অফিসে ইন করার পূর্বেই ঠিক করে রেখেছিলাম, যতই গুতো মারুক এক্কেবারে মুখে কুলুপ এটে থাকব। তা ছোট-খাট একটা ধৈর্যের পরীক্ষা হয়ে গেল বটে। এক রুমে আমরা চারজন বসি। আমি একা ব্রাজিলের সাপোর্টার আর অন্যরা আর্জেনটাইন। সিনিয়ার বস অব্স্য খুব একটা গেলেন না কিন্তু তাতে কি... পাশের রুম থেকে দু-এক জন তো ছক্কার মত উরে এসে পরল... বার-বার শুধু ভুভুজেলার কথাই মনে হতে লাগল। ভাবছিলাম ..ভাগ্যিস গতকাল বজি ধরিনাই... ধরলে আজ কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মত পকেট থেকে শ-পাচেক কাঁচা পয়সা ও খসে যেত... ওদিকে এখনো সেলারি হয়নাই.... সে যাই হোক... হাতি ঘোরা গেল তল মশা বলে কত জল... তা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা সবই তো এখন গন কেস। মেসি তো গোলই পেল না। হায়রে আজেন্টিনা... সেই নব্বই থেকে যে জার্মানির ফাদে আটকাইছে... এখনও চোখে ভাসতাছে সেই নব্বইর ফাইনাল। পেনাল্টি থেকে করা গোলে জার্মানির বিশ্বকাপ জয়ে রুডি ফোলার, লোথার মথিউসদের আনন্দ আর মেরাডোনার চোখের জলে বুক ভাসানো। আবার বলে কিনা "কালো ভদ্র লোক'। তো এই কালো ভদ্র লোকের কোন খেলা লাইভ দেখার সৌভাগ্য হয় নাই তবে ভিডিওর কল্যানে যেটুকু পাওয়া গেছে সেখানে তো তাকে কখনো নাকোর পানি-চোখের পানি এক করতে দেখি নাই। আজকোর জার্মান আর আর্জেন্টিনার খেলার যে স্টাটিস্টিক তা হলো
আর্জেন্টিনা জার্মান
২০ শট ১৮
৭ গোলে শট ৬
২০ ফাউল ১৪
৫ কর্নার ৪
২ হলুদ কার্ড ১
০ লাল কার্ড ০
০ গোল ৪
ফিফার পরিসংখ্যান অনুযায়ী জার্মানির চেয়ে আর্জেন্টিনা ছিল অনেক বেশি আক্রমনাত্বক.. কিন্তু এই আক্রমনের মধ্যে ফুটবলশৈলি ছিল না যেটা ছিল জার্মানদের পায়ে আর তাই তারা ৬টা শট থেকে ৪বার ই গোল পেয়েছে। পুরো-পুরি ধ্বসিয়ে দিয়েছে মেরাডোনা বাহিনিকে। একটা গোলও পরিশোধ করতে পারলোনা। কোথায় গেল মেসির জাদু-টোনা... হিগুয়েনের গোল্ডেন বুট আর তেভেজের র্দুদান্ত আক্রমন... নাম-গন্ধ-নিশানা সহ মুছেগেছে সব....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




