আমার প্রিয় পোস্ট
- আমার আপলোড করা ১০১ টি সেরা ইস্টার্ন/ওয়েস্টার্ন ইনস্ট্রুমেন্টাল - রাত জাগা দের জন্য পোষ্ট
- কবির চৌধুরী
- “ফুল ফুটুক না ফুটুক” - মনসুর খালিদ
- মাঝে মাঝে ঈশ্বর হতে মন চায়, কিন্তু দিনশেষে আমিও মানুষ! - উদাসী স্বপ্ন
- পাইরেটেড উইন্ডোজ সেভেন ব্যবহারকারীরা সাবধান!!! - মুকুট
- সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ৪৮টা ইংলিশ মুভির ৪০০মেগাবাইট ডিভিডি-রিপ (মিডিয়াফায়ার লিংক+পোস্টার) - কাঙাল মামা
- অনলাইনে পাওয়া জীবনানন্দ দাশের সব কবিতা - র হাসান
- আপডেট : ব্লগারদের প্রিয় কবিতা নিয়ে ই-সংকলন - ফিউশন ফাইভ
- আসুন সবাই মিলে একটি গল্প লিখি (সবার অংশগ্রহন কাম্য) - মিসকল মফিজ
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা - অমি রহমান পিয়াল
- সামহোয়ার ইন পিকনিক ----------- হাত তুলেন - সারিয়া তাসনিম
- বঙ্গভঙ্গ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট - বিবর্তনবাদী
- পদত্যাগের খবরে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন কে লেখা 'অপারাজিতা'র শেষ চিঠি - আদৃতা আবৃত্তি
- হিন্দু না ওরা মুসলিম। কাজী নজরুলের এ লিখাটি পড়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো। - বিহংগ
যদি বলি লোভ থেকে তৈরি ধর্মের, তাই ধার্মিকেরা লোভী!
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:১৯
একটা ইতর প্রাণীর জীবনের কোন উদ্দেশ্য থাকে না। সে কখনও জীবনের লক্ষ্যও খুঁজতে যায় না। তবে মানুষের কেন জীবনের তাত্পর্য বের করতে হবে? কারন মানুষ ইতর নয়। খুব ভাল কথা। যদিও ইতর প্রাণী করে এমন কোন জিনিস নেই যা মানুষ করে না। তবে বুদ্ধিবৃত্তির দিক দিয়ে মানুষ ইতর প্রাণীর থেকেও বেশী কিছু করে থাকে। মূলতঃ এই বুদ্ধিই মানুষকে ভাবিত করে তুলে পার্থিব এই জীবনের অর্থ খুঁজে বের করতে্। এই বুদ্ধির জোড়ে একদিকে মানুষ যেমন প্রকৃতিকে জয় করেছে নিজেকে উন্নত করেছে অপরদিকে এই বুদ্ধি দিয়ে মানুষ এমন এক বিশ্বাস দাড় করিয়েছে জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বের করতে গিয়ে যার কোন যৌক্তিক ভিত্তি নেই। তাই মানুষ খুব সহজেই অদৃশ্য শক্তির অলীক অস্তিত্ব কল্পনা করে নিজেকে সেই শক্তির কাছে সমর্পন করেছে। যে মানুষ হিংস্র জন্তু জানোয়ারকে বশে নিয়ে এসেছে, তাদের আক্রমণকে প্রতিহত করতে পেরেছে, প্রকৃতিকে আপন নিয়ন্ত্রণে এনে তাকে যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করেছে সেই মানুষ তার মনোজগতে কি করে অদেখা শক্তির অস্তিত্বকে ঠাঁই দিতে পারে তা সত্যিই বিস্ময়কে উসকে দেয়। মানুষের মনের দুর্বলতাই এর জন্য দায়ী। কেবল যে দুর্বলতা তাই নয়, বরং সীমাহীন লোভ, আকাঙ্খা, যা কিছু বাস্তব যা কিছু সত্য তা মেনে না নেওয়ার প্রবণতাই মানুষকে এমন এক অসার অবাস্তব শক্তির দিকে আকৃষ্ট করেছে। দিনে দিনে তার মনে জন্ম নেওয়া এই অলিক বিশ্বাস প্রগাঢ় হয়েছে, নিজেকে সঁপে দিয়েছে তারই মনোজগতে রচিত কাল্পনিক শক্তির কাছে। আমজনতার এই দুর্বল চিত্তকেই পুঁজি করে সমাজের রাষ্ট্রের সুবিধাবাদী মানুষ কাল্পনিক এই শক্তির একটি রূপ দেবার চেষ্টা করেছে। সমাজকে মুঠোবন্ধি করবার জন্য সুবিধাজনক আইন তৈরী করেছে, গ্রন্থ রচনা করে অশরীরী শক্তির প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে, বিকাশ ঘটিয়েছে নতুন নতুন মত ও পথের। এই মত আর পথ হচ্ছে ধর্ম যা অশরীরী শক্তিকে তুষ্ট করার, অনন্তকালের জন্য চিরসুখী হবার। মানুষের এই তীব্র লোভ তাকে তার জাত থেকে নিচু স্তরে নামিয়ে দিয়েছে। আপন দুর্বলতায় স্বীয় মন থেকে উত্পন্ন হওয়া অজানা শক্তিকে পূজা করা নিচতা ছাড়া আর কিছুই নয়। ধার্মিকেরা তাই নিচু জাতের মানুষ, লোভী।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আমি এটা কখনই বলব না।মানুষ স্বভাবতই ধর্মের অনুসারী। মানুষের মৃত্যুভয়, অসহায়ত্ব ইত্যাদি হতে ধর্মের আবাহন। বলতে পারেন লোভী, ভন্ড লোক ধর্মকে ব্যবহার করে।
লেখক বলেছেন: চমতকার বলেছেন। ভন্ড লোক ধর্মকে ব্যবহার করে। কারন আর সব লোক সহজেই ব্যবহৃত হয় ধর্মবিশ্বাস করে।
সোনার বাংলা বলেছেন:
অসার অবাস্তব এই কাহিনী(পোষ্ট)।
আপনার দুর্বল মনের ভেতর থেইকা আইচে যদি আমি বলি
আপনার কোন প্রশ্ন আছে?
অনেক প্রশ্ন যার উত্তর দুইটা হয়।
যে ভাবে খুজে পায়..................
লেখক বলেছেন: সে প্রশ্নের উত্তর দুইটা হয় তার যে কোন একটা মেনে নিলেই হয়, তাই না। আপনি একভাবে খুজেন আর আমি আরেকভাবে খুজবো। কোন সমস্যা নাই। পরমতে সহনশীল থাকবো। কোন সমস্যা নাই। সুন্দর পৃথিবী গড়বো।
রাতুল২০০৮ বলেছেন:
আপনার দশর্ণের সাথে একমত হতে পারলাম না
লেখক বলেছেন: অমত ব্যক্ত করার ধরন এমন-ই হওয়া উচিত। আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের মধ্যে অনেকেই আপনার কাছ থেকে এইভাবে ভিন্ন মতে আপন মতামত দেওয়ার রীতিটি শিখবে আশা করি। আপনার সার্বিক মঙ্গল কামনা করি।
লেখক বলেছেন: মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন!
লেখক বলেছেন: আপনার মননে আছে যে আলো তা ছড়িয়ে দিন আশপাশে। তথ্যের অভাবে যে অন্ধকার তা দূর করা অতীব জরুরী। না হলে এই কাল্পনিকতার ডালা-পালা বিস্তৃত হবেই। ধন্যবাদ আপনাকে।
তারমানে আপনি কি বলতে চাইছেন-"প্রকৃতি মানুষের নিয়ন্ত্রনে!"
মানুষ তার বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে কিছুটা শক্তি অর্জন করতে পারলেও অনেক ব্যাপারে এখনও অসহায়। দুর্বল।
আপনার সাথে একমত নই। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমি স্বীকার করি মানুষ পুরোপুরি প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। কিন্তু প্রকৃতির কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ থেকে অনেকটা পথ হেটে এসেছে মানুষ কেবলই তার স্বীয় উদ্যোগে। তার এই অসীমের দিকে ধেয়ে চলায় কোন অলৌকিক শক্তি সহায় হয়নি। আমি সেই জায়গাটি থেকে বলেছি মাত্র। আপনাকে ধন্যবাদ।
সোনার বাংলা বলেছেন:
তা তো অবশ্যই> বেহাগা
তবে সহনশীলতার সংগা কিন্তু এই ব্লগে অন্য রকম!
মানে নিজেদের পক্ষে ঝোক মারলে হেইটা হয় মুক্তমনার
আর অন্যের পক্ষে গেলে হেইটা মৌলবাদীমনার ..........
মৌলবাদী কইয়া না পোষাইলে ধার্মিকমনার তারপরের
খান তো একেবারে সহজ রাজাকার .........................
ধার্মিকেরা নিচুজাতীর মানুষ, লোভী......... আপনার চিন্তার কথা
বুঝলাম! তয় যারা অধার্মিক তারা কিভাবে উচু জাতীর হইলো?
নিজের জাত বইলা উচু আর অন্যেরটা নিচু ভাবেন কিভাবে?!
আর যতটুকু জানি আপনাদের নস্তিকতার হাবিজাবিতে কিন্তু জাত নাই।
লেখক বলেছেন: আমি আপনার মন্তব্যটা বেশ কয়েকবার পড়লাম। খুব ভাল লাগল। আপনি সত্যি দারুন বলেছেন, "নিজের জাত বইলা উচু আর অন্যেরটা নিচু ভাবেন কিভাবে?!" আমি কথাটিতে একবারে আসিনি। শেষ কথাটি বলার আগে পর্যায়ক্রমে আমি কিছু যুক্তি টেনেছি। তাই আপনার প্রতি অনুরোধ থাকবে শেষের কথাটি নাকচ করতে চাইলে আমার আগের কথাগুলো খন্ডন করবেন, যদি আপনার ইচ্ছে হয়।
"আর যতটুকু জানি আপনাদের নস্তিকতার হাবিজাবিতে কিন্তু জাত নাই।" আর কোন জাতের কথা আসবে কেন রে ভাই। মানুষ ভাবি - এটাই আমার জাত। যাই হোক পরমতে যুক্তি দিয়ে নিজের মত বুঝাবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
কিন্তু যদি সৃষ্টি কর্তার অস্তিত্ব থাকে তাহলে আপনার কি অবস্থা হবে?
যেকোন প্রশ্নের দুইটা উত্তর দেয়া যায়।
একটা উত্তর "সঠিক+নিরাপদ"।
আরেকটা উত্তর কোন ভাবে সঠিক হলেও মোটেই নিরাপদ নয়।
তাই আমি মনে করি পরিক্ষার প্রস্তুতি নিতেতো কোন সমস্যা নেই, পরীক্ষা যদি নাও হয় ক্ষতি কি?
কিন্তু যদি পরীক্ষা হয়???????????????????????
লেখক বলেছেন: আপনার কথার মূল সুরটি একদম হুবহু মিলে যাচ্ছে হযরত আলী(রা
এর এক উক্তির সাথে। তিনিও বলেছিলেন, মরার পর যদি কিছু না থাকে বা না থাকে, আমরা নিরাপদ (সঠিকভাবে পুরো কথাটি দিতে পারলাম না বলে দু:খিত)।
এখন কথা হচ্ছে যদি ধরে কেন আমরা একদল নিষ্পেশিত হবো, শোষিত হবো, আর আরেকদল আমাদের এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আমাদেরকে শাষন-শোষন করবে।
আর এমন যদির কথা কখন আসে যখন কোনভাবেই বুঝানো একটা জিনিস প্রতিষ্ঠা করা যায় না। তারমানে বিশ্বাসের ওই ভীতটা শক্ত নয়।
যাই হোক আপনাকে ধন্যবাদ আমার জন্য উদ্বীগ্ন হবার জন্য।
এম.এ.হামিদ বলেছেন:
জেনারেলাইজেশন হচ্ছে
লেখক বলেছেন: কষ্ট করে একটু বুঝিয়ে যদি বলতেন....
সমালোচনাকারী বলেছেন:
---------------------------
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
যদি আপনার কথা মতো " কাল্পনিক শক্তির " উপর বিশ্বাস না করি তাহলে পরকাল কেও অস্বীকার করতে হয়। তাহলে কি, হিটলার যে অন্যায় ভাবে ৬০,০০,০০ (আনুমানিক) ইহুদি হত্যা করেছে তার কোন বিচার হবে না ? বলতে পারেন যে, তাকেও হয়ত নির্মম ভাবে শাস্তি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু কতবার ? ১ বার ! তাহলে, ৫৯,৯৯,৯৯ টি হত্যার বিচার কিভাবে হবে।
ধর্ম কি পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে এক এক জন হিটলার হওয়া থেকে বিরত রাখেনি ? অস্বীকার করছিনা, যে অনেকেই ধর্মের নামে অরাজকতা করছে না, কিন্তু এ কথা কি অস্বীকার করার উপায় আছে যে পৃথিবীর বেশি ভাগ মানুষ শান্তি প্রিয় এবং ধার্মিক ?
তর্কের খাতিরে যদি ধরে নেই, ঈশ্বর-এর অস্তিত্ব নেই, তাহলে পরকাল ও নেই, So আপনিও বেঁচে যাবেন আমিও বেঁচে যাব। কিন্তু যদি থাকেন ! তাহলে ? সুতরাং আমি দুই ক্ষেত্রেই safe।
আপনি বলেছেন, "আপন দুর্বলতায় স্বীয় মন থেকে উত্পন্ন হওয়া অজানা শক্তিকে পূজা করা নিচতা ছাড়া আর কিছুই নয়। ধার্মিকেরা তাই নিচু জাতের মানুষ, লোভী"।
তর্কের খাতিরে যদি ধরে নেই ধার্মিকরা লোভী,
কিন্তু যদি আমি এই ভাবে দেখি, " ধর্মের কারনে, পারকালের লোভে, এইকালে ধার্মিকরা পরোপকারি, দয়ালু, নির্লোভী, অহিংস, দানশীল, বিনয়ি.......এমন শত শত মানবিক গুনে গুনান্বিত ?"
ব্যাতিক্রম তো আছেই, কিন্তু তারা আমার দৃষ্টিতে ধার্মিক নয়, শুধুই বক ধার্মিক ।
বিনয়ের সাথে প্রশ্নগুলো করেছি, দ্য়াকরে আক্রমনাত্ত্বক ভাবে নিবেন না।
লেখক বলেছেন: আমি সত্যি মুগ্ধ আপনার প্রশ্নগুলোর ধারাবাহিকতা দেখে। তবে প্রথমেই ধন্যবাদ দিতে চাই ধৈর্য্য ধরে আমার কথাগুলো পড়েছেন বলে।
হিটলার প্রসঙ্গ টেনে আপনি যেভাবে পরকাল এবং তার বিচারের অস্তিত্বের কথা বলেছেন তা সত্যিকার অর্থে যুক্তি নয়, ওটা ভাবাবেগ এবং অসহায়ত্বের প্রমাণ। আমি শক্তিহীন, দুর্বল তাই পদে পদে আঘাতে জর্জরিত হচ্ছি, আমার শক্তিনাই বিধায় আমার শক্তিশালী শত্রুর শাস্তি কামনা করছি আর তার নিমিত্ত হিসাবে চাচ্ছি তার চেয়েও শক্তিশালী কাউকে। এই কথাটিই আমি বলেছি আমার কথাগুলোতে। যদি হিটলারের অপমৃত্যু বা শাস্তি নাও হতো তারপরও এটার ভাবার অবকাশ নাই যে পৃথিবীতে যার বিচার হলো না তার বিচার পরকালে হবে।
"ধর্ম কি পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকে এক এক জন হিটলার হওয়া থেকে বিরত রাখেনি ?" স্বীকার করতে দ্বিধা নেই ধর্ম এর অন্তরালে যে বিধি বিধান, নিয়ম তা সমাজের শৃঙ্খলা আনয়ন এবং রক্ষার জন্য কাজে লেগেছে। সমাজ রক্ষাই যদি ধর্মের উদ্দশ্য হয়ে থাকে তাহলে তার জন্য যথাযথ আইন এবং তার সুষ্ঠু প্রয়োগের মাধ্যমেও তো আনা সম্ভব। তা আপনি নিশ্চয়ই জানেন। তবে একটি কথা সময়ের প্রবাহে চলমান পৃথিবীর গতির সাথে তাল মিলিয়ে প্রণীত আইনের পরিবর্তনও আবশ্যক। ধর্মগুলোর সীমাবদ্ধতা ওখানেও।
" ধর্মের কারনে, পারকালের লোভে, এইকালে ধার্মিকরা পরোপকারি, দয়ালু, নির্লোভী, অহিংস, দানশীল, বিনয়ি.......এমন শত শত মানবিক গুনে গুনান্বিত ?" আপনার এই প্রশ্নের উত্তরে আমি একটি প্রশ্ন করবো আপনাকে, ভয়-ভীতি, লোভ-প্রলোভন আর আবেগ দিয়ে যদি কোন কিছু করা হয় তার স্থায়ীত্ব বা কার্যকারিতা কি যুক্তি দিয়ে, বিবেক বোধের উন্মেষ ঘটিয়ে কোন কিছুর করার চেয়ে বেশী হবে?
শেষে আসি আপনার ওই কথাটিতে, "তর্কের খাতিরে যদি ধরে নেই, ঈশ্বর-এর অস্তিত্ব নেই, তাহলে পরকাল ও নেই, So আপনিও বেঁচে যাবেন আমিও বেঁচে যাব। কিন্তু যদি থাকেন ! তাহলে ? সুতরাং আমি দুই ক্ষেত্রেই safe।" হা মানলাম তখন আমি ধরা....অবশ্য আপনার বিশ্বাস অনুসারে সে বিচার তো এখনই করা যাবে না, কেননা আপনি তো বিশ্বাস করেন শেষ বিচারের মালিক একজন, তিনিই বিচার করবেন। তাই আপনার বিশ্বাস অনুযায়ী আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে ওই দিন পর্যন্ত।
পরিশেষে আরেক ধন্যবাদ আপনাকে, ভালো থাকবেন।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
আমার মনে হয়, মূল প্রশ্নটা হচ্ছে, ঈশ্বর বলে কেউ আছে নি কি নেই ? যদি scientifically প্রমান করা যায় যে, ঈশ্বর বলে কেউ নেই তাহলে তো আর আলোচনা করারই কোন অবকাশ নেই। একই ভাবে, যদি scientifically প্রমান করা যায় যে, ঈশ্বর বলে কেউ আছেন তাহলে তার বিধান নিয়ে কোন প্রশ্ন করা করা যাবেনা, কারন ঈশ্বরে অস্তিত্য স্বীকার করাই মানেই যে, একজন সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ্যানী, মঙ্লময় একজনের অস্তিত্য স্বীকার করা।
তাহলে দেখা যাচ্ছে, বিধান, ধর্মিয় আচার , ধর্মিয় আইন ইত্যাদি মূখ্য বিষয় নয়। এই সব বিষয়ের স্বীকৃতি, স্বীকৃতি নির্ভর করছে ঈশ্বরের স্বীকৃতি অস্বীকৃতির উপর।
কোন scientifically প্রমান ছাড়া ঈশ্বরকে অস্বীকার করাও কি আবেগ নির্ভর নয়?
সুতরাং , মূল বিষয়, "ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে কি নেই ?" আপনি একমত কি না বলুল ? তাহলে এই বিষয়ে আলোচনা চলতে পারে ।
এখন ঘুমাতেই হবে, অনেক রাত হয়ে গেছে, ইনশা'আল্লা আগামীকাল আলোচনা চলবে। আপনার জন্য দোয়া রইলো।
লেখক বলেছেন: "ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে কি নেই ?" - এইটি সত্যিই আসল জায়গা। কেননা বিজ্ঞান এখন পর্যন্ত এখানে যথার্থভাবে অগ্রসর হতে পারেনি। বিজ্ঞান কোন সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এখন পর্যন্ত দিতে পারেনি যার ভিত্তিতে নিশ্চিতভাবে বলা যেতে পারে যে স্রষ্টার অস্তিত্ব নেই। আর এই সুবিধাটিই নিচ্ছে ধর্মযাচকরা, প্রচারকরা।
আপনি নিশ্চয়ই জানেন, বাইবেলে লেখা ছিল সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরে। অনেক অনেক বছর আগে, খালি চোখে সকাল-দুপুর-বিকেল-সন্ধ্যায় পৃথিবী থেকে সূর্যের অবস্থান দেখে সমসাময়িক মানুষদের তুলনায় কোন জ্ঞানী ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবেই বলে বসতে পারেন সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরে। তা আবার কোন ধর্মীয় গ্রন্থে ঈশ্বরের কথা বলে লিখিতও হতে পারে। যতক্ষণ পর্যন্ত না বিজ্ঞান যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে পারছিল যে পুথিবীই সূর্যের চারিদিকে ঘুরছে ততক্ষণ পাদ্রীরা গ্যালিলিয়দের মতো মানুষদের ধর থেকে মস্তক পৃথক করার মতো আদেশ বলবত্ ছিল। কিন্তু বিজ্ঞান দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এখন কোন ধর্মগুরু ওই কথা আর ঈশ্বরের বাণী বলে প্রচার করতে পারছে না। বরং আমরা আরো কি দেখলাম, বাইবেল সৌরজগত সম্পর্কীত এই কথাটি সংস্কার করেছে।
তাই বিজ্ঞান যেখানে সফল নয়, সেখানেই রয়েছে একটা ধোয়াসা জ্ঞান আর সেই থেকে সুবিধা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছে সুবিধাবাদ, সুবিধাভোগীরা।
তাহলে বলবো- পৃথিবীতে শুধুমাত্র ধার্মিকেরাই মানুষ; বাকী যদি থাকে অধার্মিকদের কেউ তবে তারা দু'পেয়ে মানুষরুপি কোন প্রাণী হবে হয়ত।
কেননা, লোভ মানুষের মানবীয় গুণাবলীর অন্যতম একটি।
লোভসহ সকল মানবীয় গুণাবলী তখনি ক্ষতিকর হয়, যখন তা সীমা অতিক্রম করে ফেলে।
লেখক বলেছেন: লোভ মানবীয় গুন কি না জানি না তবে একটি মানবীয় বৈশিষ্ট্য। আর এই বৈশিষ্ট্যটি খুব সম্ভবত গুন নয় এই কারনে যে এটিকে ষড় রিপুর একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তা নিশ্চয়ই আপনি জানেন।
"পৃথিবীতে শুধুমাত্র ধার্মিকেরাই মানুষ; বাকী যদি থাকে অধার্মিকদের কেউ তবে তারা দু'পেয়ে মানুষরুপি কোন প্রাণী হবে হয়ত।" - আমার মত যদি আমি প্রকাশ করতে পারি আপনিও স্বাধীন আপনার এহেনতর মত প্রকাশ করার জন্য। ধন্যবাদ আপনাকে।
সোনার বাংলা বলেছেন:
শান্তির দেবদূত বলেছেন: আমার মনে হয়, মূল প্রশ্নটা হচ্ছে, ঈশ্বর বলে কেউ আছে নি কি নেই ? যদি scientifically প্রমান করা যায় যে, ঈশ্বর বলে কেউ নেই তাহলে তো আর আলোচনা করারই কোন অবকাশ নেই। একই ভাবে, যদি scientifically প্রমান করা যায় যে, ঈশ্বর বলে কেউ আছেন তাহলে তার বিধান নিয়ে কোন প্রশ্ন করা করা যাবেনা, কারন ঈশ্বরে অস্তিত্য স্বীকার করাই মানেই যে, একজন সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ্যানী, মঙ্লময় একজনের অস্তিত্য স্বীকার করা।
তাহলে দেখা যাচ্ছে, বিধান, ধর্মিয় আচার , ধর্মিয় আইন ইত্যাদি মূখ্য বিষয় নয়। এই সব বিষয়ের স্বীকৃতি, স্বীকৃতি নির্ভর করছে ঈশ্বরের স্বীকৃতি অস্বীকৃতির উপর।
কোন scientifically প্রমান ছাড়া ঈশ্বরকে অস্বীকার করাও কি আবেগ নির্ভর নয়?
সুতরাং , মূল বিষয়, "ঈশ্বরের অস্তিত্ব আছে কি নেই ?" আপনি একমত কি না বলুল ? তাহলে এই বিষয়ে আলোচনা চলতে পারে ।
এখন ঘুমাতেই হবে, অনেক রাত হয়ে গেছে, ইনশা'আল্লা আগামীকাল আলোচনা চলবে। আপনার জন্য দোয়া রইলো।
************* সহমত ভালো প্রশ্ন করেছেন।
পান্জেরী বলেছেন:
অধার্মিকরা ধার্মিকদের চেয়েও বড় লোভী। ধার্মিকরা পরকালে পুরস্কার পাওয়ার আশায় সৎ থাকে। আর অধার্মিকরা এই পৃথীবীতে পাওয়ার আশায় ভাল-খারাপ সব কিছু করে। যেমন, লেখক মানুষের মাঝে নিজেকে আধুনিক প্রমানেরন আশায় ধর্ম ও ধার্মিকের বিরুদ্ধে লিখছেন।
লেখক বলেছেন: আপনার বিশ্বাস মতে আপনি এই কথা বলতে পারেন না, কারন আপনার কথা যদি মেনে নিই এবং আপনার বিশ্বাসমতে দুনিয়া হচ্ছে ক্ষণস্থায়ী (সত্য কথা) আর পরকাল হচ্ছে অনন্ত জীবন। তা হলে বড় লোভটা কোথা থেকে আসতে পারে আপনার বিশ্বাসমতে।
" যেমন, লেখক মানুষের মাঝে নিজেকে আধুনিক প্রমানেরন আশায় ধর্ম ও ধার্মিকের বিরুদ্ধে লিখছেন। " - লেখক সম্পর্কে আপনার ধারণাপোষিত উক্তিটি সঠিক নয়।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
নাস্তিক্যতার অর্থ ঔদ্ধত্য নয়। ধর্মহীনতার অর্থ ধর্মভীরুদের গালি দেয়া নয়। আপনার পোষ্টের অদ্ভূদ লজিক, আর গনহারে ধর্মভীরুদের লোভী বলা সত্যি হাস্যকর। নাস্তিক্যতাকে গায়ে ঝুলিয়ে জাতে উঠার চেষ্টা করে আমাদের সবাইকে নীচু জাতের মানুষ বলাটা কতটুকু শোভন তা অবশ্য আপনার বুঝে আসবেনা। বুঝে আসলে তো আর অমন কমন-সেন্সলেস পোষ্ট দিতেন না।লেখক বলেছেন: কোন প্রকারের ঔদ্ধত্য দেখানোর অভিলাশ থেকে কোন কথা বলিনি। ধর্মভীরুদের কোন গালিও দেইনি। দেখুন, ধর্মগুলোর বিবর্তন যদি পড়ে থাকেন, পৃথিবীতে ধর্মগুলোর পোড়াপত্তনের প্রেক্ষাপটগুলো ভালো করে পর্যকেক্ষণ করে থাকেন তাহলে দেখবেন অসাহয়ত্ব আর সসীম সামর্থ্যের বিপরীতে অসীম লোভ মানুষকে ধর্মবিশ্বাসের দিকে ঠেলে দিয়েছে। কখনও এটা মূল হিসেবে কখনও এটা অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে ধর্মের প্রসার এবং বিস্তারে জন্য।
আমার শেষ মন্তব্যটি আপনাকে আঘাত দিয়ে থাকলে আমি কেবল বলবো কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠি বিশেষকে আক্রমণ করতে গিয়ে ওটা বলিনি। তারপরও এটা সত্য এবং অনস্বীকার্য যে প্রদানকৃত মতামত, বক্তব্য,মন্তব্যের ভেতর দিয়েই মানুষটিকে বিচার করা যায়। তবে যে বিচার করবে, তার বিচার করার ক্ষমতাও সমানভাবে ধর্তব্য। আমার কথাগুলোর দায়ভার আমার-ই। আর সেটার উপর ভিত্তি করে আপনার বিচারে আমাকে আপনি যা খুশি তাই বলতে পারেন- এ আপনার স্বাধীনতা। আপনাকে ধন্যবাদ।
জেনারেল বলেছেন:
কমনসেন্সলেস হল কিভাবে ফারজানা১৬? যারা এই দুনিয়ায় অসহায় তারাই ধর্মকে আকড়ে ধরে কিছুটা সাত্ত্বনা পায়। তাছাড়া অন্য কিছুই নয়। আর আল্লাহ যে আছে তার কোন যৌক্তিক প্রমান আজও কোন ঈমানদার মুসলিম দিতে পারে নাই। কারন মুসলমান হওয়ার অন্যতম শর্ত কোন প্রশ্ন করা যাবে না, অন্ধভাবে বিশ্বাস করতে হবে।
আমি ব্যক্তিগত জীবনে একবার এক আলেমকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম " আল্লাহর ইশারা ছাড়া একটা পাতাও দুনিয়ায় নড়ে না, তাহলে আল্লাহর ইশারা ছাড়া দুনিয়ায় এত অপরাধ হয় কিভাবে?
উত্তরে সেই হুজুর আমাকে শুধু বলল এখন তুমার রক্ত গরম, বয়স হলে বুঝবা। অদ্ভুত উত্তর!!
শাহরিয়ার হোসেন বলেছেন:
আমি বেশ ব্যস্ততার মধ্যে আছি। অবসর পেলেই আপনাদের সাথে আলোচনায় যোগ দিবো। সে পর্যন্ত ভালো থাকবেন।....
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
জেনারেল,আমি মুসলিমদের আল্লাহকে স্পেসিফিক করে বলিনি। কিন্তু স্রষ্টার অস্তিত্বের কথা যদি বলেন, আমি আপনার সাথে আরগু করবনা। আপনার যদি মনে হয় স্রষ্টা নেই, বেশ আপনি আপনার মত নিয়ে থাকুন। আমি বা আমরাতো আপনার মতকে অসম্মান করতে যাচ্ছিনা। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি স্রষ্টা আছে, এবং আমার বিশ্বাসের জন্যে আমার কাছে যথেষ্ট প্রমানও আছে। ইভেন প্রমান যদি নাও থাকে হু আর ইউ টু জেনারালাইজড মী সেইং ‘ছোটজাত’? নাস্তিক্যতাকে অবলম্বন করে এ ধরনের ‘বড়জাতে’ উঠার প্রবনতা নতুন নয়।
তবে কিনা, মানুষকে ‘জাত’ ভেদে ভাগ করার এসব প্রবনতা পাতি-নাস্তিকদেরকেই শোভা পায়।
লেখক বলেছেন: ভালো লাগার জন্য কোন কথা বলার চেষ্টা করিনি। আপনাকে জিজ্ঞেসও করবো না কেন ভাল লাগেনি। তবে কষ্ট করে যে আমার কথাগুলো পড়েছেন, মন্তব্য করেছেন, তার জন্য ধন্যবাদ।
নাবিক বলেছেন:
যুক্তি গুলো ছোট বেলা থেকে শুনতে শুনতে কান শেষ। অনার্সে বাংলার ক্লাসে আখতার স্যারের মুখেও একই বাণী কতবার যে শুনেছি। উনি শুধু বলতেন, কাউকে বলতে দিতেন না। সু্ন্দর করে কথা বলতে পারতেন বলে সব ছাত্র-ছাত্রীর কাছেই তিনি প্রিয় ছিলেন। একদিন লম্বা লেকচারের পরে কেন জানি বললেন, তোমরা তো আমার সাথে একমত তাই না?আমি সুযোগ নিলাম। দাঁড়ালাম। বললাম আমি একমত না।
উনি খুশি হলেন না। তারপরেও বললেন; কেন?
বললাম , মানলাম আমি ধর্ম মানি। বেহেশতের লোভে ভালো চলি তাই লোভী।
বিশ্ববিদ্যালয় বেতন না দিলে আপনি আমাদের পড়াবেন? তিনি বললেন, না।
আমরা সবাই যদি প্রাইভেটের টাকা না দেই আপনি আমাদের পড়াবেন ? বললেন, না।
আপনাকে যথাযথ সম্মান না দিলে পড়াবেন? সময় মতো পদন্নোতি না দিলে পড়াবেন? বললেন, না।
তাহলে আপনি কি টাকার জন্য পড়ান? স্ট্যাটাসের জন্য পড়ান?
স্যার চুপ করে শুনছিলেন। সাথে পুরো ক্লাস।
আমি বললাম; আপনি বোধের তাড়নায় ভালো চলেন। আমি চলি জান্নাতের আশায়। আপনার ভালো খারাপের সীমারেখা আপনি নিজে তৈরী করেন। দুনিয়ার সকল নাস্তিকের ভালো খারাপের সীমারেখা এক না। আপনি মদ, সিগারেট, বহুগামীতাকে খারাপ ভাবেন। আপনার মতো আরেক নাস্তিক হ্য়তো এগুলোকে ভালো মনে করে। তাহলে ভালো খারাপের ইউনিভার্সেল মানদন্ড কই পাবো?
ইসলামের দিকে দেখুন। ইসলাম যে গুলোকে খারাপ বলেছে। তার একটিকেও মানবতার জন্য কল্যানকর প্রমাণ করার উপায় নাই।
আরেকটা কথা স্যার। আমরাতো বিবেকবান। আপনার কাছে আমাদের পরীক্ষা দিতে হবে কেন? পরীক্ষার রেজাল্ট ভালো করার আশ্বাস কেন? পরীক্ষায় নকল যাতে না হয় তার জন্য আপনি পরীক্ষার হলে চেক করেন কেন?
আমরা কি পাশের লোভে পড়ছি? এক্সপেলে হওয়ার ভয়ে নকল হতে বিরত থাকছি? চাকুরির লোভে পড়ছি? চাকুরি পাবো না এ ভয়ে পড়ছি।
যেখানেই পরীক্ষা। সেখানেই ফলাফলের লোভ। হারানোর ভয়। ওখানে আমরা লোভী না।
ইসলাম যদি বলে জীবন মানে পরীক্ষা। পরীক্ষায় ভালো করলে কি পাওয়া যাবে খারাপ করলে তা বলে দেয়া আছে। তাই মুসলিম মানে লোভী।
প্রতিযোগিতা কোথায় নেই? ব্যবসা, খেলা, মিডিয়া সব জায়গাতেই প্রতিযোগিতা। কি কিনলে কি পাবেন আগেই ঘোষণা দেয়া আছে। চাকুরী করছেন? প্রফেশনাল হলে প্রমোশন, তাইলে বছরের মাথায় বিদায় ঘন্টা। অনার্সে ভালো রেজাল্ট না হলে মাস্টার্স কপালে নাই। তাই পড়ো আরো পড়ো। লোভ থেকে পড়া? বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একের পর সুবিধা বাড়াচ্ছে। প্রলোভন? ক্রিকেট, ভালো খেলেনে কাড়ি কাড়ি টাকা, খারাপ খেলেন, চির বিদায়। ভালো খেলছি কেনো? শুধুই ভালো খেলি বলে? না টাকা, যশ এসবও আছে বলে।
কত উদাহরণ দিব।
নিজেকে নাস্তিক বলে নির্লোভ ভাবছেন? নীরবে হিসেব মেলান। দেখবেন আপনিও একজন লোভী।
লেখক বলেছেন: "ফল" আর "লোভ" এর মধ্যে পার্থক্য না জানা থাকায় বা লুকানোর চেষ্টা থাকায় এই ধরনের অহেতুক কথার অবতাড়না করেছেন বলেই মনে হচ্ছে (বিনীতভাবে বলছি)। তবে একথা ঠিক যারা লোভের আশায় ধর্মপালন করছে তাদের চেয়ে (আমার দৃষ্টিতে) যারা লোভ দেখিয়ে এই মানুষগুলোকে বিভ্রান্ত করছে বা করেছে তারা মানবতার বিচারে অপরাধী।
লেখক বলেছেন: সেই ভরে যাওয়া দলে আপনিও একজন সভ্য।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
নাবিকের কমেন্টের পরে আর কিছু বলার নেই। এই পোষ্টে কোনো ধরনের কমেন্ট করতাম না যদি না সম্মানিত ব্লগার মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে কথা বলতেন। জেনারালাইজড করে তিনি যেধরনের এগ্রেসিভ মন্তব্য করেছেন তার সে অসুস্থ মানসিকতার প্রতিবাদ না করে পারিনি। আস্তিক নাস্তিক হোয়াটেভার ‘তিক’ হোকনা কেন, মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা আর সম্মান রেখে কথা বলতে না পারার অর্থ নিজের ‘তিক’ কে নীচে নামানো।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
আবারো মজা পেলাম
লোভ বলতে আপনি কি বুঝেন? লোভ আর ক্ষতিকর লোভ কি এক? আমি বেহেস্তের লোভে ধর্ম পালন করি বা ৭ হাজার বার তসবিহ পড়লে জ্বিন এসে আমাকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে যাবে। এখন আপনি কোনটাকে লোভ বলবেন?
যদি বলেন যে কোন লোভ ই লোভ তাহলে এখানে ধর্মের ব্যাপারটা আসছে কেন? সাবাই তো লোভি।
যেমন কোন লোক মাংসের জন্য বাজারে যায় একটু টেষ্টি কিছু খেতে। লোভ না থাকলে সে তো নিরামিশ দিয়ে খেতে পারতো।
লেখক বলেছেন: নতুন টার্ম জানলাম " ক্ষতিকর লোভ" - এ যেন "ক্ষতিকর খারাপ কাজ" । ভালোই বলেছেন। যে লোভী সে নিজের ক্ষতি যত না করছে তার চেয়ে বেশি জায়গা দিচ্ছে প্রলোভনকারীদের নিজেদের কার্যসিদ্ধি হাসিল করার জন্য।
মেন্টাল বলেছেন:
তুমি যে সৌদিতে বইসা লোভের বসে সফটওয়ার চুরি কর এই ব্যাপারে ধর্ম কি বলে নাজিরুল?
মাহবুব সুমন বলেছেন:
আপানরে কি সরাসুরি ছাগল-পাগল বলেছি !! নিজের দিকে ঝোল টানলেতো সমস্যা !!
আসলেই ছাগল-পাগলে ভরে গেছে ব্লগটা।
লেখক বলেছেন: আমার জবাবটি পড়ে দেখেন তো আমি কি নিজের দিকে নিয়েছি? আমি কেবল বলেছি যে দলের প্রতি আপনি ইঙ্গিত করলেন সে দলের একজন সভ্য আপনি স্বয়ং।
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
নাবিক ভাল বলেছেন আর মাহবুব সুমনের সাথে একমত। এর বেশি কিছু বলার নাই।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
সম্ভবত আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখছেন ভ্রাতা আর হ্যালুসিশনে ভুগছেন !! আর সেখান থেকেই আমাকে সেই দলের সদস্য বানিয়ে দিতে চাইলেন, এই দূঃসাহস এই ব্লগের আর কেউ দেখায় নেই। হাহাহা,ধন্যবাদ ও স্বাগতম। ছাগলে পাগলে আসলেই ভরে গেলো ব্লগটা।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
আমার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আপনার মন্তব্যের জবাবে বলছি-আপনার পর্যবেক্ষন থেকে হয়তো মনে হয়েছে ‘অসহায়ত্ব আর সসীম সামর্থ্যের বিপরীতে অসীম লোভ’ থেকেই সব ধরনের ধর্মের জন্ম।
অন্য কারো কাছে মনে হতে পারে - অধার্মিকদের ও বক-ধার্মিকদের সীমাহীন অত্যাচার এবং নৈতিকতার চরম বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত সময় থেকে উত্তরনের জন্যেই প্রতিটি নতুন ধর্মের জন্ম।
পর্যবেক্ষনে পার্থক্য থাকতেই পারে।
কিন্তু তাই থেকে নিজস্ব ডিসিশানে এসে বাকী সব পর্যবেক্ষনকে (তা সত্য না মিথ্যা সে প্রশ্ন এখানে আপেক্ষিক) গনহারে ‘ছোটলোকের’ পর্যবেক্ষন, ‘লোভী’ মানসিকতা বলা কতটুকু সংগত?
আপনি যেই সেন্সে ‘লোভ’ শব্দটা ইউজ করেছেন, ব্যাক্তি প্রতিটি মানুষের প্রতিটি কাজকেই কিন্তু সেই সেন্সে ‘লোভের’ জন্যে একশান প্রুভ করা যায়। সব কিছুতেই সেই সেন্সে লোভ খুঁজে পাওয়া যায়।
যাই হোক, জ্ঞান মানুষকে ঔদ্ধত না করে, বিনয়ী করুক, এ প্রার্থনা।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রার্থনার সাথে শরীক হলাম।
নাবিক বলেছেন:
আপনি আমার মন্তব্যের জবাবে বলেছেন; "ফল" আর "লোভ" এর মধ্যে পার্থক্য না জানা থাকায় বা লুকানোর চেষ্টা থাকায় এই ধরনের অহেতুক কথার অবতাড়না করেছেন বলেই মনে হচ্ছে "বুঝলাম আমি "ফল" ও "লোভে"র পার্থক্য জানিনা বা লুকানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু আপনি "ফল" ও "লোভে"র পার্থক্য জানেন কিনা তা পাঠকের বিচারের উপর ছেড়ে দিলাম। কারণ আরেকবার পড়ে দেখুন আপনার লেখায় আপনি লিখেছেন;
"এই মত আর পথ হচ্ছে ধর্ম যা অশরীরী শক্তিকে তুষ্ট করার, অনন্তকালের জন্য চিরসুখী হবার। মানুষের এই তীব্র লোভ তাকে তার জাত থেকে নিচু স্তরে নামিয়ে দিয়েছে।"
আমার পথ হচ্ছে ইসলাম ধর্ম । আমি ধর্ম মানি, ভালো কাজ করি, ভালো কর্মফলের জন্য, অনন্তকাল সে কর্মফল ভোগকরে চিরসুখী হবার জন্য। আপনি বলেছেন আমার কর্মের মাধ্যমে প্রাপ্ত "ফল" লাভের মাধ্যমে চিরসুখী হবার "তীব্র লোভ " আমাকে আমার জাত থেকে নিচু স্তরে নামিয়ে দিয়েছে।
আপনি কি স্ববিরোধী কথা বললেন না?
আমি ধর্ম মানার চেষ্টা করি বলে আমাকে ছোট লোক বলছেন ভাল কথা, আপনিতো নাস্তিক, খুব ভালো লোক, বড় জাতের নির্লোভ মানুষ।
আমাকে ছোট লোক প্রমাণ করার মাধ্যমে আপনার নিজের জাতে উঠার বৃথা চেস্টাই প্রমাণ করে আপনি কত লোভী। এ লোভ নিজেকে বড় মনে করার লোভ, জাতে উঠার লোভ।
অন্যকে যে ছোট লোক বলতে পারে সে কি আসলেই বড় জাতের লোক? আয়নায় নিজের মুখ দেখার জন্য "বাল্য শিক্ষা"র একটা ছড়াকে আয়না করে আপনার কাছে পাঠাচ্ছি। দয়া করে নিজের মুখটা সেই আয়নায় একটু দেখে নেবেন।
"আপনাকে বড় বলে বড় সে নয়,
লোকে যাকে বড় বলে বড় সে হয়।
-----------
বড় যদি হতে চাও ছোট হও তবে।"
"অহংকার পতনের মূল" এ আপ্তবাক্য না হয় নাই আওড়ালাম।
একটি জিজ্ঞাসা আছে,
নাস্তিক্যবাদের মূল ধর্ম কি? অহংকার ? অন্যকে তুচ্ছ করা? ছোট জাত বলা? লোভী বলা?
লেখক বলেছেন: নারে ভাই এর কোনটাই না। বরং আমারতো মনে হয় নাস্তিকরা জাতছাড়া, সমাজ ছাড়া, সংস্কৃতি ছাড়া।
আসলে আমি কটাক্ষ করে ছোট জাত বলতে চাইনি। আমি চেয়েছি একটা বোধের জাগরণ ঘটাতে, যাতে করে প্রলোভনকারীদের রোখা যায়। আমার সেই থীমটা আমি হয়তো দিতে ব্যর্থ হয়েছি। তার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
লেখক বলেছেন: "নাস্তিক্যবাদের মূল ধর্ম কি? অহংকার ? অন্যকে তুচ্ছ করা? ছোট জাত বলা? লোভী বলা?"
..........................
নারে ভাই এর কোনটাই না। বরং আমারতো মনে হয় নাস্তিকরা জাতছাড়া, সমাজ ছাড়া, সংস্কৃতি ছাড়া।
আসলে আমি কটাক্ষ করে ছোট জাত বলতে চাইনি। আমি চেয়েছি একটা বোধের জাগরণ ঘটাতে, যাতে করে প্রলোভনকারীদের রোখা যায়। আমার সেই থীমটা আমি হয়তো দিতে ব্যর্থ হয়েছি। তার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















আমি মোটামোটি ধার্মিক এবং নিচু জাতের মানুষ। লোভীও বলা যায়। কিন্তু অন্যদের ব্যাপারে জানিনা। অধার্মিকদের মধ্যে মনে হয় লোভী মানুষ নাই। সেটা আগে জানতামনা।