আমার প্রিয় পোস্ট

ফটোগ্রাফি, ভ্রমন, সিনেমা, ওয়ার্ডপ্রেস, এবং সব এলোমেলো ভাবনা

ঋত্বিক ঘটকের - নাগরিক

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৯

শেয়ারঃ
0 0 0



বাংলা সিনেমার সবচেয়ে মেধাবী পরিচালকদের একজন ঋত্বিক ঘটকের আজ জন্মদিন। এ উপলক্ষে সাইটে যোগ করা হলো তার একটি সিনেমা - নাগরিক। বাকী আরো কয়েকটি সিনেমা যুক্ত হবে শীগগিরই।

আশা করি সিনেমাটি ভালো লাগবে।

---------------------------------------------------------------------------------
বাংলা সিনেমা আর্কাইভ - দুই বাংলার পুরনো সাদা-কালো সব বাংলা সিনেমা, গান, ও রিভিউ
Bangladesh Travel Assistance - Free travel info on Bangladesh

 

প্রকাশ করা হয়েছে: প্রিয় সিনেমা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:২৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২০
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: আমার প্রিয় পরিচালক। তাঁকে স্মরণ করছি।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: প্রিয় পরিচালকের বেশ কিছু সিনেমা দেখতে পাবেন সাইটে খুব শীঘ্রই।

২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২১
দীপান্বিতা বলেছেন: আজ বলতে কিন্ত লোকে ৫তারিখ বুঝবে! :D
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: বারোটা যে বেজে গেছে খবর নাই! আমার ঘড়িতে ৯.২১ বাজে কি না মোটে!! :)

৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৭
দীপান্বিতা বলেছেন: ঋত্বিক ঘটক :-<br />
ঋত্বিক ঘটক বা ঋত্বিক কূমার ঘটক (নভেম্বর ৪, ১৯২৫ – ফেব্রুয়ারি ৬, ১৯৭৬) একজন বিখ্যাত বাঙালি চিত্র পরিচালক । তাঁর জন্ম পূর্ববঙ্গের(বর্তমান বাংলাদেশের) ঢাকা শহরে। ১৯৪৭ এর ভারত বিভাগের পরে তাঁর পরিবার কলকাতায় চলে যায়। বাংলা চলচিত্র পরিচালকদের মধ্যে তিনি সত্যজিত রায় এবং মৃণাল সেনের সাথে তুলনীয়।


প্রাথমিক জীবন :-<br /> ঋত্বিক ঘটক পূর্ববঙ্গের(বর্তমান বাংলাদেশের) ঢাকা জেলায় জন্ম গ্রহন করেন।
তাঁর মায়ের নাম ইন্দুবালা দেবী এবং বাবা সুরেশ চন্দ্র ঘটক। তিনি বাবা মায়ের ১১তম এবং কনিষ্ঠতম সন্তান।
১৯৪৩ এর দুর্ভিক্ষ এবং ১৯৪৭ এর ভারত বিভাগের পরে পূর্ববঙ্গের প্রচুর লোক কলকাতায় আশ্রয় নেয় এবং এরই ধারাবাহিকতায় তাঁর পরিবার কলকাতায় চলে যায়।

শরণার্থীদের অস্তিত্বের সংকট তাঁকে গভীরভাবে আলোড়িত করে এবং পরবর্তী জীবনে তাঁর চলচিত্রে এর স্পষ্ট প্রমান পাওয়া যায়।


কর্মজীবন :-<br />
ঋত্বিক ঘটক তাঁর প্রথম নাটক কালো সায়র লেখেন ১৯৪৮ সালে।
একই বছর তিনি নবান্ন নামক পুনর্জাগরণমূলক নাটকে অংশ গ্রহণ করেন।
১৯৫১ সালে তিনি ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার এসোসিয়েশনে (IPTA) যোগদান করেন।
এসময় তিনি নাটক লেখেন, পরিচালনা করেন ও অভিনয় করেন এবং বের্টোল্ট ব্রেশ্‌ট (Bertolt Brecht) ও নিকোলাই গোগোল (Nikolai Vasilievich Gogol)-এর রচনাবলি বাংলায় অনুবাদ করেন।
জ্বালা নাটকটি তিনি লেখেন এবং পরিচালনা করেন ১৯৫৭ সালে; এটিই তাঁর পরিচালনায় শেষ নাটক।

ঋত্বিক ঘটক চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন নিমাই ঘোষের ছিন্নমূল (১৯৫০) সিনেমার মধ্য দিয়ে; তিনি একই সাথে অভিনয় করেন এবং সহকারী পরিচালক হিসাবে কাজ করেন।

এর দু'বছর পর তাঁর একক পরিচালনায় মুক্তি পায় নাগরিক। দু'টি চলচ্চিত্রই ভারতীয় চলচ্চিত্রের গতানুগতিক ধারাকে জোর ঝাঁকুনি দিতে সমর্থ হয়েছিল।

তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে
মেঘে ঢাকা তারা (১৯৬০),
কোমল গান্ধার (১৯৬১) এবং
সুবর্ণরেখা (১৯৬২) অন্যতম;
এই তিনটি চলচ্চিত্রকে ট্রিলজি বা ত্রয়ী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়, যার মাধ্যমে কলকাতার তৎকালীন অবস্থা এবং উদ্বাস্তু জীবনের রুঢ় বাস্তবতা চিত্রিত হয়েছে।
সমালোচনা এবং বিশেষ করে কোমল গান্ধার এবং সুবর্ণরেখার ব্যবসায়িক ব্যর্থতার কারণে এই দশকে আর কোন চলচ্চিত্র নির্মান তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি।

ঋত্বিক ঘটক ১৯৬৬ সালে স্বল্প সময়ের জন্য পুনেতে বসবাস করেন। এসময় তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে (FTII) অধ্যাপনা করেন। FTII-তে অবস্থানকালে তিনি শিক্ষার্থীদের নির্মিত দুটি চলচ্চিত্রের (Fear and Rendezvous) সাথে জড়িত ছিলেন।

ঋত্বিক ঘটকের চলচ্চিত্রের জগতে পুনরাবির্ভাব ঘটে সত্তরের দশকে যখন এক বাংলাদেশী প্রযোজক "তিতাস একটি নদীর নাম" নির্মাণে এগিয়ে আসেন।
তিতাস একটি নদীর নাম বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
ঋত্বিক ঘটকের পরিচালনায় উপন্যাসটির চলচ্চিত্রে রূপদান সম্পন্ন হয়।
তিতাস একটি নদীর নাম মুক্তি পায় ১৯৭৩ সালে।
খারাপ স্বাস্থ্য এবং অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে নিয়মিত কাজ চালিয়ে যাওয়া তাঁর পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

তাঁর শেষ চলচ্চিত্র যুক্তি তক্কো আর গপ্পো (১৯৭৪) অনেকটা আত্মজীবনীমূলক এবং এটি তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্র থেকে ভিন্ন ধাঁচের।


ঋত্বিক ঘটক এক ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সদস্য। তাঁর বাবা সুরেশ চন্দ্র ঘটক একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন এবং তিনি কবিতা ও নাটক লিখতেন। তাঁর বড় ভাই সেই সময়ের খ্যাতিমান এবং ব্যতিক্রমী লেখক মনীশ ঘটক ছিলেন ইংরেজীর অধ্যাপক এবং সমাজকর্মী। IPTA থিয়েটার মুভমেন্ট এবং তেভাগা আন্দোলনে মনীশ ঘটক জড়িত ছিলেন। মনীশ ঘটকের মেয়ে বিখ্যাত লেখিকা ও সমাজকর্মী মহাশ্বেতা দেবী। ঋত্বিক ঘটকের স্ত্রী সুরমা ছিলেন স্কুল শিক্ষক।

(উইকিপিডিয়া থেকে দেওয়া হোলো)
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪০

লেখক বলেছেন: ইউকিপিডিয়ার লিংকটা দেন, দিয়ে দেই। পুরোটা দেয়ার মত জায়গা নেই ওয়াইজেটে।

৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৮
দীপান্বিতা বলেছেন: হাঃ...হাঃ...হাঃ! হাই তোলাগুলো ডেল করে এটা যোগ করে দিন... :)
৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫
বিষুন বলেছেন: আপনার প্রচেষ্টাকে স্বাগত। অনেক শুভেচ্ছা । ভাল থাকুন।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনিও।

৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৮
দীপান্বিতা বলেছেন: নাগরিক (The citizen):

সাল : ১৯৫২ – ৫৩, সাদা কালো, ৩৫ মি.মি. ১২৫ মিনিট।

প্রযোজনা - ফিল্ম গিল্ড ,প্রমোদ সেনগুপ্ত, ভূপতি নন্দী ও ঋত্বিক কুমার ঘটক।

কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা - ঋত্বিক কুমার ঘটক।

আলোকচিত্র – রামানন্দ সেনগুপ্ত

সম্পাদনা – রমেশ যোশী

সঙ্গীত – হরিপ্রসন্ন দাস

ধারাভাস্য - ঋত্বিক কুমার ঘটক

অভিনয় – প্রভাদেবী, শোভা সেন, সতীন্দ্র ভট্টাচার্য,অজিত ব্যানার্জি, কালী ব্যানার্জি, গাঙ্গাপদ বসু, কেতকী চ্যাটার্জি।

মুক্তির তারিখ : ২০ শে সেপ্টেম্বর,১৯৭৭।


"এইভাবে,

পৃথিবীর ইতিহাস বারবার

বদলে গেছে।

তবুও মানুষ, সবসময় বেঁচেছে,


আমরা পাগলের মতো জীবন

চালিয়ে গেছি,

কিন্তু এটাই জীবন।"

[ “আমাদের ফেলো না” - ঋত্বিক ঘটক , সাহিত্যপত্র ১৩৭৫ সাল (বাংলা)(ইং- ১৯৬৮)]

ইতিহাস বদলের সময় মানুষের বাঁচার লড়াই -এর গল্প এই “নাগরিক”। এক নাগরিকের বেঁচে থাকার পাগলামোই এই চলচ্চিত্রের মূল বিষয়।


এই চলচ্চিত্রটি ১৯৫৩ সাল নাগাদ মুক্তিলাভের জন্য প্রস্তুত হয়েও একটি বিশেষ বানিজ্যিক জটিলতার কারণে অবশেষে এর মুক্তিলাভ সম্ভব হয়ে ওঠেনি।দীর্ঘদিন পরে থাকার ফলে এর Negetive টিও হারিয়ে যায়।

শেষে প্রায় ২৪ বছর পর অতি খারাপ একটি print থেকে ডিউপ Negetive বার করে সেখান থেকে print করান হয় এবং ১৯৭৭ -এর শেষ দিকে “নাগরিক” মুক্তিলাভে সক্ষম হয়।কিন্তু দুঃখের বিষয় এর মুক্তিলাভ ঋত্বিক ঘটকের আর দেখা হয়ে ওঠেনি তিনি তার আগেই মারা যান।

ছবিটি ওই খারাপ print থেকে উদ্ধারের ফলে ছাবিটির আলো-ছায়ার বৈপরিত্য ১৬ আনাই চলে যায়।সে সময় sound track এবং মেকআপ সেরকম উন্নত না থাকায় নতুন print টিতে তার অবস্থা আরও খারাপ হয়।স্বাভাবিক ভাবেই চলচ্চিত্র শিল্পে আলো-ছায়া থেকে যে চলচ্চিত্র ভাষার স্থান তৈরী হয় সেটি এই print টিতে প্রায় খুঁজেই পাওয়া যায় না।ছবিটিতে camera movement এবং সম্পাদনা ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।কিছু অংশে সম্পাদনার যে স্বাভাবিক ছন্দ থাকে সেটিও অনেকটা হারিয়েছে।এই সবকিছু হারিয়েও “নাগরিক” কে বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে নব-তরঙ্গের (new wave cinema)সূচনা ধরা যেতে পারে।এটা একটা বড় প্রাপ্তি।

ঋত্বিক ঘটকের কথায় “দ্বিতীয় মহাযুদ্ধোত্তর বাংলার মধ্যবিত্তের জীবন- যন্ত্রনার এটিই প্রথম বস্তুনিষ্ঠ শিল্পরূপ”।
এটি একটি বাস্তববাদী চলচ্চিত্র।১৯৫০-৫১ - এ চিত্রনাট্য রচনাকাল হলেও আজও এর যর্থাথতা আছে।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর কলকাতা শহরের মধ্যবিত্তদের প্রতিনিধি হিসাবে এক নাগারিককে বেছে নেওয়া হয়েছে এই চলচ্চিত্রে।
এই নাগরিকের নাম রামু।
সে রোজ interview দিতে যায়।
কিন্তু বিফল হয় বার বার, তবু আশা ছাড়ে না।
রোজ সে স্বপ্ন দেখে, একটু ভালো থাকার, একটু নিশ্চিন্ততার।

এই নাগারিককে কেন্দ্র করে আর যে সব চরিত্র আছে (যেমন বা,মা,বোন,পেইংগেস্ট,প্রেমিকা ইত্যাদি)তারা কেউ অবসাদগ্রস্ত, কেউ উদাসীন, কেউ বাঁচার সহজ উপায় খজতে গিয়ে হয়তো সবচেয়ে সস্তা উপায় খুঁজে পেয়েছে।
কিন্তু সবার উদ্দেশ্য একটু বাঁচা, একটু নিশ্চিন্ততা।

রামু প্রতিনিয়ত লড়াই করে চলে।
কখনো ভেঙ্গে পড়ে, কখনো নতুন করে আশায় বুক বেঁধে আবার নতুন উদ্দ্যমে লড়াই করে।
কিন্তু প্রতিবার বিফলতা আসার ফলেও রামুর আত্মভিমান একটুও কমে না।
মানুষ রামু পরির্বতন হয় না।

এই কাহিনীতে আমাদের বেঁচে থাকার অন্যান্য চাহিদাও দেখান হয়েছে।
যেমন রামু উমাকে ভালোবাসে কিন্তু প্রতিদিনের অসফলতা তাকে ভীরূ,কাপুরুষ করে তুলেছে।
সে কারণে রামু তার দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে চায়।
এখানে ভগ্ন সমাজ ব্যাবস্থার রূপটাও খুব পরিস্কার দেখান হয়েছে।
যেমন স্বজনপোষন নীতি, আর্থসামাজিক অবস্থার ভগ্নরূপ ইত্যাদি।
এক কথায় সামাজিক অবক্ষয়ের দিকটা পরিস্কার দেখান হয়েছে।
এখানে বাঁচার সমবেত লড়াইকে গন আন্দোলন রূপে তুলে ধরা হয়েছে।

এই কাহিনীর শেষপ্রান্তে এসে রামু অনুভব করেছে, তার এই লড়াইতে আর্থিক পরিকাঠামোতে আমূল পরির্বতন কিংবা তার রোজকার দেখা স্বপ্ন বাস্তবায়িত করা কোনটাই সম্ভব নয়।
এই কঠোর বাস্তবটা রামু তার নাতির্দীঘ লড়াইয়ের পথেই অনুধাবন করে।
অভিজ্ঞতা তাকে মানসিক ভাবে বলিষ্ঠ করে তোলে।
সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে, আর স্বপ্ন নয় এবার খালি লড়াই।
তার এই লড়াইতে সে উমাকেও সামিল করতে চায়।
ঠিক করে নেয় উমাকে সে বিয়ে করে নেবে।

শেষ দৃশ্যে রামু যখন বাসাটি (ভাড়া বাড়ি) ছেড়ে আরও নিম্নমানের বাসাতে যাবার ব্যাবস্থা করে সেই মুহূর্তে অপর আরেকটি পরিবার নিশ্চিন্ততার স্বপ্ন নিয়ে,ভালোভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন নিয়ে রামুদের ছেড়ে দেওয়া বাসাতে প্রবেশ করে।
এই ভাবে ঘটনার নতুন আবর্তের সূচনা করে চিত্রনাট্যটি শেষ হয়।


কাহিনীর মধ্যে একটা আশার আলো লুকিয়ে আছে, যেটা প্রত্যেক নাগারিককে লড়াই করার উদ্যম যুগিয়ে যায়।

কাহিনীর চরিত্র বিন্যাসের মধ্যে বেহালা বাদক চরিত্রটি এবং তার চলচ্চিত্রায়ন চলচ্চিত্রটিতে আতিরিক্ত মাত্রা যোগ করেছে।

জীবনযোদ্ধার স্বপ্নের ছন্দপতনের রূপক হিসাবে বেহালার তার ছিড়ে যাওয়ার দৃশ্যটি অসাধারণ।

(ধন্যবাদ world film note)
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন: রিভিউটা দিয়ে দিলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ। একটা কাজের কাজ হলো। :)

৭. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৯
দীপান্বিতা বলেছেন: 'আজ' কথাটা এডিট করুন! আজ-এর পাশে ব্র্যাকেটে ৪তারিখ করে আপনার স্থানটা মেন্সন করে দিন......

খুব ভাল লাগলো পোস্টটা দেখে......আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ :)
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: এডিট করে দিলাম। :) ইউকিপিডিয়ার লিংকটা দিন।

৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৯
শয়তান বলেছেন: আমারও প্রিয় পরিচালক।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: প্রিয় পরিচালকের আরো সিনেমা আসছে। চোখ রাখেন সাইটে! :)

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন: লিংক ঠিক নেই!

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: আবার খুঁজেন! :)

১১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৭
বিডি আইডল বলেছেন: বাংলাদেশী মুভি আ্যড হইছে? সাইটটার লে আউট বেশ ভালো হইছে....কিপইটআপ
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের কিছু পাইনা এখনো অনলাইনে। কোন লিংক আছে আপনার কাছে?

১২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৩
হাসান মাহবুব বলেছেন: প্রিয় পরিচালক। নাগরিক এর ডিভিডি কিনসিলাম, কিন্তু খারাপ প্রিন্টের কারণে দেখতে পারিনি। আশা করি আপনাদের ওখানে দেখতে পারবো। উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

ঋত্বিকের নাম শুনেছি অনেক, কিন্তু ভদ্রলোকের কোন সিনেমা আমার নিজেরও দেখা হয় নাই এই পর্যন্ত।

কয়েকটা পেয়েছি নেটে। বাকীগুলো নিজে আপলোড করব।

১৩. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৮
দীপান্বিতা বলেছেন: কি খবর! আমার ‘সূবর্ণরেখা’ ডাউনলোড কমপ্লিট... :D
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: আমি দিচ্ছি সাইটে। সময় পাই এত কম, বলার মতো না! :(

আর কোন রিভিউ লেখা হলো?

১৪. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫২
মনজুরুল হক বলেছেন:

যাঃ বাবাঃ মূল থিম থেকেই দেখি সরে এলাম আমরা! ঋত্বিককে তো এখানে অন্য ভাবে চেনা যাচ্ছে। তার আসল পরিচয়টুকু না বললে পাঠক বিভ্রান্ত হতে পারেন।
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৯

লেখক বলেছেন: আসল পরিচয়টা কি?

১৫. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩২
মহাকালর্ষি বলেছেন: সুতীব্র আবেগে সেলুলয়েড-ভাষায় পাল্টাতে চেয়েছিলেন সমাজ, মানুষের বোধ! যদিও বিজ্ঞজনেরা (!) অসংলগ্নতার দোষে তাঁকে দোষী করে থাকেন, তবু তিনি আমার কাছে অতি মহান একজন মানুষ। আমি তাঁকে ভালোবাসি।
উনার মুভিগুলো আমার সংগ্রহে আছে।

পোস্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। জলদি মুভিগুলো দেখে ফেলুন!
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: স্পিড ভালো থাকলে কয়েকটা আপলোড করে দেন না! :)

১৬. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯
দীপান্বিতা বলেছেন: ‘সূবর্ণরেখা’ দেখলাম......অসাধারণ!
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: রিভিউটাও লিখে ফেলেন! :)

১৭. ১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩০
দেয়াল বলেছেন: অসাধারন। খুঁজতেছিলাম যা পেয়ে গেলাম। জয়তু watchbanglamovie

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৯৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
গুগল প্লাস আইডিঃ rasedulhasan এ্যাট জিমেইল ডটকম।

ঘুরে বেড়াবো ইচ্ছে মত যখন যেখানে যেখানে মন চায়।

ঘৃনা করি শরীর দেখাতে রাস্তায় বের...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ