মানুষকে মুক্তি দিতে বিপ্লবী বামপন্থার উত্থান চাইঃ
পুঁজিবাদ-সাম্রাজ্যবাদের অবক্ষয়ের এ-যুগে মুৎসুদ্দী বুর্জোয়াদের
সকল প্রচেষ্টাই শেষ পর্যন্ত জনগণের জীবনে সীমাহীন দুর্ভোগ নামিয়ে আনবে এবং মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের পথেই নিয়ে যাবে। যে কারণে আজকের এ দুর্বিসহ পরিস্থিতি। ফলে অভিশপ্ত অতীত আর দুর্বিসহ বর্তমান থেকে জনগণের মুক্তির একটাই পথ। তাহল বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্বে বিপ্লবী বামপন্থী শক্তির
উত্থান। এ প্রয়োজন পূরণে একদিকে ওয়ার্কার্স পার্টির শক্তি-সামর্থ্য বৃদ্ধি, জনসম্পৃক্তি বৃদ্ধি এবং অপরাপর সকল বাম-প্রগতিশীল-দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে গণআন্দোলন বিকাশের পথে এগিয়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই ।
সরকার একদিকে মূল্যস্ফীতিকে অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে ঘোষণা করছে, অন্যদিকে জ্বালানি তেলের মূল্য অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি করে নতুন করে মূল্যস্ফীতি ঘটিয়েছে। এর ফলে জনগণের প্রকৃত আয় আরেক ধাপ কমে গেছে। সিংহভাগ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। নতুন করে বহু মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচে নেমে গেছে।
একদিকে এই মূল্যস্ফীতি আরেক দিকে জরুরি আইন মানুষের জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলেছে।
সরকারের কথিত মুক্তবাজার নীতির কারণে দ্রব্যমূল্যের পাগলা ঘোড়ার লাগাম বৃহৎ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের হাতে চলে গেছে। এই
লাগাম অবিলম্বে সরকারের হাতে নিতে হবে। তবেই দ্রব্যমূল্য সহনীয় মাত্রায় কমানো যেতে পারে। এজন্য খাদ্যদ্রব্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল পণ্যের ব্যবসা রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে পরিচালনার পাশাপাশি নিম্নআয়ের মানুষের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে। জরুরি আইন বহাল রেখে নির্বাচন অনুষ্ঠান সমর্থনযোগ্য নয়। এ প্রক্রিয়ায় সরকারের অভিসন্ধি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলেও জনগণের অবাধ ভোটাধিকার প্রয়োগ সম্ভব হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



