আমার প্রিয় পোস্ট

জাদুনগরের কড়চা

বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী

০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:১১

শেয়ারঃ
0 27 1

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ বাংলার ইতিহাসে এক স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায়। এই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী এবং তার স্থানীয় দোসর আল-বদর, রাজাকারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন বাংলার আপামর জনসাধারণ। মুক্তিযুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য ৭ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্বের খেতাব - বীর শ্রেষ্ঠ উপাধি প্রদান করা হয়।

বীর বাঙালির স্মরণীয় এই মার্চ মাসে বাংলা উইকিপিডিয়া হতে মুক্তিযোদ্ধা ও বীর শ্রেষ্ঠদের জীবনী তুলে ধরার প্রয়াস নিচ্ছি। জীবনী নিবন্ধ সমূহ বাংলা উইকিপিডিয়ার কর্মীরা বিভিন্ন তথ্যসূত্র ঘেঁটে সংকলন করেছেন।



-------------------

বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান



বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান (২৯শে অক্টোবর, ১৯৪১—২০শে আগস্ট, ১৯৭১) একজন বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত হন। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে সর্বোচ্চ সম্মান বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করা হয় ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান তাদের মধ্যে অন্যতম।

১ জীবনী

মতিউর ১৯৪১ সালের ২৯শে অক্টোবর পুরান ঢাকার ১০৯ আগা সাদেক রোডের পৈত্রিক বাড়ি "মোবারক লজ"-এ জন্মগ্রহণ করেন। ৯ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে মতিউর ৬ষ্ঠ। তাঁর বাবা মৌলভী আবদুস সামাদ, মা সৈয়দা মোবারকুন্নেসা খাতুন।

ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ষষ্ঠ শ্রেনী পাস করার পর সারগোদায় পাকিস্তান বিমান বাহিনী পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন। ডিস্টিংকসহ মেট্রিক পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯৬১ সালে বিমান বাহিনীতে যোগ দেন।
১৯৬৩ সালের জুন মাসে রিসালপুর পি,এ,এফ কলেজ থেকে কমিশন লাভ করেন এবং জেনারেল ডিউটি পাইলট হিসাবে নিযুক্ত হন। এরপর করাচির মৌরীপুরে জেট কনভার্সন কোর্স সমাপ্তি করে পেশোয়ারে গিয়ে জেটপাইলট হন। ১৯৬৫তে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় ফ্লাইং অফিসার অবস্থায় কর্মরত ছিলেন। এরপর মিগ কনভার্সন কোর্সের জন্য পুনরায় সারগোদায় যান। সেখানে ১৯৬৭ সালের ২১ জুলাই তারিখে একটি মিগ-১৯ বিমান চালানোর সময় আকাশে সেটা হঠাৎ বিকল হয়ে গেলে দক্ষতার সাথে প্যারাসুট যোগে মাটিতে অবতরণ করেন। ১৯৬৭ সালে তিনি ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে পদোন্নতি লাভ করেন। ইরানের রানী ফারাহ দিবার সম্মানে পেশোয়ারে অনুষ্ঠিত বিমান মহড়ায় তিনি ছিলেন একমাত্র বাঙালি পাইলট। রিসালপুরে দু'বছর ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর হিসাবে কাজ করার পর ১৯৭০ এ বদলি হয়ে আসেন জেট ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর হয়ে।১৯৭১ এর ফেব্রুয়ারী মাসে ঢাকায় ছুটিতে আসেন।

২ যেভাবে শহীদ হলেন

২৫ মার্চের ঘটনায় তিনি অত্যন্ত মর্মাহত হন। পরে তিনি দৌলতকান্দিতে জনসভা করেন এবং বিরাট মিছিল নিয়ে ভৈরব বাজারে যান। পাক-সৈন্যরা ভৈরব আক্রমণ করলে বেঙ্গল রেজিমেন্টে ই,পি,আর-এর সঙ্গে থেকে প্রতিরোধ বুহ্য তৈরি করেন। এর পরই কর্মস্থলে ফিরে গিয়ে জঙ্গি বিমান দখল এবং সেটা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। ২০ই আগস্ট সকালে করাচির মৌরিপুর বিমান ঘাঁটিতে তারই এক ছাত্র রশীদ মিনহাজের কাছ থেকে একটি জঙ্গি বিমান ছিনতাই করেন। কিন্তু রাশেদ এ ঘটনা কন্ট্রোল টাওয়ারে জানিয়ে দিলে, অপর চারটি জঙ্গি বিমান মতিউরের বিমানকে ধাওয়া করে। এ সময় রশিদের সাথে মতিউরের ধ্বস্তাধস্তি চলতে থাকে এবং এক পর্যায়ে রশিদ ইজেক্ট সুইচ চাপলে মতিউর বিমান থেকে ছিটকে পরেন এবং বিমান উড্ডয়নের উচ্চতা কম থাকায় রাশেদ সহ বিমানটি ভারতীয় সীমান্ত থেকে মাত্র ৩৫ মাইল দূরে থাট্টা এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। মতিউরের সাথে প্যারাসুট না থাকাতে তিনি নিহত হন। তাঁর মৃতদেহ ঘটনাস্থল হতে প্রায় আধ মাইল দূরে পাওয়া যায়। রশিদ মিনহাজকে পাকিস্তান সরকার সম্মানসূচক খেতাব দান করে এবং মতিউরকে করাচির মাসর"র বেসের চতুর্থ শ্রেনীর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্ত্রী মিলি রহমান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন, ফ্লাইট ল্যাফটেনেন্ট মতিউর রহমান শহীদ হবার সময় পশ্চিম পাকিস্তানে ছিলেন। পাকিস্তানিরা তাঁকে এক অন্ধকার কক্ষে তাঁর শিশু বাচ্চা ও কাজের পরিচারিকাসহ দীর্ঘদিন বন্দী করে রাখে ও অত্যাচার করে। মুক্তি পাবার পর তিনি বাংলাদেশে ফিরে এসে মুক্তিযুদ্ধের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

২০০৬ সালের ২৩ জুন মতিউর রহমানের দেহাবশেষ পাকিস্তান হতে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তাঁকে পূর্ণ মর্যাদায় ২৫শে জুন শহীদ বুদ্ধিজীবী গোরস্থানে পুনরায় দাফন করা হয়।


-------------------

বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমান

মোহাম্মদ হামিদুর রহমান (ফেব্রুয়ারি ২, ১৯৫৩- অক্টোবর ২৮, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। মাত্র ১৮ বছর বয়সে শহীদ হওয়া হামিদুর রহমান সাত জন বীর শ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্ত শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।


১ সংক্ষিপ্ত জীবনী

মোহাম্মদ হামিদুর রহমান ১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি যশোরের মহেশপুর উপজেলার খোরদা খালিশপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। (১) তাঁর পিতা আব্বাস আলী মন্ডল, মাতা মোসাম্মাৎ কায়সুন্নেসা। খালিশপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পরবর্তীকালে স্থানীয় নাইট স্কুলে সামান্য লেখাপড়া করেন। ১৯৭১ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন। যোগদানের পরই চট্টগ্রামের সেনানিবাসে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে প্রশিক্ষণের জন্য যান। ২৫শে মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আক্রমনের মুখে চাকরীস্থল থেকে নিজ গ্রামে চলে আসেন। বাড়ীতে একদিন থেকে পরদিনই মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার জন্য চলে যান সিলেট জেলার শ্রীমঙ্গল থানার ধলই চা বাগানের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত ধলই বর্ডার আউটপোস্টে।

২ যেভাবে শহীদ হলেন

১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসের শেষভাগে হামিদুর রহমান ১ম ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের সি কোম্পানির হয়ে ধলই সীমান্তের ফাঁড়ি দখল করার অভিযানে অংশ নেন। ভোর চারটায় মুক্তিবাহিনী লক্ষ্যস্থলের কাছে পৌছে অবস্থান নেয়। সামনে দু প্লাটুন ও পেছনে এক প্লাটুন সৈন্য অবস্থান নিয়ে অগ্রসর হতে থাকে শত্রু অভিমুখে। শত্রু অবস্থানের কাছাকাছি এলে একটি মাইন বিস্ফোরিত হয়। মুক্তিবাহিনী সীমান্ত ফাঁড়ির খুব কাছে পৌছে গেলেও ফাঁড়ির দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত হতে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর মেশিনগানের গুলিবর্ষণের জন্য আর অগ্রসর হতে পারছিলো না। অক্টোবরের ২৮ তারিখে ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পাকিস্তান বাহিনীর ৩০এ ফ্রন্টিয়ার রেজিমেন্টের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ বাধে। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১২৫ জন মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধে অংশ নেয়। মুক্তিবাহিনী পাকিস্তান বাহিনীর মেশিনগান পোস্টে গ্রেনেড হামলার সিদ্ধান্ত নেয়। গ্রেনেড ছোড়ার দায়িত্ব দেয়া হয় হামিদুর রহমানকে। তিনি পাহাড়ি খালের মধ্য দিয়ে বুকে হেঁটে গ্রেনেড নিয়ে আক্রমণ শুরু করেন। দুটি গ্রেনেড সফল ভাবে মেশিনগান পোস্টে আঘাত হানে, কিন্তু তার পরপরই হামিদুর রহমান গুলিবিদ্ধ হন। (২) সে অবস্থাতেই তিনি মেশিনগান পোস্টে গিয়ে সেখানকার দুই জন পাকিস্তানী সৈন্যের সাথে হাতাহাতি যুদ্ধ শুরু করেন। এভাবে আক্রণের মাধ্যমে হামিদুর রহমান এক সময় মেশিনগান পোস্টকে অকার্যকর করে দিতে সক্ষম হন। এই সুযোগে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মুক্তিযোদ্ধারা বিপুল উদ্যমে এগিয়ে যান, এবং শত্রু পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করে সীমানা ফাঁড়িটি দখল করতে সমর্থ হন। কিন্তু হামিদুর রহমান বিজয়ের স্বাদ আস্বাদন করতে পারেননি, ফাঁড়ি দখলের পরে মুক্তিযোদ্ধারা শহীদ হামিদুর রহমানের লাশ উদ্ধার করে। (২)

হামিদুর রহমানের মৃতদেহ সীমান্তের অল্প দূরে ভারতীয় ভূখন্ডে ত্রিপুরা রাজ্যের হাতিমেরছড়া গ্রামের স্থানীয় এক পরিবারের পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়। (৩) নীচু স্থানে অবস্থিত কবরটি এক সময় পানির তলায় তলিয়ে যায়।
২০০৭ সালের ২৭শে অক্টোবর বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার হামিদুর রহমানের দেহ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। (৪)। সেই অনুযায়ী ২০০৭ সালের ১০ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ রাইফেলসের একটি দল ত্রিপুরা সীমান্তে হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ গ্রহন করে, এবং যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে কুমিল্লার বিবিরহাট সীমান্ত দিয়ে শহীদের দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। ১১ই ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানকে ঢাকার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়। (৫)।

৩ তথ্যসূত্র

১. "Birshreshtha Hamidur Rahman Laid To Rest", The Daily Star, ১২ই ডিসেম্বর, ২০০৭।

২. "বীর হামিদুরের ঘরে ফেরা", ছুটির দিনে, প্রথম আলো, ১৫ই ডিসেম্বর ২০০৭ ।

৩."Bangladesh takes home teenage war hero", রয়টার্স, Dec 10 2007।

৪. "বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের দেহাবশেষ দেশে এনে সমাহিত করা হবে", প্রথম আলো, ২৮শে অক্টোবর, ২০০৭।

৫. "Home they brought warrior dead: Bir Shreshtha Hamidur to be buried at Martyred Intellectuals' Graveyard today", The New Nation, ১১ই ডিসেম্বর, ২০০৭।


-------------------



বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিন আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন

---
মোহাম্মদ রুহুল আমিন (১৯৩৫ - ডিসেম্বর ১০, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

১ সংক্ষিপ্ত জীবনী

মোহাম্মদ রুহুল আমিন ১৯৩৫ সালে নোয়াখালী জেলার বাঘচাপড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আজহার পাটোয়ারী, মাতা জোলখা খাতুন। রুহুল আমিন বাঘচাপড়া প্রাইমারী স্কুলে পড়াশোনা শেষ করে আমিষাপাড়া হাই স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৫৩-তে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে পাকিস্তান নৌ-বাহিনীতে যোগদান করেন। আরব সাগরে অবস্থিত মানোরা দ্বীপে পি.এন.এস বাহাদুর-এ প্রাথমিক প্রশিক্ষণ নেন। প্রাথমিক প্রশিক্ষণ গ্রহণের পর পি.এন.এস. কারসাজে যোগদান করেন। ১৯৫৮-তে পেশাগত প্রশিক্ষণ শেষ করেন। ১৯৬৫ -তে মেকানিসিয়ান কোর্সের জন্য নির্বাচিত হন। পি.এন.এস. কারসাজে কোর্স সমাপ্ত করার পর আর্টিফিসার পদে নিযুক্ত হন। ১৯৬৮ -তে চট্টগ্রাম পি.এন.এস. বখতিয়ার নৌ-ঘাটিঁতে বদলি হয়ে যান। ১৯৭১-এর এপ্রিলে ঘাটিঁ থেকে পালিয়ে যান। ভারতের ত্রিপুরা সীমান্ত অতিক্রম করে ২ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২ নম্বর সেক্টরের অধীনে থেকে বিভিন্ন স্থলযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। বাংলাদেশ নৌ বাহিনী গঠিত হলে কলকাতায় চলে আসেন। ভারত সরকার বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী কে দুটি গানবোট উপহার দেয়। গানবোটের নামকরণ করা হয় 'পদ্মা' ও 'পলাশ'। রুহুল আমিন পলাশের প্রধান ইঞ্জিনরুমে আর্টিফিসার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২ যেভাবে শহীদ হলেন

৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী যশোর সেনানিবাস দখলের পর 'পদ্মা', 'পলাশ' এবং ভারতীয় মিত্রবাহিনীর একটি গানবোট 'পানভেল' খুলনার মংলা বন্দরে পাকিস্তানি নৌ-ঘাটিঁ পি.এন.এস. তিতুমীর দখলের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ-এ প্রবেশ করে। ১০ ডিসেম্বর দুপুর ১২ টার দিকে গানবোটগুলো খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছে এলে অনেক উচুঁতে তিনটি জঙ্গি বিমানকে উড়তে দেখা যায়। শত্রুর বিমান অনুধাবন করে পদ্মা ও পলাশ থেকে গুলি করার অনুমতি চাওয়া হয়। কিন্তু অভিযানের সর্বাধিনায়ক ক্যাপ্টেন মনেন্দ্রনাথ ভারতীয় বিমান মনে করে গুলিবর্ষণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন। এর কিছুক্ষণ পরে বিমানগুলো অপ্রত্যাশিত ভাবে নিচে নেমে আসে এবং আচমকা গুলিবর্ষণ শুরু করে। গোলা সরাসরি 'পদ্মা' এর ইঞ্জিন রুমে আঘাত করে ইঞ্জিন বিধ্বস্ত করে। হতাহত হয় অনেক নাবিক। 'পদ্মা'-র পরিণতিতে পলাশের অধিনায়ক লে. কমান্ডার রায় চৌধুরী নাবিকদের জাহাজ ত্যাগের নির্দেশ দেন। রুহুল আমিন এই আদেশে ক্ষিপ্ত হন। তিনি উপস্থিত সবাইকে যুদ্ধ বন্ধ না করার আহ্বান করেন। কামানের ক্রুদের বিমানের দিকে গুলি ছুড়ঁতে বলে ইঞ্জিন রুমে ফিরে আসেন। কিন্তু অধিনায়কের আদেশ অমান্য করে বিমানগুলোকে চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। বিমানগুলো উপূর্যপুরি বোমাবর্ষণ করে পলাশের ইঞ্জিনরুম ধ্বংস করে দেয়। শহীদ হন রুহুল আমিন। রূপসা নদীর পারে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের সমাধির এই ছবিটি বাংলা উইকিপিডিয়াকে দান করেছেন ব্লগার ঝড়ো হাওয়া।



-------------------

বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ

----
মুন্সি আব্দুর রউফ (১৯৪৩ - এপ্রিল ৮, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

১ সংক্ষিপ্ত জীবনী

মুন্সি আব্দুর রউফ ১৯৪৩ সালের মে মাসে ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার (পূর্বে বোয়ালমারী উপজেলার অন্তরগত) সালামতপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মুন্সি মেহেদী হোসেন এবং মাতার নাম মকিদুন্নেসা। কিশোর বয়সে রউফ-এর পিতা মারা যান। ফলে তিনি উচচশিক্ষা লাভের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। তিনি অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন। ১৯৬৩-র ৮ মে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস-এ ভর্তি হন। তাঁর রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ১৩১৮৭। ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরুতে চট্টগ্রামে ১১ নম্বর উইং এ কর্মরত ছিলেন। সে সময় তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সঙ্গে স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগদান করেন।

২ যেভাবে শহীদ হলেন

মুন্সি আবদুর রউফ ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি কোম্পনীর সাথে বুড়িঘাটে অবস্থান নেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি-মহালছড়ি জলপথ প্রতিরোধ করার জন্য ৮ এপ্রিল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কমান্ডো ব্যাটেলিয়নের দুই কোম্পানী সৈন্য, সাতটি স্পীড বোট এবং দুটি লঞ্চে করে বুড়িঘাট দখলের জন্য অগ্রসর হয়। তারা প্রতিরক্ষি বূহ্যের সামনে এসে ৩" মর্টার এবং অন্যান্য ভারী অস্ত্র দিয়ে হঠাৎ অবিরাম গোলা বর্ষন শুরু করে। গোলাবৃষ্টির তীব্রতায় প্রতিরক্ষার সৈন্যরা পেছনে সরে বাধ্য হয়। কিন্তু ল্যান্সনায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ পেছনে হটতে অস্বীকৃতি জানান। নিজ পরিখা থেকে মেশিনগানের গুলিবর্ষণ শুরু করেন। মেশিনগানের এই পাল্টা আক্রমনের ফলে শত্রুদের স্পীড বোট গুলো ডুবে যায়।
হতাহত হয় এর আরোহীরা। পেছনের দুটো লঞ্চ দ্রুত পেছনে গিয়ে নিরাপদ দুরত্বে অবস্থান নেয়। সেখান থেকে শুরু করে দুরপাল্লার ভারী গোলাবর্ষণ। মর্টারের ভারী গোলা এসে পরে আব্দুর রউফের উপর। লুটিয়ে পড়েন তিনি, নীরব হয়ে যায় তাঁর মেশিনগান। ততক্ষণে নিরাপদ দূরুত্বে সরে যেতে সক্ষম হন তাঁর সহযোদ্ধারা।

শহীদ ল্যান্স নায়েক বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফের সমাধি পার্বত্য জেলা রাঙামাটির নানিয়ার চড়ে। তাঁর অপরিসীম বীরত্ব,সাহসীকতা ও দেশপ্রেমের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্ব্বোচ সম্মান বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করে।


-------------------

বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর

----

মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর (১৯৪৮- ডিসেম্বর ১৪, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

১ সংক্ষিপ্ত জীবনী

মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর ১৯৪৮ সালে বাবুগঞ্জ থানার রহিমগঞ্জ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আবদুল মোতালেব হাওলাদার। জাহাঙ্গীর ১৯৬৪ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন এবং ১৯৬৬ তে আই.এস.সি পাশ করার পর বিমান বাহিনীতে যোগদানের চেষ্টা করেন, কিন্তু চোখের অসুবিধা থাকায় ব্যর্থ হন। ১৯৬৭ সালে তিনি পাকিস্তান সামরিক একাডেমীতে ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৬৮-র ২ জুন তিনি ইঞ্জিনিয়ার্স কোরে কমিশন লাভ করেন। ১৯৭১-এ স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় তিনি পাকিস্তানে ১৭৩ নম্বর ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটেলিয়ানে কর্তব্যরত ছিলেন। মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য তিনি ছুটে এসেছিলেন পাকিস্তানের দুর্গম এলাকা অতিক্রম করে, প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে। ৩ জুলাই পাকিস্তানে আটকে পড়া আরো তিনজন অফিসারসহ তিনি পালিয়ে যান ও পরে পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার মেহেদীপুরে মুক্তিবাহিনীর ৭নং সেক্টরে সাব সেক্টর কমান্ডার হিসাবে যোগ দেন। বিভিন্ন রণাঙ্গনে অসাধারণ কৃতিত্ব দেখানোর কারণে তাঁকে রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ দখলের দ্বায়িত্ব দেয়া হয়। স্বাধীনতার ঊষালগ্নে বিজয় সুনিশ্চিত করেই তিনি শহীদ হয়েছিলেন। ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরকে চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক সোনা মসজিদ আঙিনায় সমাহিত করা হয়।

২ যেভাবে শহীদ হলেন

১০ ডিসেম্বর ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর, লেফটেন্যান্ট কাইয়ুম, লেফটেন্যান্ট আউয়াল ও ৫০ জনের মতো মুক্তিযোদ্ধা চাঁপাইনবাবগঞ্জের পশ্চিমে বারঘরিয়া এলাকায় অবস্থান গ্রহন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ভোরে মাত্র ২০ জন মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে বারঘরিয়া এলাকা থেকে ৩/৪ টি দেশী নৌকায় করে রেহাইচর এলাকা থেকে মহানন্দা নদী অতিক্রম করেন। নদী অতিক্রম করার পর উত্তর দিক থেকে একটি একটি করে প্রত্যেকটি শত্রু অবস্থানের দখল নিয়ে দক্ষিণে এগোতে থাকেন।
তিনি এমনভাবে আক্রমণ পরিকল্পনা করেছিলেন যেন উত্তর দিক থেকে শত্রু নিপাত করার সময় দক্ষিণ দিক থেকে শত্রু কোনকিছু আঁচ করতে না পারে। এভাবে এগুতে থাকার সময় জয় যখন প্রায় সুনিশ্চিত তখন ঘটে বিপর্যয়। হঠাৎ বাঁধের উপর থেকে ইস্ট পাকিস্তান সিভিল আর্মড ফোর্সের ৮/১০ জন সৈনিক দৌড়ে চর এলাকায় এসে যোগ দেয়। এরপরই শুরু হয় পাকিস্তান বাহিনীর অবিরাম ধারায় গুলিবর্ষন। ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর জীবনের পরোয়া না করে সামনে এগিয়ে যান। ঠিক সেই সময়ে শত্রুর একটি গুলি এসে বিদ্ধ হয় জাহাঙ্গীরের কপালে। শহীদ হন তিনি।


-------------------

বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ

----

নূর মোহাম্মদ শেখ(ফেব্রুয়ারি ২৬, ১৯৩৬- সেপ্টেম্বর ৫, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

১ সংক্ষিপ্ত জীবনী

১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল জেলার মহিষখোলা গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে নূর মোহাম্মদ শেখ জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতা মোহাম্মদ আমানত শেখ, মাতা জেন্নাতুন্নেসা। স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লেখাপড়া শেষ করে উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানকার লেখাপড়া শেষ না করে ১৯৫৯-এর ১৪ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস-এ যোগদান করেন। ১৯৭০ সালে নূর মোহাম্মদকে দিনাজপুর থেকে যশোরে বদলি করা হয়। বদলি স্থানে যোগ দানের আগেই স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগদান করেন।

২ যেভাবে শহীদ হলেন

১৯৭১- এর ৫ সেপ্টেম্বর সুতিপুরে নিজস্ব প্রতিরক্ষার সামনে গোয়ালহাটি গ্রামে নূর মোহাম্মদকে অধিনায়ক করে পাঁচ জনের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্ট্যান্ডিং পেট্রোল পাঠানো হয়। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে হঠাৎ পাকিস্থানি সেনাবাহিনী পেট্রোলটি তিন দিক থেকে ঘিরে ফেলে গুলিবর্ষন করতে থাকে। পেছনে মুক্তিযোদ্ধাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা থেকে পাল্টা গুলিবর্ষন করা হয়। তবু পেট্রোলটি উদ্ধার করা সম্ভব হয় না। এক সময়ে সিপাহী নান্নু মিয়া গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে নূর মোহাম্মদ নান্নু মিয়াকে কাঁধে তুলে নেন এবং হাতের এল.এম.জি দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করলে শত্রুপক্ষ পশ্চাৎপসরণ করতে বাধ্য হয়। হঠাৎ করেই শত্রুর মর্টারের একটি গোলা এসে লাগে তাঁর ডান কাঁধে।
ধরাশয়ী হওয়া মাত্র আহত নান্নু মিয়াকে বাঁচানোর জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেন। হাতের এল.এম.জি সিপাহী মোস্তফাকে দিয়ে নান্নু মিয়াকে নিয়ে যেতে বললেন এবং মোস্তফার রাইফেল চেয়ে নিলেন যতক্ষণ না তাঁরা নিরাপদ দূরুত্বে সরে যেতে সক্ষম হন ততক্ষণে ঐ রাইফেল দিয়ে শত্রুসৈন্য ঠেকিয়ে রাখবেন এবং শত্রুর মনোযোগ তাঁর দিকেই কেন্দ্রীভুত করে রাখবেন। অন্য সঙ্গীরা তাদের সাথে অনুরোধ করলেন যাওয়ার জন্যে। কিন্তু তাঁকে বহন করে নিয়ে যেতে গেলে সবাই মারা পড়বে এই আশঙ্কায় তিনি রণক্ষেত্র ত্যাগ করতে রাজি হলেন না। বাকিদের অধিনায়োকোচিত আদেশ দিলেন তাঁকে রেখে চলে যেতে। তাঁকে রেখে সন্তর্পণে সরে যেতে পারলেন বাকিরা। এদিকে সমানে গুলি ছুড়তে লাগলেন রক্তাক্ত নূর মোহাম্মদ। একদিকে পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনী, সঙ্গে অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রশস্ত্র, অন্যদিকে মাত্র অর্ধমৃত সৈনিক (ই.পি.আর.) সম্বল একটি রাইফেল ও সীমিত গুলি। এই অসম অবিশ্বাস্য যুদ্ধে তিনি শত্রুপক্ষের এমন ক্ষতিসাধন করেন যে তারা এই মৃত্যুপথযাত্রী যোদ্ধাকে বেয়নেট দিয়ে বিকৃত করে চোখ দুটো উপড়ে ফেলে। পরে প্রতিরক্ষার সৈনিকরা এসে পাশের একটি ঝাড় থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে।


-------------------

বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল




মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল (ডিসেম্বর ১৬, ১৯৪৭- এপ্রিল ১৭, ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।


১ সংক্ষিপ্ত জীবনী

মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল ১৯৪৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোলা জেলার দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা হাবিবুর রহমান সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার ছিলেন। শৈশব থেকেই দুঃসাহসী হিসেবে খ্যাত ছিলেন। পড়াশোনা বেশিদূর করতে পারেননি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পর উচচ বিদ্যালয়ে দু-এক বছর অধ্যয়ন করেন। ১৯৬৭-র ১৬ ডিসেম্বর বাড়ী থেকে পালিয়ে গিয়ে সেনাবাহিনীতে চাকরি গ্রহন করেন। তিনি ছিলেন চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিক। ১৯৭১-এর প্রথম দিকে চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে কুমিল্লা সেনানিবাস থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাঠানো হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার সাথে সাথে চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে ঘিরে তিনটি প্রতিরক্ষা ঘাঁটি গড়ে তোলে এন্ডারসন খালের পাঁড়ে। আখাউড়ায় অবস্থিত চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট দক্ষিন দিক থেকে নিরাপত্তার জন্য দরুইন গ্রামের দুই নম্বর প্লাটুনকে নির্দেশ দেয়। সিপাহী মোস্তফা কামাল ছিলেন দুই নম্বর প্লাটুনে। কর্মতৎপরতার জন্য যুদ্ধের সময় মৌখিকভাবে তাঁকে ল্যান্স নায়েকের দ্বায়িত্ব দেয়া হয়।

২ যেভাবে শহীদ হলেন

১৬ এপ্রিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গলকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য কুমিল্লা-আখাউড়া রেললাইন ধরে উত্তর দিকে এগুতে থাকে। ১৭ই এপ্রিল পরদিন ভোরবেলা পাকিস্তান সেনাবাহিনী দরুইন গ্রামে মুক্তিবাহিনীর অবস্থানের উপর মর্টার ও আর্টিলারীর গোলাবর্ষণ শুরু করলে মেজর শাফায়াত জামিল ১১ নম্বর প্লাটুনকে দরুইন গ্রামে আগের প্লাটুনের সাথে যোগ দেয়ার নির্দেশ দেন। ১১ নম্বর প্লাটুন নিয়ে হাবিলদার মুনির দরুইনে পৌছেন। সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল তার নিকট থেকে গুলি নিয়ে নিজ পরিখায় অবস্থান গ্রহন করেন। বেলা ১১ টার দিকে শুরু হয় শত্রুর গোলাবর্ষণ। সেই সময়ে শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। সাড়ে ১১টার দিকে মোগরা বাজার ও গঙ্গা সাগরের শত্রু অবস্থান থেকে গুলি বর্ষিত হয়।
১২ টার দিকে আসে পশ্চিম দিক থেকে সরাসরি আক্রমণ। প্রতিরক্ষার সৈন্যরা আক্রমণের তীব্রতায় বিহ্বল হয়ে পড়ে। কয়েক জন শহীদ হন। মোস্তফা কামাল মরিয়া হয়ে পাল্টা গুলি চালাতে থাকেন। তাঁর পূর্ব দিকের সৈন্যরা পেছনে সরে নতুন অবস্থানে সরে যেতে থাকে এবং মোস্তফাকে যাবার জন্য অনুরোধ করে। কিন্তু তাদের সবাইকে নিরাপদে সরে যাওয়ার সুযোগের জন্য মোস্তফা পূর্ণোদ্যমে এল.এম.জি থেকে গুলি চালাতে থাকেন। তাঁর ৭০ গজের মধ্যে শত্রুপক্ষ চলে এলেও তিনি থামেননি। এতে করে শত্রু রা তাঁর সঙ্গীদের পিছু ধাওয়া করতে সাহস পায়নি। এক সময় গুলি শেষ হয়ে গেলে, শত্রুর আঘাতে তিনিও লুটিয়ে পড়েন।

---

ছবিতে দেখছেন, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের সমাধি। ছবি দুইটি ব্লগার ঝড়ো হাওয়া উইকিপিডিয়াকে দান করেছেন, এজন্য তাঁকে অসংখ্য ধন্যবাদ।




-------------------


কপিরাইট নোটিশ

এই পোস্টের তথ্যাবলী ও লেখা বাংলা উইকিপিডিয়া হতে জিএনইউ ফ্রি ডকুমেন্টেশন লাইসেন্সের অধীনে নেয়া হয়েছে। এই লেখা বিনা বাঁধায় সর্বত্র ব্যবহার করা যাবে, যদি লেখার মূল উৎসের (বাংলা উইকিপিডিয়া) কথা সুস্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়। বিস্তারিত জানতে দেখুন, GNU Free Documentation License

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বীর শ্রেষ্ঠমুক্তিযুদ্ধউইকিপিডিয়া ;
প্রকাশ করা হয়েছে: উইকিপিডিয়া  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:১৩
পেইজ থ্রি বলেছেন: একটা ছোট ভূমিকা অ্যাড কর্লে ভালো হইব।
০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:১৪

লেখক বলেছেন: জ্বী, করছি। আসলে সাতটা জীবনী পোস্ট এক করে ছবি ফরম্যাটিং এর চেষ্টা করতেই সময় লাগছে।

২. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:১৫
রাগিব বলেছেন: মার্চ মাসে এই পোস্টটিকে স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাতে সবাইকে আহবান জানাচ্ছি। আমাদের নতুন প্রজন্মের অনেকেই এই বীরশ্রেষ্ঠদের কথা জানে না। আশা করি এই প্রয়াসের মাধ্যমে তারা কিছুটা হলেও জানবে বাংলার এই বীর সন্তানদের কথা।
৩. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:১৮
স্করপিয়ন্স বলেছেন:
পোস্ট স্টিকি করা হোক
৪. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:১৮
স্করপিয়ন্স বলেছেন:
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ +
৫. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২১
মেন্টাল বলেছেন: পোস্ট স্টিকি করা হোক
৬. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২২
বুমবুম বলেছেন: পোস্টের জন্য ধন্যবাদ +
৯. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২৪
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: রাগিব, ছকটার বাকী তথ্যকি পাওয়া গেছে ... ওটাকে ইমেজ করে জুড়ে দিলেও ভাল হবে ... এক নজরে অনেক তথ্য আসবে
০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২৫

লেখক বলেছেন: দুই একটা তথ্য পেয়েছি, উইকিপিডিয়ান বেলায়েত ও তারিফ কাজ করছেন বাকিগুলো যোগাড় করার জন্য।

১০. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৩১
হাশেম পোদ্দার বলেছেন: + ও প্রিয়তে নিয়া গেলাম।
১২. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৩২
হাশেম পোদ্দার বলেছেন: পোষ্ট স্টিকি করার আহ্বান জানাই কর্তৃপক্ষকে।
১৩. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৩৩
ত্রিভুজ বলেছেন:

পোস্ট স্টিকি রাখার দাবীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি...
১৪. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭
ওয়ান বলেছেন: পোস্ট স্টিকি করা হোক
১৫. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৩৮
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: পোস্ট স্টিকি করা হোক
১৬. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৪৩
মিরাজ বলেছেন: প্রিয় পোষ্টে যোগ করে রাখলাম ।

পোষ্ট ষ্টিকি করা হোক ।
১৭. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৫০
গোপনীয়া বলেছেন: পোস্ট স্টিকি করা হোক।
১৮. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৫৪
মাঠশালা বলেছেন: পোষ্ট ষ্টিকি করা হোক ।
১৯. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:০৩
পেইজ থ্রি বলেছেন: শিরোনামটা কি ছোট করা যায়? শুধু "বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা" থাকলেও ভালই লাগে। "জীবনী" কথাটার উল্লেখ মনে হৈতেছে দরকার নাই।
০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ। চিন্তা করে দেখি ...

২০. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:২৯
ব্লুজ বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করা হোক +
২১. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৪০
রাহা বলেছেন: উইকিপিডিয়া আর তার সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন আর সাধুবাদ..... সঠিক ইতিহাস এর প্রতিফলন ঘটুক উইপিডিয়ার মধ্য দিয়ে সর্বত্র ....
০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, জীবনী গুলোতে কোনো ভুলত্রুটি চোখে পড়লে আমাকে অবশ্যই জানাবেন। সাথে সাথে উইকিপিডিয়া এবং এই পোস্টে তা ঠিক করে দেয়া হবে। এশিয়াটিক সোসাইটির বাংলাপিডিয়াতে সিপাহী হামিদুর রহমানের জন্মতারিখ ও স্থান নিয়ে ভুল তথ্য প্রকাশিত হয়েছে দেখে আমি মর্মাহত হয়েছি ... আমাদের এই বীর যোদ্ধাদের জীবনের সব তথ্য আগামী প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরাটা আমাদের কর্তব্য। কাজেই উইকিপিডিয়ার জীবনী নিবন্ধগুলোর যেকোনো তথ্য সংশোধনের জন্য আমাকে জানাবেন। আর সেই সাথে বাংলা উইকিপিডিয়া প্রজেক্টে অংশ নেয়ার জন্য সবাইকে দাওয়াত দিচ্ছি।

২২. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৪২
ৈকলাশ বলেছেন: প্রিয় পোষ্ট
পোষ্টটা ষ্টিকি করা হোক ।
২৩. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯
বামনী তুলাগাছ বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করা হোক +
২৫. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৫
রাগিব বলেছেন: আশা করি পোস্টটি স্টিকি হবে। পুরো মাসের জন্য দেয়া না হলে অন্তত কয়েক সপ্তাহের জন্য হলেও থাকুক।
২৬. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১১
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। প্রিয় পোস্টে রাখলাম
২৭. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৫
আকাশচুরি বলেছেন: পোস্ট স্টিকি করা হোক
+ প্রিয়তে
২৮. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৪
বিপ্র বলেছেন: রাগিব ভাইকে এই অসাধারন কাজের জন্য কৃতজ্ঞতা...
কতৃর্পক্ষের প্রতি পোস্ট স্টিকি করার অনুরোধ জানাই...
০১ লা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিপ্র।

২৯. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
প্রিয় পোষ্টে যোগ করে রাখলাম ।

কতৃর্পক্ষের প্রতি পোস্ট স্টিকি করার অনুরোধ জানাই...
৩০. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: ধন্যবাদ রাগিব ভাই...
চমৎকার কাজ...

চলুক
৩২. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৫৩
মুকুল বলেছেন: কতৃর্পক্ষের প্রতি পোস্ট স্টিকি করার অনুরোধ জানাই...
*****
৩৩. ০১ লা মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
রাশেদ বলেছেন: পোস্ট স্টিকি করা হোক
৩৪. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩৭
রাগিব বলেছেন: আশা করি এক সময় পোস্টটি স্টিকি হবে।
৩৫. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৫৬
বেলায়েত বলেছেন: এ মাসটা জুড়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এ বীরদের নিয়ে বিভিন্ন লেখা বের হবে, এ ব্লগ দেখছেন এমন সবাইকে অনুরোধ করবো সে সকল পত্রপত্রিকার লেখা তথ্য থেকে প্রত্যেকে অন্তত দুই লাইন এই নিবন্ধগুলোতে যোগ করুন যাতে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম এই বীরদের কথা অবাধে জানার সুযোগ পায়।
৩৬. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১:০৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: মহানায়কদের জীবনী বিজয়ের মাসে স্টিকি করা হোক।
৩৭. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১:০৬
পিচ্চি বলেছেন: মনোহর পোষ্ট। স্যালুট
৩৮. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১:১৫
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ও সঠিক ইতিহাস জানতে "পোস্ট স্টিকি করা হোক "
৩৯. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:৩৭
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: একটু দেরীতে পোস্টটি দেখলাম বলে খারাপ লাগছে ।

পোস্টটি প্রিয়তে যোগ করে রাখা হলো ।

তথ্যসমৃদ্ধ এই পোস্টটি রক্তঝরা এই মার্চে স্টিকি হিসেবে দেখতে চাই ।
বরাবরের মতো কর্তৃপক্ষের ঘুমটা যেন খুব দেরীতে না ভাঙ্গে, সেজন্য ওনাদের দরোজায় কড়া নাড়ায় ।
৪০. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:৪৭
নেমেসিস বলেছেন: প্রিয় পোষ্টে যোগ করে রাখলাম ।

কতৃর্পক্ষের প্রতি পোস্ট স্টিকি করার দাবী জানাই...
৪১. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৫৮
রাগিব বলেছেন: Dear Moderators,

This is the month of March - marking the 37th anniversary of the start of Bangladesh Liberation War. In the spirit of this month, I have written the following anthology of biographies of the 7 Bir Shreshtho Freedom Fighters of Bangladesh: Click This Link

Would it be possible to have this post as sticky in somewhereinblog.net for a few days or may be a couple of weeks? During February, Miraj's post on the history of the Language Movement was sticky for a few weeks ... and that helped us to learn the history of Ekushey February.

I believe the biography of the 7 Bir Shreshtho awardees is very
important ... and our younger generation needs to learn about the
supreme sacrifice of these individuals.

So, please make that post sticky for some time during this month.
Bloggers have expressed unanimous solidarity behind this request, as seen from several other posts. (Example:
Click This Link ).

Thanks

Ragib
৪২. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭
শাহেদুর রহমান বলেছেন: May b Modu's r busy with something else & don't have time to look around...
৪৩. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০৪
ওমিক্রনল্যাব বলেছেন: কর্তৃপক্ষকে পোস্টটি স্টিকি করার অনুরোধ করছি।
৪৪. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৪
সবুজমিয়া বলেছেন: কর্তৃপক্ষকে পোস্টটি স্টিকি করার অনুরোধ করছি
৪৫. ০২ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৪
নেমেসিস বলেছেন:
আমি ফীডব্যাকে নিজেও মেইল করেছিলাম কালরাতে । কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনও সারাশব্দ নেই । বুঝলাম না কর্তৃপক্ষের এমনধারা উদাসীনতার কারন কি ?অবাক লাগছে ।
০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪১

লেখক বলেছেন: কর্তৃপক্ষও মুক্তিযুদ্ধের মাস মার্চ নিয়ে যথেষ্ট সচেতন ..., আসলে গত দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকাতে অফিস বন্ধ ছিলো। আজ সকালে অফিস খোলা মাত্র উনারা ব্যবস্থা নিয়েছেন।

৪৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:২৯
নেমেসিস বলেছেন: ওমিক্রনল্যাব বলেছেন: কর্তৃপক্ষকে পোস্টটি স্টিকি করার অনুরোধ করছি।

একমত।
৪৭. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ৮:২২
চিপা রংবাজ বলেছেন: পুরা পাংখা ।

সব ইতিহাস এক সাথে আর কৈ পাইমু ?
করতিপক্ষ পোস্টটারে ইসটিকি কইরা ফালান এইবার ।
৪৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:২১
ৈকলাশ বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ
৪৯. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:২৬
অচেনা বাঙালি বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ সামহয়ার টিমকে পোস্ট স্টিকি করার জন্য।

আর রাগিবের কাছে কৃতজ্ঞতা।
৫০. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:২৮
কাজ করে খাই বলেছেন: প্রথম পেইজে দেখে ভালো লাগছে। পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
৫১. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৩৩
সু-শান্ত বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
৫২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৩৮
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: গুরুদেব রাগিব হাসান ভাইকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন।

সেই সাথে সা.হো,ইন কর্তৃপক্ষকে অশেষ ধন্যবাদ।

স্কুলে ক্লাশ ওয়ান থেকে (বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরকে দিয়ে) শুরু হতো সাত বীরশ্রেষ্ঠের গল্প, শেষ হত ক্লাশ সেভেনে(বীর শ্রেষ্ঠ রুহুল আমীন কে দিয়ে)। জানি না এমনটা এখনও চালু আছে কিনা। সবচেয়ে কষ্ট পেয়েছিলাম নূর মুহাম্মদের কাহিনী পড়ে, অসাধারণ!

কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক প্রস্তাব:

২য় বিশ্বযুদ্ধের পটভূতি করা কমান্ডোজ গেমসটি যারা দেখেছেন বা খেলেছেন তারা বুঝবেন। ধরুণ ১৫ মিশন, বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জনের মাঝে যেকোন কম্বিনেশন করে এক একটা মিশন। গ্রিন ব্যারেট, সেনাপতি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর, পাইলট মতিউর, মেরিন সেনা রুহুল আমিন, স্নাইপার মুন্সি আব্দুর রউফ.....ইত্যাদি...সেখানে নাজিদের ক্যাম্প-পতাকার বদলে উড়বে পাকিস্তানি পতাকা-ক্যাম্প......এরকম একটা স্ট্র্যাটেজিক গেমের এঞ্জিন নাকি খুবই ব্যয়বহুল, অনেক লোকবল আর এআই এর উপর ভাল দক্ষতা প্রয়োজন! দেশের মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযোদ্ধাদের কে চেনানোর জন্য এমন একটা গেমের মাস্টার প্ল্যান কি আমরা নিতে পারিনা?
৫৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৩৯
১৯৭১ আমার চেতনা বলেছেন: +++

রাগীব ভাই আপনাকে ধন্যবাদ।
৫৪. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮
রাতুল" বলেছেন: প্রিয় পোষ্টে যোগ করে রাখলাম । অসাধারন প্রচেস্টা। প্রিন্ট করে রেখে দেব।
৫৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০৮
চির সবুজ বলেছেন: খুবই ভালো পোষ্ট। ধন্যবাদ।
৫৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:১৪
রাগিব বলেছেন: পোস্ট স্টিকি করাতে কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, টিকে থাকুক চিরদিন।
৫৭. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:১৬
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: রাগিব ভাই....গুড জব....অনেক উপকৃত হলাম
৫৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২৭
বাংলার লাঠিয়াল বলেছেন: রাগিব ভাইকে ধন্যবাদ এমন একটি পোস্টের জন্য। আর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি এখানে ব্লগে একটি বাংলার ইতিহাস নামক আলাদা অংশ থাকলে অনেকে উপকৃত হবে।
৫৯. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪
মাহমুদ সুফল বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করার জন্য কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ। আর স্টিকি না করা হলে আমার মতো অন্য অনেকেরও হয়তো চোখে পড়তনা।

কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক প্রস্তাব:

২য় বিশ্বযুদ্ধের পটভূতি করা কমান্ডোজ গেমসটি যারা দেখেছেন বা খেলেছেন তারা বুঝবেন। ধরুণ ১৫ মিশন, বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জনের মাঝে যেকোন কম্বিনেশন করে এক একটা মিশন। গ্রিন ব্যারেট, সেনাপতি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর, পাইলট মতিউর, মেরিন সেনা রুহুল আমিন, স্নাইপার মুন্সি আব্দুর রউফ.....ইত্যাদি...সেখানে নাজিদের ক্যাম্প-পতাকার বদলে উড়বে পাকিস্তানি পতাকা-ক্যাম্প......এরকম একটা স্ট্র্যাটেজিক গেমের এঞ্জিন নাকি খুবই ব্যয়বহুল, অনেক লোকবল আর এআই এর উপর ভাল দক্ষতা প্রয়োজন! দেশের মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযোদ্ধাদের কে চেনানোর জন্য এমন একটা গেমের মাস্টার প্ল্যান কি আমরা নিতে পারিনা?


@সা.শে: আপনার প্রস্তাবের সাথে সহমত প্রকাশ করছি এবং সেই সাথে রাজাকার ধ্বংসের মিশনও অ্যাড করার প্রস্তাব করছি। বাংলাদেশের প্রতিভাবান প্রোগামারদের এরকম একটি গেইমস্‌ ডেভেলপ করার অনুরোধ করছি।
০৩ রা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০২

লেখক বলেছেন: গেইম ডেভেলপের আইডিয়াটা মন্দ না। আমি নিজে গেইম ডেভেলপমেন্টের কিছু জানি না, তবে বাংলাদেশে অনেক প্রোগ্রামারই এর উপরে কাজ করেন। ঢাকা রেসিং এর প্রোগ্রামারেরা এই কাজে সাহায্য করতে পারেন।

৬০. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮
মাহমুদ সুফল বলেছেন: আমরা শুধু এই ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠের কথাই জানি এবং এদের স্মরণ করি, তাও বিজয় কিংবা স্বাধীনতার মাসে। অথচ মহান মুক্তিযুদ্ধে হাজার অকুতোভয় বীরসেনানী'র রক্তের বিনিময়ে পাওয়া আমাদের এই স্বাধীনতা। কারো কাছে যদি এইরূপ অপরিচিত বা স্বল্প পরিচিত বীরসেনানীদের জীবনী ও যুদ্ধের বর্ণনা জানা থাকে তাহলে তা সবার সাথে শেয়ার করার আহ্বান জানাচ্ছি? সবাই রক্তিম শুভেচ্ছা।
৬১. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৫৭
রাগিব বলেছেন: এই সাত বীরশ্রেষ্ঠর সবাই এখন দেশের মাটিতেই সমাহিত। বাংলা উইকিপিডিয়াতে আমরা কেবল ২ জনের সমাধির ছবি দিতে পেরেছি। বাকিদের সমাধিস্থলের ছবি, অথবা তাঁদের বাড়ি ঘর গ্রামের ছবি যদি কেউ নিজে তুলে থাকেন, তাহলে আমাকে জানাবেন। আমরা সেসব ছবি উইকিপিডিয়া ও এখানে যোগ করে দিবো।

স্কুলের বইতে এইসব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনী পড়েছিলাম। আসুন সবাইকে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা, এবং জানা অজানা সব মুক্তিযোদ্ধাদের কথা বলি।

বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সবাই কিন্তু ছিলেন জীবনের, তারুণ্যের একেবারে সেরা সময়ের ... সর্বকনিষ্ঠ হামিদুর রহমানের বয়স ছিলো ১৮, সর্বজ্যেষ্ঠ্য রুহুল আমিনের বয়স ৩৬ মাত্র। ৫ জনের বয়স ৩০ এর নীচে। যুদ্ধে তাঁরা গিয়েছিলেন এ যুদ্ধ কতদিনে জেতা যাবে, কবে দেশ স্বাধীন হবে, কিছুই না জেনে। নিজের কাছে আসুন আমরা প্রশ্ন করি, কীভাবে দেশকে এরকম নিঃস্বার্থভাবে আমরা ভালোবাসতে পারবো? আমাদের অনেকের এখন বয়স এই বীরশ্রেষ্ঠদের বয়সের কোঠাতেই, ভাবুন একবার, কেমন করে আমরা দেশের জন্য, আমাদের সমাজের জন্য কাজ করতে পারবো!

আসুন, এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও দশের জন্য কাজ করি।
৬৩. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬
""শ্রাবণী"" বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, টিকে থাকুক চিরদিন।

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন একটি অসাধারণ কাজের জন্য।
৬৪. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:২২
শাওন বলেছেন: অসাধারণ । অনেক তথ্য জানা গেলো । ধন্যবাদ রাগিব ভাই ।
৬৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫
বলাকা বলেছেন: ধন্যবাদ তথ্যমুলক লেখা ও আমাদের বীরদের সঠিক ইতিহাস তুলে দরার জন্য।
৬৭. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:০৪
পুতুল বলেছেন: পোস্টটি স্টিটি করায় কতৃপক্ষকে অভিনন্দন।
রাগিব ভাই খুব যত্ন করে কাজটি করেছেন। আপনাকে ধন্যবাদ।
৬৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:১৬
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: অতঃপর , আমাদের প্রার্থণা সফল হলো !

কুম্ভকর্ণ কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাঙ্গলো !

আলহামদুলিল্লাহ । ধন্যবাদ তাদের ।
৬৯. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৩
মীর িনজাম উ বলেছেন: একটা লেখার জন্য বেশ শ্রম দেন দেখাম। আপনার পেশা কি? দয়া করে বলবেন? যদি আপত্তি না থাকে।
০৩ রা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: প্রথমত, এই পোস্টের লেখা সংকলন করা হয়েছে বাংলা উইকিপিডিয়া থেকে। সেখানে আমাদের উইকিপিডিয়া-কর্মীরা সবাই মিলে এই লেখাগুলোর কাজ করেছেন, কাজেই কৃতীত্বটা সবারই ... আমার একার না।

আমার পেশা আমার প্রোফাইলে লেখা আছে। মূলত গণক মিস্তিরি। বিস্তারিত আমার ওয়েবসাইটে পাবেন

৭২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫
নেমেসিস বলেছেন:
পোস্ট স্টিকি করাতে কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, টিকে থাকুক চিরদিন।মুক্তিযুদ্ধের এই মহান সেনানীদের আমরা কখনোই ভুলবো না ।

৭৪. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
ইউটু বলেছেন: কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ। অবশেষে আমাদের দাবি পূরণ হল।
৭৫. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: রাগিব ভাই আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
অনেক কিছু জনাতে পারলাম।
ভালো থাকুন।
৭৬. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৪৮
একস্লিপ বলেছেন: সাত বীরশ্রেষ্ঠের বহুলপঠিত জীবনীর পুনর্পাঠ খানিকটা একঘেঁয়ে লাগছে। সাত বীরশ্রেষ্ঠের সম্মুখযুদ্ধের বিস্তারিত বিবরণও যদি পোস্টের বিষয়বস্তু হতো, তা ভিন্নমাত্রার একটি কাজ হতো। এরপরও সংকলককে ধন্যবাদ জানাতে দ্বিধা নেই।
৭৮. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৫৯
শেখ জলিল বলেছেন: অনন্য পোস্ট। ধন্যবাদ।
৮২. ০৩ রা মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৫১
সুমন বলেছেন: খুব ভাল লাগছে। ধন্যবাদ।

রাগিব ভাই, আপনার ইমেইল আইডি কি দেয়া যাবে। আমার টা .
০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: জিমেইলে ragibhasan

৮৩. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ১:২৫
বেলায়েত বলেছেন: ধন্যবাদ রাগিব ভাই এবং সামহোয়ার কর্তৃপক্ষকে,
উইকিপিডিয়ার লেখাগুলো দেশের অন্তত কিছু মানুষের কাছে পৌছে দেওয়ার জন্য। এখানেই আমাদের শুরু।

আমরা যারা বাংলা উইকিপিডিয়া প্রকল্পের স্বেচ্ছাসেবক তারা সকলেরই একটাই উদ্দেশ্য যেন দেশের মানুষ নির্ভেজালভাবে মাতৃভাষা বাংলায় অভাধে জ্ঞান এবং তথ্য পাওয়ার এবং ব্যবহারের সুযোগ পায়। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমাদের স্বপ্নের কিছুটা বাস্তব প্রতিফলন দেখে খুব ভাল লাগছে। এমন এক মহৎ প্রকল্পের সাথে জড়িত হতে পেরে আমি গর্বিত।
৮৪. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:২০
সালিশদার বলেছেন: ধন্যবাদ রাগীব। আপনার মহত প্রচেষ্টার জন্য

এ লেখাটাতে মাইনসা দেখে কষ্ট পেলাম
৮৭. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬
বিপ্র বলেছেন: যাক অবশেষে স্টিকিতে... :D
৮৮. ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৪
মুতাসিম বলেছেন: ভাইয়া আমি নিলাম
৯১. ০৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৮
ঝুমী বলেছেন: অসাধারণ লেখা। ভাল লেগেছে। তাই +
৯৩. ০৬ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১০
রাজপথ_থেকে_বলছি বলেছেন: জনাব রাগিব , প্রায়ই আপনি আমার পোস্টার এগেইন্সটে মন্তব্য করে থাকেন, তাই আমি মনে করেছিলাম আমনাকে এই পোস্টে - দিবো, কিন্তু পোস্টা পরে দেখলাম - দিলে আসলে আমাকেই - দেওয়া হবে। খুব সুন্দর লিখেছেন, অবশ্যই আপনাকে এর জন্য কস্টও করতে হয়েছে। আপনার লেখটি আমি আমার প্রিয় পোস্টে নিয়ে নিলাম। ব্লগে এইধরনের আরও লেখা আপনার কাছ থেকে আশা করছি।

পোস্টা কে স্টিকি করার জন্য ব্লগ মডারেটদেরও প্রশংসা করতে হয়।
০৬ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও। আমি কখনোই ব্লগার দেখে + - এসব দেই না, বা মন্তব্য করি না। যেকোনো ক্ষেত্রেই কোনো কিছু বলে থাকলে ধরে নেবেন, ঐ পোস্টের সম্পর্কে সেটা, আপনার সম্পর্কে না। তার পরেও কোনো মন্তব্যে অসাবধানতাবশত আপনি ব্যক্তিগত ভাবে আঘাত পেয়ে থাকলে তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।

আর এই পোস্টের সব কৃতীত্ব বাংলা উইকপিডিয়ার নিরলস পরিশ্রমী কর্মীদের। আমি কেবল এখানে একত্রে করে তুলে ধরেছি মাত্র। বাংলা উইকিপিডিয়া প্রজেক্টে আপনারা যারা যেভাবে পারেন, একটু সাহায্য করুন, ... দেশ ও দশের অনেক অজানা কথাই তুলে ধরা সম্ভব হবে। ধন্যবাদ।

৯৪. ০৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৩৩
নিনি বলেছেন: ধন্যবাদ দিয়ে খাটো করতে চাই না আপনাকে কেননা নিশ্চই এটি তৈরি করতে খুব বেগ পেতে হয়েছে । আচ্ছা ভাইয়া আমি এই ডকুমেন্টটি আমার কাছে এক কপি রাখতে চাই । আমাকে কি সাজেশন দিবেন কোন উপায়ে রাখলে সবচেয়ে ভাল থাকবে ? বোকার মত এ জন্য জানতে চাইলাম কেননা এতে বাংলা উইকির কিছু লিং ও আছে দেখছি । আর আমি চাই ঐ লিং গুলো সহ ডকুমেন্টটি নিতে । আশা করি আমাকে সঠিক সাজেশন দিবেন ।
০৯ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: এখান থেকে কপি করে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে পেস্ট করে দিন।

৯৫. ১০ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:১৭
রুদ্র আনোয়ার বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে
৯৮. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১৭
ঘাসফড়িং বলেছেন: অসাধারন পোস্ট।। প্রিয়তে গেলো...
১০০. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৫
অক্ষর বলেছেন: দেরীতে হলেও প্লাস
১০১. ০৫ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
সাদাচোখ বলেছেন: শুনেছি বিজয়ীরাই নাকি ইতিহাস লিখে। কিন্তু বাংলাদেশীরাই সম্ভবত প্রথম বিজিতদের দ্বারা ইতিহাস বিকৃতির বিলাসিতা করেছে। আজ সময় এসেছে এই ভুল শোধরানোর।
১০৬. ২৯ শে জুন, ২০১০ রাত ৮:৪৮
মুবাশ্বির বলেছেন: এই পোষ্টও ০৪ জনের ভাল লাগেনি!!!???

বিশ্বাসঘাতকতা ও দেশদ্রোহীতার একটি সীমা থাকা উচিৎ। এসব মাইনাসধারীদের চিরজীবনের জন্য সামুতে নিষিদ্ধ করা হোক।

১০০ নং প্লাসটা আমার।

পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
১০৭. ০১ লা জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১১
রাজীব বলেছেন: সংগ্রহের মতো একটি পোস্ট দেবার জন্য ধন্যবাদ। শোকেসে রাখলাম
১০৯. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:২৯
চন্দন মূখারজী বলেছেন: বলতে পারেন "৭১" এর জনাব নুরে আলাম সিদ্দিকি ,জনাব আ স ম আবডুর রব জনাব সাজাহান সিরাজ , জনাব আব্দুল কুদ্দুস মাখন এবন সেখ সহিদুল ইসলাম এরা এখোন ,কটায় আর কি করেন? ইচ্চা করে এদের এখনকার ছবি দেখতে।
১১০. ২৫ শে এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:৪৫
অবলা পুরুষ বলেছেন: + সহ সোজা প্রিয়তে।
আমার কাছে পোষ্টাকে অসধারন মনে হচ্ছে। আপনাকে এমন একটা পোষ্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬২১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি রাগিব হাসান। ভুট্টা ক্ষেতের মাঝে বসে আমি গণক মশাইকে পাহারা দিতাম। আর পাহারা দেয়ার তরিকা নিয়ে গবেষণা করতাম।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ