তাসলিমা নাসরিনের একটি শারীরকাব্য
১৬ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:০৬
লেখিকা তাসলিমা নাসরিন সাহিত্য জগতে আসেন কবি পরিচয় নিয়ে--- এই তথ্যটি কমবেশি সবারই জানা আছে। তার গদ্য লেখনির কথা বলুন অথবা পদ্য, কবিতা ইত্যাদির কথাই বলুননা কেন ,সেখানে একটি কামজ শরীরী উপস্থিতির জবর দস্তিমুলক উপস্থিতি লক্ষণীয়।
আফসোস , তিনি যখন দেশ থেকে বিতাড়িত হন , আমি তখন নিতান্তই শিশু। তসলিমাকে প্রেম নিবেদনের গোপন ইচ্ছা এখনও লালন করছি।
তাসলিমাকে পাঠ করা আর তরুনদের ঘন ঘন স্নান ঘরে গিয়ে সময় ক্ষেপনের মধ্যে একটি ইতিবাচক অনুষঙ্গ রয়েছে বলে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি ।
এখানে তসলিমার একটি " কামজ কাব্যের" নমুনা দেয়া গেল। উপভোগ করুন।
কাঁপন ১৭
তাসলিমা নাসরিন
শরীরের এই হাল, শরীরে গ্রীষ্মকাল,
স্নানের জল আছে? ও যুবক স্নানের জল আছে তো?
তোর একার জলে না হলে যুবকের দল কাছে তো?![]()
বুঝুন অবস্থা ! নাসরিন একাই একদল যুবকদের জল কামনা করছেন আক্ষরিক অর্থেই শীতল হতে। হা! নারী , হা! তাসলিমা!
মুরগী চোর বলেছেন:
শুধু পোলা মানুষ শরীর কাব্য লিখবে এইটা ঠিক না । মেয়েদের ও আগাইয়ায়া আসা উচিৎ । লেখক বলেছেন: মেয়েরাও এগিয়ে আসবে। অন্যমেয়েদের না আসলেও চলবে , তাসলিমা একাই এক লক্ষ
আরিফুর রহমান আরিফ বলেছেন:
তিনি কি এখন মুক্ত দেশে গিয়ে পতিতালয় খুলেছেন? নাকি যুবকদেরকে তিনি ডাকলেও তারা আর সাড়া দিচ্ছে না।
লেখক বলেছেন: ভাল বলেছেন ভাই
লেখক বলেছেন: ভাই আপনি যেহেতু যুবক , তাই কবিতার মর্ম অনুযায়ী একটা " টেরাই" দেবার অধিকার রাখেন।
একজন ব্লগার বলেছেন:
তসলিমার মত এত বড় MASH বিশ্ব ব্রমান্ডে আর দুইটা নাই!
প্রেমাস্পদ বেস্ট বলেছেন:
সত্যি ?
লংকার রাজা বলেছেন:
ব্যাপক কবিতা,তসলিমার আরও কবিতা চাই।
লেখক বলেছেন: চেষ্টা থাকবে
মুক্তকথা বলেছেন:
আরেকজনে কবিতা ছাইপা বিখ্যাত হইবার চান ক্যা? নিজে একখান কবিতা লেখেন না!!!!!!
লেখক বলেছেন: এটা সামান্য মুল্যায়নধর্মী লেখা । এভাবে বলছেন কেন?
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন:
তসলিমার অধিকার আছে লেখার! আপনার মত নপুংসক এর অধিকার হচ্ছে লেখার অপরাধে তাকে দেশ থেকে বের করে দেওয়া!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
ছিঃ ছিঃ........................
লেখক বলেছেন: দেখুন আমি পুকুরে, বিলে চড়ে বেড়ানো মর্দ হাসের মতই ঘোরতর সপুংশক। আমি তসলিমাকে দেশ থেকে বের করে দেই নি। ঐ সময়ে নিতান্তই শিশূ ছিলাম। তাসলিমাকে কেন বের করে দেয়া হয়েছে, একজন তাসলিমা অনুরাগি হিসেবে আপনার জানা রয়েছে বলেই আমি ধারনা করছি।
আর গালাগালি করা অপুষ্ট মানসিকতা ধারণ করেন কেন? একটু হাসুন!
মানুষ বলেছেন:
একজন বৃদ্ধা মহিলাকে নিয়ে টানা হ্যাঁচড়া কেন?
অচন্দ্রচেতন বলেছেন:
এ কবিতার অন্য ব্যাখ্যাও সম্ভব। এটি গণ-ধর্ষণের প্রতিবাদ হতে পারে। আর আক্ষরিক অর্থটিও যদি ধরে নেয়া হয়, আপনি বা আমি তাকে কেন হেয় করবো। ছোটবেলায় ইস্কুলে কোন প্রবন্ধে পড়েছিলাম - "তুমি অধ্ম হইলে আমি উত্তম হইবো না কেন?" এখানেও তাই প্রোযোজ্য। আর কবিতায় কবি যে একটি পরম সত্যকে প্রকাশ করেছেন, তাই বা কে বলল? এরকম শিশুসুলভ পোস্টের প্রতিবাদ প্রকাশ করছি।
প্রেমাস্পদ বেস্ট বলেছেন:
এটি গণধর্ষনের প্রতিবাদ মোটেও নয়। আপনি ঐ রকম ব্যাখ্যা করে একটি পবিত্র প্রলেপ দিলেও দিতে পারেন। কিন্তু সত্যানুষঙ্গপাবেনা।একজন খ্যাতিমান কবির কবিতার সাথে পাঠককে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়া যদি শিশুসুলভ পদবাচ্য দ্বারা ব্যাখ্যাত হয় তাহলে আমার মন্তব্য দেয়া উচিত হবেনা।
অচন্দ্রচেতন বলেছেন:
পবিত্র প্রলেপ দেয়ার চেষ্টা কেউ করছে না। আপনি বা আমি তসলিমার আর্ন্তযামী নই। আপনি কবিতাটিকে এক আঙ্গিক থেকে দেখছেন - আমি দেখছি ভিন্ন আঙ্গিক থেকে। আপনি প্রকাশ করেছেন আপনার মানসিকতা - আমার আমি করেছি আমার। Beauty lies in the eye of the beholder - পুরানো কথা। হতে পারে তসলিমা একজন নিম্ফোমেনিয়াক, তাতে আমার এত আনন্দিত হওয়ার কি আছে? আবার তিনি তা নাও হতে পারেন। তার লেখায় অনেক অতিকথন বা অতিরঞ্জণ (এক্স্যাজারেশন) থাকতে পারে এবং তাতে তার পূর্ণ অধিকার আছে। তসলিমা ধোওয়া তুলসিপাতা নন, আমরা কেউই নই। কিন্তু তা বলে এই মহিলাকে যতটা হেনস্থা হতে হয়েছে, তা আমাদের জন্য লজ্জাজনক। এতকথার পরেও আপনি হয়তো বলবেন - Let's agree to disagree। এইখানেই আমি আপনার সাথে একমত।
প্রেমাস্পদ বেস্ট বলেছেন:
জি ভিন্ন আঙ্গিকে দেখার সকল অধিকার আপনার রয়েছে।একটা পরিষ্কার প্রমানিত বিষয় নিয়ে আমরা কেন তর্ক করব? যাহোক কষ্ট করে পড়ে মন্তব্য করার জন্য আপনি ধন্যবাদার্হ্য---
শাহাব আহমেদ মামুন বলেছেন:
নস্ট জিনিস যত নারা যায় ততই গন্ধ ছড়ায়। অই একটা নর্দমার কিট এর এই সমস্ত বাজে কবিতা আর মানুষজনকে জানানোর দরকার নাই। আর এটা কোন প্রতিবাদ তা আমার জানা নাই। প্রতিবাদের আর কোন ভাষা নেই কি?এ রকম পতিতা মার্কা স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ হয় নাকি।
উনার ইচ্ছে হয়েছে যুবকের দলের জল দিয়ে গোসল করতে উনি তাই লিখেছেন।
সাজিদ শাহরিয়ার বলেছেন:
শুনেন ভাই, তসলিমা অতিমাত্রায় পুরুষবিদ্বেষি লেখেন, কিন্তু তাই বলে আমরা কি উনার নাগরিক অধিকারও দিব না? আমার-আপনার এদেশে ঘুরে বেড়ানোর অধিকার আছে, উনার নাই কেন?আর সাইদী যে ওয়াজে অশ্লীল নারীবিদ্বেষী কথাবারতা কয়, উনারে তো আরো আগে দেশ থেকে বের করে দেওয়া দরকার।
মুর্খ বলেছেন:
আসলে সমবন্টন বলে একটা কথা আছে ভাই, পুরুষ দের কাম থাকবে মেয়ে দের কাম থাকবেনা এইডা কোন কথা না। সবার সমান অধিকার আছে ভাই।সবার ই নিজের শরীর কে ঠান্ডা করতে হয় কেউ যায় নিশিদ্ধ স্থানে কেউ জায় স্নান ঘরে। এই হল কথা।আর আমাদের রক্ষনশিল সমাজ বলে মেয়ে রা কাউকে বলতে পারেনা কামের আগুন নেভানর কথা।
লাল মিয়া বলেছেন:
এই কবিতায় সমস্যা কী?
মনজুরুল হক বলেছেন:
নেখক বলছেন: 'আফসোস , তিনি যখন দেশ থেকে বিতাড়িত হন , আমি তখন নিতান্তই শিশু। তসলিমাকে প্রেম নিবেদনের গোপন ইচ্ছা এখনও লালন করছি।'ওই শিশু বয়সেই ওর কাপড় নষ্ট হইছে,অখন বুড়া বয়সে আইসা কিসমিস খাওনের সাধ !
এই কিছিমের মালেরা তসলিমা নাম শুনলেই মালপোয়ার গন্ধ পায়,আর ঘন ঘর বাথরুমে যায়।ধ্বজভঙ্গ হইতে কয়দিন বাকি ?
বিবর্ণ বলেছেন:
খুবই সারাধণ। সমস্যা কৈ... সুড়সুড়ি বুনাছ.....


















