somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শেয়ার ব্যবসা - ৩: নিজেই তৈরী করুন নিজের পোর্টফলিও

১৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ আমি আলোচনা করব পোর্টফলিও ডিজাইন সম্পর্কে। তার আগে বলে রাখি 'পোর্টফলিও ডিজাইন' শেয়ার ব্যবসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার এবং তা ব্যাক্তি, বাজারের অবস্থা ও পুজির পরিমান ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। প্রফেসনালরা এই রকম ব্যাক্তিগত পোর্টফলিও ডিজাইন করার জন্য ৫,০০০-২০,০০০ টাকা পর্যন্ত চার্জ নিয়ে থাকে (অথচ আপনার একদম ফ্রি পেয়ে যাচ্ছেন :(( :(( )


তার আগে আসুন পোর্টফলিও ডিজাইনের প্রভাবকগুল নিয়ে বাতচিত করি :)। পুথিগত জ্ঞান আর ডিএসই -এর বাস্তব অভিগ্যতা মিশিয়ে ককটেল বানিয়ে পরিবেশন করলাম....আশা কেরি টেষ্ট খারাপ হবে না B-)

বিনিয়োগকারীর প্রাকার ভেদ - আমাদের শেয়ার বাজারে মোটাদাগে ৩ টাইপের বিনিয়োগকারীর আনাগোনা চোখে পড়ে

১। হুজুগে - এরা ভাই কঠিন চিজ :) হার্ডকোর রিস্ক টেকার। হয় ছক্কা নয় মক্কা অবস্থা। গুজবের পেছনেই ছুটেন তারা।

২। ধীরস্থির- এরা হল কপিবুক ক্রিকেটের টাইপ বিনিয়োগকারি। প্রচুর এনালাইসিস, তথ্য-উপাত্ত বিচার বিশ্লেষন করে বিনিয়োগ করেন। এরা গুজবের ধার ধারেন না, অনেকটা একলা চলরে টাইপ আর কি :)

৩। তৃতিয় টাইপ হল উপরের ২ টার মিশেল। এরা দুই জনের ক্রিয়াকর্ম দেখে বিনিয়োগ করেন। সার্ভাইবাল টাইপের মানুষ আর কি। আমি এদের বলি এডজাস্টিভ বা বাংলায় নমনিয় বিনিয়োগকারী :) :)

শেয়ারের ধরন - সাধারনত ৩ কেটাগরির শেয়ার আছে ডিএসই তে

১। স্টেবল - এগুলোর দাম খুব ধির গতিতে উঠা নামা করে। ধীর্ঘস্থায়ী বিনিয়োগের জন্য উতকৃষ্ট। লাভ সুনিশ্চিত ।ধীরস্থির টাইপের পাবলিকের বিশেষ পছন্দের শেয়ার (আমার ও :) )। ব্যাংক শেয়ারগুল এই কেটাগরিতে পরে।

২। মুভিং - এগুলোর দাম উঠা নামার গতি বাজারের গতির সমান্তরাল মানে বাজারের সাথেই উঠা নামা করে। ঠিরস্থির ও নমনিয় বিনিয়োগকারীদের বিশেষ প্রিয়। মাঝারি মানের লাভ দেয়। ধির্ঘ ও মধ্যমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত। যেমন- এসিআই, স্কয়ার, ...।

৩। ভোলাটাইল - দাম এই সপ্তাহে মগডালে ত আগামী সপ্তাহে মাটিতে :D হুজুগে পাবলিকের শেয়ার আরকি। হয় লাভ নয় লস মাঝামাঝি কিছু নাই আর যেটাই হবে ব্যপক আকারে হবে :) । ষেমন - জেড কেটাগরির শেয়ার।


বিনিয়োগের ধরন:

ধীর্ঘমেয়াদি - ১২ থেকে ১৮ বা ২৪ মাস মেয়াদি বিনিয়োগ। লস হবার কোন চান্সই নাই।

মধ্যমেয়াদি - ৬ থেকে ১২ মাস মেয়াদি বিনিয়োগ। লস হবার চান্স অত্যন্ত কম।

সল্পমেয়াদি - ২ সপ্তাহ থেকে ৩ মাস মেয়াদি বিনিয়োগ। লাভ-লস হবার চান্স ৫০-৫০।

এই বার নিজেকেই নিজে জাজ করুন আর নিগের স্টাইলটা ঠিক করুন। আমি এখানে জেনারেল একটা পোর্টফলিও ডিজাই করতে যাচ্ছি যা বছর শেষে ২০-৪০% পর্যন্ত লাভ দিতে সক্ষম-

বিবেচ্য বিষয়:

১। নূন্যতম ২ থেকে ৫ টা সেক্টরের শেয়ার কিনতে হবে। কারন বাজারে একেক সময় একেক সেক্টরের শেয়ারের ক্রেজ থাকে।
২। প্রতি সেক্টরেই ২-৪ টা কম্পানির শেয়ার কিনতে হবে।
৩। মোট শেয়ারের ৩০ % ধীর্ঘমেয়াদি, ৪০-৬০% ভাগ মধ্যমেয়াদি ও বাকিটা সল্পমেয়াদি বিনিয়োগ হতে হবে।
৪। মোট শেয়ারের ২৫ % স্টেবল, ৫৫-৭০% ভাগ মুভিং ও বাকিটা ভোলাটাইল শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হবে।

ডিজাইন:

ধরুন আপনাট মোট মূলধন ১,০০,০০০ টাকা। প্রথমেই এর ২০% আলাদা করে রাখুন। এই ২০,০০০ টাকা হল আপনার সিকিউরিটি মানি যা বিরাটাকারের লস মোকাবেলায় ব্যবহার করবেন এবং এটা সব সময়ই আপনার কাছে নগদ আকারে থাকবে।

এবার ঠিক করুন কয়টি সেক্টরে বিনিয়োগ করবেন (আমি হলে ৩ টা ঠিক করতাম, ধরুন - ব্যাংক, জ্বালানী ও টেক্সটাইল )। অর্থাৎ ১,০০,০০০ -২০,০০০ = ৮০,০০০/৩ = ২৬,৬৬৬ টাকা।

অর্থাত ব্যাংক সেক্টরের জন্য বরাদ্দ ২৬,৬৬৬ টাকা
এরার এর ৪০% (১০,০০০ টাকা ) - স্টেবল শেয়ার ক
এর ৪০% (১০,০০০ টাকা ) - মুভিং শেয়ার খ
এবং বাকিটা -> শেয়ার গ এর জন্য রাখুন

একই ভাবে জ্বালানী ও টেক্সটাইল খাতের শেয়ার মোট ৪ টা শেয়ার কিনুন (জ্বালানী -ক,খ ; টেক্সটাইল-ক,খ)

এখন আপনার হাতে শেয়ার গ এর জন্য ৬*৩ = ১৮,০০০ টাকা আছে যা মূল ধনের ২২% [(১৮,০০০/৮০,০০০)*১০০] কিন্তু আপনি ১০% টাকা ভোলাটাইল শেয়ার মানে ঝোপ বুঝে পোক মারার জন্য ব্যায় করবেন তাহলে গুজবের পেছনে ব্যয় করুন ৮,০০০ আর বাকিটা যে কোন একটা সেন্টরের স্টেবল বা মুভিং শেয়ারের পেছনে ব্যয় করুন (আমি হলে স্টেবল টাইপের কোন একটা কিনতাম)।

আশা করি স্ট্রেটেজিটা বুঝতে পেরেছেন। উপরে বর্নিত % গুল হল একটা গাইড লাইন কোন রুলস নয় এটা আপনি আপনার মত করে ঠিক করবেন। তবে এটা বড়যোড় ১০-১৫ ভাগ এদিক সেদিক করতে পারবেন ।

আজ আমি আলোচনা করব পোর্টফলিও ডিজাইন সম্পর্কে। তার আগে বলে রাখি 'পোর্টফলিও ডিজাইন' শেয়ার ব্যবসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার এবং তা ব্যাক্তি, বাজারের অবস্থা ও পুজির পরিমান ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। প্রফেসনালরা এই রকম ব্যাক্তিগত পোর্টফলিও ডিজাইন করার জন্য ৫,০০০-২০,০০০ টাকা পর্যন্ত চার্জ নিয়ে থাকে (অথচ আপনার একদম ফ্রি পেয়ে যাচ্ছেন :(( :(( )


তার আগে আসুন পোর্টফলিও ডিজাইনের প্রভাবকগুল নিয়ে বাতচিত করি :)। পুথিগত জ্ঞান আর ডিএসই -এর বাস্তব অভিগ্যতা মিশিয়ে ককটেল বানিয়ে পরিবেশন করলাম....আশা কেরি টেষ্ট খারাপ হবে না B-)

বিনিয়োগকারীর প্রাকার ভেদ - আমাদের শেয়ার বাজারে মোটাদাগে ৩ টাইপের বিনিয়োগকারীর আনাগোনা চোখে পড়ে

১। হুজুগে - এরা ভাই কঠিন চিজ :) হার্ডকোর রিস্ক টেকার। হয় ছক্কা নয় মক্কা অবস্থা। গুজবের পেছনেই ছুটেন তারা।

২। ধীরস্থির- এরা হল কপিবুক ক্রিকেটের টাইপ বিনিয়োগকারি। প্রচুর এনালাইসিস, তথ্য-উপাত্ত বিচার বিশ্লেষন করে বিনিয়োগ করেন। এরা গুজবের ধার ধারেন না, অনেকটা একলা চলরে টাইপ আর কি :)

৩। তৃতিয় টাইপ হল উপরের ২ টার মিশেল। এরা দুই জনের ক্রিয়াকর্ম দেখে বিনিয়োগ করেন। সার্ভাইবাল টাইপের মানুষ আর কি। আমি এদের বলি এডজাস্টিভ বা বাংলায় নমনিয় বিনিয়োগকারী :) :)

শেয়ারের ধরন - সাধারনত ৩ কেটাগরির শেয়ার আছে ডিএসই তে

১। স্টেবল - এগুলোর দাম খুব ধির গতিতে উঠা নামা করে। ধীর্ঘস্থায়ী বিনিয়োগের জন্য উতকৃষ্ট। লাভ সুনিশ্চিত ।ধীরস্থির টাইপের পাবলিকের বিশেষ পছন্দের শেয়ার (আমার ও :) )। ব্যাংক শেয়ারগুল এই কেটাগরিতে পরে।

২। মুভিং - এগুলোর দাম উঠা নামার গতি বাজারের গতির সমান্তরাল মানে বাজারের সাথেই উঠা নামা করে। ঠিরস্থির ও নমনিয় বিনিয়োগকারীদের বিশেষ প্রিয়। মাঝারি মানের লাভ দেয়। ধির্ঘ ও মধ্যমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত। যেমন- এসিআই, স্কয়ার, ...।

৩। ভোলাটাইল - দাম এই সপ্তাহে মগডালে ত আগামী সপ্তাহে মাটিতে :D হুজুগে পাবলিকের শেয়ার আরকি। হয় লাভ নয় লস মাঝামাঝি কিছু নাই আর যেটাই হবে ব্যপক আকারে হবে :) । ষেমন - জেড কেটাগরির শেয়ার।


বিনিয়োগের ধরন:

ধীর্ঘমেয়াদি - ১২ থেকে ১৮ বা ২৪ মাস মেয়াদি বিনিয়োগ। লস হবার কোন চান্সই নাই।

মধ্যমেয়াদি - ৬ থেকে ১২ মাস মেয়াদি বিনিয়োগ। লস হবার চান্স অত্যন্ত কম।

সল্পমেয়াদি - ২ সপ্তাহ থেকে ৩ মাস মেয়াদি বিনিয়োগ। লাভ-লস হবার চান্স ৫০-৫০।

এই বার নিজেকেই নিজে জাজ করুন আর নিগের স্টাইলটা ঠিক করুন। আমি এখানে জেনারেল একটা পোর্টফলিও ডিজাই করতে যাচ্ছি যা বছর শেষে ২০-৪০% পর্যন্ত লাভ দিতে সক্ষম-

বিবেচ্য বিষয়:

১। নূন্যতম ২ থেকে ৫ টা সেক্টরের শেয়ার কিনতে হবে। কারন বাজারে একেক সময় একেক সেক্টরের শেয়ারের ক্রেজ থাকে।
২। প্রতি সেক্টরেই ২-৪ টা কম্পানির শেয়ার কিনতে হবে।
৩। মোট শেয়ারের ৩০ % ধীর্ঘমেয়াদি, ৪০-৬০% ভাগ মধ্যমেয়াদি ও বাকিটা সল্পমেয়াদি বিনিয়োগ হতে হবে।
৪। মোট শেয়ারের ২৫ % স্টেবল, ৫৫-৭০% ভাগ মুভিং ও বাকিটা ভোলাটাইল শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হবে।

ডিজাইন:

ধরুন আপনাট মোট মূলধন ১,০০,০০০ টাকা। প্রথমেই এর ২০% আলাদা করে রাখুন। এই ২০,০০০ টাকা হল আপনার সিকিউরিটি মানি যা বিরাটাকারের লস মোকাবেলায় ব্যবহার করবেন এবং এটা সব সময়ই আপনার কাছে নগদ আকারে থাকবে।

এবার ঠিক করুন কয়টি সেক্টরে বিনিয়োগ করবেন (আমি হলে ৩ টা ঠিক করতাম, ধরুন - ব্যাংক, জ্বালানী ও টেক্সটাইল )। অর্থাৎ ১,০০,০০০ -২০,০০০ = ৮০,০০০/৩ = ২৬,৬৬৬ টাকা।

অর্থাত ব্যাংক সেক্টরের জন্য বরাদ্দ ২৬,৬৬৬ টাকা
এরার এর ৪০% (১০,০০০ টাকা ) - স্টেবল শেয়ার ক
এর ৪০% (১০,০০০ টাকা ) - মুভিং শেয়ার খ
এবং বাকিটা -> শেয়ার গ এর জন্য রাখুন

একই ভাবে জ্বালানী ও টেক্সটাইল খাতের শেয়ার মোট ৪ টা শেয়ার কিনুন (জ্বালানী -ক,খ ; টেক্সটাইল-ক,খ)

এখন আপনার হাতে শেয়ার গ এর জন্য ৬*৩ = ১৮,০০০ টাকা আছে যা মূল ধনের ২২% [(১৮,০০০/৮০,০০০)*১০০] কিন্তু আপনি ১০% টাকা ভোলাটাইল শেয়ার মানে ঝোপ বুঝে পোক মারার জন্য ব্যায় করবেন তাহলে গুজবের পেছনে ব্যয় করুন ৮,০০০ আর বাকিটা যে কোন একটা সেন্টরের স্টেবল বা মুভিং শেয়ারের পেছনে ব্যয় করুন (আমি হলে স্টেবল টাইপের কোন একটা কিনতাম)।

আশা করি স্ট্রেটেজিটা বুঝতে পেরেছেন। উপরে বর্নিত % গুল হল একটা গাইড লাইন কোন রুলস নয় এটা আপনি আপনার মত করে ঠিক করবেন। তবে এটা বড়যোড় ১০-১৫ ভাগ এদিক সেদিক করতে পারবেন ।

শেয়ার-বাজার বিষয়ক সব পোস্ট একত্রে পেতে ক্লিক করুন
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ১১:২৮
৩৩টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×