‘যে গোবরের স্তুপ জমে গেছে দীর্ঘদিনে তাকে অপসারণ করতে হলে পুরোটা উঠিয়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হয়, স্তুপে ভেতরে কিন্তু গোবর গোবরের সরূপেই থাকে; তাই খোঁচাখুঁচি করলে অথবা খামচা খামাচা এলাপাথাড়ি খুবলিয়ে নিয়ে সরালে দুর্গন্ধই বারতে থাকে, যে গন্ধ ভেতরে চাপা পরেছিল। অপসারণ মানে তাই পুরো গোবরই অপসারণ, এর ব্যতয় কিছু নেই।’
এটি একটি আপ্ত কথা। আপ্ত কথা বাস্তবতার মুখ খুব একটা দেখেনা। বাস্তবতা লেখার মত সরল সোজা কোন বস্তু নয়।
একটু অন্য বিষয়! ---
১১/১/২০০৭ এর পরে অনেক পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে হচ্ছে বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রোপটে। দূর্ণীতি দিকপাল ...মহারাজা কতেক ধরাশাই হয়েছে, কতেক পলাতক হয়েছে আর কতেক কুপোকাত...দূর্ণিতীর নানা ক্ষেত্র আর গুপ্ত সুপ্ত পন্থা উন্মোচন হয়েছে, হচ্ছে। শিকলের লম্বা , মানে সে এক বিশাল লম্বা চেইন এর মাঝখান থেকে থেকে অনেক শিকল ধ্বংস করা হয়েছে...কিন্তু শিকল গুলো পুনরায় জোড়া দিয়ে সোজা করা কি হয়েছে? সমস্যা ---শিকল সে এক এমনই যা চোখে দেখেনা সাধারণ চোখ। ...
এত পরিবর্তনের পরে কি হলো...দ্রব্য মূল্যর সাথে আয়ের চরম বিকর্ষন পৃথিবীর উল্টর আর দক্ষিণ মেরুর বিকর্ষনকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে বা গেছেই। দূর্ণীতি দমনের যে মহান প্রয়াস তার সুফল এই কপাল পোড়া বাংগালী যেকজন, তারা বুঝতেই পারলাম না।
এতই অবুঝ হলে কেমনে হবে! ভাবনা ঘুরতে থাকে উত্তর মেরু হতে দণি মেরু অবধি।
অধুনা পত্রিকা মারফত জানা হলো বিশ্ব বাজারে তেল এবং আরও অনেক কিছুর দাম কমেছে....আমাদের এখানে তবে কমবে কি?
বুঝিনা। আসলে ব্যবসায়িরা যে কোন নীতি মানে কে জানে....থিসিস এর বিষয় হতে পারে।
তবে দূর্ণীতি বোধহয় তারা খূব একটা করে না....ধরপাকর অধ্যায়গুলোর ইতিহাস তো তাই প্রমাণ করে...নাকি?
আরেকটি বিষয়---খুব ভাবাচ্ছে
মিডিয়ার দৌরাত্মে কানে এসেছিল, বড় বড় দূর্ণীতি বাজদের কোন ভাবেই নাকি ছাড়া হবেনা। এখন আবার সেই দৌড়াত্মেই শুনি...দেখি ...দেশের স্বার্থে , নির্বাচনের স্বার্থে ...তাদের চারদেয়ালের বাইরে ছাড়ার কথা এবং ছাড়ার বাস্তব চিত্র। সরল অংক আসলেই বড় জটিল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



