আমার একেবারে প্রথম দিকে কেনা একটা এন ৭০ আসিল। সেইটাই ছিল চোখ কান। হাতের ইন্টারনেট থেকে শুরু কইরা মোবাইল পিসি/ল্যাপীর ইন্টারনেট হাতিয়ার। বাড়ীতে ব্রডব্যান্ড। আর সকল সার্ভিসের মত এন ৭০ও দুইবার ডিসপ্লে বন্ধ কইরা দিছে সময় অসময়ে। শেষবার সে যখন সার্ভিস দিসে তখন আমি কক্স যাইতে যাইতে গাড়ীতে বইসা ব্লগাই। কিন্তু সেইটাই শেষ। এরপরই পুরা দম ত্যাগ করছে।
আমি গাধার মত অফিসের ল্যাপী নিয়া এইখান থেকে ঔখানে যাই, বসে অফিসের মডেম দিয়া আরামসে জার্মান রেডিও শুনে। আমি চাইয়া থাকি। অফিসের আরেকটা মডেম আছে কিন্তু সেইটা কোনটাতেই কাম করে না কয়েক মাস ধইরা। আমি আবাং এর মত চাইয়া থাকি। বসেরটা চাইতে প্রফে-ইগোতে লাগে।ই
কৃপণ জার্মানে খালি ঐ মডেম ঠিক করাইতে বলে। আমি বিল নাই আইডিবি যাই, হেরা আজ কইয়া কাইলও দেয় না।ো
শেষ পর্যন্ত ঠিক হইল যে আজকে তারা দুপুর ১২:৩০ এর মডেম দিব। আমি গেলাম এবং হারামজাদারা কইল মাল এখনো আইসা পৌছায় নাই। দুত্তুর হেগো সার্ভিস। আমার দুপুর ১টায় জয়পুরহাট রওয়ানা হওনের কথা। আইডিবি থেইক্কা বাইরাইয়া মনে হইল আইজকা একটা এসপার ওসপার হইব, হয় নতুন মোবা কিনুম নাইলে মডেম। শ্যামলী তে যাইয়া দেখি সব মোবা: চাইনিজ। তারপর রাস্তার উল্টা দিকে বাম কোণায় চোখ গেল। দেখলাম গ্রামীণ সেন্টার। আমি নিশ্চিত জিপি মডেমও মার্কেটের বাইরে, তারপরও ১৫ মি. এর গ্যাপ দেইখা ট্রাই মারলাম। অবশেষে তারে পাওয়া গেল তাও
শেষ পিস। আর ২৫ মি. লাগায়া কিনা টেস্ট কইরা গাড়ীতে উঠলাম। সেই থেইক্কা অন লাইন। গাড়ীর দুইপাশে সবুজ ঘাস, মির্জাপুর পার হইলাম মনে হয়। ব্যাপক গরম, এসিতে কোন কাম হইতাসে না। কিন্তু তারপরও বুকে শান্তি....আরেকবার জিদের চোটে জিত্তা গেলাম। আয় বুখে আয়, বুখে আয় আমার সাধের ইন্টারনেট।
ব্লগের নেশা কত কিছুই না করাইলি
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




