আমরা প্রায়ই ব্লগে কোরানকে বিজ্ঞানের বিপরীতে দাঁড় করিয়ে লেখা পোষ্টের ছড়াছড়ি দেখি। অনেকে বিরক্ত হন, বিজ্ঞানকে যারা নিজের জীবন পেশার সাথে সম্পৃক্ত করে ফেলেছেন বা করবেন বলে ভাবেন তাদের মধ্যে একধরণের অস্বস্তি তৈরি হয়। বিজ্ঞান ফেলে দিবে না কোরান ফেলে দিবে এমন মুখোমুখি অবস্হায় দাঁড় করিয়ে দেবার জন্য তাঁদের এই অস্বস্তিবোধ। যারা ইসলামী রাজনীতি করেন, ভালবাসেন তাঁরা মনে একধরণের শান্তি আসে যে যাক বিজ্ঞানের উপরে খুব এক চোট নেয়া গেছে, যদিও সেই "বিজ্ঞান"ই আবার তাদের নিজস্ব জীবনযাত্রা লাইফ ষ্টাইলের প্রতিটা পরতে পরতে স্পষ্ট প্রকাশিত হয়ে থাকতে আমরা দেখি। বেখবর এঁরা নিজেকে সান্ত্বনা দেন এই ভেবে, "বিজ্ঞান" যাই নতুন কিছু করুক, জানুক জানাক - কোরান শরীফে তা আগেই নাকি সব লিখা আছে - কাজেই কোরানের বিপরীতের ঐ "বিজ্ঞান"কঐ আবার সাথে নিয়ে নিজ জীবন স্টাইলে জীবন্ত করে ফুটিয়ে রাখতে, ধারণ করতে কোন সমস্যা তাঁরা বোধ করেন না। অবশ্য বাড়তি পাওনা আছে, চারিদিকে একএকজন সবজান্তা ডঃ শমসের আলীও খাঁড়া হতে থাকে।
এই নির্বোধ পরিস্হিতিতে "কোরান বনাম বিজ্ঞান" ধরণের আলোচনায় প্রবেশ করা খুবই কঠিন। যা বলা দরকার তা বলবার আগে সব পক্ষের সকলের বুঝবার মত একটা পরিবেশ, মন ও চিন্তার প্রাক প্রস্তুতির অভাব - এক বিরাট সমস্যা। ফলে এই সমস্যা একটা হাল করতে মন ও চিন্তার প্রাক প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো করে নিয়ে মন ও চিন্তাকে তৈরি করে নেয়া - কোদালী কাজ হলেও তা থেকে শুরু করা দরকার - এই ভাবনা থেকে Click This Link এই পোষ্টে কিছু বক্তব্য রেখেছিলাম। কাজ অনেক, কিন্তু কোথাও না কোথাও থেকে তো শুরু করতে হবে - এই ভেবে এটা করেছিলাম। কিন্তু লক্ষ্য করলাম ওটা বেশি পাঠকের নজর কাড়তে পারে নাই। মূল কারণ, পোষ্টের শিরোনাম ও উপস্হাপনটা ছিল বড়ই গন্ডগোলে। শিরোনাম "কোরআন এগিয়ে না বিজ্ঞান এগিয়ে" - বলার এই ঢংটা লক্ষণীয়; মানে "এগিয়ে" কথাটা ব্যবহারের ভিতর লেখক আগে মেনে নিয়েছেন চিন্তা, জ্ঞান আগায়, এগিয়ে চলে; ওর মধ্যে একটা অগ্রগতি বদল আছে।
এতে কোন সমস্যা নাই কেউ কোরান শরীফ পড়ে কি বুঝল, এখনকার দ্বীন-দুনিয়াদারিতে যা সব সমস্যায় আমরা দুনিয়ায় আছি তাতে সেই পাঠক মানুষের কর্তব্য প্রকল্প ও সংকল্প দাঁড় করাতে চিন্তাকে "এগিয়ে" নিতে একটা নতুন বয়ান হাজির করতেই পারে, মানবকুলের জন্য গুরুত্ত্বপূর্ণ ইঙ্গিত তাতে থাকতেই পারে।
বিপরীতে "বিজ্ঞানে" "এগিয়ে" চলা একটা খুবই সাধারণ কথা, কারণ "বিজ্ঞান" এগিয়েই একমাত্র চলতে পারে। "বিজ্ঞান" কর্পোরেট পুঁজির খপ্পড়ে পড়ে খাবি খেলেও এই কম্প্রোমাইজের মধ্যেও ওর একটা "এগিয়ে" চলা আছে; সবসময়ে বেপুথে, কুপথের আঁকাবাকা পথে যায় বা ঝোঁক আছে বটে তবু ওটা এক ধরণের "এগিয়ে" চলা।
কিন্তু আসলেই কী পোষ্ট লেখক কোরান "এগিয়ে" চলে এই ভাবনার উপর দাঁড়িয়ে "বিজ্ঞানের" এগিয়ে চলার সাথে পাল্লা দিতে গেছেন? এটাই মুখ্য প্রশ্ন।
এর জবাব হলো একটা বড় না, একেবারেই না। মানুষের কর্তব্য প্রকল্প ও সংকল্প দাঁড় করাতে নিজের চিন্তাকে "এগিয়ে" নিতে একটা নতুন বয়ান হাজির করার ক্ষমতা আমরা ওখানে পাইনা। আমরা দেখি সেই ষ্টেরিও টাইপ, উদ্ধৃতির আপ্তবাক্যর ভিতরে তিনি আটকে আছেন।
কোন গ্রন্হ তা সে ঐশী বা কোন জ্ঞানীর যাই হোক - গ্রহ্নের দায়ীত্ত্ব এটা নয় যে আপনার সামনে উপস্হিত দুনিয়া পরিস্হিতি জেনে কোন বয়ান খাড়া করে; কোন ব্লগপোষ্ট রচনা করে দেয়। এটা আপনি - কর্তা, আল্লার খলিফা প্রতিনিধি হয়ে আপনার কর্তব্য হলো, ঐসব গ্রন্হ পড়ে সহায়তা নিয়ে আর কষ্টকর দুনিয়াদারি করে সে অভিজ্ঞতা নির্যাস থেকে নতুন বয়ান খাঁড়া করা, আমাদের দুনিয়া হেফাজত করার কাজে যোগ্যতা দেখানো, এযুগে আমাদের কর্তব্যকাজের প্রকল্প, সংকল্প দাঁড় করানো।
লেখক এই যোগ্যতা - না শিরোনামে না লেখার বিষয়বস্তুতে হাজির দেখাতে পারেননি বলেই ঐ ব্লগপোষ্ট ঐশী গ্রন্হগুলোর প্রাণহীন কোটেশন হয়েই ম্লান থেকে গেছে। স্বভাবতই তা পাঠকের মনের আকাঙ্খা মিটবার কোন উপাদান হতে পারেনি।
এই পরিস্হিতিতে আমার লেখা মন্তব্যকে এখানে আবার ঝেড়ে মুছে উপস্হাপন করছি।
বিজ্ঞান জ্ঞান আহরণের একটা পদ্ধতি মাত্র জ্ঞানের কোন শাখা নয়:
কোরান বনাম বিজ্ঞান - এইভাবে উপস্হাপনটা পপুলার বটে কিন্তু সিরিয়াস আলোচনার প্রবেশ করতে চাইলে একেবারই মৌলিকভাবে ভুল উপস্হাপন।
বিজ্ঞান মূলত একটা পদ্ধতি, চিন্তা ও জ্ঞানচর্চায় আহরণ, অন্বেষণ সিদ্ধান্তে আসার একটা পদ্ধতি; বিজ্ঞান নিজে কোন জ্ঞানের ফ্যাকাল্টি বা জ্ঞান অনুসন্ধানে কোন বিষয়(subject) বা এর শাখা নয়।
আমরা যা যা কিছু নিয়ে জ্ঞান অনুসন্ধান করি না কেন এসব জ্ঞানের মূল বিষয়, মৌলিক বিষয় দর্শন - অর্থাৎ এর কোন না কোন শাখা অথবা তা খোদ দর্শনই সেখানে বিষয় (subject)।
অন্যভাবে বললে, সব জ্ঞানের জ্ঞান হলো দর্শন এবং সেই জ্ঞানের ইতিহাসকে, মানে কাকে আমরা জানব সেই অর্থে, আমরা প্রথমে মোটা দুই দাগে দর্শনকে ভাগ করতে পারি: প্রকৃতি (nature) ও সমাজ (Society) ; অর্থাৎ প্রকৃতি বিষয়ক জ্ঞানের ইতিহাস (History of natural Science) এবং সমাজ বিষয়ক জ্ঞানের ইতিহাস (History of Social Science)। এটা দুই ভাগ বললাম বটে কিন্তু এটা আসলে দুই দিক থেকে দেখার কারণে ভাগ; প্রকৃতির দিক থেকে না সমাজের দিক থেকে - দর্শন বা দর্শনের ইতিহাসকে দেখব সেই ভাগ।
প্রকৃতি বিষয়ের মধ্যে জ্যোতির্বিদ্যা, পদার্থ, রসায়ন, গণিত, বায়োলজি, ভূগোল, চিকিৎসাশাস্ত্র ইত্যাদি ও এর সব শাখা-প্রশাখা এর অন্তর্গত। অন্যদিকে সমাজ বিষয়ের মধ্যে কলা বা চারুবিদ্যা, ভাষা-সাহিত্য, লজিক, নৃতত্ত্ব, অর্থনীতি ইত্যাদি ও এর সব শাখা-প্রশাখা এর অন্তর্গত।
লক্ষ্য করলে দেখা যাবে,
১. সমাজ বিষয়ক জ্ঞানের সে তালিকা দিলাম ওগুলো সবই মানুষের দলবদ্ধ হয়ে সমাজে বসবাসকে কেন্দ্র করে এবং সমাজবদ্ধ মানুষের বিভিন্ন দিক নিয়ে তা একএকটা বিষয় হয়েছে।
২. চিকিৎসাশাস্ত্র প্রকৃতি বিষয়ক জ্ঞানের অংশ বা ভাগে ফেলেছি, চিকিৎসাশাস্ত্র যা নিয়ে কারবার করে তা মানুষের শরীর কিন্তু মানুষের যে সমাজ আর সমাজে তার যে প্রকাশ এর সবই সমাজ বিষয়ক জ্ঞানের অংশ। বিপরীতে অর্থনীতিকে দেখুন, সমাজ বিষয়ক জ্ঞানের অংশ সে কিন্তু তা বুঝতে কোথাও কোথাও গণিতের সাহায্য লাগতে পারে।
৩. এখন সমস্যা হলো, খোদ মানুষকে যদি বিষয় বানাতে চাই তবে তা কোন গোত্রে পড়বে, প্রাকৃতিক না সামাজিক কোন ভাগে? কারণ মনে রাখতে হবে, মানুষ প্রাকৃতিক এবং সামাজিক দুটোই। তাহলে সামগ্রিকভাবে মানুষকে ব্যাখ্যা করতে হলে প্রকৃতি বিষয়ক এবং সমাজ বিষয়ক এই দুই জ্ঞানেরই উর্ধে একটা জ্ঞানের বিষয় লাগবে; যে জ্ঞানের উপর দাড়িয়ে সমাজ ও প্রকৃতি দুদিক থেকেই মৌলিকভাবে মানুষকে ব্যাখ্যা করা যায়, জানা যায়।
এই মৌলিক জ্ঞানের বিষয়টাকে আমরা দর্শন বলি।
তাহলে যা নিয়ে এখানে কথা বলতে চেয়েছিলাম সেই ধর্ম ও বিজ্ঞান কোথায়? পাঠক হয়ত অস্হির হয়ে গেছেন এতক্ষণ এই দুই শব্দের ব্যবহার না দেখে। না আমি ভুলিনি, সেখানে নেবার জন্যই এত কথা আগে বলে নিলাম।
ধর্ম: যে যুগে ধর্মগুলো আবির্ভাব বা নাজিল হয়েছিল ওযুগে যেটাকে ধর্ম বলে জানি তা সে জ্ঞানের বিষয় বা ধর্মতাত্ত্বিক বিষয় যাই মনে করি না কেন - সেটারই এযুগে নবীযুগের পরে ওর নাম দর্শন। সারকথায়, দর্শনের আগের নাম ধর্ম।
আজকের দর্শনের জায়গায়, তখন সেই ভুমিকা রেখেছিল ধর্ম।
তাহলে সারকথায় এই পোষ্টের তর্ক হিসাবে বললে, জ্ঞানের বিষয় হিসাবে ধর্ম হলো দর্শন গোত্রের বিষয়।
বিজ্ঞান: উপরে দর্শন ও একে দুই দিক থেকে দেখা ভাগ প্রকৃতি ও সমাজ - জ্ঞানচর্চার এই সব বিষয়গুলোতে সব ক্ষেত্রেই জ্ঞান অন্বেষণের পদ্ধতির নাম বিজ্ঞান।
তবে একটা কথা আছে, বিজ্ঞান নিজে জ্ঞানের কোন শাখা নয়, জ্ঞান আহরণ অনুসন্ধানের পদ্ধতির নাম বিজ্ঞান হলেও - ব্যবহারিকভাবে কেবল প্রকৃতি বিষয়ক জ্ঞান চর্চার বিষয়কে বুঝাতে বিজ্ঞান(Science) শব্দ ব্যবহার করে ফেলি যেটা আমাদের একটা পপুলার ভুল অভ্যাস; আসলে বলতে চাই প্রকৃতি বিষয়ক বিজ্ঞান কিন্তু বলি বিজ্ঞান (Science)। এভাবে সংক্ষেপে বিজ্ঞান (Science) বলতে গিয়ে দুইটা বিপদ ঘটিয়েছি এক. সমাজ বিজ্ঞানও যে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির কারণে বিজ্ঞান - এটা ভুলে গেছি, বিজ্ঞানের খাতা থেকে একে বাদ দিয়ে ফেলেছি। দুই. বিজ্ঞান যে একটা জ্ঞানলাভের পদ্ধতি মাত্র তা ভুলে মনে করে বসে আছি বিজ্ঞান জ্ঞানের একটা বিষয় বা সাবজেক্ট।
এটা যে অসতর্কে করে ফেলি তা বুঝা যাবে যখন বলি, ব্যবহৃত হতে দেখি "সমাজ বিজ্ঞান" বা আমি "সমাজ বিজ্ঞান অনুষদে" পড়ি। অর্থাৎ বিজ্ঞান মানেই প্রকৃতি বিজ্ঞান বা এর একচেটিয়া তা নয়, সমাজ বিজ্ঞানও সমভাবে বিজ্ঞান। কারণ বিজ্ঞান জ্ঞানলাভ, আহরণ, অনুসন্ধানের পদ্ধতির নাম; এবং জ্ঞান আহরণের পদ্ধতিগত মিলের কারণে, প্রকৃতি বা সমাজ উভয়কে জানার ক্ষেত্রে যা সমভাবে প্রযোজ্য, বিজ্ঞান একটা পদ্ধতি মাত্র।
তাহলে "কোরান বনাম বিজ্ঞান" - এই তর্ক তোলার মানে গিয়ে কোথায় দাঁড়ালো?
এই তুলনা অবিবেচক। বিজ্ঞান নিজে জ্ঞান বা জ্ঞানের কোন শাখা নয় কেবল সে জন্য একথা বলছি টা নয়; বিজ্ঞান বলতে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান ধরে বুঝে নিলেও - এটা অসামজ্ঞস্য তুলনা। ধর্মের তুলনা হলে হতে পারে দর্শনের সাথেই - সেয়ানে সেয়ানে।
নবী যুগ শেষ হয়ে গেছে মানে কী জ্ঞান হিসাবে আজ ধর্ম থেকে আমাদের কিছুই নেবার নাই? অবশ্যই আছে। এটাই তো চিন্তার এগিয়ে চলা।
এরপরেও কথা আছে। ধর্ম আবার দুভাবে নেওয়া যায়; ভক্তি বিশ্বাস ভরে, ওজুর আসনে বসে ধর্মতাত্ত্বিকভাবে মহিমায় বিভোর হয়ে। আর হতে পারে, জ্ঞানের একটা বিষয় হিসাবে নিয়ে যেভাবে আমরা কোন দর্শন পর্যালোচনা করতে বসি। তর্কের শুরুতে এই বিষয়ে একটা এক ভাবনা, আন্ডারষ্ট্যান্ডিং থাকা দরকার।
যারা "কোরান বনাম বিজ্ঞান" - জাতীয় পোষ্ট দেন তাদের প্রতি তাকিয়ে আমার বলবার কথা হলো:
কোন গ্রন্হ তা সে ঐশী বা জ্ঞানীর যাই হোক - গ্রহ্নের দায়ীত্ত্ব এটা নয় যে আমাদের সামনে উপস্হিত দুনিয়া পরিস্হিতি জেনে কোন বয়ান খাড়া করে অথবা কোন ব্লগপোষ্ট রচনা করে দেয়। একাজে ঐশী গ্রন্হগুলোর প্রাণহীন কোটেশন হাজির করে কোন লাভ নাই। আপনি কী বুঝেছেন, তাতে গ্রন্হগুলোকে আবার জীবন্ত করেন আপনার বয়ানে, আপনার সমস্যা প্রয়োজন পরিস্হিতির কথা মনে রেখে - এটাই এখানে গুরুত্ত্বপূর্ণ; কোটেশনের প্রাণহীন কোন আপ্তবাক্য নয়। আপনি - কর্তা, আল্লার খলিফা প্রতিনিধি হয়ে আপনার কর্তব্য হলো, ঐসব গ্রন্হ পড়ে সহায়তা নিয়ে আর কষ্টকর দুনিয়াদারি করে নতুন বয়ান খাঁড়া করা, আমাদের দুনিয়া হেফাজত করার কাজে যোগ্যতা দেখানো, এযুগে আমাদের কর্তব্যকাজের প্রকল্প, সংকল্প দাঁড় করানো। এটাই আমাদের শেষ নবী মুহম্মদের আমাদের জন্য গুরুত্ত্বপূর্ণ শিক্ষা ও দেখানো পথ। সেই জ্ঞান ও আলোর পথে নিজের কর্তব্য প্রকল্প সংকল্প দাঁড় করান।
তবে আবার উপস্হিত দুনিয়ায় বেপথে যারা হাটছে, লোভে পড়ে দুনিয়াকে ধ্বংস করার কাজে যারা ব্যস্ত এদের কাজকে সহায়তা ন্যায্যতা দেবার পক্ষে ঐশী গ্রন্হগুলোর কোটেশন হাজির করা নিজের সাথে আরও বড় অন্যায়, বেইনসাফি। এতে হয়ত কোন রাজতন্ত্র, কোন বুশ-ব্লেয়ার হয়ত সাময়িক টিকে যাবে, আমরাও হয়ত কোন সাংগঠনিক ভাতা রাহা খরচ পেয়ে বেঁচে থাকব - কিন্তু আমি নিশ্চিত এটা মুসা নবীর বা নবী মুহাম্মদের দেখান রাস্তা নয়, দুনিয়াকে রক্ষা, দেখভাল করে রাখার উপযুক্ত প্রতিনিধির কাজ নয়। আমাদের পরমের কাছে জবাবদিহীতার দায় আমরা কেউ এড়িয়ে যেতে পারব না।
শেষ কথা: দর্শন ধর্মকে পরাস্ত করতে পারলেও দুনিয়ায় আরও বহু যুগ ধর্ম বহাল তবিয়তে থেকে যাবে। কেন একথা বললাম সে কথা অন্য কোথাও আলোচনা করা যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



