বাংলায় (ব্যঙ্গে) উত্তমরূপে পেটানোর জন্য লাঠি বা জুতো অর্থে রামকান্ত শব্দটি ব্যবহৃত হয় (তাকে রামকান্ত দিয়ে পেটানো হল)।
বাংলা একাডেমীর ব্যবহারিক বাংলা অভিধানে শব্দটির মূল অজ্ঞাত দাবি করা হয়েছে। হরিচরণ তাঁর অভিধানে সন্দেহের সাথেই লিখেছেন, ‘জুতার পাটির মত দীর্ঘ পুরু চামড়ার পাটি’।
অথচ দীনবন্ধু মিত্র তাঁর ‘নীলদর্পণ’ নাটকে রামকান্ত শব্দটি বেশ সাবলীল ভাবে ব্যবহার করেছেন (একজন মানুষকে মারিতে দুঃখ হইত, এখন দশজন মেয়ে মানুষকে নির্দ্দম করিয়া রামকান্ত পেটা করিতে পারি; চপরাও, শুয়ার কি বাচ্চা! রামকান্ত বড় মিষ্টি আছে - নীলদর্পণ)। বোঝা যাচ্ছে তিনি চাবুক অর্থে রামকান্ত শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
হরিচরণ তাঁর অখিধানে লিখেছেন, ‘বোধহয় ইহার নির্মাতার নামে নামকরণ’।
তবে এটা ধারণা করা যায়, ইংরেজ আমলেই এ বাংলা স্ল্যাং শব্দটি সৃষ্টি হয়েছিল। আর অপশব্দ হবার কারণেই এটার মূল সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া বেশ কঠিন।
জ্ঞানেন্দমোহন তাঁর ‘বাঙ্গালা ভাষার অভিধান’-এ রামকান্ত শব্দের অর্থে লগুড়, হুড়ো, কোঁৎকা নির্দেশ করেছেন। তিনি শব্দটির ব্যাখ্যা দিয়ে লিখেছেন, ‘রামের মত পতি বাঞ্ছনীয় কিন্তু সীতা রামের হাতে পড়ে অনেক লাঞ্ছনাই সহ্য করেছিলেন। তা হতে বিদ্রুপার্থে বা বিপরীতার্থে’।
রামকান্ত শব্দের স্বাভাভিক অর্থ ধরে এগিয়ে গেলে এ জাতীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া সহজ।
বাংলা একাডেমীর অভিধানে রামকান্তের সাথে শ্যামচাঁদের তুলনা করা হয়েছে। শ্যামচাঁদ মানে শ্রীকৃষ্ণ। কিন্তু কৌতুকে শ্যামচাঁদ মানে ‘নীলকর সাহেবদের প্রজা পীড়নের চাবুক’।
আলোচিত ব্লগ
রাজনীতি নাকি ক্ষমতানীতি

রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।
কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন
আজকের ডায়েরী- ১৯৮

আজ বৃহঃস্পতিবার, ২রা আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
ইংরেজি ১৭ই সেপ্টেম্বর। গত কয়েকদিন বেশ কয়েকজন ব্লগার সামুর ভালো মন্দ নিয়ে লিখেছেন। তাদের মুল বক্তব্য হলো- সামু গেলো। সামু শেষ। তারা সামুর... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন
শরাব পিনে দে.....

মির্জা গালিব সম্পর্কে একটি গল্প চালু আছে। একদিন তিনি মসজিদে বসে মদ্যপান করছিলেন। তখন মুসল্লিরা তাকে বাধা দিয়ে বললেন "মসজিদ আল্লাহর ঘর, মদ্যপানের জায়গা নয়।" তখন মির্জা গালিব তাঁর বিখ্যাত... ...বাকিটুকু পড়ুন
বালছাল মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী!
প্রথম পাতায় ব্যান ব্লগারের একটি পোস্টে ব্লগার রাজীব নূর মন্তব্য করে বলেছেন - “ওদের কে ‘বালছাল’ লিখতে দেন। বিনোদন নষ্ট করবেন না।”
বাহ! কী চমৎকার গণতান্ত্রিক দর্শন! এতদিন জানতাম দেশে তথ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।