somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সিমলা চুক্তির কোথাও যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি বা বিচার না করার কোনো কথা নেই

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আল বদর নেতা আলী আহসান মুজাহিদ দাবি করেছে যে দেশে কোনো যুদ্ধাপরাধী নাই। তার মতে, সিমলা চুক্তির মাধ্যমে সব যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি দেওয়া হয়েছিল এবং এ কারণেই দেশে আর কোনো যুদ্ধাপরাধী নেই।
সিমলা চুক্তিতে সই হয় ১৯৭২ সালের ২ জুলাই। সই করেছিলেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্রো এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
চুক্তির সম্পূর্ণ বিবরণ এখন ওয়েব সাইটেই পাওয়া যায়। যে কেউ দেখতে পারেন। সেখানে যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে একটি লাইনও নেই। কোথাও বলা নেই যে যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দেওয়া হবে বা বিচার হবে না।
সে সময় ভারতের কাছে বন্দী ছিল ৯৩ হাজার যুদ্ধাপরাধী। এর মধ্যে ৮০ হাজার সামরিক এবং বাকিরা বেসামরিক ব্যক্তি।
সবাইকে পাকিস্তান নিজ দেশে নিয়ে যায়। কোনো চুক্তির আওতায় না বরং ভারত তাদের ছেড়ে দিয়েছিল সৌহার্দের নিদর্শন হিসাবে। ভারত যে পাকিস্তানের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক চায় তারই নিদর্শন হিসাবে ভারত এই সৌহার্দ দেখায়।
আপননা রাও ফরমান আলীর বইটি পড়ে দেখতে পারেন। সেখানে বলা আছে যে তারা বন্দী হিসাবে বাংলাদেশে থাকতে রাজী ছিলেন না। তাদের ধারণা ছিল মুক্তিবাহিনী তাদের মেরে ফেলবে।
মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী আরও বলেছেন, বন্দী থাকার সময়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাদের জানায় যে ৯০ জন ব্যক্তির বিচার করতে চায় বাংলাদেশ। এই ৯০ জনের মধ্যে রাও ফরমান আলীও ছিলেন। ফরমান আলী সেসময় নিরপেক্ষ একটি দেশে বিচার চেয়েছিলেন।
এ কথা পরিস্কার যে নানা চাপে সে সময় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়নি। তা বলে এখনো যে করা যাবে না তা নয়। বিচার না করার কোনো চুক্তিও নেই।
তাহলে আমরা কেন গো আযম-নিজামীদের বিচার চাইবো না বা করতে পারবো না। করতেই হবে। আর আমরা চেয়েই যাবো।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৬
২৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সচেতনতামূলক বার্তা যা শুধুই বাংলাদেশীদের জন্যঃ

লিখেছেন অতনু কুমার সেন , ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২১



১. ঢাকায় এলে কখনো বাসে জানালার পাশে বসে মোবাইল টিপবেন না। কখন নিয়ে যাবে, টের পাবেন না।

২. রিকশাতে বসে কোলের ব্যাগ রাখবেন না। পাশ থেকে মটরসাইকেল কিংবা গাড়িতে করে এসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভোট সমস্যার বদনাম কিভাবে ঘুচবে, সমাধান কিভাবে হবে?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:৫৪



ঢাকার মেয়র ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হবে; তখন শুরু হবে ভোট নিয়ে সমস্যার কথা: ভোট আগেই বাক্সে ঢুকানো হয়েছে, অন্যেরা সীল মেরেছে, ভোট দিতে দেয়নি, রিপ্রেজেন্টটেটিভদের বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সূর্বনার দুই প্রেমিক

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:২৮



সূর্বনা আর মারুফের বিয়ে হয়েই গেল।
খুব অল্প সময়ে সুন্দর সাজানো গোছানো সংসার হয়ে গেল। মারুফ ভালো চাকরী করে। অফিস শেষ হলেই মারুফ বাসায় চলে আসে। মারুফ জানে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাতৃভূমি আমার ভোলা

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:০৬

দক্ষিণের বঙ্গোপসাগর নাম শুনলে বলবেন, উপকূলীয় এলাকা চর দ্বীপের বনাঞ্চল বেষ্টিত-


ভোলা জেলার কথা অনেকে জানেন আবার জানেন না।ছোট্ট থেকে যখন বড় হয়েছি ভাবছি
আমার জন্ম এই ভোলায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাইকিং বিভীষিকা

লিখেছেন শের শায়রী, ২০ শে জানুয়ারি, ২০২০ রাত ১১:২৫



স্ক্যানন্ডেনেভিয়ার লৌহ যুগ শেষে ভাইকিং যুগের শুরু হয়। ভাইকিং শব্দটির উৎপত্তি নিয়ে নানা মত চালু আছে। কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন করেন ভাইকিং শব্দ মানে “জলদস্যু”। আবার অনেকে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×