অনুসন্ধান:
cannot see bangla? সাধারণ প্রশ্ন উত্তর বাংলা লেখা শিখুন আপনার সমস্যা জানান ব্লগ ব্যাবহারের শর্তাবলী
আমি তোমাদেরই কোন একজন ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার প্রিয় পোস্ট

টুকিটাকি ভাবনাগুলো

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ

২৮ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫ |

শেয়ারঃ
0 0

স্বাধীন বাংলাদেশে কেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলো না, কেন পাকিস্তানে টিক্কা খানরা গণহত্যার প্রাইজ হিসেবে পরে মন্ত্রী হবার সুযোগ পেয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন পেয়েছে সেসব প্রশ্নের উত্তর এখনও অনেকেরই অজানা।

২৪শে ডিসেম্বর ১৯৭১, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান বলেন, "কোন যুদ্ধাপরাধী আইনের হাত থেকে রক্ষা পাবেনা। এমনকি গনহত্যা এবং অত্যাচারে জড়িত পাকিস্তানী সেনাসদস্যরাও বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।" শেখ মুজিবর রহমান এবং ইন্দিরা গান্ধীর এক সভা শেষে যৌথ বিবৃতিতে বলা হয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে ভারত সকল সহয়তা প্রদান করবে। - (সূত্র)

তবে টু্করো টুকরো কিছু ঘটনা বিশ্লেষণ করলেই বোঝা যায় যে ভারতের তত্বাবধানে থাকা যুদ্ধবন্দীদের কেন তৎকালীন সরকার বিচার করতে পারেন নি। প্রথমত:

এর পেছনে আন্তর্জাতিক চাপ একটা বড় ভূমিকা পালন করে। কারণ ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা স্টেডিয়ামের খোলা ময়দানে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকাশ্যে ৫ জন অপরাধীর মৃত্যুদন্ড বাস্তবায়ন টিভি ও পত্রিকার কল্যাণে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তোলে। এই ঘটনাকে নিজেদের অনুকুলে কাজে লাগায় পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্র। যদিও ঘটনার হোতা কাদের সিদ্দিকী স্পষ্টই বলেছেন, যাদের হত্যা করা হয়েছে তাদের হাতেনাতে ধরা হয়েছিলো দুজন অবাঙালী কিশোরীকে অপহরণ করার সময়। এবং মৃত্যুদন্ড পাওয়ারা কেউই অবাঙালী নয়।

এসব যুদ্ধাপরাধীকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার জন্য তড়িত উদ্যোগ নেওয়া হয়। নিয়াজী ও রাও ফরমান আলীর মতো মাথাগুলোকে ২১ ডিসেম্বর উড়িয়ে নেওয়া হয় কলকাতা। তিন সপ্তাহের এক বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ৮০টি ট্রেন করে সমস্ত যুদ্ধবন্দীদের সীমান্তের ওপারে নিয়ে যাওয়া হয়।
- অমি রহমান পিয়াল

১৯৭২ সালের ২ জুলাই স্বাক্ষরিত সিমলা চুক্তিতে যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে একটি লাইনও নেই। কোথাও বলা নেই যে যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দেওয়া হবে বা বিচার হবে না।

সে সময় ভারতের কাছে বন্দী ছিল ৯৩ হাজার যুদ্ধাপরাধী। এর মধ্যে ৮০ হাজার সামরিক এবং বাকিরা বেসামরিক ব্যক্তি।
সবাইকে পাকিস্তান নিজ দেশে নিয়ে যায়। কোনো চুক্তির আওতায় না বরং ভারত তাদের ছেড়ে দিয়েছিল সৌহার্দের নিদর্শন হিসাবে। ভারত যে পাকিস্তানের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক চায় তারই নিদর্শন হিসাবে ভারত এই সৌহার্দ দেখায়।
- শওকত হোসেন মাসুম

"১৯৭৩ সালের ৫-৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধান বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলির সাথে বাংলাদেশের একটি যোগাযোগ স্থাপিত হয়। .... মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতের নেতৃত্বে সৌদি আরবের রাজা ফয়সাল, আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বুমেডিয়েন এর সহযোগিতায় পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় । বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমস্যার মুলে ছিল ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী যাদের বিচারে বাংলাদেশ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলো এবং এজন্য তখনো পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে নাই । আর পাকিস্তানের মিত্র হিসাবে চীন বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্য হিসাবে যোগদানে ভেটো প্রদান করছে । এর মধ্যে চীন পুনরায় জানিয়ে দেয় "After resolution of the war trials issue, Peking will recognise Dacca, and the way will be open for Bangladesh to be admitted to the United Nations" (১৮) ।

(১৫ ই ডিসেম্বর ১৯৭৩) আন্তর্জাতিক আদালত থেকে পাকিস্তানের মামলাটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আরব লীগ নেতৃবৃন্দের একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য বলে বিবেচিত হয়। এবার আরব লীগ নেতৃবৃন্দ পাকিস্তানের উপর চাপ প্রয়োগ করেন বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দান করার জন্য । এর জবাবে জুলফিকার আলী ভূট্টো জানান যে বাংলাদেশ ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রত্যাহার করলেই কেবলমাত্র পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেবে।

মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত, সৌদি রাজা ফয়সাল এবং জর্ডানের রাজা হুসেইন এর উদ্যোগে সাতটি মুসলিম দেশের প্রতিনিধি ঢাকা সফর করেন ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের উদ্যোগ থেকে সরে আসার জন্য শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজী করাতে । কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিকভাবে কোন শর্তসাপেক্ষে পাকিস্তানের স্বীকৃতি গ্রহণে অস্বীকার করেন এবং এই বিষয়ে আরো আলোচনা প্রয়োজন বলে অভিমত দেন। - মিরাজ

এর পরে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের ১৯৪৪ সালের পর দ্বিতীয় প্রাণহারী দুর্ভিক্ষের কবলে পরে। ১৯৭৪ সালের জুলাই থেকে ১৯৭৫ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত এই দুর্ভিক্ষের কারন হিসেবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ (সাইক্লোন, খরা ও বন্যা) এর কথা বলা হলেও আসলে এর পেছনে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য সাহায্যের রাজনীতি। তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার সমাজতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল এবং পাকিস্তানের থেকে আমেরিকার উপর চাপ ছিল যুদ্ধপরাধী ইস্যু ধামাচাপা দেয়ার জন্যে। তাই বাংলাদেশ সরকারকে চাপ দেয়ার জন্যে যুক্তরাষ্ট্র খাদ্য সাহায্যের জাহাজ ঘুরিয়ে দিয়ে লাখ লাখ লোক খাদ্যের অভাবে মারা যায়।

তৎকালীন সরকারের তথ্য অনুযায়ী ২৬০০০ লোক মৃত্যুবরন করলেও আসলে মারা গেছেন লাখ লাখ।অস্ট্রেলিয়ান (ধন্যবাদ ফাহমিদুল শুধরে দেবার জন্যে) সাংবাদিক জন পিলগার একটি ডকুমেন্টারীতে দেখিয়েছেন কিভাবে নিক্সনের পলিটিক্স লাখ লাখ বাঙালীর মৃত্যুর কারন হয়।





গ্লোবাল হাঙ্গার এলায়েন্সের দ্বেবিন্দর শর্মা বলেছেন :

নবীন বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষের দুর্গতির সময় যুক্তরাষ্ট্র ২.২ মিলিয়ন টন খাদ্য সাহায্য পাঠানো বন্ধ করে দেয় পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে দেয়ার জন্যে।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 


১৩৪টি মন্তব্য

১০১. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১

পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে না কেন ? এটা কোন নির্বাচনী ইস্যু নয় বরং এটা জাতীয় ইস্যু। আশা করি বর্তমান সরকার ২০১৪ সালের মধ্যেই তা সম্পূন করবে এবং তার নির্বাচনী ইসতিহার পূরন করবে। কোনভাবেই আগামী নির্বাচনে ইহা যেন ইস্যু হিসেবে না আসে সেই নিশ্চিয়তাও চাই।

১০২. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০৪

মাহবুব সুমন বলেছেন: এসব দেখলে নিজের কাছেই নিজেকে ছোট মনে হয় :(

তথাকথিত সভ্য- মানবাতাবাদী দেশ !!
মধ্যপ্রচ্যের দেশগুলোর মুসলিম ব্রাদারহুড ? !
বাংলাদেশের রাজনীতি !! অদক্ষ সরকার - দূর্নীতিবাজ আওয়ামী কর্মি !!

শেখ মুজিবুর রহমানের কথা শুনে বর্তমান সময়ের রাজনৈতিকদের কথাই মনে পরছে, সেইএকই কলের গান !

৯৪ এ শেরপুর যা ছিলো ৩৫ বছর পরেও শেরপুর সেই একই অবস্থায় আছে। কুড়িগ্রাম ও শেরপুর -- সবচাইতে দরিদ্র জেলা। কোনো কি পরিবর্তন হয়েছে ?

দূর্ভিক্ষে মারা যাওয়া লোকগুলোকে দেখেছেন ? একদম সাধারন গ্রামের মানুষ। এদের অবস্থার কিন্তু বিশাল পরিবর্তন হয়নি। সিপিডি বা গ্রামিনের কথা শুনে অনেক কিছু মনে হতে পারে কিন্তউ বাস্তবে গ্রামে গিয়ে দেখবেন এদের মতো লাখ লাখ মানুষ এখনো আছে। আরেকটি দূর্ভিক্ষ হলে আবারা এরা লাখে লাখে মারা যাবে।

নিজের কাছে নিজেকে বড্ড ছোট লাগে। দেখতে ইচ্ছে হয় না এসব। ৭৪ এ দুর্ভিক্ষে আমার নানার পরিবার একদম নিস্ব হয়ে গিয়েছিলো, আমার মার বিয়েতে খাবার ছিলো শুধু লাল আটার রুটি। আমি জানি সে সময় কি হয়েছিলো।

১০৩. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩

রেজওয়ান শুভ বলেছেন: প্রিয়তে।

১০৪. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

বাবুআনা বলেছেন: মাহবুব সুমন ভাই অপ্রিয় সত্য কথাগুলো জন্য অনেক অনেক ...............

১০৫. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০

বাবুআনা বলেছেন:
+ দিলাম........

১০৬. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৫৪

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আমরা যে ব্যাপারটা এড়িয়ে যাচ্ছি তা হচ্ছে পাকিস্তানে সে সময় আটকে পড়া বাঙালীদের কথা। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ভুট্টো এদের প্রত্যেককে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে বিচার করার হুমকি দিয়েছিলেন। আটকে পড়া অবাঙালীদের চেয়ে বরং যুদ্ধবন্দীদের সঙ্গেই তাদের বিনিময়ে কুটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছিলেন ভুট্টো। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ও যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের মাধ্যমে নানামুখী চাপের মধ্যে রেখেছিলো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য মরিয়া স্বাধীন দেশটিকে। স্বীকৃতির ব্যাপারটা এজন্যই জরুরী ছিলো যে এমনিতেই মাজুল দেশটিকে আরো অস্থিতিশীল করার জন্য ব্যাপকভাবেই সক্রিয় ছিলো স্বাধীনতাবিরোধী এবং পাকিস্তানপন্থী গোষ্ঠিগুলো।

১০৭. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৫

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
OUTGOING TELEGRAM

DEPARTMENT OF STATE 087646



082305Z MAY 73

ROGERS



ROUTINE DACCA

ROUTINE LONDON, NEW DELHI, TEHRAN, ISLAMABAD, USUN NEW YORK



E.O. 11652 GDS

TAGS: PFOR, BG, IN, IR, PK

SUBJECT: BANGLADESH AMBASSADOR'S CALL ON SISCO

যে পয়েন্টগুলোয় দাতাগোষ্ঠীদের ঋণ বিষয়ক চাপের উল্লেখ আছে (মাত্র দুবছরেই ঋণ আদায়ে কি ঋজু তারা!)

4. SISCO OBSERVED THAT ANOTHER SUBJECT DISCUSSED IN DACCA WAS THE DELICATE MATTER OF DIVISION OF DEBT. DEPUTY SECRETARY RUSH AND HE HAD POINTED OUT WE HAD TRIED TO BE HELPFUL WITH OUR ASSISTANCE EFFORT AND BELIEVED IT WAS IN OUR MUTUAL INTEREST THAT WE REMAIN INVOLVED. THOSE LEADERS IN BANGLADESH WITH WHOM WE HAD TALKED HAD MADE IT CLEAR THAT THEY ALSO WISH TO SEE US CONTINUE TO PLAY A ROLE. WE WOULD, HOWEVER, BE PLACED IN A DIFFICULT POSITON IF THE DEBT ISSUE WERE NOT PROPERLY RESOLVED.



5. SISCO SUGGESTED WE SHOULD LOOK AT THE PROBLEM FROM THE PRACTICAL POINT OF VIEW. IF BANGLADESH WOULD ASSUME SOME RESPONSIBILITY FOR A PORTION OF THE DEBT, THE CREDITOR NATIONS WERE PREPARED TO CONSIDER GENEROUS RESCHEDULING. SISCO POINTED OUT THAT THE DONOR NATIONS AT THE RECENT DACCA MEETING HAD TAKEN STRONG POSITION ON THIS ISSUE. FOR OUR PART, THE USG HOPED THE MATTER COULD BE RESOLVED, FOR THE JUNE 30 DEADLINE WAS NOT FAR AWAY.

ভুট্টোর অনমনীয়তার কিছু উল্লেখ

9. ALI POINTED OUT THAT TIMING WAS AN IMPORTANT CONSIDERATION. PAKISTAN HAD STILL NOT BROUGHT ITSELF TO RECOGNIZE THE EXISTENCE OF BANGLADESH. BHUTTO WAS ALSO ARGUING THAT WAR CRIMES TRIALS WOULD STAND IN THE WAY OF RECONCILIATION. BANGLADESH HAD BROUGHT CHARGES AGAINST ONLY A MINIMUM NUMBER OF PAKISTANIS. MANY MORE WERE CULPABLE, BUT HIS GOVERNMENT HAD ONLY CHARGED THOSE AGAINST WHOM INCONTROVERTIBLE EVIDENCE WAS AVAILABLE.



10. SISCO OBSERVED THAT THIS OBVIOUSLY WAS A MATTER WHICH MUST BE WORKED OUT BETWEEN BANGLADESH AND PAKISTAN, BUT POINTED OUT THAT IT WAS DIFFICULT PROBLEM FOR BOTH SIDES. CLEARLY THERE WERE EXCESSES DURING THE PERIOD. NO ONE DENIED THIS; BHUTTO HIMSELF HAD ADMITTED AS MUCH. MUJIB FELT HE COULD NOT JUST WIPE THE SLATE CLEAN; BUT BHUTTO WAS ALSO IN A DIFFICULT POSITION. HE HAS DONE A REMARKABLE JOB OF CUSHIONING THE LOSS OF THE EAST. HE HAS BEEN PREPARING THE GROUNDWORK FOR THE EVOLUTION OF A POSITIVE NEW RELATIONSHIP BETWEEN THE TWO COUNTRIES. THIS WAS A DELICATE PROCESS AND ONE WHICH REQUIRED TIME. THE PROBLEM WAS HOW TO PROCEED WITH THIS EFFORT WITH THE PROSPECT OF WAR CRIMES TRIALS STIRRING UP EMOTIONS ON BOTH SIDES. THOUGH WE COULD NOT COUNSEL EITHER SIDE ON HOW TO WORK THIS OUT, WE HOPED THIS WHOLE MATTER WOULD BE RESOLVED IN SOME MUTUALLY SATISFACTORY MANNER.

১০৮. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৬

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
11. ALI ALSO POINTED TO THE BIHARI QUESTION AS AN ISSUE ON WHICH THE PAKISTANIS WERE NOT BEING HELPFUL. SISCO REMARKED THAT THIS WAS ANOTHER PROBLEM ON WHICH THERE WOULD HAVE TO BE SOME GIVE AND TAKE. HE WAS CONVINCED THE PAKISTANIS WOULD BE FORTHCOMING ON THE ISSUE OF REPATRIATION OF BENGALEES IN PAKISTAN. HE WAS ALSO HOPEFUL THE BIHARI PROBLEM COULD BE RESOLVED BECAUSE OF THE SPIRIT OF RECONCILIATION SHARED BY ALL THE PARTIES.

১০৯. ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:১৭

অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ভিক্ষার থলি নিয়ে মুজিবের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমন। সেখানে তাকে শুনতে হয়েছে মার্কিনিদের ফসল কম হয়েছে বলে সাহায্যের পরিমান বাড়াতে সমস্যা হচ্ছে
MEMORANDUM
THE WHITE HOUSE
WASHINGTON

MEMORANDUM OF CONVERSATION

PARTICIPANTS:
President Gerald R. Ford
His Excellency Sheikh Mujibur Rahman,Prime Minister of Bangladesh
Dr. Kamal Hossain, Foreign Minister
Ambassador M. Hossain Ali
Lt. General Brent Scowcroft, Deputy Assistant to the President for National Security Affairs

DATE AND TIME: Tuesday - October 1, 1974 3:00 p.m.
PLACE: The Oval Office The White House

[The press was admitted briefly for photos. There was a discussion of pipe tobacco and Mrs. Ford's condition. The press was ushered out.]

President: It was a shock to us. We had to make the decision for the operation, then wait for them to determine malignancy, and so forth.

Mujibur: I sincerely hope she is out of danger.

President: Yes, the prognosis cannot be certain, but only two nodes out of 30 were malignant.

It is good to have you here. It is the first time an American President has met with the head of state of Bangladesh.

Mujibur: Yes. I am happy to have the opportunity to talk with you about my people.

President: We are happy to do what we can for all countries.

Mujibur: You know the history of my country. Its condition after the war was likened to that of Germany in 1945. I want to thank you for your help to us. Before the war we were divided by India. The capital was all in the west. Bangladesh wasn't too bad in '47. Seventy percent of the representatives in the Parliament were from the West; I was in the Parliament. Most of the Administration was destroyed in the war or left for India. Even in the rest we couldn't get out of the West. Everyone has been suffering, first from the war, then from drought, then from the floods. Thanks to help from countries like you, no one is starving. We have had to import everything. Since then we started to bring our trade deficit down, until the inflation, drought and the floods came.

Bangladesh has resources. If we could control the floods, we could be self-sufficient in five years. We produce rice, jute, wheat, and tobacco. We have big gas deposits -- 10-20 trillion cubic feet. We were almost self-sufficient in fertilizer but our plants were damaged. With our own gas and fertilizer plants we could begin to export fertilizer, except for inflation.

President: We have been telling the OPEC countries that if their high prices result in the problems that you and the industrial countries are having, the high prices will bring a collapse and won't help them.

Mujibur: We are suffering so badly from the oil prices.

President: The OPEC countries must realize they are being shortsighted.

Mujibur: We are having a famine, and I have just heard that a cyclone is hitting. We are in dire straits. I have opened food kitchens in each of the regional areas to keep people from starving.

President: Wouldn't a Bangladesh Consortium to include some rich oil producers by a good thing? It would give them a chance to....

Mujibur: Abu Dhabi and Iran have joined the Consortium. I have a crisis immediately, Mr. President, in grain and food aid.

President: There is 250,000 tons of food grains that are being made available for you. As we look at our food picture we will do what we can. We had hoped for a bigger crop. We had a wet spring and then a drought, and now an early frost. So our crop is disappointing. We must see what we have and we will do our very best with what we have.

Mujibur: You are very kind. I hope, if I can make the flood control project with World Bank, we will be self-sufficient within five years. With our gas we hope for oil. We have signed contracts with Atlantic-Richfield and Union Oil. Eventually we can export. But that is in the future, and my crisis is immediate.

President: Do you work with the international lending institutions?

Mujibur: We are a member of the World Bank. Mr. McNamara visited Bangladesh just after our independence. Most of my mills are working now, but there are not enough materials and parts to go at capacity.

President: How about the price of jute?

Mujibur: It has only gone up 10-12%.

We won a majority in Pakistan. We are doing our best to be friends with them. Though millions were killed, or jailed or exiled, we want to forget. We released the Pakistani prisoners, including 195 war criminals. We think we should get some share of the old Pakistani assets. Yet I have had to take on the liabilities of the new country. Bhutto came to Dacca and I told him this, but so far nothing has happened. Also there are 700,000 non-Bengalees in my country. 400,000 want to stay in Bangladesh. That is fine. But Pakistan won't take the others who want to go there. I have to feed my people. How can I take care of my people when I have to take care of these?

I wanted to present these problems to you. I want good relations with everyone.

President: We congratulate you on your independence and UN membership. I was up there two weeks ago. I was encouraged with the improving attitude toward the UN. The American people in recent times have a better attitude towards the United Nations. I hope we can all work better in the United Nations. If it is just a debating society, it is no good. But we should use it to make it work.

Mujibur: We are grateful to you. We are a poor country but we want good relations with you.

President: What is the comparison between what used to be East and West Pakistan?

Mujibur: Pakistan is 65 million. I am 75 million. Pakistan is larger than I. I am starting a family planning organization. We are having particular problems now. I am glad you know our problems. I want to survive.

President: The 150,000 tons [of wheat] is all set. The 100,000 is virtually assured and only depends on our supplies. We....

Mujibur: Would you consider edible oil and cotton? Our people are discussing with yours now.

President: We will do what we can.

Mujibur: Thank you. I officially invite you to visit Bangladesh.

President: Thank you. Isn't Secretary Kissinger going there?

Mujibur: Yes. On 30 October, but I want to invite you.

১১০. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:১০

জীবলু বলেছেন: পোষ্টটি সংগ্রহে রাখার মতো । মুক্তিযুদ্ধ এবং যুদ্ধ পরবর্তি অনেক অজানা ইতিহাস জানতে পারলাম। লেখককে অশেষ ধন্যবাদ ।

১১১. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩

আলমগীর কুমকুম বলেছেন: 'বাংলাদেশ জিন্দাবাদ'রে আপনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ভূমিকা রাখার জন্য বলছেন? হাসতে হাসতে শ্যাষ। এইটা ব্লগের চিহ্নিত ছাগু।

১১২. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: থ্যাঙ্ক য়ু পোস্টটার জন্য। আমার অনেক দিনের প্রশ্ন ছিল পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বা সেনাবাহিনীর বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিত্বকে বিশ্বদরবারে অপরাধী করে কেন যুদ্ধপরাধের বিচার হয় নি মুক্তিযুদ্ধের সাথে সাথে। অথচ বাংলাদেশের গণহত্যা আন্তর্জাতিক ভাবে রেকগনাইজড হওয়ার জন্য সেটা হতো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কোথাও ইতিহাসের এই অংশটা স্পষ্টভাবে বলা নেই।

১১৩. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪

কায়েস মাহমুদ বলেছেন:


সন্ধাবাতি আইছেরে খুব ভাল্লগতেছে।

সন্ধাবাতি তোমার নাকি বিয়া হৈছে,দুলাভাই কেমন আছে?

১১৪. ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:২৭

ফড়িং বলেছেন: বিচার চাই।বিচার চাই।হবে তো?

১১৫. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:১০

দিনমজুর বলেছেন: @রোজোয়ান
যে জাতির মুক্তি যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে শুধু আন্তর্জাতিক চাপ নয় একেবারে সরাসরি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শক্তিকে মোকাবেলার করেই(আমেরিকা তো তখন কেবল হুমকি নয়,সরাসরিই পাকিস্তানকে অস্ত্র সাহায্য করেছে, তাই না?), সে মুক্তি যুদ্ধের নেতৃত্ব স্রেফ আন্তর্জাতিক চাপের কারণেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পিছপা হয়েছে এ অযুহাত বড় হাস্যকর লাগছে ভাই।

আন্তর্জাতিক চাপ তো খোদ মু্ক্তি যুদ্ধের বিরুদ্ধেও ছিল, তার পরেও তো মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে। তাহলে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কেন সেই একই আন্তর্জাতিক শক্তির চাপে সে নেতৃত্ব মাথা নত করলো?

যে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক আদর্শের ছত্রছায়ায় যুদ্ধপরাধ সংঘটিত হয়েছিল, মু্ক্তিযুদ্ধের সময় বা তার আগে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী ততকালীন পূর্ববাংলার ধনিক শ্রেণী তার ক্ষমতা অর্জনের প্রয়োজনে তার বিরোধীতা করলেও এবং এ অর্থে মুক্তযুদ্ধের সময় সেক্যুলার রাজনীতির চর্চা করলেও স্বাধীনতাপরবর্তী সময়ে এটি আর তার কাছে তেমন কোন ইস্যু থাকেনি। বরং সেক্যুলারিজম তখন তার সদ্যলব্ধ ক্ষমতা ভোগ করার বাধা হয়েই দাড়িয়েছিল। ফলে স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়ে যে ধনিক শ্রেণী নিজস্ব ক্ষমতার লোভে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির বিরোধীতা করে জনগণের কাছাকাছি চলে এসেছিল, সে ধনিক শ্রেণী দেশ স্বাধীন হবার পর যখন দেখল 'মুসলিম' হলে তার বরং সুবিধা, ক্ষমতায় থেকে লুটপাট করার লোভে সেই ধনিক শ্রেণী তার সেই ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বিরোধীতার অবস্থান থেকে সরে এলো। একই সময় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব ক্রমশ তাদের শ্রেণী-বন্ধু ধনীদের স্বার্থ রক্ষা এবং তাদের লুটপাটের ব্যবস্থা করতে করতেই ক্রমশ জনবিচ্ছিন্ন হতে থাকলো।

জনগণের বন্ধুত্ব হারালো বলেই তার কাছে ওআইসির বন্ধুত্ব জরুরী হয়ে পড়ল,এবং সেই একই সূত্র ধরে মধ্যপ্রাচ্য, পাকিস্তান কিংবা তাদের দোসর মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের আনুকূল্য গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠলো।এরকম একটা পরিস্থিতিতেই কিন্তু আন্তর্জাতিক চাপ সত্যিকারের 'চাপ' হয়ে উঠলো।এটা কিন্তু শেখমুজিবর রহমানের ব্যাক্তিগত চরিত্রের কোন ব্যাপার নয়, তিনি যে আওয়ামীলিগের নেতা ছিলেন সেই দলটির শ্রেণীগত ভাবে ধনীক শ্রেণীর দল হওয়ার ফলেই যুদ্ধ অপরাধের বিচার তখন তার বা তার দলের কোন আদর্শিক বিষয় থাকে নি যে এর জন্য মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের মতো সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে, যে কারণেই তখন তার নেতৃত্বাধীন শাসক দল তাদের 'বৈষয়িক স্বার্থে'র বিষয়টি মাথায় রেখে যুদ্ধপরাধীদের বিচার থেকে পিছিয়ে আসে।

এই হলো আপনার উল্লেখিত 'আন্তর্জাতিক চাপে'র সত্যিকারের 'চাপ' হয়ে উঠার প্রেক্ষাপট। এ প্রেক্ষাপটকে মাথায় রেখেই আমাদের যুদ্ধপরাধীদের বিচার কেন সে সময় হয়নি এবং স্বাধীনতার এত বছর পর এখনও কেন এ বিষয়টি নিয়ে স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে হচ্ছে কিংবা ব্লগ জগতে লেখালেখি করতে হচ্ছে- সে প্রশ্নের মীমাংসা করতে হবে।

১১৬. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:১৮

ফারহান দাউদ বলেছেন: এইসব বিচার কিন্তু সিম্বলিকই হবে, কারন তখনকার অনেকেই বেচে নেই হয়ত। কিন্তু আমাদের দরকার পৃথিবীর লোকদের জানানো যে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী এমন অমানবিক কাজ করে গেছে। পাকিস্তানীদের গণহত্যার ব্যপারটি স্বীকার করতে হবে ও বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

১১৭. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:০৬

সালাউদ্দিন আইউবী বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

১১৮. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৫:২৪

রেজওয়ান বলেছেন: "সে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব স্রেফ আন্তর্জাতিক চাপের কারণেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পিছপা হয়েছে এ অযুহাত বড় হাস্যকর লাগছে ভাই।"

-শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক চাপের কারণে সেটি কিন্তু কখনও বলা হয়নি। এই পোস্টের উদ্দেশ্য কি কি আন্তর্জাতিক চাপ ছিল তা উদঘাটন করা। কেন তৎকালীন সরকার বিচার থেকে সরে এসেছে তা বোঝার চেষ্টা করা।

আওয়ামী লিগের ব্যর্থতা ছিল, দুর্ণীতিও ছিল প্রতিটি স্তরে। লুটেরা, চাটুকার শ্রেণীও বঙ্গবন্ধুকে বিভ্রান্ত করেছিল। পাকিস্তানের স্বীকৃতি, পাকিস্তানে আটক বাঙ্গালীদের ফিরিয়ে আনার ব্যাপারটিও ছিল। আর বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে পরিণত করার মার্কিন ষড়যন্ত্র ও (পোস্টে উল্লেখিত) ভারত সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চাপতো ছিলই।

তবে সেই ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করেছে পরবর্তী জিয়া সরকার। ৭৫ এর আগষ্টে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর সময় ও ৭৫২ জন অভিযুক্ত ও প্রায় ১১০০০ বন্দী যুদ্ধাপরাধী ছিল কারাগারে। ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭৫ দালাল আইন রদের মাধ্যমে তাদের মুক্তি তরান্বিত হয়। পরবর্তীতে গোলাম আজমের পূন:প্রতিষ্ঠার পথ প্রসারিত হয়। এদের বিচার হলেও কিন্তু নতুন করে এই আন্দোলনের প্রয়োজন হতো না।

বর্তমানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীকে সবাই সমর্থন করছে কিন্তু বিশেষ কোন দলীয় ম্যান্ডেট হিসেবে নয়। আজকে জামাতঘেষা লোকজন বাদ দিয়ে অনেকেই চায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। জামাত অনুসারীদেরও না চাওয়ার কোন কারন দেখিনা, কারন তাদের শীর্ষ নেতাদের পাপের বোঝা নবীন কর্মীরা কেন বইবে?

১৯৯৪ সালে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আন্দোলন যখন চুড়ান্তে এবং গণআদালত হল তখন কিন্তু আওয়ামী লীগের একাংশের বিরোধীতায় আন্দোলন স্তিমিত হয়ে গেল। এবারেও এই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোলন (দালাল + পাকিস্তানী সৈন্য) যেন কোন রাজনৈতিক স্বার্থের দ্বারা হাইজ্যাক না হয়ে যায় সেদিকে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে - আমাদের অস্তিত্বের স্বার্থেই।

১১৯. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:২৯

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: লেখাটা খু-উ-ব মন দিয়ে পড়লাম।

ভাল লেখার জন্য ধন্যবাদ। এ ধরণের লেখা আরো আশা করছি .......

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এ বাংলার মাটিতেই দেখে যেতে চাই........

১২০. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:১০

নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন: বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে বলছি, তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে যে লিডারশিপ দেখিয়েছিলেন, তা তিনি যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে ধরে রাখতে পারেন নি। কিন্তু সেই সময়ে রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি কেমন ছিল, তা এখন অনুধাবন ও অনুমান করা সম্ভব না। আমার যা মনে হয়েছে, ওনার সবচেয়ে বড় ভুল ছিল - সব কুল ধরে রাখবার প্রবণতা। সব কুল ধরে রাখতে গিয়ে তিনি কোন কুলই ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। তিনি আমেকিরাকে চটাতে চাননি, আবার রাশিয়া ও রাশিয়াপন্থীদেরও বিরুদ্ধে যেতে চাননি। ভারতের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চেয়েছেন। আবার আরব দেশগুলোর সাথেও সম্পর্ক ভাল রাখতে চেয়েছেন। কয়েকটি লেখা পড়ে যা বোঝা গেল, হয়ত ভারত, আমেরিকা ও আরব দেশগুলোর বিভিন্ন ধরনের চাপে পড়েই তিনি যুদ্ধপরাধীদের ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। সেখানে সব কুল রক্ষা করবার প্রবণতা কাজ করেছিল।

আবার যদি জাতীয় রাজনীতির দিকে তাকাই, তাহলে দেখতে পাই যে, তিনি তাঁর দলের অনেক নেতা কর্মীদের করাপশন ও লুটপাটের বিরুদ্ধে তেমন ভূমিকা রাখেন নি। তিনি হয়ত অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য পান নি। আবার হয়ত দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষার স্বার্থে তেমন একশন নেন নি, ভেবেছেন, এগুলো এমনিতেই কমে আসবে। অথবা সংঘাত এড়ানোর জন্য কারও বিরুদ্ধে হয়ত একশন নেন নি।

কেন তিনি বাকশাল করতে গেলেন, তা আমার কাছে ক্লিয়ার না। হয়ত এখানেও কিছু দেশের আন্তর্জাতিক চাপ ছিল। অবশেষে তো তাঁকে মূল্য দিতে হল ট্রাজেডির মাধ্যমে। এখানেও হয়ত বিরুদ্ধ আন্তর্জাতিক পক্ষের ভূমিকা আছে।

তখনকার পরিস্থিতি যাই থাকুক, এখনকার পরিস্থিতি অন্তত ঐ সময়ের চেয়ে অনেক অনুকূল। ব্যাপক জনসমর্থন গড়ে তুললে আন্তর্জাতিক আদালতে অবশ্যই পাকিস্তানি অপরাধীদের বিচার সম্ভব। অতীতে যাই হোক, ভবিষ্যতে যেন ভালো কিছু আমরা অর্জন করতে পারি। আর অতীত থেকে আমরা যেন শিক্ষা নিতে পারি। ভালো কিছুর শুরুটা এখন থেকেই হোক না কেন?

[বি.দ্র. আমি একজন নতুন ব্লগার। হয়ত যুতসই কমেন্ট দিতে পারিনি। সেজন্য ক্ষমাপ্রার্থী। যা চিন্তা করেছি ও ভেবেছি, তাই তুলে ধরবার চেষ্টা করেছি। ধন্যবাদ।]

১২১. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২

সদানন্দ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতেই হবে। সিম্বলিক উপায়ে হলেও বর্ণ-ধর্ম-গোষ্টি নির্বিশেষে সবাই একদিন একমত হয়ে এই বাংলার মাটিতে পাপিষ্টদের বিচার করে লক্ষ শহীদের রক্তের প্রতি সম্মান জানাবো- এই স্বপ্ন দেখি সবসময়। কিন্তু আমাদের দেশের বর্তমান নেতা-নেত্রীরা, জাতির যারা স্বঘোষিত 'কান্ডারী' তাদের নীতি-নৈতিকতার মানদন্ড, Moral consciousness-এর benchmark এতটাই নিচে যে এদের মাধ্যমে জাতির এই বকেয়া দেনা শোধ করার কোনো নিঃস্বার্থ উদ্যোগের প্রচেষ্টা আমি আর আশা করিনা।

একজন মহান পিতার ঔরসজাত সন্তান হয়ে, লক্ষ শহীদের রক্তে-ভেজা মাটির এই বাংলদেশের কর্ণধার হয়ে একজন প্রধানমন্ত্রী যখন 'হায়েনা' কিসিঞ্জারের হাত থেকে হাসিমুখে তথাকথিত সম্মানসূচক, প্রকৃত অর্থে 'তোষামোদি' ডিগ্রী মাথা নিচু করে নিতে পারেন, তখন আর মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার কোনোই আশা দেখিনা।

আমাকে সবাই মিলে যতই 'দিন-বদলের' গল্প শোনাও না কেনো।

১২২. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২২

মেঘ বলেছেন: সবচাইতে সোজা ব্লগানো তাই না??খানকা সালাহউদ্দীন এবং আরো যারা আছস দেশদ্রোহী, বাংলাদেশের অস্তিত্বে অবিশ্বাসী - তোরা জন্মাইছস কেন মা'রে জিগাইছস?

লেখক- সালাহউদ্দীন এবং আরো শয়তানগুলোকে জ্ঞান দেবার কোন দরকার নেই। এদের অন্তর মোহর করা।

১২৩. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৭

নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন: @মেঘঃ আপনি একটা ভাল বিষয় তুলে ধরেছেন। রাজাকাররা যে শুধু জামায়াতের ভিতরে লুকিয়ে আছে, তা নয়। আওয়ামী লীগ ও বি এন পি র ভিতরেও রাজাকার পাওয়া যাবে। সাকা চৌধুরি এর বড় উদাহরন। প্রতিষ্ঠিত এই রাজাকার ও দেশদ্রোহী প্রকাশ্যে রাজনীতি করে বেড়াচ্ছে এবং বছরকে বছর সাংসদও হয়ে বেড়াচ্ছে, এটা আমাদের জাতির জন্য বড় লজ্জার ব্যাপার।

১২৪. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬

নিউজনেট :: উন্নয়ন-অর্থনীতি বিষয়ক অনলাইন বলেছেন: দারুন তথ্যবহুল লেখা!

অতীত নিয়ে আলোচনার এবং শিক্ষা নেবার দরকার অবশ্যই আছে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি ও ওয়াদা সম্র্পকেও সোচ্চার হতে হবে। ইদানিং সেক্টর কমান্ডারর্স ফোরাম, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এবং কলাম লেখকদের অতটা সক্রিয় ভূমিকা দেখছি না যতটা দেখেছি নির্বাচনের আগে। আবার হতাশ হতে হবে না তো?

১২৫. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪

সুইট বলেছেন: অন্যতম যুদ্ধাপরাধী সাকা চৌধুরীর তৎকালীন গার্লফ্রন্ড শেখ হাসিনা। ৬৯-৭০ এ তাদের প্রায়ই একসাথে ঘুরতে দেখা যেত। তাদের বিয়ের কথাও উঠেছিল কিন্তু ফকা চৌধুরীর আপত্তির কারনে তা হয় নাই। ৯৫ সালে সাকা চৌধুরী যখন এনডিপির এম.পি. ছিলেন তখন একসাথে পদত্যাগ করার সময় শেখ হাসিনাও বলেছিলেন আমাদের ৩৫ বছরের সম্পর্ক। তাই আমার মনেহয় একজন যুদ্ধাপরাধীর তৎকালীন প্রেমিকা ও অন্যতম সহযোগী শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আরো অনেক তথ্য পাওয়া যাবে।

তথ্য সুত্র- মরহূম আলহাজ্ব মোহাম্মদ জমির আলীর বিভন্নবক্তব্য যিনি তখন ফকা চৌধূরীর রাজনৈতিক সচিব ছিলেন।

১২৬. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:১৮

অরণ্য আনাম বলেছেন: এই পোষ্ট একটি ব্লগ আর্কাইভ

১২৭. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

অরণ্য আনাম বলেছেন: আপনার এই পোষ্টটি গণস্বাক্ষর ওয়েব সাইটে NEWS-এ দেয়া হলো

১২৮. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ আলমগীর কুমকুম, রামছাগু তোমার সমস্যাটা কি? আমি কি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরুদ্ধে কোন কথা বলছি?

তোমার নেত্রী হাসিনা ২০০০ সালে কোলকাতায় ভারতীয়দের কাছ থেকে বাংলাদেশের মূখ্যমন্ত্রীর ডাক শুনেও প্রতিবাদ করে না। এমনই ব্যাক্তিত্ব হাসিনা যে প্রথম আমলে ১৯৯৬-২০০১ প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন অবস্থায় পিতার খুনীর হুকুমদাতা আসামী তথা মাষ্টার মাইন্ড হেনরী কিসিঞ্জার কে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ করে তার হাত থেকে পুরুস্কার নেয়, তার সমর্থক হলা তোমরা। তাই তোমাদের মত ভন্ডদের কাছ থেকে সার্টিফিকেট নিয়ে চলি না। যতই বকাবাজি করো না কেন সত্য কে চাপা দিয়ে রাখতে পারবা না।

১২৯. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১৫

মেঘ বলেছেন: আমার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে দেখো


Click This Link
সালাউদ্দিন আইউবী'র করা মন্তব্যটা পড়ো

১৩০. ০৩ রা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১

ফূতিওয়ালা বলেছেন: সবাই কে একটা কথা বলি আমরা যারা ৭০-৭১ দেখি নাই তারা কেবল নৈতিকতার আর দেশাত্ববোধ থেকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এর সমর্থক যা যথেষ্ঠ নয়। যখন আমরা যুদ্ধাপরাধীদের আসল চেহারা জানবো আর তারা এখনো যে আমাদের দেশের জন্য যে ভয়াবহ তা জানবো এবং মন থেকে ঘৃনা করতে পারবো তখন এ আন্দোলন আরো গতি পাবে। তাই যুদ্ধাপরাধী যারা এখোন আমাদের রাজনীতীতে আছে তাদের সম্পকে বিস্তারিত লেখালেখীর প্রয়োজন আছে। যা হতে হবে তথ্য বহুল এবং বস্তুনিষ্ঠ। মনেরাখতে হবে গ্রামের বুড়া রাজাকার কে বিচার করে ক্ষান্ত হলে হবে না। বিচারে আনতে হবে রাঘব বোয়ালদের যারা আজও পতাকাওয়ালা গাড়ীতে ঘুরে বেরায়।

১৩১. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩

নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন: @মেঘঃ আপনার লিংকটা পাচ্ছি না।

১৩২. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪

নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন: @সুইটঃ আপনি যে তথ্য দিলেন তার রেফারেন্স দিন। কারন তথ্যটা খুব স্পর্শকাতর।

১৩৩. ২১ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৫৬

১৩৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০৯

র হাসান বলেছেন: ভালো পোষ্ট! প্লাস++++++

Bangladesh travel information

 

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল‍্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

 

© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি | বিজ্ঞাপন