somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার চোখে আমেরিকা - বিদায় বন্ধু

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাজু - আমার রুমমেট, অবশেষে দেশে ফিরে যাবে। যারা প্রথম থেকে পড়ছেন তারা জানেন যে, রাজুই আমায় বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে এসেছিল। বেঁটে-খাটো গোলগাল ভালমানুষের মত দেখতে; অসম্ভব ভদ্র ও ঠান্ডামাথার ছেলে। ওর আরএকটা গুণে আমি ওর গুণমুগ্ধ - সেটা ওর VB-তে অগাধ জ্ঞান। ওদের দলগত কাজ ও প্রায় একা হাতে সামলাত। গত ৮ মাসে অনেক শনি-রোববারই ওকে সারাদিন এমনকি সারারাত কাজ করতে দেখেছি। ওর এই সব গুণের জন্য ওর ঊর্ধতন ওর উপর ভীষণ ভরসা করত। কিন্তু ওর মুখচোরা স্বভাবের জন্য অন্যায় ভাবে অনেক কাজও চাপিয়ে দিত। বেচারা মাঝে মাঝে আমাদের ছুটির দিনের ঠেক Donuts Den-এ বসে আমার কাছে দুঃখ করত। দেশের আমাদের সংস্থার একটি অপদার্থ কিন্তু চাটুকার ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর জন্য হঠাৎই ৩হপ্তার মধ্যে রাজুকে দেশে ফিরে যেতে বলা হল। দেশে সবাইকে একদিন ফিরতে হবে। কিন্তু রাজুকে যে ভাবে বলা হল সেটা খুবই অপমানজনক। যেন দেশের ঐ ছেলেটি রাজুর থেকে বেশি কর্মঠ, এবং সেটা হঠাৎ আবিষ্কৃত, তাই পত্রপাঠ রাজুকে ফিরতে হবে।
ভীষণ ভেঙ্গে পড়েছিল ও। অপমানটা ঠিক হজম করতে পারছিল না।
ওর পরিবারের গল্প করছিল। মালদায় বাড়ি। বাবার শরীর খারাপ, বাড়িতে ছোট বোন আছে। সংসারের ঠিকঠাক রোজগেরে বলতে ওই। এই বয়সেই গোটা পরিবারের দায়িত্ব দাঁতে-দাঁত চেপে সামলাচ্ছে। নিঃসন্দেহে প্রসংসনীয়।
দুদিন খুব মুষড়ে থেকেই সব চিন্তা ঝেড়ে ফেলে আমেরিকায় ওর শিকড় গুলো গোটাতে আরম্ভ করল। এদেশে Fixed Deposit কে CD বা Certified Deposit বলে। ওর একটা ছিল। ওটা বন্ধ করল। আমাদের Apartment Complex-টার নিয়ম হল ২কামরার Apartment -এ সর্বাধিক ৪জন থাকতে পারবে। আমরা থাকতাম ৫জন। দুজন করে দুটি ঘরে; আর একজন hall ঘরে! ঐ পঞ্চম ব্যক্তি আমাদের "অতিথি" ছিল। বাকি চারজনের lease-এ নাম থাকলেও পঞ্চমের, অর্থাৎ আমার কোথাও কোনো নাম ছিল না। আমাদের মধ্যে অলিখিত নিয়ম ছিল প্রথম ৪জনের মধ্যে কেউ চলে গেলে পঞ্চমের নাম তার জায়গায় ঢোকানো হবে অর্থাৎ lease নতুন করে করা হবে।
এইবেলা একটা কথা বলে রাখি যে, আমি ছিলাম এই বাড়ির প্রথম পরিবর্ত পঞ্চম ব্যক্তি। আমার সময় পর্য্যন্ত hall ঘরে কেউ শুতো না। দুটো ঘরে আমরা ৩-২ ভাবে ভাগ করে থাকতাম। আমি থাকাকালীন হঠাৎ একদিন ধীরু ওদের ৩জনের ঘর ছেড়ে hall-এ এসে থাকা শুরু করে। শেখের ঘরের মধ্যে সিগারেট খাওয়া নাকি ওর আর সহ্য হচ্ছিল না। পরে বুঝেছিলাম ও GMAT-এর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তার জন্যই ও হল ঘরে সরে আসে। সেই শুরু তারপর থেকে যেই এসেছে, সেই প্রথমে hall-এ থেকেছে।
যাইহোক, রাজু ওর নাম কেটে আমার নাম lease-এ ঢোকালো। কর্মক্ষেত্রে সবাইকে কাজ বুঝিয়ে দিতে শুরু করল। অনেকদিন আগে Nestle-এর একটা গোলাপজাম mix কিনে এনেছিল ভারতীয় খাবারের দোকান থেকে। একদিন আমায় বলল,"চলো, ওটা বানিয়ে ফেলি।" খারাপ হয়নি।
একদিন রাতে, রাতের খাবার খাওয়া হয়ে গেছে। আমরা নিত্যকার মত Coke-এর can নিয়ে, বিছানায় আধশোয়া হয়ে, Marlboro ধরিয়ে সুখটান দিচ্ছিলাম। এলোমেলো কথা হচ্ছিল। রাজু আর আমি আমাদের ঘরে, ধীরু ছিল কিছুক্ষণ। ও উঠে গেলে পরে রাজু বলল," জানো, আমেরিকায় এসে দুটো জিনিসের আমার সাধ ছিল। এক, Las Vegas বেড়ানোর। দুই, গাড়ি চালানোর। গাড়ি চালানো আমি শিখে যাব। Luo বলেছে আর এক সপ্তাহের মধ্যে আমার license হয়ে যাবে। কিন্তু Vegas মনে হয় আর হল না। জানি না আর কবে এদিকে আসতে পারব। খুব ইচ্ছে ছিল গো!"
(Luo হল এক ভিয়েতনামী immegrant। কে ওকে খুঁজে পেয়েছিল জানি না। ওর জীবিকা হল গাড়ি চালানো শেখানো। দারুণ ভাল শেখাত। আর আমাদের সংস্থার যারাই আমেরিকা এসে গাড়ি চালাতে চেয়েছে তারাই ওর কাছে শিখেছে। $২০ প্রতি ঘন্টার হিসাবে ওর দর একটু হয়ত বেশিই; কিন্তু আর কেউ চেনা না থাকায় ওর একচেটিয়া সাম্রাজ্য ছিল। ওর সম্পর্কে বিশদে আমার পরের কিস্তির লেখায় থাকবে।)
আমি জানতাম রাজুর গাড়ি নেই বলে আমাদের এক সহকর্মী ওর অবস্থার সুযোগ নিত। সেই ছেলেটি ওকে কর্মক্ষেত্রে নিয়ে যাওয়া-আসার জন্য মাসে $৩০ নিত। জানি অনেকের কাছে এটা যুক্তিসঙ্গতঃ হলেও আমার কাছে এটা চুড়ান্ত অর্থলিপ্সার নজির ছিল। ছেলেটি আমাদেরই apartment complex-এ থাকত। তাই যাতায়তে ওর কোনো বেশি তেল খরচা হত না। তাছাড়া আমেরিকায় তেলের তুলনামূলক দাম এমন কিছু বেশি ছিল না। এরকম একটা তুচ্ছ ব্যাপারে নিজের দেশের লোকের কাছ থেকে পয়সা নেওয়াটা আমার রুচিতে বাধে। অবশ্য রাজু জেনে-শুনেই এই ব্যবস্থায় রাজি হয়েছিল। ওর আত্মসম্মানের সংজ্ঞা বড় কড়া ছিল। শেখ বা ধীরুর গাড়িতে আমাদের সাথে বিনা পয়সায় গিয়ে ওদের উপকার নিতে ওর কুন্ঠা ছিল।
আমেরিকায় গাড়ি চালানোর license পাওয়া বেশ কঠিন। আমাদের দেশের মত কোনোদিন গাড়ি না চালিয়ে শুধু ঘুষ দিয়ে পাওয়া যায় না। রীতিমত পড়াশোনা করে প্রথমে লিখিত পরীক্ষা পাস করে তারপর হাতে কলমে গাড়ি চালিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়। রাজু অনেক দিন ধরেই লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল জানতাম। যেটা জানতাম না তা হল ও Luo-এর কাছেও হাতেকলমে শিখছিল।
ওর কথা শুনে আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল।"কেন রে? এখনও তো ১০-১২দিন আছে। সামনের weekend-এই মেরে আয় না?"
-"কে নিয়ে যাবে বল আমায়? আমি তো আর গাড়ি চালাতে জানি না!"
একটু ভেবে পরামর্শ দিলাম,"একবার নায়েককে বলে দেখতে পারিস। ও প্রায়শঃই যায়।"
পরের দিন অফিসে আমার খোপে বসে আছি, দেখি রাজু Instant Messeging-এ লিখল,"হবে না গো। নায়েক বলছে ৫জন জোগাড় না হলে ও যাবে না। খরচা বেশি হয়ে যাবে। আমি এখনো পর্যন্ত কার্তিক বলে এক তামিল ছেলেকে জোগাড় করেছি। আর কাউকে পাচ্ছি না। তুমি যাবে?"
আমার নায়েক বা ঐ কার্তিক না কে, তার সাথে Vegas যাবার কোনো ইচ্ছা ছিল না। তাই বললাম,"আমার তো এখন যাবার কোনো পরিকল্পনা নেই রে! তুই সবাইকে একটু জিজ্ঞাসা করে দ্যাখ্। কেউ না কেউ ঠিক জুটে যাবে।"
দিনটা ছিল বুধবার। এই প্রসঙ্গে রাজু আর কোনো আলোচনা করল না। পরদিন রাতের খাবার পর Coke ও Marlboro সেবন চলছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম,"কিরে Vegas যাচ্চিস তো?"
-"না গো, আর কাউকে পেলাম না।"
মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। আবার শুধালাম,"আমি যদি যাই তাহলে কি যাওয়া হবে?"
-"মনে হয় না। কারণ নায়েক বলছিল ৫ জন লাগবে।"
-"নিকুচি করেছে ৫জনের। দাঁড়া আমি একবার কথা বলি।" ফোন করলাম নায়েককে।
-"হ্যালো?"
-"নায়েক?"
-"বলছি।"
-"আমি পার্থ বলছি রে।"
-"বল কি ব্যাপার?"
-"শোন আমিও Vegas যাব। এবার চট করে booking-টা করে ফেল তো।"
-"হুম। তাহলে হল ৪। আর কাউকে বলে দেখ, যাবে কিনা। নাহলে একজন কম হচ্ছে।"
-"আপদ! বুদ্ধিটা কি দেশে রেখে এসেছিস? ভেবে দেখ, সবচেয়ে ছোট গাড়ি ৫আসনের হয়। ৫জনই যা আর ১জনই যা ভাড়া এক। কিন্তু হোটেলে ৫জনের ঘর পাবি না। দুটো ঘর নিতেই হবে। কিন্তু ৪জনের একটা ঘর হয়। আর ভাগে কমও পড়ে। খরচাটা এতেই কম হয়।"
নায়েক বুঝল। আর আমরা শনিবার সকালে Ford Focus নামে একটা ফালতু গাড়ি ভাড়া নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম পাপের শহরের উদ্দেশ্যে। এই বেড়ানোর গল্প আমার পরের কিস্তির লেখায় আছে। এই কিস্তিতে শুধু রাজু থাক। শুধু এটুকু বলি, রাজু দারুণ খুশি হয়েছিল। স্বপ্ন সার্থক হলে, মানুষ হয়ত এরকমই খুশি হয়।
সোমবার সকালে রাজু তার গাড়ি চালানোর লিখিত পরীক্ষা দিল। পরীক্ষা দিয়ে সসম্মানে পাস করে অফিসে এসে আমাকে বলে গেল মাত্র ২টো ভুল। ৬টা পর্যন্ত্য ভুল করা যায়। তার বেশি হলেই ফেল। সেদিনই হাতে-কলমে পরীক্ষা দেবার তারিখ ঠিক করে এল, বুধবার। শেখ ও ধীরু দুজনেই ওদের কারো গাড়ি নিয়ে পরীক্ষা দিতে বলল। কিন্তু ও কোনো ঝুঁকি নিতে চাইল না। Luo-কেই বলল ওর গাড়ি আনতে। আমাদের বলল,"এদ্দিন যে গাড়ি চালিয়ে হাত পাকিয়েছি সেটা নিয়েই পরীক্ষা দেব। না হলে ছড়িয়ে ফেললে আর সময় পাব না।"
ওর জেদ আর অধ্যাবসায় সত্যিই প্রশংসনীয়।
অবশেষে ওর আমেরিকায় শেষ দিন এসে পড়ল। দিনটা ছিল শনিবার। রাতের বিমান। সকালে আর একবার Donut Den গেলাম ও আর আমি। শেষবারের জন্য। আর কারো অত উৎসাহ থাকে না। তাই আমি জানি ও চলে গেলে আমারো আর আসা হবে না। দুপুরে সবাই মিলে খেতে গেলাম আল-সালাম বলে একটা পাকিস্থানী রেস্তোরাতে। আর বিকেলে গেলাম Palos Verdes - সূর্য্যাস্ত্ দেখতে। রাজুর আমেরিকার মাটিতে আমাদের সাথে শেষ সন্ধ্যা। Palos Verdes-এর পাহাড়ের ধারের Starbucks-এর সমুদ্রের দিকের খোলা বারান্দায় আমরা চার বন্ধু - রাজু, ধীরু, শেখ ও আমি। হাতে আমাদের প্রিয় Chai Tea Latte, এটা আমাদের এলাচ দেওয়া চা এর সবচেয়ে কাছাকাছি মার্কিন সংস্করণ। দুরে সুর্য্য আকাশের রক্ত ঝরিয়ে কতকটা ক্লান্ত হয়েই প্রশান্ত মহাসাগরের জলে ডুবকি লাগাতে যাচ্ছে। আর সেই সুযোগে একটা ঠান্ডা হিমেল হাওয়া সমুদ্রের দিক থেকে চুপি চুপি পাহাড়ের গা বেয়ে উঠে এসে আমাদের গায়ে শিরশিরানি দিচ্ছে। সবাই ভীষণ চুপ। হয়ত সবাই নিজের নিজের মত করে আগতপ্রায় বিচ্ছেদের জন্য নিজেকে তৈরী করছে; বা হয়ত আমার মত স্মৃতি রোমন্থণ করে আর একবার দেখে নিতে চাইছে এই কয়েক মাসের ব্যবধানে সম্পূর্ণ অচেনা থেকে প্রগাঢ় বন্ধুত্ব সৃষ্টির রসায়ন। বাড়ি ফিরে আর বেশি সময় ছিল না। বেরিয়ে পড়লাম আমরা। রাজুর একটা নতুন কেনা জুতো আর বেশ কিছু জামা কাপড় ফেলে যেতে হল। ওজন বেশি হয়ে যাচ্ছিল। বিমানে মাথা পিছু বাক্সের ওজন বাঁধা আছে। আমরা বললাম পরে আর কেউ গেলে ওর জিনিস তার হাত দিয়ে পাঠিয়ে দেব। শেখের গাড়িতেই গেলাম সবাই। LAX Tom Bradley International Airport।
এটা আমাদের apartment-এর একটা দস্তুর যে, যখন কেউ দেশে যাবে বাকিরা তাকে ছাড়তে বিমানবন্দর যাবে। আরও একটা দস্তুর হল boarding pass নেবার পর ও luggage check-in করার পর বিমানে ওঠার আগে বিদায়ী ব্যক্তি বাকিদের চা-টা খাওয়াবে। আমি big mac ও hot chocolate খেলাম। পরে জেনেছিলাম big mac আসলে গরুর মাংস দিয়ে তৈরী। সেই প্রথম গরু খাওয়া। যদিও এব্যাপারে আমার কোনো ছুঁতমার্গ নেই। ঋক্ বেদে আছে ২১দিনের বাছুরের মাংস নাকি সবচেয়ে সুস্বাদু মাংস। সে হিসাবে দেখলে আমার অধর্মও হয়নি। তবে সত্যি বলতে কি আমার ভাল লাগে নি। কেমন ছিবড়ে ছিবড়ে।
অবশেষে সময় হল। রাজুকে আমরা সবাই আলিঙ্গন করলাম। সজল চোখে আমাদের বন্ধু নিরাপত্তারক্ষীদের পেরিয়ে আমাদের থেকে দুরে, আর নিজের দেশের কাছে ফিরে গেল...বিদায় বন্ধু, আবার দেখা হবে...
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:৪৩
১৭টি মন্তব্য ১৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×