ইমার্জন্সী পাসপোর্টের জন্য আবেদন করছিলাম, এবং দালাল না ধইরাই ২ ঘন্টায় পাসপোর্ট বাইর করছি ১১ই অক্টোবর। তখনো দেখছি আনসার আর পুলিশগো কোতাকুতি....কি যানি একটার কষ্টে আছে। সে থাকুক, পাসপোর্ট নিয়া সুন্দর কইরা বাড়ীতে ফিরছি।
আর আজকে এক এসআইএসবি আসছেন রাত ১১;৩০এ আমার বর্তমান ঠিকানা ভেরিফাই করতে। বাসার দারোয়ানের সাথে ১০ মিনিটের একটা ক্যাচালও হইছে নাকি এখন শুনলাম। বাসায় আইসা কোন কথা নাই বার্তা নাই বাপের জমিদারীর মত প্রশ্ন জিগায় নাম কি, বাপের নাম কি, মায়ের নাম কি, যেই ঠিকানা দেইখা সে আসছে সেই ঠিকানা কি গ্রামের বাড়ীর নাম কি ইত্যাদি ইত্যাদি। এই পিরিত শেষ হওনের পর কয় এইবার আইডি দেখান, আমি কই আমার বিজনেস কার্ড লন। সে কয় না আপনের অফিসের আইডি ই লাগবো। আমি কইলাম আমার অফিসের এইডা নাই। সে কয়া তাইলে এপোয়েন্টমেন্ট লেটারের কপি দেন....আমি কইলাম আমি তো এইটা কপি কইরা বইসা নাই, তবে আপনের যখন হাউস চলেন এখন ফটোকপি করতে নামি। পাচ তালা থেইকা নামোনের পর সে কয়, ভাই অনেক রাত এখন তো আর ফটোকপির দোকান খোলা পাবেন না..আপনে না হয় কালকে দিয়েন।
এইডার এখন মনে হইছে যে রাত সাড়ে এগারোটায় কোন ভদ্র বা অভদ্র কারো বাসায়ই ইনকোয়ারি করতে যাইয়া ফটোকপি পাওন সম্ভব নাও হইতে পারে।
এই হইল ইমার্জেন্সী পাসপোর্ট সার্ভিস।
হালারপুত এক একটা.....সবগুলানরে জেলে পোরা দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



