আমার প্রিয় পোস্ট

আমার রেসিপি'র সংগ্রহ, আপনাদের জন্য...

রুই মাছের ঝোল

১৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০০

                       

বন্ধনহীনের অনুরোধে এই রেসিপিটি...

বোরহানী'র রেসিপির পোস্টটিতে বন্ধনহীন প্রবাস (জার্মানী) থেকে রুই মাছের ঝোলের রেসিপি'র জন্য অনুরোধ করে, পরে মেইল পেয়ে আমি একটু অবাকই হলাম। তবে ভাল লেগেছে আমার। আমারতো প্রতিদিন এই ব্লগ দেখা সম্ভব হয় না, আমার ছেলে থাকে ঢাকায় ওই ব্লগটি চালায়। সকালে মেইলটা দেখে ছেলে আমাকে ফোনে রেসিপি দিতে বলে। ছবিটা আগেই ও তুলে রেখেছিল। আমি একটূ ফ্রি হয়ে রেসিপিটি লিখে ফোনে ওকে দিলাম। অনেকেই ব্লগে কিছু রেসিপি দিতে অনুরোধ করেছেন ঠিক সময়মতো দিতে পারিনি, তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি, তবে এক এক করে রেসিপিগুলো দেয়ার চেষ্টা করব।

আজকের এই রুই মাছের রেসিপিটি বন্ধনহীনের জন্য উৎসর্গ করলাম, প্রবাসযাপনে যদি খানিকটা আনন্দ দেয় তাই হবে আমার জন্য আনন্দের।

উপকরণঃ

রুই মাছ - ৬ টুকরা
রসুন বাটা - ১/২ চা চামচ
আদা বাটা - ১/২ চা চামচ
জিরা বাটা - ১/৩ চা চামচ
ধনে গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
পেঁয়াজ কুচি - ৩ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া - ১/৪ চা চামচ
টমেটো ফালি করা - ১ কাপ
কাঁচা মরিচ - ৩/৪ টা (ফালি করা)
ধনেপাতা কুচি - ২ টেবিল চামচ
তেল - ২ টেবিল চামচ
লেবুর রস - ১ চা চামচ
লবণ - পরিমানমতো
পানি পরিমানমতো (৩ কাপ হলে চলবে)

প্রণালীঃ

মাছের টূকরাগুলো ধুয়ে লবণ ও হলুদ মেখে তেলে ভেজে নিন, খুব বেশি ভাজবেন না, হালকা করে ভাজবেন।

অন্য একটি পাত্রে মাছ ভাজার গরম তেল দিয়ে পেয়াজ কুচি দিয়ে নেড়ে ভাজুন। পেয়াজ বাদামী রঙ ধারণ করলে চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। এবার আদা-রসুন বাটা, হলুদ-মরিচ গুঁড়া, জিরা বাটা, ধনে গুঁড়া এবং লবণ দিয়ে কষাতে থাকুন। সব মশলা ২/৩ মিনিট কষানো হলে মাছের ভাজা টূকরাগুলো মশলায় ছেড়ে দিন। নেড়ে দিন হালকাভাবে। এবার তিন কাপ পানি দিয়ে আবার হালকা করে নেড়ে ঢেকে দিয়ে রান্না হতে দিন। এসময় চুলার আঁচ স্বাভাবিক থাকবে। ৫ মিনিট রান্না হলে ঢাকনা তুলে টমেটো ও কাঁচামরিচ দিয়ে আরো ১০মিনিট রান্না করুন। দেখবেন ঝোল একটু ঘন হবে, ছবির মতো দেখতে হবে। এখন ঝোল-ঝোল অবস্থায় ধনে পাতা কুচি ছড়িয়ে দিয়ে নামিয়ে ফেলুন।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: মাছের রেসিপি  বিভাগে ।

 

  • ৭ টি মন্তব্য
  • ২৫৯বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৭
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: বুলু আপা, অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
এতো তাড়াতাড়ি পাব, আশা করিনি। খুউব খুশি হয়েছি।
আজই মাছ কিনে আনবো। কাল রান্না করে জানাব। আজ এটা দাওয়াত আছে। আবারো ধন্যবাদ।
২. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:১৬
comment by: ভূলু বলেছেন: খুশী হয়েছেন শুনে খুবই ভাল লাগছে, আপনাদের আগ্রহ দেখলে মনে হয় নিয়মিত রেসিপি নিয়ে আসব।
ও তাজা মাছ পাওয়া গেলে তাই দিয়ে রান্নাটা করবেন, ভাল লাগবে।
৩. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২২
comment by: নরাধম বলেছেন: দেখেই যে খেতে ইচ্ছে হচ্ছে।
৫৫৫৫৫
৪. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২৯
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: কিছু এক্সক্লুসিভ বাংলাদেশী ডেলিক্যাসেস জানলে, সেই নিয়ে আগামী দিনে আপনার কাছ থেকে লেখা আশা করছি ভুলুদি, আমি এপার বাংলার লোক।
৫. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪১
comment by: ভূলু বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ভাই আপনাদের ধন্যবাদ।

তেমন কোন চিন্তা নিয়ে নয়, আমার রেসিপি গুলোকে সংগ্রহ করার ইচ্ছে থেকেই ব্লগটা শুরু। তবে প্রায় বছর পেরিয়ে এসে রেসিপিব্লগ নিয়ে কিছু চিন্তা গুচিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি। আপনার পরামর্শটি আমার ভাল লেগেছে, চেষ্টা করব ভাই। আমি আরো একটি কাজ করব বলে ভাবছি, অঞ্চল ভিত্তিক রেসিপিগুলোকে সংগ্রহ করা, এর পেছনের গল্পগুলোকেও। যেমন আমার মনে পড়ে নোয়াখালীতে বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবারের মূল পর্বের আগে বিভিন্ন রকম পিঠা পরিবেশন করা হত। আরেক বাড়ী থেকে ভাল পিঠা বানাতে পারেন এরকম কাউকে পিঠা বানানোর জন্য আয়োজন করে নিয়ে যাওয়া হত, সারারাত ধরে রাত জেগে চলত পিঠা বানানোর উৎসব। পরদিন বিয়ের অনুষ্ঠানে পিঠার প্রসংশা হত। আর পিঠা পরিবেশন না করলে তা হত অতিথিদের জন্য অসম্মানজনক।
৬. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৭
comment by: নাদান বলেছেন: কষ্টকরে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আমরা যারা বাবা মা ছাড়া দেশের বাইরে থাকি, তারা ভাল কিছু রান্না করার ট্রাই করতে পারি।
৭. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৮
comment by: `হাসান বলেছেন: আরে ভুলু ভাইয়ের ব্লগতো আমি আগে খিয়ালই করি নাই।
ধীরে ধীরে পর্তে হবে সব রেসিপি

 



 


ভাল লাগে নিজের হাতে আপন জনকে রেঁধে খাওয়াতে।আর রান্নার প্রশংসা শুনতে, কার না ভাল লাগে বলুন! অবশ্য যেকোন নারীই এই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৫৬১২