somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বারোয়ারি মজারুপন্যাস....আড্ডাইফাড্ডাই...

১৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ভাইজান ও বুবুজান,শক্ত হন।এখন একটা গরম খবর দিমু।আমাদের নিয়মিত সংবাদদাতা বিপ্লবকান্তি'র দেয়া নতুন খবর।

ব্লগার রাজসোহানের বউ সাথি সামুতে আসছে। কিন্তু অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই ঘটনার পেছনে লুকিয়ে আছে বিশাল কাহিনী।
কি সেই কাহিনী?
অনুসন্ধান টা শুরু করেছিলো,ব্লগার জিকসেস. ..

রাজসোহান এর বিয়ে ঠিক হল। রাজসোহান বিয়ে করতে যাবে। মেয়ের নাম এর সাথে এবারে আর “না” নাই। মেয়ের নাম সাথি। সোহান-সাথি শুভবিবাহ তে সবাই আমন্ত্রিত। হামা ভাই সেইরম একখান পাঞ্জাবি পড়ল। রাজি, গুরুজী, সুপ্তি, শাকির, স্বপ্নকথক, পাপতাড়ুয়া সব হাজির। বিয়ে হবে ঢাকার বাইরে। রাজসোহান একটা গাড়িতে করে রওনা হল। ঠিক পথে মধ্যে গাড়ি এক্সিডেন্ট করল। না রাজসোহান এর গাড়ি না। সামনের একটা গাড়ি। একটা বাচ্চা বেশ আহত হল। রাজসোহান দৌড় দিয়ে তাকে হসপিটাল এ নিয়ে গেল। যাওয়ার পথে নিজের মোবাইলটা হারিয়ে ফেলল হয়ত বা পকেট থেকে পড়ে গেল। হটাৎ রাজসোহান এর মনে পড়ল!! আজ তার বিয়ে। সোহান-সাথি এর বিয়ে। সে উঠতে যাবে বাচ্চার মা এসে হাজির। বাবা তুমি যাইওনা তুমে গেলে আমার পোলা বাঁচবেনা। রাজসোহান ডাক্তার না। ছেলে বাঁচার হইলে ডাক্তার বাঁচাবে। কিন্তু রাজসোহান যে “না” বলতে পারেনা। ঐদিকে বিয়ে বাড়িতে টেনশন। দুপুর পার হয়ে বিকাল। সবাই ওখানে অপেক্ষা করছে। রাজসোহান কখন আসবে!! রাজসোহান হসপিটাল এ। অপেরেশন থিয়েটার এ বাচ্চাটা। “না” বলতে না পারার কারনে নিজের বিয়েটাও দেরি হয়ে যাচ্ছে। “না” বলতে শিখরে ভাই রাজসোহান!! বিয়ের খাওয়া ঠান্ডা হয়ে যাইতেসে।

এরপর পাপতাড়ুয়ার সংবাদ...

এদিকে রাতের সাথে মেয়েপক্ষের টেনশান বাড়ছে।হামা দা,স্বপ্ন দা,রাজি,গুরুজী,পাপতাড়ুয়া,জিকসেস রা ও টেনশানে।
শেষে মেয়ে পক্ষ সবাইকে ঘিরে ধরলো।
সে কি ঝাড়ি!
ওদের ধারণা হলো এরা ইচ্ছা করেই বর কে না এনে বিয়ে তে এসেছে।যত বোঝানোই হোক,ওরা মানে না।

অনেক তর্ক বিতর্ক শেষে স্থির হলো,রাজসোহান চুলায় যাক,উপস্থিত দের একজন মেয়ে কে বিয়ে করতে হবে।
রাজির মুখে তখনো দাঁড়ি ই উঠে নাই।সো,সেও বাদ।

এখন কে বিয়ে করবে?এদিকে গুরুজীর ঘরে বউ আছে।তার ইচ্ছা থাকলেও বাকিদের ইচ্ছা নাই।

বাকি রইল তিনজন।হামা,স্বপ্ন,পাপতাড়ুয়া।
পাপতাড়ুয়া তিনজনের মধ্যে জুনিয়র বলে সে কিছু বলে না।অন্যদিকে,হামা আর স্বপ্ন দুজনেই বিয়ে করতে চায়।
শুরু হলো মতানৈক্য।রেষারেষি।সেখান থেকে দুজনের ঘুষাঘুষি।দুজনেরি নাক ফাটলো।গাল কাটলো।দুজনকেই নিতে হলো হাসপাতালে।

সো আর কি করা।পাপতাড়ুয়ার সাথে মেয়েটার বিয়ে হয়ে গেলো।

গভীর রাতে যখন সোহান মেয়ের বাড়ি উপস্থিত হয়,তখন পাপতাড়ুয়া-সাথির বাসর চলছিলো।;)

পাপতাড়ুয়ার কিঞ্চিৎ ভুল সংবাদ ঠিক করলেন সংবাদ দাতা নাসের সরকার..

অন্যদিকে,হামা আর স্বপ্ন দুজনেই বিয়ে করতে চায়।
শুরু হলো মতানৈক্য।রেষারেষি।সেখান থেকে দুজনের ঘুষাঘুষি।দুজনেরি নাক ফাটলো।গাল কাটলো।দুজনকেই নিতে হলো হাসপাতালে।

সেই হাসপাতালে, যে হাসপাতালে রাজসোহান আটকা পড়েছিল। হামা আর স্বপ্নকে দেখে রাজ তাদের কাছে ঘটনা কি জানতে চাইল। তারা দুজনে একই সাথে বলল “ তোর কারনে আজকে আমাদের এই অবস্থা, তোর বিয়া করার সখ আইজকাই মিটাইয়া দিমু, খাড়া......।” রাজসোহানের একক্ষনে খেয়াল হলো যে, সে বিয়া করতে যাচ্ছিল। আর এক মুহুর্ত দেরি না করে রাজ সোহান দ্রুত বাড়ীতে গিয়ে দুনলা বন্ধুক খানি আলমারি থেকে বের করে কনের বাড়ীর দিকে রওনা দিল। পথে গাড়ী খারাপ হয়ে গেল। রাস্তার ‍পাশে একটা খ্চ্চর ছিল, রাজসোহান আর কোন উপায় না দেখে ঐ স্থানে কিছু টাকা রেখে খচ্চর নিয়ে রওনা দিল।
তখন গভীর রাত, বন্ধুক হাতে খচ্চরের পিঠে রাজসোহান যখন বিয়ে বাড়ীর উঠানে পৌছাইল, দেখার মত একটা দৃশ্য হইল। রাজসোহান বন্ধুকের গুলি ফুটিয়ে বলল, কোন্ সে শয়তান, যে আমার সাথীরে বিয়ে করে বাসর ঘরে ঢুকছে, বের হ শয়তান। পাপতাড়ুয়া সবে মাত্র বাসর ঘরে ঢুকেছিল, বন্দুকের গুলির আওয়াজ পেয়ে ঘরের পিছন দরজা দিয়ে পালিয়ে গেল.........

আবারো পাপতাড়ুয়া...


দৌড়াতে দৌড়াতে হঠাৎ পাপী হুমড়ি খেয়ে পড়ে।কোনরকম উঠে সে ভালো করে দেখে কিসে ধাক্কা খেলো।
দেখলো যে একলোক উপুড় হয়ে পড়ে আছে।পাপী জানতে চায় নাম কি তার।
লোকটা জানায় যে সে নাসের সরকার।হঠাৎ পাপীর নাকে তীব্র গন্ধ লাগে।
বুঝটে পারে,নাসের খোলা জায়গায়.... ;););)

যায় হোক,ক্লান্ত পাপী কে নিয়ে নাসের বাড়ি যায়।খেয়ে দেয়ে রাতে নাসেরের দেয়া ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে।

মাঝরাতে ঘুম ভাঙে।দেখে,একটা সুন্দর নারী পাশে বসে আছে।পাপীর ত মাথা খারাপ।
নারী বলে,আপনারে যে নিয়া আসছে আমি তার বৌ।কিন্তু তার কোন পাওয়ার নাই।;)
আপনারে ভালো লাগছে।প্লীজ আমারে নিয়া আপনি ভেগে যান।

পাপী দিলখোলা মানুষ।
নাসেরের বউ কে নিয়ে ভোররাতের কুয়াশায় হাঁটা দিলো পাপী।


এবার হলুদ সাংবাদিক কাঠের খাঁচা...

পাপ্পু নাসের সরকারে মেয়েরে লয়া পাহাড়ের পাদদেশে হাঁটতে লাগল। হাইটতে হাইটতে ভোর থিকা রাইত হয়া গেল। দুইজনই ব্যাপক ক্লান্ত। পাহাড়ের সাইডে একটা বাড়ি দেখা যায় দূরে। পাপ্পু হালায় পুরাই পাপী। এরাম দুইজনকে একসাথে দ্যাখলে তো কেও বাড়িত জায়গা দিবনা। পাপ্পু নাসের সাবের বউরে কয় আমার হিসি লাগসে। একটু ঝোপের থন আসি। সেই যে গেল আর আইল না। দূরের ওই বাড়িটার দিকে হাডা ধরল। দরজা ধাক্কনের পর এক বুইড়া দরজা খুলল। পাপ্পু বুইড়ারে কয় পিলিজ দাদু আমারে থাকতে দ্যান। দাদু কয় একটা শর্ত আছে। থাকতে পারবা, তোমারে রাতে খাওয়ন ও দিমু মাগার আমার মেয়ের সাথে কুনু ইটিশ পিটিশ করবার পারবানা। করলে ভয়ানক বঙ্গাল শাস্তি ভোগ করতে হইব।মেয়ে শুইনাই পাপ্পুর দিলের মধ্যে ইটিশ পিটিশ স্টার্ট হয়া গ্যাসে তাও পাপ্পু ভেজা বেড়াল ভাব লয়া কয় আইচ্চা।
রাতে খাওয়নের সময় দ্যাখে বুইড়ার মেয়েতো পুরা পরী। পাপ্পুর মাথা নষ্ট হয়া গ্যাল। রাইতে আর থাকতে না পাইরা মাইয়ার রুমে গিয়া আকাম কইরা ফেল্ল ভাবল বুইড়া আর কি শাস্তি দিব?

সকালে ঘুম থিকা উঠল দ্যাখে বুকের উপ্রে একখান পাথর, ওইটার মধ্যে লেখা ; শাস্তি নং ১- ১০ কেজি ওজনের একটা পাথর। পাপ্পু তাচ্ছিল্যের হাসি হাইসা পাথরটা ম্যালা মাইরা জানলা দিয়া ফিকা মারল। মারার টাইমে দ্যাখে জানলার উপ্রে লেখা - ডান টেস্টিকল একটা শক্ত সুতা দিয়া পাথরের সাথে বান্দা। পাপ্পু আর দেরি না কইরা জান বাচানির লাইগা জানলা দিয়া দিল একখান লাফ। লাফ দেওনের পর দেখল পাথরের উলটা সাইডে ল্যাখা বাম টেস্টিকল একটা শক্ত সুতা দিয়া খাটের পায়ার সাথে বান্দা :-/ :-/


আবারো পাপতাড়ুয়া...

পথ চলতে চলতে একসময় সূর্য উঠলো।কোথাও কেউ নেই।কোন রিকশা বা গাড়ি ও না।কি আর করা।
আবার হাঁটা শুরু।এদিকে প্রচন্ড ক্ষুধা।

যায় হোক,অনেক পরে একটা চায়ের দোকান পাওয়া গেলো।হালকা কিছু খেয়ে পাপী আর নয়া বউ ঢাকার গাড়ি তে চেপে বসলো।সারাপথ কোন ঝামেলা হইলো না।কিন্তু গাড়ি থেকে নেমেই পাপীর তলপেট মোচড় দিয়া উঠলো।
রোদচশমা পরে সামনেই দাঁড়িয়ে আছে ১২৩৪।(খোদার কছম,ইহা নিতান্তই ফান @১২৩৪ )

যা আশংকা করছিলো তাই হলো।১২৩৪ এদিকে তাকাতেই দেখে ফেললো পাপি কে।
সে মেয়েলি সংবিধান মেনে গাল ফুলিয়ে পাপীর সামনে এসে বলে,তুমি তিনদিন ধরে কই ছিলা?আমি তুমারে মিস করতে করতে......

কথা আর শেষ হয় না।তার চোখ পড়ে পাপীর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটার উপর।রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে বলে,এই মেয়েটা কে?

পাপী কিছু বলার আগে মেয়ে টা বলে,আমার নাম নৈশচারী (তোরে ও খোদার কছম) ,উনি আমার ইয়ে হন...লজ্জায় চোখ নামিয়ে ফেলে নৈশ..

এদিকে পাপী ঘামতে থাকে।জানে,আজকে খবর আছে তার....

এবার দিলমেচাক্কু সাংবাদিক নৈশচারী...

এদিকে পাপ্পু ঘামতে থাকে।জানে,আজকে খবর আছে তার....
ঘামতে ঘামতে সে একসময় অজ্ঞান হয়ে পড়ে! হঠাত প্রচন্ড জোরে ধাক্কা খেয়ে সে জ্ঞান ফিরে পেল! জ্ঞান হবার পর পাপ্পু দেখল সে তার হোস্টেলের বিছানায় শুয়ে আছে! তার দুই বন্ধু সোহান ও নাসের তার রাম ঘুম ভাঙ্গানোর জন্য তাকে সমানে গালিগালাজ আর ধাক্কাধাক্কি করছে ! সোহান বলল, ওই শালা পাপ্পু! উঠ কইতাসি! শালা গান্জা খাইয়া টাল হইসস? ঘুমের মইদ্যে আমার সাথীরে লইয়া টানাটানি করস? আইজ তর একদিন কি আমার একদিন!- বলেই সোহান পাপ্পুকে বেদম মারধর করতে লাগলো! মারের চোটে পাপ্পু চোখে আন্ধার দেখল!
এমন সময় নাসের বলল, এই শালারে পানিতে একটা চুবান দিলেই ঠিক হইয়া যাইব...........ঘুমের মইদ্যে মাতলামি আর অন্যের বউ লইয়া টানাটানি কারে কয় হাড়ে হাড়ে টের পাইব! ধর ওরে!
এই বলে তারা দুইজন মিলে পাপ্পু - দ্যা লুইস কে পাঁজাকোলা করে তুলে নিয়ে হোস্টেলের সামনের বিরাট পুকুরে গিয়ে ধপাস করে ফেলে দিল! বেচারা পাপ্পু নেশার ঘোরে পানিতে পড়ে বেকুবের মত গোঁ গোঁ করতে পাগল!

সাথে আরেক জন....১২৩৪

পানি থেকে উঠে পাপ্পু দেখলো
চোখের সামনে বন্ধু কাওয়া ...
কাওয়ার চেহারা দেখে মনে পড়লো ভার্সিটিতে যাওয়ার কথা..
ভার্সিটি এসেই সে দেখলো তার সামনে গাড়ি থেকে ১২৩৪ আর নৈশ নামছে..
পাপ্পু ড্যাবড্যাব দৃষ্টি কন্যাদয়ের ভ্রুকুটিও জাগাতে পারলো না. তারা রোদ চশমা একসাথে খুললো এবং একসাথেই কাউকেই দেখতে না পাওয়ার ভাব নিয়ে লাখ দীর্ঘশ্বাস পিছন ফেলে ক্লাশে ঢুকে গেল...পাপ্পুর দীর্ঘশ্বাস বরাবরের মতই রাস্তায় গড়াগড়ি খেল...

======================================

জনাব,১২৩৪ এর পর আপনিও জয়েন করতে পারেন।গল্প লেখার আগে আগের জন কে খেয়াল করুন।এবং অশ্লীলতা পরিহার করুন।

মজার জন্য পোস্ট।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:১০
৬৪টি মন্তব্য ৯টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×