ট্রানজিট : আর্থিক বেনিফিটের গ্যারান্টি নেই-১
উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে (এনইআর) বাংলাদেশের জলপথ, রেলপথ, সড়কপথ ও সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করার মাধ্যমে ভারত যে পরিমাণ আর্থিক বেনিফিট পেতে যাচ্ছে, তার কত শতাংশ বাংলাদেশকে দেবে, ওটাই হতে পারতো বাংলাদেশের দর কষাকষির মূল এজেন্ডা। কিন্তু মহাজোট সরকারের আমলে এটা হয়নি। বরং ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, 'ট্রানজিট ফি দেবো না'। যদিও অর্থমন্ত্রী শেষ পর্যন্ত বলেছেন, ট্রানজি ফি নেবো। কিন্তু তিনি জাতিকে এটা জানাকে পারেননি, ভারত ফি দিতে রাজি হয়েছে কিনা।
অথচ আইনগতভাবে বাংলাদেশ শুধু ট্রানজিট ফি-ই নয়, রেল, সড়ক, নৌপথ এবং সমুদ্র বন্দরের পরিচালন ব্যয় ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, পরিবেশের ক্ষতিজনিত ফি দাবি করতে পারে। লেভিও চার্জ করতে পারে। কিন্তু গোপণ চুক্তির প্রকাশিত ছিটেফোঁটা থেকে বোঝা যাচ্ছে, ভরত এসব অবকাঠামোসহ নতুন করে তৈরি যাবতীয় অবকাঠামো ব্যবহার করবে। কিন্তু সুদ গুণবে বাংলাদেশের নিরীহ জনগণ। ২০ বছর ঋণের সুদ গোনার পরও যদি টাকা বাকি থাকে, তাহলে জরিমানা হিসেবে প্রদত্ত ঋণের দ্বিগুণ টাকা ভারতকে পরিশোধ করতে হবে। কত বছরে পরিশোধ করতে হবে, তা জানা যায়নি।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে ২৫ বছরের যে মৈত্রী চুক্তি (নাকি গোলামি চুক্তি) করেছিল, সেই চুক্তি মেয়াদ শেষে নবায়ন করা হবে নাকি হবে না, সেটার একক ক্ষমতা ছিল ভারতের হাতে। যাক, মেয়াদ শেষে ভারত এ চুক্তি নবায়ন করেনি।
আসাম, মিজোরাম, নাগাল্যঅন্ড, মণিপুর, অরুণাচল,মেঘালয়ও ত্রিপুরা হচ্ছে সেভেন সিস্টার্স বা সাত বোন। এ সাত বোনের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত দেড় হাজার কিলোমিটারের বেশি। অন্যদিকে শিলিগুঁড়ি করিডরের মাধ্যমে সাত বোনের সীমান্ত মাত্র এক শতাংশ। আবার ভারতের মোট আয়তনের ৮ শতাংশ হচ্ছে এই সাত বোন। ভারতের মোট জনসংখ্যার মাত্র ৪ শতাংশ এখানে বাস করে। এখানকার অর্থনীতি স্থবির এবং গত ২৫ বছর ধরে এখানকার জাতীয় প্রবৃদ্ধি নিম্নমুখী।
'স্পেশাল ক্যাটাগরি স্টেটস' এর আওতায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এখানকার যাবতীয় উন্নয়নের ৯০ শতাংশ মঞ্জুরি ও বাকি ১০ শতাংশ ঋণের মাধ্যমে করে থাকে। এখানে কৃষি উদ্বৃত্ত নেই। তবে এলঅকাটি শুধু জীববৈচিত্রের আধারই নয়। এখানে রয়েছে হাইড্রো-পটেনশিয়াল, তেল, গ্যাস, কয়লা ও বনজসম্পদ। আগরতলা থেকে কলকাতায় ১৫ টনের একটি পণ্যবাহী ট্রাকের ভাড়া ৫০ থেকে ৬০ হাজার রুপি। ট্রানজিট পেলে তা মাত্র ২ থেকে ৩ হাজার রুপিতে নেমে আসবে। রেল ট্রানশিপমেন্টের মাধ্যমে পণ্য পাঠানো হলে খরচ আরও কম হবে। কিন্তু টট্রানশিপমেন্ট চুক্তি ভারত মোটেও চাইছে না। কারণ ট্রানশিপমেন্ট চুক্তি হলে ভারতের সীমান্ত স্টেশন থেকে পণ্য বাংলাদেশী ট্রাকের মাধ্যমে ভারতের অন্য সীমান্ত এলাকায় যাবে। এতে বাংলাদেশ যদি কিছু টাকা পেয়ে ধনী হয়ে যায়, তাহলে দাদাদের তা সইবে কেন? তাছাড়া সমরাস্ত্র তো তখন পাঠানো মোটেও নিরাপদ হবে না।
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।