আমার প্রিয় পোস্ট

আমার রেসিপি'র সংগ্রহ, আপনাদের জন্য (www.vulusrecipe.com)

হাড়ি কাবাব

১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২৫

শেয়ারঃ
0 0 0



ঊপকরণঃ

হাড় ছাড়া গরুর মাংস – ১ কেজি
টক দই – দুই টেবিল চামচ
পেয়াজ বাটা – ১ কাপ
পেয়াজ কুচি – ২ টেবিল চামচ (ভেরেস্তা করার জন্য)
রসুন বাটা – ২ টেবিল চামচ
আদা বাটা – ১ টেবিল চামচ
কাচামরিচ বাটা – ১/২ চা চামচ
জয়ত্রী বাটা – ১/৪ চা চামচ
জায়ফল বাটা – ১/৪ চা চামচ
গোল মরিচের গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
লাল মরিচ গুঁড়া – ১ টেবিল চামচ
জিরা বাটা – ১ চামচ
ধনে গুঁড়া – ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া – ১ চা চামচ
কাচামরিচ – ২ টা
চিনি – ১/২ চা চামচ
ভিনেগার (অথবা লেবুর রস) – ১ টেবিল চামচ
তেল – দেড় কাপ
তেজপাতা – ২ টি
এলাচ – ৩ টি
দারুচিনি – ৪ টুকরা
লবংগ – ৪/৫ টি
স্বাদমতো লবন

প্রস্তুত প্রণালীঃ হাড়ি কাবাব করতে হবে দুই ধাপে। ১ম ধাপে প্রস্তুতি পর্ব, মাংস মেরিনেট করে ২য় ধাপে রান্না করতে হবে।

১ম ধাপ -
মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার বাটিতে মাংসের টূকরাগুলোতে আস্ত কাচামরিচ আর ভিনেগার বাদে বাকী সমস্ত মশলা এবং অন্য উপকরণগুলো দিয়ে ভাল করে মেখে নিন মেরিনেট করার জন্য। ভাল করে মশলা মাখানো হলে এবার ভিনেগার (অথবা লেবুর রস) মেশান। এ অবস্থায় মাখানো মাংস ২ ঘন্টা ফ্রিজে রাখুন (ডিপ ফ্রিজে রাখবেন না)। আরো বেশিক্ষন ধরে মেরিনেট করলে মাংস তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হবে।

২য় ধাপ –
রান্নার জন্য এবার হাড়িতে দেড় কাপ তেল দিয়ে গরম হলে পেয়াজ কুচি দিয়ে বাদামী করে ভেজে ভেরেস্তা করুন। ভেরেস্তা গুলো আলাদা একটি পাত্রে তুলে রাখুন পরে কাবাবের উপর ছড়িয়ে দিতে হবে।

এবার হাড়িতে বাকি তেলের উপর মেরিনেট করা মাংস ছেড়ে দিয়ে খানিকক্ষন নাড়ুন। কয়েক মিনিট পরে আস্ত কাচামরিচ ও সামান্য পানি দিয়ে দিন। নেড়ে ভাল করে মিশিয়ে দিয়ে পাতিলে ঢাকনা তুলে দিয়ে চুলার আচঁ কমিয়ে দিন। এ অবস্থায় রান্না হয়ে মাংস সিদ্ধ হবে। মাঝে মাঝে ঢাকনা তুলে নেড়ে দিবেন। মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে এলে আরেকবার নেড়ে দিন, এ অবস্থায় কিছুক্ষন দমে রাখুন। কিছুক্ষন পর মাংসের উপর তেল উঠে এলে কাবাবের হাড়ি চুলা থেকে নামিয়ে রাখুন। হাড়ি কাবাব তৈরি।

বাটিতে গরম হাড়ি কাবাব নিয়ে উপরে ভেরেস্তা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হাড়ি কাবাবকাবাবমাংসের রেসিপি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: কাবাবমাংসের রেসিপি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬
জংবাহাদুর বলেছেন: ভাবতাছি বিয়ার পর বউরে রাইন্ধা খাওয়ামু । টেংকু
২. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৬
তামিম ইরফান বলেছেন: বাপরে এতো ঝামেলা:(

পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ......
৩. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৯
জেরী বলেছেন: দরকারী রেসিপি, কাজে লাগবে। থ্যাঙ্কিউ আপা...।
৪. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৯
কালপুরুষ বলেছেন: কোরবানী ঈদে এই আইটেমটা বাসায় হয়। এবারও হয়েছে, তবে আমি করিনি। এবার আপনার দেয়া রেসিপি দিয়ে আমি ট্রাই করবো। খেতে বেশী সুস্বাদু হলে সব কৃতিত্ব আপনার, খারাপ হলে আমার।
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২২

লেখক বলেছেন: কি ভাই ট্রাই করার সুযোগ হল? জানাবেন কিন্তু কেমন হল...

এই আইটেমটা আমার ঘরে ছেলে-মেয়েদের প্রিয়, আর রঙটা একটু অন্য রকম (হলুদ কম হলে রংটা হালকা হয়) হয়তো ওরা পছন্দ করে।

৫. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৬
মুকুট বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ, রেসিপির জন্য!
৭. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২০
ভূলু বলেছেন: সবাইকে অনেক ধন্যবাদ ভাই। ঈদ কেমন কাটলো, কেমন মাংস খেলেন?
৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৫
শিরোনামহীন বলেছেন: আপা,
আপনার রেসিপিগুলো খুব ভালো লাগে পড়তে- রাঁধতে। আমি নিজেও রান্ণা করে খাওয়াতে খুব ভালোবাসি আপনার মতো। রান্নাবান্না সম্পর্কিত যেকোন বিষয়েই আগ্রহ আছে। আমি একটা গ্রুপ খুলেছি বাঙালীর রান্নাঘ নামে। আপনি যদি আমাদের এখানে উপদেষ্টা হিসেবে জয়েন কেন তবে এই গ্রুপ খোলার আনন্দ দ্বিগুন হয়ে যাবে। আপনার মুল্যবান রেসিপি আর টিপস গুলো আরো অনেকের মাঝে ছড়িয়ে যাবে । আপনা উপস্থিতি আমাদের একান্তই প্রয়োজন। :)

গ্রুপ লিঙ্ক : http://www.somewhereinblog.net/group/rannaghor

আশা করি আমাদের সাথে থাকবেন আপা , সবসময়।
০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, রান্নাঘর গ্রুপে জয়েন করেছি, এরপর কি করতে হবে? আপনাদের গ্রুপের উদ্যোগ খুবই ভাল লেগেছে।

৯. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩১
প্রলয় হাসান বলেছেন: লোভ দেখানোর জন্য মাইনাস!!!:(

ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা আপনাকে। কায়মনোবাক্যে কামনা করছি, নতুন বছর আপনার জন্য হোক আরো হাসি আর আনন্দময়। সেই সাথে আপনার ব্লগের পাতা সাহিত্যের কল কাকলীতে আরো ভরে উঠুক ।



:)
০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শুভেচ্ছার জন্য, আপনাদের সবাইকেও শুভেচ্ছা।

১০. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০০
কষ্টের নদী বলেছেন: উপকরণ এর লিস্ট দেখে ভয় পাইছি!!
অত মসলা বুঝি নাহ, আম্মা সব রেডিমেইড প্যাক করে দেয়।
১১. ১৬ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৫
ভূলু বলেছেন: উপকরণের লিস্টটাই বড়, তেমন কঠিন কিংবা দুষ্প্রাপ্য কিছুই তাতে নাই। বাজারে সব কিছুই পাবেন, শুধু নাম বলতে হবে। আর মা সবকিছুই যখন রেডিমেইড প্যাক করে দেয় তাতে আর ভয় কি? :)

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯১৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ভাল লাগে নিজের হাতে আপন জনকে রেঁধে খাওয়াতে।আর রান্নার প্রশংসা শুনতে, কার না ভাল লাগে বলুন! অবশ্য যেকোন নারীই এই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ