আমার প্রিয় পোস্ট

“বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখ দ্বিতীয় বিদ্যায়। বরং বিক্ষত হও প্রশ্নের পাথরে। বরং বুদ্ধির নখে শান দাও, প্রতিবাদ করো। অন্তত আর যাই করো, সমস্ত কথায় অনায়াসে সম্মতি দিও না। কেননা, সমস্ত কথা যারা অনায়াসে মেনে নেয়, তারা আর কিছুই করে না, তারা আত্মবিনাশের পথ পরিস্কার

ইসলামী ব্যাংকের কর্মনীতি : বিশেষত্বটা কোথায় ?

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩০

শেয়ারঃ
0 2 0

সাধারন বানিজ্যিক ব্যাংকের কার্যনীতির সাথে ইসলামী ব্যাংকের কোনো মৌলিক পার্থক্য আছে কিনা সেটা খুঁজে বের করাই এই লেখার লক্ষ্য । ইসলামী ব্যাংকের প্রবক্তা ও প্রতিষ্ঠাতারা সাধারন বানিজ্যিক ব্যাংকের সাথে ইসলামী ব্যাংকের পার্থক্য বোঝাতে গিয়ে ধর্মীয় যুক্তি ছাড়াও কিছু অর্থনৈতিক যুক্তিও দিয়ে থাকেন । তারা বলেন -

সাধারন ব্যাংক আমানতকারীকে গচ্ছিত টাকার জন্য পুর্বনির্ধারিত হারে সুদ প্রদান করে, কিন্তু ইসলামী ব্যাংক আমানতকারীকে ব্যাংকের ব্যবসায়িক কর্মকান্ডে অংশীদার করে নেয় । যেমন লাভ হয়,সেই অনুযায়ী এবং মোট পূঁজিতে আমানতকারীর অংশ অনুপাতে লভ্যাংশ প্রদান করে । আবার সাধারন ব্যাংক থেকে কেউ ঋণ নিলে তাকে আসলের সাথে সুদ দিয়ে ঋণ পরিশোধ করতে হয় । কিন্তু ইসলামী ব্যাংকে ঋণগ্রহীতা ব্যবসায়িক কর্মকান্ডের অংশীদার হয় এবং ঐ ব্যবসায় অর্জিত মুনাফা থকে ব্যাংকের প্রাপ্য অংশ একটি পূর্বনির্ধারিত চুক্তির ভিত্তিতে ঠিক করা হয়,যার মধ্যে দিয়ে ঋণ উসুল করা হয় । মানুষকে বোঝানো হয়, "ঐ দেখো সুদ ছাড়াই ব্যাংকের কাজকর্ম কেমন চলছে, আসল কথা হলো ঈমানদার হওয়া এবং নিন্দুকদের কথায় কর্ণপাত না করা । "

সত্যি কি ঘটনা এমন ? খতিয়ে দেখা যেতে পারে । সাধারন ব্যাংক তার আমানতকারীকে সুদ দেয় কোথা থেকে ? প্রতিটি ব্যাংক তার নিজের পূঁজি ও আমানতকারীদের গচ্ছিত মোট অর্থ নিয়ে কোন না কোন উৎপাদনশীল কর্মকান্ডে হয় সরাসরি বিনিয়োগ করে অথবা ঋণ প্রদানের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করে । এইভাবে ব্যাংকের যে লাভ হয় তার একটি অংশ ব্যাংক তার আমানতকারীদের সুদ হিসেবে প্রদান করে; কোনো উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিলে ব্যাংকের লাভ হয় না । সে তার আমানতকারীদের সুদও দিতে পারে না । তাই নামে সুদ হলেও এ হলো মুনাফারই অংশ । বাস্তব ঘটনাটি এরকম বলেই ইসলামী ব্যাংকের পক্ষেও 'সুদ' কথাটি 'লভ্যাংশ' দ্বারা প্রতিস্থাপন করার সুযোগ ঘটে । দুটি ব্যাংকের মধ্যে এ ব্যাপারে বাচনিক পার্থ্ক্য থাকা ছাড়া আর কোনো পার্থক্য নেই ।

দ্বিতীয়ত : ব্যাংকের আমানতকারীকে খাতাকলমে আমানতকারী বলা হলো নাকি অংশীদার বলা হলো এতে দুই পক্ষের কারোরই কিছু যায় আসে না ।

তৃতীয়ত : ব্যাংকের সুদের হারও প্রকৃতপক্ষে স্থির বা পুর্বনির্ধারিত থাকে না । আন্তর্জাতিক অর্থনীতি, জাতীয় অর্থনীতি, বাজার, শিল্প ও কৃষিতে উৎপাদন প্রবৃদ্ধির হার ইত্যাদি অনেক কিছু বিবেচনার ভিত্তিতে পূঁজিবাদের নিয়মে এক একটি দেশে ব্যাংকের লেনদেনের ক্ষেত্রে সুদের হার নির্ধারিত ও পরিবর্তিত হয় । তবে জাতীয় ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে এই হার সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা একটি অর্থ বছরের শুরুতেই ঘোষিত হয় । কিন্তু ব্যক্তিমানিকানাধীন বানিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে সুদের হার যদিও পূর্বাহ্নে ঘোষিত হয়, বাজার সাপেক্ষে তা পরিবর্তন করার অধিকার ব্যাংক মালিক সংরক্ষণ করেন । সুতরাং এই দিক থেকেও মৌলিক কোনো পার্থক্য চোখে পড়ছে কি ?

অন্যদিকে সাধারণ ব্যাংক যখন কোনো উৎপাদনমূলক ব্যবসায় ঋণ প্রদান করে সেখানেও ব্যাংকের অংশগ্রহণ অনেকটা নিজস্ব উদ্যোগে পূঁগি বিনিয়োগের মতোই বিষয় । তফাৎ শুধু এইটুকুই হয় যে, নিজের শিল্পে বিনিয়োগ করলে ব্যাংকের আয় হয় প্রত্যক্ষ মুনাফার আকারে, কিন্তু অন্য মালিকের শিল্পে ঋণ দিলে আয় হয় মুনাফা থেকে প্রদত্ত সুদের আকারে । এখানে আবার ব্যাংক আসলের সাথে যেটা সুদ হিসেবে আদায় করে, নাম যাই হোক তাও মুনাফা ছাড়া আর কিছুই নয় ।এই কারনেই যিনি ঋণ গ্রহীতা তাকে তার ব্যবসাটি ঋণ শোধ না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংকের কাছেই বন্ধক (মর্টগেজড) রাখতে হয় । একইভাবে ইসলামী ব্যাংকও ঋণ গ্রহীতার প্রকল্পকে ব্যাংকের মালিকানাধীন রেখে দেয়, যদিও তাকে বলা হয় ব্যাংকের অংশীদার । "...ঋণের অর্থ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত প্রকল্পের সম্পদে ব্যাংকের মালিকানা ভাল থাকা উচিৎ ।" [ আল-নাজ্জার প্রমুখ, ইসলামী ব্যাংক কি ও কেন ?]

ঋণ গ্রহীতা যদি অংশীদারই হয় তবে আর আলাদাভাবে ব্যাংকের ঐ ব্যক্তির সম্পত্তিতে মালিক হবার প্রয়োজন কী ?? এরকম কোনো অংশীদারি কারবারের কথা কেউ কি শুনেছে যেখানে একদিকে দুইজনই অংশীদার আবার অপরদিকে একজন অপরজনের সম্পত্তির মালিক ???

যখনই ব্যাংকের বিনিয়োগ সুরক্ষার প্রশ্ন চলে আসবে, এরা বলবেন ব্যাংকের কাছে পুরো প্রকল্পটি ঋণ শোধ সাপেক্ষে বন্ধক থাকবে। আবার যখন ধর্মের নামে লোক ঠকানোর প্রয়োজন দেখা দেবে তখন এরা মানুষকে বোঝাবেন , আমাদের তো অংশীদারি ব্যবসা !!!

আসল কথা হলো ইসলামী ব্যাংককেও ঋণ আদায় করার সময় প্রদত্ত পরিমাণের চেয়ে অনেক বেশী তুলে নিতে হয় । তা না হলে ব্যাংক হিসেবে তার কারবার চলবে কী করে !
কিন্তি এই ব্যাংক তার ঋণগ্রহীতার সাথে ঋণ শোধের ব্যাপারে অংশীদারি কারবারের আড়ালে যে চুক্তিনামা সই করে তাতেই প্রদত্ত ঋণ সাপেক্ষে আদায়যোগ্য অধিকতর অর্ঠের পরিমাণ নির্ণীত হয় ।এমনকি ঋণ গ্রহীতার নেয়া প্রকল্পের আয়- ব্যয় ও যাবতীয় লেনদেন " ইসলামী ব্যাংকের দক্ষ অডিটর দ্বারা পরীক্ষিত হতে হবে এবং প্রকল্পের লাভ-লোকসানের হিসেবও তাদের দ্বারা অনুমোদিত হতে হবে " [নাজ্জার, পৃ-৪৬] তার মানে হলো ইসলামী ব্যাংকও এমনভাবে ঋণ আদায়ের পরিমাণ নির্ধারণ করে যে তা সাধারণ ব্যাংকের আসল ও সুদের যোগফলের সাথে সামন্জস্যপূর্ণ হয় ।


ইসলামী ব্যাংকের প্রবক্তারা আরো একটি যুক্তির কথা বলছেন । বলছেন - "সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে সুদের তেমন ভূমিকা নেই । বাংলাদেশের বর্তমান ব্যাংকব্যবস্থা সুদনির্ভর, অথচ আমাদের ব্যাংকের মোট জামানতের ৩০% সুদমুক্ত রাখা হয়েছে ।এটা মুসলিম সমাজের স্বাভাবিক ঈমানী চেতনার বহিপ্রকাশ ছাড়া আর কী হতে পারে ? ড. মান্নান আবার এই তত্ত্বের সমর্থনে কেইনস এর কথাও উল্লেখ করেছেন ।

প্রথমেই বিভ্রান্তি সৃষ্টির এই অপচেষ্টাকে চিনে নেয়া দরকার । যে কোন দেশের যে কোন ব্যাংকেই একটি চলতি হিসাব আমানত থাকে ।তাতে সাধারন মানুষ খুব একটা টাকা জমা করেনা । এটা হলো মূলত ব্যবসায়ীদের দ্রুত লেনদেন সেরে ফেলার জন্য যখন খুশি টাকা জমা দেওয়ার ও তুলে ফেলার অধিকারযুক্ত আমানত । বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতেও তা আছে । আমাণতকারীদের লক্ষ্য এখানে সঞ্চয়ও নয়, উপার্জন বৃদ্ধিও নয় ।ফলে ৩০% এর উদাহরনটি দিয়ে সুদের সাথে সঞ্চয়ের সম্পর্ক প্রমাণ হয়না, আবার অপ্রমানও হয়না । তাছাড়া এই আমানতের সাথে ঈমানের কোনো সম্পর্ক নেই । ভারতের হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ব্যবসায়ী বা ব্রিটেনের খ্রিষ্ট বিশ্বাসী ব্যবসায়ীরাও এরকম কিছু অর্থ ব্যাংকে জমা রাখে - তাদের ধর্মীয় কেতাবে সুদ হারাম না করা হলেও - এটি মুসলিম দেশের কোনো একক বৈশিষ্ট্য নয়। তাই সাধারন মানুষকে তাদের অশিক্ষা-অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে কীভাবে ধর্মব্যবসায়ীরা ঠকায় এই যুক্তিটি তার একটি উদাহরণ ।

সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে সুদের কোনো ভূমিকা নেই -এই কথাটাও মাত্র অর্ধসত্য । তাও নেতিবাচক অর্থে । যাদের সঞ্চয়ের সামর্থ্যই নেই, ব্যাংকের সুদ বাড়লো কি কমলো তাতে তাদের কিবা যায় আসে ? কিন্তু ইতিবাচক অর্থে যাদের সঞ্চয় করার মত উদ্বৃত্ত আছে, তারা সঞ্চয় করবে কিনা, করলে কতটা করবে, কোথায় করবে - তার পুরোটাই নির্ভর করে সুদের হারের উপর । মুশকিল হলো , ধর্ম ব্যবসায়ীদের এই সত্য্ স্বীকার করানো যায় না । কারন তাদের জন্য সত্য সম্ভবত দুনিয়ার সবচে হারাম জিনিস

আগের পোস্টটি এখানে :
ইসলামী ব্যাংকিং : গড়ে ওঠার ইতিহাস ও কিছু কথা

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইসলামী ব্যাংকিংইসলামী ব্যাংককর্মনীতি ;
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন: কারে কইলেন ?

২. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪২
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: পার্থক্য হল ইসলামী ব্যাংক ধর্মীয় আবেগ বিক্রি করে ব্যবসা করে। অন্য ব্যাংকরা স্বাভাবিক ব্যবসা করে।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: ঠিক কথা !

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: ইসলামী নামধারী অন্য ব্যাংকগুলোও এর বাইরে নয় ।

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: আর কিছু বলবেন না ?

৪. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৮
সিদ্ধার্থ আনন্দ বলেছেন: অর্থনীতি আমার কাছে সবসময় জটিল লাগে।

আপনার লেখার হাত ভালো।

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫২

লেখক বলেছেন: আমি নানা দিক থেকে জোড়াতালি লাগিয়েছি মাত্র । এই লেখাটা তেমন জটিল বোধ হয় না ।

৫. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৮
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
অথনীতির বিচারে মুনাফাও বৈধ না অবৈধ সে বিতর্কে না গিয়েও তাদের কথাই যদি ধরি যে তারা সুদ না দিয়ে মুনাফা লেনদেন করে। তাহলে ঋণ গ্রহীতা লোন নিয়ে ব্যবসা করে লোকসান হলে ব্যংক কি আসল মাফ করে বা ব্যংক লোকসান করলে গ্রাহকে টাকা কম নিতে বলা হয়?
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: ভালো বলেছেন ।
অফ টপিক : আজকের প্রোগ্রাম কেমন হলো ?

৬. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৫
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: একটা ব্যাপার খেয়াল করবেন, একমাত্র জামাতী ছাড়া ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে কেউ সাফাই গাইতে আসেনা। তবে এটা সত্য আমাদের মুসলিম সমাজের অনেক পরিবারই পেনশনে টাকা ফিক্সড ডিপোজিট রেখে, তা থেকে মাসে মাসে যে সুদ পায় তা দিয়ে সংসার চালায়। মহাজনের মত শোষকের মূর্তি মাথা না থাকলে, ব্যাংক থেকে দেয়া টাকার উপর বাড়তি টাকাকে আমাদের অনেকেই সুদ খাবার মত পাপ, অপরাধ, শোষণ মনে করেনা। প্রচলিত বিশ্বাস মতে সুদ পাপ একারণে যে তা গরীব মারার হাতিয়ার, একারণে নয় যে তা টাকার উপর টাকা বানায় বলে ধর্মে পাপ ও সুদূর প্রসারী ক্ষতিকর। কাজেই সোনালি ব্যাংকের সঞ্চয়ী হিসেব থেকে প্রাপ্ত সুদ টুকু চোখ বন্ধ করেই সবায় খায়।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: মহাজনের মত শোষকের মূর্তি মাথা না থাকলে, ব্যাংক থেকে দেয়া টাকার উপর বাড়তি টাকাকে আমাদের অনেকেই সুদ খাবার মত পাপ, অপরাধ, শোষণ মনে করেনা।

৭. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৭
সজল বলছি বলেছেন: এতো বড় লেখা পড়ার সময় নাই। তয় একটা কথা কই। ইসলামী ব্যাংক সুদ দেয় না, সুদ খায়। সুদের মানে হচ্ছে নির্দিষ্ট পরিমান লাভের আশায় কিছু কাউকে দেয়ার । মনে করুন আমি আপনার কাছ থেকে ১ লাখ টাকা নিলাম ১ মাসের জন্য। আপনি বলে দিলেন এরজন্য মাসে আমাকে ১০০০ টাকা দিতে হবে(নির্দিষ্ট পরিমান যে কোন অংক হতে পারে) সেটা শুদ। কিন্তু আপনি যদি বলে দিতেন যে ১০% লভ্যাংশ দিতে হবে সেটা সুদ নয়। কারণ আপনার লাভ টা নির্দিষ্ট নয়। এই হারে যদি লস হয় তাহলেও লসের ১০% নিতে হবে। কিন্তু ইসলামী ব্যাংক কি সেটা মানে?

ইসলামী ব্যাংক কি ভাবে সুদ খায় এবার সেটা বলি। মনে করি আমি একটি ব্যাবসা করার জন্য ১ লাখ টাকা কোন ব্যাংক থেকে ঋন নিলাম আর এর জন্য আমাকে ১০% সুদ দিতে হবে। এবার আমি ব্যাবসা করে মরলাম কি বাঁচলাম , লাভ করলাম কি লস করলাম সেট ব্যাপার না। ঋন আমাকে শোধ করতেই হবে।

এখন আমার কথা হলে আমি যদি ইসলামী ব্যাংক থেকে ঐ ঋনটা নিই তাহলে কি আমি ব্যাবসা করে লস দিই ইসলামী ব্যাংক সেই লসের অংশ নিবে? যদি উত্তর না হয় তাহলে ইসলামী ব্যাংক হারাম। আর সুদ নেয়া এবং দেয়া দু'টোই হারাম।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই ইসলামী নামধারী কোনো ব্যাংক আপনার লসের ভাগীদার হবে না ।

৮. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০০
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ওত কথার কিছু নাই। ইসলামী ব্যাংক ভন্ড ব্যাংক।
এরা ধর্মকে পুজি করে ব্যবসা করে, তাই এদের লভ্যাংশ দেবার হার সবচেয়ে কমের মধ্যে, আর লভ্যাংশ নেবার হার বেশীর মধ্যে। মানুষ ধর্মের কারনে এদের ব্যাংকে আসবেই, এটার জন্যে এদের মধ্যে সেবার মানের কোন বালাই নেই। এদের যাতা ব্যবহার। খালি সবখানে এদের ব্রান্চ আছে দেখে বাংলাদেশে এদের এত বাহার।
আর অন্য সব ব্যাংকও এই একই ভন্ডামীর জন্য ইসলামী ব্যাংকিং এর জন্য আলাদা শাখা খুলে।

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: ঠিক । অন্য সব ব্যাংকও এই একই ভন্ডামীর জন্য ইসলামী ব্যাংকিং এর জন্য আলাদা শাখা খুলে।

৯. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০৯
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
ভাল হয়েছে। তবে বৃষ্টির কারনে জমায়েতের বিরাট অংশ ফেল করেছে, দেরিতে শুরু করতে হয়েছে, আলোচন সংক্ষিপ্ত করতে হয়েছে। তবে প্রাণবন্ত হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয় যে সকল বুদ্ধিজীবী বক্তব্য দিয়েছেন তাও খুবই সুন্দর।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১২

লেখক বলেছেন: ভালো লাগলো । বাকিটা সাক্ষাতে শুনবো । যদিও সহসাই বাড়ি যাবার সম্ভাবনা দেখছি না...।

১০. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১৮
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:


আরেকটু বিশ্লেষন করলে ভালো হত। তবে চমৎকার হয়েছে।
কাকার ইসলামী ব্যাংকের কনজিউমার লোন বিশ্লেষন করে মনে হলো, তাদের সুদের হার অনেক বেশী।

ইসলামী ব্যাংকের ভালো করার অন্যতম আরো দুইটা কারণ আছেঃ
- ধর্মানুভূতিকে ব্যবহার, গ্রাহকদের ক্ষেত্রে।
- ধর্মানুভূতিকে ব্যবহার, কর্মরতদের ক্ষেত্রে (এদের সম্মানীস্কেল গড়ের চাইতে কম)।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: এটা নিয়ে ধারাবাহিক লেখার মধ্যে থাকবো । গভীরতর বিশ্লেষণে আমাকে সাহায্য করবেন । মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

- ধর্মানুভূতিকে ব্যবহার, গ্রাহকদের ক্ষেত্রে।
- ধর্মানুভূতিকে ব্যবহার, কর্মরতদের ক্ষেত্রে (এদের সম্মানীস্কেল গড়ের চাইতে কম)।

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪

লেখক বলেছেন: ইসলামী ব্যাংকের কনজিউমার লোন নিয়ে আপনার বিশ্লেষনটা যদি জানাতেন, উপকার হতো ।

১১. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২২
মাহমুদ রহমান বলেছেন: সাধারন ব্যাংক আমানতকারীকে গচ্ছিত টাকার জন্য পুর্বনির্ধারিত হারে সুদ প্রদান করে, কিন্তু ইসলামী ব্যাংক আমানতকারীকে ব্যাংকের ব্যবসায়িক কর্মকান্ডে অংশীদার করে নেয় ।

...... দুইটার মধ্যে পার্থক্য আছে। সুদ নির্দিষ্ট, লাভ নির্দিষ্ট নয়।

তৃতীয়ত : ব্যাংকের সুদের হারও প্রকৃতপক্ষে স্থির বা পুর্বনির্ধারিত থাকে না । আন্তর্জাতিক অর্থনীতি, জাতীয় অর্থনীতি, বাজার, শিল্প ও কৃষিতে উৎপাদন প্রবৃদ্ধির হার ইত্যাদি অনেক কিছু বিবেচনার ভিত্তিতে পূঁজিবাদের নিয়মে এক একটি দেশে ব্যাংকের লেনদেনের ক্ষেত্রে সুদের হার নির্ধারিত ও পরিবর্তিত হয় ।

....... আপনি এখানে যে হিসাবের কথা দেখাচ্ছেন তাতে সরাসরি ব্যবসার ব্যাপারটি আসছে না। বরং ব্যাংকগুলোর আন্তঃব্যবসার বিষয়টি চলে আসছে। মনোপলি করতে পারছে না বলেই অন্য ব্যাংকের সাথে প্রতিযোগীতায় আসেত হচ্ছে। এখানে ব্যাংক নিজে ব্যবসা করে তার ভিত্তিতে সুদের হার নির্ধারণ করছে না।

এই বাক্যটি ঠিক বুঝতে পাররাম না.....
"অন্য মালিকের শিল্পে ঋণ দিলে আয় হয় মুনাফা থেকে প্রদত্ত সুদের আকারে ।"

ঋণ গ্রহীতা যদি অংশীদারই হয় তবে আর আলাদাভাবে ব্যাংকের ঐ ব্যক্তির সম্পত্তিতে মালিক হবার প্রয়োজন কী ?? এরকম কোনো অংশীদারি কারবারের কথা কেউ কি শুনেছে যেখানে একদিকে দুইজনই অংশীদার আবার অপরদিকে একজন অপরজনের সম্পত্তির মালিক ???

...... এর অর্থ হচ্ছে ব্যাংক ঋণ দিচ্ছে। অংশীদার দুইজনই। ব্যাংক হচ্ছে সারপ্লাস ইউনিট আর ঋণ গ্রহীতা হচ্ছে ডেফিসিট ইউনিট। একজনের অর্থ আর অন্যজনের শ্রম বা মেধার ভিত্তিতে ব্যবসা চলছে। ব্যাংকের কাছ থেকে মালিকানা কিনে নিতে পারে। অর্থাৎ, ধরা যাক, 'ক' ১০০ টাকা ব্যাংক থেকে নিয়ে ব্যবসা করল একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভ ভাগাভাগির শর্তে। তাহলে 'ক'কে ঋণের সাথে লাভটাও দিতে হবে। এভাবে আস্তে আস্তে ব্যাংকের মালিকানা আর থাকবে না।

যখনই ব্যাংকের বিনিয়োগ সুরক্ষার প্রশ্ন চলে আসবে, এরা বলবেন ব্যাংকের কাছে পুরো প্রকল্পটি ঋণ শোধ সাপেক্ষে বন্ধক থাকবে। আবার যখন ধর্মের নামে লোক ঠকানোর প্রয়োজন দেখা দেবে তখন এরা মানুষকে বোঝাবেন , আমাদের তো অংশীদারি ব্যবসা !!!

......... এইটা ঠিক বুঝি নাই।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনি বলেছেন -
ব্যাংক হচ্ছে সারপ্লাস ইউনিট আর ঋণ গ্রহীতা হচ্ছে ডেফিসিট ইউনিট। একজনের অর্থ আর অন্যজনের শ্রম বা মেধার ভিত্তিতে ব্যবসা চলছে। ব্যাংকের কাছ থেকে মালিকানা কিনে নিতে পারে। অর্থাৎ, ধরা যাক, 'ক' ১০০ টাকা ব্যাংক থেকে নিয়ে ব্যবসা করল একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভ ভাগাভাগির শর্তে। তাহলে 'ক'কে ঋণের সাথে লাভটাও দিতে হবে। এভাবে আস্তে আস্তে ব্যাংকের মালিকানা আর থাকবে না।
----------->>>>>>
আপনি সম্ভবত ইসলামী ব্যাংকের Hire purchase সিস্টেমটির কথা বলছেন । এ বিষয়ে আমি পরবর্তী পোস্টে লিখতে চাইছি । তবে আপনার উদাহরনে আমার একটি প্রশ্ন আছে । 'এই কেস স্টাডিতে ক' যদি কোনো কারনে লাভ না করে উল্টা গনেশ উল্টিয়ে ফেলতো, তখন কি ইসলামী ব্যাংক তার লোকসানেরও ভাগীদার হতো ? আশা করি উত্তরটা এড়িয়ে যাবেন না ।

তিন নম্বর পয়েন্টের সমালোচনায় আপনি যা ব্যাখ্যা দাঁড় করালেন সেটা ক্লীয়ার হলো না । দয়া করে ক্লীয়ার করবেন । অন্যান্য উদ্ধৃতির ক্ষেত্রে আগে পরের লেখাগুলো মিলিয়ে পড়লে মনে হয় পোস্টের মূল বক্তব্য কিছুটা খুজে পেতে পারেন আশা করি।

১২. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৫
মাহমুদ রহমান বলেছেন: ব্যবহারিক দিক থেকে ইসলামিক ব্যাংক অনেক বেশি কার্যকর। এখানে টাকা পয়সা বাতাসের উপর ভর করে চলাফেরা করে না। আমানতকারীরা এখানে বেশি নিরাপদ বোধ করেন।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: আল_নাজ্জার প্রমুখের বই থেকে আবার উদ্ধৃতি করছি । 'ইসলামী ব্যাংক কি ও কেন ?' বইয়ের ৪৮ পৃষ্ঠায় বিনিয়োগকৃত অর্থের নিশ্চ্য়তা সম্পর্কে বলা আছে - " এসব কার্যক্রম সূচারুরূপে সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে প্রকল্পসমূহের সম্পদ যাতে ব্যাংকের বিনিয়োজিত সমূদয় অর্থের নিশ্চয়তা প্রদায়ক হয় সেদিকে লক্ষ রাখা প্রয়োজন । এজন্য ঋণের অর্থ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত প্রকল্পের সম্পদে ব্যাংকের মালিকানা ভাল থাকা উচিৎ ।"

আপনার উদাহরনটিতে ব্যাংক কিন্তু হাওয়ার উপর 'ক' কে ১০০ টাকা দেবে না । 'ক' এর প্রকল্পে সে তার মালিকানার অধিকার বজায় রাখবে । আবার ' ক' কে অংশীদার ও বলা হবে । অর্থাৎ 'ক' শুধু নামেই একজন অংশীদার বাস্তবে সে ব্যাংকের মালিকানায় আবদ্ধ । আবার 'ক' কে 'লাভের' অংশ ভাগাভাগির পাশাপাশি প্রকল্পের মালিকানা পেতে মুল ১০০ টাকাও পরিশোধ করতে হবে । তাহলে পুরো ব্যাপারটা কি প্রদত্ত ঋণের জন্য অতিরিক্ত অর্থ সুদ না বলে অন্য ভাষায় অন্য শব্দের আড়ালে উসূল করাই হচ্ছে না ?

আর আমানতকারীরা প্রথমেই এ ধরনের ব্যাংকিং এর দিকে আকৃষ্ট হন ধর্মভীরুতার জায়গা থেকে । হারামী হালালী সূক্ষ মারপ্যাঁচের ফাঁদে পড়ে । মালিক পক্ষও গ্রাহকদের এই ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছে বলেই আজ অনেক অমুসলিম মালিকানাধীন ব্যাংকও সাধারণ ব্যাংকিং এর পাশাপাশি ইসলামী ব্যাংকিং চালু করেছে । সে কি গ্রাহককে ধর্মীয় তুষ্টি দিয়ে স্রেফ মুনাফা অর্জনের জন্যই নয় ?

১৩. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩৩
সায়েম মুন বলেছেন: ইসলামী ব্যাংক পছন্দ হয় না। তাই এ ব্যাপারে কিছু কইলাম না।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন: পছন্দ না হওয়ার কারন কী ? ধর্মীয় সুরসুরানি ? কেন হয় না, সেটা একটু খুলে বলুন না !

১৪. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪১
জানজাবিদ বলেছেন: ইসলাম অর্থের ৩ প্রকারের ব্যবহার সমর্থন করে-

- নিজের বা পরিবারের প্রয়োজনে খরচ করা
- যাকাত দেয়া, আল্লাহর পথে খরচ করা বা দান খয়রাত করা
- ব্যবসা বাণিজ্যের কাজে খরচ করা

অর্থ বা ধন সম্পদ জমা করা ইসলাম মোটেই সমর্থন করেনা এবং এর জন্য কঠোর শাস্তির ঘোষনা রয়েছে। এখন মালিকের পক্ষ থেকে কোন প্রকার পরিশ্রম বা ঝুঁকি গ্রহণ ব্যাতিরেকে টাকা যদি ক্রমাগত বাড়তে থাকে সেটাকে সুদ ছাড়া আর কিছুই বলা যায়না (যত সুন্দর আরবী নামই দেয়া হোক না কেন)। আমার মতে ব্যাংকিং জিনিসটাই যেখানে ইসলামের মূল স্পিরিটের সাথে যায়না, সেখানে ইসলামী ব্যাংকিং আসে কোথ্থেকে?

ইসলামী ব্যাংকগুলোতে টার্ম লোনের একটা গাল ভরা নাম আছে, হায়ার পারচেজ আন্ডার শিরকাতুল মিলক সংক্ষেপে এইচপিএসএম। এখানে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ চার্জ করা হয়। একেবার বিবিএর বইতে যেরকম পড়েছেন, কম্পাউন্ড ইন্টারেস্ট, সেরকম। তারপর লোন পরিশোধে ব্যর্থ হলে কম্পেনসেশন চার্জ করা হয়, এটাও চক্রবৃদ্ধি সুদেরই নামান্তর।

প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে ইসলামী ব্যবস্থার মধ্যে থেকে এর থেকে মুক্তির উপায় কি? মুক্তির উপায় একটাই, পাশ্চাত্যের কাছ থেকে শেখা ছদ্মবেশী ইসলামী ব্যাংকিং বাদ দিয়ে কোরআনের কাছেই মুসলমানদের ফিরে যেতে হবে। অলস অর্থ পড়ে থাকলে মানুষ ব্যবসায় খাটাবে, নিজে কারবার করবে বা অন্যকে দিয়ে করাবে। নাহলে দান খয়রাত করবে, সেটাও না পারলে হালাল পথে খরচ করবে। তারপরও যদি কারো কাছে অলস অর্থ জমে যায়, যাকাতের মাধ্যমে সরকার তার ২.৫% কেটে নেবে। মোট কথা ইসলাম কোনভাবেই চায়না যে, ধনীদের কাছে ধন সম্পদ কুক্ষিগত হয়ে থাকুক। মহানবীর ইন্তেকালের ৩০/৪০ বছর পরে মুসলিম সমাজে যাকাত নেয়ার মত লোক খুঁজে পাওয়া যেতনা।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: ব্যাংকিং জিনিসটাই যেখানে ইসলামের মূল স্পিরিটের সাথে যায়না, সেখানে ইসলামী ব্যাংকিং আসে কোথ্থেকে?
আপনার এই কথার সাথে একমত ।

০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: তবে মুক্তির উপায় সম্পর্কে যে পথ বাতলেছেন তার সাথে পুরো একমত নই। এ সম্পর্কে পরবর্তী লেখায় আমার ভাবনাগুলো দিতে চাই । সাথে থাকবেন ।

১৫. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫২
মাহমুদ রহমান বলেছেন: সুদ এবং লাভের মধ্যে পার্থক্য করতে না পারাটা দুঃখজনক.......

কেস ১: করিম একটা কাজ জানে, কিন্তু টাকা নাই; সে দেখছে রহিমের টাকা আছে। সে রহিমকে বলল, আমাকে ১০০ টাকা দাও। রহিম এই শর্তে ১ বছরের মেয়াদে তাকে টাকাটা দিলো যে, প্রতি মাসে তাকে সুদ দিতে হবে ৫ শতাংশ হারে। বছর শেষে সে পাবে ১৬০ টাকা।

কেস ২: করিম একটা কাজ জানে, কিন্তু টাকা নাই; সে দেখছে রহিমের টাকা আছে। সে রহিমকে বলল, আমাকে ১০০ টাকা দাও। রহিম বলল ঠিক আছে আসো দুজনে মিলে ব্যবসা করি। এই টাকা দিয়ে যা লাভ হবে তা দুজন সমান বা একটি নির্দিষ্ট অংশে ভাগ করে নিবো। তাহলে রহিম বছর শেষে আসলসহ লাভ পাবে।

কেস ১ আর কেস ২ কি এক হলো?
১. ২ নং এ ইকুইটি হলো।
২. ২ নং এ রহিম জানতে পারল তার টাকা দিয়ে আসলে কি হচ্ছে।
৩. ২ নং এ ব্যবসায় ক্ষতি হলে তা দুইজনই শেয়ার করবে। সেক্ষেত্রে করিম তার মেধা এবং শ্রমের ক্ষতি আর রহিম অর্থের ক্ষতি শেয়ার করবে।
৪. ১ নং এ ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও রহিমকে সুদসহ আসল ফেরত দিতে করিম বাধ্য থাকবে।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬

লেখক বলেছেন: ২ নং উদাহরনে আপনি যদি রহিম কে 'ইসলামী ব্যাংক' হিসেবে দ্বার করান তাহলে ভুল করেছেন । আর আজকের যুগে এসে বাড়তি অর্থ আদায়ে ব্যাংকগুলোর 'সুদ' আর 'মুনাফার' প্রায়োগিকতায় কথার মারপ্যাঁচ ছাড়া কি কোনো মৌলিক পার্থক্য আছে ?

১৬. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫৩
মাহমুদ রহমান বলেছেন: তাহলে রহিম বছর শেষে আসলসহ লাভ পাবে> তাহলে রহিম বছর শেষে আসলসহ লাভের অংশ পাবে।
১৭. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫৫
জানজাবিদ বলেছেন: @মাহমুদ রহমান, পার্থক্য আপনি ঠিকই বুঝিয়েছেন। কিন্তু কাজীর গরু কেতাবে আছে, গোয়ালে নাই। ইসলামী ব্যাংকের সাথে যারা ব্যবসা কারে এরকম ২/৩ জনের সাথে কথা বলে দেখতে পারেন।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: কাজীর গরু কি কেতাবে আছে ?

১৮. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:০৯
মাহমুদ রহমান বলেছেন: ইসলামী ব্যাংককে ডিফেন্ড করা উদ্দেশ্য ছিলো না। ইসলামিক ব্যাংকিং নিয়ে কথা বলেছি। কেউ যদি সেখান থেকে ডেভিয়েটেড কিছু করে সেটা প্রমাণসহ তুলে ধরা উচিত। যাতে ইসলামিক ব্যাংকিং সিস্টেমকে কেবল সস্তা 'ধর্মানুভূতি' (যেটা এক ধরনের জাতীয়তাবাদ) দিয়ে চালিয়ে নিতে না পারে।

কিন্তু যারা সুদ খায়, তাদের অবস্থা হয় সেই ব্যক্তির মত যাকে শয়তান তার স্পর্শ দ্বারা পাগল ও সুস্থ-জ্ঞানশুন্য করে দেয়। এদের এইরুপ অবস্থা হওয়ার কারণ এই যে, তারা বলেঃ ব্যবসা তো সুদের মতই জিনিস। অথচ, আল্লাহ ব্যবসায়কে হালাল করেছেন আর সুদকে করেছেন হারাম। (সুরা বাকারাঃ আয়াত ২৭৫)
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪২

লেখক বলেছেন: আমি এখানে আমাদের দেশে প্রচলিত ইসলামী ব্যাংকগুলোর কর্মনীতি নিয়েই আলোচনা করতে চেয়েছি । সামগ্রিক ইসলামিক ব্যাংকিং সিস্টেম সম্পর্কে আমার মতামত পরের পোস্টে দেব ।

১৯. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২৪
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনি সম্ভবত ইসলামী ব্যাংকের Hire purchase সিস্টেমটির কথা বলছেন । এ বিষয়ে আমি পরবর্তী পোস্টে লিখতে চাইছি । তবে আপনার উদাহরনে আমার একটি প্রশ্ন আছে । 'এই কেস স্টাডিতে ক' যদি কোনো কারনে লাভ না করে উল্টা গনেশ উল্টিয়ে ফেলতো, তখন কি ইসলামী ব্যাংক তার লোকসানেরও ভাগীদার হতো ? আশা করি উত্তরটা এড়িয়ে যাবেন না।

................. অবশ্যই হতে বাধ্য.... তবে কথা আছে। ব্যাংক নিশ্চয়ই এমন কারও সাথে ব্যবসা করতে চাইবে না যার প্রতি আস্থাবান হতে পারছে না। আবার কাউকে টাকা দিয়েই কেবল ছেড়ে দিবে না বরং সে মনিটর করবে। এসব ব্যাপারে উভয় পক্ষের সম্মতিতে চুক্তিতে আসতে পারে। চুক্তিপত্র অনুযায়ী যেইসব টার্মস এন্ড কন্ডিশনস ফলো করার কথা তা ঠিকমত করা হচ্ছে কিনা তা ব্যাংক অবশ্যই দেখবে। এসব ব্যাপারে ঘাটতি থাকলে ব্যাংক ব্যবস্থা নিতে পারে।

৩ নং পয়েন্টের ব্যাখ্যায় আমি যা বলেছি সেটা ঠিক মানানসই হয়নি। আমার বলা উচিত ছিল, লাভের পরিমাণের কম বেশি নির্ভর করছে ব্যাংকের ব্যবসার উপর। আর সুদের হারের কম বেশি নির্ভর করছে আপনি যেসব ফ্যাক্টর উল্লেখ করেছেন তার উপর।
২০. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩৪
সাহোশি৬ বলেছেন: মাহমুদুর রহমান সাহেব, আপনি কি তাহলে বলতে চাইছেন যে ইসলামী ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ব্যবসায় লস করলে ইসলামী ব্যাংক তার ভাগীদার হবে? উত্তর হ্যা অথবা না বলুন। এড়িয়ে যাবেন না। যে কোন লোন নেবার সময়ই প্রচুর শর্ত থাকে, শর্তগুলো পূরন হলেই কেবল ব্যাংক লোন দেয় অন্যথায় নয়। সুতরাং অত শর্ত ফর্তের কথা বলে লাভ নাই। ডাইরেক্ট বলেন ইসলামী ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ব্যবসায় লস করলে ইসলামী ব্যাংক তার ভাগীদার হবে কি না?

আরেকটা প্রশ্ন, সুদ নির্দিষ্ট করে ব্যবসার শুরুতেই লোন দেয়া যায়, কিন্তু লাভ তো আর বছর শেষের আগে আর জানা যাবে না, তাহলে কি ইসলামী ব্যাংকের লভ্যাংশ variable?
২১. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪
ফারুক৫৫ বলেছেন: যে লাউ সেই কদু। ইসলামী ব্যঙ্ক লসের ভাগ নেয় না। লভ্যাংশ ও variable নয়। লোন দেয়ার সময়েই ঠিক করে দেয় , কত করে ভাড়া বা লাভ ব্যাঙ্ককে দেয়া লাগবে। এখানে লাভ বা ক্ষতির কোন সম্পর্ক নেই।
০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারুক । ইসলামী ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে আপনার প্রত্যক্ষ কোনো অভিজ্ঞতা থাকলে সেটা দয়া করে শেয়ার করবেন ।

২২. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
মাহমুদ রহমান বলেছেন: @সাহোশি৬ , উত্তর তো আমি দিলামই। ডাইরেক্টই তো বললাম।

@ফারুক৫৫, আপনি মনে হয় সবকিছু গুলিয়ে ফেলছেন। আপনি যেটার কথা বলছেন সেটা হচ্ছে বাই মুয়াজ্জাল পদ্ধতির কথা। এখানে ব্যাংকই আপনার সাথে ব্যবসা করছে। সে লস দিয়ে ব্যবসা করবে কেন? সে তো লাভ-টাভ হিসাব করে নির্দিষ্ট করেই দিবে মাসে আপনাকে কত দিতে হবে। আর ইসলামী ব্যাংক লোন দেয় না, পন্য কিনে দেয় অথবা বাড়ী করে দেয়, আর সেটার লাভ বা ভাড়া নিয়ে থাকে।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: অনেক কথার ফাঁকে এবার কিছু কাজের কথা বলেছেন । আপনার কমেন্টের জবাব পরের পোস্টে দিয়েছি । এখানেও কিছু বলি ।
আপনি বলেছেন -

সে তো 'লাভ-টাভ' হিসাব করে 'নির্দিষ্ট করেই' দিবে মাসে আপনাকে কত দিতে হবে।

লক্ষ্য করুন - 'লাভ-টাভ' এবং 'নির্দিষ্ট করেই' ।

ইসলামী ব্যাংকিং এর তাত্ত্বিকদের মতে কোনো বিনিয়োগের জন্য 'পূর্বনির্ধারিত' আয় নাকি ইসলামী মতে জায়েজ হয় না । ড. এম.এ.মান্নানের মতে, " উৎপাদন ক্ষেত্রে পূঁজির গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা ইসলামে স্বীকৃত । জাতীয় আয়ে পূঁজির প্রাপ্য লব্ধ মুনাফার হারের উপর নির্ভরশীল । ইসলামী বিধানে এই প্রাপ্য পূর্ব থেকেই নির্ধারিত হতে পারে না ।" [ ইসলামী অর্থনীতি: তত্ত্ব ও প্রয়োগ ,১৯৮৩ পৃ-১০২] তাহলে আগে-ভাগেই লাভ-টাভ নির্দিষ্ট করে মুনাফা পূর্বনির্ধারনের এই কাজ কেমন ভন্ডামো হলো বলুন তো !!

২৩. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭
অন্যরকম বলেছেন: সহমত @ মাহমুদ রহমান!

লেখকের প্রতি আমার একটা প্রশ্ন,
আমি বাড়ী বানাবার জন্য বানিজ্যিক ব্যাংখ থেকে লোন নিলাম, বাড়ি বানাইলাম, ভাড়া দিয়া লোনও কিছু অংশ (সুদসহ) পরিশোধ করলাম, কিন্তু হঠাৎ একদিন ন্যাচারাল ডিসাস্টারে আমার বাড়ী ভেঙ্গে গেল।
এখন আমাকে কি বাকি লোনের টাকা (সুদ সহ) পরিশোধ করতে হবে?
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১৯

লেখক বলেছেন: ভালো প্রশ্ন । এর উত্তর মাহমুদ রহমান সাহেবই ভালো দিতে পারবেন। আশা করি তিনি দেবেন ।

২৪. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
সজল বলছি বলেছেন: লেখকের প্রতি আমার একটা প্রশ্ন,
আমি বাড়ী বানাবার জন্য বানিজ্যিক ব্যাংখ থেকে লোন নিলাম, বাড়ি বানাইলাম, ভাড়া দিয়া লোনও কিছু অংশ (সুদসহ) পরিশোধ করলাম, কিন্তু হঠাৎ একদিন ন্যাচারাল ডিসাস্টারে আমার বাড়ী ভেঙ্গে গেল।
এখন আমাকে কি বাকি লোনের টাকা (সুদ সহ) পরিশোধ করতে হবে?


আমারো প্রশ্ন। তবে লেখকের প্রতি নয়। ইসলামী ব্যাংক এর প্রতি।
২৫. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৭
অন্যরকম বলেছেন: @ সজল, আইবিবিএল এর প্রতি এই প্রশ্ন আমারো ... কিন্তু ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রতি না। কারণ ইসলামী ব্যাংকিংয়ে বাড়ীটা ব্যাংকের..... সে আমাকে ভাড়া দিছে... এখন বাড়ী ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটা ব্যাংকের লস... আমার না... কারণ আমি বাড়ী ভাড়া নিছি ব্যাংকের কাছ থেকে(চুক্তিমতে) এবং সেই বাড়ী ভাড়া দিয়ে ব্যাংকের লোন পরিশোধ করছি....
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: এই ঘটনার তত্ত্বীয় সলুশনটা আমার জানা নেই । ইসলামী ব্যাংক সেই তত্ত্ব মানছে কিনা সেটা আরেকটা জুরুত্তপূর্ণ প্রশ্ন । কারো জানা থাকলে জানাবেন । আর আপনি "... এখন বাড়ী ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটা ব্যাংকের লস... আমার না... " এই সিদ্ধান্তে কার লেখার রেফারেন্স থেকে পৌছালেন নাকি এটা আপনার ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ সেটা জানালে উপকৃত হবো ।

২৭. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫
সজল বলছি বলেছেন: অন্যরকম বলেছেন: @ সজল, আইবিবিএল এর প্রতি এই প্রশ্ন আমারো ... কিন্তু ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রতি না। কারণ ইসলামী ব্যাংকিংয়ে বাড়ীটা ব্যাংকের..... সে আমাকে ভাড়া দিছে... এখন বাড়ী ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটা ব্যাংকের লস... আমার না... কারণ আমি বাড়ী ভাড়া নিছি ব্যাংকের কাছ থেকে(চুক্তিমতে) এবং সেই বাড়ী ভাড়া দিয়ে ব্যাংকের লোন পরিশোধ করছি....

১. আমি হোম লোনের জন্য ইসলামী ব্যাংকের উত্তরা অফিসে গিয়েছিলাম ৩/৪ মাস আগে। ওরা আমাকে এমন কিছু বলেনি।

২. আমার মূল প্রশ্নটি হলো আমি ইসলামী ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে বাড়ি করলাম। কিন্তু ৩/৪ বছর পরে যদি বাড়িটি ভূমিকম্প বা অন্যকোন কারণে ভেঙ্গে পড়ে তখন ইসলামী ব্যাংকের ভূমিকা কি হবে?
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: ২ নং প্রশ্নের তত্ত্বীয় সলুশন বা ইসলামী ব্যাংকগুলোর ব্যবহারিক সলুশন কোনোটাই আমার জানা নাই । দূ্ঃখিত । তবে আমিও আপনার প্রশ্নের উত্তর প্রত্যাশা করছি । মাহমুদ রহমান সাহেব সম্ভাব্য উত্তরদাতা হতে পারেন ।

২৮. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮
মাহমুদ রহমান বলেছেন: @ লেখক,

১৫ নং কমেন্টে আমি কেবল লাভ এবং সুদের পার্থক্য পরিস্কার করতে চেয়েছি। আপনি যেভাবে দুইটাকে কেবল ভাষার মারপ‌্যাঁচ বোঝাতে চাচ্ছেন তার বিরুদ্ধেই বলতে চেয়েছি।

আপনি বলতে চেয়েছেন, এখানে দেশের প্রচলিত ইসলামী ব্যাংকের কর্মনীতি নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছেন। সেরকম উদাহরণ চোখে না পড়লেও ইসলামিক ব্যাংকিং এর প্রচলিত সিস্টেমের বিরুদ্ধেই তো আপনি বলছেন। শরীয়া পরিপালন হচ্ছে কি হচ্ছে না সেটা নিয়ে আপনার বক্তব্য নেই।
০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ । ইসলামিক ব্যাংকিং এর প্রচলিত সিস্টেমের অসঙ্গতির বিরুদ্ধেই আমি বলছি । অসঙ্গতিগুলো নিশ্চয়ই শরীয়া সম্মত নয় । তবে তত্ত্ব ও প্রয়োগের মধ্যে অসঙ্গতি নিয়ে খুব শীঘ্র আলাদা ভাবে পোস্ট দিবো । কাজেই সাথে থাকেন ।

২৯. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৪৮
অন্যরকম বলেছেন: @ সজল, ইসলামী ব্যাংক (আইবিবিএল) এর ভূমিকা কি সেটা তো আমি বলতে পারব না কারণ আমি আইবিবিএলের কেউ না। তবে আমার ইসলামী ব্যাংকিংয়ের উপর যে ধারণা সেটা নির্ভর করছে ব্যাংকের সাথে আপনার চুক্তিরউপর এবং খুব সম্ভবত সে দায় ব্যাংকের। অর্থাৎ ক্ষতিগ্রস্থ হবে ব্যাংক, গ্রাহক নয়!

@ মাহমুদ রহমান.... ১৮ নং কমেন্টে জাঝা! :)
৩০. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৯
সািদক বলেছেন: আল্লামা তাক্বী উসমানী সাহেবের বিখ্যাত একটি বইয়ের(ইসলামী ব্যাংকিং ও অর্থায়ন পদ্ধতি সমস্যা ও সমাধান) লিংক দিলাম।
Click This Link
Click This Link
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৫

লেখক বলেছেন: যে লিংক দিলেন, নিজেই কি সেটা নিজেই কি পড়েছেন ? এখানেও কিন্তু লেখা আছে , ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলোর সকল কাজ কারবার ইসলাম সম্মত নয় । যাই হোক, পুরোটা পড়ে কমেন্ট করা যাবে । ধন্যবাদ ।

৩১. ০৮ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কিছু ভিন্নমত থাকলেও পড়ে যাচ্ছি।
সিরিজ শেষ হলে তবেই পূর্নাঙ্গ চিত্র পাওয়া যাবে আর কমেন্ট করাটা সুবাধাজনক হবে।
৩২. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫৭
আলোর মিছিল বলেছেন: দারুন ডিসকাসন হইছে। খুবই দরকারি পোষ্ট।@লেখক, এই বিষয়ে আপনার আগের পোষ্টগুলোও পড়ছি। সামনের গুলাও পড়ব ইনশাল্লাহ।

@ অন্যরকম, আমি আপনার সাথে একমত।দু্র্যোগে বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ইসলামি ব্যংকেরই সেই দায় নেওয়ার কথা। তবে এক্ষেত্রে ভাড়াটিয়ার শেয়ারও থাকতে পারে।এটা অবশ্য সম্পু্র্ন আমার নিজের বক্তব্য।আমার মতে ভাড়াটিয়ারও এক্ষেত্রে অংশীদার হওয়া উচিত।

সবাইকে ধন্যবাদ।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১৯৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
“বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখ দ্বিতীয় বিদ্যায়।
বরং বিক্ষত হও প্রশ্নের পাথরে।
বরং বুদ্ধির নখে শান দাও, প্রতিবাদ করো।
অন্তত আর যাই করো,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই