এরপরে আমরা রুয়েনভেলিসায়া ডোমের দিকে এগিয়ে গেলাম।
পথে একপাশে এইটা মনে হয় কোন প্রাসাদ বা দালানের অবশিষ্টাংশ (বৃ্ষ্টি হচ্ছিল তাই ছবি অন্ধকার এল)
এই মাঠেও অনেক গুলো বক ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল
যে দিকেই তাকাই মনে হয় এত সুন্দর! সব যদি ক্যামেরা দিয়ে ধরে রাখা যেত
এইটা হল ২৫০০ বছরের পুরাতন রুয়েনভেলিসায়া ডোম , দূর থেকে তোলা এই ছবি দেখে বোঝা যাচ্ছেনা এটা আসলে কত বড়
গাছের আড়াল থেকে রুয়েনভেলিসায়া ডোম , এটি উচ্চতায় প্রায় ৯২ মিটার এবং ব্যস ৮২ মিটার
এইখানে আসার পরে আমাদের চেকিং করা হয়
এই ছবি টা দেখে ডোমের সাইজ সম্পর্কে খানিকটা আইডিয়া করতে পারবেন
ডোমের চারপাশে বিভিন্ন রকম মূর্তি ছিল
ভিতরে প্রদীপ জেলে রাখা হয়, বৃষ্টির কারণে কয়েকটি কুকুরও ভিতরে আশ্রয় নিয়েছিল
ফেরার সময় আমার কলিগ এই বানর গুলো দেখে অনেক মজা পেল
এই কালো প্রস্তর খন্ডে পুরা ইতিহাস লেখা ছিল
।
ফেরার পথে দেখলাম একপাল ছাগল প্রবেশ করছে
পার্কিং এ দুজন ফেরিওয়ালা...
এরপর গাড়ীতে করে চারপাশটা একটু ঘুরলাম , প্রাচীন প্রাসাদ গুলোর এই রকম কিছু ধ্বংসাবশেষ চোখে পড়ল
এইটা আরও একটা প্রাচীন ডোম , তবে রুয়েনভেলিসায়ার মত এইটাকে সংস্কার করা হয় নাই।
এরপরে আমরা মিহিনতালের দিকে রওয়ানা হলাম...
মিহিনতালে পৌছে এরকম দৃশ্য নিজের চোখে দেখতে পাবো আগে তা কল্পনাও করিনাই
রাস্তার শেষ মাথায় কি আছে খুব দেখতে ইচ্ছে করছিল ,কিন্তু ...
আমাদের গন্তব্য ছিল পাহাড়ের উপরে উঠে এই ডোম দেখা
উঠার জন্য কোথাও সিড়ি ছিল আবার কোথাও পাহাড় কেটে খাজ তৈরী করা হয়েছে
ছবি তোলা তো দূরে থাক , ক্যামেড়া বহন করাও নিষিদ্ধ ছিল।
এরপরে এরকম অনেক লম্বা একটা সিড়ি বেয়ে উঠা শুরু করলাম
উঠার পথে মাঝে মাঝে ছোট ছোট দোকান ছিল
দোকান গুলোতে সুগন্ধি চন্দন কাঠ , পুতুল আরও অনেক কিছু পাওয়া যায়
এইটা দেখে মনে হল পানি সংরক্ষণের জন্য গর্ত করা হয়েছিল , অবশ্য প্রাকৃতিক ভাবেও হতে পারে
উঠার সময় আশে পাশে অনেক বানরও ছিল
এই ফলক গুলোতে প্রাচীন ইতিহাস লেখা ছিল
পাহাড়ের গায়েও খোদাই করে অনেক কিছু লেখা ছিল
পাহাড়ের উপরে এইটা মনে হয় কোন প্রাচীন দালানের ধ্বংসাবশেষ
উপর থেকে অনেক দূর পর্যন্ত দেখতে অনেক ভালো লাগছিল , কিন্তু বৃষ্টির কারণে ছবি অতটা পরিষ্কার আসেনাই
এরপরে নামার পালা
নীচে নেমে সিড়ির উপর একটা কোবরা দেখলাম, (জুম করে তোলা তাই হয়তো ভালো মত বোঝা যাচ্ছেনা)
এরপরে বাসায় ফেরার সময় বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে আমদের জন্য সিট বুকিং করে রাখলাম। বাসায় গিয়ে খেয়ে দেয়ে ৩.৩০ কলোম্বর জন্য বের হয়ে গেলাম
আসার পথে এই বাসে করে আসলাম
বাসের ভিতরের ছবি
যাওয়ার সময় যেই অংশটুকু অন্ধকার ছিল, আসার সময় ঐটুকু দেখতে দেখতে আসলাম । গভীর বনের ভিতর দিয়ে যাওয়ার সময় দুইপাশে ঘন গাছের পিছনে কিছুই দেখা যাচ্ছিলনা।
এক যায়গায় আবার সবুজ কার্পেটের মত মাঠের উপর অনেক গুলো মহিষ আর একপাশে লেকের মত জলাধার (অনেকটা দুধের কৌটায় দেখা নিউজিল্যান্ডের ডেইরী ফার্মের মত) দেখলাম।
৪টার সময় রওয়ানা দিয়ে ৯ টায় বাসায় পৌছলাম
আগের পর্ব
বৃষ্টি ভেজা দিনে আনুরাধাপুরা ভ্রমণ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



