আমার প্রিয় পোস্ট
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- ধেয়ে আসছে প্রকৃতির প্রতিশোধের ভয়ংকর ড্রাগন! জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে কোথাও বাঁচার পথ নেই!! - মনজুরুল হক
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- হজ্বের সেই দিনগুলো - ২য় পর্ব - আশিক হাসান
- দেশের সংবাদপত্রগুলোর প্রচার সংখ্যার আপডেট, মার্চ ০৯ - কাঙাল
- একাত্তরের চিঠি সংকলনের টেক্স্ট কন্টেন্ট রিভার্সিং: একটি প্রকল্পের প্রস্তাবনা - তর্পন
- সামহোয়ারইনে স্বাধীনতা দিবস '২০০৯ এর ভাবনা- একটি পোষ্ট সংকলন। - তায়েফ আহমাদ
- ব্লগ কী? - ফাহমিদুল হক
- আলোচিত বই --মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ( মুহম্মদ জাফর ইকবাল) /// ৯-১৬ পৃষ্ঠা। - পথিক!!!!!!!
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- প্রমিত বাংলা বানান রীতি (৩): অনুস্বার (ং) এবং উঁয়ো (ঙ)! - ম্যাভেরিক
- সামহয়ারইন দেখুন আপনার মোবাইল থেকেই!
- দুর্লভ
- বঙ্গোপসাগরে ঘোড়দৌড় : প্রতিযোগিতাতেই নেই বাংলাদেশ! - ফিউশন ফাইভ
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের ছয় বছর পূর্তী - আশাবাদী!!
- ~~*~*~দৈনিক সংগ্রাম ১৯৭১ ও ২০০৮:জামাতের রঙ বদলের জ্বলন্ত প্রমান~~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- এই সব 'আন্দোলনউৎসবের'চোরাগলিতে আমাদের হারানো ভবিষ্যৎ - মনজুরুল হক
- মুছে ফেলুন - কেন লিখে রেখেছেন? - নাফিস ইফতেখার
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কিভাবে বই বের করবন। পর্ব-২ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৪ (দোতলার ল্যন্ডিং,মুখোমুখি দু'জন--আহসান হাবীব)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি - লাল দরজা
- ডিভাইস ড্রাইভার (সমাপ্ত) - মাইক্রোকাতার
- বাউলের মূর্তি সরানোয় মুসলমানি সাফল্য: আত্মপরিচয় অনুসন্ধানের পুনর্পাঠ, পর্ব ১ - ফাহমিদুল হক
- বাংলাদেশে এক্টিভিস্ট হওয়া কি আদৌ সম্ভব (চার পর্ব একসঙ্গে) - ফাহমিদুল হক
- বাংলা ব্লগ রাহেলাকে জীবিত রেখেছে - কৌশিক
- স্বনামধন্য লেখক মুহাম্মদ জুবায়ের - সামহোয়ারের প্রথম একজন ব্লগারের মহাপ্রয়ান - কৌশিক
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৭ ( চতুর্দশপদী কবিতাবলী -শক্তি চট্টোপাধ্যায়)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আসুন ব্লগ নিয়ে নষ্টালজিক হই
- একরামুল হক শামীম
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- একটি অফলপ্রসূ মিটিং এ অশ্বডিম্ব প্রসব এবং পরবর্তী খরানুভূতি - মেঘ
- আমার নিরন্তর মুসলমান হয়ে ওঠা - সামী মিয়াদাদ
- আমার প্রিয় কবি ১৭ তারিখে মারা গেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- বন্ধু , এপারে ওপারে , পথের পারাপারে ! - রাগ ইমন
- এক উদ্দাম যৌবনাবতী আফ্রিকান সুন্দরীর গল্প ( শেষ পর্ব ) - আশিক হাসান
- আমরা অন্ধ হবো কেন! - মানবী
- আমার পাথুরে চোখে আলফ্রেড সরেন ঃ ঃ জন্ম জন্মান্তরের এক বীর - হযবরল
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
বাংলাদেশের বাক স্বাধীনতায় চীনের হস্তক্ষেপ
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০১
দৃক বাংলাদেশ এবং স্টুডেন্টস ফর এ ফ্রি তিবেত সংস্থার বাংলাদেশ শাখা সম্প্রতি তিব্বতের উপর এক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। এই প্রদর্শনীটি গতকাল শুরু হয়ে নভেম্বরের ৭ তারিখ পর্যন্ত হবার কথা ছিল।
গত বৃহস্পতিবার ঢাকার চীন দুতাবাসের সাংস্কৃতিক এটাশে এবং কাউন্সেলর দৃক গ্যালারীতে এসে এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড: শহীদুল আলমের সাথে দেখা করেন এবং প্রদর্শনীটি বন্ধ করতে বলেন। তারা কিছু উপঢৌকনও নিয়ে এসেছিলেন। তাদের বক্তব্য হচ্ছে তিব্বৎ চীনের অন্তর্গত এবং এই প্রদর্শনী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যেকার সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে। ড: আলম বলেন যে দৃক একটি স্বাধীন গ্যালারী এবং চীনা দুতাবাস চাইলে তাদের বক্তব্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দিনে পেশ করতে পারেন। এমনকি চীন চাইলে তাদের প্রদর্শনীও এখানে করতে পারবে। তারা গ্যালারী দেখে প্রস্থান করে।
কিন্তু এরপর নানা হুমকি আসতে থাকে দৃক এর উপর। ওদিকে স্টুডেন্টস ফর এ ফ্রি তিবেত এর সদস্যদের বাড়ীর আসে পাশে গোয়েন্দা হানা দেয়া শুরু করে। ফোন আসে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে: "চায়না আমাদের বন্ধু। দালাই লামার ছবি দেখিও না।" "না না, আমরা সেন্সরশীপের কথা বলছি না। তবে জানেনই তো..." এর পর এক নামকরা তারকার কাছ থেকে ফোন আসে। জাসদের এমপি হাসানুল হক ইনু ফোন করেন এবং স্মরণ করিয়ে দেন বাংলাদেশের এক চীন নীতির কথা এবং এই প্রদর্শনী বাংলাদেশের জনগণের জন্যে কি প্রভাব বয়ে আনবে তা। চারিদিক থেকেই চাপ আসতে থাকে এবং শেষে তা পুলিশী ধমকিতে পরিণত হয়।
এসবির লোক আসে শহিদুল আলমের সাথে দেখা করতে। তারা উদ্যোক্তাদের সবার পরিচয় জানতে চান। শহিদুল অফিসিয়াল অর্ডারের কথা জানতে চান। উত্তর আসে "আপনি খামাখা জটিল করে ফেলছেন।" এবং তাকে শুনিয়েই উপরওয়ালার সাথে কথাবার্তা চলতে থাকে। " উনি সহযোগিতা করছেন না.. আমরা বুঝিয়েছি ওনাকে ব্যাপারটা.. না না এখনও কিছু করি নি। এর পরে তারা আবার আসে এবং ধমক দেয় সরকারকে সহযোগিতা না করলে ভবিষ্যতে দৃকের কপালে খারাবি আছে।
গতকাল (পহেলা নভেম্বর) বিকেলে পুলিশের ফোন আসে, "প্রদর্শনী বন্ধ করুণ না হলে ফোর্স পাঠাবো।" ফোর্স পাঠাতে হল তাদের এবং তালা মেরে দেয়া হলো প্রদর্শনী হল। কাউকে ঢুকতে দেয়া হলো না দৃকে। প্রধান অতিথি অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমেদ (ট্রান্সপারেন্সী ইন্টারন্যাশনাল) দু ঘন্টা পর প্রতীকী উদ্বোধন করলেন। তখনও প্রদর্শনী বন্ধ ছিল - পুলিশ নাকি চাবি হারিয়ে ফেলেছে।
চীন সরকারের অন্যান্য দেশের উপর খবরদারীর এই লক্ষণ খুবই খারাপ। আর তাদের এই আন্তর্জাতিক সেন্সরশীপ অবশ্য বাংলাদেশ, নেপালের মত দুর্বল দেশের উপর শুধু ভালভাবে প্রয়োগ করতে পারে।
দৃক নিউজ সাইটটি এখন একটি রিপোর্টেড অ্যাটাক সাইট । এই কাজটি চীনের নেট সৈনিকদেরই কাজ হতে পারে। তাদের সেন্সরশীপের পরিধি তারা যত দুর সম্ভব বাড়াতে চেষ্টা করে এভাবে - যেমন তারা গত জুলাইতে মেলবোর্ণ ফিল্ম ফেস্টিভালে উইঘুর দের নিয়ে রাবেয়া কাদিরের চলচ্চিত্রটি দেখানো রোধ করতে ফেস্টিভ্যালের সাইট হ্যাক করে চাইনিজ পতাকা ঝুলিয়ে দেয়।
এর কারণ আমাদের রাজনীতিবিদগন এবং রাষ্ট্রযন্ত্র যারা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্যে চীনের পা চাটে। আমরা কোন দেশে বাস করছি? চীন না বাংলাদেশ? একটি প্রদর্শনী করার জন্যে কেন চীনের অনুমতি নেয়া লাগবে?
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় চীনের অবস্থান সবাই জানে। তারা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় বঙ্গবন্ধু হত্যার পরে। নব্বুই এর দশক পর্যন্ত বাংলাদেশীরা তাইওয়ান যেতে পারত না। কারণ পাসপোর্টে লেখা থাকতে ইজরায়েল ও তাইওয়ান ব্যাতিত সকল দেশে ভ্রমণ করা যাবে। এর পেছনেও ছিল চীন তোষণ নীতি। অথচ তাইওয়ানের সাথে ব্যবসা কি থেমে থেকেছে? বর্তমানে কি চীনের চাপে আবার বাংলাদেশ এরূপ ব্যান আরোপ করার ক্ষমতা রাখে (যখন কম্পিউটারের অনেক যন্ত্রাংশ আসে তাইওয়ান থেকে)?
চীন আমাদের তাদের ঠুনকো সস্তা জিনিষ বিক্রি করা ছাড়া কি দেয়? তারা সেতু নির্মাণ ইত্যাদিতে যেসব সহায়তা দেয় তা উসুল করে নেয় নিজস্ব নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার ও নিজস্ব লোকবল লাগিয়ে। কেন কারণ ছাড়া চীনকে তোষণ করতে হবে?
চীন একটি একনায়কতন্ত্র আর বাংলাদেশ একটি গণতন্ত্র। এদেশে চীনের নীতি ফলানো গণতন্ত্রের উপর সরাসরি হস্তক্ষেপ। কি হতো প্রদর্শনীটি হতে দিলে? কয়েকশ লোক হয়ত তা দেখত, ব্যাস। এখন এটি বন্ধ করে বাংলাদেশ যে পরিমাণ প্রচার পেল তাতে বরঞ্চ দেশের ইমেজের ক্ষতি হল। আমাদের তোষণ ও মোসাহেবী স্বভাব যে কবে পাল্টাবে এবং আমরা ভিক্ষার থালা ফেলে দিয়ে মেরুদন্ড সোজা করে কোনদিন বাঁচতে পারব সে বলা মুস্কিল।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব জনগণের সাংবিধানিক অধিকার - বাক স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখা - চীনের অভ্যন্তরীণ সমস্যাকে জিইয়ে রাখার জন্যে তাদের মদদ করা নয়। এই ব্যাপারটি তারা যত দ্রুত অনুধাবন করবেন ততই মঙ্গল।
এ নিয়ে আরও পড়ুন:
* শহিদুল আলমের ব্লগ ও টুইটার
* গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইন
* মাশুকুর রহমান
* সাদা কালো
* রব গডেন
* মিডিয়া হেল্পিং মিডিয়া
প্রকাশ করা হয়েছে: ওয়েবলগ বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিডি আইডল বলেছেন:
নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ফসল...নিন্দা জানাই এই ধরণের ঘৃণ্য কর্মকান্ডের
নওশাদ বলেছেন:
কনর্সার্ট ফর বাংলাদেশের সময়ও এই হস্তখ্খেপ হতে পারত। নিন্দা জানাই। চীনের পা চাটা কুকুরদের গদম।
মো. লুৎফর রহমান বলেছেন:
বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। প্রতিবেশিদের সাথে সদা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আমাদের পররাষ্ট্রনীতির একটি অংশ। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের বাংলাদেশ সমর্থন করে না। বাংলাদেশ অন্য কোন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপও করে না।
বাংলাদেশ সবসময় একচীন নীতির প্রতি সমর্থন দিয়ে আসছে। চীন সরকার সবসময় দাবী করে আসছে, তিব্বত চীনের অংশ। পৃথিবীর কমপক্ষে ১৭১টি দেশ চীন সরকারের এই দাবী মানে এবং একচীন নীতির প্রতি সমর্থন করে। চীনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার একটি শর্ত হলো- একচীন নীতিতে সমর্থন থাকতে হবে।
* তিব্বত চীনের অংশ, এটা চীনের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। বাংলাদেশ এখানে নাক গলাবে না যদিও সুযোগ পায়। * যেহেতু আয়োজকরা চীনের একচীন নীতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয় তাই চীনা দূতাবাস এদের প্রদর্শনী বন্ধের ব্যবস্থা নিয়েছে। আর বাংলাদেশ সরকার যেহেতু বাংলাদেশে বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের সমর্থন করে না সেহেতু চীনা দূতাবাসের অনুরোধে এই বিচ্ছিন্নতাবাদী সদস্যদের কর্মকান্ডের উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে।
এখানে বাংলাদেশকে খাটো করে দেখার কোন অবকাশ নেই। চীন সাম্রাজ্যবাদী হোক আর যা ই হোক তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। আমরা (বাংলাদেশ) সাম্রাজ্যবাদী নই এটাই বড় কথা।
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
দেশের স্বার্থে কখনও কখনও টেকনিক্যাল স্ট্যান্ড নেওয়ার প্রয়োজন আছে। যেখানে তাইওয়ান বিষয়ে আমেরিকানরা রাখ-ঢাক করে কথা বলে সেখানে তিব্বত নিয়ে বাংলাদেশের মত রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি কিছুটা টেকনিক্যাল হওয়ার প্রয়োজন আছে বৈকী। বিশেষ করে যখন সমুদ্রসীমা, মায়নমার সীমান্ত, এশিয়ান হাইওয়ে ইত্যাদি বিষয় গুলো মাথার উপরে এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত টিপাইমুখ নিয়ে অনড় তখন আরেক শক্তিশালী প্রতিবেশী চীনকে বিব্রতকরা উচিত হবে বলে মনে করি না। সম্প্রতি মায়নমার ও বাংলাদেশের সম্পর্ক শীতল করার ব্যাপারে চীন উদ্যোগী হয়ে উঠেছে তখনই তিব্বত নিয়ে গ্যান্জাম করাটা দয়িত্বশীলতার পরিচয় না। আগে দেশের সমস্য নিজেদের অধিকার গুলো প্রতিষ্ঠিত হোক তখন অন্যের অধিকার নিয়ে কথা বলি।যদিও প্রদর্শনীটি রাষ্ট্রীয় কোন উদ্যোগ নয়। তবু চীনা রাষ্ট্রদুত যেহেতু অনুরোধ জানিয়েছে সে ক্ষেত্রে এটা এখন রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গেছে।
মানবী বলেছেন:
"চীন একটি একনায়কতন্ত্র আর বাংলাদেশ একটি গণতন্ত্র। এদেশে চীনের নীতি ফলানো গণতন্ত্রের উপর সরাসরি হস্তক্ষেপ।"- বাংলাদেশে কোথায় গণতন্ত্র!!!!
কোথাও কি গণতন্ত্রের কোন অস্তিত্ব এমনকি ছায়া আছে??
এটা সত্য বাংলাদেশে একনায়ক তন্ত্র নেই, তবে এখানে আছে পরিবার তন্ত্র, দল তন্ত্র!!!
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
প্রিয়তে ...বাকী আলাপ করব সুযোগমত।
একলব্য১৯৭১ বলেছেন:
চীনে আবার ফেসবুক নিষিদ্ধ কিনা,সেখানে এ তো তিব্বতের উপর প্রদর্শনী!নিজের দেশে যা ইচ্ছা করুক আমাদের দেশের প্রদর্শনী বন্ধ করবে এইটা মেনে নিলে তো নিজেকে পা চাটা কুত্তা ছাড়া কিছু ভাবা যাচ্ছেনা।বাই দা ওয়ে-চীন তার প্রথম ভেটো পাওয়ার ব্যবহার করে বাংলাদেশের জাতিসঙ্ঘ সদস্যপদ ঠেকাতে।এদের কাছে এর চেয়ে বেশি কি আশা করবেন?চীনাদের মনোভাব এবং আমাদের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি দুইটারেই কইষা মাইনাচ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















