পথে ক্ষণিক বিরতিতে আমাদের গাড়ী। সারাদিন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল।
২ ঘন্টা পরে পুত্তালাম পৌছে হোটেলে খেলাম। তবে ছবিতে যেগুলো দেখা যাচ্ছে ঐগুলো আমরা খাইনি। শ্রীলংকাতে হোটেলগুলোতে যাই অর্ডার দিন না কেন আপনার সামনে অনেক গুলো আইটেম রেখে লোভ দেখাবে। আমরা শুধু পরটা আর গরুর গোশত খেয়েছিলাম।
এরপরে আরও আড়াই ঘন্টা পরে আনুরাধাপুরা পৌছাই। পথে রাস্তার অনেকটুকু পুরাই অন্ধকার ছিল। কিছু অংশ আবার গহীন বনের মাঝ দিয়ে চলে গেছে। ড্রাইভার কুমারা জানালো , রাতের বেলা এই রাস্তায় হাতি নেমে আসে। তাছাড়াও চিতাবাঘও দেখা যায়। চিতাবাঘ খুব দেখতে ইচ্ছা হচ্ছিল কিন্তু শ খানেক কুকুর আর কিছু গরু বাছুর ছাড়া তেমন কিছু দেখতে পাইনি।
রাতে খেয়ে দেয়ে অনেকক্ষন গল্প করে ঘুমিয়ে গেলাম।
সকাল বেলা জামিল আংকেলের বাসার সামনে
এই দোলনায় চড়ে কিছুক্ষণের জন্য পিচ্চিকালে ফিরে গেলাম
নাস্তা খেয়ে বের হয়ে গেলাম। গন্তব্য ২৫০০ হাজারের বছরের পুরাতন রুয়েনভেলিসায়া ডোম
গাড়ী থেকে নামার সাথে সাথে এক লোক সুন্দর এই ফুল গুলো বিক্রি করতে নিয়ে এল
সকাল থেকে বৃ্ষ্টি হচ্ছিল। কখনও ভারী কখনও হালকা। জামিল স্যার আমদের সবার জন্য ছাতা এনেছিলেন।
বৃষ্টির মধ্যেই এক হাতে ছাতা আরেক হাতে আমার শখের মোবাইলটা দিয়ে অনেক ঝুকি নিয়ে ছবি তুলতে লাগলাম
প্রকৃতি দেখে মনে হচ্ছিল যেন সদ্য গোসলে করে এক যৌবনবতী সামনে দাড়িয়ে (একটু সাহিত্য মারলাম আর্কি )
এর মধ্যে কয়েকবার লেন্সে পানির ফোটা পড়ল
লাইন দিয়ে এই দোকান গুলোতে উৎসর্গ দেয়ার জন্য ফুল , ফল আরও অনেক কিছু পাওয়া যায়
কয়েকটা দোকানের ছবি ও তুলে ফেললাম
সারি বদ্ধ রঙিন দোকান গুলোকে দেখতে খুব ভালো লাগছিল
কেউ আবার ডেকে ডেকে বিক্রী করছিল
আমার ছবি তোলা দেখে মনে হয় ওরা মজা পাচ্ছিল
নীল, বেগুনী এই ফুল গুলো খুব সুন্দর
সামনে গিয়ে দেখলাম শুধু সবুজ আর সবুজ
এইখানে এসে জুতা খুলে রাখতে হলো
ঝোপের ভিতর থেকে হঠাৎ অনেক গুলো বক বেরিয়ে এল
সবুজ ঘাসে সাদা বক
বৃ্ষ্টির মধ্যেও অনেকেই এসেছেন উপাসনা করতে
এই গাছের ডালটি প্রায় ২৫০০ বছর আগে আশোকার কণ্যা সংগামিত্তা ভারত থেকে এনেছিলেন
এই ডালটি স্বর্ণের খুটির উপর রাখা হয়েছে
স্বর্ণের খুটিতে ভর দেয়া ডালটি কাছ থেকে দেখুন
এইখানে মনে হয় ইচ্ছা পূরনের জন্য কাপড় বেধে রাখা হয়
হামুদুনু (বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারক)
এইখানে নারিকেল ভাংগা হয়
দুই পাশে দেখুন কাপের মত... ঐখানে তেল ঢালা হয়...
গাছের গুড়িতে পয়সা রেখে উইশ করা (সাধারণত যুগল দের জন্য)
এক যুগলকে দেখা গেল পয়সা ঢুকাতে
এর পরে আমরা আমাদের আসল গন্তব্য সেই ২৫০০ বছরের পুরাতন রুয়েনভেলিসায়া ডোমের দিকে এগিয়ে গেলাম
রুয়েনভেলিসায়া ডোমের ছবি দেখতে হলে পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



