লেখার এলোমেলো ড্রাফট ১২
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৭
ডরোথীন স্ট্রাসের ইট বিছানো রাস্তায় চৌচক্রযানের ঘরঘর শব্দ কর্ণিকাগুহ্য ভেদে মস্তিষ্কে অবস্থান জানান দেয়। মুহূর্তেই দৃশ্যপট পালটে চলে যায় মেলবোর্ণ। জেনকিন্স স্ট্রীটের পরিচিত শব্দ, নিমেষেই স্থান-কাল-অবস্থানের প্রাচীর দুমরে ফেলে। চোখের পলকে রাস্তাটা বদলে হয়ে যায় রেইলওয়ে প্যারেড। স্টেশনের পাশের বাড়ি থেকে ধুমধাম কানে আসে। মনোযোগে শুনলে ভ্রম হয় নিজের বলে। এক পশলা ঠান্ডা বাতাস কনকনিয়ে নাসিকা-কর্ণ বিদীর্ণ করে। ভাবনার পাখা, মেলার বিপরীতে চুপসে ঢেসে যায় কোটরে। চরিত্রগুলো মুষলধারে এগিয়ে আসতে থাকে অনবরত কথোপকথন চালানোর নিমিত্তে। পা, তার চলার নির্দেশ পেয়ে যায় আগেই। আনমনো হাত পকেট হাতড়ে হলুদখামের যন্ত্র তুলে আনে। নিঃস্তব্ধতায় ইন্দ্রিয় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে যেনো। সময় গুলো তাহলে কেটেই যাচ্ছে বেশ, উইদাউট দিস !ওএফইউ!
প্রকাশ করা হয়েছে: এলোমেলো ড্রাফট বিভাগে ।
আহমেদ জালাল বলেছেন:
চমৎকার উদাস করা একটা বাঁশির সুর। আপনার লেখার সাথে বাঁশির সুরের অদ্ভূদ মেলবন্ধন।আরও সরল ভাষায় লিখেন না কেন?
লেখক বলেছেন: 'সরল এবং সুন্দর' - এই দু'টো জিনিষের পুজো করে আসছি সেই অনাদি থেকে। আজো পেলাম না গুরু। আপনাকে ধন্যবাদ পোস্ট এবং কমেন্টে অদ্ভুত সুন্দর মেলবন্ধনটির গোড়াপত্তনের জন্য।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
ছবিটাঃ নভেম্বরে তোলা, ঘরে ফেরার পথে, শ্মশানখোলার পাশের পথে।
মন্তব্যের ঘরে সাক্ষরকারী সবাইকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
উদাসী মন চাঙ্গা করতে তাতে চাই এক চিমটি বিষণ্ণতা। পাঁচ-ছ' বছর পরে শেষ করতে পারা মুভ্যিটা থেকেই চিমটিখানি রেখে দিলাম।
'নিজে উদাসী হোন, অন্যকেও বিষণ্ণতায় ভুগতে সহায়তা করুন'
-জনস্বার্থে , ধুসর গোধূলি
শতরূপা বলেছেন:
'চরিত্রগুলো মুষলধারে এগিয়ে আসতে থাকে অনবরত কথোপকথন চালানোর নিমিত্তে। পা, তার চলার নির্দেশ পেয়ে যায় আগেই'
শতরূপা বলেছেন:
শতরূপা বলেছেন: 'চরিত্রগুলো মুষলধারে এগিয়ে আসতে থাকে অনবরত কথোপকথন চালানোর নিমিত্তে। পা, তার চলার নির্দেশ পেয়ে যায় আগেই'
শতরূপা বলেছেন:
সুন্দর। অতি সুন্দর।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
জ্বি, শুকরিয়া।



















সাথে লিখাটাও.....................সুন্দর