আমার প্রিয় পোস্ট
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- ধেয়ে আসছে প্রকৃতির প্রতিশোধের ভয়ংকর ড্রাগন! জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে কোথাও বাঁচার পথ নেই!! - মনজুরুল হক
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- হজ্বের সেই দিনগুলো - ২য় পর্ব - আশিক হাসান
- দেশের সংবাদপত্রগুলোর প্রচার সংখ্যার আপডেট, মার্চ ০৯ - কাঙাল
- একাত্তরের চিঠি সংকলনের টেক্স্ট কন্টেন্ট রিভার্সিং: একটি প্রকল্পের প্রস্তাবনা - তর্পন
- সামহোয়ারইনে স্বাধীনতা দিবস '২০০৯ এর ভাবনা- একটি পোষ্ট সংকলন। - তায়েফ আহমাদ
- ব্লগ কী? - ফাহমিদুল হক
- আলোচিত বই --মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ( মুহম্মদ জাফর ইকবাল) /// ৯-১৬ পৃষ্ঠা। - পথিক!!!!!!!
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- প্রমিত বাংলা বানান রীতি (৩): অনুস্বার (ং) এবং উঁয়ো (ঙ)! - ম্যাভেরিক
- সামহয়ারইন দেখুন আপনার মোবাইল থেকেই!
- দুর্লভ
- বঙ্গোপসাগরে ঘোড়দৌড় : প্রতিযোগিতাতেই নেই বাংলাদেশ! - ফিউশন ফাইভ
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের ছয় বছর পূর্তী - আশাবাদী!!
- ~~*~*~দৈনিক সংগ্রাম ১৯৭১ ও ২০০৮:জামাতের রঙ বদলের জ্বলন্ত প্রমান~~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- এই সব 'আন্দোলনউৎসবের'চোরাগলিতে আমাদের হারানো ভবিষ্যৎ - মনজুরুল হক
- মুছে ফেলুন - কেন লিখে রেখেছেন? - নাফিস ইফতেখার
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কিভাবে বই বের করবন। পর্ব-২ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৪ (দোতলার ল্যন্ডিং,মুখোমুখি দু'জন--আহসান হাবীব)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি - লাল দরজা
- ডিভাইস ড্রাইভার (সমাপ্ত) - মাইক্রোকাতার
- বাউলের মূর্তি সরানোয় মুসলমানি সাফল্য: আত্মপরিচয় অনুসন্ধানের পুনর্পাঠ, পর্ব ১ - ফাহমিদুল হক
- বাংলাদেশে এক্টিভিস্ট হওয়া কি আদৌ সম্ভব (চার পর্ব একসঙ্গে) - ফাহমিদুল হক
- বাংলা ব্লগ রাহেলাকে জীবিত রেখেছে - কৌশিক
- স্বনামধন্য লেখক মুহাম্মদ জুবায়ের - সামহোয়ারের প্রথম একজন ব্লগারের মহাপ্রয়ান - কৌশিক
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৭ ( চতুর্দশপদী কবিতাবলী -শক্তি চট্টোপাধ্যায়)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আসুন ব্লগ নিয়ে নষ্টালজিক হই
- একরামুল হক শামীম
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- একটি অফলপ্রসূ মিটিং এ অশ্বডিম্ব প্রসব এবং পরবর্তী খরানুভূতি - মেঘ
- আমার নিরন্তর মুসলমান হয়ে ওঠা - সামী মিয়াদাদ
- আমার প্রিয় কবি ১৭ তারিখে মারা গেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- বন্ধু , এপারে ওপারে , পথের পারাপারে ! - রাগ ইমন
- এক উদ্দাম যৌবনাবতী আফ্রিকান সুন্দরীর গল্প ( শেষ পর্ব ) - আশিক হাসান
- আমরা অন্ধ হবো কেন! - মানবী
- আমার পাথুরে চোখে আলফ্রেড সরেন ঃ ঃ জন্ম জন্মান্তরের এক বীর - হযবরল
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ
২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫
স্বাধীন বাংলাদেশে কেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলো না, কেন পাকিস্তানে টিক্কা খানরা গণহত্যার প্রাইজ হিসেবে পরে মন্ত্রী হবার সুযোগ পেয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন পেয়েছে সেসব প্রশ্নের উত্তর এখনও অনেকেরই অজানা।
২৪শে ডিসেম্বর ১৯৭১, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান বলেন, "কোন যুদ্ধাপরাধী আইনের হাত থেকে রক্ষা পাবেনা। এমনকি গনহত্যা এবং অত্যাচারে জড়িত পাকিস্তানী সেনাসদস্যরাও বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।" শেখ মুজিবর রহমান এবং ইন্দিরা গান্ধীর এক সভা শেষে যৌথ বিবৃতিতে বলা হয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে ভারত সকল সহয়তা প্রদান করবে। - (সূত্র)
তবে টু্করো টুকরো কিছু ঘটনা বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যায় যে ভারতের তত্বাবধানে থাকা যুদ্ধবন্দীদের কেন তৎকালীন সরকার বিচার করতে পারেন নি। প্রথমত:
এর পেছনে আন্তর্জাতিক চাপ একটা বড় ভূমিকা পালন করে। কারণ ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা স্টেডিয়ামের খোলা ময়দানে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকাশ্যে ৫ জন অপরাধীর মৃত্যুদন্ড বাস্তবায়ন টিভি ও পত্রিকার কল্যাণে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তোলে। এই ঘটনাকে নিজেদের অনুকুলে কাজে লাগায় পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্র। যদিও ঘটনার হোতা কাদের সিদ্দিকী স্পষ্টই বলেছেন, যাদের হত্যা করা হয়েছে তাদের হাতেনাতে ধরা হয়েছিলো দুজন অবাঙালী কিশোরীকে অপহরণ করার সময়। এবং মৃত্যুদন্ড পাওয়ারা কেউই অবাঙালী নয়।
এসব যুদ্ধাপরাধীকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার জন্য তড়িত উদ্যোগ নেওয়া হয়। নিয়াজী ও রাও ফরমান আলীর মতো মাথাগুলোকে ২১ ডিসেম্বর উড়িয়ে নেওয়া হয় কলকাতা। তিন সপ্তাহের এক বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ৮০টি ট্রেন করে সমস্ত যুদ্ধবন্দীদের সীমান্তের ওপারে নিয়ে যাওয়া হয়। - অমি রহমান পিয়াল
১৯৭২ সালের ২ জুলাই স্বাক্ষরিত সিমলা চুক্তিতে যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে একটি লাইনও নেই। কোথাও বলা নেই যে যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দেওয়া হবে বা বিচার হবে না।
সে সময় ভারতের কাছে বন্দী ছিল ৯৩ হাজার যুদ্ধাপরাধী। এর মধ্যে ৮০ হাজার সামরিক এবং বাকিরা বেসামরিক ব্যক্তি।
সবাইকে পাকিস্তান নিজ দেশে নিয়ে যায়। কোনো চুক্তির আওতায় না বরং ভারত তাদের ছেড়ে দিয়েছিল সৌহার্দের নিদর্শন হিসাবে। ভারত যে পাকিস্তানের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক চায় তারই নিদর্শন হিসাবে ভারত এই সৌহার্দ দেখায়। - শওকত হোসেন মাসুম
"১৯৭৩ সালের ৫-৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধান বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলির সাথে বাংলাদেশের একটি যোগাযোগ স্থাপিত হয়। .... মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতের নেতৃত্বে সৌদি আরবের রাজা ফয়সাল, আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বুমেডিয়েন এর সহযোগিতায় পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় । বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমস্যার মুলে ছিল ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী যাদের বিচারে বাংলাদেশ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলো এবং এজন্য তখনো পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে নাই । আর পাকিস্তানের মিত্র হিসাবে চীন বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্য হিসাবে যোগদানে ভেটো প্রদান করছে । এর মধ্যে চীন পুনরায় জানিয়ে দেয় "After resolution of the war trials issue, Peking will recognise Dacca, and the way will be open for Bangladesh to be admitted to the United Nations" (১৮) ।
(১৫ ই ডিসেম্বর ১৯৭৩) আন্তর্জাতিক আদালত থেকে পাকিস্তানের মামলাটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আরব লীগ নেতৃবৃন্দের একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য বলে বিবেচিত হয়। এবার আরব লীগ নেতৃবৃন্দ পাকিস্তানের উপর চাপ প্রয়োগ করেন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দান করার জন্য । এর জবাবে জুলফিকার আলী ভূট্টো জানান যে বাংলাদেশ ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রত্যাহার করলেই কেবলমাত্র পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেবে।
মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত, সৌদি রাজা ফয়সাল এবং জর্ডানের রাজা হুসেইন এর উদ্যোগে সাতটি মুসলিম দেশের প্রতিনিধি ঢাকা সফর করেন ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের উদ্যোগ থেকে সরে আসার জন্য শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজী করাতে । কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিকভাবে কোন শর্তসাপেক্ষে পাকিস্তানের স্বীকৃতি গ্রহণে অস্বীকার করেন এবং এই বিষয়ে আরো আলোচনা প্রয়োজন বলে অভিমত দেন। - মিরাজ
এর পরে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের ১৯৪৪ সালের পর দ্বিতীয় প্রাণহারী দুর্ভিক্ষের কবলে পরে। ১৯৭৪ সালের জুলাই থেকে ১৯৭৫ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত এই দুর্ভিক্ষের কারন হিসেবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ (সাইক্লোন, খরা ও বন্যা) এর কথা বলা হলেও আসলে এর পেছনে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য সাহায্যের রাজনীতি। তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার সমাজতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল এবং পাকিস্তানের থেকে আমেরিকার উপর চাপ ছিল যুদ্ধপরাধী ইস্যু ধামাচাপা দেয়ার জন্যে। তাই বাংলাদেশ সরকারকে চাপ দেয়ার জন্যে যুক্তরাষ্ট্র খাদ্য সাহায্যের জাহাজ ঘুরিয়ে দিয়ে লাখ লাখ লোক খাদ্যের অভাবে মারা যায়।
তৎকালীন সরকারের তথ্য অনুযায়ী ২৬০০০ লোক মৃত্যুবরন করলেও আসলে মারা গেছেন লাখ লাখ।অস্ট্রেলিয়ান (ধন্যবাদ ফাহমিদুল শুধরে দেবার জন্যে) সাংবাদিক জন পিলগার একটি ডকুমেন্টারীতে দেখিয়েছেন কিভাবে নিক্সনের পলিটিক্স লাখ লাখ বাঙালীর মৃত্যুর কারন হয়।
গ্লোবাল হাঙ্গার এলায়েন্সের দ্বেবিন্দর শর্মা বলেছেন :
নবীন বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষের দুর্গতির সময় যুক্তরাষ্ট্র ২.২ মিলিয়ন টন খাদ্য সাহায্য পাঠানো বন্ধ করে দেয় পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে দেয়ার জন্যে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: সম্ভব নয় কেন? ইহুদী নিধনের বিচার ৫০ বছর পরে হলে, দারফুরের ঘটনার জন্যে একজন পদে থাকা রাষ্ট্রপতির বিচার সম্ভব হলে কেন হবে না।
এখানে একটি বিষয় মনে রাখা দরকার। এইসব বিচার কিন্তু সিম্বলিকই হবে, কারন তখনকার অনেকেই বেচে নেই হয়ত। কিন্তু আমাদের দরকার পৃথিবীর লোকদের জানানো যে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী এমন অমানবিক কাজ করে গেছে। পাকিস্তানীদের গণহথ্যার ব্যপারটি স্বীকার করতে হবে ও বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
হয়ত পরাশক্তির সাথে লড়াইয়ে পারা যাবে না। কিন্তু সত্য প্রতিষ্ঠা হলে তা ফিজিকাল বিচারের চেয়ে বেশী কার্যকরী হবে, তাদেরই ক্ষমা চাইতে হবে।
রুবেল শাহ বলেছেন:
আপনার মনে কি এখনো সংশয় আছে যে আর কোন দিন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে না............... ?
তবে আমার ধারনা এখন উদ্যোগ নিলে কোনভাবেই আমেরিকা বা ওয়ার্ল্ডের বড় কোন পাওয়ার রাজাকার/আলবদর/শামসদের পাশে দাঁড়াবেনা
দুর্ভিক্ষের ভিডিওগুলো দেখে শিউরে উঠলাম ... বাবা-মা'র মুখে শোনা ছাড়া সেসময়ের কথা কিছুই জানতামনা ... আমাদের সংবাদপত্রগুলো সচেতনভাবেই হোক বা না হোক, এরকম ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ইতিহাস এড়িয়ে এসেছে ... সরকারী হিসেব ২৭ হাজার মানে সত্যিকারের হিসেবে লাখ পেরুবার কথা ... ইট ওয়াজ নট আ জোক!!!!!
কিসিঞ্জার শূয়োরটার কি শাস্তি হওয়া উচিত ছিলো ভাবছি।
যে জিনিসটা বুঝলামনা, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া কি খাদ্য-সাহায্য দেয়ার আর কেউ ছিলোনা? ... বাংলাদেশ তো যোগেবিয়োগে রাশিয়া ইনক্লাইনডই ছিলো, পাশেই বড় বড় দুটো দেশ চীন/ভারত ... তারপরও আমাদের যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্যরাজনীতির শিকার হতে হলো?
জানিনা কেনো, অবশ্যই কোন কারণ ছিলো, তবে আপাততঃ যা অনূভব করছই তা হলো, এটা হতাশাজনক।
তর্পন বলেছেন:
পোস্ট টি স্টিকি করা হোক! পোস্ট টি স্টিকি করা হোক!
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
স্টিকি করা হউক।
জানজাবিদ বলেছেন:
যুক্তরাষ্ট্র্ খাদ্যবাহী জাহাজ ঘুরিয়ে দিলো আর আমাদের লাখো মানুষ মারা গেল! এখানে যুক্তরাষ্ট্রের চাইতে আমাদের মিস ম্যানেজম্যান্টই কি বেশী দায়ী নয়? ষড়যন্ত্র অনেকেই করতে পারে কিন্তু সেই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে না পারাটা সরকারেরই ব্যর্থতা।
তর্পন বলেছেন:
জানজাবিদ বলেছেন: যুক্তরাষ্ট্র্ খাদ্যবাহী জাহাজ ঘুরিয়ে দিলো আর আমাদের লাখো মানুষ মারা গেল! এখানে যুক্তরাষ্ট্রের চাইতে আমাদের মিস ম্যানেজম্যান্টই কি বেশী দায়ী নয়?আমার কাছে মনে হয়, খাদ্যের জাহাজ ঘুরিয়ে দেয়া একটি দৃশ্যমান অংশ। নিক্সনীয় জটিল প্যাচের কাছে বাংলাদেশের মত বিধ্বস্ত দেশের ম্যানেজমেন্ট কতটুকু সফল হতো সন্দেহ আছে
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
অনেক বিষয় উঠে এসেছে।পাশাপাশি এই পোস্টটা দেখতে পারেন রেজওয়ান ভাই। ওই সময় কিভাবে আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগ করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া থামিয়ে দেওয়া হয়েছে তা বেশ গুছিয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
Click This Link
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। লিন্কটি যোগ করে দিয়েছি। আপনার লেখাটিতে আরও বিষদ আছে।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
পোষ্টা স্টিকি করার জন্য সা'ইন টিমকে ধন্যবাদ।
অলস ছেলে বলেছেন:
মর্মান্তিক!
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
সিরিজটা পুরো শেষ করিনি এখনও। এ ব্যাপারে বিস্তারিত অনেক তথ্যপ্রমাণ দেয়ার আছে। ধন্যবাদ রেজওয়ান। সরাসরি প্রিয়তে
রেজওয়ান লেখাটার জন্য ধন্যবাদ। আমার মনে হয় দেশের ভিতরে থাকা যুদ্ধাপরাধীদের যদি আমরা সঠিকভাবে সনাক্ত করে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করাতে পারি ঠিকমতো এবং শাস্তি নিশ্চিত করতে পারি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় হয়তো পাকিস্তানী হানাদারদের যুদ্ধাপরাধের দিকে নজর দিতে বাধ্য হবে। যদিও বাস্তবে ব্যাপারটা খুবই কঠিন হবে।
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
@জিনের বাদশা
আমাদের সংবাদপত্রগুলো সচেতনভাবেই হোক বা না হোক, এরকম ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ইতিহাস ছাড়াও রক্ষীবাহিনী নিয়ে ও একরমক চুপ থাকে।
আর এটা নিয়ে তিলকে তাল করে জামাতিরা অপপ্রচার চালায়।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে গেল। এইটা স্টিকি করা হোক। তাতে শামীমের লেখাটার একটা ধারাবাহিকতা থাকবে।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
জ্বিনের বাদশা@ দুর্ভিক্ষ নিয়ে কিছু কথা১. ১৯৭৩ সালের তুলনায় ১৯৭৪ সালে খাদ্য উৎপাদন বেশি হয়েছিল। কিন্তু ৭৪ এর জুলাই আগস্টে বড় ধরণের বণ্যা হয়। ফলে পরের আমন মৌসুমে ধান ও পাটের উৎপাদন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয। এসময় খাদ্য ঘাটতি হবে বলে পত্রিকায় ব্যাপক লেখালেখি শুরু হলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। ব্যবসায়ীরাও ব্যাপকভাবে মজুদদারি শুরু করে। আবার সরকারের মজুদও ছিল কম। ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত সরকারের খাদ্য সংগ্রহঅভিযান সেরকম ছিল না। সরকারের কাছে খাদ্য বিক্রি বাধ্যতামূলক ছিল না। ৭৪ এ তা করা হলেও ততক্ষণে দেরি হয়ে যায় অনেক। আবার বাধ্যতামূলক করায় ভীতি আরও ছড়িয়ে পরে। ফরে মজুদ করার প্রবণতা আরও বেড়ে যায়।
২. সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদও সে সময় ছিল অনেক কম। সাহায্যও তেমন ছিল না যাতে মজুদ বাড়ে।
৩. ১৯৭৪ সালের জন্য খাদ্য সাহায্য পেতে ১৯৭৩ এর মাঝামাঝিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। কথা ছিল ২ লাখ ২০ হাজার টন পাওয়া যাবে। কিন্তু ৯ মাস আলোচনার পর ১০৭৪ সালের ২৭ মে যুক্তরাষ্ট্র জানায় যে তারা সাহায্য দেবে না। কারণ বাংলাদেশ কিউবার কাছে চটের ব্যাগ বিক্রি করছে। বাংলাদেশ বাধ্য হয়ে কিউবার সাথে এই রপ্তানি বন্ধ করে দিলেও নানা অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেছে। তখন শুরু হয়েছে দুর্ভিক্ষ। ফলে অন্য কোথাও থেকে সাহায্য পাওয়ার উপায় ছিল না।
৪. এই যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছাকৃত বলেই মনে করা হয়।
ভালো-মানুষ বলেছেন:
পোল্যান্ড, যুগোস্লাভিয়া, রাশিয়াসহ ইস্টার্ন ব্লকের প্রায় সব দেশই প্রস্তুত ছিল এগিয়ে আসতে। রাশিয়া চাচ্ছিলও বাংলাদেশ তার ৪ মূলনীতিতে চলুক।কিন্তু মুজিব সেটার চেয়ে গুরুত্বপূর্ন ভেবেছে আমেরিকার সুদৃষ্টি পাওয়াকে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, মুজিব ভেবেছিল, মিডল ঈস্টার্ণ পয়সার খনিতে হাত পাততে পারলে বাংলাদেশকে আর কমুনিস্টও হতে হয় না, পাবলিকের ভাগ্য নিয়েও আর তাকে ভাবতে হয় না। বরং নব্য ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর সাথে সদ্ভাব গড়ে তুলে একটি বুর্জোয়া সমাজই ছিল তার লক্ষ্য। এর মানে দাঁড়াচ্ছে, মুজিবের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গী ছিল পাকিস্তানি বুর্জোয়া ক্লাসকে বাঙালি বুর্জোয়া ক্লাস দিয়ে রিপ্লেস করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি আমেরিকাপন্হী পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের কাঠামো দেয়া। আর তাই মুক্তিযুদ্ধে যাদের সাহায্য-সমর্থনের জোরে বাঙালিরা জিতল, বাংলাদেশ তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে তাদের দিক হাত বাড়াল, যারা যুদ্ধ-নৌবহর পাঠিয়ে বাঙালিজাতিকে ঠ্যাঙাতে চেয়েছিল! সত্যিই মুজিবের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা একটি গবেষণার বিষয়! গবেষকরা একদিন হয়ত গবেষণা করে বের করবেন স্বাধীনতাপরবর্তি মুজিব আজকের বাংলাদেশের দুর্দশার জন্য কতটা দায়ী, যেমন পূজ্য স্বাধীনতাপূর্ব গৌরবময় ভূমিকার জন্য।
লেখক বলেছেন: আসলেই গবেষণার বিষয় কেন মুজিব শেষ পর্যন্ত বাধ্য হলেন। না হলে হয়ত ১৯৭৪ সালের মত আরও কোন দুর্ভিক্ষের সৃষ্টি করা হত পরাশক্তিদের কাছে মাথা নত না করার জন্যে।
আমরা হয়ত কোনদিনই রাষ্ট্র পরিচালনার কি চাপ সে সম্পর্কে জানব না তাই আলটপকা মন্তব্য করতে আমাদের কখনও বাধবে না।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
রেজওয়ান ভাই চাইলে এই পোস্ট একটা আলোচনা হতে পারে। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীন রাজনীতি বিষয়ে, যেসব কারনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া ব্যহত হয়েছে।এই ব্লগে একটা শ্রেণীর মধ্যে অনেক ভুল বোঝাবুঝি আছে। তারা কথায় কথায় বলে এতোদিন কেন বিচার হয় নি। কিন্তু ওই সময় আন্তর্জাতিক রাজনীতি কেমন ছিল তা তারা বুঝতে চায় না।
১৯৭৪ এর দুর্ভিক্ষ নিয়ে অনেক ভুল তথ্য ছড়ানো হয়।
রেজওয়ান ভাই, মাসুম ভাই, জ্বিনের বাদশা ভাই, পিয়াল ভাই এই আলোচনা চালিয়ে যেতে পারেন। আগ্রহী অন্যান্যরাও বিষয়টা নিয়ে আলোচনা চালাতে পারেন। এমনটা করতে পারলে বিষয়টা সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটতো মনে করি। তাছাড়া আমাদেরও সেই সময়ের আন্তর্জাতিক রাজনীতি ( যারা কারনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া ব্যহত হয়েছিল) সমন্ধে জানা উচিত।
রেজওয়ান ভাই, জন পিলগার-এর ডকুমেন্টারিটি কি লেখার আকারে নিয়ে আসা যায়?
লেখক বলেছেন: অবশ্যই শামীম। এ নিয়ে আরও আলোচনা করা যায় বইকি।
জর পিলগারের ডকুমেন্টারিটির ট্রান্সক্রিপশনের কথা বলছেন? হ্যা সেটা হয়ত সম্ভব। আমার মনে হয় তার আগে জরুরী ওটি ডাউনলোড করে অন্য আরও এক দুই যায়গায় আপলোড করা। ভাল ই্ন্টারনেট স্পীড ব্যবহার করেন এমন কেউ এগিয়ে এলে ভাল হয়। কারন ইউটিউবে মাঝে মাঝেই কপিরাইট লঙ্ঘনের জন্যে ভিডিও উঠিয়ে নেয়া হয়।
অলস ছেলে বলেছেন:
ভালো-মানুষের মন্তব্যটা চমৎকার।
জিগ স বলেছেন:
স্টিকি করা হোকস্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
.....প্রতি ৩ মিনিট অন্তর অন্তর ৫ বার একই কমেন্ট করে যাবো যাতে "সাম্প্রতিক মন্তব্যে" এই পোস্ট টি থাকে এবং সবাই দেখে। আপনারাও করুন।
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন:
প্রিয়তে । গরীবের কেউ নেই, ইশ্বরও নেই ।
জিগ স বলেছেন:
স্টিকি করা হোকস্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
.....প্রতি ৩ মিনিট অন্তর অন্তর ৫ বার একই কমেন্ট করে যাবো যাতে "সাম্প্রতিক মন্তব্যে" এই পোস্ট টি থাকে এবং সবাই দেখে। আপনারাও করুন।
সোনার বাংলা বলেছেন:
তখনকার বাস্তবতা ছিলো অনেক কঠিন। এখন অনেকেই বঙ্গবন্ধু সরকারের সমালোচনা
করে! কিন্তু ভাবে না যে একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত নব্য দেশ শাসন করা যে কত কঠিন। রাশিয়া
বা অন্য যে সব দেশ বাংলাদেশ কে সমর্থন করে ছিলো, কি দিয়ে সমর্থন করে ছিলো?
রুপকথার গল্পে তো ক্ষুদা মরে না। মানুষ ক্ষিদার জন্য সব কিছু বিষর্জন দেয়।
যাই হোক অনেকের অনেক মত তবে তৎকালীন বঙ্গবন্ধু সরকার যে শুধু বিদেশী চাপে
ছিলো তাও না। আজকের বাংলাদেশের যে অবস্হা তার সূত্রপাত কিন্তু স্বাধীনতার পর
থেকেই শুরু হয়েছে।
সবাই একটু ভেবে দেখেন তো.. যে বঙ্গবন্ধু মানুষের নয়নের মনি ছিলেন,সে তিনি-ই কিভাবে মাত্র ১/২ বছরের মধ্যে প্রবল বিরুদ্ধীতা, গুজব, মুনাফাক্ষোর ব্যবসায়ীদের
হিংস্রতা এবং নব্য বিরুদ্ধী বিপ্লবী জাসদের অন্ধ বিরুদ্ধীতা তার সাথে মোশতাকদের
গোপন খেলা।
মুক্তিযুদ্ধের সময় (শুধু একটা পক্ষ)জামাতীরা রাজাকার ছিলো কিন্তু স্বাধীনতার পর
আরো একটা নব্য রাজাকারী দল জাসদের আবির্ভাব হয়। পাকি রাজাকারেরা স্বাধীন
বাংলাদেশের বিরুদ্ধীতা করেছে আর জাসদীয় রাজাকারেরা সদ্য স্বাধীন দেশের সরকারের পিঠে লাথি মেরেছে। জানি অনেকে এখন এগুলো স্বরন না করে সে জাসদীয়
কুলাংগারদের জন্য চোখের পানি পালায়। এরা যে তখন কত হিংস্র ছিলো তা বাংলার
মানুষ জানে।
অনেক ভালো পোষ্ট।
ধন্যবাদ।
হাসান বায়েজীদ বলেছেন:
পোষ্ট ষ্টিকি করায় কর্তৃপক্ষকে আড়াইসের ধৈন্যাপাতা...
জিগ স বলেছেন:
স্টিকি করা হোকস্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
স্টিকি করা হোক
.....প্রতি ৩ মিনিট অন্তর অন্তর ৫ বার একই কমেন্ট করে যাবো যাতে "সাম্প্রতিক মন্তব্যে" এই পোস্ট টি থাকে এবং সবাই দেখে। আপনারাও করুন।
গিফার বলেছেন:
হুমম....ধন্যবাদ আপনাকে।
খলিল মাহমুদ বলেছেন:
৭৪-এ যে দুর্ভিক্ষ দেখেছি আর যার ভেতর দিয়ে বেঁচে উঠেছি, সে তুলনায় এ ভিডিওতে কোনো দুর্ভিক্ষই ধরা পড়ে নি। বক্তাদের ন্যারেশন প্রকৃত ভয়াবহতা থেকে অনেক দূরে। একজন মা যখন জানেন, তাঁর তিনটি সন্তানের একটি আজ গেলো, বাকি দুটোও একটা একটা করে যাবে, এমনকি তিনি নিজেও, তাঁর সন্তানের বাবাও চলে যাবেন, এমন মর্মন্তুদ মৃত্যুর কাহিনী ভিডিওতে ধারণ করা দুরূহ।পোস্টটিতে অনেক বড় একটা প্রশ্নের সুরাহা মেলে- স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব হয়নি কেন। যে চাপ বা চক্রান্ত তখন ছিল, আজ আর সেটা আছে বলে মনে হয় না, তাই এখনই শ্রেষ্ঠ সময় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের। দাবি সোচ্চার হচ্ছে। আগামী মাস থেকেই বিচারের কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে শুনলাম খবরে।
বিডি আইডল বলেছেন:
আগুন পোস্ট.....প্রিয়তে....আরো আলোচনা দেখতে চাই
জানজাবিদ বলেছেন:
ভালো-মানুষ বলেছেন: আর তাই মুক্তিযুদ্ধে যাদের সাহায্য-সমর্থনের জোরে বাঙালিরা জিতল, বাংলাদেশ তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে তাদের দিক হাত বাড়াল, যারা যুদ্ধ-নৌবহর পাঠিয়ে বাঙালিজাতিকে ঠ্যাঙাতে চেয়েছিল! সত্যিই মুজিবের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা একটি গবেষণার বিষয়! গবেষকরা একদিন হয়ত গবেষণা করে বের করবেন স্বাধীনতাপরবর্তি মুজিব আজকের বাংলাদেশের দুর্দশার জন্য কতটা দায়ী, যেমন পূজ্য স্বাধীনতাপূর্ব গৌরবময় ভূমিকার জন্য।শেখ মুজিব আমার সবচেয়ে শ্রদ্ধাভাজন রাজনৈতিক নেতা। তবে শাসক এবং প্রশাসক হিসেবে তাঁর দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। তবে এই নিয়ে বিতর্ক আর করতে চাইনা। আগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক, বাংলার মাটি কলংকমুক্ত হোক।
নেক্সাস বলেছেন:
শেখ মুজিব সর্ব কালের সর্ব শ্রেষ্ঠ নেতা।তার তুলনা শুধু শে নিজেই।তবে কেনো এই মাহান নেতা বিতর্কিত হলেন?
কারা বঙ্গবন্ধু কে বিতর্কিত করলো?
কারা আজ বঙ্গবন্ধুর জন্য মায়া কান্না করে.....???
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
বস্তুত দেখা যাচ্ছে প্রথম থেকেই বহি একটা শক্তি বাংলাদেশের বিরুদ্দাচারণ এবং কুচক্রি আচরণ করে এসেছে....আর আমরা নিজেরা মারামারি করতে করতেই মরছি...
এখনো আমাদের বুঝে আসছে না। আফসোস
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
বঙ্গবন্ধুকে ধ্বংস করেছে প্রথমে তার কাছের লোকেরাই। বড় বটগাছের নিচে যেমন ,ডাকাতদল বা চোরেরা জুয়া বা টাস খেলে তেমনি,বঙ্গবন্ধুর সাথের কিছু লোকেরাই তার নিচে বসে জুয়া খেলেছে।
আর সব দোষ গিয়ে তার গাড়ে পরেছে।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
আপনার তথ্যের অনেক ঘাটতি আছে। জে. এন দিক্ষীত জিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ভারতীয় হাই কমিশনার ছিলেন এবং পরবর্তীতে ভারতের পররাষ্ট্র সচীব। তার Liberation and beyond বইতে তিনি লিখেছেন যে "ভারত সরকার চেয়েছিল বাংলাদেশ যেন যুদ্ধাপরাধী পাকিস্থানী সৈন্যদের বিচার করে। কিন্তু শেখ মুজিব এ ব্যাপারে তেমন আগ্রহ দেখায় নি।" সর্বপরি মার্কিন সরকারের প্রকাশিত গোপন দলিলে দেখা যায় ১৯৭৪ সালে তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে স্বাক্ষাতে মুজিব এক প্রশ্নের জবাবে বলেন "পাকিস্তানের সকল যুদ্ধবন্দী (সৈন্য) আমি ইচ্ছাকৃত ভাবে ছেড়ে দিয়েছি যাতে সে দেশে মার্শাল ল না আসে"। Click This Link
আর মার্কিন খাদ্য সাহায্যর অভাবে ১৯৭৪ সালে র্দূভিক্ষ হয় এটাও ডাহা মিথ্যা কথা। ১৯৭২ ও ৭৩ সালের তুলনায় ৭৪ এ খাদ্যশস্যের ফলন ভাল হয়। কিন্তু মুজিব সরকারের সময় অব্যাবস্থাপনা, লুটপাট ও র্দূনীতির জন্যই ঐ র্দূভিক্ষ হয়। সুত্র-সহজিয়া কড়চাঃ গরম ভাতের গন্ধঃ লেখক-সৈয়দ আবুল মকসুদঃ ৮ই জানুয়ারী ২০০৮ইং।
আরো গবেষণা করুন এবং সত্য বলার অভ্যাস করুন। স্বাধীনতা উত্তর মুজিব ও আলীগ কে ফেরেশতা বানাতে গেলে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন।
লেখক বলেছেন: আপনি আমাকে বলেন মিথ্যা কোথায় বললাম? আপনার প্রথম ভ্রান্ত ধারণা আমি আওয়ামী লীগের গুণগান গাইতে এসেছি। আপনার কেন মনে হল সেটা?
"মার্কিন খাদ্য সাহায্যর অভাবে ১৯৭৪ সালে র্দূভিক্ষ হয় এটাও ডাহা মিথ্যা কথা।" আপনি অখ্যাত মকসুদ সাহেবের উদ্ধৃতি দিয়েই তা উড়িয়ে দিলেন? আরেকটু গবেষণা করুন:
Click This Link
Around mid-1973, we approached the USAID with a request for food aid for the fiscal year 1973-74 so as to provide a sufficient lead-time.
The United States was requested to provide about 300,000 tons of food aid. I followed it up at a high-level meeting with the USAID in Washington at the end of August 1973, and scaled down our request to 220,000 tons after consultations with the USAID officials.
While frequent contacts between the US and the Bangladesh government continued in Dhaka and Washington, an unexpected message was conveyed on 27th May 1974, by the US Ambassador. By this time price of rice was on a sustained upward trend. The US government had come to know that Bangladesh was selling jute bags to Cuba and under the US PL-480 regulations, food aid could not be provided to any country that was trading with Cuba.
It should be emphasized that the role of food aid under the circumstances was not only to add to the available supplies in the public distribution system but also, much more importantly, to calm the speculative fever.
সরকারের অব্যবস্থাপনা ছিল নিশ্চয়ই ছিল। কিন্তু আপনার পছন্দনীয় কোন সরকার সেসময়ে থাকলেও এইসব বিদেশী চক্রান্ত কিভাবে ঠেকাতেন আমাকে বলবেন কি?
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
সৈয়দ আবুল মকসুদ উক্ত লেখাটি দৈনিক প্রথম আলোতে লিখেছিলেন।
লেখক বলেছেন: আপনি শেখ মুজিবকে পছন্দ করেন না সেটি বুঝলাম। কিন্তু আপনি জে এন দিক্ষিতের কথাই নাচলেন? ভারত যদি এখন দায়িত্ব এড়াতে নানা কথা বলে আমরা কি তা বিশ্বাস করে নেব? তাদের হাতেই তো বন্দী ছিল। বাংলাদেশ চাইলেই কি তারা করত? তারা বন্দীদের ছেড়েছে তাদের স্বার্থ উদ্ধারে।
শেখ মুজিবের উপর চাপ ছিল যে তা এই পোস্টে আছে। উনি ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত ধরে রেখেছিলেন। না হলে হয়ত ১৯৭৪ সালের মত আরও কোন দুর্ভিক্ষের সৃষ্টি করা হত পরাশক্তিদের কাছে মাথা নত না করার জন্যে।
'লেনিন' বলেছেন:
ভালো মানুষের মন্তব্যটিতে জোরালো সত্য এসেছে।আন্তর্জাতিক চাপ ইত্যাদিকে আমি নিতান্তই টাল-বাহানা মনে করবো। চাইলেই এখন যুদ্ধাপরাধের বিচার করা সম্ভব। আর স্বাক্ষর অভিযানের তীব্র বিরোধিতা করি আমি। কেনো স্বাক্ষর লাগবে? পিটিশন? প্রমাণ করতে হবে? যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো?
সদিচ্ছা থাকলে যুদ্ধাপরাধের বিচার যেকোনো সময় শুরু করা যায়। আর তা প্রকাশ্য আদালতে করতে হবে। সর্বোচ্চ শাস্তি ফায়ারিং স্কোয়াড হওয়া উচিৎ।
লেখক বলেছেন: "আন্তর্জাতিক চাপ ইত্যাদিকে আমি নিতান্তই টাল-বাহানা মনে করবো।"
আসলে পোস্টটিতে ৭০ দশকের কথা বলা হয়েছে - পড়েছেন নিশ্চয়ই।
খলিল মাহমুদ বলেছেন:
"পোস্টটিতে অনেক বড় একটা প্রশ্নের সুরাহা মেলে- স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব হয়নি কেন। যে চাপ বা চক্রান্ত তখন ছিল, আজ আর সেটা আছে বলে মনে হয় না, তাই এখনই শ্রেষ্ঠ সময় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের। দাবি সোচ্চার হচ্ছে।"
অরণ্য আনাম বলেছেন:
অসাধারণ একটি পোষ্ট
অলস ছেলে বলেছেন:
খাইছে, কেমনে কি? বাংলাদেশ জিন্দাবাদ এর মন্তব্য পড়ে চিন্তায় পড়লাম। আমরা যারা দেখিনি, তেমন পড়িওনি, কেমনে সত্য জানবো?
লেখক বলেছেন: এই যে চিন্তা হয়েছে সেটিই প্রথম পদক্ষেপ। বিতর্কিত ব্যপারগুলো সম্পর্কে যতটুকু সম্ভব নিরপেক্ষ উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন। আপনি যদি বায়াজড না হন তবে কোন তথ্য থেকে পক্ষপাতিত্বটুকু বাদ দিলেই বুঝতে পারবেন আসল ঘটনা।
মাছিমারা কেরানি বলেছেন:
এই দেশ এ রাজাকার বা যুদ্ধপরাধি দের বিচার আদৌ হবে কি না সেটা নিয়ে আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে। আজকেই এই বিষয়ে একটা লেখা লিখেছিলাম। লিঙ্ক টা দিলামঃClick This Link
রাতুল২০০৮ বলেছেন:
কান্না থামিয়ে রাখতে পারলাম না।
আপনার দেয়া ৩ নং পয়েন্টটা জেনে আবার নতুন করে ভাবতে হলো, মানে, যে প্রশ্নটা জাগলো,
৭৩ এর মাঝামাঝি থেকে যদি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে খাদ্য পাঠানোর ব্যাপারে নেগোসিয়েশন শুরু হয়ে থাকে, তাহলে সেই খাদ্যের সাথে ৭৪ এর দুর্ভিক্ষের কি সম্পর্ক ছিলোনা? আমার অজ্ঞানতা থাকতে পারে, কিন্তু আমরা শুনেছি দুর্ভিক্ষটা হয়েছে ৭৪ সালে। নাকি সরকার বছরখানেক আগে থেকেই বুঝতে পেরেছিলো যে একটা চরম খাদ্যসংকট ঘটতে যাচ্ছে?
আর আমার মূল অভিযোগটা কিন্তু মুজিব সরকারকে নিয়ে নয়। যতটা না তাঁদের দোষ, টার চেয়ে নিরূপায় অবস্থা আর দক্ষতাটা হয়তো বেশী দায়ী ছিলো। দূর্ণীতি আমাদের রন্ধ্রে যে আরো আগে ঢুকেছিলো সেটা আবুল মনসুর আহমেদের রিলিফ ওয়ার্ক পড়ে আমরা কলেজ জীবনেই বুঝতে পারি। তাই একইসাথে মজুতকারী, গমচোর চেয়ারম্যান-মেম্বার আর লোভে ছোঁকছোঁক করা আমলাগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ, আর বিদেশী চাপ সহ্য করাটা মুজিব সরকারের জন্য কঠিনই ছিলো।
প্লাস কিছু দোষও হয়তো ছিলো, যেমন উপরের ২য় ভিডিওতে বঙ্গবন্ধুর সাক্ষাৎকারে দেখা গেলো যে তিনি গ্রুয়েল কিচেনগুলোতে রিলিফ ওয়ার্কের নামে যে অনিয়ম চলছিলো সেটাকে একেবারে নাকচ করে দিলেন, আবার এমনও বললেন যে, সবাই এক্সপেক্ট করেছিলো মিলিয়ন মারা যাবে, কিন্তু সেটা ২৭ হাজারে সীমাবদ্ধ থেকেছে (২৭ হাজার কি যা তা কথা? বঙ্গবন্ধু একথা কিভাবে বললেন? পাক-মার্কিন চক্রান্ত তো তিনি কম বোঝেননি, কিন্তু সেটা উচ্চারনের সাহস তিনি হয়তো হারিয়ে ফেলেছিলেন
যাই হোক, এগুলোর চেয়েও আমার আগের কমেন্টের হতাশা বলুন, রাগ বলুন সেটা পড়ছে সোভিয়েত ব্লকের উপর ...
৯৭/৯৮ এর দিকেই হয়তো ... জাপানের চিরন্তন শত্রু উত্তর কোরিয়ায় খাদ্যঘাটতি হলো ... মানুষ না খেয়ে মরার দশা হয়েছে ... এরকম সময়ে চরম শত্রুও খাদ্যসাহায্য দিয়ে থাকে ... জাপানও তড়িঘড়ি করে এক সপ্টার মধ্যে খাবার পাঠানোর আয়োজন করেছিোলো ...
আমি সেখানেই প্রশ্নটা রেখেছি ... সোভিয়েত, ভারত, চীনের মতো তিনটা বড় দেশ এত কাছে থাকার পরেও আমেরিকার নোংরামীতে এদেশে যখন খাবার আসলোনা, ঐ দেশগুলো কি একটু খোঁজ রাখলোনা আমাদের? আমাদের হেলিকপ্টার দিয়েও সাহায্য করতে পারলোনা?
তারা সবাই চেয়ে চেয়ে দেখলো, আর আমাদের এতগুলো মানুষ চলে গেলো!!!
জন পিলগার তাঁর ডকুতে একটা নষ্ট হওয়া হেলিকপ্টারের পার্টস যোগান নিয়ে ব্রিটিশ অথরিটির কিউ সংক্রান্ত নিয়মকানুন ফলানোকে কটাক্ষ করেছেন, অস্ট্রেলিয়া, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্রকে হেলিকপ্টার না পাঠানোর জন্য অভিযুক্ত করেছেন। হেলিকপ্টারও তো সোভিয়েত থেকে আমরা আশা করতে পারি।
জন পিলগারের অবস্থান থেকে হয়তো তিনি চিরকাল সভ্য বলে জেনে
থাকা ইঙ্গ-মার্কিন বেল্টকে দোষারোপ করেছেন।
আমার কষ্টটা হলো চিরকাল মুজিবের পাশে দাঁড়ানো সোভিয়েত বেল্ট বা এত কাছে থাকা চীন এমন করলো কোন বিচারে, সে জায়গাটাতে।
ধীবর বলেছেন:
সত্য প্রকাশের খাতিরেই নিজেদের মধ্যে এধরণের আলোচনার প্রয়োজন আছে। লেখক সেটা শুরু করেছেন বলে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সাথে সহবগ্লরা যথেষ্ঠ প্রজ্ঞার সাথে নিজ নিজ মন্তব্য করেছেন দেখে আরো ভালো লাগলো। লেখকের বক্তব্য, এবং অন্যান্য ব্লগারদের মন্তব্য শুনে মনে হচ্ছে যে, যেটার অভাব সবচেয়ে বেশি ছিল, সেটা হলো দুরদর্শিতা। সেদিন আমরা আমেরিকার স্বার্থ বলয়ের বাইরে গিয়ে তার শত্রু সোভিয়েতের সহায়তায় দেশ স্বাধীন করেছিলাম। অথচ সাহায্য চাইতে গেলাম আবার আমেরিকারই কাছে? বঙ্গবন্ধু পাকিস্থানি জেল থেকে ছাড়া পাবার আগ পর্যন্ত জানতেনই না, যে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেছে। তাই ড্যামেজ এসেসমেন্ট করার দ্বায়িত্ব ছিল প্রবাসি সরকারের হাতে। তারা কি সেটা সঠিকভাবে করতে পেরেছিলেন?
আরেকটা জিনিস হয়তো সবার চোখ এড়িয়ে গেছে, সেটা হলো চাটার দলের অস্তিত্ব। প্রাথমিক ভাবে যুদ্ধ বিধস্ত একটি দেশের মানূষের জন্য বাকিদের সমবেদনা থেকে প্রচুর রিলিফ আসলেও, সেটা বর্ডার দিয়ে ওপারে পাচার হয়ে যেত। যার কারনেই বাংলাদেশকে শুনতে হয় তলাবিহীন ঝুরির অপবাদ। আর পাকিস্থানিরা যাবার আগে চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু জাহাজ ডুবিয়ে দিয়ে যায়। ফলে রিলিফ বাহি অনেক জাহাজের পক্ষ্যেই নোঙ্গর করা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ সরকার মাত্র ছয়দিনের জন্য কোলকাতা বন্দর ব্যাবহারের অনুরোধ করলেও, ভারত সরকার সাড়া দেয়নি।
যুদ্ধে বিধস্ত একটি নব্য স্বাধীন দেশে যদি স্বজনপ্রীতি এবং দুর্ণীতি ভয়াবহভাবে বিস্তার লাভ করে, নেতারা যদি অদুরদর্শি হন, তাহলে তার অনিবার্য পরিণতিই হচ্ছে দুর্ভিক্ষ। ৭৪ সালে ঠিক তাই হয়েছিল।
ভালো-মানুষ বলেছেন:
প্রিয়তে + করলাম।
েজবীন বলেছেন:
দলাদলি, কাদা ছোড়াছুড়ি বাদ দিয়ে আলোচনাটা এগিয়ে নিলে আমরা অনেক বিষয় জানতে পারবো।শামিমের মতো করেই বলি.... রেজওয়ান ভাই, মাসুম ভাই, জ্বিনেরবাদশা ভাই, পিয়াল ভাই এই আলোচনা চালিয়ে যেতে পারেন। আগ্রহী অন্যান্যরাও বিষয়টা নিয়ে আলোচনা চালাতে পারেন। এমনটা করতে পারলে বিষয়টা সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটতো মনে করি।
ধন্যবাদ লেখাটার জন্য....
ভালো-মানুষ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আসলেই গবেষণার বিষয় কেন মুজিব শেষ পর্যন্ত বাধ্য হলেন। না হলে হয়ত ১৯৭৪ সালের মত আরও কোন দুর্ভিক্ষের সৃষ্টি করা হত পরাশক্তিদের কাছে মাথা নত না করার জন্যে।
আমরা হয়ত কোনদিনই রাষ্ট্র পরিচালনার কি চাপ সে সম্পর্কে জানব না তাই আলটপকা মন্তব্য করতে আমাদের কখনও বাধবে না।দু:খিত, আপনার কাছে এ ধরনের বালখিল্য উত্তর আশা করিনি। রাষ্ট্র পরিচালনায় চাপ কি প্রত্যাশিতই নয়? বিশেষত, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রাশা ও আমেরিকার পরস্পর বিরোধী অবস্থানের পর আমেরিকা সমর্থিত বাহিনীর লজ্জাজনক পরাজয়ের পর?
সে চাপ মোকাবিলা করেই একজন নেতা জনতার হৃদয়ে স্হায়ী আসন তৈরি করে নেন, তার জাতিকে উপহার দেন সোনালি স্বপ্নভরা নতুন দিন। তার উপরে বিশ্বাস রেখে জনতা নিশ্চিন্তে ঝাপিয়ে পড়ে দেশ গড়ার কাজে। যে নেতা একাজে সফল নন তাকে ইতিহাস ক্ষমা করবে না এটাই সত্য। প্রসঙ্গত: ক্যাস্ট্রো সরকারকে টলানোর জন্য ওভারথ্রো করার জন্য কতবার কতভাবে আমেরিকা চেষ্টা করেছে, কতরকম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে তা নিশ্চয়ই আপনার অজানা নয়!
আচ্ছা আপনাকেই প্রশ্ন করি -
মুক্তিযুদ্ধের মূল ৪ ভাব যা '৭২ এর সংবিধানের ৪ মূলনীতিও বটে, তার মধ্যে সমাজতন্ত্র আর ধর্মনিরপেক্ষতা মুজিব সরকারের সামনে কেন ঘোলাটে হারিয়ে হয়ে গেল? কোথায় গেল? কে চাপ দিচ্ছিল বাংলাদেশে সাম্যবাদের সমাজ গড়ে তুলতে?
লেখক বলেছেন: "রাষ্ট্র পরিচালনায় চাপ কি প্রত্যাশিতই নয়?"
আপনি তো মুজিবকে একজন অতিমানব হিসেবে দেখতে চাচ্ছেন। মুজিব একজন সাধারণ মানুষই ছিলেন। তার অনেক সাফল্য আছে আর অনেক ব্যর্থতাও আছে। তার জীবনের শেষের দিকে ডুবিয়েছে তার কাছের লোকজনউ দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ইত্যাদি করে। তার ১৯৭৪ পরবর্তী পদক্ষেপগুলো এবং রক্ষী বাহিনীর ব্যবহার অবশ্যই সমালোচনার দাবী রাখে।
কিন্তু আমরা এখানে আন্তর্জাতিক চাপের কথা বলছি যেটি কিন্ত উড়িয়ে দেবার মত নয়। ক্যাস্ট্রো নিজে ক্ষমতা ধরে রেখেছে কিন্তু কিউবা দেশটি (এককালে কত সমৃদ্ধ ছিল) একেবারে ফোকলা হয়ে গেছে। সেদেশে দেখেছেন লোকে এখনও ৬০ ৭০ দশকের গাড়ীতে ঘুরে বেড়ায়। এ ই যে তাদের প্রতি স্যান্কশন তা কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রেরই কল্যানে।
এখন বলেন মুজিব যদি ২০০৯ পর্যন্ত ক্যাস্ট্রোর মত ক্ষমতা দখল করে রাখতেন পাকিস্তান/আমেরিকার সাথে ফাইট করে সেটি কি দেশের জন্যে ভাল হতো?
ভালো-মানুষ বলেছেন:
সরি, শেষ বাক্যটি হবে "কে বাধা দিচ্ছিল বাংলাদেশে সাম্যবাদের সমাজ গড়ে তুলতে?"
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
@ভালো মানুষ,মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সমস্ত সম্মান রেখেও আহমেদ শরীফের সেই উক্তিটি বোধকরি খুব একটা ভুল না,"বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিলো পাকিস্তানের বুর্জোয়াদের হটিয়ে দিয়ে বাংলাদেশি মধ্যবিত্তদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই"।এইটা সেই অর্থে কোন বিপ্লব ছিলো না।নব্য স্বাধীন রাষ্ট্রের গতিপ্রকৃতি তার সংগ্রামের মধ্যেই নিহিত থাকে।সুতরাং আপনি সেটা চান সেটা আসলে গোঁড়া থেকেই অনুপস্থিত।
মুক্তিযুদ্ধের মুলভাবের দুটি সমাজতন্ত্র এবং ধর্মনিরেপেক্ষতা বিশেষত সমাজতন্ত্র নিয়ে প্রথম থেকেই মুজিব প্রশাসন দ্বিধাগ্রস্ত ছিলো।"গণতন্ত্রের অধীনে সমাজতন্ত্র" নামের বস্তুটা যে আসলেই কি ছিলো সেটা কেউই বুঝতো না।স্বয়ং তাজউদ্দিন আহমেদের ডায়েরীতেই এমন ইংগিত আছে।
আর ফিদেল ক্যাস্ট্রর সাথে শেখ মুজিবের তুলনা আসলে হয়না।আমি তুলনা বলতে
কে মহান, কার ইতিহাসে গুরুত্ব বেশি এইসব মিন করছি না।বংগবন্ধু ছিলো এক
ক্যারিশমাটিক জাতিয়তাবাদী নেতা আর ক্যাস্ট্রো আপাতমস্তক এক বিপ্লবী।সুতরাং দুজনের প্রশাসনের উদ্দ্যেশ্য প্রকৃতি আলাদা হবে তা বলাই বাহুল্য।
মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের ছলচাতুরী, মুসলিমদেশগুলোর ক্রমাগত চাপ এবং অনেক ক্ষেত্রে ভারতের স্বার্থপর ভুমিকা স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের দুর্দশার প্রধানতম কারন হলেও মুজিব প্রশাসনে অদক্ষতা, তার চেয়ে বেশি দূর্ণীতিপরায়না এবং স্বজনপ্রীতির প্রাদুরভার দ্বায় এড়াতে পারেনা।
আমি এখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা শেখ মুজিব কিভাবে তাজউদ্দিনকে সরিয়ে দেন এবং খন্দকার মোশতাকের মতো প্রতিষ্ঠিত মীরজাফরকে মন্ত্রসভায় স্হান দেন!
যাহোক, চমৎকার পোষ্টের জন্য রেজওয়ানকে ধন্যবাদ।সেই সাথে সামুকে স্টিকি করার জন্য।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
আপনি শেখ মুজিবকে পছন্দ করেন না সেটি বুঝলাম। কিন্তু আপনি জে এন দিক্ষিতের কথাই নাচলেন? ভারত যদি এখন দায়িত্ব এড়াতে নানা কথা বলে আমরা কি তা বিশ্বাস করে নেব? তাদের হাতেই তো বন্দী ছিল। বাংলাদেশ চাইলেই কি তারা করত? তারা বন্দীদের ছেড়েছে তাদের স্বার্থ উদ্ধারে। আমি দৈনিক সমকাল ও প্রথম আলোর তথ্য উল্লেখ করেছি মাত্র। এখানে মুজিব কে অপছন্দ করার কথা মোটেও সত্য নয়। আর আবুল মকসুদ আপনার থেকে অনেক উচুমানের এবং এই দেশের একজন প্রসিদ্ধ লেখক। লেখার দ্বারা তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতে পারবেন কিন্তু তিনি যে বলেছেন যে ১৯৭৪ সালে ৭২-৭৩ এর চেয়ে ভাল খাদ্যশস্য ফলন হয়েছে এটাকে অস্বীকার করবেন কিভাবে?
জে. এন. দিক্ষীত ও দৈনিক সমকালের রিপোর্ট প্রমাণ করে যে ভুট্টোর সাথে বন্ধুত্বের খাতিরেই মুজিব সকল পাকিস্তানী সৈন্যদের ছেড়ে দেন। এখানে তার উপর বিদেশী কোন চাপ ছিল না।
মনে রাখবেন অন্ধ হলেই প্রলয় বন্ধ হয় না।
লেখক বলেছেন: দ্যা নেশন পত্রিকার জেমস নর্থ অমর্ত সেনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে:
http://www.thenation.com/doc/19991206/north
Sen discovered that it "occurred in a year of greater food availability per head than in any other year between 1971 and 1976." What actually happened was that the floods that year hit rural landless laborers indirectly. Because they had no land, all their income came from transplanting rice for others. The floods prevented them from earning the meager amount that kept their families alive in most years. There did turn out to be enough food in Bangladesh that year, but the rural poor could not afford to buy it.
Sen points out, chillingly, that large famines can strike down thousands of human beings without anyone's formal libertarian rights being violated. No dictator stole food from the Bangladeshi poor in 1974. The normal functioning of the economy, with property rights respected, led to their deaths.
লেখক বলেছেন: "১৯৭৪ সালে ৭২-৭৩ এর চেয়ে ভাল খাদ্যশস্য ফলন হয়েছে এটাকে অস্বীকার করবেন কিভাবে?"
উপরের লিন্কটিতে অমর্ত সেন ব্যখা দিয়েছেন।
আপনি হয়ত আমার পূর্বের লিন্কটিও পড়েন নি। ওখানে দেখবেন যে খাদ্য সাহায্য আসার কথা ছিল ১৯৭৩ এর শেষ দিকেই সেটি বিলম্বিত হয়ে ১৯৭৪ এ গড়ায়। শেষ পর্যন্ত সেটিও আসে নি। কিন্তু এতে যা হয় যে হোর্ডিং, ব্ল্যাক মার্কেট ইত্যাদির কারনে পণ্যের দাম বেড়ে যায় যা লোকজনের নাগালের বাইরে চলে যায়। এবং এর মধ্যে ব্যবসায়ীদের খাদ্য মজুত করে রাখার প্রবনতা দেখা দেয়। মুজিব সরকার সেগুলো দমন করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রেরও সেগুলোর দিকে তীক্ষ্ণ নজর ছিল। তারা জানত এই খাদ্য সাহায্য বন্ধ করলেই পরিস্থিতি রাজনৈতিক পরিস্থিতি খারাপের দিকে গড়াবে।
আপনার গত বছরের কথা খেয়াল আছে? ভারত প্রতিশ্রুত চাল না যোগান দেয়ায় চালের দাম কিভাবে হুহু করে বেড়ে গেল?
"জুলফিকার আলী ভূট্টো জানান যে বাংলাদেশ ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রত্যাহার করলেই কেবলমাত্র পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেবে।"
এখন বলেন পাকিস্তানের স্বীকৃতির জন্যে উপরের আন্তর্জাতিক চাপকে আপনি কিভাবে দেখেন? ভুট্টোর সাথে বন্ধুত্বমূলক সম্পর্ক ছিল?
Pakistan and its allies such as United States, Saudi Arabia and the People's Republic of China refused to recognise Bangladesh, which in turn demanded an apology for the war crimes committed by Pakistani forces. Pakistan was kicked out of the Commonwealth of Nations after the body's decision to recognise Bangladesh. Full diplomatic relations were not established until after the assassination and overthrow of Sheikh Mujibur Rahman, the country's founding leader and president in 1975.[7][8] Both nations reached an agreement in 1975 in which Bangladesh accepted half of Pakistan's pre-1971 external debt but Bangladesh's claims on receiving half of the country's pre-1971 assets and credit went unresolved.[8]
Click This Link
পাকিস্তানের ভেতরেও বাংলাদেশকে না স্বীকৃতি দেয়ার আন্দোলন চলছিল:
Click This Link
বাঙ্গাল বলেছেন:
দেখতে দেখতে চোখে পানি আইসা গেল।আমরা আসলে কাদের দারা পরিচালিত-শাসিত-শোষিত...এই ভিডিওটায় দেখেন--কিসিঞ্জারের Food For War প্লানের অংশ...এরি ধারাবাহিকতায় বিল গেটসের ফ্রি টিকা দান ক র্মসুচী...হরিবল ভিডিও দ্যাট এউ মাস্ট ওয়াচ--
End Game: Blueprint of Global Enslavement
Click This Link
http://www.youtube.com/watch?v=_dmPchuXIXQ
বাঙ্গাল বলেছেন:
জন পিলজার ও আপনাকে দাড়ায়া সালাম দিলাম। ১০০ + দিলেও কম হয়।
'লেনিন' বলেছেন:
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: "আমি এখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা শেখ মুজিব কিভাবে তাজউদ্দিনকে সরিয়ে দেন এবং খন্দকার মোশতাকের মতো প্রতিষ্ঠিত মীরজাফরকে মন্ত্রসভায় স্হান দেন!"এটাই তো কথা। একটা হামবড়া, কথার ফুলঝুড়িওয়ালা লোককে একটা দল সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি করে ফেলতে চায়।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালী একজন অতিমানবকেই করতে হবে। নাহলে যায়গাটি খালি থাকবে। কারন কৃতজ্ঞতা স্বীকারে আমরা বেশ কন্জুষ।
মুজিবের ১৯৭৪ পরবর্তী পদক্ষেপগুলো অবশ্যই সমালোচনা যোগ্য এবং সেসময় আওয়ামী লীগ অবশ্যই ব্যর্থ ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে তার অবদান সর্বাগ্রে। সে কথা যে মানে না সে তার অস্তিত্বকে অস্বীকার করে। মুজিবের আন্দোলন, দৃঢ়তা, তার ৭ই মার্চের ভাষণ না থাকলে বাংলাদেশ কি স্বাধীন হত?
সন্দেহ থাকলে একটু সময় নিয়ে পড়তে পারেন:
http://www.genocidebangladesh.org/?page_id=4
আন্তর্জাতিকভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ সম্পন্ন করবার জন্য যে পরিমান সুসংবদ্ধ ও সংগঠিত পররাষ্ট্রনীতি দরকার, বিগত ৩৮ বছরে আমরা তার ধারে-কাছেও যেতে পারি নি।
আবার, দেশীয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য শক্ত যে মেরুদন্ড প্রয়োজন, তাও আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো আজ পর্যন্ত অর্জন করে উঠতে পারে নি।
আশাবাদী হতে গিয়ে ও,আমি তাই হতাশ।
যাই হোক, তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
জেবীনের মত করে বলতে হয়...েজবীন বলেছেন: দলাদলি, কাদা ছোড়াছুড়ি বাদ দিয়ে আলোচনাটা এগিয়ে নিলে আমরা অনেক বিষয় জানতে পারবো।
শামিমের মতো করেই বলি.... রেজওয়ান ভাই, মাসুম ভাই, জ্বিনেরবাদশা ভাই, পিয়াল ভাই এই আলোচনা চালিয়ে যেতে পারেন। আগ্রহী অন্যান্যরাও বিষয়টা নিয়ে আলোচনা চালাতে পারেন। এমনটা করতে পারলে বিষয়টা সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটতো মনে করি।
ধন্যবাদ লেখাটার জন্য....
ধন্যবাদ প্রাপ্য সকলের... যারা আলোচনায় অংশ গ্রহণ করছেন...
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
অদ্ভুত !!!.... অপরাধীদেরকের বাঁচানোর জন্য কত আয়োজন.... খুনিদেরকে বাঁচানোর জন্য কত তৎপরতা ..... ধর্ষককের রক্ষার জন্য কত কূটকৌশল ...... এ কোন পৃথিবীতে বাস করছি !!!???
কবে আমরা পরিবার, জাতি, ধর্ম, বর্ণে গন্ডি পেরিয়ে সবার উপরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে পারবো ????
তৃষ্ণার্ত বলেছেন:
অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পোস্ট। প্রিয়তে রাখলাম।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
আমার পড়াশুনা অনেক সীমিত। ফলে কেন সোভিয়েত ব্লক সাহায্য করলো না এটা আমি কোথাও পাইনি। আর দুর্ভিক্ষ হবে এই ভাবনা থেকে ৭৩-এ খাদ্য সাহায্য চাওয়া হয়নি। সাহায্য চাওয়া নিয়মিত অংশ ছিল। স্বাধীনতার পর যুক্তরাষ্ট্র আরও দুবার সাহায্য দিয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় আবারো আলোচনা শুরু হয়েছিল। তবে আগের দুইবার সাহায্য পেতে কোনো সমস্যা হয়নি। হল ৭৪ সালে। অধ্যাপক নুরুল ইসলামের বইটা পড়তে পারেন। এখানে ৭৪ এর দুর্ভিক্ষ নিয়ে অনেক বিস্তারিত আলোচনা আছে।
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট। যে কোন প্রক্রিয়ায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক।
বাশার বলেছেন:
বিচার হতেই হবে
ওমর মাছুম বলেছেন:
আসলেই আপনার লিখাটা পড়ে অনেক কিছু জানলাম। যা বাঙালী হিসেবে আমার জানা দরকার ছিল। আমাকে এইটুকু জানানোর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
অনুপ্রবেশ বলেছেন:
যারা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে চায়, তাদের পশ্চাৎ দেশে বাঁশ প্রবেশ করানো উচিৎ
লেখক বলেছেন: মোহাম্মদ দানেশ বলেছেন:
আপনার লেখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ! বিতর্ক অনেক করা যাবে , ভুলত্র“টি আনেক ধরা যাবে, সমালোচনা অনেক করা যাবে, তাতে কাজের কাজ কিছুই হবেনা। যতদিন না ঐ যুদ্ধাপরাধী হয়েনাদের বিচার হবে, ততদিন লাখো শহীদের আÍা শান্তি পাবেনা, শান্তি পাবেনা মুক্তিকামী দুনিয়ার সকল মানুষ, শান্তি পাবেনা ঐ সব শহীদের স্বজনরাও! তাই দলমত নির্বিশেষে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে ত্বরান্বিত করার জন্য সকলের সহযোগিতা করা দরকার। যাতে করে আমাদের পরবর্তি জেনারেশন গর্বকরে বলতে পারে আমরা বীরের জাতি, আমরা যুদ্ধাপরাধীদের সাথে আপােষ করিনি ! আর আপোষ করে ও লাভ নেই, দুধকলা দিয়ে কালশাপ পুষে লাভ নেই , সুযোগ পেলেই ওরা ছোবল মারবে ! সুতরাং এখনই সময়!
নকিব খান বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক।
নকিব খান বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
এগুলোই ছিল এবং আছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বড় বাধা। অথচ আমরা এগুলোর কথা জানি না। কেউ বলে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আওয়ামী লীগ করতেই যাচ্ছিল কিন্তু সময়ের অভাবে পারে নাই, কেউ বলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কোন ইচ্ছাই শেখ মুজিবের ছিল না। কেউ কেউ বলে, মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়া দালালী করে যুদ্ধাপরাধীদের জন্য এদেশে রাজনীতি খুলে দিয়েছে। মুজিব বলি আর জিয়াই বলি সবাই এই বাংলাদেশেরই নেতা। দেশের জন্য তাদের সবার উল্লেখযোগ্য অবদান আছে। আমরা তা ভুলে যায়। তার সাথে ভুলে যাই Politics is the art of compromise।
রাজনীতির খেলায় আমাদের নেতাদের অনেক ধরনের কম্প্রমাইজ করতে হয়েছে। তাদের হাত এই দরিদ্র বাংলাদেশের জন্য সবসময় খোলা ছিল না। নানা চক্রান্ত আর ষড়যন্ত্রে বাধা ছিল।
এগুলো না দেখার ভান করে, কিছু চক্র আমাদের দুইভাগে সর্বদা বিভক্ত করে রাখছে। এখন সময় এসেছে নিজের প্রতি তাক করা অস্ত্র আসল শত্রুর দিকে তাক করবার।
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
জন পিলজারের ডকুমেন্টারিটা দেখলাম। ভালো লাগলো, দুর্ভিক্ষের পেছনের খাদ্যরাজনীতিটা বোঝা গেল।জন পিলজার আমার খুব পছন্দের সাংবাদিক ও প্রামাণ্যচিত্রনির্মাতা।
তবে তিনি আমেরিকান না, জন্ম অস্ট্রেলিয়ায়, কর্মক্ষেত্র ব্রিটেন। ডকুমেন্টারিতেই আছে তিনি তখন ডেইলি মিরর-এ কাজ করতেন। এখন সম্ভবত নিউ স্টেটসম্যান-এ। যুদ্ধসংবাদদাতা হিসেবে তার বিশেষ খ্যাতি আছে। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ থেকে সংবাদ কাভার করেছেন, যদ্দূর শুনেছি তার চারটি রিপোর্টও আছে। সেগুলো অবশ্য পড়ার সুযোগ হয়নি। তার ওয়েবসাইটটি দেখতে পারেন, ভালো লাগবে: http://www.johnpilger.com/
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
রেজোয়ান সাহেব সমকালে প্রকাশিত সেই মার্কিন দলিল এর বিরোধীতা বাংলাদেশে করেনি বা একে মিথ্যাও বলেনি। আর বিভিন্ন প্রকাশিত মার্কিন দলিল বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই সত্য বলে প্রমাণিত। আর যেহেতু বঙ্গবন্ধু নিজ মুখে হেনরী কিসিঞ্জার কে এই কথা বলেন তাই একে অস্বীকার করা যাবে কি? আর বঙ্গবন্ধু কে হত্যার পরই পাকিস্তান বাংলাদেশ কে স্বীকৃতি দেয়। এই হল ভুট্টোর বন্ধুত্বের প্রতিদান। অবশ্য ভুট্টোরও শেষ রক্ষা হয় নি তাকেও ফাঁসীতে লটকে মরতে হয়েছে।এখন কথা হল বঙ্গবন্ধু যে ইচ্ছাকৃত ভাবে সকল পাকিস্তানী সৈন্যদের কে ছেড়ে দিয়েছিলেন এটা মানতে আপনার এত আপত্তি কেন?
আর সর্বশেষ প্রশ্ন জীবিত যে সকল পাকিস্তানী যারা ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত তাদের কে কিভাবে বিচারের আওতায় আনা যায়? আপনারা এ ধরণের উদ্যোগ নিবেন কি? এই সরকার এ ব্যাপারে সম্পূর্ণই নীরব। মূল হুকুমরে আসামী ছাড়া কখনই সুবিচার তো হবেই না বরং এ দেশীয় তথা স্থানীয় যুদ্ধাপরাধীরা ছাড়া পেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর এরা যদি কোনমতে ফাক গলিয়ে পার পেয়ে যায় তখন জাতি হিসেবে এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত অপমানজনক। যদি পাকিস্তানী সৈন্যদের সাথে এ দেশীয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা যায় সেটাই হবে সত্যিকার অর্থে যুদ্ধাপরাধের বিচার।
লেখক বলেছেন: "বঙ্গবন্ধু যে ইচ্ছাকৃত ভাবে সকল পাকিস্তানী সৈন্যদের কে ছেড়ে দিয়েছিলেন এটা মানতে আপনার এত আপত্তি কেন?"
কারন বঙ্গবন্ধু বললেন আর হয়ে গেল এমন কখনই ছিল না ব্যাপারটি। পাকিস্তানী ওই ১৯৫জনকে ছাড়া হয় ত্রিদেশীয় একটি চু্ক্তির আওতায়। ওটি ভালমত পড়েন, লিন্ক দিচ্ছি:
Click This Link
. On April 17, 1973, India and Bangladesh took a major step forward to break the deadlock on the humanitarian issues by setting aside the political problems of recognition. In a Declaration issued on the date they said that they "are resolved to continue their efforts to reduce tension, promote friendly and harmonious relationship in the sub-continent and work together towards the establishment of a durable peace ". Inspired by the vision and "in the larger interest of reconciliation, peace and stability in the sub-continent" they jointly proposed that the problem of the detained and stranded persons should be resolved on humanitarian considerations through simultaneous repatriation of all such persons except those Pakistani prisoners of war who might be required by the Government of Bangladesh for trial on certain charges.
5. Following the Declaration there were a series of talks between India and Bangladesh and India and Pakistan. These talks resulted in an agreement at Delhi on August 28, 1973 between India and Pakistan with the concurrence of Bangladesh, which provided for a solution of the outstanding humanitarian problems.
6. In pursuance of the Agreement, the process of three-way repatriation commenced on September 19, 1973. So far nearly 300,000 persons have been repatriated which has generated an atmosphere of reconciliation and paved the way for normalization of relations in the sub-continent.
7. In February 1974, recognition took place thus facilitating the participation of Bangladesh in the tripartite meeting envisaged in the Delhi Agreement, on the basis of sovereign equality. Accordingly His Excellency Dr.Kamal Hossain, Foreign Minster of the Government of Bangladesh, His Excellency Sardar Swaran Singh, Minister of External Affairs, Government of India and His Excellency Mr.Aziz Ahmed, the Minister of State for Defense and Foreign Affairs of the Government of Pakistan met in New Delhi from April 5 to April 9, 1974 and discussed the various issues mentioned in the Delhi Agreement in particular the question of the 195 prisoners of war and the completion of the three-way process of repatriation involving Bangalees in Pakistan, Pakistanis in Bangladesh and Pakistani prisoners of war in India.
8. The Ministries reviewed the progress of the three-way repatriation under the Delhi Agreement of August 28, 1973. They were gratified that such a large number of persons detained or stranded in the three countries had since reached their destinations.
10. The Indian side stated that the remaining Pakistani prisoners of war and civilians internees in India to be repatriated under the Delhi Agreement, numbering approximately 6,500, would be repatriated at the usual pace of rain on alternate days and the likely short-fall [text illegible] ..to April 10, 1974 on account of Kumb Mela, would be made up by running additional trains after April 19. It was thus hoped that the repatriation of prisoners of war would be completed by the end of April 1974.
11. The Pakistani side stated that the repatriation of Bangladesh nationals from Pakistan was approaching completion. The remaining Bangladesh nationals in Pakistan would also repatriated without let or hindrance.
13. The question of 195 Pakistani prisoners of war was discussed by the three Ministers, in the context of the earnest desire of the Governments for reconciliation, peace and friendship in the sub-continent. The Foreign Minister of Bangladesh stated that the excesses and manifold crimes committed by these prisoners of war constituted according to the relevant provisions of the U.N General Assembly Resolutions and International Law, war crimes, crimes against humanity and genocide, and that there was universal consensus that persons charged with such crimes as the 195 Pakistani prisoners of war should be held to account and subjected to the dues process of Law. The Minister of State for Defense and Foreign Affairs of the Government of Pakistan said that his Government condemned and deeply regretted any crimes that may have been committed.
14. In this connection the three Ministers noted that the matter should be viewed in the context of the determination of the three countries to continue resolutely to work for reconciliation. The Minister further noted that following recognition, the Prime Minister of Pakistan declared that he would visit Bangladesh in response to the invitation of the Prime Minister of Bangladesh and appeal to the people of Bangladesh, to forgive and forget the mistakes of the past. Similarly, the Prime Minister of Bangladesh had declared with regard to the atrocities and destruction committed in Bangladesh in 1971 that he wanted the people to forget the past and to make a fresh start, stating that the people of Bangladesh knew how to forgive.
15. In the light of the foregoing and, in particular, having regard to the appeal of the Prime Minister of Pakistan to the people of Bangladesh to forgive and forget the mistakes of the past, the Foreign Minister of Bangladesh stated that the Government of Bangladesh has decided not to proceed with the trials as an act of clemency. It was agreed that the 195 prisoners of war may be repatriated to Pakistan along with the other prisoners of war now in process of repatriation under the Delhi Agreement.
16. The Minister expressed their convictions that the above agreements provide a firm basis for the resolution of the humanitarian problems arising out of the conflict of 1971. They reaffirmed the vital stake of seven hundred million people of the three countries have in peace and progress and reiterated the resolve of their Governments to work for the promotion of normalization of relations and the establishment of durable peace in the sub-continent.
Signed in New Delhi on April 9, 1974 in three original, each of which is equally authentic.
Sd/-
Dr.Kamal Hossain, Foreign Minster of the Government of Bangladesh,
Sd/-
Sardar Swaran Singh, Minister of External Affairs, Government of IndiaS
Sd/-
Mr.Aziz Ahmed, the Minister of State for Defense and Foreign Affairs of the Government of Pakistan
জীবিত যে সকল পাকিস্তানী যারা ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত তাদের কে কিভাবে বিচারের আওতায় আনা যায়? আপনারা এ ধরণের উদ্যোগ নিবেন কি?
তাদেরকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। এ ব্যাপারে আমার প্রথম উদ্যোগ http://www.genocidebangladesh.org/ এই সাইটটি যাকে ভিত্তি করে পাকিস্তানীদের জানানো হবে ১৯৭১ সালে কি ঘটেছিল। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তুলতে হবে।
এখন আপনি বলেন আপনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে কি ভূমিকা নিচ্ছেন।
রেজওয়ান বলেছেন:
Unfinished Justice for the crimes of 1971Click This Link
The Bangladesh Collaborators' (Special Tribunal) Order was enacted by the Parliament in 1972 (President's Order No. VIII, 1972) to hold trials of those accused of collaboration with the Pakistan army. This was followed by the adoption of International Crimes (Tribunal) Act of 1973 (Act No. XIX of 1973) to “provide for the detention, prosecution and punishment of persons for genocide, crimes against humanity, war crimes and other crimes under international law”.
Its jurisdiction extended to “all irrespective of nationality, who as members of any armed defense or auxiliary force, committed crimes of humanity, crimes against peace, genocide, war crimes, violation of any humanitarian rules applicable in armed conflicts laid down in the Geneva Conventions of 1949...”
In 1973, the government prepared a list of 195 personnel of the Pakistan army who were accused of committing genocide, war crimes and crimes against humanity. Panels of senior lawyers were appointed as Special Prosecutors to prepare the cases for prosecution of war criminals. But, in March 1972, under the Geneva Conventions, the Pakistani prisoners of war in Bangladesh were transferred to the custody of the Government of India. Afterward, as international pressure mounted for the release of the POWs, and Bangladesh, India and Pakistan signed a tripartite agreement in 1974; all POWs including the 195 prisoners were handed over to the Government of Pakistan by the Government of India, on an understanding that the Government of Pakistan would try them for their crimes.
In 1974, Sheikh Mujibur Rahman, the President of Bangladesh, announced an amnesty, which exempted a large number of under trial collaborators in jail, but it is to be noted that this did not exempt those guilty of murder or rape from trial. In 1976, General Ziaur Rahman repealed the 1972 law. The special tribunals set up to try the collaborators were disbanded.
In December 1971, Z.A. Bhutto, then President of Pakistan constituted an Enquiry Commission, under the Chairmanship of Justice Hamoodur Rahman, to inquire into and find out "…the circumstances in which the Commander, Eastern command, surrendered and the members of the Armed Forces of Pakistan under his command laid down their arms and a cease-fire was ordered along the borders of West Pakistan and India and along the cease-fire line in the State of Jammu and Kashmir."
In November 2000, some sections of this report were published which triggered a strong public reaction in Pakistan demanding publication of the full report by the Government. In December 2000, the Government of Pakistan declassified the Hamoodur Rahman Commission report. Reaction amongst Pakistani citizens focused on the demand for a full official publication, for an apology to the Government of Bangladesh for its actions in 1971 and for trials against those held guilty of these charges. Thus the Joint Action Committee for People's Rights in Lahore adopted a resolution in August 2000 for the Pakistan Government to formally apologize to the people of Bangladesh for the atrocities committed by the Pakistani Army during the War of Liberation of 1971.
In spite of the public reaction, the Pakistan Government has taken no steps to act upon the Commission's recommendations. Hamoodur Rahman Commission's report is an important document both from the point of view of what it revealed as well as what it failed to do for the obvious reason that the commission itself had a limited mandate. It provides strong material evidence to demand a trial by a UN War Crimes Commission for the genocide, war crimes and crimes against humanity committed in Bangladesh.
The newly elected government should take concrete and systematic steps to prepare cases for trial. It may begin by collating the material submitted by the Special Prosecutors to the Ministry of Home Affairs in 1973. Several organizations and individuals have collected and published oral histories that give eye witness accounts. Ain o Salish Kendra has published a volume of women's oral histories so have the historians at the Mukti Juddho Gobeshna Kendro, who have completed oral histories of those who fought in the war in several unions. The Liberation War Museum could coordinate efforts by concerned organizations to systematically document all such evidence of crimes, to be used in the conduct of the trial.
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
ধন্যবাদ রেজওয়ান পোস্টটির জন্য। +
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
ইউকেবেঙ্গলির প্রাসঙ্গিক একটি সম্পাদকীয়'র লিঙ্ক দিচ্ছি পড়ে দেখতে পারেন: Click This Link
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক সেটাই এখন সবার সোচ্চার দাবী এতে কোন সন্দেহ নেই - কিন্তু আমরা যদি কেবল বাঙালি কোলাবরেটরদের নিয়েই ব্যস্ত থাকি তাহলে চাপা পড়ে যাবে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীটি, সেটা আমরা কেউই নিশ্চয়ই চাই না। অন্যদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা যেমন সহজ কোন কাজ নয় তেমনি অসম্ভবও নয়। তার জন্য প্রথামেই দরকার বিচারের দাবীটি উত্থাপন করা যেটি আন্তর্জাতিকভাবে কেউই করছে না।
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
ভাল লাগলো..
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
+ + প্রিয়তে।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
কারন বঙ্গবন্ধু বললেন আর হয়ে গেল এমন কখনই ছিল না ব্যাপারটি। পাকিস্তানী ওই ১৯৫জনকে ছাড়া হয় ত্রিদেশীয় একটি চু্ক্তির আওতায়। ওটি ভালমত পড়েন, লিন্ক দিচ্ছি:রেজোয়ান সাহেব আপনি মানুন আর না মানুন বঙ্গবন্ধুর মুখের কথা (মার্কিন দলিলে উল্লেখিত) বাংলাদেশের আরো বড় বড় সাংবাদিক ও ইতিহাসবিদ কেউই মিথ্যা বলেনি। যে লোকের কথায় এ দেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে নিয়োজিত হয় আর তার কথায় পাকিস্তানী সৈন্যদের ছাড়া যাবে না এটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। আগে ইচ্ছা পরে চুক্তি(সিমলা)। বঙ্গবন্ধূ চাইলেই ১৯৫ প্রকৃতপক্ষে ১০০০ এর অধিক যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তানী সৈন্যদের বিচার করা যেত। ১৯৭১ সালে ভারত ও কিছু সমাজতান্ত্রিক দেশ মিলে সম্ভবত ১৪ টি রাষ্ট্র বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ কে সমর্থন করে এবং বিভিন্ন ধরণের সহযোগিতা করে। আর বাকী ১০০ এর অধিক দেশ এর বিরোধী ছিল তাই বলে কি আমরা স্বাধীনতা অর্জন করিনি? আসলে এটা স্রেফ অজুহাত মাত্র। ১৯৭২ সালে উদ্যোগ নিলে ঐ বছরই এই বিচার হয়ে যেত। ফলে স্থানীয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কোন ব্যাপার ছিল না। ১৯৪৫ সাল হতেই নাৎসী বাহিনীদের অনেকের বিচার হলে ১৯৭২ সালেও এই বিচার করা যেত। তখন আর এতকাল ধরে বিষয় টি ঝুলে থাকত না এবং একে নিয়ে নোংরা রাজনীতিও হত না।
সে যাই হৌক বর্তমানে যদি জীবিত পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী দের ধরে বিচারের আওতায় আনা যায় তার প্রতি আমার পূর্ণ আন্তরিক সমর্থন আছে। তখন আর স্থানীয় যুদ্ধাপরাধীরা শাস্তি এড়াতে পারবে না। হুকুমের আসামী ও গোলাম উভয়েরই শাস্তি নিশ্চিত হবে। তবেই ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের মোটামুটি ভাবে সুবিচার হবে। কারণ ১৯৭১ সালের পর অনেক যুদ্ধাপরাধী আর জীবিত নাই। এখানেই আফসোস ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক ভাবে উদ্যোগ নিলে মূল অপরাধী জেনারেল ইয়াহিয়া খানেরও বিচার করা যেত ঠিক যেমন সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মিলোসোভিচ কে দি হেগের বিচারের সম্মুখীন করা হয়েছিল। আর শুধু এদেশীয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে সমর্থন না থাকলেও, আমি এর বিরোধী নই। কারণ আমি গণতন্ত্র কে শ্রদ্ধা করি।
লেখক বলেছেন: আপনি আসল ব্যাপারটিই এড়িয়ে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু তো শেষমেষ ক্ষমা করেছিলেনই এতে তো সন্দেহ নাই। কিন্তু আমার এই পোস্টের মূল উদ্দেশ্য যে বঙ্গবন্ধু তথা বাংলাদেশের উপর যে পরিমাণ চাপ ছিল সেটাই প্রমাণ করা, এবং তিনি তা যতদুর সম্ভব ঠেকিয়ে রেখেছিলেন।
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের অন্যতম কারণ যে বাংলাদেশকে মার্কিন রাজনীতি সেটিও উপরের ভিডিওতে দৃশ্যমান।
এখন আপনি বলেন যে উপরের আন্তর্জাতিক চাপগুলোর (আমার তথ্যের লিন্কসহ) সম্পর্কে আপনার অন্য কোন তথ্য প্রমাণ আছে না কি? অমুকে বলেছেন না বলে সঠিক ত্থ্য প্রমাণ দিন।
১৯৭২ সালে উদ্যোগ নিলে ঐ বছরই এই বিচার হয়ে যেত তা বলছেন। যুদ্ধবন্দীরা তো ভারতের কাছে ছিল। বাংলাদেশ চাইলেই কি পারত বিচার করতে। কিন্তু তখনকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক ছিলনা। মুক্তিযোদ্ধারা আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছিল। ফলে পাকিস্তানী অনেক পরিবার ভারতীয় সেনাদের কাছে আশ্রয় নেয়। এখানে বিস্তারিত দেখেন:
http://www.youtube.com/watch?v=V-ZB85xBgag
আর ভারত তাদেরকে আগলে রাখে।
রশীদ বলেছেন:
পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে না কেন ? এটা কোন নির্বাচনী ইস্যু নয় বরং এটা জাতীয় ইস্যু। আশা করি বর্তমান সরকার ২০১৪ সালের মধ্যেই তা সম্পূন করবে এবং তার নির্বাচনী ইসতিহার পূরন করবে। কোনভাবেই আগামী নির্বাচনে ইহা যেন ইস্যু হিসেবে না আসে সেই নিশ্চিয়তাও চাই।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
এসব দেখলে নিজের কাছেই নিজেকে ছোট মনে হয় তথাকথিত সভ্য- মানবাতাবাদী দেশ !!
মধ্যপ্রচ্যের দেশগুলোর মুসলিম ব্রাদারহুড ? !
বাংলাদেশের রাজনীতি !! অদক্ষ সরকার - দূর্নীতিবাজ আওয়ামী কর্মি !!
শেখ মুজিবুর রহমানের কথা শুনে বর্তমান সময়ের রাজনৈতিকদের কথাই মনে পরছে, সেইএকই কলের গান !
৯৪ এ শেরপুর যা ছিলো ৩৫ বছর পরেও শেরপুর সেই একই অবস্থায় আছে। কুড়িগ্রাম ও শেরপুর -- সবচাইতে দরিদ্র জেলা। কোনো কি পরিবর্তন হয়েছে ?
দূর্ভিক্ষে মারা যাওয়া লোকগুলোকে দেখেছেন ? একদম সাধারন গ্রামের মানুষ। এদের অবস্থার কিন্তু বিশাল পরিবর্তন হয়নি। সিপিডি বা গ্রামিনের কথা শুনে অনেক কিছু মনে হতে পারে কিন্তউ বাস্তবে গ্রামে গিয়ে দেখবেন এদের মতো লাখ লাখ মানুষ এখনো আছে। আরেকটি দূর্ভিক্ষ হলে আবারা এরা লাখে লাখে মারা যাবে।
নিজের কাছে নিজেকে বড্ড ছোট লাগে। দেখতে ইচ্ছে হয় না এসব। ৭৪ এ দুর্ভিক্ষে আমার নানার পরিবার একদম নিস্ব হয়ে গিয়েছিলো, আমার মার বিয়েতে খাবার ছিলো শুধু লাল আটার রুটি। আমি জানি সে সময় কি হয়েছিলো।
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
প্রিয়তে।
বাবুআনা বলেছেন:
মাহবুব সুমন ভাই অপ্রিয় সত্য কথাগুলো জন্য অনেক অনেক ...............
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
আমরা যে ব্যাপারটা এড়িয়ে যাচ্ছি তা হচ্ছে পাকিস্তানে সে সময় আটকে পড়া বাঙালীদের কথা। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ভুট্টো এদের প্রত্যেককে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে বিচার করার হুমকি দিয়েছিলেন। আটকে পড়া অবাঙালীদের চেয়ে বরং যুদ্ধবন্দীদের সঙ্গেই তাদের বিনিময়ে কুটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছিলেন ভুট্টো। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ও যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের মাধ্যমে নানামুখী চাপের মধ্যে রেখেছিলো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য মরিয়া স্বাধীন দেশটিকে। স্বীকৃতির ব্যাপারটা এজন্যই জরুরী ছিলো যে এমনিতেই মাজুল দেশটিকে আরো অস্থিতিশীল করার জন্য ব্যাপকভাবেই সক্রিয় ছিলো স্বাধীনতাবিরোধী এবং পাকিস্তানপন্থী গোষ্ঠিগুলো।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
OUTGOING TELEGRAM
DEPARTMENT OF STATE 087646
082305Z MAY 73
ROGERS
ROUTINE DACCA
ROUTINE LONDON, NEW DELHI, TEHRAN, ISLAMABAD, USUN NEW YORK
E.O. 11652 GDS
TAGS: PFOR, BG, IN, IR, PK
SUBJECT: BANGLADESH AMBASSADOR'S CALL ON SISCO
যে পয়েন্টগুলোয় দাতাগোষ্ঠীদের ঋণ বিষয়ক চাপের উল্লেখ আছে (মাত্র দুবছরেই ঋণ আদায়ে কি ঋজু তারা!)
4. SISCO OBSERVED THAT ANOTHER SUBJECT DISCUSSED IN DACCA WAS THE DELICATE MATTER OF DIVISION OF DEBT. DEPUTY SECRETARY RUSH AND HE HAD POINTED OUT WE HAD TRIED TO BE HELPFUL WITH OUR ASSISTANCE EFFORT AND BELIEVED IT WAS IN OUR MUTUAL INTEREST THAT WE REMAIN INVOLVED. THOSE LEADERS IN BANGLADESH WITH WHOM WE HAD TALKED HAD MADE IT CLEAR THAT THEY ALSO WISH TO SEE US CONTINUE TO PLAY A ROLE. WE WOULD, HOWEVER, BE PLACED IN A DIFFICULT POSITON IF THE DEBT ISSUE WERE NOT PROPERLY RESOLVED.
5. SISCO SUGGESTED WE SHOULD LOOK AT THE PROBLEM FROM THE PRACTICAL POINT OF VIEW. IF BANGLADESH WOULD ASSUME SOME RESPONSIBILITY FOR A PORTION OF THE DEBT, THE CREDITOR NATIONS WERE PREPARED TO CONSIDER GENEROUS RESCHEDULING. SISCO POINTED OUT THAT THE DONOR NATIONS AT THE RECENT DACCA MEETING HAD TAKEN STRONG POSITION ON THIS ISSUE. FOR OUR PART, THE USG HOPED THE MATTER COULD BE RESOLVED, FOR THE JUNE 30 DEADLINE WAS NOT FAR AWAY.
ভুট্টোর অনমনীয়তার কিছু উল্লেখ
9. ALI POINTED OUT THAT TIMING WAS AN IMPORTANT CONSIDERATION. PAKISTAN HAD STILL NOT BROUGHT ITSELF TO RECOGNIZE THE EXISTENCE OF BANGLADESH. BHUTTO WAS ALSO ARGUING THAT WAR CRIMES TRIALS WOULD STAND IN THE WAY OF RECONCILIATION. BANGLADESH HAD BROUGHT CHARGES AGAINST ONLY A MINIMUM NUMBER OF PAKISTANIS. MANY MORE WERE CULPABLE, BUT HIS GOVERNMENT HAD ONLY CHARGED THOSE AGAINST WHOM INCONTROVERTIBLE EVIDENCE WAS AVAILABLE.
10. SISCO OBSERVED THAT THIS OBVIOUSLY WAS A MATTER WHICH MUST BE WORKED OUT BETWEEN BANGLADESH AND PAKISTAN, BUT POINTED OUT THAT IT WAS DIFFICULT PROBLEM FOR BOTH SIDES. CLEARLY THERE WERE EXCESSES DURING THE PERIOD. NO ONE DENIED THIS; BHUTTO HIMSELF HAD ADMITTED AS MUCH. MUJIB FELT HE COULD NOT JUST WIPE THE SLATE CLEAN; BUT BHUTTO WAS ALSO IN A DIFFICULT POSITION. HE HAS DONE A REMARKABLE JOB OF CUSHIONING THE LOSS OF THE EAST. HE HAS BEEN PREPARING THE GROUNDWORK FOR THE EVOLUTION OF A POSITIVE NEW RELATIONSHIP BETWEEN THE TWO COUNTRIES. THIS WAS A DELICATE PROCESS AND ONE WHICH REQUIRED TIME. THE PROBLEM WAS HOW TO PROCEED WITH THIS EFFORT WITH THE PROSPECT OF WAR CRIMES TRIALS STIRRING UP EMOTIONS ON BOTH SIDES. THOUGH WE COULD NOT COUNSEL EITHER SIDE ON HOW TO WORK THIS OUT, WE HOPED THIS WHOLE MATTER WOULD BE RESOLVED IN SOME MUTUALLY SATISFACTORY MANNER.
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
11. ALI ALSO POINTED TO THE BIHARI QUESTION AS AN ISSUE ON WHICH THE PAKISTANIS WERE NOT BEING HELPFUL. SISCO REMARKED THAT THIS WAS ANOTHER PROBLEM ON WHICH THERE WOULD HAVE TO BE SOME GIVE AND TAKE. HE WAS CONVINCED THE PAKISTANIS WOULD BE FORTHCOMING ON THE ISSUE OF REPATRIATION OF BENGALEES IN PAKISTAN. HE WAS ALSO HOPEFUL THE BIHARI PROBLEM COULD BE RESOLVED BECAUSE OF THE SPIRIT OF RECONCILIATION SHARED BY ALL THE PARTIES.
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ভিক্ষার থলি নিয়ে মুজিবের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমন। সেখানে তাকে শুনতে হয়েছে মার্কিনিদের ফসল কম হয়েছে বলে সাহায্যের পরিমান বাড়াতে সমস্যা হচ্ছে MEMORANDUM
THE WHITE HOUSE
WASHINGTON
MEMORANDUM OF CONVERSATION
PARTICIPANTS:
President Gerald R. Ford
His Excellency Sheikh Mujibur Rahman,Prime Minister of Bangladesh
Dr. Kamal Hossain, Foreign Minister
Ambassador M. Hossain Ali
Lt. General Brent Scowcroft, Deputy Assistant to the President for National Security Affairs
DATE AND TIME: Tuesday - October 1, 1974 3:00 p.m.
PLACE: The Oval Office The White House
[The press was admitted briefly for photos. There was a discussion of pipe tobacco and Mrs. Ford's condition. The press was ushered out.]
President: It was a shock to us. We had to make the decision for the operation, then wait for them to determine malignancy, and so forth.
Mujibur: I sincerely hope she is out of danger.
President: Yes, the prognosis cannot be certain, but only two nodes out of 30 were malignant.
It is good to have you here. It is the first time an American President has met with the head of state of Bangladesh.
Mujibur: Yes. I am happy to have the opportunity to talk with you about my people.
President: We are happy to do what we can for all countries.
Mujibur: You know the history of my country. Its condition after the war was likened to that of Germany in 1945. I want to thank you for your help to us. Before the war we were divided by India. The capital was all in the west. Bangladesh wasn't too bad in '47. Seventy percent of the representatives in the Parliament were from the West; I was in the Parliament. Most of the Administration was destroyed in the war or left for India. Even in the rest we couldn't get out of the West. Everyone has been suffering, first from the war, then from drought, then from the floods. Thanks to help from countries like you, no one is starving. We have had to import everything. Since then we started to bring our trade deficit down, until the inflation, drought and the floods came.
Bangladesh has resources. If we could control the floods, we could be self-sufficient in five years. We produce rice, jute, wheat, and tobacco. We have big gas deposits -- 10-20 trillion cubic feet. We were almost self-sufficient in fertilizer but our plants were damaged. With our own gas and fertilizer plants we could begin to export fertilizer, except for inflation.
President: We have been telling the OPEC countries that if their high prices result in the problems that you and the industrial countries are having, the high prices will bring a collapse and won't help them.
Mujibur: We are suffering so badly from the oil prices.
President: The OPEC countries must realize they are being shortsighted.
Mujibur: We are having a famine, and I have just heard that a cyclone is hitting. We are in dire straits. I have opened food kitchens in each of the regional areas to keep people from starving.
President: Wouldn't a Bangladesh Consortium to include some rich oil producers by a good thing? It would give them a chance to....
Mujibur: Abu Dhabi and Iran have joined the Consortium. I have a crisis immediately, Mr. President, in grain and food aid.
President: There is 250,000 tons of food grains that are being made available for you. As we look at our food picture we will do what we can. We had hoped for a bigger crop. We had a wet spring and then a drought, and now an early frost. So our crop is disappointing. We must see what we have and we will do our very best with what we have.
Mujibur: You are very kind. I hope, if I can make the flood control project with World Bank, we will be self-sufficient within five years. With our gas we hope for oil. We have signed contracts with Atlantic-Richfield and Union Oil. Eventually we can export. But that is in the future, and my crisis is immediate.
President: Do you work with the international lending institutions?
Mujibur: We are a member of the World Bank. Mr. McNamara visited Bangladesh just after our independence. Most of my mills are working now, but there are not enough materials and parts to go at capacity.
President: How about the price of jute?
Mujibur: It has only gone up 10-12%.
We won a majority in Pakistan. We are doing our best to be friends with them. Though millions were killed, or jailed or exiled, we want to forget. We released the Pakistani prisoners, including 195 war criminals. We think we should get some share of the old Pakistani assets. Yet I have had to take on the liabilities of the new country. Bhutto came to Dacca and I told him this, but so far nothing has happened. Also there are 700,000 non-Bengalees in my country. 400,000 want to stay in Bangladesh. That is fine. But Pakistan won't take the others who want to go there. I have to feed my people. How can I take care of my people when I have to take care of these?
I wanted to present these problems to you. I want good relations with everyone.
President: We congratulate you on your independence and UN membership. I was up there two weeks ago. I was encouraged with the improving attitude toward the UN. The American people in recent times have a better attitude towards the United Nations. I hope we can all work better in the United Nations. If it is just a debating society, it is no good. But we should use it to make it work.
Mujibur: We are grateful to you. We are a poor country but we want good relations with you.
President: What is the comparison between what used to be East and West Pakistan?
Mujibur: Pakistan is 65 million. I am 75 million. Pakistan is larger than I. I am starting a family planning organization. We are having particular problems now. I am glad you know our problems. I want to survive.
President: The 150,000 tons [of wheat] is all set. The 100,000 is virtually assured and only depends on our supplies. We....
Mujibur: Would you consider edible oil and cotton? Our people are discussing with yours now.
President: We will do what we can.
Mujibur: Thank you. I officially invite you to visit Bangladesh.
President: Thank you. Isn't Secretary Kissinger going there?
Mujibur: Yes. On 30 October, but I want to invite you.
জীবলু বলেছেন:
পোষ্টটি সংগ্রহে রাখার মতো । মুক্তিযুদ্ধ এবং যুদ্ধ পরবর্তি অনেক অজানা ইতিহাস জানতে পারলাম। লেখককে অশেষ ধন্যবাদ ।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
'বাংলাদেশ জিন্দাবাদ'রে আপনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ভূমিকা রাখার জন্য বলছেন? হাসতে হাসতে শ্যাষ। এইটা ব্লগের চিহ্নিত ছাগু।
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
সন্ধাবাতি আইছেরে খুব ভাল্লগতেছে।
সন্ধাবাতি তোমার নাকি বিয়া হৈছে,দুলাভাই কেমন আছে?
ফড়িং বলেছেন:
বিচার চাই।বিচার চাই।হবে তো?
দিনমজুর বলেছেন:
@রোজোয়ানযে জাতির মুক্তি যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে শুধু আন্তর্জাতিক চাপ নয় একেবারে সরাসরি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শক্তিকে মোকাবেলার করেই(আমেরিকা তো তখন কেবল হুমকি নয়,সরাসরিই পাকিস্তানকে অস্ত্র সাহায্য করেছে, তাই না?), সে মুক্তি যুদ্ধের নেতৃত্ব স্রেফ আন্তর্জাতিক চাপের কারণেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পিছপা হয়েছে এ অযুহাত বড় হাস্যকর লাগছে ভাই।
আন্তর্জাতিক চাপ তো খোদ মু্ক্তি যুদ্ধের বিরুদ্ধেও ছিল, তার পরেও তো মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। তাহলে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কেন সেই একই আন্তর্জাতিক শক্তির চাপে সে নেতৃত্ব মাথা নত করলো?
যে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক আদর্শের ছত্রছায়ায় যুদ্ধপরাধ সংঘটিত হয়েছিল, মু্ক্তিযুদ্ধের সময় বা তার আগে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী ততকালীন পূর্ববাংলার ধনিক শ্রেণী তার ক্ষমতা অর্জনের প্রয়োজনে তার বিরোধীতা করলেও এবং এ অর্থে মুক্তযুদ্ধের সময় সেক্যুলার রাজনীতির চর্চা করলেও স্বাধীনতাপরবর্তী সময়ে এটি আর তার কাছে তেমন কোন ইস্যু থাকেনি। বরং সেক্যুলারিজম তখন তার সদ্যলব্ধ ক্ষমতা ভোগ করার বাধা হয়েই দাড়িয়েছিল। ফলে স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়ে যে ধনিক শ্রেণী নিজস্ব ক্ষমতার লোভে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির বিরোধীতা করে জনগণের কাছাকাছি চলে এসেছিল, সে ধনিক শ্রেণী দেশ স্বাধীন হবার পর যখন দেখল 'মুসলিম' হলে তার বরং সুবিধা, ক্ষমতায় থেকে লুটপাট করার লোভে সেই ধনিক শ্রেণী তার সেই ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বিরোধীতার অবস্থান থেকে সরে এলো। একই সময় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব ক্রমশ তাদের শ্রেণী-বন্ধু ধনীদের স্বার্থ রক্ষা এবং তাদের লুটপাটের ব্যবস্থা করতে করতেই ক্রমশ জনবিচ্ছিন্ন হতে থাকলো।
জনগণের বন্ধুত্ব হারালো বলেই তার কাছে ওআইসির বন্ধুত্ব জরুরী হয়ে পড়ল,এবং সেই একই সূত্র ধরে মধ্যপ্রাচ্য, পাকিস্তান কিংবা তাদের দোসর মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের আনুকূল্য গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠলো।এরকম একটা পরিস্থিতিতেই কিন্তু আন্তর্জাতিক চাপ সত্যিকারের 'চাপ' হয়ে উঠলো।এটা কিন্তু শেখমুজিবর রহমানের ব্যাক্তিগত চরিত্রের কোন ব্যাপার নয়, তিনি যে আওয়ামীলিগের নেতা ছিলেন সেই দলটির শ্রেণীগত ভাবে ধনীক শ্রেণীর দল হওয়ার ফলেই যুদ্ধ অপরাধের বিচার তখন তার বা তার দলের কোন আদর্শিক বিষয় থাকে নি যে এর জন্য মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের মতো সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে, যে কারণেই তখন তার নেতৃত্বাধীন শাসক দল তাদের 'বৈষয়িক স্বার্থে'র বিষয়টি মাথায় রেখে যুদ্ধপরাধীদের বিচার থেকে পিছিয়ে আসে।
এই হলো আপনার উল্লেখিত 'আন্তর্জাতিক চাপে'র সত্যিকারের 'চাপ' হয়ে উঠার প্রেক্ষাপট। এ প্রেক্ষাপটকে মাথায় রেখেই আমাদের যুদ্ধপরাধীদের বিচার কেন সে সময় হয়নি এবং স্বাধীনতার এত বছর পর এখনও কেন এ বিষয়টি নিয়ে স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে হচ্ছে কিংবা ব্লগ জগতে লেখালেখি করতে হচ্ছে- সে প্রশ্নের মীমাংসা করতে হবে।
সালাউদ্দিন আইউবী বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
রেজওয়ান বলেছেন:
"সে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব স্রেফ আন্তর্জাতিক চাপের কারণেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পিছপা হয়েছে এ অযুহাত বড় হাস্যকর লাগছে ভাই।"-শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক চাপের কারণে সেটি কিন্তু কখনও বলা হয়নি। এই পোস্টের উদ্দেশ্য কি কি আন্তর্জাতিক চাপ ছিল তা উদঘাটন করা। কেন তৎকালীন সরকার বিচার থেকে সরে এসেছে তা বোঝার চেষ্টা করা।
আওয়ামী লিগের ব্যর্থতা ছিল, দুর্ণীতিও ছিল প্রতিটি স্তরে। লুটেরা, চাটুকার শ্রেণীও বঙ্গবন্ধুকে বিভ্রান্ত করেছিল। পাকিস্তানের স্বীকৃতি, পাকিস্তানে আটক বাঙ্গালীদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারটিও ছিল। আর বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে পরিণত করার মার্কিন ষড়যন্ত্র ও (পোস্টে উল্লেখিত) ভারত সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চাপতো ছিলই।
তবে সেই ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করেছে পরবর্তী জিয়া সরকার। ৭৫ এর আগষ্টে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর সময় ও ৭৫২ জন অভিযুক্ত ও প্রায় ১১০০০ বন্দী যুদ্ধাপরাধী ছিল কারাগারে। ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭৫ দালাল আইন রদের মাধ্যমে তাদের মুক্তি তরান্বিত হয়। পরবর্তীতে গোলাম আজমের পূন:প্রতিষ্ঠার পথ প্রসারিত হয়। এদের বিচার হলেও কিন্তু নতুন করে এই আন্দোলনের প্রয়োজন হতো না।
বর্তমানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীকে সবাই সমর্থন করছে কিন্তু বিশেষ কোন দলীয় ম্যান্ডেট হিসেবে নয়। আজকে জামাতঘেষা লোকজন বাদ দিয়ে অনেকেই চায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। জামাত অনুসারীদেরও না চাওয়ার কোন কারন দেখিনা, কারন তাদের শীর্ষ নেতাদের পাপের বোঝা নবীন কর্মীরা কেন বইবে?
১৯৯৪ সালে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আন্দোলন যখন চুড়ান্তে এবং গণআদালত হল তখন কিন্তু আওয়ামী লীগের একাংশের বিরোধীতায় আন্দোলন স্তিমিত হয়ে গেল। এবারেও এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলন (দালাল + পাকিস্তানী সৈন্য) যেন কোন রাজনৈতিক স্বার্থের দ্বারা হাইজ্যাক না হয়ে যায় সেদিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে - আমাদের অস্তিত্বের স্বার্থেই।
লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন:
লেখাটা খু-উ-ব মন দিয়ে পড়লাম। ভাল লেখার জন্য ধন্যবাদ। এ ধরণের লেখা আরো আশা করছি .......
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এ বাংলার মাটিতেই দেখে যেতে চাই........
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন:
বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে বলছি, তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে যে লিডারশিপ দেখিয়েছিলেন, তা তিনি যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে ধরে রাখতে পারেন নি। কিন্তু সেই সময়ে রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি কেমন ছিল, তা এখন অনুধাবন ও অনুমান করা সম্ভব না। আমার যা মনে হয়েছে, ওনার সবচেয়ে বড় ভুল ছিল - সব কুল ধরে রাখবার প্রবণতা। সব কুল ধরে রাখতে গিয়ে তিনি কোন কুলই ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। তিনি আমেকিরাকে চটাতে চাননি, আবার রাশিয়া ও রাশিয়াপন্থীদেরও বিরুদ্ধে যেতে চাননি। ভারতের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চেয়েছেন। আবার আরব দেশগুলোর সাথেও সম্পর্ক ভাল রাখতে চেয়েছেন। কয়েকটি লেখা পড়ে যা বোঝা গেল, হয়ত ভারত, আমেরিকা ও আরব দেশগুলোর বিভিন্ন ধরনের চাপে পড়েই তিনি যুদ্ধপরাধীদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। সেখানে সব কুল রক্ষা করবার প্রবণতা কাজ করেছিল।আবার যদি জাতীয় রাজনীতির দিকে তাকাই, তাহলে দেখতে পাই যে, তিনি তাঁর দলের অনেক নেতা কর্মীদের করাপশন ও লুটপাটের বিরুদ্ধে তেমন ভূমিকা রাখেন নি। তিনি হয়ত অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য পান নি। আবার হয়ত দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার স্বার্থে তেমন একশন নেন নি, ভেবেছেন, এগুলো এমনিতেই কমে আসবে। অথবা সংঘাত এড়ানোর জন্য কারও বিরুদ্ধে হয়ত একশন নেন নি।
কেন তিনি বাকশাল করতে গেলেন, তা আমার কাছে ক্লিয়ার না। হয়ত এখানেও কিছু দেশের আন্তর্জাতিক চাপ ছিল। অবশেষে তো তাঁকে মূল্য দিতে হল ট্রাজেডির মাধ্যমে। এখানেও হয়ত বিরুদ্ধ আন্তর্জাতিক পক্ষের ভূমিকা আছে।
তখনকার পরিস্থিতি যাই থাকুক, এখনকার পরিস্থিতি অন্তত ঐ সময়ের চেয়ে অনেক অনুকূল। ব্যাপক জনসমর্থন গড়ে তুললে আন্তর্জাতিক আদালতে অবশ্যই পাকিস্তানি অপরাধীদের বিচার সম্ভব। অতীতে যাই হোক, ভবিষ্যতে যেন ভালো কিছু আমরা অর্জন করতে পারি। আর অতীত থেকে আমরা যেন শিক্ষা নিতে পারি। ভালো কিছুর শুরুটা এখন থেকেই হোক না কেন?
[বি.দ্র. আমি একজন নতুন ব্লগার। হয়ত যুতসই কমেন্ট দিতে পারিনি। সেজন্য ক্ষমাপ্রার্থী। যা চিন্তা করেছি ও ভেবেছি, তাই তুলে ধরবার চেষ্টা করেছি। ধন্যবাদ।]
একজন মহান পিতার ঔরসজাত সন্তান হয়ে, লক্ষ শহীদের রক্তে-ভেজা মাটির এই বাংলদেশের কর্ণধার হয়ে একজন প্রধানমন্ত্রী যখন 'হায়েনা' কিসিঞ্জারের হাত থেকে হাসিমুখে তথাকথিত সম্মানসূচক, প্রকৃত অর্থে 'তোষামোদি' ডিগ্রী মাথা নিচু করে নিতে পারেন, তখন আর মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার কোনোই আশা দেখিনা।
আমাকে সবাই মিলে যতই 'দিন-বদলের' গল্প শোনাও না কেনো।
লেখক- সালাহউদ্দীন এবং আরো শয়তানগুলোকে জ্ঞান দেবার কোন দরকার নেই। এদের অন্তর মোহর করা।
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন:
@মেঘঃ আপনি একটা ভাল বিষয় তুলে ধরেছেন। রাজাকাররা যে শুধু জামায়াতের ভিতরে লুকিয়ে আছে, তা নয়। আওয়ামী লীগ ও বি এন পি র ভিতরেও রাজাকার পাওয়া যাবে। সাকা চৌধুরি এর বড় উদাহরন। প্রতিষ্ঠিত এই রাজাকার ও দেশদ্রোহী প্রকাশ্যে রাজনীতি করে বেড়াচ্ছে এবং বছরকে বছর সাংসদও হয়ে বেড়াচ্ছে, এটা আমাদের জাতির জন্য বড় লজ্জার ব্যাপার।
নিউজনেট :: উন্নয়ন-অর্থনীতি বিষয়ক অনলাইন বলেছেন:
দারুন তথ্যবহুল লেখা!অতীত নিয়ে আলোচনার এবং শিক্ষা নেবার দরকার অবশ্যই আছে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি ও ওয়াদা সম্র্পকেও সোচ্চার হতে হবে। ইদানিং সেক্টর কমান্ডারর্স ফোরাম, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এবং কলাম লেখকদের অতটা সক্রিয় ভূমিকা দেখছি না যতটা দেখেছি নির্বাচনের আগে। আবার হতাশ হতে হবে না তো?
সুইট বলেছেন:
অন্যতম যুদ্ধাপরাধী সাকা চৌধুরীর তৎকালীন গার্লফ্রন্ড শেখ হাসিনা। ৬৯-৭০ এ তাদের প্রায়ই একসাথে ঘুরতে দেখা যেত। তাদের বিয়ের কথাও উঠেছিল কিন্তু ফকা চৌধুরীর আপত্তির কারনে তা হয় নাই। ৯৫ সালে সাকা চৌধুরী যখন এনডিপির এম.পি. ছিলেন তখন একসাথে পদত্যাগ করার সময় শেখ হাসিনাও বলেছিলেন আমাদের ৩৫ বছরের সম্পর্ক। তাই আমার মনেহয় একজন যুদ্ধাপরাধীর তৎকালীন প্রেমিকা ও অন্যতম সহযোগী শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আরো অনেক তথ্য পাওয়া যাবে।তথ্য সুত্র- মরহূম আলহাজ্ব মোহাম্মদ জমির আলীর বিভন্নবক্তব্য যিনি তখন ফকা চৌধূরীর রাজনৈতিক সচিব ছিলেন।
অরণ্য আনাম বলেছেন:
এই পোষ্ট একটি ব্লগ আর্কাইভ
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
@ আলমগীর কুমকুম, রামছাগু তোমার সমস্যাটা কি? আমি কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধে কোন কথা বলছি? তোমার নেত্রী হাসিনা ২০০০ সালে কোলকাতায় ভারতীয়দের কাছ থেকে বাংলাদেশের মূখ্যমন্ত্রীর ডাক শুনেও প্রতিবাদ করে না। এমনই ব্যাক্তিত্ব হাসিনা যে প্রথম আমলে ১৯৯৬-২০০১ প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন অবস্থায় পিতার খুনীর হুকুমদাতা আসামী তথা মাষ্টার মাইন্ড হেনরী কিসিঞ্জার কে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ করে তার হাত থেকে পুরুস্কার নেয়, তার সমর্থক হলা তোমরা। তাই তোমাদের মত ভন্ডদের কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিয়ে চলি না। যতই বকাবাজি করো না কেন সত্য কে চাপা দিয়ে রাখতে পারবা না।
ফূতিওয়ালা বলেছেন:
সবাই কে একটা কথা বলি আমরা যারা ৭০-৭১ দেখি নাই তারা কেবল নৈতিকতার আর দেশাত্ববোধ থেকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এর সমর্থক যা যথেষ্ঠ নয়। যখন আমরা যুদ্ধাপরাধীদের আসল চেহারা জানবো আর তারা এখনো যে আমাদের দেশের জন্য যে ভয়াবহ তা জানবো এবং মন থেকে ঘৃনা করতে পারবো তখন এ আন্দোলন আরো গতি পাবে। তাই যুদ্ধাপরাধী যারা এখোন আমাদের রাজনীতীতে আছে তাদের সম্পকে বিস্তারিত লেখালেখীর প্রয়োজন আছে। যা হতে হবে তথ্য বহুল এবং বস্তুনিষ্ঠ। মনেরাখতে হবে গ্রামের বুড়া রাজাকার কে বিচার করে ক্ষান্ত হলে হবে না। বিচারে আনতে হবে রাঘব বোয়ালদের যারা আজও পতাকাওয়ালা গাড়ীতে ঘুরে বেরায়।
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন:
@মেঘঃ আপনার লিংকটা পাচ্ছি না।
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন:
@সুইটঃ আপনি যে তথ্য দিলেন তার রেফারেন্স দিন। কারন তথ্যটা খুব স্পর্শকাতর।
তানিয়া মুন বলেছেন:
+
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















