আমার প্রিয় পোস্ট

আমার রেসিপি'র সংগ্রহ, আপনাদের জন্য...

মলামাছে নারিকেলের দোপেঁয়াজা

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৫৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

এই রান্নাটি নোয়াখালী'র ঐতিহ্যবাহী একটি রান্না। নোয়াখালী অঞ্চলের রান্নায় নারকেলের ব্যবহার ঈর্ষা করার মত। হবেইবা না কেন? নারকেল'তো প্রায় সবখানেই খুব ভাল মতই ফিট হয়ে যায়।

উপকরণঃ
মলামাছ ৫০০ গ্রাম
নারিকেলের দুধ দেড় কাপ
রসুন ১ টেবিল চামচ
আদাবাটা আধা চা চামচ
জিরা বাটা ১ চা চামচ
পেয়াজ কুচি আধা কাপ
ধনে গুঁড়ো ১ চা চামচ
মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ
কাচামরিচ ৫-৬ টা মাঝারি
ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ
চিনি ১ চা চামচ
টমেটো সস ১ টেবিল চামচ
সয়াবিন তেল আধা কাপ
লবন ও পানি পরিমানমত

রেসিপিঃ
মলামাছের মাথা কেটে পরিস্কার করে ধুয়ে নিতে হবে। ধোয়া মাছে সব মশলার উপকরণ মাখিয়ে এক ঘন্টা রাখতে হবে। চুলায় কড়াই বসিয়ে তেল দিতে হবে, তেল গরম হলে তাতে পেয়াজ কুচি ছেড়ে দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়তে হবে। পেয়াজ বাদামী রং ধারণ করলে চুলার আঁচ কমিয়ে মশলা মাখানো মাছ ঢেলে নাড়তে নাড়তে অল্প পানি দিয়ে রান্না করতে হবে। এবার নারিকেলের দুধ দিয়ে মাঝারি আঁচে রান্না করতে হবে। কিছুক্ষণ পর তেল উপরে ভেসে উঠলে নামাতে হবে।

পরিবেশনঃ
ধনেপাতা কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

----
ভুলু, চট্টগ্রাম
০২/১২/০৬

 

প্রকাশ করা হয়েছে: মাছের রেসিপি  বিভাগে ।

 

  • ৮ টি মন্তব্য
  • ১৯১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:১৯
comment by: অতিথি বলেছেন: হুম অন্য যেকোনো দোঁপেয়াজা রান্নার মতই।
বাড়তি শুধু নারকেলের দুধ দেয়াটা।
নারকেল প্রধান অঞ্চলে নারকেলের দুধ দিয়ে তৈরি রান্না খুব জনপ্রিয়। কেরালা, দক্ষিণভারত বা শ্রীলংকায় তো কথাই নেই।

একই রান্না নারকেলের দুধ না দিয়েও করলেও খারাপ হয় না। একটু চিনি যোগ করে দিলেই হলো। মশলার তিতকুটে ভাবটা চলে যায়।
আমি অবশ্য টক দই যোগ করে দিতে ভালোবাসি। তাতেও মজাদার হয়।
দই বা দুধ বা চিনি যারা ভালবাসেন না তারা বেশ কিছু টম্যাটো কেটে দিতে পারেন, সাথে টম্যাটো সসও দিতে পারেন।

তবে দোপেঁয়াজার পেঁয়াজ পেঁয়াজ ভাবটা নির্ভর করবে কখন পেঁয়াজ দিচ্ছেন তার ওপর। পেঁয়াজ আর মাছ যদি একসাথে তেলে ছাড়া যায় তবে পেঁয়াজটা কম ভাজা ভাজা হয়, তাতেই দোপেঁয়াজার আসল স্বাদ খোলে বলে আমার মনে হয়।
তবে প্রত্যেকের জিহবা আলাদা।
২. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:২২
comment by: অতিথি বলেছেন: ও হ্যা, বলা হয়নি, খুব ভালো লাগলো আপনার এই রান্না-বান্না নিয়ে লেখা।
প্রথমে খেয়াল করিনি আপনি পুরুষ না মহিলা। প্রোফাইল দেখে এইমাত্র বুঝলাম।
এই ব্লগে প্রবাসী পুরুষের রান্না নামে একটা ধারাবাহিক চালু করেছিলাম। পরে নতুন কিছু যোগ করিনি। রান্নাটা শুধু মেয়েদের, এমন আমি ভাবি না। অন্য কাউকে মজাদার কিছু রেঁধে খাওয়াতে আমারও ভালো লাগে।
রান্না একটা শিল্প। শিল্পীর উপরেই নির্ভর করে প্রতিদিন আলু-পটল-ডাল কিরকম সুস্বাদু হয়ে উঠবে।
আরো মজার মজার রান্না দিন।
৩. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:২১
comment by: ভূলু বলেছেন: অসাধারণ, ভাই শোহেইল আপনার লেখা পড়েই বোঝা যায় আপনি কতটা ভাল রাঁধেন। আপনি খুবই ভাল বলেছেন, একই রান্না নারকেলের দুধ না দিয়ে টক দই, দুধ বা চিনি, অথবা টম্যাটো বা এর সস দিয়েও ভাল লাগবে। দোঁপেয়াজা নিয়ে আপনার ধারণা একেবারেই ঠিক।

রান্নাটা শুধু মেয়েদের ব্যাপার এমন বোধ করি এখন আর ভাবা হয় না ভাই, আমার স্বামী ভাল রাঁধে, আমার ছেলে ভাল রাঁধে, সেইতো এই ব্লগের আইডিয়া দিল। ভাই খুব অসুবিধা নাহলে আপনার ব্লগটা আবার চালু করেন, আমরা সবাই নতুন কিছু রেসিপি পাব। আপনি নিঃসন্দেহে ভাল রাঁধেন। আমি ভাই রেসিপি সংগ্রহ করি, আপনার কিছু রেসিপি আমার সংগ্রহে থাকবে। এই ব্লগে ইচ্ছে আছে নিয়মিত কিছু রেসিপি দেয়ার, আমার নিজের রেসিপি বা আমার সংগ্রহের রেসিপি, এর কিছু আমার প্রতিবেশীদের কাছ হতে সংগ্রহ করা। দোয়া করবেন, আরো রানা নিয়ে আপনাদের সামনে আসব।
৪. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:২৫
comment by: শাহানা বলেছেন: হমম, এই রেসিপিটা বেশ সহজই মনে হচ্ছে...
৫. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৪৮
comment by: অনিক বলেছেন: শাহানা, আপনি কবে রাঁধবেন? চেখে না দেখলে সার্টিফাই করবো কীভাবে? নিজের ঢোল নিজে পেটালে লোকে নানা কথা বলবে। বরং আপনার হাতের রান্না খেয়ে ঢোলটা আমিই পেটাবো ভাবছি। আপনি কী বলেন???
৬. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৫২
comment by: শাহানা বলেছেন: অনিক: ঢোলটা কিভাবে পেটাবেন সেটা চিন্তার বিষয়, আমার রান্না (বছরে 1/2 বার করি) মাঝে মাঝে কেউ খেতে পারেনা। অখাদ্য নষ্ট না করি আমিই কষ্ট করে খেয়ে ফেলো। তবে ঝড়ে/বকে মাঝে মাঝে ভালো হয়। রান্না বিষয়টা আমার কাছে খুবই কঠিন মনে হয়, মনে রাখাটা সবচেয়ে কঠিন...
৭. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১:৪৪
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: আপামনি,
আপনার রেসেপিমতে চিংড়ির মালাইকারি রান্না করলাম ! পায়েস পায়েস হয়ে গেসে ! খেতে অবশ্য মজাই হয়েছে , আমিই কুক আমিই টেস্টার ।
যাই হোক আমি চাই কিছু ঝাল ,আগুন করম ঝাল রেসেপি , যেমন চট্টগ্রামের ঝাল গরুর মাংস ! হবে না ?
৮. ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৫০
comment by: ভূলু বলেছেন: শাহানা, রান্নাতো সহজই! মনে রাখার দরকার কি, বেসিক কিছু ব্যাপার মনে রাখুন, ব্যস হয়ে গেল। আপনার জন্য সহজ কিছু রেসিপি নিয়ে আসব।

অনিক ভাই, শাহানা'র রান্না খেয়েই তবে সার্টিফাই করবেন, আগে নয়। আর, ঢোল আমরা সবাই মিলে নাহয় পেটাবো।

ভাই সুমন, প্রথমবারতো! পরেরবার দেখবেন ঠিক ঠিক ভাল হবে। ঝাল রেসিপি অনেক ঝাল। হবে, হবে না কেন?

 



 


ভাল লাগে নিজের হাতে আপন জনকে রেঁধে খাওয়াতে।আর রান্নার প্রশংসা শুনতে, কার না ভাল লাগে বলুন! অবশ্য যেকোন নারীই এই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৯৪২৯