পূনর্বার জন্ম নেবার পর
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:১৩
পূনর্বার জন্ম নেবার পর,আমার শীতল শরীর ক্রমশঃ উষ্ণ হয়ে ওঠে
আঁধারে ঢেকে যাওয়া সমস্ত আলোকধারা প্রকাশিত হয়ে জানান দেয়,
সুতীব্র চিৎকারে সমস্ত মানুষকে পৃথিবীর - অবিশ্বাস্য আগুন জ্বেলে কারা কবে
এঁকে দিয়েছিল বৃক্ষের ছায়া।
কবে কার বিবর্ণ পাতা দুঃস্বপ্নের হাত ধরে এঁকেছিলো অকারণ বিষন্ন প্রহর
আর জীবনের মাযা।
নিবিঢ় আঁধার জুড়ে পিতার রক্তস্রোতে
ছিলো কিনা দীর্ঘ ক্রন্দন,
কবে কার পৃথিবীতে ঘুনপোকা কবে কেটেছিলো নির্মম দহন!
সুতীব্র আকাঙ্খা বুকে আলোর প্রতীক্ষায়
কারা তবে বলেছিলো-
প্রানীরা বেঁচে থাকে, থাকে বাঁচার তাগিদে
মানুষ বাঁচে, নির্মানে উন্মুখ জীবনের বোধে।
২. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:২০
অতিথি বলেছেন:
ভাল কবিতা, ভাল লাগলো।
অতিথি বলেছেন:
ভাল কবিতা, ভাল লাগলো।
৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:২৭
যীশূ বলেছেন:
পূনর্বার জন্মানোর পর জন্ম আবার। বাধে প্রান পূর্বসূরীর প্রানে, ঘষে মেজে বিনির্মাণ আর সংস্কারের টানে।
যীশূ বলেছেন:
পূনর্বার জন্মানোর পর জন্ম আবার। বাধে প্রান পূর্বসূরীর প্রানে, ঘষে মেজে বিনির্মাণ আর সংস্কারের টানে।



















কবি ছাড়া আর কেউই বোধ হয় একালে আর এমনটি ভাবেনা। বন্ধু, তুমি কেমন বিষন্নতার কবি হয়ে যাচ্ছ!