আত্মঘাতি নদীর জন্মদিনে
দু’আঙুলের ফাঁকে হিমবাহ।
শাঁখের করাতে কেটে যায় অনির্বাচিত দিনের খিলান
মেরু-বরফের গলনাংকে
আত্মাহুতি দিল যে নদী, তার একটা অপ্রকাশিত কবিতা
অনেকদিন ধরে ছাপা হল এখানে সেখানে
হা্ইরাইজগুলো এখন রিস্কি; চাঁদ ও খাদের
অসমীকরণে দক্ষিণের ব্যালকনিগুলো
বিপজ্জনকভাবে ক্রমনতিশীল।
নববধুরা আজকাল পোস্টমডার্ন সাহিত্য খাচ্ছে
আর চাঁদ দেখতে দেখতে লাফ দিচ্ছে চকলেট ভরা খাদে
বাজার ভরা কবি ও হকার। মহিষের সাথে সঙ্গমমত্ত হরিণী
চর্যারণ্যে ঢুকে গেলে সুপার মার্কেটে জমে উঠছে ডিসকোর্স-
বিজ্ঞান ও ধর্মতত্ত্ব। মাল্টিভার্সের ভেলকি, স্বর্গের অনবস্থিতির ঝুঁকি,
জেনে-মিউটেশন
ধ্যাত্তেরিকা! ফের টেবিল ঘিরে সেই আদিম সাবানের ফেনা
বিশ্বাসের রুদ্ধশ্বাস বুদ্বুদ!
ফিকে আলোয় অলৌকিক রাজহাঁস পুনঃপুন ডানা ঝাড়ে আর তীক্ষ্ণ হয়ে ওঠে চাঁদ। মাঝরাতে শাওয়ার ছেড়ে দিলে ফিনকি দিয়ে নেমে আসে নোনা আগুন; উহাকেই স্নিগ্ধ অন্ধকার ভেবে স্নান করে অসূর্যম্পশ্যা।
গাড়িবারান্দায় গড়িয়ে যাচ্ছে বিস্মরণের রক্ত-কালিন্দী,
পাশে পড়ে আছে আত্মঘাতি নদীর অপ্রকাশিত ম্যানুস্ক্রিপ্ট
আরে দ্যাখ দ্যাখ, দু’আঙুলের ফাঁকে কেমন গলে যাচ্ছে হিমবাহ...
বাসনা কিংবা মৃত বন্দরের কবিতা
ড্রেসিং টেবিলের আয়নায় ফুঁসে ওঠা রোমশ সমুদ্র:
একটা ক্ষুধার্ত হাঙ্গর, কয়েক পাটি জলে ভেজা শাদা দাঁত;
প্রতিবিম্বিত রক্তের ওঙ্কার- সে ভারী নিটোল চিত্রকলা, অসমাপ্ত।
তাই দুপুরের হাওয়ায় পর্দা কাঁপলে
বার বার ভেঙে পড়ে আনুগত্যের অন্তরপ্রাসাদ...
তখনও অভীষ্ট নাবিক ভেসে বেড়ায় সহাসমুদ্রে। সূর্যকণা খেয়ে বাঁচে।
নোনা বাতাসে শাণিত হতে থাকে ভয়াল মাংসের ছুরি;
মন-খনিতে নড়ে উঠলে আকরিক-আগুন
ভাবে সে, বিকেলের শান্ত-নীল-উপকূল কতদূর?
কতদূরে রাত্রির সম্পূর্ণ সমর্পণ?
হাঙ্গরের দাঁতে গোলাপের তাজা রক্ত। ভুল সমর্পণের বিষে নীল-
নীলাভ আয়নার ভেতর জমে ওঠে শিল্পিত বর্জ্য; কত যে ক্ষয়!
দূরাগত মেরিন-হাওয়ায় অবিশ্বাসী অর্কিডগুলো ক্রমাগত ফিকে হয়।
পরিশেষে,
আয়নার বাইরে নোঙর করার মত কোন বন্দর মূলত থাকে না বেঁচে;
নাকি কোন কালেই ছিল না কোন বন্দর?
আলোচিত ব্লগ
পাখি মন

রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন
শৃঙ্খল মুক্তি আমার
শৃঙ্খল মুক্তি আমার

ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন
=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন
রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।