আমার প্রিয় পোস্ট
- সামুর ইমোটিকন এখন ফেসবুকে, ধন্যবাদ টিটির টিউনার সাইফুল ইসলামকে - উণ্মাদ তন্ময়
- সামুতে ছবি আপলোড করা নিয়ে ভাবনা?? আর না আর না!!
- ফয়সাল তূর্য
- ১০০% ভাইরাসমুক্ত আইডিএম লেটেস্ট ভার্সন আপডেটঃ IDM v6.08 Build 8 (Final) - রাফি মাহমুদ
- আলোকচিত্রের কিছু ...... - পাঙ্খাবাবা
- বাঙ্গালীদের রসনাভোজঃ বৃহত্তর নোয়াখালীর সাইন্না পিঠা - লোরক
- কিভাবে একা থাকা অবস্থায় হার্ট এ্যাটাক হলে নিজেকে রক্ষা করবেন? - ওসমাণ
- হাউ টু মেক অ্যা পারফেক্ট পিজা.....অ্যা শিশির সিন্ধু রেসিপি - শিশির সিন্ধু
- এবার যে কোন অজানা Extensions যুক্ত ফাইল ওপেন করুন , খুব সহজে । - সিস্টেম অ্যাডমিন
- পর্ব ২০- ☃ আজ আমার জন্মদিন ☃- ফটুক তোলা শিখতে চাইলে আমার শিষ্যত্ব গ্রহন করো... - পাঙ্খাবাবা
- ****আমার হিজিবিজি রান্নার রেসিপি *** - শোশমিতা
- ছবিটি শেয়ার করে হয়তো আপনিও কারো জীবন বাঁচাতে পারবেন। - প্রিন্সরাব্বি
- টিনটিন - উণ্মাদ তন্ময়
- ২০১১ সালের এ্যানিমেশন মুভিসমূহ। (ডাউনলোড লিংক সহ)
- এস.কে.ফয়সাল আলম
- ফিরে দেখা ২০১১ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগে যা কিছু আলোচিত-সমালোচিত... - ফিউশন ফাইভ
- শিখে নিন ফেসবুকের নতুন ফিচার-চ্যাটে ইমেজ যোগ করা - আর অবাক করে দিন আপনার বন্ধুকে

- অণুজীব
- বের করুন ব্লগে পাওয়া আপনার ৫০ তম কমেন্ট,১০০ তম কমেন্ট, ১০০০ তম কমেন্ট (সম্পূর্ণ আজাইড়া পোস্ট) - অণুজীব
- সুরঞ্জনার উন্দালে ২টি সিলেটি রেসিপি। - সুরঞ্জনা
- ব্লগার নয়, সাইবার ক্রিমিনাল সাবধান! - আইরিন সুলতানা
- ::::মুভী রিভিউঃ বর্ন-ফ্রি:::: - সৌম্য
- সামুতে এক বছর ১ মাস : সাথে প্রিয় পোস্ট সমগ্র - পটল
- আমার প্রিয় ব্লগারগণ... - তন্ময় ফেরদৌস
- ঘোলা ছবি পরিস্কার করুন এক সেকেন্ডে!!! (আকর্ষনীয় সব নতুন ফিচারে)

- হাসান জোবায়ের
- শিক কাবাবের রেসেপি (ঘরোয়া পদ্ধতি)
- ডোরা রহমান
- শিরোনামহীন এক মানুষের শিরোনামহীন কোন গল্প - শামীম শরীফ সুষম
- Beyond True Color - আরো রঙ্গিন। - স্বাধীনতার বার্তা
- মজিলা ফায়ারফক্স ৪.০ এ আইডিএম সম্পর্কিত সমস্যা - অচেনা সূর্য
- সেন্টমার্টিন : যাতায়াত ও থাকা খাওয়ার প্রয়োজনীয় তথ্য। - সাইফুল আলম শাহিন
- সুরঞ্জনার উন্দালে আমন্ত্রন। (রেসিপি পোস্ট ) - সুরঞ্জনা
- চতুর্দশ পর্ব - ফটুক তোলা শিখতে চাইলে আমার শিষ্যত্বগ্রহন করো..... - পাঙ্খাবাবা
- IDM এর লেটেস্ট ভার্সন: 6.07 build 14 মিডিয়াফায়ার ডাউনলোড লিংক এবং ইন্সটলেশন - নেকা
ঈদ স্পেশাল খানা-পিনা , সাথে বোনাস-রেসিপি
- নাআমি
- কেউ বুঝবে কি বাগানের রহস্য - ওয়াজাহাত
- জুমলা টিউটোরিয়াল: সম্পূর্ণ - গৌতম রায়
- বিভিন্ন প্রজাতির গোলাপ ফুল : পর্ব ১৪ - পগলা জগাই
- HJSplit দিয়ে যেভাবে ফাইল জয়েন করবেন। - আদনান_ফিরদাউস
- Kung Fu Panda 2 (2011) 1080 BluRay 970 MB Mediafire ডাউনলোড লিংক!!! যারা আমার মত এত দিন অপেক্ষা করেছেন শুধু তাদের জন্য
আপডেটেড!!! - নেকা
- "অসাধারন কিছু বাচ্চাদের কথা" - ইউসুফ খান
- "অসাধারন কিছু বাচ্চাদের কথা" - ইউসুফ খান
- ভেলপুরি
- পুরাতন
- এসব ব্লগার কেন আমার প্রিয় . ব্লগে আমার ৫ বছর - জসিম
- অই গরম চটপটি--খাইলে চাটবেন না খাইলে পস্তাইবেন !!
(রেসিপি পোস্ট) - ভূকণ্যা
-
ইষ্টিকুটুম মিষ্টিকুটুম ...
মিষ্টি মিষ্টি হালুয়া বানায়...তার কুটুমের জন্য...
কিন্তু নিজে নিজেই খায়!!!
- ইষ্টিকুটুম
- যদি মন কাঁদে তুমি চলে এসো ..... - মেহবুবা
- পনির পরোটা বানানোর রেসিপি.. - chin২
- ১০ দেশের ১০ পরিচালকের ১০ সিনেমা - সুমন আজাদ
- দেশের অনেক অসামঞ্জস্যতার মধ্যে কয়েকটি - নীল_পদ্ম
- আর্কিটেক্ট রিকশাচালক ও পরশ পাথরের গল্প - ই য়া দ
- খুব সহজ ও সুস্বাদ্য স্বাস্থ্যকর খাবার - রাগ ইমন
- ভুলে যান আপনার উইন্ডোস ৭ এর পাসওয়ার্ড:আমি ভুলে গেলাম আজকে থেকে - অণুজীব
- একটু ভিন্ন মজা করতে চান
তাহলে এ পোস্ট আপনার জন্যই
একটি ননটেকি++ আর টেকি --- পোস্ট - শব্দহীন জোছনা
- বৃষ্টির দিনের মেঘলা আকাশ ও সাথে নস্টালজিক হবার মতো কয়েকটি রবীন্দ্রসংগীত
- সাকিন উল আলম ইভান
- মুভি দেখার জন্য সাবটাইটেল সমস্যা আর না আর না (১৫সেকেন্ডে বের করে ফেলুন আপনার পছন্দের মুভির সাবটাইটেল ) - অণুজীব
- র্যাপিডশেয়ার, মেগাআপলোড, হটফাইল ইত্যাদির প্রিমিয়াম ইউজার সুবিধা নিন লিচিং করে!!
- রাফি মাহমুদ
আমার মুভি ডাউনলোডনামা (চার পর্ব একসাথে)
(সাথে মুভি সাইটের ঠিকানা ফ্রি!!) - রাফি মাহমুদ
- কয়েকটা কিউট পুঁচকু অ্যানিমেশন
- ত্রিনিত্রি
- আসুন ফটোগ্রাফির কিছু টুকিটাকি জিনিস মনে রাখার চেষ্টা করি
- আর.এইচ.সুমন
- পায়েশ রান্নাটা শিখেই ফেললাম:
কাহিনীটা না বললে-ই যে নয়
- নীল-দর্পণ
- ইচ্ছা মতো আপনার ছবির বেকগ্রাউন্ড পরিবর্তন করুন আর দেখুন কত মজা! - হাসান জোবায়ের
- বাংলা সাহিত্য কি আসলে বাক্সবন্দী? চরম কিছু পিডিএফ দেন তো ভাই !! এট লিস্ট আমার চিন্তাটা হালকা করে দেন। - আকাশ_পাগলা
- যেভাবে বাংলাদেশ থেকে পেপ্যাল পেমেন্ট নেবেন - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- ম্যাক্রো লেন্স নেই তাতে কি ,, ম্যক্রো ফটোগ্রাফি তো আর থেমে থাকতে পারে না ( নিজেই তৈরি করুন ম্যাক্রো লেন্স ) - আর.এইচ.সুমন
- মেগা কপিপেস্ট - সাদা কালো এবং ধূসর
- ফটোগ্রাফারদের উপকারে আসে এমন ১০০র ও বেশি কিছু প্রয়োজনীয় ওয়েব সাইট ----- না দেখলে মিস করবেন

- আর.এইচ.সুমন
- রসভরি পিঠা - নোয়াখালীর নিজস্ব স্বাধ - ভূলু
- শীতের পিঠা - মঈন
- ফ্রি-তে ডাউনলোড করুন আমার সংগ্রহের কিছু প্রোগ্রামিং ই-বুক [আপডেটেড] - আমড়া কাঠের ঢেকি
- ডিজিটাল ক্যামেরা টিউটোরিয়াল (বেসিক) - জোবাইর
- চিকেন শর্মা ( রেসিপি এন্ড খাওন দাওন পুস্ট-৪
(আপডেটেড) - কি নাম দিব
-
ই-বুক মেলা..... আপনার পছন্দেরটি বেছে নিন। একদম ফ্রী
- অন্ধকারের রাজপুএ
- বাংগালীর রান্নাঘর: লইট্টা মাছের ঝোল। - ত্রিশোনকু
- আমের আচারের পাঁচ পদ আর আমার বাসায় না থাকার বিশেষ ঘোষণা
- রেজোওয়ানা
- IDM অথবা যেকোন ডাউনলোড ম্যানেজার দিয়ে টরেন্ট ডাউনলোড করতে চান!তাহলে আসুন একটু এ দিকে

- পুশকিন
- আমার বুকমার্ককৃত মুভি ডাউনলোড করার সাইটগুলো শেয়ার করলাম
- পুশকিন
- এংরি বার্ড ফর পিসি - মাইশাআক্তার
- নিজেই বানাই হোম থিয়েটার (নন-টেকি দের জন্য টেকি পোস্ট) - রাব্বি !
- আসেন ফন্টের দুনিয়াই ভাইসা যায়(পৃথিবীর সব ধরনের ফন্ট কালেকশন)







- বিডি গ্লাডিওটোর
- ~জুন মাসে মুক্তির অপেক্ষারত ও মুক্তিপ্রাপ্ত হলিউড মুভি~ - joy789bd
- কম্পিউটারে কীবোর্ড থাকলে যে ফ্রীওয়্যারটি ব্যবহার না করলে মিস করবেন। - মোঃ আরিফ রায়হান মাহি
- DATA RECOVERY অমনিবাস [Downloading link,data recover process সব একত্রে] - ইভা লুসি সেন
- ▒▒██▒▒ ব্রেইল-অন্ধের সহায় ▒▒██▒▒ - নিশাচর নাইম
- ঝটপট রান্নাঃ থাই ফ্রাইড রাইস (বোনাস চিকেন ফ্রাই) - ~স্বপ্নজয়~
- হ্যালো এটা কি ২৪৪১১৩৯ -প্রিয় অন্জন এবং অন্জনের জনপ্রিয় ,অজনপ্রিয় গান সমুহ - প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার
- ফেলনা জিনিস দিয়ে তৈরী অন্যরকম শিল্প - ইষ্টিকুটুম
-
মধু মাসের মধু ফল// আঁকাআঁকি করি চল
- ইষ্টিকুটুম
- কাগজ কেচির কাজ -১ - পগলা জগাই
- রেসিপি: মেথি দিয়ে রুই মাছ - অরুন্ধতি
- রেসিপি: কালোজিরা ফোড়নে বেগুন দিয়ে ইলিশ মাছ রান্না - অরুন্ধতি
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- বাসায় বানিয়ে নিজে খান আমাকেও খাওয়ান চিকেন শর্মা





- পারভীন রহমান
- সফওয়্যারের কারুকাজ - ১ - ইভা লুসি সেন
- এক ক্লিকেই আপনার উইনডোজকে বানিয়ে ফেলুন উইনডোজ ৮ কোন ঝামেলা ছাড়া - কালো চিতা
- বানিয়ে ফেলুন ঝটপট বিফ বার্গার; সাথে একটা টিপস্ ফ্রী
- নীল-দর্পণ
- সহজেই লুকিয়ে ফেলুন আপনার পিসির হার্ডডিস্ক - রাহুল চোধুরী
- প্রিয় কবিতার কবিকে অবশেষে খুঁজে পেলাম। - সুরঞ্জনা
- চর্যাপদ (১-১৫) [সুব্রত অগাষ্টিন গোমেজের পাঠোদ্ধারসহ] - গাব্রিয়েল সুমন
- আমি তোমাকেই বলে দেব সেই ভুলে ভরা গল্প.....কড়া নেড়ে গেছি ভুল দরজায়...(শেষ প্র্ব) - সরলতা
- বৈশাখী আয়োজন- বৈশাখী গান, সাজুগুজু, লাল সাদা পাড় শাড়ী আর ইলিশের পাঁচ পদ!!!
- অপ্সরা
- ২১টি মন খারাপ করা গান
- ~স্বপ্নজয়~
- গাজরের চার পদ ( রেসিপি এন্ড খাওন দাওন পুস্ট )
-৩ - কি নাম দিব
- সেই যে আমার ছেলেবেলার দিনগুলি..আর কিছু পছন্দের গান - অদৃশ্য সত্তার বাক্যালাপ
- ৬টি মাস্ট সী নন হলিউড মুভি - স্নিগ
- কিছু টুডি এনিমেশন মুভি - স্বাধীনতার বার্তা
- ইউ টরেন্ট/মিউ টরেন্ট এ ডাউনলোড স্পিড বাড়ানোর উপায় - পুশকিন
- চলুন জেনে নেই খাঁটি মধু চিনব কিভাবে - ছাত্র ও শিক্ষক
- সাবটাইটেল নিয়ে যা খুশি ক্যারদানি করুন ইচ্ছামতঃ ছোট্ট একটি সফটওয়্যার দিয়ে। - বাবুই চড়ুই
- জীবন্ত করে ফেলুন স্থির চিত্রকে !!!!!!!!!


- হাসান জোবায়ের
- ব্যোমকেশ সমগ্র- (৩০টি রহস্যগল্পের ডাউনলোড লিঙ্ক / রহস্য প্রেমিদের অবশ্য পাঠ্য) - জাহাজী পোলা
- ভালবাসার দিনে ভালোবাসার কবিতা - মহান পংকজ
- শীতের পিঠা ভীষন মিঠা - মেহরিন সুমি সাদিয়া
- ডিসকো বান্দরের খাওয়া সবচে অদ্ভুত খাবার - ডীপ ফ্রাইড আইসক্রীম বা ভাজা আইসক্রীম! রেসিপী দেখুন! - ডিসকো বান্দর
- হয়াইট ব্যইট - আরিয়ানা
- উবুন্টুর মোবাইল জাদুকর!!!
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- শীতের পিঠা খাওন দাওন। - সুরঞ্জনা
- সকাল সকাল একটি ভালো খবর শেয়ার করি : Lonely Planet বাংলাদেশকে নির্বাচন করেছে ২০১১ এর 'বেষ্ট ভ্যালু ডেষ্টিনেশন' হিসেবে - অর্ফিয়াস
- সমরেশ মজুমদারের ৫০ টি বই এর অনলাইন কালেকশন ...... - ইনফো
- Internet ছাড়াই Facebook এর সমস্ত আপডেট জানুন আপনার বাংলালিংক মোবাইল থেকে একদম ফ্রি !! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- বাংলাদেশে কোন ক্যামেরা কোথায় পাবেন এবং ক্যামেরা নিয়ে সকল ধরনের পরামর্শ - ফটো পাগল
- চমকে দিন সবাইকেঃ মাত্র ৩ মিনিটে কেক বানান আপনার কফি মগটিতে!!!
- তেলাপোকার ডানায়
- Khadok.com কি? (আসুন একটি ছবি ব্লগ এর মাধ্যমে পরিচিত হই) - ইরফান রিজভী
- DBBL কার্ড আছে? ধরা না খাইতে চাইলে জানুন
- কর্ণেল সামুরাই
- অল রেসিপি ফর বাবুনিমনি , খানাপিনা ফর অল ভাইয়া এ্যান্ড আপুনি......
- অপ্সরা
- 'রিপ ভ্যান উইংকেল' - সুমন দি গ্রেট
- ....আসুন ফটোগ্রাফি শিখি .... নিজে নিজে ..... ১ম পর্ব - একলা পাখি
- WINDOWS পালাবি কোথায়?? উবুন্টু বিষয়ক সব পোস্ট একসাথে - শোভন
- নতুন ঠিকানায় উইকিলিকস - ও.জামান
- নীলু'স সিজলিং পামকিন উইথ প্রন
- নীল-দর্পণ
- ইনডেক্স। - জিকসেস
- জেনে নিন কিভাবে উইকিপিডিয়ায় রেফারেন্স যোগ করবেন। - সাদাচোখ
- কিনাদি'র চেয়ে সহজ রেসিপিতে ডিম ময়দার বিস্কুট: চ্যালেন্জ করলাম

- নীল-দর্পণ
- ভাল কোয়ালিটির পেইন্টিং সামগ্রী ঢাকার কোন জায়গায় পাওয়া যায় ? - জািফর
- Basic PC shortcut keys - হাদী কুিষ্টয়া
- চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী একটি রান্না : কুমড়ো পাতায় মোড়ানো নুনা ইলিশ - মোহাম্মদ লোমান
- ঈদের শুভেচ্ছা...ও খাওন দাওন...।
- সুরঞ্জনা
- অনেকদিন পর ...
- পুরাতন
- ঈদে গরু খাশি খাইতে খাইতে যাহারা ত্যাক্ত বিরক্ত হইয়া যাইবেন তাহাদের জন্য একখান আনকোরা মৎস রেসিপি - অর্ফিয়াস
- উবন্তুতে নকিয়া মোবাইল মডেম ও গ্রামীণ ফোন এজ মডেম ব্যবাহারের কঠিনতম পদ্ধতি

- পারভেজ রবিন
- ঈদের দিনের পুরো রেসিপি,সাথে আরো একটি এক্সট্রা - নীল_পরী
- খাওন দাওন!!! - রিফাত হক
- উবুন্টু/লিনাক্স মিন্টে গ্রামীনফোনের/সিটিসেল জুম আল্ট্রা মোডেম কনফিগার - *সাইদুর রহমান*
- উবুন্টুতে ম্যাক ও ভিস্তা লুক (উবুন্টু একাই একশ!!! ) - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- উবুন্টু ইউজ করছেন? ঝাঁড়ু দেন তো নিয়মিত - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- মাই কুকিং স্টাইল : ফ্রাইড রাইস উইথ স্পাইসি চিকেন এন্ড সালাদ ( খাই-দাই পোষ্ট - ১)

- পথে-প্রান্তরে
- ~~ জ্যাম রোল ~~ - আম্বি
- ছোটগল্পঃ ভবঘুরে দুপুরবেলা - আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন
- কুইক সালাদ : পিয়াঁজ, কাঁচা মরিচ আর নেম্বুর ইন্সট্যান্ট ইয়াম্মি সালাদ।
- রাতমজুর
- হরেক রকম ভর্তা - নীল_পরী
- যেসব ব্যাচেলার ভর্তা পছন্দ করেন তাদের জন্য শ্রেস্ঠ পাঁচ ভর্তা তৈরির রেসিপি - ছোট মামা
- আপনার পেনড্রাইভ করুন আরো Powerful,Virusfree & Smart - সুফিয়ান আহমেদ
- ছবি থেকে মুছে ফেলুন অপ্রয়োজনীয় অংশ - হাসান জোবায়ের
- বাস্তবে পা রাখতে যাচ্ছে অপরবাস্তব ৫ - অন্যমনস্ক শরৎ
- লিনাক্স: ফায়ারএফটিপি, উবুন্টুতে মজিলার অসাধারন এডঅনস - মদন
- “আমি তোমায় ভালোবাসি” – এটার মানে কি রে ভাই?! - নাবিলা ইদ্রিস
- ঝরে যাওয়া ফুল - যূথিকা
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- হাত কামড়াই আর বুঁদ হয়ে থাকি জগজিৎ- এই।(বাঙলা ব্লগিঙের তিন বছর শেষে) - তায়েফ আহমাদ
- নিজের সম্পাদনায়->> নিজেই হয়ে যান: আবৃত্তিকার.. - মুসাফির...
- উবুন্টুতে গ্রাফিক্যালি সবকিছু : টিউটোরিয়াল । এরপর খালি বলে দেখেন উবুন্টু কঠিন , খবর আছে!!! - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- “ঢাকার মজার কিছু খাবার দোকান এবং ঠিকানা” - নাফিজ মুনতাসির
- আমার প্রিয় কিছু মোবাইল সফটওয়্যার - মাহমুদ সিএসই
সফট পাগলা...
যে কোন সফটওয়্যারের জন্য বলুন...
পাগলা সেটা হাজির করতে চেষ্টা করবে... - মুনিফ তানজিম সৈকত
- আপনার কম্পিউটারকে ব্যবহার করুন Fax Machine হিসাবে। - কাজু
- অফিস ২০০৭ এর যে কোন Text কে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রুপান্তর করুন - কাজু
- ♫♫ ♫♫
গান গাওয়া, লিখা, সুর করা, গিটার বাজানোর সহজ A টু Z কৌশল
♫♫♫♫ - Beginner to Advanced Level - কবির চৌধুরী
- উবুন্টু ১০.০৪ এর জন্য Bisigi প্রজেক্টের ১৩ টি থিম। - নির্জন রহমান
- উবুন্টুতে ভয়েস চ্যাট। গুগল টক,এমএসএন, ইয়াহু, আইসিকিউ সব একসাথে! - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- উবুন্টুর সার্চ ইন্জিন!!! - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- উবুন্টুর কমান্ড লাইনের অ আ ক খ: ডরনা মানা হ্যায় - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- উবুন্টু কনফিগারেশন - হাসিব
- ফটোশপে বাংলা লেখার সাপোর্ট সহ রিলিজ পেলো অভ্র ৫ বেটা ৩ - টেকি মামুন
- বাংলাব্লগের লিংক খুঁজছেন?? এই নিন বাংলা ব্লগের লিংক; আর মজা করে ব্লগিং করুন। - আজাদ আল্-আমীন
- ল্যাপটপ ইউজার দের কিছু কমন সমস্যা... ছোটখাটো সমাধান পর্ব-১ - শিবলী
- Avidemux
VD / VCD Editor & Cutter for Ubuntu - তাওফিকুর রহমান শিবলু
- যে কোন ফাইল/ফোল্ডার লক/গোপন করুন; কোন প্রকার সফটওয়ার ছাড়াই। টিউটোরিয়াল। - রেনেসা
- একটি আপেল গাছের গল্প - সিস্টেম
- আমের আচারে ইলিশ খিচুড়ী; অবশ্যই নিলু'স স্টাইলে
- নীল-দর্পণ
- উবুন্টু ব্যবহারকারীদের জন্য All In One নেটওয়ার্ক কানেকশন ম্যানেজার!
- আমড়া কাঠের ঢেকি
- ল্যাপটপ কেনার আগে ও পরে - রেনেসা
- নিরন্তর মনে যারা শিশু পোষেন নিজেকে, কিংবা ইতিমধ্যে যারা শিশুর বাবা-মা
, তাদের জন্য : ছড়া-কাহিনী/চিত্রনাট্য, তিথিমনির বনরাজ্যে সবার নিমন্ত্রন দ্বিতীয় পর্ব - মতিউর রহমান সাগর
- সকালে মজার নাস্তা - মেহরিন সুমি সাদিয়া
- অনলাইন ক্যালকুলেটরে আয়করের হিসাব - হিমচরি
- ইংরেজীর মজা - িক
- যেভাবে চিরদিনের জন্য বন্ধ করবেন আপনার ফেসবুক একাউন্ট - আরিফ বল্গ
- ফোকাসড ব্লগিং - রাগ ইমন
- [কেস স্টাডি] ফ্রিতে দেয়া ব্লগিং কনসালটেন্সী – ব্লগিংকে দেখুন ভিন্ন চোখে - হাসান
- প্রথিবীর সবচেয়ে বড় ইবুক সাইট গিগাপিডিয়াতে এখন সাড়ে ৪ লাখ + ফ্রী বই - স্স্পরসের বাহিরে
- বাংলা প্যানগ্রাম : এক বাক্যে সব হরফ - মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান
- টিপস:- অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার তৈরি


- টিপস ম্যান
- ঘোলা ছবি পরিস্কার করুন এক সেকেন্ডে!!! - হাসান জোবায়ের
- (⋋▂⋌) ই-মেইল পাঠান খুব সহজে… আপনার মেইলে সাইন-ইন করা ছাড়াই!!! anonymous emailing
- না বি ল
- অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত পশুর মাংস চেনার উপায়........ - মুর
- মুভি প্রেমিদের জন্য সাম্প্রতিক মুক্তি পাওয়া কয়েকটি হলিঊড মুভির ডাঊনলোড লিংক দিলাম ঈদ ঊপলক্ষে ,, - সালমান খান
- 'ঙ' দিয়ে তৈরি শব্দ 'ঙাপ্পি' - সাইমুম
- কেনরে তুই উন্মনা@শিউলি ফুল - বিবর্তনবাদী
- আমার সেরা ৩৬ ফায়ারফক্স অ্যাড-অন (ডাউনলোড+রিভিউ+আপডেট) - মেটাফর
- গুগল সার্চকে কাজে লাগান নতুনভাবে (৫টা আসাধারন ট্রিক্স সাথে ১টা সাধারন টিপস ফ্রী)
















- শাহেদ_আহমেদ
- উবন্টু 10.04 এ বাংলা লিখুন ইউনিজয় কিবোর্ডে।(ইন্টারনেট ছাড়া) - তাওফিকুর রহমান শিবলু
- মুভি পোস্টঃ পিপলি লাইভ (ডিভিডি স্ক্রিনার ডাউনলোড লিঙ্ক সহ!)
- রাফি মাহমুদ
- লাইট পেইন্টিং - ক্যামেরাম্যান
- টমেটু দিয়ে জটপট ইতালীয়ান পাস্তা - এন এইচ আর
- চিনি-বন্দনা - সাইমুম
- একটি রাজকন্যার গল্প এবং সামুর রূপকথার গল্পের সংকলন
(আপডেট হয়েছে, হচ্ছে, হবে) - কি নাম দিব
- আপনার উইন্ডোজ কম্পিউটারের স্টার্ট মেনুকে আরও গতিময় করে তুলুন!!! (কোন প্রকার সফটওয়্যার ছারা) - মঈনউদ্দিন
- চোখের সমস্যার কারনে কম্পিউটার চালাতে ভয় পান? এবার কম্পিউটার নিজেই আপনার চোখ নিরাপদ রাখবে!!! - হাসান জোবায়ের

গুরুতর ভাইরাস আক্রমনের পরে যেভাবে উইন্ডোজ এক্সপি রি-ইন্সটল না করে পিসি রিকভার করবেন!!! 
- ডিজে আরিফ রক্স
- ছবি চাই, ছবি। দিন না একটি ছবি!! (রি রি রি রিপোস্ট) - রাগিব
- বৃস্টি নেমেছে - নির্বাসন এ একা
- ফ্রিওয়্যার সফটয়্যার ডাউনলোডের জন্য কিছু সফটয়্যারের ওয়েবলিঙ্ক (Freeware Software List) সংগ্রহে রাখুন
- না বি ল
- ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯ = ১০০ - পগলা জগাই
- ๑۩♥۩ স্মার্ট ইন্সটলার প্যাক !!! জনপ্রিয় ও প্রয়োজনীয় সফটয়্যার গুলো একসাথে ডাউনলোড করুন ۩♥۩๑ - না বি ল
- এক ক্লিকে উবুন্টুকে দিন ম্যাকের চেহারা।
- নির্জন রহমান
- আশ্চর্য একটি সংখ্যা 076923 - পগলা জগাই
- ১০টি ফ্রী ওয়েব এপ্লিকেশন যা আপনার ডেস্কটপ এপ্লিকেশনকেও হার মানাবে!(না দেখলে মিস করবেন) - খুজে ফিরি অজানা কে?
- পর্যায় সারনী মুখস্থ করুন। (যাদের দরকার) - জিকসেস
- নিজের ওয়েবসাইট বানানো ( অবুঝ প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের উপযোগী টিউটোরিয়াল) সূচীপত্র - ই য়া দ
- মার্টভিউ - একটি চমৎকার ই-ম্যাগ রিডার - ক্যামেরাম্যান
- নিজের ওয়েবসাইট বানানো - ১ ( অবুঝ প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের উপযোগী টিউটোরিয়াল) - ই য়া দ
- ডিজিটাল ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফি বিষয়ক পোস্টগুলোর সংকলন - টি. জাহান চৌধুরী
- প্রেম ভালবাসা আর উবুন্টু লিনাক্স ... ... - মো. তারিক মাহমুদ
- ***ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা*** - দীপান্বিতা
- ফেরদৌসির শাহনামা: ইসলামপূর্ব পারস্যের লোককথা এবং ইতিহাস-১মপর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- বাংলা অভিধান - নষ্ট কবি
- বৃষ্টি - sraboni
- ঘুম আসছে না? তাহলে শুনুন সফট ইনস্ট্রুমেন্টাল - ডাউনলোড করুন সর্বকালের সেরা গিটারিস্ট এর মাষ্টার পিস - কবির চৌধুরী
- জীহ্বায় গিট্টু লাগাইতে চাইলে আহেন...
- (অ)ভদ্র ছেলে
- ফটোশপে ইমেজের চতুর্দিকে এইজ ইফেক্ট - অসামাজিক শাকিল
- Unwanted call বন্ধ করুন free তে (বিরক্তকর কলারদের জন্য দুখবর) - কিং রক্স
- DivX movie download - মারভিন
- আমরা মিশেছি ভালোবেসে...গিয়েছি ফেঁসে শেষে : এক ঝলক ব্লগার ইতিহাস (চারবছর পূর্তির প্রথাসিদ্ধ না, বরং রীতিবিরুদ্ধ পোস্ট )! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- টেলিফোন নম্বর গুলো কি একটু মুখস্ত করবেন? - মিলটন
DVDrip- এ ডাউনলোড করুন নতুন কিছু মুভি
- না বি ল
- ফটোশপে পাসপোর্ট এবং স্ট্যাম্প সাইজের ছবি (পাসপোর্ট প্রতি ছবি প্রিন্টের খরচ ১ টাকা ১৬পয়সা এবং স্ট্যাম্প ২৯ পয়সা !!) - রিডার ওয়ান
- কঠিন পড়া মনে রাখার সেই সব কি-ওয়ার্ড আর ছড়া , মনে পড়ে কি ? - পরিবেশবাদী ঈগলপাখি
- কমিকস গুলো নিয়ে গেলো ছোট বেলায়
- হাসান তারেক
- একের ভিতর সব… Video Cutter, Encoder, Converter, Ripper & Trimmer সব করুন AnyVideo Converter 3.0.5 দিয়ে
- না বি ল
- শুদ্ধ বাংলা লেখা শেখার কয়েকটি বইয়ের তালিকা - লেখাজোকা শামীম
- বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম - খলিল মাহ্মুদ
- সামুর ব্লগারগো লাইগা ঐতিহাসিক একখান ঢেকি পোস্ট
না পড়লে সারা জেবন পস্তাইবেন
- নিশাচর ছেলে
- আমার কিছু প্রিয় এ্যানিমেশন মুভি
- বাবুনি সুপ্তি
- উইকিপিডিয়াতে লেখা সাজাবার সহজ উপায়-(পর্ব-৪) - সাদাচোখ
- সবাইকে রইলো ভূত মেলায় নেমন্ত্রণ। ~*~সেই সাথে সকল ব্লগারদের ২০১০ সালের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি~*~ - ইউনুস খান
- স্বপন পারের ডাক শুনেছি - বোহেমিয়ান কথকতা
- ভালো লাগা প্রিয় গল্প : : রূপের ডালি খেলা - মনজু মজুমদার
- কাল সে এসেছিলো - নিমা
- **আলো ও অন্ধকারের গল্প** - বোহেমিয়ান কথকতা
- তবে তাই হোক: - জুন
- ~||~*~ এক বরষায় ~*~||~ - আধারে অপ্সরী
- এই গল্পটা শুধুমাত্র 'বাবা'-দের জন্য ............ - নিস্সঙ্গ যোদ্ধা
- তুমি বৃষ্টি হতেই পারতে................... - সকাল রয়
- থাকবে পড়ে আমাদের দু’জনার বন্ধুত্ব এই পৃথিবীর তরে - অরুদ্ধ সকাল
- মুখোশ - sraboni
- ঘৃনার আগুন - লী এনজেল
- কথার বাঁশি-১৩ (মায়ের আদর) - হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা
- শোকেজ- ২ - বাবুনি সুপ্তি
- পিচ্চিকালের প্রিয় প্রিয় খাবার গুলো
- বাবুনি সুপ্তি
- খেলা (গল্প) - মেঘ বলেছে যাবো যাবো
- গল্পঃ চোখ খুললাম হাত ভরতি বকুল নেই - সকাল রয়
-
বাবুনি সুপ্তিকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানান
- ~স্বপ্নজয়~
- অতঃপর, মানুষের রক্তে দিনলিপি সই হয় ? ঘামে ভেজা জীবন ...... রক্তেই শেষ হয় ! - সোহায়লা রিদওয়ান
- ~!সুপ্তি বাবুনির ব্লগ শেলফ!~ - বাবুনি সুপ্তি
পিচ্চিকালের প্রিয় প্রিয় খাবার গুলো

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
![]()
পিচ্চিকালের প্রিয় প্রিয় খাবার গুলো
[আমার পিচ্চিকালের সময় গুলোই ভাল লাগে। সেই দিন গুলো মনে করে সব কষ্ট, হতাশা গুলো ভুলে যাই। সেই ছোট্ট ছোট্ট কাজ গুলো এখন করতে কখনই ভাল লাগবে না কিন্তু সেই সময়ের আনন্দ টুকু মনে করে অনেক ভাল লাগে। আমি তাই ভেবে রেখেছি আমার সব পিচ্চি বেলার কথা, স্মৃতি গুলো ব্লগে লিখে রাখবো। কখনো যদি এমন দিন আসে আমি সব ভুলে গেছি, এই লেখা গুলো থেকে ফিরে যাব সেই দিন গুলোতে।]
বাচ্চা দের খাওয়া নিয়ে কোন মা নেই চিন্তায় পরে না! বাসায় কিছু খেতে চায়না, এটা খায় না, ওটা খায় না! আমার ভাই কে নিয়ে ও আমার আম্মুর চিন্তার শেষ নেই! ১ টাকার বার্মিজ আচার গুলো পেলে সে আর সব কিছু ছেড়ে দিতে রাজি। এক দিনে ৫০ টা আচার খাবার রেকর্ডও আছে ওর!! আমি খুব অবাক হলাম কিভাবে পারে! কিন্তু তার পরেই মনে হয় আরে আমিওতো এমনি করতাম যখন ছোট ছিলাম। কত কত মজার সব খাবার যে খেতাম সারাদিন! বাসায় আর কিছু খেতে পারতাম না! আমি মনে করে করে বের করেছি কি কি খেতাম তখন। বের করতে গিয়ে দেখি লিস্ট আর শেষ হয়না! আমার আবার মনে পরে যাচ্ছে সেই সব দিন গুলো । কি যে আনন্দের ছিল! সারাদিন ঘুরে বেড়ানো আর নানা রকম জিনিস খাওয়া। সারাদিন। কিছু না কিছু মুখে থাকবেই। আর সব থেকে আজব হলো কত কম দামে যে সেই মজার মজার খাবার গুলো পাওয়া যেত!!! এখন সেটা কখনই সম্ভব না!
টিকটিকিঃ
সত্যি কারের টিকটিকি না কিন্তু। বাসার কাছেই একটা পিচ্চি কাঠের ছোট্ট দোকান[অনেকে টং দোকান বলে] নিয়ে বসে থাকত একজন লোক।তার কাছে পাওয়া যেত এটা। দেখতে একদম টিকটিকির ডিমের মত ছোট ছোট, মিষ্টি মিষ্টি, লাল নীল সবুজ হলুদ রঙের, আমি বলতাম টিকটিকি। ছোট্ট একটা ম্যাচের বাক্সের মত সাইজের কাগজের বাক্সে করে পাওয়া যেত। মাত্র ১টাকা করে। দাদা যখনি বের হতেন বাইরে আমার জন্য কিনে আনতেন। আর আমি সারাদিন সেই বাক্স থেকে ১টা ১টা করে বের করে খেতাম। মাঝে মাঝে আমি নিজে ও কিনে খেতাম। এই জিনিসটা আমি এত বার খেয়েছি যে আমার ১টা মায়া পরে গিয়েছে। এখনো মনে পরে টিকটিকি দেখলেই! এখন আর পাওয়া যায় না। আমি কোথাও দেখিনি আর।
টক ঝাল মিষ্টি আচারঃ
এই আচার টা কি দিয়ে বানানো আমি জানি না। স্বাদ টা ছিল টক ঝাল মিষ্টি। কখনো বড়ই মনে হতো, কখনো তেঁতুল। প্লাস্টিকের ছোট চারকোনা কাগজের মাঝে আচার রেখে মুড়ে দেওয়া হতো। দেখতে চারকোনা ছোট্ট বক্সের মত। .৫০ পয়সা করে দাম ছিল। প্রতিদিনই আমার এই আচার খাওয়া চাই। ২টা কিনে শুরু হয়ে যেত আমার খাওয়া! এটাও এখন আর পাওয়া যায়না।
আমসত্ত্বঃ
আমসত্ত্ব ঝুড়িতে করে বিক্রি করত ফেরিওয়ালা। এটাও ছিল আমার অনেক প্রিয়। ১টাকা দিয়েই অনেক গুলো আমসত্ত্ব পাওয়া যেত। ছোট ছোট কাগজের টুকরা তে লবণ মরিচ দিয়ে একটু একটু করে!!
বড়ই আচারঃ
এই আচারটা ছিল শুধুই বড়ইয়ের। মিষ্টি আচার। ঝুড়িতে করে ফেরি করত। কাগজের টুকরায় ১টাকার আচার দিয়েই অনেক সময় কাটত! এই আচারটা প্রতি দিন পাওয়া যেত না। যদি লোকটা আসত তা হলে। আর বিকেলে খেলার ফাকেই বেশি খেতাম। আর বড়ই বারো মাসি তাই বারো মাসই পাওয়া যেত।
চালতার আচারঃ
সব আচারের মধ্যে এই চালতার আচার আমার এখনো অনেক অনেক পছন্দের। আমি এখন আচার খাইনা। শুধু এই চালতার আচার ছাড়া। বড়ই বিক্রি করত যেই লোক তার কাছেই চালতার আচার পাওয়া যেত। চালতার আচার বছরের ১টা নির্দিষ্ট সময় পাওয়া যেত। ১টাকা বা ২টাকার আচার নিয়ে! ভাবতেই আমার স্বাদ মনে পরে যাচ্ছে। যেন এখনো খাচ্ছি!
চুইংগামঃ
চুয়িংগাম মুখে দিয়ে সারাদিন ধরে চিবানোতো খুবই কমন ছিল। পেন-ড্রাইভের সমান চারকোনা কাগজে মোড়ানো প্যাকেটে পাওয়া যেত চুইংগাম। আমি তখন ১টা ১টাকা দিয়ে কিনে খেতাম। আমার ঐ ১ টাতেই সারাদিন চলে যেত।
ডাল ভাজাঃ
ঝাল ঝাল করে হলুদ আর লবণ মাখানো ডাল ভাজা পাওয়া যেত বাসার পাশের দোকানে। খোলা। কাগজের ঠোঙ্গা তে করে ১টাকা করে কিনে খেতাম। যেটা এখন প্রাণ ডাল ভাজা নামে পাওয়া যায়। আমার কি যে ভাল লাগত!
চিড়া ভাজাঃ
ডাল ভাজার মতই চিঁড়া ভাজা পাওয়া যেত। লবণ আর হলুদ মাখানো। এটাও খেতাম যদি ডাল ভাজা না পেতাম!
বুট ভাজাঃ
বাদামওয়ালা ঝুড়িতে করে বাদাম আর বুট ভাজা বিক্রি করত। এই বুট ভাজাও কট কট করে চিবিয়ে খেতে ভালই লাগত! চাবাতে চাবাতে গাল ব্যাথা হয়ে যেত তাও ভাল লাগত!
বাদাম ভাজাঃ
বাদামও অনেক খেতাম।
সন পাপড়িঃ
মিষ্টি মিষ্টি সাদা সন পাপড়ি আমার এখনো ভাল লাগে। দারুণ মজা! কাচের বক্সে করে কাধে ঝুলিয়ে এক লোক বিক্রি করতেন। ১টাকা করে কাগজে করে হাত মুখ ভড়িয়ে খেতাম!
হজমিঃ
প্রায় প্রতিদিন ১ লোক সাইকেলে করে আসত। সাইকেলের পেছনে কাঠের বাক্স ছোট। সেই বাক্সে ৪/৫টা প্লাস্তিকের বয়াম।সেই বয়ামের একটাতে থাকত সাদা মিষ্টি চিনির গুড়ো, আরেকটায় থাকত কালো একটা টক টক কিছুর গুড়া নাম জানিনা, আরেকটায় খয়েরি রংযের গুড়া। এমন ৪/৫ রকম গুড়া একসাথে মিক্সড করে বানিয়ে দিত হজমি! ১টাকা করে কিনতে হতো। ছেড়া কাগজে করে দেওয়া হতো। আর আমরা আঙুলে করে একটু একটু করে খেতে ঘণ্টা খানেক লেগে যেত। ওই লোকটা মাঝে মাঝে চালতার আচার বিক্রি করতেন। আর আমার আনন্দ শেষ হতো না!
টানা মিঠাইঃ
এটা কে কি বলা যায় আমি জানিনা। তাই নিজেই নাম দিয়েছি টানা মিঠাই। লম্বা কাঠের মোটা লাঠির মত একটা জিনিস নিয়ে এক লোক অনেক দিন পরপর আসতেন। লাঠির মাঠায় প্লাস্টিকের কাগজে মোড়া থাকত। কেউ চাইলেই সেখান থেকে টেনে টেনে বের করে আংটি গলার মালা, হাতের চুড়ি, পাখি, ফুল, পাতা আরো অনেক কিছু বানিয়ে দিতেন। সাদা আর গোলাপি রংয়ের , মুখে দিলেই গলে যায়! আমরা পিচ্চিরা খুব পছন্দ করতাম। এখন পাওয়া যায় কিনা জানিনা!
আইসক্রিমঃ
আইসক্রিমের কথা বলে শেষ হবেনা! কত রকম , কত রঙের আইসক্রিম যে পাওয়া যেত! ১টাকা করে সাদা আইসক্রিম, ২টাকা দিয়ে সবুজ আর কমলা আইসক্রিম! গরমে আইসক্রিম ছাড়া আর কোন কথা নেই!
ক্রিম রুটি/ বন রুটিঃ
এই রুটি গুলোর কথা বলে বোঝানো যাবেনা,রুটি গুলো লম্বা চ্যাপ্টা, মাঝখানে লম্বা করে কেটে ২ ভাগ করা, আর তার মাঝে মিষ্টি ক্রিম দেওয়া। এই রুটিটাও আমার অনেক পছন্দের ছিল। আমি এটা বেশিরভাগ সময় স্কুলে নিয়ে যেতাম। আর মাঝে মাঝে বাসায় কিছু খেতে ইচ্ছে না করলে আম্মুকে বলতাম ভাত খাবোনা, ক্রিম রুটি খাবো। আর ১টা তেই আমার পেট ভরে যেত। [অনেকে মনে করিয়ে দিয়েছে আমাকে যে এই রুটির নাম হবে বন রুটি ছিল। ]
কাঁচা আমঃ
কাচা আম গাছ থেকে পেরে লবণ দিয়ে খেতে কে না পছন্দ করে! আবার কুচি করে কেটে লবণ মরিচ দিয়ে মাখানো! আম ভর্তা! সরষে দিয়ে আম মাখা! আর কি চাই! আমার এখানে আরো মজা হতো। বড় ভাইয়ারা আসে পাশে যত আম গাছ ছিল, সব গাছ থেকে অনেক আম পারত কাচা। বড় আপুরা সেই আম ভর্তা করে সবাইকে ভাগ করে দিত। ওই রকম সবাই মিলে খেতে যে কি ভাল লাগত!
জামঃ
জাম গাছও আছে ২টা। জামের সময় জাম পেড়ে লবণ মরিচ দিয়ে জাম ভর্তা খাওয়া হতো। অনেক সময় স্কুলে কিনে খেতাম। ঝুড়িতে করে বিক্রি করত। ওরা খুব অদ্ভুত করে ভর্তা করে। আমার দেখতে দারুণ লাগে!
বড়ইঃ
কাচা বড়ই গাছ থেকে পেড়ে ভর্তা করে খেতাম। এটাও দল বেধে। বড়রা বানাতো বেশি করে। মাঝে মাঝে আন্টিরা বানাতো! আমি এমন আর দেখিনা কোথাও আর। সেই চেনা পরিচিত মানুষ গুলো আর নেই। সেই আনন্দ ও আর নেই। কিন্তু ভেবে এখনো মনে করি সেই দিন গুলো!
চানাচুর মাখাঃ
চানাচুর মাখা কারো ভাল লাগে না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না মনে হয়। এখনো বাসায় বানাই। পিচ্চি বেলায় সবার বাসা থেকে একটু করে চানাচুর এনে, পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ , তেল , টম্যাটো দিয়ে মাখানো হতো। তার পর! এই চানাচুর মাখা কিনে ও খেয়েছি। ১টাকা , ২টাকা করে, স্কুলে বেশী খেতাম। এখনো বাইরে ঝাল মুড়ি কিনে খাওয়া হয় যদি চোখে পরে। বাসায়ও বানানো হতো।
ঝাল মুড়িঃ
চানাচুর এর সাথে মুড়ি দিয়ে , তেল পেঁয়াজ, বেশী করে মরিচ, সরিষা তেল, লবণ, নানা রকম মসলা দিয়ে বানানো হয়। ঝাল মুড়ি ওয়ালারাই চানাচুর মাখা বানায়। কখনো চানাচুর মাখা, কখনো ঝাল মুড়ি খেতাম!
আমড়াঃ
কাচা আমড়া যখন পাওয়া যেত, কাঠের গাড়িতে করে ফেরি করত। কেটে, পাঁচ টুকরা করে, লবণ মরিচ দিয়ে কাঠি তে গেঁথে! এখনো পাওয়া যায়। এখনো খাই! এর সাথে পেয়ারা ও পাওয়া যেত,
কামরাঙ্গাঃ
কেটে কেটে লবণ দিয়ে টক টক খেতে দারুন!
তেঁতুলঃ
তেঁতুল তো এমনি এমনি লবণ মরিচ দিয়েই খেতাম!
তেঁতুল পাতাঃ
খিক খিক! আমার স্কুলের পেছনে ছোট তেতুল গাছ ছিল, একটা মেয়ে আমাকে শিখিয়েছিল, তেঁতুল পাতা খেতে টক টক! আমিও মাঝে মাঝেই সেই তেঁতুল পাতা খেতাম! খিক খিক!
আখঃ
আমার দাদা আমার জন্য মাঝে মাঝেই আখ কিনে নিয়ে আসতেন। নিজ হাতে দা দিয়ে আখ গুলো ছুলে পিচ্চি পিচ্চি করে কেটে দিতেন। আর আমি খেতাম! দাদা বাইরে গেলেই আমার জন্য কিছু না কিছু নিয়ে আসতেন। এখন আখ খাওয়াই হয়না। বাসায় আনা হলে ও খেতে ইচ্ছা করেনা। খুব মিস করি তখন দাদা কে।
কতবেলঃ
আমড়া ফেরি করার লোকটাই কতবেল বিক্রি করতেন। কতবেল ফুটা করে তার মাঝে লবণ মরিচ দিয়ে ঘুঁটে দেওয়া হয়। আর তার মাঝে একতা কাঠি দিয়ে দেয়। সেই কাঠি দিয়ে একটু একটু করে নিয়ে নিয়ে সেই পুরো কতবেল শেষ করতে আমার আধা বেলা চলে যেত! এই কতবেল এখনো রাস্তায় দেখি।
টক ঝাল মিষ্টি চকলেটঃ
এই চকলেট টা একটু অদ্ভুত ছিল! টক ঝাল মিষ্টি স্বাদের। ১টাকাতে ৪টা পাওয়া যেত। স্বাদ টা অনেকটা হজমির মত কিন্তু হজমি না। এখন পাওয়া যায় না। আমি ৪টা নিয়ে ১টা ১টা করে শেষ করতাম !
তিলের খাজাঃ
তিলের খাজা এখনো পাওয়া যায়। কি দিয়ে বানানো হয় জানি না। কড়া মিষ্টি স্বাদ! চার কোনা প্যাকেটে করে পাওয়া যেত। পুরা প্যাকেট ৫টাকা। প্যাকেটের ভিতর খাজা ৫ ভাগ করা, ৫ টা টুকড়া করে থাকে। আমরা ১টাকা দিয়ে ১টা টুকরা কিনে খেতাম!
হাওয়াই মিঠাইঃ
কাছের বাক্স কাধে ঝুলিয়ে ফেরি করে বিক্রি করত এক লোক। বাক্সে থাকত গোলাপী রঙের মিষ্টির সাইজের হাওয়াই মিঠাই! মুখে দিলেই গলে যায়! আমরা জিভ লাল করে এই হাওয়াই মিঠাই খেতাম। এখন বড় বড় পলিথিনে করে পাওয়া যায়। আমাদের গুলো অনেক ছোট হতো। ১টাকায় ৪/৫টা করে পাওয়া যেত।
[এই হাওয়াই মিঠাইয়ের ছবিটা দিয়েছেন, বৃত্তবন্দী]
কটকটিঃ
এই কটকটি কে কিভাবে ভুলে যাই! বাদাম আর মিঠাই দিয়ে বানানো!
[কটকটি কিনতে পয়সা লাগতোনা। পুরানা লোহা লক্কর ছেড়া স্যান্ডেল, ফিউজ ব্লাব, বোতল আরো বিভিন্ন ফেলনা দিলে একটুকরা কটকটি পাওয়া যেত। ] - দূরের মানুষ
আরো কিছু নাম মনে পরেছে আর সবার থেকে জানা গেছে সেগুলো পোষ্টে দেয়া হলো নিচে সবার নাম সহ।
***আমলকি, পানি ফল!
চিপসঃ
বম্বে রিং চিপস/ এই রকমি নাম ছিল মনে হয়! চিপস গুলো হলুদ রিং এর মত ছিল। আমরা রিং গুলো ২ হাতের ১০ আঙ্গুলে পরতাম। আর আঙ্গুল থেকে মুখে নিয়ে খেতাম!!!!!!!! এই চিপসের নাম বম্বে রিং চিপ্স। [নাম মনে করিয়ে দিয়েছেন, স্পেলবাইন্ডার]
ক্রীমরোলঃ
গোল আর একদম গাজরের মত ছিল। ভিতরে ক্রিম দেয়া। আমার তেমন ভালো লাগতো না। [এই নামটা মনে করিয়ে দিয়েছে অনন্ত দিগন্ত ভাইয়া]
পেটিসঃ
এটা ভালো লাগতো কিন্তু একটু দাম বেশি ছিল তাই খুব একটা খাওয়া হতো না। আমি যেগুলোর কথা বলেছি সব গুলোই আমার অনেক অনেক প্রিয়। [এই নামটা মনে করিয়ে দিয়েছে অনন্ত দিগন্ত ভাইয়া]
!!!!!!
একটা কাঠের তৈরী গাড়ীতে গোল ডালার মধ্য সাদা হালুয়ার মত কিছু থাকতো, তা কোনের মধ্যে চামুচ দিয়ে দিত। কোন গুলো প্লাস্টিকের ব্যাগে ঝুলত। দাম ৫০ পয়সা আর এক টাকা (বড়টা)। - আরেফিন জিটি
ললিপপঃ
ললিপপের কথা তো ভুলেই গিয়েছিলাম! আয় হায়! এত প্রিয় একটা খাবার ছিল এটা! লম্বা কাঠির মাথায় লাল সবুজ হলুদ গোল বলের মত, কোনটা চ্যাপ্টা, চকলেট ছিল। অনেক অনেক ভালো লাগতো আমার।
মিমিঃ
এই মিমিটা ৫ টাকা করে ছিল। যেদিন কাকা মাঝে মাঝে দোকান নিয়ে বলত কি খাবা? সেদিন ঐ মিমিটা কিনে দিতে বলতাম
কাগজের প্যাকেটে বাদামের ছবি থাকত। তাই না ভাইয়া? এখন পাওয়া যায় না।
টফিঃ
একটু তিতা তিতা মিষ্টি চকলেট। কফি দিয়ে বানানো হতো। এটাও খেয়েছি অনেক।
ভুট্টা ভাজাঃ
এখন পর্যন্ত একবার খেয়েছি। ভালো লাগে না। ]
- এই নাম গুলো মনে করিয়ে দিয়েছেন অ্যামাটার ভাইয়া।]
পাপড়ঃ
হলুদ আর গোলাপি। পাতলা কাগজের মত দেখতে। মুখে দিলেই নাই হয়ে যেত। একটা লোক আসতে আমাদের পাড়ায়। "পাপড় ভাজা খাইতে মজা জলদি আয় জলদি আয়" বলে হাঁক দিত সে। - রিমি (স. ম.)
আরো অনেক অনেককিছু! যার অনেক গুলোই এখন পাওয়া যায় না। এত এত কিছু খেতাম ছোট বেলায়! কি দারুন ছিল সেই সময় গুলো! এখন বুঝি কেন বাসায় কিছু খেতে চাইতাম না ! যে সারাদিন এত এত মজার জিনিস গুলো খায় তার কাছে কি বাসায় কিছু খেতে ভাল লাগার কথা!!!!!!!!!!!!!! ![]()
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার নানা রঙের দিন গুলো, ভাল লাগা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
কটকটির কথা মনে পরে হাসি পাচ্ছে লেখক বলেছেন: ঠিক। এখন আমিও এসব খেতে পারি না। কিন্তু পিচ্চি বেলায় খুব ভাল লাগত
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
শুনেছি আমি নাকি পিচ্চিকালে একবার শুকনো মরিচের গুড়া মুঠোভরে মুখে দিয়েছিলাম............তারপর ইতিহাস!বড়ই শান্তশিষ্ট ছিলাম তো!
লেখক বলেছেন: !!!!!!!!! আমি নাকি শুধু চা খেতাম পিচ্চি বেলায়!
লেখক বলেছেন: হ্যা দেখলাম ভাইয়া। !! আমিও আগে দেখিনি। কিন্তু মিলে গেছে। ভাল লাগল।
রাতমজুর বলেছেন:
মাঝ রাইতে এমন লোভ জাগানি পোষ্ট নেক্সট টাইম সামনে পাইলে মাইর খাইবা ভাইজান।
আমার একটা ফেভ খাদ্য আছিলো নিমপাতা
লেখক বলেছেন:
লোভ জাগাতে পারলেইতো আমি খুশি। আমি একা কেন এত মজার স্মৃতি গুলো নিয়ে থাকব? সবার সাথে তাই শেয়ার করলাম
!!!!!!!!!!! নিম পাতা!! খাইছে!!! আমিতো জানতাম নিম পাতা তিতা!
লেখক বলেছেন:
আপনার জন্য কতবেল
লেখক বলেছেন: আমার পিচ্চি ভাইতো স্যান্ডেলের তলা মুখে দিয়ে দিয়েছিল!
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
লেখাটা প্রিয়তে রেখে দিতেই হল। এমন লিস্ট বানাতে আমার অনেক সময় লাগত। সবগুলো খাবারই পরিচিত। টিকটিকির ডিমের কথা ভুলেই গেছিলাম। অনেকদিন পরে আবার মনে পড়ল। আমার স্কুলের সামনে শরবত পাওয়া যেত। আরও ছিল আলু সিদ্ধ। অনেক আগে এইনিয়ে একটা ছোট্ট পোস্টও দিয়েছিলাম।
লেখক বলেছেন: আজ আমার মনে হচ্ছে আমি সত্যি হয়ত লিখতে পারি।
আপনি তাহলে বুঝেছেন টিকটিকির ডিম বলতে কি বুঝিয়েছি? অনেক ভাল লাগল।
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
তুই আসলেই লক্ষী!
লেখক বলেছেন: হুম!
কালপুরুষ বলেছেন:
কত মজার মজার খাবার! জিহ্বায় জল আসে দেখলেই।
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আমিও অনেক মিস করি
কষ্ট শিকারি বলেছেন:
লেখাটা পড়েই মনে হল আমি যেন ১৭-১৮ বছর আগে চলে গেলাম। সত্যিই মজার ছিল দিনগুলো... ...
লেখক বলেছেন: আমি এখনো সেই দিন গুলোতেই থাকি ........
রাতমজুর বলেছেন:
অবশ্যই তিতা, তবে আরো বেশি তিতা চিরতা
নিম পাতা ভর্তা, পাতা ভাজি খাইছেন কখোনো?
তিতা পছন্দ করনের সূত্র এইখানে
Click This Link
লেখক বলেছেন: না খাইনি কখনো। আমিতো শাক কখনই খেতাম না। এখনো খুব কম শাক খাই। আর ছোট বেলার কথা তো বাদই দিলাম!
লেখক বলেছেন: আমিও তাই ভেবেছি যে আমার সাথে সবার ছোট বেলা মিলে যাবেই।
ত্রেয়া বলেছেন:
টিকটিকি মিস করি খুব।আর মিস করি ক্রীম রোল।নাহ্ ছোটবেলাগুলো একটু বেশিই আনন্দের ছিল...এখনো মনে পরলে মন ভালো হয়ে যায়।
লেখক বলেছেন: টিকটিকি তুমিও চেন আপু? অনেক অনেক ভাল লাগল। আর তোমাকে আমার ব্লগে পেয়ে ভাল লাগছে।
হুম সে জন্যেই লিখে রাখছি আমার সব ছোট বেলার কথা। মন খারাপ হলেই যেন পড়ে মন ভাল করতে পারি।
ছোটবেলার খাবারগুলা এখন আর ভালো লাগেনা। চিনি দিয়ে দুধভাত এত এত পছন্দের ছিলো! এখন দুধ দেখলেই গা গুলায়।!
লেখক বলেছেন: হ্যা কটকটি এই সব দিয়েও পাওয়া যেত। মিষ্টি আলুও পাওয়া যেত।
সেটাইতো আনন্দের। সেই দিন গুলোর আনন্দ মনে থাকবে সব সময়।
লেখক বলেছেন:
ছাইয়ের থেকেও কালো ছিল। কিন্তু একটু টক টক!
লেখক বলেছেন: ভাইয়া আমার এইসব মনে করেই দিন শেষ হয়। ভুলতেইতো পারিনা, মনে করার চেষ্টা করতেই হয়নি ।
ফিনিক্সম্যান বলেছেন:
picchita cute.
লেখক বলেছেন: হুম পিচ্চিটার পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ।
দ্রোহি বলেছেন:
উপড়ের সবগুলো এবং -
হজমি
চিনি দিয়ে মিশিয়ে গুড়োদুধ
গুড়
মুঠো মুঠো গ্লুকোজ
আরও.... আরও... আরও.... এবং সর্বপরি 'বকা'
লেখক বলেছেন: হ্যা আমিও গুড়োদুধ চুরি করে খেতাম
গ্লুকোজ বাসায় দেখলেই হয় আমি সব খেয়ে শেষ করতাম।
লেখক বলেছেন: চটপটি ঠিক এই সময়টায় খেতাম না। আরো পরে স্কুলে খেয়েছি। তাই ভুলে গেছি। আমার লেখার সব গুলোই আমার অনেক অনেক পিচ্চি কালের।
আরেফিন জিটি বলেছেন:
একটা কাঠের তৈরী গাড়ীতে গোল ডালার মধ্য সাদা হালুয়ার মত কিছু থাকতো, তা কোনের মধ্যে চামুচ দিয়ে দিত। কোন গুলো প্লাস্টিকের ব্যাগে ঝুলত। দাম ৫০ পয়সা আর এক টাকা (বড়টা)। ভাবতে অবাক লাগে এক কালে ঐগুলা খেয়ে যে আনন্দ পেতাম আজ এন্ডারসন আর মুভেনপিকে খাই, কিন্তু সে আনন্দ কই!"স্মৃতি তুমি বেদানা"!!! -চিকন মিয়া
লেখক বলেছেন: আমারো মনে পরেছে। আমিও খেয়েছি এটা অনেক বার। অনেক ধন্যবাদ মনে করিয়ে দেয়ার জন্য। হুম ঠিক বলেছেন, এখন আর সেই আনন্দ পাইনা।
দ্রোহি বলেছেন:
একবার চুরি করে গ্লুকোজ খেতে গিয়ে ভুলে কাপড় কাচার সোডা মুখে দিয়ে ফেলেছিলাম। সে এক বিরাট ইতিহাস লেখক বলেছেন:
আয় হায়!!! হুম বুঝতে পারছি কি অবস্থা হয়েছিল তখন! কিন্তু বলেন ভুল হলে আমাদের দোষ কই? আমরা কি জানি কোনটা সোডা আর কোনটা গ্লুকোজ!!!
লেখক বলেছেন:
টিকটিকি খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা লাগবে তোমার জন্য!
ত্রেয়া বলেছেন:
আরে কি বলো টিকটিকি চিনব না আমি!! আমি হচ্ছি হাবিজাবী খোর।মনে আছে আম্মু স্কুলের এক ইগলুওয়ালাকে মাস করে দাম দিত যেন খেলেও ভালোটা খাই তবু আমাকে পকেট মানি দিতে চাইত না।কিন্তু আমার পছন্দ ছিলো ১টাকার কুলফি আর সাদা নারিকেল আইসক্রিম সেটাও ১টাকা।আর তাই খাওয়ার জন্যে কত কান্নাকাটি আর বকা....
সে তো ছিলো পিচ্চিবেলার কথা ইউনি তে উঠেও আমি সেই পুরোনো হাবিজাবি খাবারগুলো নিয়ে যা করতাম আমার বন্ধুরা তো হেসেই খুন হয়ে যেত।
দেশে থাকাকালীন সময়ে পুরনো ধরনের টং দোকান দেখে আমি যে কতবার এই টিকটিকি খুজেছি তার ইয়াত্তা নেই।
তোমার লেখা পড়ে পুরনো সময়গুলি মনে পরে গেছে। নিজের যে এমন কত ছোটবড় স্মৃতি আছে তাই ভাবছি।
লেখক বলেছেন: আমাকে মানা করতোনা। কারন জানে আমাকে এই হাবি জাবি খেতে দিলেই ঠান্ডা আমি !
এখনো ইচ্ছে করে এমন হাবিজাবি খেতে খুব! কিন্তু সেই পিচ্চিবেলার মত ইচ্ছেটা আর পাইনা। কিন্তু পুরনো স্মৃতি গুলো মনে করে খুব ভাল লাগে। এই যেমন সেদিন বাসে আমড়া বিক্রি করতে দেখলাম। আমি দেখে পুরনো দিনে ছলে গেলাম কিন্তু কিনতে ইচ্ছে করলনা!। আরেকদিন দেখলাম তিলের খাজা।
ফ্রেন্ডের সাথে মাঝে মাঝে ঝাল মুড়ি , চানাচুর খাওয়া হয় অনেক মরিচ দিয়ে। এই টুকুই।
আমিও অনেক খুজেছি। সেই ছোট বড় স্মৃতি গুলো লিখে ফেল। আমার শুনতে ইচ্ছে করছে।
লেখক বলেছেন: এগুলোতো পাওয়া যায় এখন। তিলের খাজা , হাওয়াই মিঠাই ২টাই আমি দেখেছি। যে কোন স্কুলের সামনে পাবেন বা বাসের পথে।
লেখক বলেছেন: !!! মিলে গেছে? তাইতো!! ঘটনা কি!!!
লেখক বলেছেন: আপু তাই নাকি?
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
চালতার আচার যতই চিবাই ততই মিঠা লাগে (স্যাকারিনের গুণ মনে হয় ক্রিম রুটিকে বলা হয় বাটার বন। ৮৬-৮৭ সালের দিকে দাম ছিল মাত্র ১ টাকা। সকালে বাবার কাছ থেকে ১ টাকা নিয়ে দৌড়ে দোকান থেকে বাটার বন কিনে নিয়ে আসতাম। বাটারবন লম্বা ও গোল দুই ধরণের পাওয়া যেত। আরেকটা ছিল ক্রিম রোল যেটা এখনও মতিঝিল, পুরানো ঢাকার দিকে পাওয়া যায়।
আমসত্ত্ব আর কদবেল খেতাম স্কুলে। একেবারে নেশার মত হয়ে গিয়েছিল।
বাসার কোন কাঁচের জিনিস ভাঙ্গলে খুব খুশি হতাম। কটকটি খাওয়া যাবে
বেতফল আর লটকন গেল কোথায়?
লেখক বলেছেন:
আমরা কি আর জানতাম নাকি স্যাকারিন নাকি! খিক... খেতে দারুন লাগত!
ঠিক ঠিক, ঠিক বলেছেন। বাটার বন বলা হয়। ভুলেই গিয়েছিলাম। ![]()
কটকটি!!!
বেতফল আর লটকন এর কথা এই যে আপনি মনে করিয়ে দিলেন।
সব আমি বলে দিলে কি এত ভাল হতো? এই যে এখন সবাই কিছু কিছু মনে করছে...... সবার সাথে মিলে মনে করতে দারুন লাগছে।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
আমি ছিলাম হার্ড কোর মিস্টি খোর। ২ বছর বয়সে ৮ টা রসগোল্লা সাবাড় করেছিলাম। ভয়াবহ ঝাল হজম করার বিরল অভ্যেসও ছিল ছোট বেলা থেকেই। তবে দু চক্ষের বিষ হল টক। যেসব ফল কাচাতে টক থাকে, প্রচন্ড অরুচি হয়। তাই বাঙ্গি, তরমুজই প্রথম পছন্দ। আম, পেয়ারার মত ফল মিস্টি হলেও টকের দুঃসহ স্মৃতি মাথায় গেথে থাকায়, এসব এড়িয়ে চলি।
লেখক বলেছেন: আমিও মিষ্টি বেশি খেতাম। তবে টক খেতাম। কিন্তু এখন টক ঝাল মিষ্টি কোনটাই বেশি খেতে পারিনা। !!!!!
তাজা কলম বলেছেন:
এই, তুমি তো আমাকে ছেলেবেলার দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিলে।
অনেক ভাল লাগলো। +
Click This Link
লেখক বলেছেন:
আপনার কথায় মনে হচ্ছে আমার লেখা সার্থক!
লেখক বলেছেন: আপনাকে প্লাস!
লেখক বলেছেন: খাবার গুলারে তাইলে কইষা প্লাস
টিকটিকির ডিম তেমন প্রিয় ছিল না, কিন্তু খেয়েছি। আকর্ষনীয় ছিল এর প্যাকেট।
ফেরীওয়ালাদের মত করে আচার কেউ বানাতে পারে না, এত মজা ! কাল কাল বড়ই'র আচার ছিল ইয়াম্মী !!!
হাওয়াই মিঠাই আর কটকটি...... জন্য কত কিছু যে দিয়ে ফেলেছি তার কোন হিসেব নেই। ( যত লোহা লক্কর আশেপাশে পড়ে থাকত )
সবচেয়ে ভাল লাগত সনপাপরি... কেমন যেন টেনে টেনে সুর করে একটা ছড়া বলত, কানে যাওয়া মাত্র ভো-দৌঁড় ! মা আমাদের মাথায় ঢুকিয়ে দিলেন, এগুলি বানানো হয় বিড়ালের লোম দিয়ে... আর যাই কোথায়। সেই থেকে সনপাপরি খাওয়া বন্ধ!
আর দুধ পাউডারের কথা নাই বললাম। এটা সবচেয়ে প্রিয় ! কানে কানে বলি, আমি কাল রাতে একটার দিকেও খেয়েছি, চা বানাতে গিয়ে।
অনেক কিছু মনে করিয়ে দিলেন, বাবুনি সুপ্তি
লেখক বলেছেন: আমার মনে পড়ল আজ আরো কিছুঃ
আমলকি, পানি ফল!
চিপসঃ mr. twist এই রকমি নাম ছিল মনে হয়! চিপস গুলো হলুদ রিং এর মত ছিল। আমরা রিং গুলো ২ হাতের ১০ আঙ্গুলে পরতাম। আর আঙ্গুল থেকে মুখে নিয়ে খেতাম!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: হ্যা আপু। আমিও কন্ডেন্স মিল্ক চুরি করে খেয়ে শেষ করতাম!
গডফাদার০২ বলেছেন:
তেতুল পাতা খোর আরেকজন পাওয়া গেল!!!!ভাবছিলাম এইটাতে আমিই এক্সক্লুসিভ। পিচ্চিকালে দাদা বাড়িতে গেলেই এক মুঠা মুখে..
ভালো লাগলো পড়ে। ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: খিক খিক! আহারে আপনি একা থাকতে পারলেন না
সাইফুর বলেছেন:
সন পাপড়ি আর হাওয়াই মিঠাই এখনো পছ্ন্দ করি
লেখক বলেছেন: আমিও কিন্তু খুব কম খাওয়া হয়। এত সময় কই যে এসব খাব!
লেখক বলেছেন:
হুম । তাহলে পিচ্চিদের সাথে থাকলে হয়ত আবার খাওয়া হবে।
আমি আরো একটা ড্রাফট করেছিলাম
"হারিয়ে যাওয়া প্রিয় খাবার"
~~~
ভালো লাগলো পোষ্টখানা ।
লেখক বলেছেন: তাই নাকি? ভাইয়া ড্রাফট করলেন কেন? না করলে অনেক কিছু জানা যেত এখন।
দীপান্বিতা বলেছেন:
হাঃ...হাঃ! টিকটিকি খাইনি বটে! তবে ছোটবেলা কিছু হলেই পাপা মানে বাবা আমাদের এক হোমিওপাথিক বুড়ো ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতেন...তিনি আমাদের ‘হাতির ডিম’ বলে বড় সাইজের হোমিওপাথিক ওসুধের গুলি খাওয়াতেন।আচ্ছা! ওখানে মেলায় ‘বুড়ির চুল’ বাচ্চারা খায়! ওই হাওয়া মিঠায়ের মতই, তবে পেঁজ়া তুলো মত! এই বিশাল বিশাল হতো...আসলে চিনির ডেলাই!
লেখক বলেছেন: বাহ আরেকটা কিছু মনে করিয়ে দিলে!
বাসায় যত হোমিওপ্যাথিক ওসুধ থাকত সব শেষ করে ফেলতাম
শ্রাবনের ফুল বলেছেন:
উল্লেখিত টিকটিক আমিও খাইছি!! লেখক বলেছেন: যে কথা গুলো মনে আসল জানালেন না কেন? আমারো জানতে ইচ্ছে করছে।
'লেনিন' বলেছেন:
প্রায় সবগুলিই মনে হয় মিলে গেলো। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে টিকটিকিই আমার সবচেয়ে প্রিয় ছিল! ভুলেই গেছিলাম। শিশুপার্কের সামনে মনে হয় এখনো পাওয়া যায়। তখন পাওয়া যেতো নানা রকম প্লাস্টিকের খেলনার ভেতরে নানান রঙের সেই টুকটুকি(এটাই মনে হয় নাম!)চিনিমিশ্রিত কোনো কিছু দিয়ে তৈরি আর ভেতরে একটা সর্ষে দানা বা মৌরি থাকতো। নস্টালজিক পোস্ট!
লেখক বলেছেন: সর্ষে দানা থাকতো মনে পরেছে
। প্লাস্টিকের খেলনার টাও খেয়েছি। কিন্তু আমি যেটার কথা বলছি সেটা ছিল কাগজের বক্স, একদম ম্যাচের বক্সের মত। কিছুইনা। কিন্তু তারপরও এই টিকটিকিটা কেন যে এত ভাল লাগতো!!!!!!!!!
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন:
শন পাপড়ি এখনো মজা করে খাই, ভাতের সাথে মাখিয়ে। অসাধারণ টেস্ট।
লেখক বলেছেন: শন পাপড়ি ভাতের সাথে! কখনো খাইনি। কিন্তু ইচ্ছে করছে। এর পর খাবো। ![]()
'লেনিন' বলেছেন:
বাইরের আচার মজা লাগতো কিন্তু মায়ের নিপুন হাতের দারুণ সব আচারের কাছে সেগুলো প্রায় কিছুই না। বাইরের আচার বা খাবার লোকেরা নাকের ইয়ে, গায়ের ঘাম ইত্যাদি মিলিয়ে তৈরি করে সুতরাং খাওয়া উচিত না তা'ই আমাদের ভাই-বোনদের বোঝানো হতো। আমরাও সেই ঘৃণা থেকে অনেক কিছুই খেতাম না লেখক বলেছেন: !!! আমাকে তখন কেউ এমন কথা বলেনি, তাই খেতে পেরেছি। বললে হয়তো আমিও খেতে পারতাম না।
লেখক বলেছেন:
আয় হায়, আর লজ্জা দিয়েন না!
নাজনীন খলিল বলেছেন:
ছোটবেলার প্রিয় খাবারগুলো এখন আর তেমন করে ভাল লাগেনা।তবে একটা জিনিস বাইরের খাবার বড়দের অনেক নিষেধ সত্ত্বেও তখনও প্রিয় ছিল এবং এখনও হাইজিন না মেনে অনেক কিছু ভালবেসে খাই। ঝালমুড়ি তার মধ্যে অন্যতম।
লেখক বলেছেন: ঝালমুড়ি খাবার দিন মনে হয় কখনোই শেষ হবেনা ।
লেখক বলেছেন: চিনতে হলে পিচ্চি হতে হবে।
অন টপিক : হজমি ছোট বেলায় খেতামনা (হজম শক্তি ভালো ছিলো মনে হয়
বাকি সবই খেতাম......তাছাড়াও পাগলা পানি খেতাম....... পাগলা পানি বানানো হতো -তেতুল পানি, বীট লবন, আরো অনেক টক ঝাল জিনিস মিশিয়ে.....এছাড়াও কালো কালো গুড়ো গুড়ো দাতের মাজনের মত এখটা খাবার খেতাম......খেলে জিহবা দাত কালো হয়ে যেত ......এইটার নাম মনে নেই....তাছাড়া ওভাল্টিন, চিনি আর গুড়ো দুধ মিশিয়ে খেতে দারুন লাগতো......আর হরলিক্স তো এখনও এমনি এমনি খাই
লেখক বলেছেন:
ছিলাম মানে!!!!!!!!!!!!!
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন:
স্মৃতিময় খাবারের আয়োজন ভালো লাগলো...
লেখক বলেছেন: তাই....
লেখক বলেছেন: হ্যা অনেক ভাল লাগতো!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: দিল বাহারটা কি? একটু বুঝিয়ে বললে হয়তো মিলে যেত।
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
বাটার বনরে ক্রীম রুটি বলা হৈলো কেন? তেব্ব ধিক্কার জানাই...
লেখক বলেছেন: নাম ভুলে গিয়েছিলাম। আর পিচ্চি বেলায় নামে কি আসে যায়? যা মনে হয় তাই তো বলা হয়।
দ্রোহ বলেছেন:
হজমি খাইয়া বহুত বার জিহ্বার ছাল উঠাইছি ছোট কালে আপনি কি বাটার বন রে ক্রিম রুটি বলতেছেন? ঐটাতো ১ টাকা করে ছিলো
লেখক বলেছেন: আমাদের এখানে ৩টাকা করে ছিল। আমার মনে আছে। হ্যা বাটার বন । নাম ভুলে গিয়েছিলাম।
নীরজন বলেছেন:
অনেকগুলোই তো মিলে গেল সুপ্তি...........আশ্চর্য কথা হলো আজই ক্যান্টিনে নাস্তা করতে করতে আমি আর আমার বন্ধুরা বলছিলাম যে এখন কি আর কটকটি পাওয়া যায় না??? খুব খাইতে ইচ্ছা করে......
ইস কি যে মজার ছিল কটকটিময় দিনগুলো.......
লেখক বলেছেন: তাই নাকি!!! এমন অনেক সময় হয়, আমিও যখন লেখাটা নিয়ে ভাবছিলাম, অনেক কিছুই আমার চখে পরছিল।
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
উপরোক্ত প্রায় সবগুলো আইটেমই খেয়েছি। তবে একটু পরিষ্কার থাকার বাতিক ছিলো সবসময়। তাই বাইরের আচার কম খেয়েছি। গাছের কাচা, পাকা, অর্ধপাকা তেতুল, নটকল, আমলকি, আমড়া (বরিশালে আমড়া না। এইটা প্রচন্ড টক), বেতফল, পানিফল থেকে শুরু করে অনেক হাবিজাবি খেয়েছি। গ্রামে ছোটবেলা কেটেছে তাই অনেক ফলের নাম বল্লে চিনতে পারবে না।
লেখক বলেছেন: তা ঠিক। গ্রামে থাকলে হয়তো আরো অনেক কিছু পেতাম
আমিই জিনিয়া বলেছেন:
ছোট বেলার কথা মনে পরে গেলো।আমাদের স্কুলের সামনে রোজ এক আইসক্রিমওয়ালা আসতো।তার কাছে লম্বা চিকন প্লাসটিকের পাইপের মত প্যাকেটে আইসক্রিম পাওয়া যেত,বিভিন্ন রং এর।আমার কি যে প্রিয় ছিলো!তোমার তেঁতুল পাতা খাওয়ার গল্প পড়ে আমার আমড়া পাতা খাওয়ার কথা মনে পরে গেল।টক টক,খুব টেস্টি।এখন তো আমড়া গাছই চোখে দেখিনা।
টিকটিকির ডিমের মত জিনিসটাও খুব প্রিয় ছিলো।
লেখক বলেছেন: আমড়া গাছ দেখি নি কখনো। নতুন কিছু পাওয়া গেল তোমার থেকে
মোঃমোজাম হক বলেছেন:
আমরা ছেলেরা গাছে উঠে গাব খাওয়া আর ক্ষেত থেকে কলই এনে পুড়িয়ে খাওয়ার কথা ভুলতে পারিনা।কাভি কাভি রাতের বেলা বন্ধুর বাড়ীর গাছের ডাব চুরির কথাও ভুলার নয়রে বই______ লেখক বলেছেন: আসলেই ভুলার নয়রে ভাই ..........
মানুষ বলেছেন:
আমার আইডিয়া মেরে দিছেন লেখক বলেছেন: সরি ভাইয়া। আমি সত্যি আপনার লেখাটা পড়ে এই পোষ্ট দেইনি, আর আমি আপনার পোষটা পড়িনি।
আমার পিচ্চি কালের স্মৃতি গুলো নিয়ে লেখা অন্য পোষ্ট পড়লেই আপনি বুঝতে পারবেন। বেশ কিছুদিন আমি ব্লগের বাইরে ছিলাম। কোন কাজ নেই বলে অনেক ভেবে ঠিক করেছি এই লেখাটা। আর যদি মনে হয় আমি মিথ্যে বলছি তাহলে আমি আমার কথা সত্য প্রমাণ করার জন্য কিছুই দিতে পারবনা। সরি ভাইয়া। আপনি কিছু মনে করবেন না প্লিজ।
আর যদি আমি কিছু লিখে আপনার পিচ্চি কালের কথা মনে করিয়ে দিয়ে থাকি তাহলে অনেক খুশি হয়েছি।
মানুষ বলেছেন:
কি মুশকিল।
লেখক বলেছেন: ওহ! ভাইয়া ফান করেছেন? এখন বুঝেছি।
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন:
বাবুল বিস্কুট,পয়সা চকলেট,বাতাসা,হাওয়াই মিঠাই,বাটারবন,তেলে ভাজা গোল্লা,হটপেটিস আরও ।অনেক কিছু এখন মনে পরছে না।
লেখক বলেছেন: আপনার থেকেও কিছু নতুন নাম পাওয়া গেল। অনেক ধন্যবাদ।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
কেন যে এই পোষ্টে ঢুকলাম? ধুর ধুর। একটু জল হবে? জল দিয়া জল গিলতাম?
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
আমিও একবার পত্রিকার কাগজ খেয়ে দেখেছিলাম কেমন লাগে!
আসাদুজ্জামান সোহাগ বলেছেন:
Tell me, where all past years are….and find…what wind….serves to advance and honest mind……and swear …..No where ………….দুঃখিত দিদি মন্তব্যটা ইংরেজীতে করার জন্য...
অনেকদিন পরে এলাম...।কেমন আছো????
লেখক বলেছেন: ভালো । তুমি?
বড় বিলাই বলেছেন:
তিলে খাজা বানায় বিশেষ পদ্ধতিতে চিনি জ্বাল দিয়ে। এখনও মাঝে মাঝে কিনে খাই।
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ভাইয়া ছবিটা পাল্টাইছেন কেন?
লেখক বলেছেন: যাক আজ সবার থেকে মাইনাস পাওয়ার মত কিছু লিখতে পারছি
মজা লাগতেছে
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
অপ্সরা বলেছেন:
বাপরে!!!!!!!!!!!!!!!!!এত সুন্দর লেখাটা দেখে বুঝলাম আমাদের বাবুনিমনি একজন বর্ণচোরা আম।
অনেক অনেক ভালো হয়েছে লেখাটা!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
কতকিছু মনে পড়ে গেলো!!!!
কত ভুলে যাওয়া খাবারের নাম!!!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন:
তাই নাকি? আপু তুমি কোন নাম বললে না? নতুন কিছু?
অপ্সরা বলেছেন:
মনে পড়ে যাওয়া পছনদের খাবারগুলো।
টিকটিকি না টিকটিকির ডিম:একটা ছোট প্লেইং কার্ড টাইপ বক্সে দুইটা পাখি , পাখির বাসায় বসে আছে।আর প্যাকেট টা টেনে খুললেই নেস্টের মধ্যে ফাকা হয়ে যেতো ডিম্বাকৃতি অংশটা সেখান দিয়েই বেরিয়ে আসতো ডিমগুলো।ছোট থেকেই আমি সবছবি মনোযোগ দিয়ে খুটিয়ে দেখতাম তাই পুরোটাই মনে আছে আমার।
টক ঝাল মিষ্টি আচারঃ এটা তো ট্রান্সপারেন্ট কাগজে মুড়ানো থাকতো। মেলায় পাওয়া যেত। কি যে প্রিয় ছিলো আমার। আর কখনও দেখিনি বড় হয়ে যাবার পরে।
আমসত্ত্বঃ দাদীর বানানো। এত মজার কখনও দোকানের গুলো হয়না।
বড়ই আচারঃআহ !!! আহ! কি মজা!!!!!!
চুইংগামঃএটাও খুবি প্রিয় ছিলো।মিমি চকলেট থেকেও বেশী।
বুট ভাজাঃবাইরের টা কখনও খাইনি তবে দাদী ভেজেছিলেন বাসায় একবার ।
সেই স্মৃতিটাই অমৃত হয়ে আছে।
সন পাপড়িঃ এমন আশ্চয্য মজার জিনিস তো আমার কাছে এক রহস্য ছিলো!!!!!!!!!!
আইসক্রিমঃ আহ আহ আ তে আইসক্রিম!!!
ক্রিম রুটিঃ আমার মা বেশ স্টাইলিশ ছিলেন। তিনি বলতেন ডিনারোল।
কাঁচা আমঃ জীবনে প্রথম কাঁটাকাঁটি রক্তারক্তির অভিগ্গতা!!!
বড়ইঃ ঝাল লবন মাখিয়ে!!!!!!
চানাচুর মাখাঃ আমাদের কলেজের মত জীবনে আড় খাইনি।
ঝাল মুড়িঃ এটাও আমাদের কলেজটাই ছিলো বেস্ট!!!
আমড়াঃ খুব একটা না একটু একটু পছন্দ ছিলো।
কামরাঙ্গাঃ এটা ছিলো বড়ই পছন্দের!!!
তেঁতুলঃ খুব বেশী না।
তিলের খাজা ও হাওয়াই মিঠাইঃ আরেক রহস্যময় মজার খাবার আমার চোখে।
লেখক বলেছেন: আপু তোমার পছন্দ গুলো আজ জানতে পারলাম,
আর তোমার ছোট বেলার কথাও জানা গেল
টিকটিকির বক্সের ছবির কথা ভুলেই গিয়েছিলাম! মনে করিয়ে দিলে।
আর হ্যা ঐ আচারটা ট্রান্সপারেন্ট কাগজে মুড়ানো থাকতো
বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম।
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
এইযে, আমাদের খাওয়ার লোক চৈলা আসছে....সে ইদানীং খাওয়া-দাওয়া ছাড়া কিছু বুঝে না...
লেখক বলেছেন: কার কথা বলেন ভাইয়া?
অপ্সরা বলেছেন:
অপছন্দের খাবারগুলো
চালতার আচারঃ ভালো লাগেনি কোনোদিন।
ডাল ভাজাঃ এটাওনা
চিড়া ভাজাঃ একদমই না
বাদাম ভাজাঃ খুবই অবাক ব্যাপার আমি ছাড়া কারো অপছন্দ দেখিনি।
হজমিঃ একেবারেই না
টানা মিঠাইঃ এটা খুবি সুন্দর। দেখেছিলাম অনেকে খেতে। আমার মা কিছুতেই দেয়নি।আসলে খাবারের চাইতে শিল্পটাই পরিয় ছিলো আমার বেশী।
জামঃ ভালো লাগেনি।
তেঁতুল পাতাঃ এটাও টেস্ট করিনি।
আখঃ কি বিচ্ছিরি কষ্টকর খেতে।
কতবেলঃ টক জিনিস এ্যাভয়েড করতাম ফাঁটা গলা যেন আরো না ফেটে যায় একটু আধটু গান গাওয়াও যেন বন্ধ না হয় সেই ভয়েই আসলে।
টক ঝাল মিষ্টি চকলেটঃ এটা ভালো লাগেনি।
কটকটিঃছোটকালে মায়ের ভয়ে খাওয়া হয়নি। আর বড় হবার পর এই সেদিনও সুযোগ থাকা সত্বেও কেনো যেন খেতে পারিনি। এক গাদা মাছি দেখে।
লেখক বলেছেন: আয় হায়! অপছন্দের খাবারো আছে! ![]()
আমার সবজি, শাক, বেশী কাটার মাছ, করল্লা ভাজি, এই সব অপছন্দের ছিল!
লেখক বলেছেন:
খুব ভালো হবে।
লেখক বলেছেন: ইশ! আমি থাকতে পারবেন নাকি আপনি?
ভুরিদত্ত বলেছেন:
হ্যাম। সালামি। আইস্ক্রীম। কোল্ড ড্রিঙ্কস। চকলেট। আর ক্যান্ডি ফ্লস - এটা দারুণ লাগতো খেতে। আমি আবার মাখন-জ্যাম দিয়ে পাঁউ খেতে পারিনা ছোটোবেলা থেকেই। ব্রেকফাস্টে হ্যাম স্যান্ডুইচ বাঁধাধরা আইটেম ছিল।
লেখক বলেছেন: হুম নতুন কিছু নাম পাওয়া গেল!
সোনালীডানা বলেছেন:
আহা! টিকটিকির ডিমের কথা মনে করাই দিলেন।আচার,চকলেট......,,,.. এগুলা মাঝে মাঝে আমার নানা কিনে দিত চুপি চুপি।কারন বাসায় জানলেই আমাকে সাইজ করবে বাহিরের খাবার খাওয়ার জন্য।আসলে ছোটবেলায় ভয়াবহ ধরাবাঁধা গন্ডির ভিতর ছিলাম।আমার শৈশবটাই চুরি হয়ে গেছে।সুপ্তি বাবুর কাহিনি পড়ে হিংসা লাগল।
তাই সুপ্তি বাবুকে কুটি কুটি মাইনাচ
লেখক বলেছেন: আয় হায়! আমি বাবু না তো! বাবুনি আমি।!
মাইনাচের জন্য কুটি কুটি ধন্যবাদ
মুকুট বলেছেন:
টিকটিকিট ডিম এরপর ছিলো খুরমা, মহাস্থানের কটকটি, শনপাপড়ি....আগে কি সুন্দর দিন ছিলো সব
লেখক বলেছেন: হুম ভাইয়া
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
আর কি আছে দুনিয়ায়? খাওয়া দাওয়ার জন্যইতো দুনিয়া! ![]()
লেখক বলেছেন:
তাই নাকি! টিকটিকির ডিম দেখি সবাই খেয়েছে! আমার খুবই ভাল লাগছে।
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
আমার তো সবকয়টা কমন পর্সে .... খিক খিক
লেখক বলেছেন: সব কয়টা!! আআআআআআ আমার সব খাবার নিয়া গেল!
লেখক বলেছেন: চিপসের কথা পরে লিখেছি।
৩৪ নং মন্তব্যের জবাবে।
সিঙ্গাড়া তেমন খেতাম না তাই বলিনি।
ক্রীমরোল এর কথা ভুলেই গিয়েছিলাম!
ক্রীমরোলঃ গোল আর একদম গাজরের মত ছিল। ভিতরে ক্রিম দেয়া। আমার তেমন ভালো লাগতো না।
পেটিসঃ এটা ভালো লাগতো কিন্তু একটু দাম বেশি ছিল তাই খুব একটা খাওয়া হতো না। আমি যেগুলোর কথা বলেছি সব গুলোই আমার অনেক অনেক প্রিয়।
অ্যামাটার বলেছেন:
পুরা নস্টালজিক!অনেকগুলো কমন পরেছে।
বাদাম, ছোলা, আমড়া, আচার, আমসত্ত, ঝালমুড়ি, আইসক্রিম, চীনাবাদাম; সাথে যোগ করে দিই, ফুচকা(এটা অবশ্য মাঝেমধ্যে এখনও চলে
লেখক বলেছেন: ফুচকা আমাদের এখানে তেমন পাওয়া যেত না ভাইয়া। ফুচকা ঈদের দিন মেলা থেকে খেতাম। এখনো খাই ![]()
ললিপপঃ
ললিপপের কথা তো ভুলেই গিয়েছিলাম! আয় হায়! এত প্রিয় একটা খাবার ছিল এটা! লম্বা কাঠির মাথায় লাল সবুজ হলুদ গোল বলের মত, কোনটা চ্যাপ্টা, চকলেট ছিল। অনেক অনেক ভালো লাগতো আমার।
মিমিঃ
এই মিমিটা ৫ টাকা করে ছিল। যেদিন কাকা মাঝে মাঝে দোকান নিয়ে বলত কি খাবা? সেদিন ঐ মিমিটা কিনে দিতে বলতাম
কাগজের প্যাকেটে বাদামের ছবি থাকত। তাই না ভাইয়া? এখন পাওয়া যায় না।
টফিঃ একটু তিতা তিতা মিষ্টি চকলেট। কফি দিয়ে বানানো হতো। এটাও খেয়েছি অনেক।
ভুট্টা ভাজাঃ এখন পর্যন্ত একবার খেয়েছি। ভালো লাগে না।
ভাইয়া আপনার থেকে ও অনেক নতুন নাম জানা গেল। ভুলে গিয়েছিলাম। পরে লিখে দিব লেখায়।
সোমা. বলেছেন:
এগুলো তো এখনো প্রিয়
লেখক বলেছেন:
হুম এখনো প্রিয় কিন্তু তখন যে আনন্দ টা ছিল সেটা হারাতে চাই না তাই তেমন খাই না।
লেখক বলেছেন: আমিতো এখনো ছোট!
না, আমি CTET এর স্টুডেন্ট না।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আমড়া পাতা মিসিং!তয় কটকটি আর মিস্টি বড়ইর আচাড়....আবার কবে খাইতে পারুম আল্লাহ মালুম!
লেখক বলেছেন: আমড়া পাতা!!!!!!!!!!!!!!!!! আগে কখনো শুনি নাই!
লেখক বলেছেন: আচ্ছা দেখছি
লেখক বলেছেন:
![]()
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
আঙ্গুলে ঢুকানো যায় চিপসের নাম বোম্বে রিং চিপস। দাম ছিল দুই টাকা।মাঝখানে অনেক বছর প্রোডাকশন বন্ধ ছিল মনে হয়। এখন আবার পাওয়া যাচ্ছে পাঁচ টাকায়।
লেখক বলেছেন: খুজতে হবে। পেলে ছবি দিব।
লেখক বলেছেন: ওয়াও!!!!!!!!!!!! অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ! কতদিন পর যে দেখলাম! আমি কি ছবিটা পোষ্টে দিতে পারি? আমাকে সত্যি কাদিয়ে ফেললেন আপনি। অনেক অনেক খুশি আমি। এখনো পাওয়া যায় সেটাই ভাবিনি!
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। এত খাবার দেখে আপনার জ্ঞান যে এখনো আছে সেটাই আশ্চর্য ব্যাপার!
লেখক বলেছেন:
?
লেখক বলেছেন: খিক খিক খিক! ভালো বলেছেন।
আর- আইসক্রিম....উফ! কিযে ভালো লাগে এখনো।
আচারও আমার পছন্দের।
লেখক বলেছেন:
পারভীন রহমান বলেছেন:
সবই তো মিলে গেল .... পুরান দিনের কথা মনে করিয়ে দিলে..সেই সে আমার নানা রং এর দিনগুলি............... শুধু টিকটিকির ডিম কে আমরা বলতাম ভূতের ডিম।
লেখক বলেছেন: দারুন! আরেকটা নতুন নাম পাওয়া গেছে! ভুতের ডিম! ![]()
রিমি (স. ম.) বলেছেন:
দারুণ! সব মনে আছে আমারও। আরেকটা ছিল পাপড়। হলুদ আর গোলাপি। পাতলা কাগজের মত দেখতে। মুখে দিলেই নাই হয়ে যেত। একটা লোক আসতে আমাদের পাড়ায়। "পাপড় ভাজা খাইতে মজা জলদি আয় জলদি আয়" বলে হাঁক দিত সে।
লেখক বলেছেন: হ্যা আপু মনে পরেছে। আমি কি করে ভুলে গেলাম পাপড়ের কথা! অনেক ধন্যবাদ আপু মনে করিয়ে দেবার জন্য।
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
শনপাপড়ি এখনো ভালবাসি.....। জ্বর হলেই ( তখন কিছুই খেতে ভাল লাগে না) বাবা কে বলি শনপাপড়ি আর কটকটি আনতে
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
কইষা মাইনাচ দেওনের পোষ্ট।
তয় ব্যাপার না, বড়ই আচার খুঁজলে মনে হয় পামু
আপু ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: চতুষ্কোণ দিয়া দেখেন যে তাই দেরি হইলো দেখতে!
![]()
বরই আচার পাওয়া যায় । আরো অনেক গুলোই পাওয়া যায়। অনেক গুলো যায় না। আপনিও ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ভাইয়া আপনি ১০০ করলেন
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কিভাবে ভাঙ্গতে হয়?
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ভাইয়া আপনার কি মন খারাপ? প্লিজ ভাইয়া মন খারাপ করবেন না।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
বাবুনি ভাইয়া আপনি কি খান? বাকি হাঙ্গার স্ট্রাইক এখনো চলে?
লেখক বলেছেন: আমার হাঙ্গার স্ট্রাইক এর কথা কোন নিউজে আসছে নাকি!
সবাই জানলো কি করে!
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
বাবুনি ভাইয়া আপনি কি খান? বাকি হাঙ্গার স্ট্রাইক এখনো চলে?
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন:
চিরকালই খাদক, যাই খাই তাই ভালা লাগে অ.ট. কয়েকদিন আগে তোমার ব্লগশেলফ পোস্টে একটা কমেন্ট দিলাম, তারপর সেটা তো আর খুঁজেই পেলাম না। কই গেলো গো? ড্রাফটায়া ফেললা নাকি?
লেখক বলেছেন: আপু লেখা শেষ হয়নি। আরো অনেক গুলো দিব বলে ড্রাফট করেছি। সব লেখা দিয়েই ব্লগে দিব। এত সময় লাগে কপি করে দিতে! এত এত পোষ্ট আমার ব্লগে জমা হয়ে আছে!
লেখক বলেছেন: ভিডিওটার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ওয়াও! এর পর কি আর স্ট্রাইক করা যায়!
এন এইচ আর বলেছেন:
ওরে আমরা দেখি প্রতিবেশী------------------------------লিখে দেন একটা বুইড়া কালের লেখা পড়ি আর প্রতিবেশীর সমালোচনা( সামনে আলোর রচনা) করি
লেখক বলেছেন: তাইতো দেখতে পারছি!
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
সবা খাইতাম চাই... না দিলে খবর আছে।
লেখক বলেছেন: এই যে ছবি দিয়ে দিয়েছি। এখান থেকে খেয়ে নেন।
লেখক বলেছেন:
অনেক কিছু মিস কইরা ফেললেন ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: আমার পরীক্ষা ভাইয়া তাই লেখা হচ্ছে না।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই আপু ।
মায়ানেকড়ে বলেছেন:
ki porikkha apnar :S
লেখক বলেছেন: আমি দুকান দিমুনি
ঐখানেই পাইবেন!
আমিই জিনিয়া বলেছেন:
আপুনি কেমন আছ?অনেক দিন হল নতুন পোস্ট দাওনা।নতুন পোস্ট দাও,অপেক্ষায় আছি।
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
সুপ্তি আপুটার নতুন কোন পোষ্ট নেই যে!আর কে এমন পচাঁ কথাটা বলেছে যে আপুটা লিখতে পারে না। যেই বলে থাকুক তার জন্য অনেক অনেক বকা গচ্চিত থাকলো।
শীঘ্রির নতুন লেখা চাই কিন্তু।
লেখক বলেছেন: ভাইয়া আসলে কেউ বলেনি। সবাই ভালো লিখি বলে কিন্তু মনে ভয় থাকে সব সময়।
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
দূর দূর কিসের ভয়। নতুন পোষ্ট লিখে ফেলো শীঘ্রির।
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: দিলাম
লেখক বলেছেন: এটাতো খাবার না। এটাতো বিষ। আর আমি ছোট বেলার খাবারের কথা বলেছি।
লেখক বলেছেন: আয় হায়!
অমিত০৯৭ বলেছেন:
পুরান কথা মনে পড়ে গেলো। বাটারবন , ক্রিমরোল, টিকটিকির ডিম ।
লেখক বলেছেন:
পোলাপান বলেছেন:
আরে ভাই থামেন থামেন, করছেনটা কি? কিছুই তো বাদ রাখেন নাই...
লেখক বলেছেন:
খিক খিক। আপনার মনে কিছু থাকলে আপনিও জানাতে পারেন
ধ্রুব তারা বলেছেন:
আইসক্রিম, চিপস, পেটিস বাদে কোনোটাই ছোটবেলায় খায়নি। বড়ই স্বাস্থ্যসচেতন ছিলাম! বড় হয়ে টিকটিকি বাদে মোটামুটি সবই ট্রাই করলাম। বুঝতে পেরেছি ছোট বেলায় কত কিছু মিস গ্যাছে।
লেখক বলেছেন:
আয় হায়! কত কিছু মিস করলেন!
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি দুকান দিমুনি
ঐখানেই পাইবেন! ![]()
অদ্ভুত বলেছেন:
আমারও টিকটিকির ডিমের কথা মনে পড়ল, এটার কথা ভুলেই গেসিলাম
লেখক বলেছেন:
গুহামানব বলেছেন:
করলেন কি ভাই, জিভে যে জল এসে গেলো
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আমিও ![]()
নিশম বলেছেন:
টক খাবার বেশী প্রাধান্য পেয়েছে !!
লেখক বলেছেন: তাই নাকি!
আর এখন টক খেতেই পারি না
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
আহারে সেই দিন গুলি
স্বপ্ন ও সমুদ্র বলেছেন:
আমি আমড়া পাতা খাইতাম লবণ দিয়া, আরো নাম না জানা দুই একটা গাছের পাতা খাইতাম ( তই টারজান ছিলাম না পেটিস খাইতে ভালা লাগত বেশি। কন্ডেন্সড মিল্ক খাইতাম এমনি এমনি।
লেখক বলেছেন: কন্ডেন্স মিল্ক আমিও খেতাম
এমনি এমনি
sajzad_27 বলেছেন:
গুড়ো দুধ খেতাম হাতের মুঠোয় করে।আম্মুর কাছে হেব্বি বকা খাইছি ঐ সময়.........।
লেখক বলেছেন:
পিচ্চিবেলায় বকুনি খেলেই স্মৃতিগুলো মনে থাকে। আমি ভাবি যদি আম্মুর বকুনি না খেতাম হয়ত মনেই থাকত না কি কি দুষ্টুমি গুলো করেছি
ফটো পাগল বলেছেন:
পিচ্চিবেলায় বকুনি খেলেই স্মৃতিগুলো মনে থাকে। আমি ভাবি যদি আম্মুর বকুনি না খেতাম হয়ত মনেই থাকত না কি কি দুষ্টুমি গুলো করেছি
তূর্য হাসান বলেছেন:
পুরনো দিনের কথা মনে করে দিলেন। এখন আমার ছেলের সাথে ভাগাভাগি করে খাই করে খাই
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



























.jpg)



















