লংকাউই দ্বীপের সর্বোচ্চ চূড়ায়
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
লংকাউই দ্বীপে ১দিন বেশি ছিলাম, কারন ফেরির টিকেট পাইনি। বারতি দিনটাতে গোপাল ভার আর জানতে চাই চাইলো হারিয়ে যেতে (ম্যাপ নিয়ে)। নতুন জায়গার অন্বেষনে। লংকাউই এর সর্বোচ্চ চুড়ায় একটা পাওয়ার হাউজ আছে। আমরা সেটা দেখার জন্য রওনা হলাম। মেইন রাস্তা থেকে একটা গেট দিয়ে পাহাড়ের ভিতর দিয়ে রাস্তা চলে গেছে। গেটে কোন গেইট ম্যান নেই। মনে হলো এই রাস্তায় কেউ কখনও আসে না। তারপর শুরু হলো গোপাল ভারের ড্রাইভিং এর পরীক্ষা। তেল যাতে সর্ট না পড়ে গাড়ির এসি বন্ধ করে জানালা খুলে দেয়া হলো। পাহাড়ের গা বেয়ে, একে বেকে আমরা চলা শুরু করলাম। একপাশে পাহাড় আর পাহাড়ের জংগল। অন্য পাশে খাদ। মাঝে মাঝে বৃষ্টির পানি পড়ার ছোট ছোট ঝরনা। মাঝে মাঝে পাখির ডাক শুনছিলাম। কোথাও কোথাও রাস্তা ভাংগা। কোথাও মানুষের আনাগোনার কোন চিহ্ন নেই। রাস্তা ঘুরে ঘুরে উপরে উঠছে তো উঠছেই। বাতাসের তিব্রতা বেড়েই চলেছে। আর দেখা যাচ্ছে লংকাউই দ্বীপ, পাহাড়ের উপর থেকে। অনেকক্ষন পরে একটা গাড়ি চোখে পড়ল, সেখানে বেশ কিছু সাদা চামড়ার টুরিস্ট। ওরা নাকি কি একটা পাখি দেখার জন্য দাড়িয়েছে। আমরা জানতে চাইলাম গাড়ি পাহাড়ের উপর পর্যন্ত যাবে? ওরা জানালো যাবে। আবার শুরু হলো চলা। একসময় চূড়ায় পৌছলাম। ওখান থেকে পুরো দ্বীপটা আর পাশের দেশের বর্ডার দেখা যাচ্ছিল। খুব সুন্দর লাগছিল চারিপাশ। সাগর, সাগরের বুকে ছোট ছোট বোট, শহরে বাতি জ্বলছে। আসলে শহরে তখন সুর্য ডুবে গেছে। আমরা পাহাড়ে বলে কুসুমের মতোন বিশাল সূর্যকে দেখছে। সবাই কিছু সুন্দর ছবি তুলল। দেখতে চাইলে গোপাল ভার কে বলুন। ওর কাছে আছে। পরে মনে হলো রাস্তায় তো লাইট নেই। আলো থাকতে থাকতে আমাদের গিরিখাত বেয়ে নামতে হবে। আবার নামলাম। সত্যি মাঝে মাঝে এরকম সুন্দর জায়গায় যাওয়া উচিত।
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।
সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কেমনের দিনে

মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি...


"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি, যার অর্থ খারাপ বা অন্যায়কারীকে শাস্তি দেওয়া এবং ভালো বা সৎ মানুষকে রক্ষা করা। এটি মূলত সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন
কারো নামে মিথ্যা অপবাদ কাম্য নয় তবে ....

ঘটনাটি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের এবং তার সঙ্গে থাকা এক সাংবাদিক বন্ধুকে ঘিরে। পরিবাগ ওভারব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ট্রান্সজেন্ডার বা হিজড়া জনগোষ্ঠীর কয়েকজনের সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।