আজ আমি আলোচনা করব পোর্টফলিও ডিজাইন সম্পর্কে। তার আগে বলে রাখি 'পোর্টফলিও ডিজাইন' শেয়ার ব্যবসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার এবং তা ব্যাক্তি, বাজারের অবস্থা ও পুজির পরিমান ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। প্রফেসনালরা এই রকম ব্যাক্তিগত পোর্টফলিও ডিজাইন করার জন্য ৫,০০০-২০,০০০ টাকা পর্যন্ত চার্জ নিয়ে থাকে (অথচ আপনার একদম ফ্রি পেয়ে যাচ্ছেন
তার আগে আসুন পোর্টফলিও ডিজাইনের প্রভাবকগুল নিয়ে বাতচিত করি
বিনিয়োগকারীর প্রাকার ভেদ - আমাদের শেয়ার বাজারে মোটাদাগে ৩ টাইপের বিনিয়োগকারীর আনাগোনা চোখে পড়ে
১। হুজুগে - এরা ভাই কঠিন চিজ
২। ধীরস্থির- এরা হল কপিবুক ক্রিকেটের টাইপ বিনিয়োগকারি। প্রচুর এনালাইসিস, তথ্য-উপাত্ত বিচার বিশ্লেষন করে বিনিয়োগ করেন। এরা গুজবের ধার ধারেন না, অনেকটা একলা চলরে টাইপ আর কি
৩। তৃতিয় টাইপ হল উপরের ২ টার মিশেল। এরা দুই জনের ক্রিয়াকর্ম দেখে বিনিয়োগ করেন। সার্ভাইবাল টাইপের মানুষ আর কি। আমি এদের বলি এডজাস্টিভ বা বাংলায় নমনিয় বিনিয়োগকারী
শেয়ারের ধরন - সাধারনত ৩ কেটাগরির শেয়ার আছে ডিএসই তে
১। স্টেবল - এগুলোর দাম খুব ধির গতিতে উঠা নামা করে। ধীর্ঘস্থায়ী বিনিয়োগের জন্য উতকৃষ্ট। লাভ সুনিশ্চিত ।ধীরস্থির টাইপের পাবলিকের বিশেষ পছন্দের শেয়ার (আমার ও
২। মুভিং - এগুলোর দাম উঠা নামার গতি বাজারের গতির সমান্তরাল মানে বাজারের সাথেই উঠা নামা করে। ঠিরস্থির ও নমনিয় বিনিয়োগকারীদের বিশেষ প্রিয়। মাঝারি মানের লাভ দেয়। ধির্ঘ ও মধ্যমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত। যেমন- এসিআই, স্কয়ার, ...।
৩। ভোলাটাইল - দাম এই সপ্তাহে মগডালে ত আগামী সপ্তাহে মাটিতে
বিনিয়োগের ধরন:
ধীর্ঘমেয়াদি - ১২ থেকে ১৮ বা ২৪ মাস মেয়াদি বিনিয়োগ। লস হবার কোন চান্সই নাই।
মধ্যমেয়াদি - ৬ থেকে ১২ মাস মেয়াদি বিনিয়োগ। লস হবার চান্স অত্যন্ত কম।
সল্পমেয়াদি - ২ সপ্তাহ থেকে ৩ মাস মেয়াদি বিনিয়োগ। লাভ-লস হবার চান্স ৫০-৫০।
এই বার নিজেকেই নিজে জাজ করুন আর নিগের স্টাইলটা ঠিক করুন। আমি এখানে জেনারেল একটা পোর্টফলিও ডিজাই করতে যাচ্ছি যা বছর শেষে ২০-৪০% পর্যন্ত লাভ দিতে সক্ষম-
বিবেচ্য বিষয়:
১। নূন্যতম ২ থেকে ৫ টা সেক্টরের শেয়ার কিনতে হবে। কারন বাজারে একেক সময় একেক সেক্টরের শেয়ারের ক্রেজ থাকে।
২। প্রতি সেক্টরেই ২-৪ টা কম্পানির শেয়ার কিনতে হবে।
৩। মোট শেয়ারের ৩০ % ধীর্ঘমেয়াদি, ৪০-৬০% ভাগ মধ্যমেয়াদি ও বাকিটা সল্পমেয়াদি বিনিয়োগ হতে হবে।
৪। মোট শেয়ারের ২৫ % স্টেবল, ৫৫-৭০% ভাগ মুভিং ও বাকিটা ভোলাটাইল শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হবে।
ডিজাইন:
ধরুন আপনাট মোট মূলধন ১,০০,০০০ টাকা। প্রথমেই এর ২০% আলাদা করে রাখুন। এই ২০,০০০ টাকা হল আপনার সিকিউরিটি মানি যা বিরাটাকারের লস মোকাবেলায় ব্যবহার করবেন এবং এটা সব সময়ই আপনার কাছে নগদ আকারে থাকবে।
এবার ঠিক করুন কয়টি সেক্টরে বিনিয়োগ করবেন (আমি হলে ৩ টা ঠিক করতাম, ধরুন - ব্যাংক, জ্বালানী ও টেক্সটাইল )। অর্থাৎ ১,০০,০০০ -২০,০০০ = ৮০,০০০/৩ = ২৬,৬৬৬ টাকা।
অর্থাত ব্যাংক সেক্টরের জন্য বরাদ্দ ২৬,৬৬৬ টাকা
এরার এর ৪০% (১০,০০০ টাকা ) - স্টেবল শেয়ার ক
এর ৪০% (১০,০০০ টাকা ) - মুভিং শেয়ার খ
এবং বাকিটা -> শেয়ার গ এর জন্য রাখুন
একই ভাবে জ্বালানী ও টেক্সটাইল খাতের শেয়ার মোট ৪ টা শেয়ার কিনুন (জ্বালানী -ক,খ ; টেক্সটাইল-ক,খ)
এখন আপনার হাতে শেয়ার গ এর জন্য ৬*৩ = ১৮,০০০ টাকা আছে যা মূল ধনের ২২% [(১৮,০০০/৮০,০০০)*১০০] কিন্তু আপনি ১০% টাকা ভোলাটাইল শেয়ার মানে ঝোপ বুঝে পোক মারার জন্য ব্যায় করবেন তাহলে গুজবের পেছনে ব্যয় করুন ৮,০০০ আর বাকিটা যে কোন একটা সেন্টরের স্টেবল বা মুভিং শেয়ারের পেছনে ব্যয় করুন (আমি হলে স্টেবল টাইপের কোন একটা কিনতাম)।
আশা করি স্ট্রেটেজিটা বুঝতে পেরেছেন। উপরে বর্নিত % গুল হল একটা গাইড লাইন কোন রুলস নয় এটা আপনি আপনার মত করে ঠিক করবেন। তবে এটা বড়যোড় ১০-১৫ ভাগ এদিক সেদিক করতে পারবেন ।
আজ আমি আলোচনা করব পোর্টফলিও ডিজাইন সম্পর্কে। তার আগে বলে রাখি 'পোর্টফলিও ডিজাইন' শেয়ার ব্যবসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার এবং তা ব্যাক্তি, বাজারের অবস্থা ও পুজির পরিমান ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। প্রফেসনালরা এই রকম ব্যাক্তিগত পোর্টফলিও ডিজাইন করার জন্য ৫,০০০-২০,০০০ টাকা পর্যন্ত চার্জ নিয়ে থাকে (অথচ আপনার একদম ফ্রি পেয়ে যাচ্ছেন
তার আগে আসুন পোর্টফলিও ডিজাইনের প্রভাবকগুল নিয়ে বাতচিত করি
বিনিয়োগকারীর প্রাকার ভেদ - আমাদের শেয়ার বাজারে মোটাদাগে ৩ টাইপের বিনিয়োগকারীর আনাগোনা চোখে পড়ে
১। হুজুগে - এরা ভাই কঠিন চিজ
২। ধীরস্থির- এরা হল কপিবুক ক্রিকেটের টাইপ বিনিয়োগকারি। প্রচুর এনালাইসিস, তথ্য-উপাত্ত বিচার বিশ্লেষন করে বিনিয়োগ করেন। এরা গুজবের ধার ধারেন না, অনেকটা একলা চলরে টাইপ আর কি
৩। তৃতিয় টাইপ হল উপরের ২ টার মিশেল। এরা দুই জনের ক্রিয়াকর্ম দেখে বিনিয়োগ করেন। সার্ভাইবাল টাইপের মানুষ আর কি। আমি এদের বলি এডজাস্টিভ বা বাংলায় নমনিয় বিনিয়োগকারী
শেয়ারের ধরন - সাধারনত ৩ কেটাগরির শেয়ার আছে ডিএসই তে
১। স্টেবল - এগুলোর দাম খুব ধির গতিতে উঠা নামা করে। ধীর্ঘস্থায়ী বিনিয়োগের জন্য উতকৃষ্ট। লাভ সুনিশ্চিত ।ধীরস্থির টাইপের পাবলিকের বিশেষ পছন্দের শেয়ার (আমার ও
২। মুভিং - এগুলোর দাম উঠা নামার গতি বাজারের গতির সমান্তরাল মানে বাজারের সাথেই উঠা নামা করে। ঠিরস্থির ও নমনিয় বিনিয়োগকারীদের বিশেষ প্রিয়। মাঝারি মানের লাভ দেয়। ধির্ঘ ও মধ্যমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত। যেমন- এসিআই, স্কয়ার, ...।
৩। ভোলাটাইল - দাম এই সপ্তাহে মগডালে ত আগামী সপ্তাহে মাটিতে
বিনিয়োগের ধরন:
ধীর্ঘমেয়াদি - ১২ থেকে ১৮ বা ২৪ মাস মেয়াদি বিনিয়োগ। লস হবার কোন চান্সই নাই।
মধ্যমেয়াদি - ৬ থেকে ১২ মাস মেয়াদি বিনিয়োগ। লস হবার চান্স অত্যন্ত কম।
সল্পমেয়াদি - ২ সপ্তাহ থেকে ৩ মাস মেয়াদি বিনিয়োগ। লাভ-লস হবার চান্স ৫০-৫০।
এই বার নিজেকেই নিজে জাজ করুন আর নিগের স্টাইলটা ঠিক করুন। আমি এখানে জেনারেল একটা পোর্টফলিও ডিজাই করতে যাচ্ছি যা বছর শেষে ২০-৪০% পর্যন্ত লাভ দিতে সক্ষম-
বিবেচ্য বিষয়:
১। নূন্যতম ২ থেকে ৫ টা সেক্টরের শেয়ার কিনতে হবে। কারন বাজারে একেক সময় একেক সেক্টরের শেয়ারের ক্রেজ থাকে।
২। প্রতি সেক্টরেই ২-৪ টা কম্পানির শেয়ার কিনতে হবে।
৩। মোট শেয়ারের ৩০ % ধীর্ঘমেয়াদি, ৪০-৬০% ভাগ মধ্যমেয়াদি ও বাকিটা সল্পমেয়াদি বিনিয়োগ হতে হবে।
৪। মোট শেয়ারের ২৫ % স্টেবল, ৫৫-৭০% ভাগ মুভিং ও বাকিটা ভোলাটাইল শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হবে।
ডিজাইন:
ধরুন আপনাট মোট মূলধন ১,০০,০০০ টাকা। প্রথমেই এর ২০% আলাদা করে রাখুন। এই ২০,০০০ টাকা হল আপনার সিকিউরিটি মানি যা বিরাটাকারের লস মোকাবেলায় ব্যবহার করবেন এবং এটা সব সময়ই আপনার কাছে নগদ আকারে থাকবে।
এবার ঠিক করুন কয়টি সেক্টরে বিনিয়োগ করবেন (আমি হলে ৩ টা ঠিক করতাম, ধরুন - ব্যাংক, জ্বালানী ও টেক্সটাইল )। অর্থাৎ ১,০০,০০০ -২০,০০০ = ৮০,০০০/৩ = ২৬,৬৬৬ টাকা।
অর্থাত ব্যাংক সেক্টরের জন্য বরাদ্দ ২৬,৬৬৬ টাকা
এরার এর ৪০% (১০,০০০ টাকা ) - স্টেবল শেয়ার ক
এর ৪০% (১০,০০০ টাকা ) - মুভিং শেয়ার খ
এবং বাকিটা -> শেয়ার গ এর জন্য রাখুন
একই ভাবে জ্বালানী ও টেক্সটাইল খাতের শেয়ার মোট ৪ টা শেয়ার কিনুন (জ্বালানী -ক,খ ; টেক্সটাইল-ক,খ)
এখন আপনার হাতে শেয়ার গ এর জন্য ৬*৩ = ১৮,০০০ টাকা আছে যা মূল ধনের ২২% [(১৮,০০০/৮০,০০০)*১০০] কিন্তু আপনি ১০% টাকা ভোলাটাইল শেয়ার মানে ঝোপ বুঝে পোক মারার জন্য ব্যায় করবেন তাহলে গুজবের পেছনে ব্যয় করুন ৮,০০০ আর বাকিটা যে কোন একটা সেন্টরের স্টেবল বা মুভিং শেয়ারের পেছনে ব্যয় করুন (আমি হলে স্টেবল টাইপের কোন একটা কিনতাম)।
আশা করি স্ট্রেটেজিটা বুঝতে পেরেছেন। উপরে বর্নিত % গুল হল একটা গাইড লাইন কোন রুলস নয় এটা আপনি আপনার মত করে ঠিক করবেন। তবে এটা বড়যোড় ১০-১৫ ভাগ এদিক সেদিক করতে পারবেন ।
শেয়ার-বাজার বিষয়ক সব পোস্ট একত্রে পেতে ক্লিক করুন
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ১১:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



