দীঘির পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিল ফাগুন
একলা সে আগুন-বালিকা
আমি তাকে ডাক দিলাম, আয়-
অমনি সে ঘাড় কাত করল
আর দিগন্ত মেলে ধরল একখানি ধবল খাতা
আমি তাকে বললাম, ও আগুনের ঢেউ, নদীতে যাবি?
আর অমনি নদী হয়ে গেল টলমলে কলম
লিখল পলল-কবিতা
আমি কবিতা থেকে পকেট ভরতি পলল কুড়োলাম
ও কোঞ্চা ভরতি করে কুড়োল রাজ্যের শিহরণ...
তারপর দুজন মিলে ছড়িয়ে গেলাম, হারিয়ে গেলাম
মাঠের ভেতর, আলের ভেতর
মাত্রাবৃত্ত
ছড়িয়ে দিলাম
মন্দাক্রান্তা বায়ুর ভেতর উড়ছে তুলো, উড়ছে পাতা
ভুল-করোটি, হৃদয়জুড়ে ঋতুবীণা
এলোমেলো
বাজিয়ে দিলাম
আগুন ভেজা বালিকা বলল, কবি, আকাশ হবি?
আর আমি পুরোনো খাতা খুলে পুরোটা অতীত
মেলে ধরলাম তার চোখে
তীর্যক দৌড়
কৃষ্ণ-গহ্বরের মত ভাবাবেগ
খরাতপ্ত বিরান যৌবন
ঋতুবর্তন আর নক্ষত্রের অসুখ ভরা অসহ্য আকাশ
উল্লোল সে মেয়ে বুকের ভেতর লুকিয়ে নিল এক নিমেষে
আমি তাকে ভালোবেসে আকাশসমেত
দীঘির পাড়ে রেখে এলাম...
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




