এছাড়া কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমানও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ফারুক রহমান উল্লেখ করেন, তিনি নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানীর সহকারী হিসাবে কাজ করেন। এছাড়া বিভিন্ন যুদ্ধেও অংশ নেন তিনি।
তাদের অনেকেই তখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তারা বিদ্রোহ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। কেউ কেউ পাকিস্তানের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট থেকে জীবন বাজি রেখে পালিয়ে আসেন এবং যুদ্ধে অংশ নেন। এদের মধ্যে লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমান, মেজর (অব.) বজলুল হুদা, মেজর (অব.) আজিজ পাশা পাকিস্তান ক্যান্টনমেন্ট থেকে পালিয়ে এসে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। এম আর আখতার মুকুলের বইয়ে উল্লেখ রয়েছে, বজলুল হুদা ও আজিজ পাশা ২ নম্বর সেক্টর এবং সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের কে-ফোর্সে যুদ্ধ করেন।
সম্মুখযুদ্ধে জীবন বাজি রেখে বীরত্বের জন্য লে. কর্নেল (অব.) শরিফুল হক ডালিম জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ খেতাব বীর-উত্তম উপাধি লাভ করেন। মুক্তিযুদ্ধে চার নম্বর সেক্টরের কমান্ডার সি আর দত্তের অধীনে যুদ্ধ করেন লে. কর্নেল (অব.) শরিফুল হক ডালিম। অনেক সম্মুখযুদ্ধে তিনি নেতৃত্ব দিয়ে জীবন বাজি রেখে পাকিস্তান বাহিনীকে পরাজিত করেন এবং এলাকা মুক্ত করেন।
১ নম্বর সেক্টর ও জেড ফোর্সে বীরত্বপূর্ণ সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য লে. কর্ণেল (অব.) এসএইচবিএম নূর চৌধুরী বীর-বিক্রম খেতাব লাভ করেন। বিভিন্ন জায়গায় তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন।
মুক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় তাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




