প্রশ্ন হচ্ছে, সরকার আসলে কি চায়?
নেত্রীদের বিচার করা, শাস্তি দেয়াই কি তাদের উদ্দেশ্য? নাকি তাদের নির্বাসনে পাঠানো
এসবের সঙ্গে আওয়ামী লীগে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা এবং বিএনপিতে ভাঙন ধরানোর কাজে কিছু পরিমাণ সাফল্যের একটাই অর্থ করা যেতে পারেÑগণতন্ত্র বলতে বাংলাদেশের মানুষ এবং বিশ্ববাসী যা বোঝে এ সরকার তা চায় না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ড. কামাল হোসেন, ডা. বি চৌধুরী এবং ড. ফেরদৌস কোরেশীসহ বিভিন্ন ব্যক্তির নেতৃত্বে নতুন দল গড়ার ব্যর্থ সরকারি প্রচেষ্টা থেকেও তেমন একটা পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
তারা যেন পছন্দসই লোক দিয়ে একটা গৃহপালিত ‘গণতন্ত্র’ চালু করতে চায়।
সাংবিধানিক দায়িত্ব অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচন করার পরিবর্তে নির্বাচন কমিশন (নিজ উদ্যোগে কি?) মেট্রপলিটন পৌরসভাগুলোর নির্বাচন আগে অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সত্বর সাধারণ নির্বাচন করার ব্যাপারে অনাগ্রহের এটাও একটা প্রমাণ। সে নির্বাচন মার্চ মাস থেকে পিছিয়ে এপ্রিল মাসে নেয়া হয়েছে।
এপ্রিল মাসেও যে পৌরসভা নির্বাচন হবে কে বলতে পারে? কিন্তু কথা হচ্ছে, সে কারণে সাধারণ নির্বাচন কতো পেছাবে।
নতুন করে আবার নির্বাচনী সীমানা পুনর্বণ্টনের উদ্যোগ উঠেছে। সীমানা পুনর্বণ্টনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল ২০০১ সালের আদমশুমারির পর। ১৫ মাস পর সে চিন্তা এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাথায় এসেছে। বাংলাদেশের কেন, পৃথিবীর সব দেশেই সীমানা পুনর্বণ্টন নিয়ে বিতর্ক উঠতে পারে, তা নিয়ে মামলা-মোকদ্দমাও হয়। সেটি বাংলাদেশেও হতে পারে এবং বাংলাদেশে সেসব মামলা বছরের পর বছর গড়াতে পারে তা সবাই জানে। তেমন অবস্থার যদি সৃষ্টি হয় তাহলে নির্বাচন নামক ব্যাপারটার কি হবে? মামলাগুলো অমীমাংসিত রেখে নির্বাচন কি আদৌ সম্ভব হবে?
বিস্তারিত http://www.jaijaidin.com/details.php?nid=50603

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



