আমার কাছে "না" ভোটকে খুবই আকর্ষনীয় মনে হইছে প্রথম প্রথম। এই শেষ মুহুর্তে "শিক্ষিত", "সচেতন" ভাই বেরাদার বন্ধু বান্ধবীদের অনেকেই জোর গলায় "না" ভোটের কথা কইতাছে। এইটার যুক্তিও আছে। অনেকেই ভোট দেয়ার মত যোগ্য কাউরে পাইতাছে না। আমার এলাকার ক্ষেত্রে ঢাকা ১৬ আসনে যে তিনজন খারাইছে তাগো তিনজনের একজন আম্লীগ, ২য়জন বিএনপি, ৩য় জন এনজিও। এনজিও কোনদিন পাশ করবো না। যতদূর জানি বাকী দু্ইটার কোনটা রাজাকার না। রাজনৈতিকভাবে রাজাকার/জামাতী সংশ্লীষ্টতার দল মূলত দুইটাই। অবস্থা হইছে এমন জামাতী রামদা লইয়া ঘারের পিছে, আম্লীগ বুকে ছুরি, বিএনপি পিস্তল, এনজিও গোয়ায় বাঁশ লাগায়া খারাইয়া আছে। যত জ্ঞান যত বিশ্লেষণ তত ঝামেলা। বুদ্ধিজীবি সুলভ না ভোট দেওন একভাবে নির্ধারিত। কিন্তু ঘরে ঘরে বুদ্ধিজীবি আমার ভালো লাগে না। দমবন্ধ দমবন্ধ লাগে।
যাই হোক তত্ত্ব না কপচাইয়া সোজা আলাপে আসি, আমার একটা বিখাউজ ষড়যন্ত্রের কথা মনে হইল। পরিস্থিতির বদল না ঘটাইয়া না ভোটের প্রচলন, বলনের জন্য বেশ ভালো তবে কোথায় যেন ভোটার হিসেবে হাঁতপা বাঁধার কথাটা মনে করায়া দেয়। বুঝায় দেয় যে না ভোট একটা অলংকারীক পদ্ধতি মাত্র। অনেকে যেইটারে ভোট নষ্ট হইব বইলা ঠাউর করতাছে। নির্বাচন কমিশনের অনেক কর্মকান্ড দেখে ভালোও লাগতাছে আবার অনেক সময় ছিড়া ফেলতে ইচ্ছা করতাছে। যাই হোক বান্ধা অবস্থাটা মুখ চাইয়া থাকনের থেইকা বেশি কিছু হইতাছে না। তবুও বারবার ভোটের শক্তির কথা কইয়া নিজেরে বুঝ দেই। মনে করা যাক প্রজন্ম তৈরী হইল এরা কেবল না ভোট দিব এইবারও দিব পরের বারও দিব এবং এই সংখ্যা বাড়ব ( অনেক দুরাশা জানি)। যদি এমুন হয় রাজনৈতিক কর্মকান্ড কেবল মাত্র না ভোট দেওনের মধ্য দিয়া বিশেষ শ্রেণীর (বিত্ত ও শিক্ষাগত উভয় অর্থে) গণতন্ত্র বা ভোটাধিকার বিষয়ক খালাশ করণের পদ্ধতি হইয়া ওঠে, তাহলে পরিস্থিতি আরো ভয়ানকই হইব। একটা সর্বজ্ঞাত এবং মূখ্যত রাজনীতি বিচ্যুত বা বিশেষভাবে যুক্ত প্রজন্ম তৈরী হইব যারা নতুন পরিবর্তন আনবো এমন ভাবতে যাইয়া নিজের মাঠই পুরা হারাইবো। আমার উচাটন মনে খালি ভালো ভালো কথার বদলে এইসব পচা পচার কথার দিকে যায়। আমি সম্ভবত উন্নয়নের প্রতিবন্ধক টাইপ ভোটার, আমার ভোটাধিকার কাড়িয়া নেয়া হউক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




