ফাজায়েলে আ'মল পড়ে খালি, কোরআনের অর্থ বুঝার চেষ্টা করেনা কেন এসব। অনেক অভিযোগই মিথ্যা, তবে অনেক অভিযোগে সত্যতা আছে। সব অভিযোগেরই যুক্তিসংগত জবাব আছে, যা শুনলে ব্যাপারটা এরকম কেন সে বিষয়ে আর প্রশ্ন থাকেনা।
উল্লেখ্য উপরে লেখা সম্পূর্ণটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। তাবলীগে হাজার হাজার শ্রেণীর লোক আসে, তাদের বিভিন্নজনের মতামত বিভিন্ন রকম। কেউ শিয়াদেরকে কাফির মনে করে, কেউ মনে করেনা। কেউ উগ্রটাইপ, কেউ ততটা না, বিভিন্ন ধরণের লোক আছে। এত বিভিন্ন ভ্যারাইটির, বিভিন্ন মতামতের লোকজনকে একই ছাতার নিচে নিয়ে আসা সেটা শুধু তাবলীগেই সম্ভব।
সংক্ষিপ্ত কথায়, ইসলামী সমাজব্যবস্থা তখনই সম্ভব যখন মুসলমানরা নিজেরা সেটা চাইবে, অন্তত একটা সিগনিফিক্যান্ট অংশ সেটা চাইবে। তারা সেটা চাইবে শুধুমাত্র ঈমান যদি পর্যাপ্ত পরিমান হয়। ঈমান পর্যাপ্ত পরিমান হওয়ার জন্য এফর্ট দরকার, তাবলীগ সেটাই করে।
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: নরাধম, সাধারন এ ব্লগারের ১টি লিখায় আপনার মত বিখ্যাত ব্লগারের এহেন আন্তরিক পার্টিসিপেশনে আমি যারপরনাই পুলকিত। ভাইরে, আপনার মত কুরআন হাদিসের আড়তদার (মুড়ির সমান হিসেব করলে তাই হয়) আমি নই যে বিরাট জবাব দিব।
তবে ফাঁকতালে আপনি বিরাট অপকর্মই করে ফেলেছেন। যেমনটি করেছিল ইবলিশ। এবং তাবলিগ পন্থীদের প্রায় সবার, জামাতীদের কারো কারো এবং অপরাপর কিছু মতাদর্শের কতিপয়ের সমস্যা একই ধাঁচের- কাফেলায় নামটা ঢুকাতে পারলেই বিরাট অলি আওলিয়া হৈয়া গেছি, বাকি সব ভুয়া ....। নিজেকে ধার্মিক মনে করে আতৃতৃপ্ত হওয়া, মন ও কাজের বহরের চেয়ে কুর্তা, পায়জামা, চেহারা, টুপি, কথামালা, তাসবীহর মালার বহর অনেক লম্বা হওয়া... এসব।
লিখার বিষয়বস্তু পাশ কাটিয়ে আপনি আমাকে এবং কতিপয় পাঠককে জামাতী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তারপর আর কি লাগে....! জামাত-রাজাকার-মওদূদী-শিবির এ ধরে কিচ্ছা লিখলে আর কি কিছু লাগে!!
ভাই, বুঝলাম জামাত খুব খারাপ। তো এতেই কি তাবলীগ অসারতা খন্ডন হয়ে যায়? তাবলীগ বা অন্য কোন দলের প্রতিই আমার অন্ধ টান নেই বা অন্ধ ঘৃনা নেই। যা আপনার আছে। এবং এটাই মূল সমস্যাকে পাশ কাটিয়ে লম্বা ফিরিস্তি দেয়ার কারন।
আপনাকে লম্বা উত্তর দেয়ার চেয়ে এটুকুই বলি, আমার জ্ঞান মতে তাবলীগ একটি অন্তসারশুন্য চেতনা। যথারীতি ভালো মন্দ অনেক মানুষই এখানে ভীড় করবে।
ভালো থাকুন।
মাসুদুল হক বলেছেন:
যদিও আমি এ বিষয়ে হয়তো অনেকের চেয়ে কম জানি , তারপরও বলি,আমার যে জিনিসটা মনে হয়, তা হল তাবলিগকে যারা বাইরে থেকে জাজ করতে চান তাদের কমন একটা ব্যাপার হল তাবলিগকে পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা হিসেবে ধরা। অথচ ব্যাপারটা মোটেও তা নয়, আমরা মুসলমানরা জানি ইসলামই শুধু পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, কোন পদ্ধতি বা সংঘ তার স্থলাভিষিক্ত হতে পারে না, কারন ইসলাম শুধু দলগত ব্যাপার নয়, তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ব্যক্তিগত। মুসলমানদের সমস্ত দাওয়াতি চেষ্টার উদ্দেশ্য আসলে নিজে মুসলমান হয়ে উঠা, পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা ইসলামের কাছাকাছি পৌঁছা।
পুরো ইসলামের একটা অংশ দাওয়াত কার্যক্রম, তার একটা অংশ মানুষের কাছে প্রত্যক্ষ দাওয়াত দেয়া, যে এলাকায় ইসলাম নেই বা দুর্বল সেখানকার মানুষের কাছে গিয়ে প্রত্যক্ষ্য ধর্মীয় প্রচারণার দায়িত্ব পালনের চেষ্টা হচ্ছে এই তাবলিগ, পাশাপাশি নিজেদের জীবনে ইসলামের বীজ বপন করা। যে বীজ বড় হয়ে কারো ক্ষেত্রে হয়ে উঠে মহীরুহ।
ইসলামের সব দায়িত্ব তাবলীগ পালন করে তা তো না, কিন্তু তারা পূর্ণাঙ্গ ভাবে ইসলাম পালনের বীজ মানুষের অন্তরে বপন করে।
তাই তাবলিগ ইসলামের সবটুকু নেই, তাবলিগের পক্ষ থেকে কেন ইসলামী রাষ্ট্রের দাবি উঠে আসে না, কেন ডেনমার্কের কার্টুনের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ নেই এসব অভিযোগের কোন মানে হয় না, যে লোকটি আজকে তাবলিগের মাধ্যমে ইসলাম প্রচার করছে সে তারপরদিন হয়তো ডেনমার্কের কার্টুনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেই পারে । সে ইসলামী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হোক তা কামনা করবে, তাবলিগ থেকে তো সেসব ব্যাপারে কোন বাঁধা নেই। দুটোই ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্ব, একটার সাথে আরেকটার সংঘর্ষের প্রশ্ন সেখানে কোথায়??
সে কারনেই তাবলিগ সবাই করতে পারে মজুর থেকে ভার্সিটির টিচার,রাজনীতি বিদ থেকে সাধারণ নাগরিক। তাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব আছে নিজ কর্মক্ষেত্রে ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করার,সেই তাগিদ তারা তাবলিগের মত আত্মশুদ্ধির প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনেকে পেয়ে থাকেন, সে যদি তার কর্মক্ষেত্রে কোন পরিবর্তন আনে সেটা মুসলমান হিসেবে আনে, তাবলিগের কোন কর্মী হিসেবে না।
( তাবলিগের কর্মী বলতে কোন টার্মও নেই) তাতে হয়তো তাবলিগের অবদান আছে ,কিন্তু দাবি নেই।
ব্যাপারটা কিছুটা স্কুলের মত, ভালো কোন স্কুলের ছাত্ররা কেউ ডাক্তার হয়ে, কেউ বড় সায়েন্টিস্ট হয়ে,কেউ সমাজসংস্কারক হয়ে সমাজকে পরিবর্তন করে ফেলে।স্কুল থেকে তারা বুনিয়াদি শিক্ষা পেয়ে সমাজকে পাল্টে ফেলে,অথচ স্কুলের কারিকুলামে সমাজসংস্কারী কোন সিলেবাস থাকে না, তবে উৎসাহটা থাকে। তাবলিগকে আমার সেরকমই মনে হয়,যত মানুষ এর থেকে ধর্মীয় টান অর্জন করবে ততই সমাজ পাল্টে যাবে।
আর আমার স্বল্প বুদ্ধি নিয়ে যেটা সবসময় মনে হয়,নিজেকে শুধুমাত্র মুসলমান হিসেবে যদি কেউ ভাবতে শেখে, তাহলে সে যেখানেই যাক না কেন, যে মতবাদই তার সামনে আসুক না কেন, তা থেকে রত্ন চিনে নিতে সে ঠিকই পারবে আর বর্জনীয় জিনিস এড়িয়ে যেতে পারবে, নিজেকে হারিয়ে ফেলবে না দলাদলির ভিড়ে।
সবার জন্য শুভ কামনা...
And ofcourse allah knows best
এইটা হজ্জের ক্ষেত্রেও খাটে। তাই যুক্তিটা খুব খেলো মনে হয়।
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন:
তাবলিগের একটা বড় গুন আছে। এরা অন্যদের নিয়া মাথা ঘামায় না। যেখানে এক পীর আরের পীর্রে দেকতারে না। জামাত পীরগো গাইল্লায়। পীর্রা জামাত্রে গাইল্লায়। সবাই কাইরে না কাইরে রৈয়া ব্যাস্ত আছে নিজে যাই করুক্না কেন। কিন্তু তাবলীগ ধৈর্য্য ধৈরা নিজেগো কাম কৈরা যায়। সেই কাম করে, যা তারা বিশ্বাস করে।
নরাধম বলেছেন:
@পোস্টদাতা, আমি নিজেকে ধার্মিক মনে করিনা। পরিপূর্ণ ইসলাম আনার মত ঈমান আমার এখনও হয়নি, ইনশাআল্লাহ কোন একদিন হবে।
তবে "তাবলীগ একটা অন্তঃসারশুন্য চেতনা" এরকম ব্ল্যাংকেট স্টেইটমেন্ট করাটা কোন ব্যাপার না, যে কোন আবালই বলতে পারে সেটা অন্য যেকোন চেতনা বিষয়ে।সেটা ফ্যাক্টস দিয়ে সাপোর্ট করাটা অন্য বিষয়। সেটা করতে গেলে হয়ত জামাতী টুলি লাগানো চোখকে একটু নিরপেক্ষ করতে হবে। যদিও তাবলীগ কোন চেতনা না, এটা যাস্ট ইসলামকে নিজের জীবনের মধ্যে আনার অনেকগুলো পথের মধ্যে একটি, যদিও অনেক বেশি সাক্সেসফুল হয়ত তাদের ডিভোশান আর নির্লোভতার জন্য।
ছুপা জামাতী কথাটা এসেছে আমার আগে আরো অনেকের কমেন্টের থেকে, সেটা পোস্টের ধরণ দেখলেই বুঝা যায়। আপনার সবচেয়ে তাবলীগের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ হচ্ছে সেখানে আ'লীগাররা যাবে কেন!! তাবলীগ থেকে আ'লীগারদের দূরে রাখতে পারলে আপনার বা নিজামীগংদের তাবলীগের প্রতি আর কোন রাগ থাকবেনা। তবে মনে হয় সেটা হচ্ছেনা, আফসোস!!!
আর লিখার বিষয়যস্তুকে পাশ কাটিয়েছি বললেন! হাহাহাহা...মনে হয় নিজের লেখা নিজেই ভালমতে পড়েননি, বা ভুলে গেছেন অথবা আমার কমেন্টগুলা পড়েননি। কন্ডিশনড মেন্টালিটি হলে এরকমই হয়।
আর তাবলীগ বা অন্যকোন দলের প্রতিই আপনার টান নেই বা ঘৃণা নেই যে বললেন সেটা ডাহা মিথ্যা। ব্লগে অনেকেই এরকম তথাকথিত ছুপা নিরপেক্ষ সাধু সাজে, পরে লেজ বের হয়ে যায়। আপনার আগের পোস্টগুলাতে দেখা যায় সবদলকেই সমালোচনা করেছেন, এমনকি জামাতিদেরকেও!! তবে একটু খেয়াল করলে দেখা যায়, জামাতীদেরকে সমালোচনা করেছেন শফিক রেহমনা যেমন বিএনপি-কে সমালোচনা করত সে স্টাইলে, বাপ যেমন তার দুষ্টু ছেলেকে শাসন করে সেরকম, তাতে বাপের ছেলের প্রতি ভালবাসা কমেনা। তাই আপনার ছুপা জামাতী রুপটা ঢেকে রাখতে পারেননি অবশ্যই। আমি তো ব্লগে রেগুলার না, আমাকে ফেসবুকে একজন ব্লগার যে তাবলীগি না কোনমতেই সে মেসেজ দিছে যে এক জামাতী তাবলীগরে নিয়ে লাগছে। ব্যাপারটা কিন্তু অনেকের চোখেই ধরা পড়েছে!!
আমি আস্তিক বলেছেন:
লেখক কইলো তাবলীগ একটা অন্তঃসারশুন্য চেতনাচমৎকার কথা। এক কথায় নিজের মনের ভাব প্রকাশ। আপনার সাথে আমি একমত, নিজে তাবলিগ করেই ব্যাপারটা বুঝেছি। অন্তসার শূণ্য মানে তার কোন সার নেই,নিজস্বতা নেই। আসলেই তো!
তাবলিগের আসলেই নিজের কোন ব্যাপার নাই,নিয়ম নেই, পুরোটাই ইসলামী নিয়ম, তাদের গাস্ত করা , তালিম করা, এটা অনেকে মনে করে তাবলিগের নিজস্ব কিছু। আসলে সবই সুন্নত,ইসলামের অংশ। মসজিদে নববীর অনেক আমল এখন শুধু তাবলিগেই নিয়মিত করা হয়।
আপনার মত শিবিরের ভাই বেরাদাররা যদি ব্যাপারটা বুঝতো!
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তাহলে আমাকে চুলায় ঢুকে বুঝতে হবে গরম কেমন, আটলান্টিকে ডুব দিয়ে বুঝতে হবে সাগর কেমন, সর্ব হারায় যোগ দিতে হবে ঐটা কেমন, ট্রাক চালানো শিখতে হবে সেটা কেমন!!!!কি অদ্ভুত যুক্তি!
বকুল০৮ বলেছেন:
নরাধমের (আসলে নরোত্তম হবেন) ধৈর্য্যশীল ও উ্ত্তম উত্তরগুলির সাথে ১০০% সহমত। যারা তবলীগ সমন্ধে সত্য জানতে ও বুঝতে চা্য়, তাদের জন্য এই উত্তরগুলিই যথেষ্ট। ভ্রান্তিমূলক ও মিথ্যান্বেষী এই পোস্টে ধৈর্য্য সহকারে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
জুমানজি১১ বলেছেন:
নরাধম এবং মাসুদুল হক এর সমস্ত কমেন্টে উত্তম ঝাঝা।
জানজাবিদ বলেছেন:
নরাধম এবং মাসুদুল হক এর সমস্ত কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ। ইসলামের পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান হওয়ার ব্যাপারটা যে সবার কাছেই পরিষ্কার তা জেনে ভাল লাগলো। আমি ব্যক্তিগত ভাবে যেটা মনে করি সহীহ নিয়তে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যে-ই কাজ করবে সে-ই আল্লাহর কাছে উত্তম প্রতিদান পাবে। কে সঠিক পথে আছে সেটা আল্লাহই ভাল জানেন।
আহমাদ অব্দুল্লাহ বলেছেন:
খুবই সত্য। ভাল লাগল। প্রেয়াজন িবশুদ্ধ ইসলামের সেই আদি রূপ কে ফিরিয়ে আনা...... অপেক্ষায় রইলাম সেই মানুষগুলোর খোজে যারা এই দায়িত্ব নিবেন..... আল্লাহু আকবার।।।
পরিবেশবাদী ঈগলপাখি বলেছেন:
শিবির, লীগ, দল, ফ্রন্টের টানাটানি থেকে বাচতে ফার্স্ট ইয়ারে কূশলী অনেকে 'তাবলীগের লেবাস' নিয়ে ফেলেন। তবে সেটাও কম কঠিন নয়। এ বয়সে দাড়ি, পান্জাবির ভাড় বহন করা কি চাট্টিখানি কথা! এ ধরনের বেশ কজনকে চিনি যারা স্নাতক শেষে দিব্যি দাড়ি ফেলে দিয়েছেননির্মম সত্য
সোলাইমান বলেছেন:
ভাই যারা তাবলীগের বিরোধী,তাদের বলি,আপনেরা মানুষের চরিত্র দেখে তাবলীগের বিরোধীতা করবেন না।আপনার মা যদি খারাপ কাজ করেন তাহলে আপনি তাকে মা বলে ডাকবেন না??????
লেখক বলেছেন: নীতিগতভাবেই তাবলীগ বোগাস
সোলাইমান বলেছেন:
কোন নীতি???????????
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















