

জাতীয় পতাকার রূপকার কেমন আছেন
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২৯
শিবনারায়ণ দাশের চোখের ভাষার সহজ-সরল অনুবাদ কেউ করে দেবেন? না, থাক! ওটা যে চোখের লোনা জলে ভেজা!
কিন্তু না পাওয়ার বেদনাকে নির্মোহ ব্যক্তিত্ব দিয়ে ঢেকে দেয়ার কায়দাটা ভালোই রপ্ত করেছেন এ নিভৃতচারী। কথাটি পাড়তেই সাবলীলভাবেই বললেন, ‘থাক ওসব কথা। জাতির কাছে আমার চাওয়ার কিছুই নেই। জাতি তার নিজের প্রয়োজনে অনেক কিছু...
- ২৪টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৩৬১বার পঠিত
শব্দের পোস্টমর্টেম - ৯৮
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৭
বঙ্গীয় শব্দকোষে 'প্রকট' শব্দের অর্থে বলা হয়েছে প্রজ্ঞাতভাবে গোচর, স্পষ্ট, প্রকাশ ('নিশানাথ সমীপে প্রকট দিনমণি' --- বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। খেয়াল করুন, বঙ্কিচন্দ্র নিশিনাথ না লিখে নিশানাথ লিখেছেন এবং এটাই ব্যাকরণ সম্মত। নিশিনাথ চলতি তবে ব্যাকরণসম্মত নয়), নয়নগোচর, দৃষ্ট, আবির্ভূত, প্রপঞ্চ গোচর, জগতের দৃষ্টি বিষয়ীভূত (লঘু ভাগবতমৃতে বলা হয়েছে, 'প্রকট অপ্রকট...
- ২৫টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৪৪৮বার পঠিত
শব্দের পোস্টমর্টেম - ৯৭
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২২
বহুব্রীহি সমাসের সূত্র মতে, 'অন্তঃসত্ত্ব' যার তিনিই অন্তঃসত্ত্ব। সোজা কথায় যার মধ্যে বল আছে তিনিই অন্তঃসত্ত্ব। কিন্তু অন্তঃসত্ত্বা মানে যে স্ত্রীর গর্ভে ভ্রুণ আছে। তিনি সসত্ত্বা বা গর্ভিনী নামেও পরিচিত।
বাংলা ভাষায় অন্তঃসত্ত্বার প্রতিশব্দ হিসেবে 'সন্তানসম্ভবা' শব্দটি বেশ চালু হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন 'সন্তানসম্ভাবনা' থেকেই ব্যাকরণহীন কায়দায় সন্তানসম্ভবা শব্দটি চালু...
- ২৯টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৩৪৭বার পঠিত
শব্দের পোস্টমর্টেম - ৯৬
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৮
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দের অর্থাবনতি ঘটেছে তাদের মধ্যে প্রাদুর্ভাব অন্যতম। অভিধানে প্রাদুর্ভাব শব্দের অর্থে বলা হয়েছে প্রকাশতা, প্রাকট্য, আবির্ভাব, প্রবল প্রবৃত্তি ('সেকালে পারসী পড়ার প্রাদুর্ভাব ছিল' -- বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়), সমধিক প্রচলন, বিশেষ প্রচার ('ইংলেন্ডীয় ভাষার যেরূপ প্রাদুর্ভাব তাহাতে স্বদেশীয় ভাষাপ্রতি বীতরাগ বোধ হইতেছে' -- বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)। আর বিশেষণ...
- ২৪টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৭১বার পঠিত
শব্দের পোস্টমর্টেম - ৯৫
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১২
বাংলায় 'ধন্য' মানে কৃতার্থ, ভাগ্যবান, প্রশংসনীয়, সাধুবাদ ইত্যাদি।
সংস্কৃত থেকে আগত এ শব্দটির মূল অর্থ ধনযুক্ত বা ধনশালী। সোজা কথায়, যার প্রচুর ধন আছে, তিনিই ধন্য। বাংলায় এসে শব্দটির অর্থেরও সম্প্রসারণ ঘটেছে। বলা যায়, শব্দটি সংস্কৃত থেকে বাংলায় ঢুকে আরো ধন্য হয়েছে।
খনার বচনে আছে : 'ধন্য রাজার পুণ্য দেশ, যদি...
- ৫১টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৪০৬বার পঠিত
শব্দের পোস্টমর্টেম - ৯৪
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৫
সংস্কৃত তুম্ব থেকে বাংলায় তুবড়ি শব্দটি এসেছে। তুম্ব মানে লাউ।
বাংলায় তুবড়ি মানে অনর্গল কথার তোড়। অবশ্য মুখে খই ফোটে আর বক্তৃতায় তুবড়ি ফোটে। তুবড়ি যখন ফোটে, তখন এটা নিশ্চয় বস্তু। আসলে তুবড়ি হলো বিগ সাইজ পিঁয়াজের মতো একটি আতশবাজি। তুবড়ির মুখে আগুন লাগালে চারদিকে ফোয়ারার মতো স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে পড়ে। তুবড়ির...
- ১৫টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২১৯বার পঠিত
শব্দের পোস্টমর্টেম - ৯৩
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০১
পারিভাষিক শব্দ তৃণমূল বাংলায় ঢুকেছে ইংরেজি grassroots থেকে। বর্তমানে তৃণমূল শব্দটি দিয়ে অরাজনৈতিক সামাজিক স্তর বোঝালেও এক সময় গ্রাসরুটসের অর্থ তা ছিল না।
কথাটির উদ্ভব আমেরিকায়। এটা ছিল খনি বিদ্যার টার্ম। মাটির প্রথম স্তরকে বলা হতো গ্রাসরুটস স্তর। এখান থেকে শব্দটি ঢোকে আমেরিকার রাজনীতিতে। তখন...
- ২৬টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৪৩বার পঠিত
শব্দের পোস্টমর্টেম - ৯২
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৫
সংস্কৃত থেকে থেকে বাংলায় ঢোকার পর দিগগজ শব্দের অর্থ এখন পাল্টে গেছে। দিগগজরা হলেন সত্যিকারের মহাপন্ডিত। কিন্তু বাংলায় তারা মহামূর্খ বা হস্তিমুখ।
আভিধানিক দিক থেকে দিগগজ শব্দের অর্থ অষ্টদিক ও কোণ রক্ষাকারী হস্তিগণ। এই অষ্টদিক ও কোণ হচ্ছে : পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ, নৈর্ঋত, ঈশান, অগ্নি ও বায়ু। আর হস্তিগণ...
- ২৮টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৬২বার পঠিত
শব্দের পোস্টমর্টেম - ৯১
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৫
বাংলায় তালকানার সঙ্গে গাছের তালের কোনো সম্পর্ক নেই। তালের রস খেয়ে কেউ বেতালা হলেও তাকে 'তালকানা' বলা হয় না। বাংলায় তালকানা মানে কান্ডজ্ঞানহীন, অসাবধান ও বিষয়জ্ঞানশূন্য।(ক্লোজআপহাসি)
গাছের তাল থেকে নয়, সঙ্গীতের তাল থেকেই তালকানা শব্দটির উৎপত্তি।
গানে, বাজনায় বা নাচে স্থানে স্থানে ঝোঁক পড়ে, ঝোঁকগুলোকে শৃংখলভাবে সাজিয়ে নিলে তাল সৃষ্টি...
- ২৫টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২৫১বার পঠিত
শব্দের পোস্টমর্টেম - ৯০
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০১
তার তিন কুলে আর কেউ রইলো না। অর্থাৎ লোকটি আশ্রয়হীন হয়ে পড়লো। ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো তিনটি কুল না বংশে কোনো জীবিত আত্মীয় না থাকা। এ তিনটি কুল হলো পিতৃকুল, মাতৃকুল ও শ্বশুরকুল।
সংস্কৃত ত্রি থেকে বাংলায় তিন হয়েছে। অবশ্য প্রাচীন বাংলায় তিনকে তিন্নি লেখা হতো। এখন তিন্নি মানে তিন বোঝায়...
- ১৯টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ২২৩বার পঠিত




