
উপরের শিরোণামে আজকের প্রথম আলোর প্রথম পাতায় প্রকাশিত একটি খবরের বাক্যগুলো পঠন করার পর অনুভূতি কেবল প্রতারণার পদ্ধতিগত উচ্চমার্গ বিষয়ে সাড়া দিলনা সাথে সাথে একটা অন্যবিষয়কে এর সাথে বিনেসূতোর মালার মত গেঁথে নিতে চাইল।
বিস্তারিত জানতে একটু লিংকটা আগে পড়ে আসুন।
সংক্ষেপে প্রতারণার খবরটা এমন ...এক চক্র রাজউক ( রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) এর চেয়ারম্যানের ই-মেইল হ্যাক করে সেই ই-মেইল আইডি ব্যবহার করে বহির্দেশে অবস্থানকারী বাংগালী যারা সদ্য আবেদন এ সাড়া দিয়েছিল রাজউক এর পূর্বাচল প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ পাবার আসায় তাদের কাছে প্লট প্রাপ্তির ভূয়া সুসংবাদ পাঠিয়ে টাকা আদায় করেছে প্লটের কিস্তির ...এই ধরনের ।
কারে বোকা কমু বুঝিবার পারি না।
আবেদনকারীরা জানেও না ..সময় যে এক্সটেনশন করা হয়েছে....
আর এত তাড়াতাড়ি কেমনে বরাদ্দ হবে ......ই-মেইলে আসল আর টাকা পাঠায় দিল!
তবে সে বিষয়ে নির্দেশ করা উদ্দেশ্য নয় আমার , উদ্দেশ্য হলো
মূলত ভাবী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক বক্তব্যর প্রতি দৃষ্টি ফেরানো।
মনে পড়ছে নিশ্চয়-- ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার এক স্বপ্নের কথা উনি ব্যক্ত করেছেন ইলেকশনের আগে।
ই-গর্ভনেন্স এর সার্বজনিনতা প্রয়োজন সর্বাগ্রে এই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে।
রাজউক চেয়ারম্যানের ই-মেইল আইডি ব্যবহার , রাজউকের প্লট বরাদ্দের আবেদন এর ফর্ম এবং নোটিশ ইন্টারনেটে অ্যাভেইলঅ্যাবেলিটি..এসবই সেই ই-গভার্নেন্স তথা ডিজিটাল বাংলাদেশেরই সূচনা সংগীত।
কিন্তু কত সহজে হ্যাকিং জনিত কারনে ...এমন কোটি কোটি টাকার প্রতারণার ঘটনা ঘটল। সময়মত
ওয়েবপেজ এ কোন এজেন্ট বা পরামর্শক না থাকার কথা বলে দিতে পারত রাজউক।
অথবা প্রিকউশন নেয়ার চিন্তা করেত পারত....আবেদনকারীদের সরাসরি যোগাযোগ ছাড়া টাকা পাঠানোর ব্যপারে নির্দশনা দেয়া থাকতে পারত...
আসলে কি করে জানবে ..হ্যাকিং করে এই প্রতারণা ঘটাবে কেউ অতি বুদ্দিমান?
তারপরও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন পথ তৈরীর যাত্রাতেই এমন সব
ঘটনা ভীতি জাগারণ করিয়ে আবার পরিকল্পনায় লাগাম হয়ে ওঠে শক্ত....সেটাই ভয়।
খালি মুখে বললেই হবে না....সেটা বাস্তবায়ন করার সুষ্ঠ পরিকল্পনা থাকতে হবে।
বলতে লজ্জা নেই যে আমাদের দেশ তথ্যপ্রযুক্তিতে সেই পরিকল্পনার শূণ্যতা দেখে ব্যপক।
একটা উদাহরণ---উচ্চা পর্যায়ে ক'জনা ব্লগ কি জানে কি না ....আমার খুব পরিসংখ্যান টা জানতে সাধ হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



