পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে পড়ে থাকা মানুষ নামক
এই অতিব আজব প্রাণীগোষ্ঠীর
নিজেদের অতি বৈচিত্রময় মস্তকের ভেতর সেতু গড়ার
একমাত্র আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হলো ভোগান্তি
এসো প্রিয়তমা,আমার সাথে ভোগান্তির ভাষায় প্রেম করো
এসো মা , আমাকে ভোগান্তির মায়ায় ভরে তোলো
এসো বাপ , আমাকে ভোগান্তির দলিলে
করে তোল পৈতৃকভাবে ঐশ্বর্যময়
এসো বন্ধু , তোমার ভোগান্তি আমার ঘাড়ে চাপিয়ে
সমুদ্রতীরে কাঁদতে বসো হারানোর যন্ত্রণায়
এসো ভিনদেশী তারা, আমার দেশীয় অন্ধকারে নেমে
ছড়িয়ে দাও বহুজাতিক ছত্রাক
আর যেই কইজন মানুষ ভোগান্তি মুক্তির আকাশে সুর্য দেখে তাদেরকে অন্ধ করে দিয়ে
হাতে তুলে দাও সাদাছড়ি আর পাথুরে রাস্তায়
তাকে ফেলে দিয় বলো
মানুষের সব পথ যে এই পথে মিললো না সেটাই সমস্ত মানূষের ভোগান্তির নিয়তি
সেই মত আত্মনির্ভশীলতার আগাম ভোগান্তির আভাসে ফিলিস্তীনি কাটাঁতারের
আড়ালে আড়াল হয়ে যাওয়া আকশের ভেতর
কোকাকোলার শূন্য বোতল হাতে
একা বসে কান্দে আমাদের সমস্ত মরহুমের একক প্রেসিডেন্ট আবুল হোসেন বারাক ওবামা
কান্নার ফোঁটা গুলো ধরে রাখে কোকাকোলার বোতল,
তেলের গন্ধে ভরা সেই বোতল
আর আমরা যারা ভোগান্তির ভাষায় কথা বলি
পৃথিবীর সব প্রান্তের ভিড় ঠাসা পাবলিক বাসের
ঘামের শাওয়ারে
তখন ভোগান্তি শেষের মুক্তির স্টেশনে
বিনামুল্যে খোলা থাকা কোকাকোলার বুথ
আর সেই পিপাসায় আমরা পান করি ,
আহা সেই অমৃত !!!প্রেসিডেন্টের ভোগান্তির
কান্নায় ভরা কোকাকোলার বোতল
আর পুনরায় ভোগান্তির ভাষায় বলি
আহা !!!!!!!!! কি দারূন আমাদের ভোগান্তির নিয়তি
যে নিয়তির দ্বীর্ঘশাষে ঢং ঢং সং রুপে
নড়ে চলে গ্রীনিচ মানমন্দির

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



