আমার প্রিয় পোস্ট

জাদুনগরের কড়চা

নমস্য ইউজার - গুগল, ইয়াহু!, আর আন্তর্জালের দূরদর্শিতা

০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৩৬

শেয়ারঃ
0 1 0

বিশ্বব্যাপী জনসাধারনের আয়ত্বে ইন্টারনেটের আগমন যখন ঘটে ১৯৯২-৯৩ সালের দিকে, তখন থেকেই দিনে দিনে ওয়েবসাইট নির্মান সহজ থেকে সহজতর হয়ে উঠেছে। এর সাথে সাথে তৈরী হয়েছে নানা বিজনেস মডেল বা ব্যবসায়িক কৌশলের।

সফটওয়ার কোম্পানিগুলো আগে ব্যবসা করতো সফটওয়ারকে পণ্যের মতো কেনা বেচা করে। কিন্তু ইন্টারনেট আসার সাথে সাথে নতুন কৌশল আসে - ওয়েবসাইটভিত্তিক সার্ভিস। ব্রাউজারের মাধ্যমে ওয়েবমেইল, মেসেঞ্জারের মাধ্যমে চ্যাট - এসবের পাশাপাশি হালে শুরু হয়েছে ওয়ার্ড প্রসেসর, স্প্রেডশীট, প্রেজেন্টেশন - এই সবগুলোকেই ইন্টারনেটে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে হাতের নাগালে এনে দেয়া।

প্রথম দিকে এরকম সেবাদাতা সাইটগুলো নগদ পয়সা ছাড়া সেবা দিতে নারাজ ছিলো। মনে আছে, এক সময়ে ইয়াহু মেইলে ফ্রি দিতো ৬ মেগাবাইট, আর পয়সা দিলে ২০ মেগাবাইট। এর বেশি অল্প গেলেই মেইল বাউন্স শুরু করতো। কোম্পানীগুলো প্রথমে ভেবেছিলো, "ফেলো কড়ি, মাখো তেল" - এই পদ্ধতি ওয়েবদুনিয়াতেও কাজ করবে।

কিন্তু দেখা গেলো, প্রতিযোগিতার এই বিশ্বে প্রতিদ্বন্দ্বীরা বিনা মূল্যে অনেক সার্ভিস দিতে শুরু করেছে। আম-জনতাও বোকা না - সার্ভিস পেতে হলে টাকা দিতে হবে, টাকা না দিলে মুখ বন্ধ করে সার্ভিস দাতা কোম্পানির হম্বি তম্বি স্বৈরাচারী আচরণ সব সইতে হবে - সে যুগ আর নেই। ইয়াহুর পয়সা নেয়া ইমেইলের প্রতিদ্বন্দ্বী সার্ভিস হিসাবে এলো গুগলের জিমেইল, বিনা মূল্যে বিপুল জায়গা দিলো। "দাও টাকা, নইলে ইমেইল মুছে দিলাম", "টাকা দাওনা তো সার্ভিস চাও কেনো" - এরকম মানসিকতার সব সাইট রাতারাতি ধরা খেলো।

২০০০ সালের দিকের ডট কম বিপর্যয়ের পরে এখন সব কোম্পানিই সাবধানী হয়ে গেছে। ইউজারেরাই এখন নমস্য - তাদের খুশি রাখতে পারলেই যে আয় হবে কোনো না কোনো ভাবে, সেটা এখন সবাই বোঝে। তাই এখন খোদ মাইক্রোসফটও অফিস লাইভের মাধ্যমে তাদের অনেক সার্ভিস দিচ্ছে বিনা মূল্যেই।

---

এতো কথা মাথায় আসলো আসলে গত সপ্তাহের এক বক্তৃতা শুনে। ইন্টারনেটে অনেক কিছুরই পথিকৃত ইয়াহু!র একটা রিসার্চ সেন্টারও আছে, সেখানে ওয়েব প্রযুক্তি নিয়ে বিস্তর গবেষণা চলে। সেই ইয়াহু রিসার্চের প্রধান বিজ্ঞানী প্রভাকর রাঘবন গত সপ্তাহে ইয়াহুর ব্যবসায়িক কৌশলে ব্যবহার করা প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করছিলেন আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে। গুগলের মতো ইয়াহুর মূল আয়টি আসে বিজ্ঞাপন থেকে। সার্চ করার সময়ে মূল ফলাফল বামে আসে, আর পাতার একেবারে ডানদিকে কিছু সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন দেখা যায়। ১০০ জনে দুই এক জন হয়তো সেখানে ক্লিক করে। তখন বিজ্ঞাপনদাতা কোম্পানি ইয়াহুকে কিছু পয়সা দেয়। অল্প মনে হলেও কোটি কোটি সার্চ দিনে করা হয়, কাজেই মোট হিসাবে পরিমাণটা কম না। বিলিয়ন ডলারের কোঠায় দাঁড়ায় সেটা।

বিজ্ঞাপনগুলো আবার নিলামের মতো, যে কোম্পানী বেশি টাকা দিবে বিজ্ঞাপনে, তাদের বিজ্ঞাপনকেই আগে দেখাবে।

তো, একজন প্রশ্ন করলো ডঃ রাঘবনকে, বিজ্ঞাপনে ক্লিক করাতে যদি পয়সা পাওয়া যায়, তাহলে ইয়াহু! বামদিকের সার্চ রেজাল্টের সাথে বিজ্ঞাপন মেশাচ্ছেনা কেনো? ওখানে সার্চের ফলাফল হিসাবে খোঁজ করা শব্দগুলোর সাথে সম্পর্কিত সাইটের লিংক না দেখিয়ে, যারা টাকা দিচ্ছে বিজ্ঞাপনে, তাদের লিংক দেখালেই তো চলে। ইউজারেরা তো মাগনা মাগনা সার্চ করছে, ওদের পাত্তা দেয়ার দরকার কী? এমনি এমনি ফ্রি রেজাল্ট পাচ্ছে, সেই রেজাল্ট কোম্পানির বিজ্ঞাপন না আসল রেজাল্ট, তা নিয়ে ইউজারেরা কথা বলার অধিকার রাখবে কেনো!! না পোষালে অন্য সাইটে যেতেই পারে। ইয়াহু নিজের যাতে লাভ, তা করলেই পারে।

জবাবে ডঃ রাঘবন বললেন, এই ব্যাপারটা নিয়ে প্রস্তাব আসেনি তা না। কিন্তু ব্যাপারটাকে এভাবে দেখা যাক - ইউজারদের জন্যই তো বিজ্ঞাপনদাতারা বিজ্ঞাপন দেবে। সেই ইউজারেরা যদি সন্তুষ্ট না হয়, তাদের কাংক্ষিত সার্চ ফলাফলের বদলে যদি বিজ্ঞাপন পান, তাহলে ইয়াহু হয়তো আজকে কিছু বিজ্ঞাপনের পয়সা পাবে। কিন্তু এই অতৃপ্ত ও অসন্তুষ্ট ইউজার ইয়াহু দিয়ে আর পরে সার্চ করবে না। ফলে আখেরে ক্ষতিটা হবে ইয়াহুরই ... ইউজারেরা না আসলে বিজ্ঞাপন দাতারাও চলে যাবে।

কাজেই ইয়াহুর (এবং গুগলেরও) নীতি হলো, ইউজারদের নমস্য বলে জ্ঞান করা, তাদের খুশি রাখা। ইউজারদের খুশি রাখলে বিজ্ঞাপন দাতারা সেই ইউজারদের টানেই আসতে থাকবে।

তাই আজকের ওয়েব দুনিয়াতে ইউজাররাই হলো নমস্য - ওয়েবসাইটের প্রাণই হলো ইউজারেরা। বিনা মূল্যে সার্ভিস নিলেও তাদের মনোযোগ ধরে রাখার জন্যেই ওয়েবসাইটগুলো করে চলে প্রাণপণ চেষ্টা, তা হয়তোবা অনেকটা নিজেদের স্বার্থেই।



----
বিশেষ দ্রষ্টব্য - লেখাটির সাথে এই ব্লগ সাইট বা অন্য কোনো সাইটের আচরণের বা ব্যবসা-কৌশলের কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো মিল খুঁজে পেলে তা নিতান্তই কাকতালীয়, ও তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইয়াহু! ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৪৮
নেমেসিস বলেছেন: +

আজকের ওয়েব দুনিয়াতে ইউজাররাই হলো নমস্য - ওয়েবসাইটের প্রাণই হলো ইউজারেরা।
৩. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫৬
হট্টগোল বলেছেন:

যাক, আপনার এই পোস্ট পড়েও ইউজারদের সম্পর্কে যদি একটু শ্রদ্ধাবোধ সামহোয়ার কর্তৃপক্ষের বাড়ে !!!

নযতো এই ইউজাররাই একদিন দেখিয়ে দিবে।

খুব বেশি দূরে নয় সেই দিন ...
৪. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:০০
নাজিম উদদীন বলেছেন: লেখাটির সাথে এই ব্লগ সাইট বা অন্য কোনো সাইটের আচরণের বা ব্যবসা-কৌশলের কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো মিল খুঁজে পেলে তা নিতান্তই কাকতালীয়, ও তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।

হা হা হা..
৬. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৩০
ফজলে এলাহি বলেছেন: "আন্তর্জাল" -শুধু এ শব্দটা নিয়ে কিছু বলি-
বাংলা ভাষার জন্য আমাদের এত এত গর্ব, অথচ কোন একটি নতুন শব্দ এলেই তা মুহূর্তে ইংরেজী থেকে ধার করে ব্যবহার শুরু করে দেই। এমন কি অনেকেই রীতিমত গর্বের সাথেই সেসব ভিণদেশী শব্দাবলী ব্যবহার করে থাকেন আজকাল।

ইংরেজী আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে জানা জরুরী। কিন্তু তাই বলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার মর্যাদা সে বাংলা ভাষা, তাকে এত অবহেলা, তা-ও খোদ এ ভাষার ধারকদের দ্বারা? খারাপ লাগে ব্যাপারটা।

একদা ইন্টানেট ছিল না, এ শব্দটি নিয়েও কারো মাথাব্যাথা ছিল না। যেহেতু এসে গেছে, সেহেতু ভাষাবিদরা মিলে একটা বাংলা শব্দ লেখা শুরু করলেই তো হয়, অধিকাংশ মানুষই অপেক্ষায় থাকে সাহিত্যে, লেখালেখিতে কি শব্দ আসছে। তারা সেটারই অনুসরণ করে থাকে।

আশা করবো ইন্টারনেট এর বাংলা অনুবাদ হিসেবে আন্তর্জাল প্রচলনে ভাষাবিদগণ সজাগ হবেন।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: @ফজলে এলাহি ভাই,

আপনার কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ। আপনার সাথে আমি প্রায় ৯৫% একমত। আসলেই বাংলাতে শব্দ থাকলেও অনেকে কেবল ইংরেজি ব্যবহার করতে চায়।

অনেকেই বলেন বিশ্বায়নের যুগে বাংলা শব্দ নিয়ে পড়ে থাকার গেঁয়ো স্বভাবটা ঠিক না। কিন্তু তাদের স্মরণ রাখা উচিৎ, অনেক পরিচিত শব্দ, যেমন "সাধারণ সম্পাদক" , "রক্তচাপ" এসব আসলে প্রতিশব্দ এবং এটা আমরা খুব অহরহ ব্যবহার করে চলেছি। ইংরেজি শব্দগুলোর বদলে। চেয়ার,টেবিল এগুলো না হয় শ দেড়েক বছর ধরে বাংলাতে ব্যবহার হতে হতে বাংলা শব্দকোষে ঢুকে গেছে; কিন্তু ইন্টারনেট হলো একেবারে বছর দশেক ধরে চালু একটা শব্দ। কাজেই এর ইংরেজি শব্দটা ব্যবহার না করে বাংলা প্রতিশব্দ চালু করতে সমস্যা কী!! সেল ফোনের তো বাংলা "মুঠোফোন" চালু হয়ে গেছে বেশ অনেকদিন ধরেই।

ধন্যবাদ।

৭. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৫১
মাইনুল বলেছেন: সরি ফজলে ভাই এবং রাগিব ভাই, আমি আপনাদের সাথে একমত হতে পারলাম ইন্টারনেটের বাংলা আন্তর্জাল হিসাবে ব্যবহারের। আমি তো ইন্টারনেট বলতেই সাচ্ছন্দ্য বোধ করি।
ধন্যবাদ, সুন্দর পোস্টের জন্য।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: মাইনুল ভাই,

আপনাকেও ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য।

ইন্টারনেট বলতে সাচ্ছন্দ্য ঠিকই বোধ করি, কিন্তু একই যুক্তিতে ব্লাড প্রেশার বলা চলে রক্তচাপের বদলে, জেনারেল সেক্রেটারি বলা চলে সাধারণ সম্পাদকের বদলে, টেলিকমিউনকেশন বলতে পারি টেলিযোগাযোগের পরিবর্তে। আসলে পরিভাষা ব্যাপারটা অনেক সময় আমরা খেয়াল না করে ব্যবহার করি, আবার অনেক সময় খেয়াল করার ফলে মনে হয় ইংরেজি শব্দটাই ভালো। ব্যক্তিগতভাবে আমি মধ্যপন্থী (উপরে ফজলে এলাহি ভাইয়ের সাথে ৯৫% একমত হওয়ার কারণ এটাই )।

৮. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:৫৪
দেশপ্রেমিক বলেছেন: কোথাও ভুল হচ্ছে কি রাগিব? সামহোয়্যার কি গুগল বা ইয়াহু'র মতো বিজ্ঞাপন থেকে আয় করে? সামহোয়্যারের ব্যবহারকারীরা কি বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার মাধ্যমে সামহোয়্যারকে কোটি টাকার ব্যবসা করার সুযোগ করে দিচ্ছে? গুগল বা ইয়াহু কি মডারেশনের দায়িত্ব নিয়ে কোনো কমিউনিটি সাইট চালায় (বিষয়ভিত্তিক সাইট/ফোরাম বাদে)? সেই হিসেবে সামহোয়্যার ইন অনেক স্বাধীন আর ক্ষমতাবান।

উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কে শুধু একটা কথাই বলা যায়: বাঁদরকে আদর করে মাথায় উঠতে দিলে সে যে আপনার মাথায় উঠে হাগু করবেনা তার গ্যারান্টি কী? বরং সামহোয়্যার ইন'কে দোষ দেয়া যায় এইসব বাঁদরকে মাথায় ওঠার সুযোগ করে দেয়ার জন্য। এটা সামহোয়্যারের জন্য একটা ভালো শিক্ষা হয়ে থাকবে।

সামহোয়্যার কর্তৃপক্ষকে বলতে চাই, রাগিবের এই ফাউল এবং fully ফালতু কমপ‌্যারিজনে বিভ্রান্ত হবেননা। আপনাদের ইন্টেলেক্টে আস্থা আছে। তারপরও আপনারা মাঝে মাঝে এরকম ট্রাপে পরে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন এবং চাপের মুখে ভুল/ফাউল/ফালতু সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। তাই আগে ভাগে সাবধান করলাম।
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: @দেশপ্রেমিক -

আপনার সুদীর্ঘ প্রলাপসদৃশ বক্তব্যটি পড়ে হাসবো না কাঁদবো, বুঝতে পারছি না। এখানে সামহয়ারইনব্লগ পেলেন কোথায়? আমি আলোচনা করেছি বর্তমান ইন্টারনেটে বিভিন্ন কোম্পানির বিজনেস মডেল নিয়ে, এবং মাত্র গত সোমবারে যে সেমিনারটিতে ডঃ রাঘবনের বক্তব্য শুনি, সেটার অংশবিশেষ নিয়ে। এখানে সামহয়ারইনব্লগের কথা আসলো কোথায়? আর আপনার মতো কেউ কেউ এখানে যাতে বিভ্রান্ত না হয়, সেজন্য পোস্টের শেষে বিশুদ্ধ বাংলাতে একটি "বিশেষ দ্রষ্টব্য" কথা লেখা আছে, যাতে আমি স্পষ্ট করে বলেছি, এই পোস্টের সাথে এই ব্লগ বা অন্য কোনো ব্লগ সাইটের সম্পর্ক নেই। খামোখা পানি ঘোলা করে উলটো পালটা প্রলাপ বকছেন কেনো?

গুগল এবং ইয়াহুর সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছু আলাপ করার থাকলে বলুন। নতুবা এই পোস্টের অপব্যাখ্যাকে কেবল উর্বর মস্তিষ্কোজাত প্রলাপবাক্য ধরতে হবে।

১০. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৫২
আরিফুর রহমান বলেছেন: রন্টির সাথে হাসিতে যোগ দিলাম।

দেশপ্রেমিক.... হাহাহাহাহা
১১. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:৫৩
কাস্তের মত চাদঁ বলেছেন: একজন ভারতীয় এত উপরস্তরের বিজ্ঞানী? দেখে গর্বিতই হলাম। বাংলাদেশি ছেলেরা কেউ এরকম উপরে যেতে পেরেছে?
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:১৪

লেখক বলেছেন: কেবল ইয়াহু! নয়, গুগল, আই বি এম, এবং মাইক্রোসফটের রিসার্চ সেন্টারের বাঘা বাঘা বিজ্ঞানীরা অনেকেই ভারতীয়।

গুগলে আমার অফিসের প্রায় ৫০% ইঞ্জিনিয়ার ছিলো ভারতীয়।

---

বাংলাদেশীদের মধ্যে অবশ্য এখনো কেউ এতো উপরে যেতে পারেনি। মাইক্রোসফট রিসার্চে একজন আছেন, বছর দুয়েক আগে যোগ দিয়েছেন।

১২. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৩৩
মামু বলেছেন: জ্ঞানের কথা শুইন্যা ভাল লাগল....

এই রকম কামের কতা রাইকা, কিচু পাবলিক আন্দোল আন্দোল কইরা ব্লগটারে বিষ্ঠা বানাইয়া রাকতাচে... আরে অগোরে তো ১০/১৫ দিন এমনিতেই ছাইড়া দিব... এত ফাল পারার কি আচে...
১৩. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৩০
রায়হান আবির বলেছেন: ভালো পোস্ট...

সেবার মান কত উপরেই না উঠবে...

সব কিছুই ঠিক আছে। অবাক করা ব্যাপার..সেটা হলো শুধু বিজ্ঞাপণ দিয়ে ওরা কত টাকাই না আয় করে। আমি সজ্ঞানে কখনও কাউকে বিজ্ঞাপণ ক্লিক করতে দেখি নাই...শুনিও নাই

অথচ সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিককে পুঁজি করেই গড়ে উঠেছে গুগল ইয়াহুর মতো প্রতিষ্ঠান...

অফ টপিকঃ আচ্ছা রাগিব ভাই, আপনি কখনও অনলাইনে কেনাকাটা করেছেন?
০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: আমি হয়তো ১০০ বার সার্চ করলে দুই একবার পাশের বিজ্ঞাপনী লিংকে ইন্টারেস্টিং কিছু পাই।

----

আমি সব কিছুই অনলাইনে কেনাকাটা করি। স্ট্যাপলার, মাউজ, বই, ইলেক্ট্রনিক্স থেকে শুরু করে অন্য সব কিছু। কেবল কাঁচাবাজারটা দোকানে করা হয়। :)

১৪. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬
দস্যু বনহুর বলেছেন: খুবই ভাল লেখা। যাদের জন্য লেখা তারা বুঝলেই হয়।
১৫. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৫৪
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: "ব্যক্তিগতভাবে আমি মধ্যপন্থী"

ভাষার মত সিরিয়াস একটা ব্যাপারে আপনার মধ্যপন্থায় আমি হতাশ।
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: "মধ্যপন্থা"র ব্যাপারটা উপরেই ব্যাখ্যা করেছি ... আমি মোটেও "কেদারা", "দুরালাপনী", "অম্লজান" এসব শব্দ ব্যবহার করি না, কারণ এর ইংরেজি মূল শব্দগুলো বাংলাতে চালু আছে বহুকাল ধরেই। কিন্তু নতুন আমদানী হওয়া শব্দের জন্য আমি ইংরেজি শব্দের বাংলাটাই খুঁজবো।

যেমন, "ভিউয়াড়স" এর বদলে "দর্শকমণ্ডলী"টাই বলবো।

কাজেই মধ্যপন্থার সাথে সিরিয়াস থাকা-না-থাকার সম্পর্ক নেই।

১৬. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:২৪
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: দারুণ পোস্ট। এই ব্যাপারটি সকল মিডিয়ার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। পত্রিকা, টিভি এবং ওয়েব সাইট সকল মিডিয়ার একই কৌশল, তবে পন্থা আলাদা। ভোক্তাও আলাদা বা একজনই।
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

অন্যান্য মিডিয়ার সাথে ওয়েবভিত্তিক অনেক কিছুর পার্থক্য হলো, ওয়েব দুনিয়াতে ভোক্তাদের ধরে রাখা বেশ কঠিন। বাজে সার্ভিস পেলে নিমেষেই ভোক্তারা অন্যত্র চলে যাবে, যেটা হয়তো প্রচলিত মিডিয়াতে কম হয়। সোশাল নেটওয়ার্কে এক সময় ফ্রেন্ডস্টার খুব বিশাল জনপ্রিয় ছিলো, কিন্তু প্রচন্ড ধীরগতির হওয়াতে যখন ফেসবুক, অর্কুট, মাইস্পেস এলো, সবাই সেখান থেকে কেটে পড়লো। ওয়েবে আজ যে রাজা, কাল সে পথের ফকির। ২০০০ সালের ডট কম বুদবুদ ফাটার কথা ইয়াহু , গুগল মনে রেখেছে, ... ভোক্তাদের খুশি রাখলে যে নিজেরা টিকে থাকবে, সেটা তারা ভালো করেই জানে। :)

১৭. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:১৫
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: "কাজেই মধ্যপন্থার সাথে সিরিয়াস থাকা-না-থাকার সম্পর্ক নেই।" ত্তাহলে মধ্যপন্থী বলার দরকার নাই, মধ্যপন্থী ব্যপারটা কেমন জানি সুবিধাবাদী বলে মনে হয়।বলেন ভাষার ব্যপারে আপনি বিবর্তনের পক্ষে...
১৮. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:৪৭
পথিক!!!!!!! বলেছেন: সুচিন্তনীয় মন্তব্য
২০. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:৫৬
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: আজকের ছুটির দিনে আপনাকে নিয়ে লেখাটা পড়লাম। ভালো লাগলো।
২১. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:২৪
প্রলয় হাসান বলেছেন: হ্যাটস অফ টু রাগিব ভাই। আপনার বদান্যতার কথা সারাবিশ্ব একদিন জানতে পারবে। বাংলাদেশের অনলাইন ইতিহাসে আপনার নাম স্বর্নাক্ষরে লেখা থাকুক।


১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ @ফ্রুলিংক্স ও প্রলয় হাসান

২২. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৪০
নিবিড় অভ্র বলেছেন: আপনিই তাহলে সেই তরুণ রাগিব, যার কথা আজ "ছুটির দিনে"তে পড়লাম????
আপনার জয় হোক!!!!
আমার শুভকামনা রইল।
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

জ্বি, তবে আর তরুন টরুন নাই এখন। আমি যখন এসএসসি দেই, সেই বছরে জন্মানো বাচ্চারা এখন ক্লাস নাইনে পড়ে!!

২৩. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৪৭
রেজা ঘটক বলেছেন: কিভাবে আমি ইউনিবিজয় ব্যবহার করে নতুন ব্লগ ওপেন করবো?
কিভাবে ইউনিবিজয় ভাষা সেট করবো?
জানালে খুশি হবো।।

রেজা ঘটক
ঢাকা
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: ব্লগে ডিফল্ট কীবোর্ডতো ইউনিজয়ই সেট করা আছে।

২৪. ১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৩৭
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: প্রথম আলোর ফিচারটা নিয়ে আমাদের এত খুশি হবার কি আছে, রাগিব হাসান ওই ফিচারে উল্লেখিত গুনের চেয়ে ঢের বেশী গুনের অধিকারী। ইন্টারন্যাশনাল পেপারগুলাতে তাকে নিয়ে হইচই শুরু হোক...তখন সত্যিকারের উল্লসিত হব।
২৬. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৩:৩৮
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: নববর্ষের শুভেচ্ছা রাগিব ভাই
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: আপনার জন্যেও রইলো নববর্ষের শুভেচ্ছা।

২৭. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৫:২৭
পলাশমিঞা বলেছেন: রাগিবভাই শুভ নববর্ষ
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও জানাই শুভ নববর্ষ।

২৮. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৮:৫৬
ত্রিভুজ বলেছেন:



শুভ বাংলা নববর্ষ রাগিব ভাই!

নতুন বছরের প্রতিটি ক্ষণ আপনার জন্য সুখের হোক ...

১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনাকেও জানাই শুভ নববর্ষ।

২৯. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:১০
কাজ করে খাই বলেছেন: জ্বি, তবে আর তরুন টরুন নাই এখন। আমি যখন এসএসসি দেই, সেই বছরে জন্মানো বাচ্চারা এখন ক্লাস নাইনে পড়ে!! @রাগিব


আমার কি হবে? আমিতো এখনো নিজেকে তরুন মনে করি, যদিও আমি যখন এসএসসি দেই, সেই বছরে জন্মানো বাচ্চারা এখন ২৬ বছরের যুবক বা যুবতী!!

ডোবানোটা কি ঠিক হলো?

লেখা ভালো লেগেছে।
৩১. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:২২
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: নতুন বছরের প্রতিটি দিন হোক সুন্দর ও আনন্দের।
শুভ নববর্ষ।
৩২. ১৫ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:২৯
মুকুল বলেছেন: বিশেষ দ্রষ্টব্য - লেখাটির সাথে এই ব্লগ সাইট বা অন্য কোনো সাইটের আচরণের বা ব্যবসা-কৌশলের কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো মিল খুঁজে পেলে তা নিতান্তই কাকতালীয়, ও তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী।

---
হাসতেই আছি। ওরা যদি কিছু শেখে এবার!!! :)
৩৩. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:০০
ময়ুরবাহন বলেছেন: নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই।
৩৪. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৫:৩৭
স্বাধীন বাংলা বলেছেন: অমর একুশে'র ভাষা সৈনিকদের তালিকা

Click This Link

মহামান্য রাষ্ট্রপতি ড. ইয়াজউদ্দিন আহমদ কি ভাষা সৈনিক ছিলেন?

Click This Link
৩৬. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৭:৪৯
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: রাগিব ভাই , আপনার ইউনিভার্সিটির ইন্দ্রনীল দত্ত নামের কাউকে চেনেন নাকি ?
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:১৮

লেখক বলেছেন: ইন্দ্রনীল নামে বেশ কয়েকজনকে চিনি। যাঁর কথা বলছেন, তিনি যদি ভাষাবিদ হন, তাহলে উনার সাথে বার দুয়েক দেখা হয়েছে (বাঙালি, মাছ ভাজার বেজায় ভক্ত)। যদি পদবী দত্ত না হয়ে গুপ্ত হয়, তাহলে সেটা আমাদের এক অধ্যাপক।

আপনি কীভাবে চিনেন?

৩৭. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:২৫
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: রাগিব ভাই , আমার সাথে বিশ্বরূপ ঘোষ নামে কোলকাতার এক বড় ভাইয়ের পরিচয় আছে । কথায় কথায় জানা গেল উনার এক বন্ধু আর্বানা শ্যাম্পেন ইউনিভার্সিটির এপলায়েড ল্যান্গুইস্টিক লেকচারার । তাই মনে হলো আপনি চিনতে পারেন । এজন্যই বললাম । উনি নাকি এখানে আসবেন কিছুদিন পর ঘুরতে ।
৩৯. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:২৫
কেএসআমীন বলেছেন: ইউজাররাই নমস্য.... সন্দেহ নাই...

৪২. ০৯ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:২৭
চিকনমিয়া বলেছেন: স্যার, একটা টেকি পুষ্ট দেন না পিলিজ
৪৩. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯
চাচামিঞা বলেছেন: হম.....আসলে আমরা যতই মাগনা সার্ভিস নেইনা কেনো, বিনিময়ে কিন্তু আমাদের মুল্যবান ইমেইল এড্রেসটা দিচ্ছি......এটা সেবাদানকারীর ডাটাবেইজকে সমৃদ্ধ করছে.....তারা অন্যভাবে ব্যবসা করতে পারছে.......আসলে এই দুনিয়েয় কিছুই মাগনা নয়......।
৪৪. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৬
বিবর্তনবাদী বলেছেন: এখন আমরা আসলেই রাজা আমদের রাজার রাজত্বে:)
৪৫. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
মৃত৬৬৬ বলেছেন: রাগিব ভাই, আপনার একটা ইমেইল আইডি দিতে পারবেন? একটা কথা জানার ছিল।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: http://ragibhasan.com/contact.html

৪৬. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৫১
রাজীব বলেছেন: বিশেষ দ্রষ্টব্য - লেখাটির সাথে এই ব্লগ সাইট বা অন্য কোনো সাইটের আচরণের বা ব্যবসা-কৌশলের কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো মিল খুঁজে পেলে তা নিতান্তই কাকতালীয়, ও তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী

শুধু এই লাইনটির জন্যই ১০০+ দেয়া উচিৎ।
৪৭. ১৩ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১:২৩
আহমদ শরীফ বলেছেন: ইন্টারনেটের বাংলা শব্দ যে অন্তর্জাল এটা আজ প্রথম জানলাম, যদিও শব্দটা আগে শুনেছি , কিন্তু তারপরও ধরতে পারিনি ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৫৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি রাগিব হাসান। ভুট্টা ক্ষেতের মাঝে বসে আমি গণক মশাইকে পাহারা দিতাম। আর পাহারা দেয়ার তরিকা নিয়ে গবেষণা করতাম।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ