আমার প্রিয় পোস্ট

পিচ্চিকালের প্রিয় প্রিয় খাবার গুলো ;) :P :)

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৫

শেয়ারঃ
0 3 0



পিচ্চিকালের প্রিয় প্রিয় খাবার গুলো

[আমার পিচ্চিকালের সময় গুলোই ভাল লাগে। সেই দিন গুলো মনে করে সব কষ্ট, হতাশা গুলো ভুলে যাই। সেই ছোট্ট ছোট্ট কাজ গুলো এখন করতে কখনই ভাল লাগবে না কিন্তু সেই সময়ের আনন্দ টুকু মনে করে অনেক ভাল লাগে। আমি তাই ভেবে রেখেছি আমার সব পিচ্চি বেলার কথা, স্মৃতি গুলো ব্লগে লিখে রাখবো। কখনো যদি এমন দিন আসে আমি সব ভুলে গেছি, এই লেখা গুলো থেকে ফিরে যাব সেই দিন গুলোতে।]

বাচ্চা দের খাওয়া নিয়ে কোন মা নেই চিন্তায় পরে না! বাসায় কিছু খেতে চায়না, এটা খায় না, ওটা খায় না! আমার ভাই কে নিয়ে ও আমার আম্মুর চিন্তার শেষ নেই! ১ টাকার বার্মিজ আচার গুলো পেলে সে আর সব কিছু ছেড়ে দিতে রাজি। এক দিনে ৫০ টা আচার খাবার রেকর্ডও আছে ওর!! আমি খুব অবাক হলাম কিভাবে পারে! কিন্তু তার পরেই মনে হয় আরে আমিওতো এমনি করতাম যখন ছোট ছিলাম। কত কত মজার সব খাবার যে খেতাম সারাদিন! বাসায় আর কিছু খেতে পারতাম না! আমি মনে করে করে বের করেছি কি কি খেতাম তখন। বের করতে গিয়ে দেখি লিস্ট আর শেষ হয়না! আমার আবার মনে পরে যাচ্ছে সেই সব দিন গুলো । কি যে আনন্দের ছিল! সারাদিন ঘুরে বেড়ানো আর নানা রকম জিনিস খাওয়া। সারাদিন। কিছু না কিছু মুখে থাকবেই। আর সব থেকে আজব হলো কত কম দামে যে সেই মজার মজার খাবার গুলো পাওয়া যেত!!! এখন সেটা কখনই সম্ভব না!

টিকটিকিঃ
সত্যি কারের টিকটিকি না কিন্তু। বাসার কাছেই একটা পিচ্চি কাঠের ছোট্ট দোকান[অনেকে টং দোকান বলে] নিয়ে বসে থাকত একজন লোক।তার কাছে পাওয়া যেত এটা। দেখতে একদম টিকটিকির ডিমের মত ছোট ছোট, মিষ্টি মিষ্টি, লাল নীল সবুজ হলুদ রঙের, আমি বলতাম টিকটিকি। ছোট্ট একটা ম্যাচের বাক্সের মত সাইজের কাগজের বাক্সে করে পাওয়া যেত। মাত্র ১টাকা করে। দাদা যখনি বের হতেন বাইরে আমার জন্য কিনে আনতেন। আর আমি সারাদিন সেই বাক্স থেকে ১টা ১টা করে বের করে খেতাম। মাঝে মাঝে আমি নিজে ও কিনে খেতাম। এই জিনিসটা আমি এত বার খেয়েছি যে আমার ১টা মায়া পরে গিয়েছে। এখনো মনে পরে টিকটিকি দেখলেই! এখন আর পাওয়া যায় না। আমি কোথাও দেখিনি আর।

টক ঝাল মিষ্টি আচারঃ
এই আচার টা কি দিয়ে বানানো আমি জানি না। স্বাদ টা ছিল টক ঝাল মিষ্টি। কখনো বড়ই মনে হতো, কখনো তেঁতুল। প্লাস্টিকের ছোট চারকোনা কাগজের মাঝে আচার রেখে মুড়ে দেওয়া হতো। দেখতে চারকোনা ছোট্ট বক্সের মত। .৫০ পয়সা করে দাম ছিল। প্রতিদিনই আমার এই আচার খাওয়া চাই। ২টা কিনে শুরু হয়ে যেত আমার খাওয়া! এটাও এখন আর পাওয়া যায়না।

আমসত্ত্বঃ
আমসত্ত্ব ঝুড়িতে করে বিক্রি করত ফেরিওয়ালা। এটাও ছিল আমার অনেক প্রিয়। ১টাকা দিয়েই অনেক গুলো আমসত্ত্ব পাওয়া যেত। ছোট ছোট কাগজের টুকরা তে লবণ মরিচ দিয়ে একটু একটু করে!!

বড়ই আচারঃ
এই আচারটা ছিল শুধুই বড়ইয়ের। মিষ্টি আচার। ঝুড়িতে করে ফেরি করত। কাগজের টুকরায় ১টাকার আচার দিয়েই অনেক সময় কাটত! এই আচারটা প্রতি দিন পাওয়া যেত না। যদি লোকটা আসত তা হলে। আর বিকেলে খেলার ফাকেই বেশি খেতাম। আর বড়ই বারো মাসি তাই বারো মাসই পাওয়া যেত।

চালতার আচারঃ
সব আচারের মধ্যে এই চালতার আচার আমার এখনো অনেক অনেক পছন্দের। আমি এখন আচার খাইনা। শুধু এই চালতার আচার ছাড়া। বড়ই বিক্রি করত যেই লোক তার কাছেই চালতার আচার পাওয়া যেত। চালতার আচার বছরের ১টা নির্দিষ্ট সময় পাওয়া যেত। ১টাকা বা ২টাকার আচার নিয়ে! ভাবতেই আমার স্বাদ মনে পরে যাচ্ছে। যেন এখনো খাচ্ছি!

চুইংগামঃ
চুয়িংগাম মুখে দিয়ে সারাদিন ধরে চিবানোতো খুবই কমন ছিল। পেন-ড্রাইভের সমান চারকোনা কাগজে মোড়ানো প্যাকেটে পাওয়া যেত চুইংগাম। আমি তখন ১টা ১টাকা দিয়ে কিনে খেতাম। আমার ঐ ১ টাতেই সারাদিন চলে যেত।

ডাল ভাজাঃ
ঝাল ঝাল করে হলুদ আর লবণ মাখানো ডাল ভাজা পাওয়া যেত বাসার পাশের দোকানে। খোলা। কাগজের ঠোঙ্গা তে করে ১টাকা করে কিনে খেতাম। যেটা এখন প্রাণ ডাল ভাজা নামে পাওয়া যায়। আমার কি যে ভাল লাগত!

চিড়া ভাজাঃ
ডাল ভাজার মতই চিঁড়া ভাজা পাওয়া যেত। লবণ আর হলুদ মাখানো। এটাও খেতাম যদি ডাল ভাজা না পেতাম!

বুট ভাজাঃ
বাদামওয়ালা ঝুড়িতে করে বাদাম আর বুট ভাজা বিক্রি করত। এই বুট ভাজাও কট কট করে চিবিয়ে খেতে ভালই লাগত! চাবাতে চাবাতে গাল ব্যাথা হয়ে যেত তাও ভাল লাগত!

বাদাম ভাজাঃ
বাদামও অনেক খেতাম।

সন পাপড়িঃ
মিষ্টি মিষ্টি সাদা সন পাপড়ি আমার এখনো ভাল লাগে। দারুণ মজা! কাচের বক্সে করে কাধে ঝুলিয়ে এক লোক বিক্রি করতেন। ১টাকা করে কাগজে করে হাত মুখ ভড়িয়ে খেতাম!

হজমিঃ
প্রায় প্রতিদিন ১ লোক সাইকেলে করে আসত। সাইকেলের পেছনে কাঠের বাক্স ছোট। সেই বাক্সে ৪/৫টা প্লাস্তিকের বয়াম।সেই বয়ামের একটাতে থাকত সাদা মিষ্টি চিনির গুড়ো, আরেকটায় থাকত কালো একটা টক টক কিছুর গুড়া নাম জানিনা, আরেকটায় খয়েরি রংযের গুড়া। এমন ৪/৫ রকম গুড়া একসাথে মিক্সড করে বানিয়ে দিত হজমি! ১টাকা করে কিনতে হতো। ছেড়া কাগজে করে দেওয়া হতো। আর আমরা আঙুলে করে একটু একটু করে খেতে ঘণ্টা খানেক লেগে যেত। ওই লোকটা মাঝে মাঝে চালতার আচার বিক্রি করতেন। আর আমার আনন্দ শেষ হতো না!

টানা মিঠাইঃ
এটা কে কি বলা যায় আমি জানিনা। তাই নিজেই নাম দিয়েছি টানা মিঠাই। লম্বা কাঠের মোটা লাঠির মত একটা জিনিস নিয়ে এক লোক অনেক দিন পরপর আসতেন। লাঠির মাঠায় প্লাস্টিকের কাগজে মোড়া থাকত। কেউ চাইলেই সেখান থেকে টেনে টেনে বের করে আংটি গলার মালা, হাতের চুড়ি, পাখি, ফুল, পাতা আরো অনেক কিছু বানিয়ে দিতেন। সাদা আর গোলাপি রংয়ের , মুখে দিলেই গলে যায়! আমরা পিচ্চিরা খুব পছন্দ করতাম। এখন পাওয়া যায় কিনা জানিনা!

আইসক্রিমঃ
আইসক্রিমের কথা বলে শেষ হবেনা! কত রকম , কত রঙের আইসক্রিম যে পাওয়া যেত! ১টাকা করে সাদা আইসক্রিম, ২টাকা দিয়ে সবুজ আর কমলা আইসক্রিম! গরমে আইসক্রিম ছাড়া আর কোন কথা নেই!

ক্রিম রুটি/ বন রুটিঃ
এই রুটি গুলোর কথা বলে বোঝানো যাবেনা,রুটি গুলো লম্বা চ্যাপ্টা, মাঝখানে লম্বা করে কেটে ২ ভাগ করা, আর তার মাঝে মিষ্টি ক্রিম দেওয়া। এই রুটিটাও আমার অনেক পছন্দের ছিল। আমি এটা বেশিরভাগ সময় স্কুলে নিয়ে যেতাম। আর মাঝে মাঝে বাসায় কিছু খেতে ইচ্ছে না করলে আম্মুকে বলতাম ভাত খাবোনা, ক্রিম রুটি খাবো। আর ১টা তেই আমার পেট ভরে যেত। [অনেকে মনে করিয়ে দিয়েছে আমাকে যে এই রুটির নাম হবে বন রুটি ছিল। ]

কাঁচা আমঃ
কাচা আম গাছ থেকে পেরে লবণ দিয়ে খেতে কে না পছন্দ করে! আবার কুচি করে কেটে লবণ মরিচ দিয়ে মাখানো! আম ভর্তা! সরষে দিয়ে আম মাখা! আর কি চাই! আমার এখানে আরো মজা হতো। বড় ভাইয়ারা আসে পাশে যত আম গাছ ছিল, সব গাছ থেকে অনেক আম পারত কাচা। বড় আপুরা সেই আম ভর্তা করে সবাইকে ভাগ করে দিত। ওই রকম সবাই মিলে খেতে যে কি ভাল লাগত!

জামঃ
জাম গাছও আছে ২টা। জামের সময় জাম পেড়ে লবণ মরিচ দিয়ে জাম ভর্তা খাওয়া হতো। অনেক সময় স্কুলে কিনে খেতাম। ঝুড়িতে করে বিক্রি করত। ওরা খুব অদ্ভুত করে ভর্তা করে। আমার দেখতে দারুণ লাগে!

বড়ইঃ
কাচা বড়ই গাছ থেকে পেড়ে ভর্তা করে খেতাম। এটাও দল বেধে। বড়রা বানাতো বেশি করে। মাঝে মাঝে আন্টিরা বানাতো! আমি এমন আর দেখিনা কোথাও আর। সেই চেনা পরিচিত মানুষ গুলো আর নেই। সেই আনন্দ ও আর নেই। কিন্তু ভেবে এখনো মনে করি সেই দিন গুলো!

চানাচুর মাখাঃ
চানাচুর মাখা কারো ভাল লাগে না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না মনে হয়। এখনো বাসায় বানাই। পিচ্চি বেলায় সবার বাসা থেকে একটু করে চানাচুর এনে, পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ , তেল , টম্যাটো দিয়ে মাখানো হতো। তার পর! এই চানাচুর মাখা কিনে ও খেয়েছি। ১টাকা , ২টাকা করে, স্কুলে বেশী খেতাম। এখনো বাইরে ঝাল মুড়ি কিনে খাওয়া হয় যদি চোখে পরে। বাসায়ও বানানো হতো।

ঝাল মুড়িঃ
চানাচুর এর সাথে মুড়ি দিয়ে , তেল পেঁয়াজ, বেশী করে মরিচ, সরিষা তেল, লবণ, নানা রকম মসলা দিয়ে বানানো হয়। ঝাল মুড়ি ওয়ালারাই চানাচুর মাখা বানায়। কখনো চানাচুর মাখা, কখনো ঝাল মুড়ি খেতাম!

আমড়াঃ
কাচা আমড়া যখন পাওয়া যেত, কাঠের গাড়িতে করে ফেরি করত। কেটে, পাঁচ টুকরা করে, লবণ মরিচ দিয়ে কাঠি তে গেঁথে! এখনো পাওয়া যায়। এখনো খাই! এর সাথে পেয়ারা ও পাওয়া যেত,

কামরাঙ্গাঃ
কেটে কেটে লবণ দিয়ে টক টক খেতে দারুন!

তেঁতুলঃ
তেঁতুল তো এমনি এমনি লবণ মরিচ দিয়েই খেতাম!

তেঁতুল পাতাঃ
খিক খিক! আমার স্কুলের পেছনে ছোট তেতুল গাছ ছিল, একটা মেয়ে আমাকে শিখিয়েছিল, তেঁতুল পাতা খেতে টক টক! আমিও মাঝে মাঝেই সেই তেঁতুল পাতা খেতাম! খিক খিক!

আখঃ
আমার দাদা আমার জন্য মাঝে মাঝেই আখ কিনে নিয়ে আসতেন। নিজ হাতে দা দিয়ে আখ গুলো ছুলে পিচ্চি পিচ্চি করে কেটে দিতেন। আর আমি খেতাম! দাদা বাইরে গেলেই আমার জন্য কিছু না কিছু নিয়ে আসতেন। এখন আখ খাওয়াই হয়না। বাসায় আনা হলে ও খেতে ইচ্ছা করেনা। খুব মিস করি তখন দাদা কে।

কতবেলঃ
আমড়া ফেরি করার লোকটাই কতবেল বিক্রি করতেন। কতবেল ফুটা করে তার মাঝে লবণ মরিচ দিয়ে ঘুঁটে দেওয়া হয়। আর তার মাঝে একতা কাঠি দিয়ে দেয়। সেই কাঠি দিয়ে একটু একটু করে নিয়ে নিয়ে সেই পুরো কতবেল শেষ করতে আমার আধা বেলা চলে যেত! এই কতবেল এখনো রাস্তায় দেখি।

টক ঝাল মিষ্টি চকলেটঃ
এই চকলেট টা একটু অদ্ভুত ছিল! টক ঝাল মিষ্টি স্বাদের। ১টাকাতে ৪টা পাওয়া যেত। স্বাদ টা অনেকটা হজমির মত কিন্তু হজমি না। এখন পাওয়া যায় না। আমি ৪টা নিয়ে ১টা ১টা করে শেষ করতাম !

তিলের খাজাঃ
তিলের খাজা এখনো পাওয়া যায়। কি দিয়ে বানানো হয় জানি না। কড়া মিষ্টি স্বাদ! চার কোনা প্যাকেটে করে পাওয়া যেত। পুরা প্যাকেট ৫টাকা। প্যাকেটের ভিতর খাজা ৫ ভাগ করা, ৫ টা টুকড়া করে থাকে। আমরা ১টাকা দিয়ে ১টা টুকরা কিনে খেতাম!

হাওয়াই মিঠাইঃ
কাছের বাক্স কাধে ঝুলিয়ে ফেরি করে বিক্রি করত এক লোক। বাক্সে থাকত গোলাপী রঙের মিষ্টির সাইজের হাওয়াই মিঠাই! মুখে দিলেই গলে যায়! আমরা জিভ লাল করে এই হাওয়াই মিঠাই খেতাম। এখন বড় বড় পলিথিনে করে পাওয়া যায়। আমাদের গুলো অনেক ছোট হতো। ১টাকায় ৪/৫টা করে পাওয়া যেত।



[এই হাওয়াই মিঠাইয়ের ছবিটা দিয়েছেন, বৃত্তবন্দী]


কটকটিঃ
এই কটকটি কে কিভাবে ভুলে যাই! বাদাম আর মিঠাই দিয়ে বানানো!
[কটকটি কিনতে পয়সা লাগতোনা। পুরানা লোহা লক্কর ছেড়া স্যান্ডেল, ফিউজ ব্লাব, বোতল আরো বিভিন্ন ফেলনা দিলে একটুকরা কটকটি পাওয়া যেত। ] - দূরের মানুষ

আরো কিছু নাম মনে পরেছে আর সবার থেকে জানা গেছে সেগুলো পোষ্টে দেয়া হলো নিচে সবার নাম সহ।


***আমলকি, পানি ফল!

চিপসঃ
বম্বে রিং চিপস/ এই রকমি নাম ছিল মনে হয়! চিপস গুলো হলুদ রিং এর মত ছিল। আমরা রিং গুলো ২ হাতের ১০ আঙ্গুলে পরতাম। আর আঙ্গুল থেকে মুখে নিয়ে খেতাম!!!!!!!! এই চিপসের নাম বম্বে রিং চিপ্স। [নাম মনে করিয়ে দিয়েছেন, স্পেলবাইন্ডার]

ক্রীমরোলঃ
গোল আর একদম গাজরের মত ছিল। ভিতরে ক্রিম দেয়া। আমার তেমন ভালো লাগতো না। [এই নামটা মনে করিয়ে দিয়েছে অনন্ত দিগন্ত ভাইয়া]

পেটিসঃ
এটা ভালো লাগতো কিন্তু একটু দাম বেশি ছিল তাই খুব একটা খাওয়া হতো না। আমি যেগুলোর কথা বলেছি সব গুলোই আমার অনেক অনেক প্রিয়। [এই নামটা মনে করিয়ে দিয়েছে অনন্ত দিগন্ত ভাইয়া]


!!!!!!
একটা কাঠের তৈরী গাড়ীতে গোল ডালার মধ্য সাদা হালুয়ার মত কিছু থাকতো, তা কোনের মধ্যে চামুচ দিয়ে দিত। কোন গুলো প্লাস্টিকের ব্যাগে ঝুলত। দাম ৫০ পয়সা আর এক টাকা (বড়টা)। - আরেফিন জিটি

ললিপপঃ
ললিপপের কথা তো ভুলেই গিয়েছিলাম! আয় হায়! এত প্রিয় একটা খাবার ছিল এটা! লম্বা কাঠির মাথায় লাল সবুজ হলুদ গোল বলের মত, কোনটা চ্যাপ্টা, চকলেট ছিল। অনেক অনেক ভালো লাগতো আমার।

মিমিঃ
এই মিমিটা ৫ টাকা করে ছিল। যেদিন কাকা মাঝে মাঝে দোকান নিয়ে বলত কি খাবা? সেদিন ঐ মিমিটা কিনে দিতে বলতাম :P কাগজের প্যাকেটে বাদামের ছবি থাকত। তাই না ভাইয়া? এখন পাওয়া যায় না।

টফিঃ
একটু তিতা তিতা মিষ্টি চকলেট। কফি দিয়ে বানানো হতো। এটাও খেয়েছি অনেক।

ভুট্টা ভাজাঃ
এখন পর্যন্ত একবার খেয়েছি। ভালো লাগে না। ]
- এই নাম গুলো মনে করিয়ে দিয়েছেন অ্যামাটার ভাইয়া।]

পাপড়ঃ
হলুদ আর গোলাপি। পাতলা কাগজের মত দেখতে। মুখে দিলেই নাই হয়ে যেত। একটা লোক আসতে আমাদের পাড়ায়। "পাপড় ভাজা খাইতে মজা জলদি আয় জলদি আয়" বলে হাঁক দিত সে। - রিমি (স. ম.)




আরো অনেক অনেককিছু! যার অনেক গুলোই এখন পাওয়া যায় না। এত এত কিছু খেতাম ছোট বেলায়! কি দারুন ছিল সেই সময় গুলো! এখন বুঝি কেন বাসায় কিছু খেতে চাইতাম না ! যে সারাদিন এত এত মজার জিনিস গুলো খায় তার কাছে কি বাসায় কিছু খেতে ভাল লাগার কথা!!!!!!!!!!!!!! ;)






 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার নানা রঙের দিন গুলোভাল লাগা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৩:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: :( মাঝ রাইতে এত লম্বা লিখা দিসিস!!!আমারে চা বানা দিয়া যা।নাইলে পড়ার আগেই ঘুমাইয়া যামু!!! :P
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন:

২. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪১
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: কটকটির কথা মনে পরে হাসি পাচ্ছে :) এটা আমিও খেতাম,মা খুব বকা দিত!ভাবতে অবাক লাগে এখন আমারা পিটালেও কি কটকটি মুখে দিতে পারবে কি!!!সময় কিভাবে বদলায়!!!
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: ঠিক। এখন আমিও এসব খেতে পারি না। কিন্তু পিচ্চি বেলায় খুব ভাল লাগত :)

৩. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪২
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: শুনেছি আমি নাকি পিচ্চিকালে একবার শুকনো মরিচের গুড়া মুঠোভরে মুখে দিয়েছিলাম............তারপর ইতিহাস!

বড়ই শান্তশিষ্ট ছিলাম তো!
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: !!!!!!!!! আমি নাকি শুধু চা খেতাম পিচ্চি বেলায়!

৪. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৪
জনৈক আরাফাত বলেছেন: বাপরে! B:-)

তোমার মতই আরেকজন! Click This Link
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: হ্যা দেখলাম ভাইয়া। !! আমিও আগে দেখিনি। কিন্তু মিলে গেছে। ভাল লাগল।

৫. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
রাতমজুর বলেছেন:
মাঝ রাইতে এমন লোভ জাগানি পোষ্ট নেক্সট টাইম সামনে পাইলে মাইর খাইবা ভাইজান।

আমার একটা ফেভ খাদ্য আছিলো নিমপাতা ;)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: ;) লোভ জাগাতে পারলেইতো আমি খুশি। আমি একা কেন এত মজার স্মৃতি গুলো নিয়ে থাকব? সবার সাথে তাই শেয়ার করলাম :)


!!!!!!!!!!! নিম পাতা!! খাইছে!!! আমিতো জানতাম নিম পাতা তিতা!

৬. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
মমমম১২ বলেছেন: আমি বেশী হাবিজাবি খাওনেওয়ালা না


এই মুহূর্তে কতবেল খেতে ইচ্ছা করতেছে খুব
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন:



আপনার জন্য কতবেল :)

৭. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৭
পল্লী বাউল বলেছেন: মাটির ডেলা, জুতা, পেন্সিল, রাবার এগুলো বাদ দিলেন কেন? =p~ =p~
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: আমার পিচ্চি ভাইতো স্যান্ডেলের তলা মুখে দিয়ে দিয়েছিল! :P

৮. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
বিবর্তনবাদী বলেছেন: লেখাটা প্রিয়তে রেখে দিতেই হল। এমন লিস্ট বানাতে আমার অনেক সময় লাগত। সবগুলো খাবারই পরিচিত। টিকটিকির ডিমের কথা ভুলেই গেছিলাম। অনেকদিন পরে আবার মনে পড়ল।

আমার স্কুলের সামনে শরবত পাওয়া যেত। আরও ছিল আলু সিদ্ধ। অনেক আগে এইনিয়ে একটা ছোট্ট পোস্টও দিয়েছিলাম।

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: আজ আমার মনে হচ্ছে আমি সত্যি হয়ত লিখতে পারি।

আপনি তাহলে বুঝেছেন টিকটিকির ডিম বলতে কি বুঝিয়েছি? অনেক ভাল লাগল।

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: হুম!

১০. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০০
কালপুরুষ বলেছেন: কত মজার মজার খাবার! জিহ্বায় জল আসে দেখলেই।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: :)

১১. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৪
হাসান মাহবুব বলেছেন: কটকটি, শনপাপড়ি, আর হাওয়াই মিঠাই মিস্করি :#)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: আমিও অনেক মিস করি :)

১২. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৫
কষ্ট শিকারি বলেছেন: লেখাটা পড়েই মনে হল আমি যেন ১৭-১৮ বছর আগে চলে গেলাম। সত্যিই মজার ছিল দিনগুলো... ...
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: আমি এখনো সেই দিন গুলোতেই থাকি ........

১৩. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৬
রাতমজুর বলেছেন:
অবশ্যই তিতা, তবে আরো বেশি তিতা চিরতা ;)
নিম পাতা ভর্তা, পাতা ভাজি খাইছেন কখোনো?

তিতা পছন্দ করনের সূত্র এইখানে
Click This Link
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: না খাইনি কখনো। আমিতো শাক কখনই খেতাম না। এখনো খুব কম শাক খাই। আর ছোট বেলার কথা তো বাদই দিলাম!

১৪. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৬
রনি রাজশাহী বলেছেন: আমারগুলোর সাথে ৮০% মিল আছে। :)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: আমিও তাই ভেবেছি যে আমার সাথে সবার ছোট বেলা মিলে যাবেই।

১৫. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৮
ত্রেয়া বলেছেন: টিকটিকি মিস করি খুব।আর মিস করি ক্রীম রোল।
নাহ্‌ ছোটবেলাগুলো একটু বেশিই আনন্দের ছিল...এখনো মনে পরলে মন ভালো হয়ে যায়।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: টিকটিকি তুমিও চেন আপু? অনেক অনেক ভাল লাগল। আর তোমাকে আমার ব্লগে পেয়ে ভাল লাগছে।

হুম সে জন্যেই লিখে রাখছি আমার সব ছোট বেলার কথা। মন খারাপ হলেই যেন পড়ে মন ভাল করতে পারি।

১৬. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৮
দূরের মানুষ বলেছেন: কটকটি কিনতে পয়সা লাগতোনা। পুরানা লোহা লক্কর ছেড়া স্যান্ডেল, ফিউজ ব্লাব, বোতল আরো বিভিন্ন ফেলনা দিলে একটুকরা কটকটি পাওয়া যেত। টিকটিকির প্যকেট দিয়ে ঝনঝন শব্দ করতাম।

ছোটবেলার খাবারগুলা এখন আর ভালো লাগেনা। চিনি দিয়ে দুধভাত এত এত পছন্দের ছিলো! এখন দুধ দেখলেই গা গুলায়।!
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: হ্যা কটকটি এই সব দিয়েও পাওয়া যেত। মিষ্টি আলুও পাওয়া যেত।

সেটাইতো আনন্দের। সেই দিন গুলোর আনন্দ মনে থাকবে সব সময়।

১৭. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২২
দূরের মানুষ বলেছেন: তখন মনে করতাম হজমি ছাই দিয়ে বানাতো। ! :P
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: ;) ছাইয়ের থেকেও কালো ছিল। কিন্তু একটু টক টক!

১৮. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২২
সুখী মানুষ বলেছেন: এত কিছু মনে কইরা লেখছস কেমনেন? মনের কথা লেখছস। ছোটকালে খুব চাপটী খাইতাম, চিনি আর বাদাম এর।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: ভাইয়া আমার এইসব মনে করেই দিন শেষ হয়। ভুলতেইতো পারিনা, মনে করার চেষ্টা করতেই হয়নি ।

০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: হুম পিচ্চিটার পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ।

২০. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩২
দ্রোহি বলেছেন:
উপড়ের সবগুলো এবং -

হজমি
চিনি দিয়ে মিশিয়ে গুড়োদুধ
গুড়
মুঠো মুঠো গ্লুকোজ

আরও.... আরও... আরও.... এবং সর্বপরি 'বকা' :#) :D
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: হ্যা আমিও গুড়োদুধ চুরি করে খেতাম ;)

গ্লুকোজ বাসায় দেখলেই হয় আমি সব খেয়ে শেষ করতাম।

২১. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪০
শয়তান বলেছেন: চটপটি মনে হয় ভুলে বাদ পরছে :)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৬

লেখক বলেছেন: চটপটি ঠিক এই সময়টায় খেতাম না। আরো পরে স্কুলে খেয়েছি। তাই ভুলে গেছি। আমার লেখার সব গুলোই আমার অনেক অনেক পিচ্চি কালের।

২২. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৪
আরেফিন জিটি বলেছেন: একটা কাঠের তৈরী গাড়ীতে গোল ডালার মধ্য সাদা হালুয়ার মত কিছু থাকতো, তা কোনের মধ্যে চামুচ দিয়ে দিত। কোন গুলো প্লাস্টিকের ব্যাগে ঝুলত। দাম ৫০ পয়সা আর এক টাকা (বড়টা)। ভাবতে অবাক লাগে এক কালে ঐগুলা খেয়ে যে আনন্দ পেতাম আজ এন্ডারসন আর মুভেনপিকে খাই, কিন্তু সে আনন্দ কই!

"স্মৃতি তুমি বেদানা"!!! -চিকন মিয়া
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: আমারো মনে পরেছে। আমিও খেয়েছি এটা অনেক বার। অনেক ধন্যবাদ মনে করিয়ে দেয়ার জন্য। হুম ঠিক বলেছেন, এখন আর সেই আনন্দ পাইনা।

২৩. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৫
দ্রোহি বলেছেন: একবার চুরি করে গ্লুকোজ খেতে গিয়ে ভুলে কাপড় কাচার সোডা মুখে দিয়ে ফেলেছিলাম। সে এক বিরাট ইতিহাস :( :((
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: :P আয় হায়!!! হুম বুঝতে পারছি কি অবস্থা হয়েছিল তখন! কিন্তু বলেন ভুল হলে আমাদের দোষ কই? আমরা কি জানি কোনটা সোডা আর কোনটা গ্লুকোজ!!!

২৪. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩০
দীপান্বিতা বলেছেন: বাঃ! বেশ মিল আছে আমারো তোমার সাথে. :D .....কেবল টিকটিকিটা ছাড়া... ;)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: ;) টিকটিকি খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা লাগবে তোমার জন্য! :P

২৫. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৫
ত্রেয়া বলেছেন: আরে কি বলো টিকটিকি চিনব না আমি!! আমি হচ্ছি হাবিজাবী খোর।
মনে আছে আম্মু স্কুলের এক ইগলুওয়ালাকে মাস করে দাম দিত যেন খেলেও ভালোটা খাই তবু আমাকে পকেট মানি দিতে চাইত না।কিন্তু আমার পছন্দ ছিলো ১টাকার কুলফি আর সাদা নারিকেল আইসক্রিম সেটাও ১টাকা।আর তাই খাওয়ার জন্যে কত কান্নাকাটি আর বকা....
সে তো ছিলো পিচ্চিবেলার কথা ইউনি তে উঠেও আমি সেই পুরোনো হাবিজাবি খাবারগুলো নিয়ে যা করতাম আমার বন্ধুরা তো হেসেই খুন হয়ে যেত।
দেশে থাকাকালীন সময়ে পুরনো ধরনের টং দোকান দেখে আমি যে কতবার এই টিকটিকি খুজেছি তার ইয়াত্তা নেই।
তোমার লেখা পড়ে পুরনো সময়গুলি মনে পরে গেছে। নিজের যে এমন কত ছোটবড় স্মৃতি আছে তাই ভাবছি।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০১

লেখক বলেছেন: আমাকে মানা করতোনা। কারন জানে আমাকে এই হাবি জাবি খেতে দিলেই ঠান্ডা আমি ! :P

এখনো ইচ্ছে করে এমন হাবিজাবি খেতে খুব! কিন্তু সেই পিচ্চিবেলার মত ইচ্ছেটা আর পাইনা। কিন্তু পুরনো স্মৃতি গুলো মনে করে খুব ভাল লাগে। এই যেমন সেদিন বাসে আমড়া বিক্রি করতে দেখলাম। আমি দেখে পুরনো দিনে ছলে গেলাম কিন্তু কিনতে ইচ্ছে করলনা!। আরেকদিন দেখলাম তিলের খাজা।

ফ্রেন্ডের সাথে মাঝে মাঝে ঝাল মুড়ি , চানাচুর খাওয়া হয় অনেক মরিচ দিয়ে। এই টুকুই।

আমিও অনেক খুজেছি। সেই ছোট বড় স্মৃতি গুলো লিখে ফেল। আমার শুনতে ইচ্ছে করছে। :)

২৬. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৮
নষ্ট গিটার বলেছেন: তিলের খাজা , হাওয়াই মিঠাই।

:( কোথায় পাব????
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৩

লেখক বলেছেন: এগুলোতো পাওয়া যায় এখন। তিলের খাজা , হাওয়াই মিঠাই ২টাই আমি দেখেছি। যে কোন স্কুলের সামনে পাবেন বা বাসের পথে।

২৭. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০০
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: সবই তো মিলে গেল! ঘটনা কি? :)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৫

লেখক বলেছেন: !!! মিলে গেছে? তাইতো!! ঘটনা কি!!! :)

২৮. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২১
নীল-দর্পণ বলেছেন: যাক আমার দোস্ত পাওয়া গেল একজন....:)
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৪

লেখক বলেছেন: আপু তাই নাকি? ;) :P

২৯. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১২
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: চালতার আচার যতই চিবাই ততই মিঠা লাগে (স্যাকারিনের গুণ মনে হয় :P)
ক্রিম রুটিকে বলা হয় বাটার বন। ৮৬-৮৭ সালের দিকে দাম ছিল মাত্র ১ টাকা। সকালে বাবার কাছ থেকে ১ টাকা নিয়ে দৌড়ে দোকান থেকে বাটার বন কিনে নিয়ে আসতাম। বাটারবন লম্বা ও গোল দুই ধরণের পাওয়া যেত। আরেকটা ছিল ক্রিম রোল যেটা এখনও মতিঝিল, পুরানো ঢাকার দিকে পাওয়া যায়।
আমসত্ত্ব আর কদবেল খেতাম স্কুলে। একেবারে নেশার মত হয়ে গিয়েছিল।
বাসার কোন কাঁচের জিনিস ভাঙ্গলে খুব খুশি হতাম। কটকটি খাওয়া যাবে :-B
বেতফল আর লটকন গেল কোথায়?
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৬

লেখক বলেছেন: :P আমরা কি আর জানতাম নাকি স্যাকারিন নাকি! খিক... খেতে দারুন লাগত!

ঠিক ঠিক, ঠিক বলেছেন। বাটার বন বলা হয়। ভুলেই গিয়েছিলাম। :)
;) কটকটি!!!
বেতফল আর লটকন এর কথা এই যে আপনি মনে করিয়ে দিলেন। :) সব আমি বলে দিলে কি এত ভাল হতো? এই যে এখন সবাই কিছু কিছু মনে করছে...... সবার সাথে মিলে মনে করতে দারুন লাগছে। :)

৩০. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২২
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: আমি ছিলাম হার্ড কোর মিস্টি খোর। ২ বছর বয়সে ৮ টা রসগোল্লা সাবাড় করেছিলাম। ভয়াবহ ঝাল হজম করার বিরল অভ্যেসও ছিল ছোট বেলা থেকেই। তবে দু চক্ষের বিষ হল টক। যেসব ফল কাচাতে টক থাকে, প্রচন্ড অরুচি হয়। তাই বাঙ্গি, তরমুজই প্রথম পছন্দ। আম, পেয়ারার মত ফল মিস্টি হলেও টকের দুঃসহ স্মৃতি মাথায় গেথে থাকায়, এসব এড়িয়ে চলি।
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৮

লেখক বলেছেন: আমিও মিষ্টি বেশি খেতাম। তবে টক খেতাম। কিন্তু এখন টক ঝাল মিষ্টি কোনটাই বেশি খেতে পারিনা। !!!!!

৩১. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬
তাজা কলম বলেছেন:
এই, তুমি তো আমাকে ছেলেবেলার দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিলে।
অনেক ভাল লাগলো। +
Click This Link
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: :) আপনার কথায় মনে হচ্ছে আমার লেখা সার্থক!

৩২. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: জিভে জল আনা পোষ্ট!
মাইনাস।
:P
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: আপনাকে প্লাস! :P

৩৩. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
মোজাম্মেল প্রধান বলেছেন:
কইষা মাইনাস। ;) ;) খাইতে মঞ্চাইতাছে।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: খাবার গুলারে তাইলে কইষা প্লাস ;)

৩৪. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪
তারার হাসি বলেছেন:
টিকটিকির ডিম তেমন প্রিয় ছিল না, কিন্তু খেয়েছি। আকর্ষনীয় ছিল এর প্যাকেট।
ফেরীওয়ালাদের মত করে আচার কেউ বানাতে পারে না, এত মজা ! কাল কাল বড়ই'র আচার ছিল ইয়াম্মী !!!
হাওয়াই মিঠাই আর কটকটি...... জন্য কত কিছু যে দিয়ে ফেলেছি তার কোন হিসেব নেই। ( যত লোহা লক্কর আশেপাশে পড়ে থাকত ) :)
সবচেয়ে ভাল লাগত সনপাপরি... কেমন যেন টেনে টেনে সুর করে একটা ছড়া বলত, কানে যাওয়া মাত্র ভো-দৌঁড় ! মা আমাদের মাথায় ঢুকিয়ে দিলেন, এগুলি বানানো হয় বিড়ালের লোম দিয়ে... আর যাই কোথায়। সেই থেকে সনপাপরি খাওয়া বন্ধ!
আর দুধ পাউডারের কথা নাই বললাম। এটা সবচেয়ে প্রিয় ! কানে কানে বলি, আমি কাল রাতে একটার দিকেও খেয়েছি, চা বানাতে গিয়ে। :P
অনেক কিছু মনে করিয়ে দিলেন, বাবুনি সুপ্তি :)
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: আমার মনে পড়ল আজ আরো কিছুঃ

আমলকি, পানি ফল!

চিপসঃ mr. twist এই রকমি নাম ছিল মনে হয়! চিপস গুলো হলুদ রিং এর মত ছিল। আমরা রিং গুলো ২ হাতের ১০ আঙ্গুলে পরতাম। আর আঙ্গুল থেকে মুখে নিয়ে খেতাম!!!!!!!!

৩৫. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৪
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: কন্ডেন্স মিল্ক ছিল আমার প্রিয় খাবারগুলির একটি। চুপি চুপি হাতের তালুতে নিয়ে এটে পুটে খেতে যে কি মজা।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৫

লেখক বলেছেন: হ্যা আপু। আমিও কন্ডেন্স মিল্ক চুরি করে খেয়ে শেষ করতাম! :P

৩৬. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৬
গডফাদার০২ বলেছেন: তেতুল পাতা খোর আরেকজন পাওয়া গেল!!!!

ভাবছিলাম এইটাতে আমিই এক্সক্লুসিভ। পিচ্চিকালে দাদা বাড়িতে গেলেই এক মুঠা মুখে..

ভালো লাগলো পড়ে। ধন্যবাদ
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: খিক খিক! আহারে আপনি একা থাকতে পারলেন না :P

৩৭. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০১
সাইফুর বলেছেন: সন পাপড়ি আর হাওয়াই মিঠাই এখনো পছ্ন্দ করি
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: আমিও কিন্তু খুব কম খাওয়া হয়। এত সময় কই যে এসব খাব!

৩৮. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৫
সাইফুর বলেছেন: সন পাপড়ি আমার পিচ্চি ।ভাগনিও পছন্দ করে , ওর জন্য কিনে আনলে খাওয়া হয় :)
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: :) হুম । তাহলে পিচ্চিদের সাথে থাকলে হয়ত আবার খাওয়া হবে।

৩৯. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৬
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ধুর!
আমি আরো একটা ড্রাফট করেছিলাম
"হারিয়ে যাওয়া প্রিয় খাবার"

~~~

ভালো লাগলো পোষ্টখানা ।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন: তাই নাকি? ভাইয়া ড্রাফট করলেন কেন? না করলে অনেক কিছু জানা যেত এখন।

৪০. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৪
দীপান্বিতা বলেছেন: হাঃ...হাঃ! টিকটিকি খাইনি বটে! তবে ছোটবেলা কিছু হলেই পাপা মানে বাবা আমাদের এক হোমিওপাথিক বুড়ো ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতেন...তিনি আমাদের ‘হাতির ডিম’ বলে বড় সাইজের হোমিওপাথিক ওসুধের গুলি খাওয়াতেন।

আচ্ছা! ওখানে মেলায় ‘বুড়ির চুল’ বাচ্চারা খায়! ওই হাওয়া মিঠায়ের মতই, তবে পেঁজ়া তুলো মত! এই বিশাল বিশাল হতো...আসলে চিনির ডেলাই! ;)
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: বাহ আরেকটা কিছু মনে করিয়ে দিলে! :)

বাসায় যত হোমিওপ্যাথিক ওসুধ থাকত সব শেষ করে ফেলতাম :P

৪১. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫২
শ্রাবনের ফুল বলেছেন: উল্লেখিত টিকটিক আমিও খাইছি!! :) আরো অনেক কিছু খাইতাম পটকা (মিস্টি চকলেট লাঠি)... আরো..নামই তো ভুলে গেছি :( তবে অনেক কিছুর কথা মনে ভেসে উঠলো :)
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৫

লেখক বলেছেন: যে কথা গুলো মনে আসল জানালেন না কেন? আমারো জানতে ইচ্ছে করছে। :)

৪২. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০১
'লেনিন' বলেছেন: প্রায় সবগুলিই মনে হয় মিলে গেলো। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে টিকটিকিই আমার সবচেয়ে প্রিয় ছিল! ভুলেই গেছিলাম। শিশুপার্কের সামনে মনে হয় এখনো পাওয়া যায়। তখন পাওয়া যেতো নানা রকম প্লাস্টিকের খেলনার ভেতরে নানান রঙের সেই টুকটুকি(এটাই মনে হয় নাম!)

চিনিমিশ্রিত কোনো কিছু দিয়ে তৈরি আর ভেতরে একটা সর্ষে দানা বা মৌরি থাকতো। নস্টালজিক পোস্ট!
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২০

লেখক বলেছেন: সর্ষে দানা থাকতো মনে পরেছে :) । প্লাস্টিকের খেলনার টাও খেয়েছি। কিন্তু আমি যেটার কথা বলছি সেটা ছিল কাগজের বক্স, একদম ম্যাচের বক্সের মত। কিছুইনা। কিন্তু তারপরও এই টিকটিকিটা কেন যে এত ভাল লাগতো!!!!!!!!! :)

৪৩. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৩
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: শন পাপড়ি এখনো মজা করে খাই, ভাতের সাথে মাখিয়ে। অসাধারণ টেস্ট।
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২১

লেখক বলেছেন: শন পাপড়ি ভাতের সাথে! কখনো খাইনি। কিন্তু ইচ্ছে করছে। এর পর খাবো। :)

৪৪. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৫
'লেনিন' বলেছেন: বাইরের আচার মজা লাগতো কিন্তু মায়ের নিপুন হাতের দারুণ সব আচারের কাছে সেগুলো প্রায় কিছুই না। বাইরের আচার বা খাবার লোকেরা নাকের ইয়ে, গায়ের ঘাম ইত্যাদি মিলিয়ে তৈরি করে সুতরাং খাওয়া উচিত না তা'ই আমাদের ভাই-বোনদের বোঝানো হতো। আমরাও সেই ঘৃণা থেকে অনেক কিছুই খেতাম না :)
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: !!! আমাকে তখন কেউ এমন কথা বলেনি, তাই খেতে পেরেছি। বললে হয়তো আমিও খেতে পারতাম না।

৪৫. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩১
নিশ্চুপ নিরবতা বলেছেন: হায় হায়.... পিচ্চি বেলায় এত খাইছেন?? :P
০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫

লেখক বলেছেন: :P আয় হায়, আর লজ্জা দিয়েন না! :``>> :``>> :``>>

৪৬. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১২
নাজনীন খলিল বলেছেন:

ছোটবেলার প্রিয় খাবারগুলো এখন আর তেমন করে ভাল লাগেনা।তবে একটা জিনিস বাইরের খাবার বড়দের অনেক নিষেধ সত্ত্বেও তখনও প্রিয় ছিল এবং এখনও হাইজিন না মেনে অনেক কিছু ভালবেসে খাই। ঝালমুড়ি তার মধ্যে অন্যতম।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭

লেখক বলেছেন: ঝালমুড়ি খাবার দিন মনে হয় কখনোই শেষ হবেনা ।

৪৭. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৮
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: আমার তো এগুলো এখোনো প্রিয় :) তবে টিকটিকি চিনি না :(

++++
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৯

লেখক বলেছেন: চিনতে হলে পিচ্চি হতে হবে।

৪৮. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬
পুরাতন বলেছেন: অফ টপিক : ভালোই তো খেকুপাগলা ছিলেন :P

অন টপিক : হজমি ছোট বেলায় খেতামনা (হজম শক্তি ভালো ছিলো মনে হয় ;)) আর তেতুল পাতাও খাইনি....:)
বাকি সবই খেতাম......তাছাড়াও পাগলা পানি খেতাম....... পাগলা পানি বানানো হতো -তেতুল পানি, বীট লবন, আরো অনেক টক ঝাল জিনিস মিশিয়ে.....এছাড়াও কালো কালো গুড়ো গুড়ো দাতের মাজনের মত এখটা খাবার খেতাম......খেলে জিহবা দাত কালো হয়ে যেত ......এইটার নাম মনে নেই....তাছাড়া ওভাল্টিন, চিনি আর গুড়ো দুধ মিশিয়ে খেতে দারুন লাগতো......আর হরলিক্স তো এখনও এমনি এমনি খাই :)
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: ;) ছিলাম মানে!!!!!!!!!!!!!

৪৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: স্মৃতিময় খাবারের আয়োজন ভালো লাগলো...
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: তাই....

৫০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: পিচ্চি এগুলা খাবার অতো ভালো লাগতো!
মুলধারার খাবারই ছিলো পছন্দের:)
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: হ্যা অনেক ভাল লাগতো!!!!!!!! :)

৫১. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩০
কাব্য বলেছেন: দিল বাহারের নাম খুঁইজা পাইলাম না :(
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: দিল বাহারটা কি? একটু বুঝিয়ে বললে হয়তো মিলে যেত।

৫২. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: বাটার বনরে ক্রীম রুটি বলা হৈলো কেন? তেব্ব ধিক্কার জানাই...
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬

লেখক বলেছেন: নাম ভুলে গিয়েছিলাম। আর পিচ্চি বেলায় নামে কি আসে যায়? যা মনে হয় তাই তো বলা হয়।

৫৩. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪
দ্রোহ বলেছেন: হজমি খাইয়া বহুত বার জিহ্বার ছাল উঠাইছি ছোট কালে :|
আপনি কি বাটার বন রে ক্রিম রুটি বলতেছেন? ঐটাতো ১ টাকা করে ছিলো :|| আর ১টা তেই আমার পেট ভরে যেত,কেমনে :-*
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: আমাদের এখানে ৩টাকা করে ছিল। আমার মনে আছে। হ্যা বাটার বন । নাম ভুলে গিয়েছিলাম।

৫৪. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫
নীরজন বলেছেন: অনেকগুলোই তো মিলে গেল সুপ্তি...........

আশ্চর্য কথা হলো আজই ক্যান্টিনে নাস্তা করতে করতে আমি আর আমার বন্ধুরা বলছিলাম যে এখন কি আর কটকটি পাওয়া যায় না??? খুব খাইতে ইচ্ছা করে......

ইস কি যে মজার ছিল কটকটিময় দিনগুলো.......
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

লেখক বলেছেন: তাই নাকি!!! এমন অনেক সময় হয়, আমিও যখন লেখাটা নিয়ে ভাবছিলাম, অনেক কিছুই আমার চখে পরছিল।

৫৫. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: উপরোক্ত প্রায় সবগুলো আইটেমই খেয়েছি। তবে একটু পরিষ্কার থাকার বাতিক ছিলো সবসময়। তাই বাইরের আচার কম খেয়েছি।

গাছের কাচা, পাকা, অর্ধপাকা তেতুল, নটকল, আমলকি, আমড়া (বরিশালে আমড়া না। এইটা প্রচন্ড টক), বেতফল, পানিফল থেকে শুরু করে অনেক হাবিজাবি খেয়েছি। গ্রামে ছোটবেলা কেটেছে তাই অনেক ফলের নাম বল্লে চিনতে পারবে না।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: তা ঠিক। গ্রামে থাকলে হয়তো আরো অনেক কিছু পেতাম :)

৫৬. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
আমিই জিনিয়া বলেছেন: ছোট বেলার কথা মনে পরে গেলো।আমাদের স্কুলের সামনে রোজ এক আইসক্রিমওয়ালা আসতো।তার কাছে লম্বা চিকন প্লাসটিকের পাইপের মত প্যাকেটে আইসক্রিম পাওয়া যেত,বিভিন্ন রং এর।আমার কি যে প্রিয় ছিলো!
তোমার তেঁতুল পাতা খাওয়ার গল্প পড়ে আমার আমড়া পাতা খাওয়ার কথা মনে পরে গেল।টক টক,খুব টেস্টি।এখন তো আমড়া গাছই চোখে দেখিনা।
টিকটিকির ডিমের মত জিনিসটাও খুব প্রিয় ছিলো।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: আমড়া গাছ দেখি নি কখনো। নতুন কিছু পাওয়া গেল তোমার থেকে :)

৫৭. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৯
মোঃমোজাম হক বলেছেন: আমরা ছেলেরা গাছে উঠে গাব খাওয়া আর ক্ষেত থেকে কলই এনে পুড়িয়ে খাওয়ার কথা ভুলতে পারিনা।কাভি কাভি রাতের বেলা বন্ধুর বাড়ীর গাছের ডাব চুরির কথাও ভুলার নয়রে বই______ =p~ =p~
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: আসলেই ভুলার নয়রে ভাই .......... =p~

৫৮. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫
মানুষ বলেছেন: আমার আইডিয়া মেরে দিছেন :D । এরকম একটা লিষ্ট আমিও বানিয়েছিলাম মেলা আগে। পুরানা দিনের কথা আবার মনে পড়ে গেল। স্মৃতী তুমি বদনা।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: সরি ভাইয়া। আমি সত্যি আপনার লেখাটা পড়ে এই পোষ্ট দেইনি, আর আমি আপনার পোষটা পড়িনি।
আমার পিচ্চি কালের স্মৃতি গুলো নিয়ে লেখা অন্য পোষ্ট পড়লেই আপনি বুঝতে পারবেন। বেশ কিছুদিন আমি ব্লগের বাইরে ছিলাম। কোন কাজ নেই বলে অনেক ভেবে ঠিক করেছি এই লেখাটা। আর যদি মনে হয় আমি মিথ্যে বলছি তাহলে আমি আমার কথা সত্য প্রমাণ করার জন্য কিছুই দিতে পারবনা। সরি ভাইয়া। আপনি কিছু মনে করবেন না প্লিজ।

আর যদি আমি কিছু লিখে আপনার পিচ্চি কালের কথা মনে করিয়ে দিয়ে থাকি তাহলে অনেক খুশি হয়েছি।

০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন: ওহ! ভাইয়া ফান করেছেন? এখন বুঝেছি। :)

৬০. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন: বাবুল বিস্কুট,পয়সা চকলেট,বাতাসা,হাওয়াই মিঠাই,বাটারবন,তেলে ভাজা গোল্লা,হটপেটিস আরও ।অনেক কিছু এখন মনে পরছে না।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: আপনার থেকেও কিছু নতুন নাম পাওয়া গেল। অনেক ধন্যবাদ। :)

৬১. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪
আহমেদ রাকিব বলেছেন: কেন যে এই পোষ্টে ঢুকলাম? ধুর ধুর। একটু জল হবে? জল দিয়া জল গিলতাম?
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন:

৬২. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩
তামিম ইরফান বলেছেন: আমি কাগজ খাইতাম:|
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০১

লেখক বলেছেন:
আমিও একবার পত্রিকার কাগজ খেয়ে দেখেছিলাম কেমন লাগে! :|

৬৩. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৮
আসাদুজ্জামান সোহাগ বলেছেন: Tell me, where all past years are….and find…what wind….serves to advance and honest mind……and swear …..No where ………….



দুঃখিত দিদি মন্তব্যটা ইংরেজীতে করার জন্য...

অনেকদিন পরে এলাম...।কেমন আছো????
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: ভালো । তুমি?

৬৪. ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪১
বড় বিলাই বলেছেন: তিলে খাজা বানায় বিশেষ পদ্ধতিতে চিনি জ্বাল দিয়ে। এখনও মাঝে মাঝে কিনে খাই।
০৪ ঠা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: :)

৬৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: তোরে মাইনাস :( :( :( /:) :|| :-< |-) :( :|

আমার এখনি খাইতে ইচ্ছা করতেছে সব কিছু :(
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: ভাইয়া ছবিটা পাল্টাইছেন কেন?

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন: যাক আজ সবার থেকে মাইনাস পাওয়ার মত কিছু লিখতে পারছি ;) মজা লাগতেছে :P

০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬

লেখক বলেছেন: :( :( :( :(

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: ;)

৬৭. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬
অপ্‌সরা বলেছেন: বাপরে!!!!!!!!!!!!!!!!!

এত সুন্দর লেখাটা দেখে বুঝলাম আমাদের বাবুনিমনি একজন বর্ণচোরা আম।
অনেক অনেক ভালো হয়েছে লেখাটা!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!


কতকিছু মনে পড়ে গেলো!!!!

কত ভুলে যাওয়া খাবারের নাম!!!!!!!!!!!!
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: :P তাই নাকি? আপু তুমি কোন নাম বললে না? নতুন কিছু? :)

৬৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৯
অপ্‌সরা বলেছেন:
মনে পড়ে যাওয়া পছনদের খাবারগুলো।

টিকটিকি না টিকটিকির ডিম:একটা ছোট প্লেইং কার্ড টাইপ বক্সে দুইটা পাখি , পাখির বাসায় বসে আছে।আর প্যাকেট টা টেনে খুললেই নেস্টের মধ্যে ফাকা হয়ে যেতো ডিম্বাকৃতি অংশটা সেখান দিয়েই বেরিয়ে আসতো ডিমগুলো।ছোট থেকেই আমি সবছবি মনোযোগ দিয়ে খুটিয়ে দেখতাম তাই পুরোটাই মনে আছে আমার।

টক ঝাল মিষ্টি আচারঃ এটা তো ট্রান্সপারেন্ট কাগজে মুড়ানো থাকতো। মেলায় পাওয়া যেত। কি যে প্রিয় ছিলো আমার। আর কখনও দেখিনি বড় হয়ে যাবার পরে।

আমসত্ত্বঃ দাদীর বানানো। এত মজার কখনও দোকানের গুলো হয়না।

বড়ই আচারঃআহ !!! আহ! কি মজা!!!!!!:):):)

চুইংগামঃএটাও খুবি প্রিয় ছিলো।মিমি চকলেট থেকেও বেশী।

বুট ভাজাঃবাইরের টা কখনও খাইনি তবে দাদী ভেজেছিলেন বাসায় একবার ।
সেই স্মৃতিটাই অমৃত হয়ে আছে।

সন পাপড়িঃ এমন আশ্চয্য মজার জিনিস তো আমার কাছে এক রহস্য ছিলো!!!!!!!!!!

আইসক্রিমঃ আহ আহ আ তে আইসক্রিম!!!


ক্রিম রুটিঃ আমার মা বেশ স্টাইলিশ ছিলেন। তিনি বলতেন ডিনারোল।

কাঁচা আমঃ জীবনে প্রথম কাঁটাকাঁটি রক্তারক্তির অভিগ্গতা!!!

বড়ইঃ ঝাল লবন মাখিয়ে!!!!!!

চানাচুর মাখাঃ আমাদের কলেজের মত জীবনে আড় খাইনি।

ঝাল মুড়িঃ এটাও আমাদের কলেজটাই ছিলো বেস্ট!!!


আমড়াঃ খুব একটা না একটু একটু পছন্দ ছিলো।

কামরাঙ্গাঃ এটা ছিলো বড়ই পছন্দের!!!

তেঁতুলঃ খুব বেশী না।

তিলের খাজা ও হাওয়াই মিঠাইঃ আরেক রহস্যময় মজার খাবার আমার চোখে।






০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৭

লেখক বলেছেন: আপু তোমার পছন্দ গুলো আজ জানতে পারলাম, ;) ;) :) :)

আর তোমার ছোট বেলার কথাও জানা গেল :)

টিকটিকির বক্সের ছবির কথা ভুলেই গিয়েছিলাম! মনে করিয়ে দিলে।
আর হ্যা ঐ আচারটা ট্রান্সপারেন্ট কাগজে মুড়ানো থাকতো :)
বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম। :)

৬৯. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১১
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: এইযে, আমাদের খাওয়ার লোক চৈলা আসছে....সে ইদানীং খাওয়া-দাওয়া ছাড়া কিছু বুঝে না...
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: কার কথা বলেন ভাইয়া?

৭০. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৫
অপ্‌সরা বলেছেন:
অপছন্দের খাবারগুলো


চালতার আচারঃ ভালো লাগেনি কোনোদিন।
ডাল ভাজাঃ এটাওনা
চিড়া ভাজাঃ একদমই না
বাদাম ভাজাঃ খুবই অবাক ব্যাপার আমি ছাড়া কারো অপছন্দ দেখিনি।
হজমিঃ একেবারেই না
টানা মিঠাইঃ এটা খুবি সুন্দর। দেখেছিলাম অনেকে খেতে। আমার মা কিছুতেই দেয়নি।আসলে খাবারের চাইতে শিল্পটাই পরিয় ছিলো আমার বেশী।
জামঃ ভালো লাগেনি।
তেঁতুল পাতাঃ এটাও টেস্ট করিনি।
আখঃ কি বিচ্ছিরি কষ্টকর খেতে।
কতবেলঃ টক জিনিস এ্যাভয়েড করতাম ফাঁটা গলা যেন আরো না ফেটে যায় একটু আধটু গান গাওয়াও যেন বন্ধ না হয় সেই ভয়েই আসলে।
টক ঝাল মিষ্টি চকলেটঃ এটা ভালো লাগেনি।
কটকটিঃছোটকালে মায়ের ভয়ে খাওয়া হয়নি। আর বড় হবার পর এই সেদিনও সুযোগ থাকা সত্বেও কেনো যেন খেতে পারিনি। এক গাদা মাছি দেখে।
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: আয় হায়! অপছন্দের খাবারো আছে! :P

আমার সবজি, শাক, বেশী কাটার মাছ, করল্লা ভাজি, এই সব অপছন্দের ছিল! :P

৭১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৬
অপ্‌সরা বলেছেন: ঐ শাওন কারে বলো????????????????


আসো তোমাকে মাইর খাওয়াই দেই !!!সাথে কান টানা ফ্রি!!! :P
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: :P খুব ভালো হবে।

৭২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৭
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: হ, হাছা কথা কৈলে তো হুযুরের মুখ খারাপ!!
আসো, দেখি কে কার কানটানা খায়...:P:P:P
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ইশ! আমি থাকতে পারবেন নাকি আপনি?

৭৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৩
ভুরিদত্ত বলেছেন: হ্যাম। সালামি। আইস্ক্রীম। কোল্ড ড্রিঙ্কস। চকলেট। আর ক্যান্ডি ফ্লস - এটা দারুণ লাগতো খেতে।

আমি আবার মাখন-জ্যাম দিয়ে পাঁউ খেতে পারিনা ছোটোবেলা থেকেই। ব্রেকফাস্টে হ্যাম স্যান্ডুইচ বাঁধাধরা আইটেম ছিল।
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: হুম নতুন কিছু নাম পাওয়া গেল! :)

৭৪. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৪
সোনালীডানা বলেছেন: আহা! টিকটিকির ডিমের কথা মনে করাই দিলেন।আচার,চকলেট......,,,.. এগুলা মাঝে মাঝে আমার নানা কিনে দিত চুপি চুপি।কারন বাসায় জানলেই আমাকে সাইজ করবে বাহিরের খাবার খাওয়ার জন্য।
আসলে ছোটবেলায় ভয়াবহ ধরাবাঁধা গন্ডির ভিতর ছিলাম।আমার শৈশবটাই চুরি হয়ে গেছে।সুপ্তি বাবুর কাহিনি পড়ে হিংসা লাগল। B:-/
তাই সুপ্তি বাবুকে কুটি কুটি মাইনাচ :P :P :P
০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: আয় হায়! আমি বাবু না তো! বাবুনি আমি।!

মাইনাচের জন্য কুটি কুটি ধন্যবাদ ;)

৭৫. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২
মুকুট বলেছেন: টিকটিকিট ডিম :( আহারে, একসময় না খেলে ভাতই হজম হত না :(
এরপর ছিলো খুরমা, মহাস্থানের কটকটি, শনপাপড়ি....আগে কি সুন্দর দিন ছিলো সব :(
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: হুম ভাইয়া :( :(

৭৬. ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৪
সোনালীডানা বলেছেন: যাহা বাবু তাহাই বাবুনি :P

খিক খিক :D



আচ্ছা আপনি তাহলে বুড়ো বাবু :`>

=p~ =p~ =p~




(জাস্ট কিডিং) ;)
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: :``>> :``>> :``>>

৭৭. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: খালি খাওয়া দাওয়া! তাই না? ;)

তবে পোস্টটা নস্টালজিক করলো.............
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: ;) আর কি আছে দুনিয়ায়? খাওয়া দাওয়ার জন্যইতো দুনিয়া! :P

৭৮. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৭
রথে চেপে এলাম বলেছেন: মনে পইড়া গেল :( আমিও টিকটিকির ডিম খাইতাম :)
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১০

লেখক বলেছেন: :) তাই নাকি! টিকটিকির ডিম দেখি সবাই খেয়েছে! আমার খুবই ভাল লাগছে।

৭৯. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৯
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: আমার তো সবকয়টা কমন পর্সে .... খিক খিক
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩০

লেখক বলেছেন: সব কয়টা!! আআআআআআ আমার সব খাবার নিয়া গেল!

৮০. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: চিপস, সিঙ্গাড়া , ক্রীমরোল, পেটিস বাদ পড়েছে .... :(
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: চিপসের কথা পরে লিখেছি।

৩৪ নং মন্তব্যের জবাবে।

সিঙ্গাড়া তেমন খেতাম না তাই বলিনি।

ক্রীমরোল এর কথা ভুলেই গিয়েছিলাম!

ক্রীমরোলঃ গোল আর একদম গাজরের মত ছিল। ভিতরে ক্রিম দেয়া। আমার তেমন ভালো লাগতো না।

পেটিসঃ এটা ভালো লাগতো কিন্তু একটু দাম বেশি ছিল তাই খুব একটা খাওয়া হতো না। আমি যেগুলোর কথা বলেছি সব গুলোই আমার অনেক অনেক প্রিয়।

৮১. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২
অ্যামাটার বলেছেন: পুরা নস্টালজিক!
অনেকগুলো কমন পরেছে।

বাদাম, ছোলা, আমড়া, আচার, আমসত্ত, ঝালমুড়ি, আইসক্রিম, চীনাবাদাম; সাথে যোগ করে দিই, ফুচকা(এটা অবশ্য মাঝেমধ্যে এখনও চলে;)), কৎবেল, ললিপপ, মিমি(আগে একধরণের আজিজের মিমি পাওয়া যেত, এখনও যায় কি-না, জানিনা), টফি, ভুট্টাভাজা,...আরও অনেক।
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: ফুচকা আমাদের এখানে তেমন পাওয়া যেত না ভাইয়া। ফুচকা ঈদের দিন মেলা থেকে খেতাম। এখনো খাই ;)

ললিপপঃ

ললিপপের কথা তো ভুলেই গিয়েছিলাম! আয় হায়! এত প্রিয় একটা খাবার ছিল এটা! লম্বা কাঠির মাথায় লাল সবুজ হলুদ গোল বলের মত, কোনটা চ্যাপ্টা, চকলেট ছিল। অনেক অনেক ভালো লাগতো আমার।

মিমিঃ

এই মিমিটা ৫ টাকা করে ছিল। যেদিন কাকা মাঝে মাঝে দোকান নিয়ে বলত কি খাবা? সেদিন ঐ মিমিটা কিনে দিতে বলতাম :P কাগজের প্যাকেটে বাদামের ছবি থাকত। তাই না ভাইয়া? এখন পাওয়া যায় না।

টফিঃ একটু তিতা তিতা মিষ্টি চকলেট। কফি দিয়ে বানানো হতো। এটাও খেয়েছি অনেক।

ভুট্টা ভাজাঃ এখন পর্যন্ত একবার খেয়েছি। ভালো লাগে না।


ভাইয়া আপনার থেকে ও অনেক নতুন নাম জানা গেল। ভুলে গিয়েছিলাম। পরে লিখে দিব লেখায়। :)

৮২. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩
সোমা. বলেছেন: এগুলো তো এখনো প্রিয়
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন: :) হুম এখনো প্রিয় কিন্তু তখন যে আনন্দ টা ছিল সেটা হারাতে চাই না তাই তেমন খাই না।

৮৩. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৪
ডিজিটাল কলম বলেছেন: আমি আবার ছুড হইতাম চাই.........


অফটপিক......আপনি কি CTET এর স্টুডেন্ট???????
০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: আমিতো এখনো ছোট! :``>> :``>> :`> :`>

না, আমি CTET এর স্টুডেন্ট না।

৮৪. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমড়া পাতা মিসিং!


তয় কটকটি আর মিস্টি বড়ইর আচাড়....আবার কবে খাইতে পারুম আল্লাহ মালুম!
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: আমড়া পাতা!!!!!!!!!!!!!!!!! আগে কখনো শুনি নাই!

৮৫. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৭
নিশ্চুপ নিরবতা বলেছেন: আমার রিসেন্ট ব্লগ পোস্ট টা দেখেন। হয়ত কাজে আসবে। :)
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: আচ্ছা দেখছি :)

৮৬. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৭
সোনালীডানা বলেছেন: বুইড়া বাবু শরম পাইছে :P :P :P
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: :P :P :P

৮৭. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: আঙ্গুলে ঢুকানো যায় চিপসের নাম বোম্বে রিং চিপস। দাম ছিল দুই টাকা।
মাঝখানে অনেক বছর প্রোডাকশন বন্ধ ছিল মনে হয়। এখন আবার পাওয়া যাচ্ছে পাঁচ টাকায়।
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: খুজতে হবে। পেলে ছবি দিব।

৮৮. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আহা পুরাই নস্টালজিক পোস্ট ভাইয়া ;)
৯৮% কমন পরলো...

পরশুদিন তোলা হাওয়াই মিঠাই এর ছবি :)

০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন: ওয়াও!!!!!!!!!!!! অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ! কতদিন পর যে দেখলাম! আমি কি ছবিটা পোষ্টে দিতে পারি? আমাকে সত্যি কাদিয়ে ফেললেন আপনি। অনেক অনেক খুশি আমি। এখনো পাওয়া যায় সেটাই ভাবিনি!

৮৯. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৬
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ১০০ বার দিতে পারেন ভাইয়া ;)
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু ভাইয়া।

০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। এত খাবার দেখে আপনার জ্ঞান যে এখনো আছে সেটাই আশ্চর্য ব্যাপার!

০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮

লেখক বলেছেন: :) ?

৯২. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০
ভাঙ্গন বলেছেন: এহনো ছুডু। তাই আরো বুড়া হলি ছুডুকালের কাহিনী লেখবাম!
:):):)
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৬

লেখক বলেছেন: খিক খিক খিক! ভালো বলেছেন। :)

৯৩. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২
অনাহূত বলেছেন: ছোটবেলায় 'নোসিলা' অনেক পছন্দ করতাম।
আর- আইসক্রিম....উফ! কিযে ভালো লাগে এখনো।

আচারও আমার পছন্দের।
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: :)

৯৪. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৭
পারভীন রহমান বলেছেন: সবই তো মিলে গেল .... পুরান দিনের কথা মনে করিয়ে দিলে..সেই সে আমার নানা রং

এর দিনগুলি............... শুধু টিকটিকির ডিম কে আমরা বলতাম ভূতের ডিম।
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: দারুন! আরেকটা নতুন নাম পাওয়া গেছে! ভুতের ডিম! :)

৯৫. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৬
রিমি (স. ম.) বলেছেন: দারুণ! সব মনে আছে আমারও। আরেকটা ছিল পাপড়। হলুদ আর গোলাপি। পাতলা কাগজের মত দেখতে। মুখে দিলেই নাই হয়ে যেত। একটা লোক আসতে আমাদের পাড়ায়। "পাপড় ভাজা খাইতে মজা জলদি আয় জলদি আয়" বলে হাঁক দিত সে।
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৬

লেখক বলেছেন: হ্যা আপু মনে পরেছে। আমি কি করে ভুলে গেলাম পাপড়ের কথা! অনেক ধন্যবাদ আপু মনে করিয়ে দেবার জন্য। :)

৯৬. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন: শনপাপড়ি এখনো ভালবাসি.....। জ্বর হলেই ( তখন কিছুই খেতে ভাল লাগে না) বাবা কে বলি শনপাপড়ি আর কটকটি আনতে
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: :)

১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

৯৮. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৮
মাহিন আহমেদ বলেছেন: ছোটবেলাগুলো একটু বেশিই আনন্দের ছিল... :((
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: :(( :(( :(( :((

৯৯. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭
চতুষ্কোণ বলেছেন: আরে এই পোষ্ট এতদিন আমার চক্ষে পড়ে নাই!! টক ঝাল মিষ্টি আচার আর বড়ই আচারের কথা কইয়া ত জিভে পানি আইনা দিলেন :P তারপরে আবার দিলেন ছবি X(
কইষা মাইনাচ দেওনের পোষ্ট।

তয় ব্যাপার না, বড়ই আচার খুঁজলে মনে হয় পামু B-)
আপু ভাল থাকবেন।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: চতুষ্কোণ দিয়া দেখেন যে তাই দেরি হইলো দেখতে! ;) :P

বরই আচার পাওয়া যায় । আরো অনেক গুলোই পাওয়া যায়। অনেক গুলো যায় না। আপনিও ভালো থাকবেন। :)

১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: ভাইয়া আপনি ১০০ করলেন :P :`>

১০১. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৩
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: সেই জন্যই হাসিটা দিছি :-B
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: B-) B-) :-B

১০২. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০২
কঁাকন বলেছেন: ভাইয়া ভালো আছেন?

আপনি কি অনশন ভেঙে ফেলেছেন ?
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: কিভাবে ভাঙ্গতে হয়?

১০৩. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১২
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: বুড়াকালেও এগুলো আমার প্রিয় খাবার।
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: ;) ;) :P

১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: ভাইয়া আপনার কি মন খারাপ? প্লিজ ভাইয়া মন খারাপ করবেন না।

১০৫. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
আহমেদ রাকিব বলেছেন: বাবুনি ভাইয়া আপনি কি খান? বাকি হাঙ্গার স্ট্রাইক এখনো চলে?
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: আমার হাঙ্গার স্ট্রাইক এর কথা কোন নিউজে আসছে নাকি! :|

সবাই জানলো কি করে! :| :|

১০৬. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
আহমেদ রাকিব বলেছেন: বাবুনি ভাইয়া আপনি কি খান? বাকি হাঙ্গার স্ট্রাইক এখনো চলে?
১০৭. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৬
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: চিরকালই খাদক, যাই খাই তাই ভালা লাগে :D

অ.ট. কয়েকদিন আগে তোমার ব্লগশেলফ পোস্টে একটা কমেন্ট দিলাম, তারপর সেটা তো আর খুঁজেই পেলাম না। কই গেলো গো? ড্রাফটায়া ফেললা নাকি? :|
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন: আপু লেখা শেষ হয়নি। আরো অনেক গুলো দিব বলে ড্রাফট করেছি। সব লেখা দিয়েই ব্লগে দিব। এত সময় লাগে কপি করে দিতে! এত এত পোষ্ট আমার ব্লগে জমা হয়ে আছে!

১০৮. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১১
ভুরিদত্ত বলেছেন: ছোটোবেলায় ইচ্ছে ছিল বড়ো হয়ে ক্যান্ডিফ্লস-সেলার হবো। :)

১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: ভিডিওটার জন্য অনেক ধন্যবাদ। :)

১০৯. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২১
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: আল্লাদী অপসরা পিচ্চিকে এটা দেয়া হোক

১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: ওয়াও! এর পর কি আর স্ট্রাইক করা যায়! :P

১১০. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৪
এন এইচ আর বলেছেন: ওরে আমরা দেখি প্রতিবেশী------------------------------



লিখে দেন একটা বুইড়া কালের লেখা পড়ি আর প্রতিবেশীর সমালোচনা( সামনে আলোর রচনা) করি
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৫

লেখক বলেছেন: তাইতো দেখতে পারছি! :)

১১১. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৬
হেমায়েতপুরী বলেছেন: সবা খাইতাম চাই... না দিলে খবর আছে।
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: এই যে ছবি দিয়ে দিয়েছি। এখান থেকে খেয়ে নেন। :P

১১২. ১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৭
বোকা ছেলে বলেছেন: টিকটিকি খাওয়া হয় নাই কখনো! :(
১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: :( অনেক কিছু মিস কইরা ফেললেন ভাইয়া।

১৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬

লেখক বলেছেন: আমার পরীক্ষা ভাইয়া তাই লেখা হচ্ছে না। :|

১১৪. ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৩
দীপান্বিতা বলেছেন: পরীক্ষা হয়ে গেলেই নতুন পোস্ট চাই! :)
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: অবশ্যই আপু । :)

১১৬. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৩
চাঙ্কু বলেছেন: কত খানারে !!!!! সবডি খাবার কুন দুকানে পামু ?? ;)
১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন: আমি দুকান দিমুনি ;) ঐখানেই পাইবেন! :P

১১৭. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৬
আমিই জিনিয়া বলেছেন: আপুনি কেমন আছ?অনেক দিন হল নতুন পোস্ট দাওনা।নতুন পোস্ট দাও,অপেক্ষায় আছি।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: :(

১১৮. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫
জেরী বলেছেন: পিচ্চিকালের কথা মনে পড়ে গেল:(
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২

লেখক বলেছেন: :(

১১৯. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৬
মে ঘ দূ ত বলেছেন: সুপ্তি আপুটার নতুন কোন পোষ্ট নেই যে!

আর কে এমন পচাঁ কথাটা বলেছে যে আপুটা লিখতে পারে না। যেই বলে থাকুক তার জন্য অনেক অনেক বকা গচ্চিত থাকলো।

শীঘ্রির নতুন লেখা চাই কিন্তু।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: ভাইয়া আসলে কেউ বলেনি। সবাই ভালো লিখি বলে কিন্তু মনে ভয় থাকে সব সময়।

১২০. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
মে ঘ দূ ত বলেছেন: দূর দূর কিসের ভয়। নতুন পোষ্ট লিখে ফেলো শীঘ্রির।
২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: :)

২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৬

লেখক বলেছেন: দিলাম :)

১২২. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৯
শাহারিয়ার আহমেদ বলেছেন: মেয়েটা দেখি খাওয়ার উপরই বেচে আছে। ;)

আমার বড় বেলার প্রিয় খাবার
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৭

লেখক বলেছেন: এটাতো খাবার না। এটাতো বিষ। আর আমি ছোট বেলার খাবারের কথা বলেছি।

১২৩. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৭
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: লুকিয়ে বাবুল বিস্কুট খেতাম। খেলেই পেট খারাপ হত :(
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: আয় হায়!

১২৪. ৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮
অমিত০৯৭ বলেছেন: পুরান কথা মনে পড়ে গেলো। বাটারবন , ক্রিমরোল, টিকটিকির ডিম ।
৩০ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: :)

১২৫. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১০
পোলাপান বলেছেন: আরে ভাই থামেন থামেন, করছেনটা কি? কিছুই তো বাদ রাখেন নাই...
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: :P খিক খিক। আপনার মনে কিছু থাকলে আপনিও জানাতে পারেন :)

১২৬. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১৮
ধ্রুব তারা বলেছেন: আইসক্রিম, চিপস, পেটিস বাদে কোনোটাই ছোটবেলায় খায়নি। বড়ই স্বাস্থ্যসচেতন ছিলাম! বড় হয়ে টিকটিকি বাদে মোটামুটি সবই ট্রাই করলাম। বুঝতে পেরেছি ছোট বেলায় কত কিছু মিস গ্যাছে।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫০

লেখক বলেছেন: :-* :-* :-* আয় হায়! কত কিছু মিস করলেন!

১২৭. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৬
ই য়া দ বলেছেন: চাঙ্কু বলেছেন: কত খানারে !!!!! সবডি খাবার কুন দুকানে পামু ?? ;)
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৬

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি দুকান দিমুনি ;) ঐখানেই পাইবেন! :P

১২৮. ০১ লা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:১৭
অদ্ভুত বলেছেন: আমারও টিকটিকির ডিমের কথা মনে পড়ল, এটার কথা ভুলেই গেসিলাম
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: :)

১২৯. ০১ লা মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২২
গুহামানব বলেছেন: করলেন কি ভাই, জিভে যে জল এসে গেলো
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: :P

১৩০. ০৬ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৩:০৩
কালীদাস বলেছেন: লেখাটা পড়ে মনটা উদাস হয়ে গেল B:-) B:-)
১৩ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন: আমিও :(


১৩১. ৩০ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫০
নিশম বলেছেন: টক খাবার বেশী প্রাধান্য পেয়েছে !!
৩০ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: তাই নাকি! :P আর এখন টক খেতেই পারি না :(

১৩২. ১২ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:০৬
মাহী ফ্লোরা বলেছেন: এখন তো আবার প্যাকেটের মধ্যে মিষ্টি তেতুল পাওয়া যায়।টকটার মত কি আর স্বাদ আছে... /:)

১২ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:১২

লেখক বলেছেন: :(

১৩৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৪৮
র হাসান বলেছেন: ভালো পোষ্ট! প্লাস++++++

Travel Bangladesh information
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩৪. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:০৩
স্বপ্ন ও সমুদ্র বলেছেন: জিভে জল আনা পোস্ট। আহারে সেই দিনগুলো। :(
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: :( আহারে সেই দিন গুলি

১৩৫. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:১২
স্বপ্ন ও সমুদ্র বলেছেন: আমি আমড়া পাতা খাইতাম লবণ দিয়া, আরো নাম না জানা দুই একটা গাছের পাতা খাইতাম ( তই টারজান ছিলাম না :P )
পেটিস খাইতে ভালা লাগত বেশি। কন্ডেন্সড মিল্ক খাইতাম এমনি এমনি। :)
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: কন্ডেন্স মিল্ক আমিও খেতাম :P এমনি এমনি

১৩৬. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১০:৫৬
sajzad_27 বলেছেন: গুড়ো দুধ খেতাম হাতের মুঠোয় করে।আম্মুর কাছে হেব্বি বকা খাইছি ঐ সময়.........।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন: :P পিচ্চিবেলায় বকুনি খেলেই স্মৃতিগুলো মনে থাকে। আমি ভাবি যদি আম্মুর বকুনি না খেতাম হয়ত মনেই থাকত না কি কি দুষ্টুমি গুলো করেছি :P

১৩৭. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১১ ভোর ৪:৩৭
ফটো পাগল বলেছেন: পিচ্চিবেলায় বকুনি খেলেই স্মৃতিগুলো মনে থাকে। আমি ভাবি যদি আম্মুর বকুনি না খেতাম হয়ত মনেই থাকত না কি কি দুষ্টুমি গুলো করেছি;) ;) ;) ;) ;)
১৩৮. ২২ শে মার্চ, ২০১১ দুপুর ২:০৪
তূর্য হাসান বলেছেন: পুরনো দিনের কথা মনে করে দিলেন। এখন আমার ছেলের সাথে ভাগাভাগি করে খাই করে খাই

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৭৫০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
দিশেহারা যে মোর মন
কিসে সার্থক এই জীবন
খুঁজে ফিরি কোথা নেব ঠাঁই।
চারিদিকে সবাই মোর
কেউ ভালো কেউ মন্দ ঘোর
আপন মান যেচে সেথা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ