গুগল কথন - ২ : ডাইনোসরের ছায়ায় স্পেসশীপ
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০৭
গুগলে কাজ শুরু করি ১৫ই মে। আগের পুরো সপ্তাহ গাড়ি চালিয়ে আমেরিকা মহাদেশের এপার থেকে ওপারে গিয়েছি, প্রায় ২৫০০ মাইলের পথ পাড়ি দিয়ে। প্রথম দিনে ওরিয়েন্টেশন, নির্দেশ ছিলো সকাল নয়টার সময় গুগলের বিল্ডিং ৪৩-এর লবিতে হাজির থাকার।
গুগলের ক্যাম্পাসে ঢুকতেই সামনে পড়লো প্রকান্ড এক ডাইনোসর। তাও আবার ডাইনোসরদের রাজা টিরানোসরাস রেক্স! বিশাল হা করে বিদঘুটে, ধারালো, তেকোণা দাঁতগুলো মেলে আছে, যেন এই ধরতে আসলো। গুগলের মূল ক্যাম্পাসের চারটি ভবন - বিল্ডিং ৪০, ৪১, ৪২, ও ৪৩ এর মাঝের মাঠে রাখা, ঠিক যেনো ঢুকে পড়া অনাহুত সবার পিলে চমকে দেয়ার জন্য স্থাপিত।
এই ডাইনোসরটির নাম স্ট্যান। ৬৫ মিলিয়ন বছরের পুরনো এই ডাইনোসরটি পাওয়া গিয়েছিলো সাউথ ডাকোটা স্টেইটের এক পাহাড়ে। গুগলে অবশ্য আসল ডাইনোসরের হাড়গোড় নেই, বরং আসলটার ব্রোঞ্জে তৈরী প্রতিমূর্তি রাখা আছে। কেনো গুগলে ঢোকার মুখে এটা রাখা, ওরিয়েন্টেশনে করা এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাইনি, তবে মনে হয় ঠাট্টার ছলে এটা রাখা। গুগলের এই অফিসগুলো আগে ছিলো সিলিকন ভ্যালিরই এক নামজাদা কোম্পানি, সিলিকন গ্রাফিক্সের। এক কালে চুটিয়ে ব্যবসা করা সিলিকন গ্রাফিক্স ডাইনোসরদের মতোই হঠাৎ বিলীন হয়ে যায়, ব্যবসায় লালবাতি জ্বেলে। জনশ্রুতি অনুসারে, রসিকতা করে সিলিকন গ্রাফিক্সের স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই ডাইনোসর এখানে স্থাপিত। গুগলের ইঞ্জিনিয়ারদের রসবোধের আরো প্রমাণ পেলাম, ডাইনোসরের গলায় গুগলের আইডিকার্ড ঝুলতে দেখে।
ডাইনোসর ডিঙিয়ে লবিতে গিয়ে এবছরে আসা ইন্টার্নদের সাথে পরিচয় হলো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন নামজাদা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও কানাডা, ইউরোপ, এমন কি অস্ট্রেলিয়া থেকেও অনেকে এসেছে। প্রায় ঘন্টা দুয়েকের কঠিন এক ফোন ইন্টারভিউ পেরুতে হয়েছে সবাইকে।
ওরিয়েন্টেশনের প্রাথমিক কথাবার্তা শেষে আমাদের নেয়া হলো গুগল ভবনের এক ট্যুরে। মূল ভবন বিল্ডিং ৪৩এর লবির পাশের দরজা পেরুতেই আবারো চমকে গেলাম, প্রমাণ আকারের একটা স্পেস শীপ ঝুলছে ৪ তলা ভবনের ছাদ থেকে। গাইড হিসাবে যিনি দেখাচ্ছিলেন, তিনি জানালেন, এটা স্পেসশীপ ওয়ান - দুনিয়ার প্রথম বেসরকারী মহাকাশযানের পূর্ণ সংস্করণ। বার্ট রুটানের নকশায় প্রণীত এই স্পেসশীপটি বছর দুয়েক আগে মহাকাশের দোরগোড়ায় পৌছানোর সুবাদে এক্স প্রাইজ জিতে নিয়েছিলো। গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেইজ এক্স প্রাইজ ফাউন্ডেশনের বোর্ড মেম্বার হওয়াতে স্পেসশীপ ওয়ানের এই পূর্ণ আকারের সংস্করণটি এখানে রাখা।
পাশেই প্রজেক্টরের মাধ্যমে দেয়ালে দেখানো হচ্ছে, দুনিয়ার বিভিন্ন স্থান হতে আসা গুগল সার্চের একটু অংশ। দ্রুত স্ক্রোল করে যাচ্ছে, ইংরেজি ছাড়াও চীনা, জাপানি, আরবি এরকম সব ভাষাতে কে কী সার্চ করছে এই মুহুর্তে, তা লাইভ দেখানো হচ্ছে। অবশ্য সবটা না, খুব অল্প অংশ। তার পাশেই একটা স্ক্রীনে দেখানো হচ্ছে একটা গ্লোব। ঘুরতে থাকা গ্লোবটাতে বিভিন্ন মহাদেশ হতে নানা বর্নের আলোকরশ্মি বেরিয়ে এসেছে, একেক ভাষার জন্য একেক রঙ। আর রশ্মি গুলো নির্দেশ করছে কোথা থেকে সার্চ আসছে। স্বভাবতই দুনিয়ার যেখানে যেখানে দিন, সেখান থেকে অনেক আলো বেরুচ্ছে। বাংলাদেশের এলাকা থেকে অল্প কিছু আলো বেরুতে দেখলাম, ইংরেজি ভাষার সার্চ নির্দেশ করা। অবশ্য তখন বাংলাদেশে গভীর রাত। আফ্রিকার পুরোটাই ঘন অন্ধকার।
গ্লোব আর প্রজেক্টরের এই দেয়ালের পাশেই রয়েছে মেং এর অ্যালবাম। মেং গুগলের একজন সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার। বড়বড় দাঁতে বিশাল এক হাসি দিয়ে বিখ্যাত লোকদের সাথে ছবি তোলাই তার শখ। গুগলে প্রায় প্রতিদিনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও দুনিয়ার বিভিন্ন দেশের নামজাদা সব লেখক, রাজনীতিবিদ, প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী - এরা আসেন। আর বিখ্যাত কেউ আসছে শুনলেই, ব্যস, মেং ছুটে যায় ক্যামেরা নিয়ে। ক্লিন্টন, কার্টার থেকে শুরু করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, এদের ছবি তো আছেই, রয়েছে অন্য অনেক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের ছবি। রয়েছে হিলারি ক্লিন্টন, থেকে শুরু করে মুহাম্মদ আলীর ছবি, নানা লেখক আর চিত্রতারকাদের ছবি, নোবেল জয়ী বিজ্ঞানী আর শান্তিকর্মীদের ছবি।
এতো সব ছবি যখন এক এক করে সবাই দেখে চলেছে, তখন আমি তাকিয়ে রয়েছি বিপুল গর্ব নিয়ে মেং এর অ্যালবামের এক প্রান্তে, যেখানে মেং এর সাথে শোভা পেয়েছে আমাদের ডঃ ইউনুসের ছবি।
(ছবিগুলোতে রয়েছে বিল্ডিং ৪৩ এর সামনের বাগানে স্ট্যান টি রেক্সের সাথে আমি ও আমার স্ত্রী জারিয়া। ভবনের ভেতরের ছবি তোলা মানা বলে স্পেসশীপ ওয়ানের ছবি তোলা হয়নি।)
[চলবে]
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গুগল, গুগল, গুগল গুগল, গুগল গুগল গুগল গুগল, গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল, গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল গুগল ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি, আমার দিনকাল বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শাহেদুর রহমান বলেছেন:
আগের লেখাটার মতই ভালো লাগলো, শীঘ্রই আরো লেখা আশা করছি।
সাইফুর বলেছেন:
ভালো লাগলো...রাগিব ভাই চালিয়ে যান...আপনার থেকে ভবিষ্যতে এরকম আরো লেখা আশা করছি..ধন্যবাদ
স্বপ্নশিকারী বলেছেন:
খুবি ইনফোরমেটিভ , জোস হইসে
মানবী বলেছেন:
তিন মাসের জন্য ইন্টারর্ণশীপ করে গুগল সম্পর্কে এমন চমৎকার লেখা দেবার জন্য ধন্যবাদ রাগিব। ভারতীয়দের মতো হাজার হাজার না হলেও প্রচুর বাংলাদেশী মাইক্রোসফ্ট, ইয়াহু, গুগল সহ ইন্টেল, এ.টি এন্ড টি/ সিঙ্গুলার, ভেরাইজন, এ্যামাজনের মতো প্রতিষ্ঠানে সন্মানজনক পদে কাজ করছেন, তাঁরা তাঁদের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু শেয়ার করলে হয়তো অনেকের উপকার হতো।
কালপুরুষ বলেছেন:
অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে লেখাটা পড়লাম। আপনার দেখা, জানা ও অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা এক অনন্য সুন্দর বর্ণনার মাধ্যমে বিচিত্র সব অনুভূতির কথা জানতে পারলাম। ধন্যবাদ রাগিব। আপনার প্রয়াশ ও প্রচেষ্টা সফল হোক। আপনার এই অভিজ্ঞতার কথা কারো জীবনে প্রেরণার উত্স হয়ে থাকবে।
কৌশিক আহমেদ বলেছেন:
শোকেসড এবং কপিসত্ব চাই প্রকাশের জন্য।
রাগিব বলেছেন:
ধন্যবাদ, আপনাদের মন্তব্যের জন্য।@মানবী - গুগলে কম থাকলেও মাইক্রোসফটে বাংলাদেশী প্রচুর রয়েছে। ইয়াহুতে অল্প। কিন্তু আপনার মূল কথাটা ঠিক, প্রচুর বাংলাদেশী সিলিকন ভ্যালিতে আছেন। ওখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বুয়েটীয় ইঞ্জিনিয়ারদের বিশাল বাহিনী দেখেছি।
@কালপুরুষ - ধন্যবাদ। এখন রিসার্চের চাপ বেশি, তার পরেও গুগলের অসাধারণ জগৎটার কথা তুলে ধরার যথাসাধ্য চেষ্টা করবো প্রতিদিন একবার পোস্ট দেয়ার মাধ্যমে।
রাগিব বলেছেন:
@কৌশিক - কোথায় ছাপবেন ভাই? আরো কয়েক পর্ব বেরুতে দিন ... অন্তত গোটা আটেক পর্ব হবে বলে আশা করছি।

ডঃ ইউনুসের কথা পড়ে গর্বে বুক ভরে গেল আমারও
কৌশিক আহমেদ বলেছেন:
রাগিব, পুরোটাই থাকবে। ব্লগ নিয়ে আমাদের দ্বিতীয় বইতে।
মানবী বলেছেন:
রাগিব, যে কটি প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করেছি প্রতিটিতেই আমার পরিবার, আত্মীয় না হলে ঘনিষ্ঠ বন্ধু বান্ধব কাজ করছেন। তবে তাঁরা কেউ সাহোয়্যার ব্যবহার করেন বলে জানা নেই, কিছু শেয়ার করলে হয়তো অনেকেই উপকৃত হতেন।যেমন, মাইক্রোসফ্ট সরাসরি বুয়েট থেকে মেধাবী ছাত্র হায়ার করেছে, ইউরোপ থেকে প্রচুর ভারতীয় এ্যপ্লাই করে এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ পেয়েছে। আমার পরিচিত একটি ভারতীয় মেয়ে কিছুদিন আগে জার্মানী থেকে সরাসরি চাকুরী নিয়ে সিঙ্গুলারে জয়েন করেছে। আমাদের দেশীরাও চেষ্টা করলে পারবেন আশা করি।
সুন্দর লেখার জন্য আবারো ধন্যবাদ।
রাগিব বলেছেন:
@কৌশিক, ঠিক আছে, সবটা লিখে নেই, তার পরে দ্যাখেন, কেমন লাগে। @জ্বিনের বাদশা - আসলেই। ওখানে ইউনুসের ছবি থাকবে, আমি জানতাম না, হঠাৎ দেখে চমকিত, এবং আনন্দিত হয়েছিলাম ঐদিনে।
জুবেরী বলেছেন:
আমরা যারা সময়টা পার করে এসেছি তাদের জন্য নয় বরং যারা ভবিষ্যতের তাদের জন্য দারুন উদ্দীপক আপনার লেখা।
রাগিব বলেছেন:
@মানবী - আসলে, আমার মনে হয়েছে, এসব প্রথম সারির প্রতিষ্ঠানে বরং বাংলাদেশী কমই আছে - যোগ্যতা অনুসারে আরো বেশি থাকা উচিৎ ছিলো। গুগলে আমার অফিসের প্রায় চার ভাগের তিনভাগ ইঞ্জিনিয়ার ছিলো ভারতীয়। তাদের চেয়ে বাংলাদেশী প্রকৌশলীরা মানের দিক থেকে মোটেও কম নয়, তিন মাসে অন্তত এটা বুঝেছি।এখন আস্তে আস্তে এসব কোম্পানী সরাসরি বাংলাদেশ থেকে লোক নিচ্ছে, এটা ভালো হচ্ছে। গুগলে আগামী বছর বুয়েটের একটা ছেলে আসার কথা। মাইক্রোসফটে আমার প্রাক্তন ছাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সরাসরি যোগ দিয়েছে মাস কয়েক হলো।
বকলম বলেছেন:
পর্বগুলো গোগ্রাসে গিলছি...
যেন রোমহর্ষক কোন গল্পের বই পড়ছি। না হয় 'মাসুদ রানা'র মতো রোমাঞ্চকর গল্প - এক নিমিষেই শেষ হয়ে যায়। একটুকুও ক্লান্তি লাগে না। মনে হয় এত ছোট কেন। তিনমাস যদি গুগলে আমি শুধু বেড়ানোর জন্য যেতাম তাহলেও এত সুন্দর লিখতে পারতাম না। আমাদের অফিসে লেখালেখিতে দক্ষতা বাড়ানোর জন্য দু'দিনের একটি প্রশিক্ষণ হচ্ছে। বেশিরভাগ অফিসকর্মী সেখানে প্রশিক্ষণরত, আমরা কয়েকজন ছাড়া যারা আইটি নিয়ে কাজ করি। আমার নিজের লেখার হাত নেই। শেখারও কোন ইচ্ছা নেই। কিন্তু ভাই আপনি দেখালেন, দু'টোই একসাথে চলতে পারে। সত্যিই প্রশংসনীয়।
ত্রিভুজ বলেছেন:
গল্পের বইও এত মনোযোগ দিয়ে পড়ি না...। 
মজা পেলাম পড়ে....
রাগিব ভাই গুগল পরিচিতি শেষ করে একটু টেকনিক্যাল কিছু পোষ্টও দিয়েন.... আমি অধীর আগ্রহে বইসা আছি

ত্রিভুজ বলেছেন:
বাই দ্য ওয়ে... মেং এর সাথে আমাদের ডঃ ইউনুসের ছবি খুঁজতে মেং এর পিকাসাতে গেলাম... 
৫++
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
i like your lucid way of expressing the little details.
আমি কে বলেছেন:
৫
তানভীর বলেছেন:
ভালো হচ্ছে...পড়ছি...৫
রাগিব বলেছেন:
ধন্যবাদ সবাইকে। আমি মিস্তিরি মানুষ, চেষ্টা করছি যান্ত্রিক কথা বার্তা কম লিখে গুগলের অন্য দিকটা তুলে ধরার। এই লেখা পড়ে গুগলের অসাধারণ পরিবেশের কিছুটাও আপনাদের সামনে ফুটিয়ে তুলতে পারি, সেটাই আমার এই লেখাটার সার্থকতা। ধন্যবাদ।
নুর3ডিইডি বলেছেন:
রাগিব ভাই পড়ে খুব ভালো লাগলো, আরো জানার অপেক্ষায় রইলাম।তবে ভাই গুগলের কথা বললেই, আমার গুগলআর্থ এর কথা মনেপড়ে। গুগল আর্থে এখনও আমাদের ফেনী জেলা দেখা যায়না।
রাগিব ভাই আপনার কোন বন্ধু গুগলআর্থে আছে , তার সাথে দয়াকরে এই ব্যপারে আলাপ করুন না।
নেই মানুষ বলেছেন:
c++
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন:
পরের পর্ব কবে দিবেন ?
রাগিব বলেছেন:
লিখে রেখেছি, কিন্তু একটু মাজা ঘষা করে পোস্ট করবো, কাজের চাপে সেটাই করা হচ্ছেনা। ব্লগে ইদানিং আবার কঠিন অবস্থা চলছে দেখছি, সবাই প্রচন্ড সিরিয়াস ... এই সিরিয়াস অবস্থা কমলে পোস্ট দিবো।
রাশেদ বলেছেন:
জটিল হইতেছে রাগিব ভাই।
কোমল রেখাব বলেছেন:
টি রেক্স ডাইনোসরের রাজা এইটা এখন পরযন্ত কেউ বলতে পারেনাই। আপনার আবিস্কারের কথা শুইনা ভালা লাগল।
শামীম আহেমদ বলেছেন:
ভাই, আপনি বাংলা এতো ভালো লিখেন এবং বাংলার জন্য এতো ভালোবাসা থাকার পরও আপনার নিজের সাইটে বাংলা নেই কেন ?
রাগিব বলেছেন:
কি আর করবো শামীম ভাই, বাংলা উইকিপিডিয়াতে এতো বেশি সময় দিয়েছি যে নিজের ওয়েবসাইট বহুকাল হালনাগাদ করারই সময় পাই না। বাংলা ও ইংরেজি উইকিপিডিয়া হতে কিছুদিন ছুটি নিলে অবশ্যই ঐ কাজ করা হবে।
রাগিব ভাই, আমি আপনার এই ছাএর এক বন্ধু ..। ভাল থাকুন।
রাগিব বলেছেন:
@কৈলাশ - ধন্যবাদ। প্রতীক খুব ভালো ছেলে, ওকে যখন প্রথম সি শেখাই, তখনই বুঝেছিলাম, ও খুব ভালো প্রোগ্রামার হবে।
তারিফএজাজ বলেছেন:
বললেই হল, আপনি অনেক দিন ধরে ইংরেজি উইকিতে সময় দিতে পারছেন না, উইকি থেকে আপনার ছুটি হবে না
স্বাধীন বাংলা বলেছেন:
৫+
প্লেবয় বলেছেন:
পদধুলি চাই বস।
shapnobilash_cu বলেছেন:
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আশা করি একদিন মেংয়ের এলবামে রাগিবের ছবিও থাকবে
ডঃ ইউনুসের কথা পড়ে গর্বে বুক ভরে গেল আমারও আর এই ইউনুসকে আমরা তেজপাতা বানিয়ে ছাড়লাম । আফসোস!!!! রাগিব ভাইয়ের উত্তোরোত্তর সফলতা কামনা করছি।
শায়েরী বলেছেন:
Valo lagchy
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















ভাল লাগছে পড়তে... চলুক...

