বাণিজ্যিক বিমানগুলোকে অন্য দেশের এয়ার-স্পেস ব্যবহারের কারণে একটা নির্দিষ্ট হারে ফি গুনতে হয়। জলপথ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও একই আইন অনুসরণ করতে হয়। সাধারণত স্থলভাগের আকাশপথে প্রতি ১০০ নটিক্যাল মাইলের জন্য ২৩৬০ টাকা আর জলভাগের আকাশপথের পথের জন্য প্রতি ১০০ নটিক্যাল মাইলের জন্য ১১১৬ টাকা। বাণিজ্যিক ওভার-ফ্লাইটের জন্য এ ফি দিতেই হয়। হিউম্যানটারিয়ান কাজে ব্যবহৃত বিমানগুলোও এ মাশুল থেকে মুক্ত নয়। বিমানটি জাতিসংঘের হলেও। এমনকি সংশ্লিষ্ট দেশটি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের সদস্য হওয়ার পরও। শুধু কি তাই, বিশ্বের যেসব দেশ শান্তিরক্ষা মিশনের সদস্য, সেই সব দেশের সঙ্গে জাতিসংঘের 'স্ট্যাটাস অব ফোর্সেস এগ্রিমেন্ট' ও 'স্ট্যাটাস অব মিশন এগ্রিমেন্ট' থাকে। এ দুটি চুক্তির আওতায় জাতিসংঘ শান্তি মিশনের কাজে ব্যবহৃত পণ্য সরকরাহে কোনো ফি দেয়ার বিধান না থাকলেও বাস্তবে তা কোনো দেশই মানে না। এমনকি ১৯৪৭ সালের 'প্রিভিলিজ অ্যান্ড অ্যাক্ট' অনুযায়ী সদস্য দেশগুলো জাতিসংঘের কোনো কাজে কোনো ট্যাক্স ধার্য না করার বিধান সুষ্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকলেও এটা কোনো দেশই বাণিজ্যিক কারণে মানে না।
কিন্তু আমাদের বিজ্ঞ অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশকে শুধু 'ট্রানজিট কান্ট্রি' ঘোষণা দেননি। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ভারত থেকে ট্রানজিট ফি নেয়া হবে না। পৃথিবীতে এমন কোনো দেশ নেই, যে দেশটি ট্রানজিট ফি নেয় না। বাংলাদেশকে কেন ভারতের ব্যাপারে উদার হতে হবে, তা যদি অর্থমন্ত্রী ব্যাখ্যা করতেন, তাহলে দেশবাসী উপকৃত হতো।
আচ্ছা ভারত যদি পাল্টা যুক্তি তুলে ধরে বলে, 'যেহেতু ভারতীয় পণ্য ভারত থেকে অন্য কোনো দেশে যাচ্ছে না, ভারতের একটি অংশেই যাচ্ছে বাংলাদেশের উপর দিয়ে'--তাহলে ট্রানজিট ফি'র কথা কেন উঠবে? তাহলে অর্থমন্ত্রী কি জবাব দেবেন?
তিনি কি ট্রানজিটের পাসপোর্টে ভারতকে করিডর দিলেন? করিডরেরও একটা ফি থাকে। ভারতকে কি তাও মাফ করে দেয়া হবে? আঙ্গুরপোতা-দহগ্রামের তিন বিঘা করিডর সমস্যার যে দেশটি ৩৭ বছর ধরে অত্যন্ত অমানবিক কায়দায় ঝুলিয়ে রেখেছে নিজেদের করিডর বাংলাদেশ থেকে বুঝে পাওয়ার পরও, তাদেরকে বিনা শুল্কে ট্রানজিট সুবিধা দেয়ার মাঝে আওয়ামীলীগের আদৌ দেশপ্রেম আছে কিনা, তা ভাবার সময় এসে গেছে।
ট্রানশিপমেন্ট, ট্রানজিট, করিডর আর কানেক্টিভিটি তত্ত্বের ধোঁয়া তুলে ভারত বর্তমান সরকারের কাছ থেকে ট্রানজিটের ব্যানারে করিডর সুবিধা আদায় করে নিতে পেরেছে। এ ট্রানজিট সুবিধা অবাধ কিনা, তা দেশবাসী মোটেও জানে না। এটা অবাধ হলে দেশের অর্থনীতি কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা কি অর্থমন্ত্রী ভেবে দেখেছেন? দেশের স্বার্থ বাদ দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ যদি এ চুক্তি করে থাকে, তাহলে এটার বিষফল আওয়ামী লীগকেই ভোগ করতে হবে। কারণ দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দেয়ার অথধকার জনগণ আওয়ামী লীগকে কখনই দেয়নি।
আলোচিত ব্লগ
বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন
অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন
বিএনপির আবালীপনা।


আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।