আমার প্রিয় পোস্ট

পুরান চাল ভাতে বাড়ে, পুরান ব্লগার ভাতে মরে

ঐ মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু সিস্টেমেটিক কিলিং এ মরছেন (উৎসর্গ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে)

০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০১

শেয়ারঃ
0 2 0

আসকর আলী মারা গেলেন ২১শে জুলাই ২০০৯ এ। বয়স ৬৫ বৎসর আনুমানিক। যদিও আমার অনুমান ছিল তাঁর স্ত্রী ই আগে বিদায় নেবেন। খতিজা বেগমের শরীরে লীভার সংক্রমণের প্রমাণ স্পষ্ট হচ্ছিল প্রকট ভাবেই। প্রথমে স্ক্যাভীজ মনে করেছিলাম, যদিও ভুল ভেঙ্গেছিল পরের ডায়াগনোসিসেই। কক্সবাজার হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিক্যাল। ওখান থেকে জার্মানীর লিভার কন্স্যালটেন্সী নিশ্চিত জবাব পেয়ে গিয়েছিলাম। আমি আর আমার সহকর্মী আশা করছিলাম একদিন খতিজা বেগম আর ঘুম থেকে উঠবেন না আর হয়ত এটাই তার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে।

দূরারোগ্য ব্যাধি, দূরারোগ্য দারিদ্র, দূরারোগ্য পরিস্থিতিতে খাতিজা বেগম বেঁচে রয়েছেন এখনো; কিন্তু আসকর আলী চলে গেলেন একেবারে আচমকাই। খবরটা পেলাম ২৩ এ...। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করার সাড়ে সাত হাজার টাকার অর্ধেক পাওয়া গিয়েছিল বাকীটা এলাকার মানুষজনের বদান্যতা। কক্সবাজারের দক্ষিণ কুতুবদিয়া বস্তির উচ্ছেদকৃত মানুষের টাকায় দাফন হয় এই বীর মুক্তিযোদ্ধার।

আসকর আলী ছোটলোকের বাচ্চা কিনা? বাংলাদেশের ৯০ ভাগ লোক কি বড়লোকের বাচ্চা?
মুক্তিযোদ্ধারা কি বড়লোকের বাচ্চা ছিলেন? কতজন ছিলেন? ভবিষ্যতে কতজন থাকবেন?
অবসর প্রাপ্ত পুলিশ কর্মচারী আসকর আলীর সারদার ট্রেনিং কাজে এসেছিল। নিজের জায়গা থেকে উচ্ছেদকৃত হয়ে, নিজের সারাজীবনের সঞ্চয় চোখের সামনে ভেঙ্গে মিশে যাবার পরও হার মানেন নি।
তত্ত্বাবধায়ক সামরিক সরকার কক্সবাজারের বিমানঘাঁটি সম্প্রসারিত করার নামে একদিনের নোটিশে ৮৩০ঘর ৭-৮ হাজার মানুষের জীবন, আশ্রয় এক লহমায় ভেঙ্গে দিয়েছিল। আসকর আলীর সাথে যখন এই বিষয়ে কথা হচ্ছিল তখন তিনি হতাশ অশ্রুসজল হয়ে বলেছিলেন; নিজের দেশের মানুষ পাক বাহিনীর চাইতে বেশি অত্যাচার করেছিল সেদিন।

উচ্ছেদের পর এই জনগোষ্ঠীকে যেখানে অস্থায়ী জায়গা দেয়া হয়েছে সেটা সমুদ্রের জোয়ার প্রবণ এলাকায়, প্রায়শই পানি আটকে থাকে। এই বলপ্রয়োগী পূর্নবাসনে আশ্রয়দাতা ও দিক নির্দেশকের ভূমিকা পালন করেন আসকর আলী। উনি বীরপ্রতীক ছিলেন না, বীর উত্তমও ছিলেন না কিন্তু একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। এই জীবনে যাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে কথা বলার সুযোগ হয়েছে তারা হয়ত এই অনুভূতিটা বুঝতে পারবেন। এই মানুষগুলোর ভেতরে এমন একটা কিছু আছে যা আপনাকে বারবার একটা অমোঘ শক্তির কথা মনে করিয়ে দেবে। দ্রারিদ্র বয়স শ্রেণী নির্বিশেষে এমন একটা আলো, দ্যুতি এবং পরিশেষে গভীর বেদনা ধ্বিক ধ্বিক জ্বলতে থাকে যেটাকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। বাঙালী রক্তের সবচেয়ে শক্তিশালী শুদ্ধ মেধাবী স্রোত ধারার স্পন্দন আপনি এমনভাবে টের পাবেন, যেটা আপনাকে আশাবাদী করতে বাধ্য। আমাকেও করেছে বারবার। তাই আমি ছুটে গেছি।

কোন রকম প্রাপ্তির প্রত্যাশা ছাড়া আমাদের তিনি সাহায্য করেছেন নিরলসভাবে। এই মহত্ত্ব, এই দৃঢ়তা আমাকে বারবার মনে করিয়ে দিয়েছে আমার পূর্ব পৃরুষের শক্তিমত্তাকে, দৃঢ়, যোদ্ধাসত্তাকে।

সেই আসকর আলী খুন হলেন। হ্যা আসকর আলীর মত মানুষেরা প্রতিদিন রাষ্ট্রীয় ব্যাবস্থাপনায় খুন হন। ঠিক এই মুহুর্তে হচ্ছেনও অবশিষ্ট্য দূর্লভ এই মানুষেরা। এরা কেউই মসনদে নেই। এরা কোনদিনই মসনদে বসেন না। এরা মসনদের বলি। কিভাবে?

মুক্তিযোদ্ধা প্রমাণিত হবার জন্য তাকে যাচাই বাছাইয়ের পরীক্ষা দিতে হয়েছে বারবার বহুবার। নিজের যুদ্ধ অঞ্চল সিলেট থেকে কক্সবাজারে সদস্যপদ স্থানান্তরণের জন্য আবেদন করতে হয়েছে। ধর্ণা দিতে হয়েছে। কোনদিন সরকারের কাছ কিছু চাননি, শান্তিটুকু ছাড়া। সরকার তাকে প্রতিদান হিসেবে শান্তিটুকুও কেড়ে নিয়েছে। উচ্ছেদ হয়েছেন নিজের গৃহ থেকে, নিজের অস্তিত্বের শেষ সম্বলটুকু গুড়িয়ে দিয়েছে সরকারী বুলডোজার। আশ্রয় হয়েছে উচ্ছেদকৃতের বস্তিতে।

দারিদ্রের শৃঙ্খলে নিষ্পষিত হয়ে, আত্ম সম্মানের শোকে মারা গেছেন আসকর আলী। বাড়ীতে ক্ষুধায় থাকতে না পেরে তার কনিষ্ঠ মেয়ে পালিয়ে যান চট্টগ্রামে, সেখানে মাদক ব্যাবসা আর পতিতাবৃত্তির সাথে জড়িয়ে পড়েন। বহুদিন ধরে খোঁজ খবরের পর সেখানে ছুটে যান আসকর আলী। চট্টগ্রাম জেল থেকে মেয়েকে ছাড়িয়ে বাসায় নিয়ে আসেন। এর ঠিক এক সপ্তাহের মধ্যে মারা যান। একজন আসকর আলীর এই যে উপায় হীনতা তা উন্মোচন করে দেয় রাষ্ট্রের মুখোশ। এখানে আওয়ামী বিএনপি বাম জামাত সবাই এলিট। গণমানুষের শক্তি আর সামর্থ্যের ব্যবস্থাগত হত্যাকান্ডে সবাই অংশীদ্বার।


মুক্তিযুদ্ধ আমাদের এই ব্লগ, টুকরো টুকরো সেমিনার, আমাদের গণস্বাক্ষর ইত্যাদির চাইতে এত বড় বিষয় তা সম্ভবত আমরা অনুমানও করি না। করলে নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের চাইতে বড় মনে করার সাহস হোত না আসলে। আর যারা আছেন মুক্তিযোদ্ধা- রাজাকার ধোঁয়া ব্যবসায়ী তাদেরও সাহস অনেক। আমারাই দিয়েছি আসলে। ক্রমান্বয়ে আপস করতে করতে। আমি কখনো ব্যক্তি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বুঝি না। শেখমুজিব জিয়া দিয়েও নয় অথবা ব্লগের অমি রহমান পিয়াল দিয়েও নয়। ব্যাক্তি পিয়াল যদি “পর্ণ ব্যবসায় (বানোয়াট অভিযোগ বা সত্য যে কোন অর্থেই)” নামেন তাতে মুক্তিযুদ্ধের শুদ্ধতা নষ্ট হয় না । কারণ আমার মুক্তিযুদ্ধ তার উপর নির্ভর করে না। আসলে কারোরই করে না। মুক্তিযুদ্ধ নির্ভর করে এর চেতনার উপর। আর এই চেতনা সচল রাখতে যে যতক্ষণ আছেন আমি তার সাথে আছি। এই চেতনার উপর দাগ মুক্তিযুদ্ধের নেতাদের ব্যাক্তিগত ভুলে কেবল তৈরী হয় না, হয় এইটা নিয়ে নির্বোধ ব্যক্তি নির্ভরতায়। যখন মানুষজন তাদের চিন্তা উপলব্ধির ভার অন্যের উপর দিয়া রাখেন; সেইটার মাধ্যমে খালাশ পাইতে চান তখন। আমি এই খালাশ পাওয়ার জায়গা বন্ধ করার আহবান জানাই। তা না হলে শত শত নিজামী জন্ম নিব এই মাটিতে, আর শত শত আসকর আলী মারা যাবেন ক্ষুধা আর অমর্যাদায়।


 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪
সৌরদীপ্ত বলেছেন: মুক্তিযোদ্ধারা হচ্ছে সরকারের ভোটযুদ্ধ জয়ের উপলক্ষ মাত্র । এভাবে আমাদের অগোচরে কত প্রাণ যে ঝরে যায় তার খবর কয়জন রাখে ? এটাই হয়তো তাদের নিয়তি , যে দেশকে শত্রুবাহিনীর হাত থেকে মুক্ত করেছে সে দেশের সরকারই কেড়ে নিচ্ছে তাদের সহায়-সম্বল।
২. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১
বাকী বিল্লাহ বলেছেন: স্বাধীনতা নানারকম হয়। কিন্তু যখন আমরা বলি মুক্তিযুদ্ধ তখন তার অন্তর্গত ভাব ও সেই ভাবের প্রকাশ সম্পূর্ণ অন্যরকম। কিন্তু খুব বাস্তব তথ্য হচ্ছে, ৭১ আমাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের নাম হলেও প্রকৃতার্থে তা নয়। শুনতে খারাপ শোনাবে, অধিকাংশের কাছেই মনে হবে বালসূলভ বামপন্থা.. তারপরেও বলি; ৭১ শুধু পুজির স্বাধীনতার ভোগেই লেগেছে, আর কিছুতে নয়। এমনকি বাঙালী জাতীয়তার বিকাশের ক্ষয়কাল ৭১ এর পরেই শুরু হয়েছে।

সুতরাং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলে বাজারে যে জিনিস আছে তাতে আসগর আলীরা একেবারেই ফালতু অনুষঙ্গ। তাদের ব্যবহারের কাল অনেক আগেই শেষ হয়েছে, তা প্রায় ৩৮ বছর হয়ে গেল!
৩. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: ভাষাহীন। কী বলবো বুঝতে পারছি না। অনেক কিছু হয়তো বলা যায় কিন্তু তাতে শুধু আবেগ প্রকাশ করাই হবে, তাও ব্যক্তিগত, কার কী হবে তাতে?
৪. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬
আতিক একটেল বলেছেন: "এই জীবনে যাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে কথা বলার সুযোগ হয়েছে তারা হয়ত এই অনুভূতিটা বুঝতে পারবেন। এই মানুষগুলোর ভেতরে এমন একটা কিছু আছে যা আপনাকে বারবার একটা অমোঘ শক্তির কথা মনে করিয়ে দেবে। দ্রারিদ্র বয়স শ্রেণী নির্বিশেষে এমন একটা আলো, দ্যুতি এবং পরিশেষে গভীর বেদনা ধ্বিক ধ্বিক জ্বলতে থাকে যেটাকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। বাঙালী রক্তের সবচেয়ে শক্তিশালী শুদ্ধ মেধাবী স্রোত ধারার স্পন্দন আপনি এমনভাবে টের পাবেন, যেটা আপনাকে আশাবাদী করতে বাধ্য। আমাকেও করেছে বারবার। তাই আমি ছুটে গেছি।"
৫. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: চেতনা ভিন্ন জিনিস আসলেই, এইটা ধারণ করার বিষয় যা আসলে আমাদের আইডেন্টিটির নির্মাণও। এবং সমাজ ও জাতীয়তাবোধের। এই দেশের মুক্তিযোদ্ধারা অবশ্যই সিস্টেমেটিক ক্লিনজিংয়ের শিকার। দারিদ্র মানুষকে আপোষকামী বানায়, নাজুক করে, নুব্জ করে- এইটা ক্ষমতাশালীরা ভালোই জানে। আসকর আলী একটা নাম মাত্র, একটা সংখ্যা- এর বেশী কিছু না
৬. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪২
রোহান বলেছেন: বলার কিছুই নেই আসলে... কিছু বলার থাকলেও কার কি লাভ তাতে...
৭. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
কৌশিক বলেছেন: বাকীর বক্তব্য একেবারে খারেজীও হইয়া গেছে। 'বিকাশের ক্ষয়কাল' - বলার আগে আরেকটু বৃহৎ পরিসর ভাবো বাছা।
৮. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১২
আমি রোদের ছেলে বলেছেন:
বাকী ভাইরে ঝাঁঝা



পোস্টে +
৯. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৬
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন: প্রথম পাতায় ঝুলিয়ে দেওয়া হোক 'বিজয় দিবস' পর্যন্ত।
১০. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২
তামজি বলেছেন: আসকর আলীর মত মানুষেরা প্রতিদিন রাষ্ট্রীয় ব্যাবস্থাপনায় খুন হন
১২. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৭
নাঈম বলেছেন: নির্বাক থাকা ছাড়া কিছু বলার নেই..
১৩. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫১
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: আমাদের একটি আবশ্যিক জাতিগত কর্তব্য বাকী আছে, আর সেটা কোন ধোঁয়াতেই বিস্মৃত হলে চলবেনা। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হবে। যেভাবেই হোক এই বিচার সম্পন্ন করতে হবে। তা না হলে এই পাপ বহন করতে হবে বংশ পরম্পরায়। এইখানে কোন কনফিউশন নাই......কোনই কনফিউশন নাই।
১৪. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০২
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

দী-র্ঘ-শ্বা-স ! ওইটাই আমাদের শেষ সম্বল ! হায় !
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: দীর্ঘশ্বাস না শিপন। মুষ্ঠিবদ্ধ হাত ই শেষ সম্বল হওয়া দরকার। কারণ এটাই মর্যাদাকর।

১৫. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০
আল্লাহ রাখা বলেছেন: ছাগাইডেশন...... একটা কমন সিনড্রম

একটা ভয়াবহ...... সিনড্রমের কথা এত দিন অজানাই থেকে গেছে লুকচোক্ষুর আড়ালে।অবশ্য এখন এটা ধ্রুব এক সত্য............. নতুন সিনড্রম ছাগাইডেশন। এটা এমন এক সমস্যা যা থেকে পরিত্রাণের উপায় এখন পর্যন্ত ব্লগ জগৎ এ অমীমাংসিত...... দীর্ঘ দিন ধরে ছাগাইডেশন সিনড্রম নিয়ে গবেষণার ফলে এটাই শেষ পর্যন্ত বের হয়ে এসেছে যে..... মডারেশন প্রক্রিয়াটা এমন ভাবে ছাগলদের দ্বারা বা ছাগু সম্প্রদায়ের প্রভাব দ্বারা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে যে ..... তা আর মডারেশন নামক নীতিমালা ভিত্তিক কিছু থাকে না,তখন এটা হয়ে পরে ছাগাইডেশন। এই ছাগাইডেশন নামে চলতে থাকে...... ছাগুদের পুনর্বাসন।রাখাল নিধন ক্ষেত্র বিশেষে তাদেরকে খোয়াড়ে বন্দি করে আবাসিক করে ফেলা। অনেক তথাকথিত রাখালের নাম উদাহরণ দেয়া যাবে...... আদতে ওরা এখন খোয়াড়বাসি..... আবাসিক,ছাগু পালের বৃদ্ধ কুকুর। এই ছাগাইডেশন রোগের উৎপত্তি সাধারণত দেখা যায় ছাগু সংস্পর্শে আসার ফলেই হয়,ক্ষেত্র বিশেষে লুকানো ছাগুদের দ্বারা,আর অহরহ এটা হয় আবাসিক বৃদ্ধ ছাগু পালের সাথে থাকা লোম ওঠা কুকুর দ্বারা। আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি এর প্রতিশোধক বের করার ..... যদিও জানি এখন পর্যন্ত যা দাড়িয়েছে তা অমিমাংসীত।তবুও চেষ্টায় আছি। আপাতত এর থেকে নিরাপদে থাকার উপায় হল... খুব খেয়াল করে চলবেন আর চেষ্টা করবেন ভুলেও ছাগু ব্লগে পা মাড়াবেন না,আবাসিকদের থেকে সাবধান,আর লুকানো গুলাতো ভয়াবহ.... উপার ওয়ালার উপর আস্তা রাখবেন।এই আর কি..... আল্লাহ মাবুদ রক্ষা কর মালিক এই ছাগাইডেশন সিনড্রম থেকে। ছাগাইডেশন...... একটা কমন সিনড্রম একটা ভয়াবহ...... সিনড্রমের কথা এত দিন অজানাই থেকে গেছে লুকচোক্ষুর আড়ালে।অবশ্য এখন এটা ধ্রুব এক সত্য............. নতুন সিনড্রম ছাগাইডেশন। এটা এমন এক সমস্যা যা থেকে পরিত্রাণের উপায় এখন পর্যন্ত ব্লগ জগৎ এ অমীমাংসিত...... দীর্ঘ দিন ধরে ছাগাইডেশন সিনড্রম নিয়ে গবেষণার ফলে এটাই শেষ পর্যন্ত বের হয়ে এসেছে যে..... মডারেশন প্রক্রিয়াটা এমন ভাবে ছাগলদের দ্বারা বা ছাগু সম্প্রদায়ের প্রভাব দ্বারা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে যে ..... তা আর মডারেশন নামক নীতিমালা ভিত্তিক কিছু থাকে না,তখন এটা হয়ে পরে ছাগাইডেশন। এই ছাগাইডেশন নামে চলতে থাকে...... ছাগুদের পুনর্বাসন।রাখাল নিধন ক্ষেত্র বিশেষে তাদেরকে খোয়াড়ে বন্দি করে আবাসিক করে ফেলা। অনেক তথাকথিত রাখালের নাম উদাহরণ দেয়া যাবে...... আদতে ওরা এখন খোয়াড়বাসি..... আবাসিক,ছাগু পালের বৃদ্ধ কুকুর। এই ছাগাইডেশন রোগের উৎপত্তি সাধারণত দেখা যায় ছাগু সংস্পর্শে আসার ফলেই হয়,ক্ষেত্র বিশেষে লুকানো ছাগুদের দ্বারা,আর অহরহ এটা হয় আবাসিক বৃদ্ধ ছাগু পালের সাথে থাকা লোম ওঠা কুকুর দ্বারা। আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি এর প্রতিশোধক বের করার ..... যদিও জানি এখন পর্যন্ত যা দাড়িয়েছে তা অমিমাংসীত।তবুও চেষ্টায় আছি। আপাতত এর থেকে নিরাপদে থাকার উপায় হল... খুব খেয়াল করে চলবেন আর চেষ্টা করবেন ভুলেও ছাগু ব্লগে পা মাড়াবেন না,আবাসিকদের থেকে সাবধান,আর লুকানো গুলাতো ভয়াবহ.... উপার ওয়ালার উপর আস্তা রাখবেন।এই আর কি..... আল্লাহ মাবুদ রক্ষা কর মালিক এই ছাগাইডেশন সিনড্রম থেকে।
১৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১১
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: অসাধারণ লেখা। আসকর আলীদের দীর্ঘশ্বাসেই তো বেড়ে উঠছে হলুদ এলিট, মারুতিসুজুকির আনন্দধাম।

মগজে উড়ুক স্বাধীনতা চেতনার গান।
১৭. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪
নাজিম উদদীন বলেছেন: কিছুই বলার নাই, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে,এখনও মুক্তিযোদ্ধাদের এ অবস্হা হলে কাকে দোষ দেব।
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০

লেখক বলেছেন: সম্ভবত আমাদেরই।

১৮. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫
গ্রুপেন ফুয়েরার বলেছেন: চেতনার গুষ্ঠী কিলাই....
নিজের স্বার্থের বাইরে আবার চেতনা কিয়ের?
কত্তগুলান রাজাকার এখন যায়গায় যায়গায় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হইয়া অন্যগো সার্টিফাই করতাছে আর আর কোটার সুযোগ নিয়া চৌদ্দ পুরুষের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল বানাইতাছে
আর সত্যিকারের যোদ্ধারা কারাগারে মর্ছে, ফাঁসিতে ঝুলছে, যেগুলান বাকি ছিল, সেইগুলারে বাঁশ দিছে আমাগো আম্লীগ আর বিম্পি মিইল্যা, সেনাকুঞ্জ, ঢাকা ক্লাব, গুলশানের দুতাবাসগুলা আর এমনতরো যায়গায় শরাব খাইতে খাইতে, হাসতে হাসতে।
জামাত্যা আর খেউটা বামেগো দর্কার নাই, বাশ দিতে আম্বীঘ আর বিম্পি যথেষ্ঠ
১৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১

লেখক বলেছেন: একমত, গ্রুপেন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪৭৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
তুমি তোমার ইমেজ মতই
প্রোফাইল বানাও
কি ব্লগে
কি জীবনে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ