গাজায় ইসরাইলি সহিংসতায় এ পর্যন্ত নিহত হয়েছে প্রায় ৮ শতাধিক নারী পুরুষ। বিশ্বব্যাপী গাজা ইস্যু ব্যাপকভাবে আলোচিত সমালোচিত হচ্ছে। অযৌক্তিক ও হঠকারিতামূলক হামলার কারণে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে সন্ত্রাসী রাষ্ট্রটির বিরুদ্ধে। অবৈধভাবে জবর দখলকারী এই ইহুদি রাষ্ট্রটির তাণ্ডবের বিরুদ্ধে গোটা পৃথিবীর মানবতাবোধসম্পন্ন নারী-পুরুষ আজ একতাবদ্ধ।
সচেতন নাগরিক মাত্রই জানেন যে, অবৈধ এই রাষ্ট্রটিকে বাংলাদেশ স্বীকৃতি দেয় নি। দেশটির সাথে কোনো প্রকার কূটনৈতিক সম্পর্কও নেই আমাদের দেশের।
তবে, ছবির এই নারী এবং এই লোগোধারী টিভি চ্যানেলটি আমাদের দেশে ইসরাইলের পরম হিতাকাঙ্ক্ষী। উল্লিখিত টেলিভিশনে এই মহিয়সী (!) নারী ইসরাইলের পক্ষে টকশো প্রচার করেন এবং সন্ত্রাসী এই রাষ্ট্রটিকে স্বীকৃতি দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। মজার ব্যাপার হলো, সেই টকশোতে তিনি নামসর্বস্ব কোনো হুজুরকে নিয়ে এসে তার বক্তব্যের পক্ষে জবানবন্দিও গ্রহণ করেন।
পেশায় তিনি একজন বড় মাপের উকিল। ঠিক তার পিতার মতো। বলতে পারেন বাপকা বেটি! তার পিতা বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন স্বনামধন্য প্রভাবশালী আইনজীবী। কোর্টে তার এত প্রভাব যে, তার নেতৃত্বে সুপ্রিমকোর্টের এজলাস ভাঙচুর করা হলেও এ ব্যাপারে আজতক কেউ তার কেশাগ্রও ছুঁতে পারে নি! বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের সাথে তার সম্পর্ক ছিল বলে শোনা যায়।
ছবির এই নারীর বৈবাহিক জীবন সম্পর্কে তেমন স্পষ্ট কিছু জানা যায় না। তবে কথিত আছে, তিনি নাকি বৈবাহিক জীবনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ।
টিভি চ্যানেলটির লোগো দেখার পর এটির নাম উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। তবে ছবির এই ইসরাইল-হিতৈষিণী নারীকে অনেকেই নাও চিনতে পারেন। পোস্টে আমি তার নাম উল্লেখ করতে চাচ্ছি না। অনুগ্রহ করে কমেন্টে কেউ তা বলে দেবেন আশা করি।
(এই পোস্টটির কারণে আমাকে কর্তৃপক্ষ ব্যান (ব্লকড) করে আমার এ্যাকাউন্টটি স্থগিত করেছে)
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



