আমার প্রিয় পোস্ট

যুদ্ধাপরাধী/মানবতা বিরোধী বিচার: আমরা কি পুরো সত্য প্রতিষ্ঠা করব না কি আংশিক?

০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:২৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

অবশেষে সরকার গঠনের প্রায় ১৪ মাস পর আওয়ামিলীগ শুরু করল বহুল কাঙ্খীত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। সরকার গঠনের পর পরই বিভিন্ন আওয়ামি এমপি-মন্ত্রীদের নিকট কমন প্রশ্ন ছিল 'কবে শুরু হবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার?'। সরকার বেশ ভাল ভাবেই অবগত ছিল যে, সর্বশেষ নির্বাচনী জয়ের অন্যতম প্রধান কারন এই বিচার সম্পর্কিত প্রতিশ্রুতি। তাই এই ব্যাপারে সরকারের 'ধীরে চল নীতি' কে আমি ব্যক্তিগত ভাবে তাদের সাবধানতা হিসেবেই নিয়েছিলাম। আর শেখ মুজীব হত্যা বিচারের রায় কার্যকর ও বিডিয়ার বিদ্রোহ ও এই শ্লথ গতীর পার্শ কারন। আর বিভিন্ন সময় সরকারও আনুসাঙ্গিক প্রস্তুতি, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জনমত গঠন ইত্যাদি কারন দেখিয়ে সময় চেয়েছে।

জনগন ও তাদেরকে সময় দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালত ও জাতিসংঘকে এর সাথে সম্পৃক্ত করার কথা বলা হয়েছে বিভিন্ন সমেয়ে। অবশেষে জাতিসংঘ নিশ্চিত করেছিল যে তারা শুধু প্রশিক্ষন, তথ্য আদান-প্রদান ইত্যাদি লজিস্টিক সাপোর্ট দেবে। ( ১৪ মাস পড় আমরা পেলাম নাম সর্বোস্য এক আইনজীবি পেনেল। ব্যাক্তিগত ভাবে যাদের নাম আমি আগে কখনও শুনিনি। আর প্রতিশ্রুত ট্রেইনিং এর ই বা কি খবর?)

শুরুতে সরকারের এই অনড় অবস্থান দেখে পাকিস্তানও কাউন্টার কুটনৈতিক তৎপড়তা শুরু করে, যা বিভিন্ন মন্ত্রী ও পত্রিকা মারফত আমরা জানতে পারি। অবস্থা এতটাই খারাপ হলে যে বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এ ব্যাপারে করনিয় নির্দেশনা চেয়েছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে। আবারও দৈনিক পত্রিকাগুল হতাশার খবর দিল- বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় না কি এ ব্যাপারে কোন নির্দেশনাই প্রদান করেনি।

সম্ভবত পাকিস্তানি কূটনীতির কাছে বাংলাদেশ হার মেনেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট ও আইন মন্ত্রী বলেছেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার বাংলাদেশের আভন্তরীন ব্যাপার। এর সাথে অন্য দেশের ইচ্ছা অনিচ্ছার কোন মূল্য নেই।

খালি চোখে উপরের মন্তব্য সত্য মনে হলেও এর মাধ্যমে তারা দায় এড়িয়েছেন এবং পরোক্ষ ভাবে হার স্বীকার করেছেন পাকিস্তানি কূটনীতির কাছে । পাকিস্তানীদের বিচারের বাইরে রেখে শুধু দেশীয় চেলাগুলর বিচার করে বাংলাদেশ একটি আন্তর্জাতিক ব্যপারকে আভ্যন্তরিন ব্যপারে পরিনত করল। এর মধ্যে আইন মন্ত্রী আমেরিকা ঘুরে এসে 'যুদ্ধাপরাধের বিচার' কে 'মানবতা বিরোধী বিচার' নামে পুনঃ নামকরন করেছেন। সরকার ঘোষিত প্রধান অভিযুক্তদের তালিকায় ও কোন পাকিস্তানি অভিযুক্তের নাম স্থান পায়নি।

মুজাহিদ- নিজামিরা যেমন চিন্হিত অপরাধী ঠিক তেমনি ভাবে চিন্হিত জে টিক্কা, রাও ফরমান আলী, জে ইয়াহিয়া ও নিয়াজী গং। অথচ সচেতন ভাবেই সরকার ও তাদের মন্ত্রী এমপিরা এবং এই ব্লগের রাজাকার বিরোধী সচেতন ব্লগারগন এই ব্যাপারটা এড়িয়ে যাছেন। এ যেন দেখেও না দেখার ভান করা।

৭১ এর গনহত্যা পৃথীবির ইতিহাসে জঘন্যতম হত্যা কান্ড হলেও গত ৩৮ বছরে আমরা এর আন্তর্জাতীক স্বিকৃতি আদায় করতে পারিনি /:) । ৭১ এ আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এখনও ইন্দো-পাক যুদ্ধ হিসেবেই আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় পরিচিত। এখন আমরা যদি ২০১০ -এ এই পাকি অফিসারগুলকে ছেড়ে দেই তবে আবারও আমরা ব্যার্থ হব পাকিস্তান কর্তিক সংঘঠিত ৭১ এর গনহত্যাকে আন্তর্জাতিক সমাজ ও মিডিয়ার কাছে তুলে ধরতে।

হয়ত টেকনিকাল অনেক জানা-অজানা কারনেই পাকি নরপশুগুলকে আদালতের সামনে উপস্থিত করে বিচার করা সম্ভব হবে না। এ ক্ষেত্রে অনেকে শিললা চুক্তির (http://en.wikipedia.org/wiki/Simla_Agreement) প্রতিবন্ধকতা খুজলেও আমি এর কোন ভিত্তি খুজে পাইনি। আর সেই পাকি ১৯৬ জন চিন্হিত অপরাধী আত্নসমর্পন করে ভারতের কাছে এবং ভুট্ট-ইন্দিরা স্বাক্ষরিত শিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে ভারত ও পাকিস্তানের মদ্ধে। সুতরাং ঐ চুক্তি মানতে বাংলাদেশ বাধ্য নয়।

যদি কোন কারনে তাদেরকে আদালতে আনা নাই যায় তবে তাদেরকে অনুপস্থিত রেখেই বিচার করা হোক। পৃথিবীর অন্যান যুদ্ধাপরাধ বিচারেও এই পথ অনুসরন করা হয়েছে। সুতরাং পাকিস্তানী নরপশুদের ছাড় দেয়ার কোন মানে নেই। আমরা চাই সম্পূর্ন ইতিহাসের প্রতিফলন ঘটুক এই মানবাতা বিরোধী/যুদ্ধাপরাধ বিচার কার্যে। গো আজম, নিজামি গং দের পাশাপাশি দন্ডিতের খাতায় নাম উঠুক ইয়াহিয়া, নিয়াজীর

যদি আমরা তা নিশচিত করতে ব্যার্থ হই তবে ভবিষ্যত প্রজন্ম কখনই আমাদের ক্ষমা করবে না। আসুন সম্পূর্ন সত্য উন্মচনে সচেষ্ট হই। দাবী জোড়দার করি গো আজম, নিজামি, ইয়াহিয়া, নিয়াজীর গংদের বিচারের।

যারা ভাবছেন আজ নিজামি-মুজাহিদের বিচার করে কাল ইয়াহিয়া, নিয়াজীর বিচার করবেন; তাদের কাছে গুটিকয় প্রশ্ন-

ঘোড়ার আগে গাড়ি ছোটানোর উদ্দেশ্য কি ?
মূল্য কালপিটদের ছেড়ে দিয়ে তাদের চেলাগুলর বিচার করে আমরা কোন মুখে সভ্য সমাজের সামনে দাড়াব?
এটাই কি আমাদের শৌর্য-বির্যের পরিচয়?
২০১০ এ এসে কি আমরা পাকিস্তানের কূটনীতির কাছে হেরে যাব ? আমরা কি আংশিক সত্য বিচারের মাধ্যমে প্রতিস্ঠা করব না কি সম্পূর্ন সত্য প্রতিস্ঠা করব ?

- আমি হতাশ নেট ওলট-পালট করেও সেই ১৯৫ জনের সবার নাম-ধাম পেলাম না। নাম সহ যে ছবিটা পেলাম তার প্রায় সবগুলই মরে ভূত। কিন্তু যদি ১৯৫ এর ১ টাও জীবিত থাকে আমি ঐ পশুটার বিচার চাই। তাই প্রতিকী অর্থে নিয়াজি-টিক্কাকে বেছে নিলাম।


সম্প্রতি করা এক মন্তব্যে পাকিস্তানী হাই কমিশনার বলেছেন যে, 'মনবতাবিরোধী বিচারে তার দেশের কোন আপত্তি নাই'। এই কথা শুনে আমাদের সরকারের কিছু মাথামোটা ক্লাউন আত্নপ্রস্বাদে নিজেরাই নিজেদের পিঠ চাপড়াচ্ছে। উল্লুকগুল যদি বুঝত যে এই মন্তব্যের মাধ্যমে পাকিস্তানী হাই কমিশনার বাংলাদেশের জমিনে দাড়িয়েই তাদের কূটনৈতিক বিজয়ের ঘোষনা দিল। পাকিস্তান আবার ও তার সেনাবাহীনির কলঙ্ককে মাটি চাপা দিতে হমর্থ হল এই ২০১০ এ এসেও। যেভাবে তারা ১৬৫-৯৫ জন কুলাঙ্গারকে বাচিয়েছিল ৭২-৭৪ এ।

অট: শিলমা চুক্তি দেখে আমার চোখ চরখ গাছ। সারা জীবন শুনে আসা কথার সাথে আসলের অমিল অকল্পনিয়। এতে কোথাও বলা হয়নি যে পাকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা যাবে না।

আপডেট : অবশেষে সেই ১৯৫ এর ক্ষমা ঘোষনাকরী চুক্তীর হদিস পেলাম Click This Link । এখন বুঝছি, সরকার অতীতের ব্যার্থতা ঢাকতেই পাকি ১৯৫ জনের নাম মুখে আনে না।
তথ্যসূত্র:

১। http://en.wikipedia.org/wiki/Simla_Agreement
২। Click This Link
৩। Click This Link

 

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মে, ২০১০ দুপুর ২:১৬

 

১. ০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪৯
সরল মানুষ বলেছেন: মূল্য কালপিটদের ছেড়ে দিয়ে তুলনামূলক ছোট পশুগুলর বিচার করে আমরা কোন মুখে সভ্য সমাজের সামনে দাড়াব?

:( :(
০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: পাকিস্তান তখন হয়ত ধম্ভিক্তি করবে, 'তোমরা যা বল, আসলে আমরা তা করিনি।'

আমরা কি সেই দিন দেখার জন্য তাদের সুযোগ করে দিচ্ছি না.....

২. ০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৪৩
অসময়ের আমি বলেছেন: ওরাকল ..আপনার এই পোস্টের সাথে আমার কোন বিরুদ্ধ মনোভাব নেই....আমি চাই আমার এই দেশের বুকে যারা শোষনের হাতিয়ার চালিয়েছে,চালায় ..আওয়ামী লীগ , বিএনপি সবার বিচার//
০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: আমরা যে দিন অহেতুক বা ক্ষিন স্বার্থে নির্লজ্জ দলবাজী বাদ দিয়ে সব অন্যায়-আন্তাচারের প্রতিবাদ/প্রতিবাদ করা শুরু করব সেদিনই আপনার ইচ্ছা পূরন শুরু হবে।

৩. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:০৮
এরশাদ বাদশা বলেছেন: অসময়ের আমি বলেছেন: ওরাকল ..আপনার এই পোস্টের সাথে আমার কোন বিরুদ্ধ মনোভাব নেই....আমি চাই আমার এই দেশের বুকে যারা শোষনের হাতিয়ার চালিয়েছে,চালায় ..আওয়ামী লীগ , বিএনপি সবার বিচার//
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: আমরা যে দিন অহেতুক বা ক্ষিন স্বার্থে নির্লজ্জ দলবাজী বাদ দিয়ে সব অন্যায়-আন্তাচারের প্রতিবাদ/প্রতিরোধ করা শুরু করব সেদিনই আপনার/আপনাদের (আমার ও) ইচ্ছা পূরন শুরু হবে।

৪. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:১৬
লালসালু বলেছেন: মূল্ কালপিটদের ছেড়ে দিয়ে তুলনামূলক ছোট পশুগুলর বিচার করে আমরা কোন মুখে সভ্য সমাজের সামনে দাড়াব?
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: আমার প্রশ্ন আমাকেই ফেরত দিচ্ছেন :)

৫. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৪৪
অসময়ের আমি বলেছেন: ছোট শুয়োর হোক আর বড় শুয়োর হোক..বিচার করতে শুয়োরদের..
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: বিচার হোক এর সাথে কোন আপস নাই। তবে ইচ্ছাকৃত ভাবে ধারি শুয়োরগোলকে ছাড়তে চাইনা। চেষ্টা করতে অন্তর্ত ক্ষতি কি ?


বিনা প্রশ্নে ছেড়ে দিলে পাকিস্তান কোন কালে হয়ত ধম্ভিক্তি করবে, 'তোমরা যা বল, আসলে আমরা তা করিনি।'

আমরা কি সেই দিন দেখার জন্য তাদের সুযোগ করে দেব.....

৬. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:১২
হায় ঈশ্বর! বলেছেন: হা একমত . এর জন্যে যদি সবাইকে মধ্যপ্রাচ থেকে চলে আসতে হয় তাতেও রাজি. পাকিস্তান যদি এতো বাধার মুখে পারমানবিক বোমা ফুটাতে পড়ে. তবে আমরাও সবার বিচার করতে পারবো.
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: শাবাস। সবাই আপনার মত ভাবলেই এটা সম্ভব।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: late is better than never

৮. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৩০
এ.জে. মিন্টু বলেছেন: যেইগুলা হাতের কাছে আছে সেইগুলারে দিয়া শুরু করতে সমস্যা দেখি না।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪১

লেখক বলেছেন: শুরু করতে কোন দোষ নাই তবে টার্গেটে ঐগুলাও হওয়া উচিত। দরকার হলে এদের অনুপস্থিতিতেই বিচার করা হোক। আমরা যেন আমাদের পরবর্তি প্রজন্মকে বলে যেতে পারি, 'আমরা সব পশুগুলর শাস্তি নিশ্বচিত করে ছিলাম'।

যেন বলতে না হয়, 'দেশীগুলর শাস্তি নিশ্বচিত করা গেলেও পাকি গুলকে আমরা বিনা চেলেন্জে ছেড়ে দিয়েছি'।

৯. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৩৮
রাহা বলেছেন: গো আজম, নিজামি গং দের পাশাপাশি দন্ডিতের খাতায় নাম উঠুক ইয়াহিয়া, নিয়াজীর।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪২

লেখক বলেছেন: নাম উঠুক......

১০. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪৮
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: যদি কোন কারনে তাদেরকে আদালতে আনা নাই যায় তবে তাদেরকে অনুপস্থিত রেখেই বিচার করা হোক। পৃথিবীর অন্যান যুদ্ধাপরাধ বিচারেও এই পথ অনুসরন করা হয়েছে। সুতরাং পাকিস্তানী নরপশুদের ছাড় দেয়ার কোন মানে নেই। আমরা চাই সম্পূর্ন ইতিহাসের প্রতিফলন ঘটুক এই মানবাতা বিরোধী/যুদ্ধাপরাধ বিচার কার্যে। গো আজম, নিজামি গং দের পাশাপাশি দন্ডিতের খাতায় নাম উঠুক ইয়াহিয়া, নিয়াজীর।


এইটাই মূল কথা। এর উপরে কথা নাই। সম্পূর্ণ সহমত।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:১৩
হায়রে দুনিয়া বলেছেন: Amir Abdullah Khan Niazi (Died 2 February 2004)

Abdul Hamid Khan (UNKNOWN)

Rao Farman Ali Khan (Died January 21, 2004)

Tikka Khan (Died 2002)

Khadim Hussain Raja (UNKNOWN)

Zulfikar Ali Bhutto (Died April 4, 1979)

Abdul Motaleb Malik (Died 1977)


এই হইল আপনার লিস্টের মাথাদের অবস্থা। বুঝতেছি না যে আপনি এদের কি বিচার দাবী করতেছেন।

৭১ এ যে লোকটা অন্তত লেঃকঃ ছিল পাকিস্তান আর্মির, তারও বেচে থাকার সম্ভাবনা কম। আর এই জেনারেল-ফেনারেল ত বাদই দিলাম।

মন্ত্রীসভায় যারা ছিল (প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয়) সবাইকে মোটামুটি মৃত ধরে নেয়া যায়।


বিচারটা করবেন কার? নাম নিছেন ওরাকল, বিচার চাওয়ার আগে এদের ড্যাটাবেস ভালভাবে চেক করবেন না?

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের হিটলারের একেবারে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সহযোগীরও বিচার করা হয়েছে এবং হচ্ছে। আমাদের পক্ষে যে সেটা সম্ভব না, এটা কি আপনাকে বুঝায় দিতে হবে?
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: জানি এরা মৃত তাই বলে এরা পার পেয়ে যেতে পারে না। অভিযুক্তদের তালিকায় এদের নাম উঠুক এবং বিচারিক আদালত তাদের বিচার থেকে অব্যাহতি দিক (মৃত এই কারনে) অথবা শাস্তি প্রদান করুক।

ঠিক যেমনটা করা হয়েছে হালের ইরাকি শাসক সাদ্দামের সহকারী কেমিকেল আলীর ক্ষেত্রে। ফাসি হয়ে যাওয়ার পর ও ৪ টি মামলায় তাকে ফাসির আদেশ দেয়া হয়।

সুতরাং মৃত এই কারনে কেউ পার পেতে পারে না। আর সেই ১৯৫ বা ১৬৫ (ওয়ার ক্রাইম ফেক্ট ফাইন্ডিং কমিটি) এর সবাই মৃত নয় তা নিশ্চিত। আর পাকিস্তান যে তাদেরকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে না তাও নিশ্বচিত। সুতরাং এদের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা করা ও তুলনা মূলক সহজ।

১৩. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৩৯
ওরাকল বলেছেন: @হায়রে দুনিয়া: আপনার দেয়া লিস্টেই ২ জন সম্ভবত বেচে আছে, বাংলাদেশ সরকার কি এটা ও নিশচিত করতে পারে না যে ঐ ১৬৫-৯৫ জনের মধ্যে কত জন জীবিত? আর আপনার কি মনে হয় শুধু গো আ, মিজামিকে বাচাবার জন্য পাকিস্তান এই বিচারের বিরোধীতা করছে ?

নিশচই না। তারা মূলত তাদের আর্মির কুৎসিত চেহারাটা লুকাবার জন্য আর মানব সভ্যতার জঘন্যতম নরহত্যার দায় এরাতে এবং আন্তর্জতিক মিডিয়ার চোখ থেকে বাচার জন্যই কাউন্টার কূটনৈতিক তৎপরতা চাকিয়ে যাচ্ছে।
১৪. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:৩৩
এস বাসার বলেছেন: আপনার পোস্টের সাথে একমত।

বিচার সবারি হওয়া উচিৎ ।

বর্তমান আইনজীবী প্যানেল নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: হুম

১৫. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:২৬
প্রিন্‌সেস ঢাকা বলেছেন: কেউ দেখলাম কইতাছেঃ গো আজম, নিজামি গং দের পাশাপাশি দন্ডিতের খাতায় নাম উঠুক ইয়াহিয়া, নিয়াজীর।

যান আপনারাত অনেক নীতিবান অনেক শক্তিশালী অনেক যোগ্য তো আপনেগ লাইগ্গা ইয়াহিয়া, নিয়াজীর। রাইক্খা দিলাম। আপনেরা বিচার কইরা বেডাগিরি দেহাইন জ্যা। সবাই আপনেগ বস মানমুনে।

তয় এই ঘরের শয়তানগুলির জন্য আমারই যথেষ্ট আপনাদে কষ্ট করতে হবে না। আফটার ওল আপনেরা বস অ-মানুষ রাজা রানী আর রাজপুত্র মাছি মাইরা হাত কালা করবেন ক্যা ? এগুলিরে দ্যাশের আম-পাবলিকের কাছেই ছাইড়া দেন।

মিয়ারা ফইজলামী করেন, না ? ইয়াহিয়া, নিয়াজীর বিচার করেন বলেন। বদমাইশির একটা সীমা থাকা উচিত। পাঠকরে যারা ঘোষক বানাইয়া বুকফুলাইয়া নিঃলজ্জ্বের মত আগে আগে টাইট হইয়া ফাঁকের মধ্যে বইয়া থাকেন তাদের কথায় এমন ফাউল যুক্তি আসবো তাইতো স্বভাবিক।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: আপনি যা বললেন তা কি খুবই যুক্তিযুক্ত ? আমার কাছে পুরা ফাউল মনে হইছে।


নাচতে যখন নেমেছেন তখন ঘোমটা দেয়ার মানে কি? আমাদের জন্য ইয়াহিয়া-নিয়াজি আর আপনাদের জন্য গো আ, নিজামি এই ভাগ বাটোয়ারা করার হেতু কি ?

বিচার যখন হচ্ছেই পুরো বিচার হোক আধা খেচরা বিচারের কোন মানে নেই।

১৬. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩০
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: ছাত্রীলীগের ব্যবসা কেমন চলতাছে প্রিন্সেস.......???

আপনি যেন কোন পোষ্টে আছেন........?? যাক ব্যবসার সাফল্য কামনা করি..........
:):)
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: তাই ত বলি :) এমন খোড়া যুক্তি এদের মাথা থেকেই বেরন সম্ভব।

১৭. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩৭
সরল বচন বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন। আসলেই শুধু প্রভাবক নিয়ে আমরা লাফালাফি করছি আর বিক্রিয়কের কথা ভুলে যাচ্ছি। আপনাকে প্লাস। কিন্তু এটা বুঝলাম না মাইনাস দুটি কে দিলো। সবাই তো আপনার পক্ষেই বলল। মাইনাস দিলে অবশ্যই কারণ উল্লেখ করা উচিত। আর একটা কথা বিরোধি দল কিন্তু এই বিষয়টা জনসম্মুখে নিয়ে আসতে পারে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: ব্লগে কিছু মস্তকহীন মাছি মারা কেরানি আছেন যাদের নিজস্ব বিচার বুদ্ধি বিবেক বলে কিছু নেই। কর্তার ইচ্ছায় কর্ম কারাই এদের দায়ীত্ব।


বিএনপির উচিত এই দাবি সামনে নিয়ে আসা।

১৮. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:১৩
তর্ষ বলেছেন: যতটুকু করলে আওয়ামীলীগ আবার ক্ষমতায় আসতে পারবে এবং দলের মানুষের স্বার্থ উদ্ধার হবে ততটুকু করবে।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: এই স্বার্থের রাজনীতি যে কবে বন্ধ হবে.........।

১৯. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৫৩
নষ্ট ছেলে বলেছেন: বিচার-টিচার কিচ্ছু না সবই আওয়ামী লীগের রাজনীতি।
তা নাহলে দীপু মনি কিভাবে বলে, আওয়ামী লীগে যুদ্ধাপরাধী রয়েছে—এমন মন্তব্য হাস্যকর

 

মোট সময় লেগেছে ০.১৫৩১ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
we decide our sorrows and happiness long before we experienced it
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ