somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পিনু আপার বাসা ১

১৮ ই অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

" এই শাহানা, পিনুদের বাসায় একটু যাবে?" এটা অবশ্যই বড় আপার অনুরোধ, প্রশ্ন না। পিনু আপার বাসায় যাওয়ার জন্য আমি এক পায়ে খাড়া। অনেক গল্পের বই পাওয়া যাবে।
বড়পার প্রয়োজনে ওর চিঠি নিয়ে পিনু আপার বাসায় যাব এবং এতোদিনে জমা হওয়া এক বস্তা বই ফেরত দিতে এবং এর বিনিময়ে আরো এক বস্তা বই আনতে। শেখা (আমার ছোট বোন) পিনু আপার বাসায় আগে কখনও যায়নি। তাই ওকে এবার সাথে নিব। এসব বড় আপার সাথে আলোচনা করে ঠিক করলাম। এবার পিতা মাতার কাছে অনুমতি নেয়ার পালা।
আম্মা রাজি হলেন না, বললেন, এখন ৪টা বাজে। আমি তৈরি হয়ে যাব কখন আর আসব কখন। আমি বোঝালাম এখন ৭টায় সন্ধ্যা হয়। অতএব আমি ৬টার মধ্যে ফিরতে পারব। যাব আর আসব। আম্মা নিমরাজি হয়ে আব্বার পারমিশন নিতে বললেন। আব্বা যাব শুনে চুপ করে বসে রইলেন। নিরাবতা সম্মতির লক্ষন। শেখাকে চিৎকার করে বললাম তৈরি হয়ে নিতে। ওমা, ও দেখি এরমধ্যই পোশাক বদলে নিয়েছে। আমিও তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নিলাম। তারপর বড়পার কাছে গিয়ে বললাম, ভাড়া দাও। ওর কাজে যখন যাচ্ছি তখন রিক্সা ভাড়ার খরচ ওরই করা উচিত। বড়পা বলল, ওর কাছে টাকা নেই। আমি জানালাম, আব্বা বলেছে টাকা দিবে না (না চাইতেই আব্বা একথা শুনিয়ে দিয়েছিল)।
বড়পা টাকা বের করতে লাগল, আর আমি পাশের ঘরে গিয়ে আব্বাকে বললাম, বড়পা বলেছে আপনার কাছে টাকা চাইতে। আব্বা অনিচ্ছা স্বত্তেও ২০টাকা বের করে দিলেন। কি আশ্চর্য্! রিক্সা ভাড়া ১০ টাকা বলে কি টাকা বেশি দিবে না? বৃষ্টির দিনে টাকা বেশি লাগে। আব্বাকে বলতেই বললেন, বেশি লাগলে সেটা পড়ে দেয়া হবে। আসলে খরচ করার পর টাকা বাড়তি থাকলে আমি সেটা ফেরত দেইনা। আমারও তো ইনকাম করতে হবে!

....১৯৯২ সনে লেখা ডায়রী থেকে
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×