পোস্ট আর্কাইভ
- মে,২০১৩(৬)
- ফেব্রুয়ারী,২০১৩(৩)
- জানুয়ারী,২০১৩(৩)
- ডিসেম্বর,২০১২(৪)
- নভেম্বর,২০১২(৭)
- অক্টোবর,২০১২(৩)
- সেপ্টেম্বর,২০১২(১)
- আগস্ট,২০১২(১)
- জুলাই,২০১২(৭)
- জুন,২০১২(২)
- মে,২০১২(৪)
- এপ্রিল,২০১২(৬)
- মার্চ,২০১২(৯)
- ফেব্রুয়ারী,২০১২(৭)
- জানুয়ারী,২০১২(৮)
- ডিসেম্বর,২০১১(১২)
- নভেম্বর,২০১১(৮)
- অক্টোবর,২০১১(৩)
- সেপ্টেম্বর,২০১১(৩)
- আগস্ট,২০১১(৪)
- জুলাই,২০১১(৭)
- জুন,২০১১(৬)
- মে,২০১১(৩)
- এপ্রিল,২০১১(৪)
- মার্চ,২০১১(৬)
- ফেব্রুয়ারী,২০১১(৫)
- জানুয়ারী,২০১১(১)
- ডিসেম্বর,২০১০(৬)
- নভেম্বর,২০১০(২)
- অক্টোবর,২০১০(১০)
- সেপ্টেম্বর,২০১০(১৩)
- আগস্ট,২০১০(২০)
- জুলাই,২০১০(১৩)
- জুন,২০১০(৭)
- মে,২০১০(৯)
- এপ্রিল,২০১০(১৭)
- মার্চ,২০১০(২)
- ফেব্রুয়ারী,২০১০(৩)
- জানুয়ারী,২০১০(১০)
- ডিসেম্বর,২০০৯(৮)
- নভেম্বর,২০০৯(৭)
- অক্টোবর,২০০৯(১৬)
- সেপ্টেম্বর,২০০৯(৪)
- আগস্ট,২০০৯(৯)
- জুলাই,২০০৯(৬)
- জুন,২০০৯(২)
- মে,২০০৯(১৮)
- এপ্রিল,২০০৯(১০)
- মার্চ,২০০৯(২)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৯(১৩)
- জানুয়ারী,২০০৯(৭)
- ডিসেম্বর,২০০৮(৪)
- নভেম্বর,২০০৮(১৩)
- অক্টোবর,২০০৮(১৩)
- সেপ্টেম্বর,২০০৮(২৬)
- আগস্ট,২০০৮(১৯)
- জুলাই,২০০৮(৬)
- জুন,২০০৮(৯)
- মে,২০০৮(১৬)
- এপ্রিল,২০০৮(১৪)
- মার্চ,২০০৮(১৬)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৮(৬)
- জানুয়ারী,২০০৮(৮)
- ডিসেম্বর,২০০৭(৬)
- নভেম্বর,২০০৭(৩)
- অক্টোবর,২০০৭(১৪)
- সেপ্টেম্বর,২০০৭(৮)
- আগস্ট,২০০৭(১৫)
- জুলাই,২০০৭(৬)
- জুন,২০০৭(২১)
- মে,২০০৭(৭)
- এপ্রিল,২০০৭(১৭)
- মার্চ,২০০৭(১৬)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৭(১২)
- জানুয়ারী,২০০৭(১১)
- ডিসেম্বর,২০০৬(৮)
- নভেম্বর,২০০৬(৯)
- অক্টোবর,২০০৬(১৩)
- সেপ্টেম্বর,২০০৬(৫)
- আগস্ট,২০০৬(১২)
- জুলাই,২০০৬(১৩)
- জুন,২০০৬(৩০)
- মে,২০০৬(৪)
- এপ্রিল,২০০৬(২)
- মার্চ,২০০৬(৩)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৬(৩)
আমার প্রিয় পোস্ট
- মিরাক্কেলে ইন্ডিয়ান নোংরা গুটিবাজিটা কি ধরতে পারলেন ? - মোহাম্মদ রাফিউজ্জামান সিফাত
- ফেসবুকের রিপোর্ট বাটন ও পদ্ধতিগত ত্রুটিঃ অপব্যবহারে পোস্ট রিমুভ ! - দূর্যোধন
- Complete English Grammar Solution Book For BCS, JOB & University Admission Exam - পরাগাছা
- IELTS Materials Download link - রকিবুল আলম
- ফিল্ড মার্শাল রোমেলঃ নেকড়ের পালে থাকা একজন মানুষ - নাইট রিডার
- স্কালস এন্ড বোন্স - শক্তিধর সেক্রেট সোসাইটি - আশরাফুল সিয়াম
- মালয়শিয়ার মাহাথির - কাজী নায়ীম
- দুর্বল হয়ে ঘূর্ণিঝড় মহাসেন স্থলভাগ অতিক্রম করছে : আপডেট বৃহস্পতিবার দুপুর ১:৩০টা - রেজা ঘটক
- ডিসকো বান্দরের রিসার্চ - ৬, ডেনমার্ক মাইগ্রেশন! - ডিসকো বান্দর
- ডিসকো বান্দরের রিসার্চ ৩ - নিউজিল্যান্ড মাইগ্রেশন!! - ডিসকো বান্দর
- বই ও সফটওয়্যারের জন্য আপনাকে আর কারো কাছে সাহায্য চাওয়া লাগবে না ..(কল্পনাও করতে পারবেন না কি পরিমাণ সফটওয়্যার ও বই রয়েছে) - জিরো গ্রাভিটি
- কিভাবে Free Ebook/Thesis/Article/Journal Download - স্পর্শের বাহিরে
- আসছে মহাসেন ।ঝড় এর পূর্বে এবং ঝড়ের সময় করনীয় - ম্যঙ্গোপিপল
- My Plate অথবা আমার প্লেইট – প্রতি বেলার প্রধান খাবার খাওয়ার নিয়ম - ফিটনেস বাংলাদেশ
- রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী আম! কমন ও আনকমন আমের পরিচিতি ও বিবরণ সহ ছবিব্লগ। - তন্দ্রা বিলাস
- উচ্চ শিক্ষার্থে কানাডা: চতুর্থ পর্ব [প্রথম অংশ] (ভাল বীজে ভাল ফসল: যেভাবে কনভিন্স করবেন একজন Made in Harvard Professor) - মোস্তফা কামাল পলাশ
- উচ্চ শিক্ষার্থে কানাডা: ২য় পর্ব (কোন ধরনের যোগ্যতা থাকলে কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তীর জন্য বিবেচিত হবেন) - মোস্তফা কামাল পলাশ
- ইউটিউব দেখার ও ডাউনলোডের ট্রিক্স-(কোন প্রক্সি,সফটওয়্যার বা অ্যাড-অন ছাড়াই)
সাথে র্যাপিডশেয়ার থেকে ফ্রী ডাউনলোড করার পদ্ধতি
- মুহম্মদ ফজলুল করিম
- গুগল ক্যাশ - এখন থেকে ইন্টারনেট থেকে ডিলিট করে দেওয়া কন্টেন্টও দেখুন গুগল ক্যাশের সাহায্যে
- মুহম্মদ ফজলুল করিম
- ☑*~*~♣ IP দিয়ে খুঁজে বের করে ফেলুন পৃথিবীর যে কাউকে
♣~*~* ツ - মুহম্মদ ফজলুল করিম
যারা উত্তম কে উচ্চকন্ঠে উত্তম বলতে পারে না তারা প্রয়োজনীয় মুহূর্তে শুকরকেও শুকর বলতে পারে না। এবং প্রায়শই আর একটি শুকরে রুপান্তরিত হয়।

জেগে ওঠো মানুষ, বেঁচে উঠুক তিতাস
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:০৫ |
মাথার উপর বিস্তীর্ণ নীল আকাশ, চোখ ধাঁধানো রোদ; নতুন পথ ধরে হেঁটে আসছে একটি কিশোর। এখনো পুরোপুরি কিশোর বলা যায়না তাকে, সবে ক্লাস সিক্সে উঠেছে। ক্লাস রোল ৫২, একটু অস্বস্তির সাথেই বলেছিল সে। স্থানীয় কেজি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে রোল ১ নিয়েই বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করেছিল, রেজাল্ট বের হলে আসল রোল জানা যাবে সেটা মনে করিয়ে দিতে ভুল করল না। নতুন বইয়ের ঘ্রাণের জন্য আঁকুপাঁকু করছে মন। বড় হয়ে ক্রিকেটার হবে এটাই স্বপ্ন, নামকরা অলরাউন্ডার। ধানকাটার মৌসুম শেষে জমিতেই পিচ বানিয়ে বন্ধুদের সাথে ক্রিকেট, নদীতে সাঁতার আর মাছ ধরা এই নিয়ে তার জীবন। এই কিশোর এখনো জানেনা তার জীবনের প্রধান তিনটি স্বপ্ন আর আনন্দের মধ্যে দুটি, এখনি হুমকির সম্মুক্ষীণ। অলরাউন্ডার হবার স্বপ্নকে সে বয়ে নিয়ে যেতে পারবে কিনা সেটিও অনিশ্চিত।
![]()
পথের মাঝে স্কুলফেরা কিশোর
তিতাস নামক প্রাণবন্ত এক তরুণী নদীর কাছে যখন আমরা পৌছলাম তখন শুক্রবারের জুম্মার নামায শুরু হতে আর খুব বেশি সময় বাকী নেই। শীতকাল অনুযায়ী বেমানান খটখটে রোদ। ব্লগারদের জনা পাচেকের আরেকটি দল সুলতানপুর পার করছেন। এখানে চলে আসতে খুব বেশি দেরী হবে না। যে রাস্তা ধরে আমাদের গাড়ীটি এগিয়ে চলেছিল তাতে যুগ্ম ব্রীজ পার হলেই আখাউড়া পৌরসভা শুরু। স্থানীয়ভাবে এই ব্রীজকে কড্ডা ব্রীজ হিসেবেই ডাকা হয়।
![]()
আখাউড়া থেকে ব্রাম্ননবাড়ীয়ার পথ
খুব কাছেই দেখা গেল বিমান নামছে। প্রথমে বিস্মিত হলেও পরক্ষণেই বোঝা গেল বাংলাদেশ-ভারতীয় সীমান্তের খুব কাছাকাছি চলে এসেছি আমরা। সীমান্তের ওপাড়েই আগরতলা। বাংলাদেশের জন্ম ইতিহাসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একটি নাম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, জাতীয় নেতা এইসব ঘটনার কথা মনের ভেতর উঁকি দিয়ে গেল। সাথের বন্ধুরা সীমান্ত দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠল, আর তখনি হঠাৎ করেই মনের ভেতর দাবানলের মত জ্বলে উঠল একটি ছবি। যে ছবিতে দেখা যায় কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলন্ত ফেলানির লাশ। বিএসএফ বহন করে নিয়ে যাচ্ছে সেই লাশ কোরবানীর পশুর মত।
![]()
কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলছে ফেলানি
তিতাসের খুন হবার খবর আমরা পাই এই ব্লগেই, দিনমজুরের পোষ্টের সূত্রে।(খবরটি প্রথম জানিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন০৫ )। সেই খবর আমাদের কষ্ট দেয়, বিদ্রোহী করে। কিন্তু লাশের গল্প শোনা আর লাশ ছুঁয়ে আসা এক কথা নয়। তাই ব্লগাররা নিজেদের উদ্যোগে নিজেরাই আয়োজন করে রওনা দেন তিতাসের লাশ দেখার উদ্দেশ্যে। কৌশিক, সবাক, হাসান বিপুল, ইশতিয়াক করিম, তারেক আজিজ এই পাঁচের ব্লগারের দল পৌছান একসাথে। আমি ও আমার বন্ধুরা অলোক, রমিন, রেদোয়ান পৌছাই তাদের একটু আগে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৪ নামে একটা নিউজ এজেন্সীর কর্তাব্যক্তিরা আমাদের নানাভাবে সাহায্য করেন।
![]()
তিতাসের বুক চিড়ে ট্রানজিট
আমরা দেখি নদীর বুক চিড়ে রাস্তা বানানো হয়েছে। ট্রানজিটের রাস্তা। আমাদের নতজানুতার পথ। এই পথ দেখে আমাদের কষ্ট হয়, ঘৃণা হয়, অবিশ্বাস গাঢ় হয় সরকারের বিবেচনা বোধ আর সদিচ্ছার প্রতি। সন্দেহ দৃঢ় হয় সরকারের মেরুদন্ডহীনতা আর দুর্নীতিতে। ঠিক যেভাবে প্রেস ক্লাবের সামনে সাংবাদিকের পায়ের উপর দিয়ে নির্মম চলে যায় যন্ত্রযান, যেভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয় তার পা শরীর থেকে, ঠিক সেভাবে তিতাসের দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে তার প্রবাহমানতাকে।
![]()
তবুও এই শীতকালেও বাঁচার আকুতিতে প্রাণোচ্ছল তিতাস
ছোটবেলায় পড়েছিলাম নদীমাতৃক দেশ এই বাংলাদেশ। সেটা কি এরপর পাঠ্যপুস্তকেই রয়ে যাবে? কি দেখবে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম! বিশ্বের বৃহত্তম এই ব-দ্বীপে শিরা উপশিরার মত বয়ে চলে নদী-নালা-খাল। একটি নদীর উপর নির্ভর করে লাখলাখ মানুষ। বেঁচে থাকে চারপাশের প্রকৃতি-বাস্তুসংস্থান। ফলে একটি নদী কেবল বিশেষ একটি অঞ্চলের সম্পত্তি নয় সেটি সমগ্র দেশের, দেশের মানুষের সম্পদ। নদীর প্রবাহমানতায় একক এক্তিয়ার নেই কারোই। তাই যখন তখন যেখানে সেখানে বাঁধ দেয়া যায়না। উজান ভাটির মানুষের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়। এই সম্পদ কারো একার নয়, এই সম্পদ সমগ্র পৃথিবীর। সারা পৃথিবী ব্যাপী যখন পরিবেশ রক্ষা প্রধানতম বিষয় তখন ক্ষুদ্র স্বার্থপর স্বার্থে সেখানে বাধ সেধেছে নব্য বা পুরাতন শিল্পভিত্তিক রাষ্ট্র। ভারত তাদের অন্যতম।
![]()
নদী হত্যা হলে মাছের ব্রিডিং কোথায় হবে?
পরিবেশ বিনষ্টকারী “উন্নয়ন” যে কেবল নামেরই উন্নয়ন তার প্রমাণ হিসেবে এখনো কয়লার মত জ্বলজ্বল করছে লেসোথো, চিলি, উগান্ডা, পাপুয়া নিউগিনি আরো কতশত দেশ। ফলে তিতাসের বুকে রাস্তা বানানো সেই একই হত্যা-তালিকায় আর একটি নামমাত্র। আর এতে আক্রান্ত হবেন লাখো লাখো মানুষ।
![]()
স্থানীয় মানুষজনদের সাথে ইন্টারভিউ করে জানা গেল মাত্র ছ-মাস আগে এই রাস্তা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের সাথে কোন ধরণের সংলাপ বা তাদের মতামতের অন্তর্ভূক্তির কোন সুযোগই ঘটেনি। আখাউড়ার ব্লগার আলী মাহমেদ শুভ জানালেন ট্রানজিট শুরু হবার সাথেই এলাকার জমির দাম বেড়ে গেছে বহুগুন। অনেকেই জমির দাম বেড়ে যাওয়া নিয়ে আশাবাদী। কেননা তারা মনে করেন তাহলে স্থানীয় মানুষজনের অর্থনীতিতে এটা একটা “বুম” হিসেবে কাজ করবে। কিন্তু জমির দাম বেড়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক লাভ হবে কাদের? ক্ষেতিজমির মূল মালিকদের নাকি মধ্যস্বত্ত্বভোগীদের? নাকি স্থানীয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক এলিটদের? এই ধানি জমি বিক্রী হবে কাদের কাছে? শিল্পপতি ইট ভাঁটার মালিকদের কাছে? তারা কি বানাবেন? কলকারখানা? কিসের বিনিময়ে? ধানের জমি, সেচের নদী, মাছের নদীর বিনিময়ে? তাহলে এই নদীর সাথে জড়িত বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষজনের জীবনের কি হবে?
![]()
বর্ষায় ভ’রে ওঠে এই জমিগুলো। নদী হত্যা হলে চাষবাষের কি হবে?
![]()
এই কৃষকের কি হবে? কালো পিচে কি আর ফসল ফলানো যায়?
![]()
এই শ্রমিকের কি হবে? কিংবা জেলের? কিংবা ফসলের?
এই ধরণের প্রশ্নগুলো সাধারণত এড়িয়ে যেতে চান আমলা,মন্ত্রী,এমপিরা। এলাকার উন্নয়নের নামে তারা বিসর্জন দেন শতশত মানুষের ন্যুনতম বেঁচে থাকার অধিকার। ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আখাউড়া যাবার পথে চোখে পড়ল সদ্য তৈরি হওয়া নতুন পথ। এতটাই আঁকাবাঁকা যে আমাদের গাড়ী চালিয়ে যেতে বেশ কষ্ট হল। যদি এমন বলা হয় “বন্ধু দেশের”???!!! এত বড় ভারী ভারী লরি নেবার জন্য তিতাসের বুক চিড়ে পথ বানানো হয়েছে কেননা বিকল্প ব্রীজের এমন ভার বহনের ক্ষমতা নেই। তাহলে আমি বলব আসলে সমগ্র বাংলাদেশেরই এই ভারতীয় ট্রানজিট বহনের ক্ষমতা নেই। কেননা পুরো রাস্তাকে যেভাবে পরিমার্জন করা হয়েছে টাকা খরচ করা হয়েছে, সেই ধৈর্য্য আর অর্থব্যায় ব্রীজের পুন:গঠনে দেয়া হল না কেন? কিসের এত তাড়া কিসের ভয়ে এত হুটোপুটি করে ট্রানজিট ট্রানজিট করে মাতম করতে হবে?
![]()
ট্রানজিটের ভারতীয় বন্ধুত্বের ভার বহনের ক্ষমতা কি আমাদের আছে?
![]()
কতদূরে উন্নয়ন?
![]()
মালামাল বহনের অন্য কোন রাস্তা ছিলনা? কেন ট্রানজিটের এত তাড়াহুড়ো?
![]()
এই হল দেশের উন্নয়নের অবস্থা
যাবার পথেই চোখে পড়েছিল, দিন মজুরের পোষ্টে যেই সংস্কারহীন অযত্নে লালিত ব্রীজের কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেটারই রেলিং ভেঙ্গে উল্টে পড়ে থেতলে গেছে ট্রাক। ঠিক তেমনি হবে এই দেশের যদিনা নিজের ঘরের পথ ঘাট উন্নয়নে মনোনিবেশ না করা হয়। যদি নির্দ্বিধায় গলা টিপে মেরে ফেলি নিজের সম্পদকে। এতে অন্যরাষ্ট্র আর নিজের দেশের কতিপয় দালালের পকেট ভারী হওয়া ছাড়া আর কিছুই হবে না।
![]()
আর এই তার ফলাফল
ধানি জমির অনি:শেষ বিলুপ্তি, একের পর এক নদীকে হত্যা করা, কৃষকের কাছ থেকে তার জীবন কেড়ে নেয়া এর সবই ফিরে আসছে বুমেরাং হিসেবে। জ্বালানী আর তেলের মূল্য যেমন অবিশ্বাস্য উর্দ্ধগতির তা পরাস্ত করছে মানুষের ন্যুনতম বেঁচে থাকার চেষ্টাকে। এদেশের ০.১% মানুষ নাহয় ৩০০০টাকা দিয়ে তেল আর ২০০০টাকার চাল খেতে কিনে খেতে পারে কিন্তু বাকীদের বেঁচে থাকাই যে এক যন্ত্রণা। সেই ০.১% মানুষ নাহয় উড়াল দিয়ে উড়ে যেতে পারে ইউরোপ আমেরিকা আর মরিশাসে। কিন্তু বাকী আমাদের থাকতে হবে এই দেশে। কেননা আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ দেখি এই দেশেই, এই রাষ্ট্রেই।
![]()
এই সাধারণ মানুষের হাতই টেনে তোলে রাস্ট্রকে বারবার আর রাস্ট্র তার গলাতেই শেকল পড়ায়
স্থানীয় অনেক মানুষজন চাষের জমি তো হারাচ্ছেনই। হারাচ্ছেন সেচের পানিও। আখাউড়া থেকে আশুগঞ্জ পর্যন্ত বাঁধ আর কালভার্ট বানিয়ে কত বিস্তীর্ণ একটা অঞ্চলের মানুষজন আক্রান্ত হয়েছেন সে কথা কি ভেবে দেখেছেন আমাদের (অপ-)নীতি নির্ধারকরা?
সময় এসেছে পরিবর্তনের, শহুরে ব্লগিং করা মানুষজনেরও দু-বেলা ঠিকটাক ভাত আর স্বস্তির জীবনের জন্য রক্ষা করতে হবে নামতে হবে দেশের সম্পদকে। প্রতিরোধ করতে হবে সব অন্যায় সিদ্ধান্ত আর নতজানু নীতির।
ব্লগারদের সাথে আলাপে অনেকেই শংকা প্রকাশ করেছিলেন যে স্থানীয় রাজনীতি আর দারিদ্রের কারণে হয়ত অনেককেই সংগঠিত করা সম্ভব হবে না। হয়ত তাদের আশংকা অনেকটা সত্যও। কিন্তু এও সত্য এই মুহুর্তে প্রতিবাদ প্রতিরোধ ছাড়া আর কোন পথ নেই। ব্লগাররা কাজ করতে পারেন স্থানীয় অপনিয়ন লিডার হিসেবে। কেবল রাজধানী-কেন্দ্রীক আন্দোলনের বদলে আমরা এমনও দেখতে পারি যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া , আশুগঞ্জের ব্লগাররা প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনকে। অবহিত করেছেন স্থানীয় মানুষদের। সংগঠিত করেছেন। এটা আমাদের করতেই হবে, কেননা শেষমেশ ক্ষতিগ্রস্থ হবার জায়গায় রয়েছি সেই ৯৯.৯%।
সেই কিশোর ছুঁইছুঁই মুখটার কথা ভুলতে পারিনা কিছুতেই। দু:স্বপ্ন দেখি “বন্ধু” দেশের ট্রানজিট লরিতে পিষ্ট হয়ে থেতলে গেছে তার সমস্ত দেহ। খুব কাছের তিতাসের মত সেও মুখ থুবড়ে পড়ে আছে আর নিচ্ছে রক্তাক্ত শেষ নি:শ্বাস। আর ধূসর হয়ে আসছে তার নদীতে সাঁতার, মাছ, ক্রিকেট...।
![]()
এই কিশোরটিকে বাঁচাতে হবে, নিহত হওয়া থেকে, বিষণ্ন হয়ে স্বপ্নহীন হওয়া থেকে। তিতাসকে বাঁচানো সম্ভব। বাঁচানো সম্ভব এই দেশটাকে। দূর কর, প্রতিরোধ কর ট্রানজিট আর টিপাইমুখের কালো ছায়া।
ট্রানজিটের মালামাল পরিবহণের নামে তিতাস নদী খুন হতে পারে না, আমরা তিতাস নদী বাঁচাবই
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বানানটি ভুল ছিল পুরো পোস্ট জুড়েই, ব্লগার নীল কষ্ট 'র যথার্থ পরামর্শ মতে সেটা ঠিক করে দেয়া হল। অনেক ধন্যবাদ তাকে।
তিতাস নিয়ে পডকাস্ট করেছেন কৌশিক, সবাক, তারেক আজিজ, হাসান বিপুল, ইশতিয়াক করিম। এখানে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য ও আলাপ তৈরি করেছে ব্লগার আলী মাহমেদ শুভ। স্থানীয় মানুষজন প্রয়োজনীয় অংশগ্রহণ করেছেন। সেই পড কাস্টিং এর লিংক যুক্ত করা হল।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আবুশিথি বলেছেন:
কারে অভিসাব দিমু বন্ধুকে না আমাগো অভিবাবক হাসিনাকে ?
অমিয় উজ্জ্বল বলেছেন:
সময়োপযোগী একটি টাচি পোস্ট। কিশোর ছেলেটাকে সেন্ট্রাল ক্যারেকটার করে স্টোরি টেলিংয়ের আইডিয়াটা ভাল হয়েছে। টাচি ভাবটা ফুটে উঠেছে। তবে একই ব্লগে একই ইস্যু নিয়ে পরপর দুটি স্টিকি পোস্ট সম্ভবত এটাই প্রথম। দিন মজুরের পোস্টটা সম্ভবত সামু কর্তৃপক্ষের কাছে যথেষ্ঠ মনে হয়নি। তাই হয়তো সেটা সরিয়ে আরেকটা দেওয়া হয়েছে। একই বিষয়ের ওপর যত বেশী স্টিকি পোস্ট হবে ততবেশী সচেতনতা বাড়বে এরকম ধারণা থেকেও এটা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে দিন মজুরেরটা সরানোর দরকারটা কি ছিল সেটা বোঝা গেলনা। আপনারা যেদিন আখাউড়া গেলেন সেদিন আমি ও গিয়েছিলাম আখাউড়ায়। আমার যাওয়া অন্য কারণে,ফি সপ্তাহেই যাই।
আপনার লেখায় স্থানীয় ভাবে আন্দোলনের কথা বলেছেন, মানুষ জেগে উঠবে এমন আশা ও ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু স্থানীয় লোকেরা জানতে ও পারেন নি আপনারা ঢাকা থেকে কারা এসেছিলেন, কেন এসেছিলেন। লেখক এক জায়গায় রাজধানী কেন্দ্রিক আন্দোলনে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো সেটা হলে সমস্যা কোথায়? ট্রানজিট বা তিতাস তো কান আঞ্চলিক ইস্যু নয়। একটি নদী কিন্তু স্রেফ নদী নয়, শুধুই একটা রুট নয় বা ভৌগলিক কোন টুলস নয়। নদী একটি জীবন্ত সত্তা। একটি দেশের আইডিনটিটি। স্থানীয় ব্লগার দের নিয়ে যে আন্দোলনের স্বপ্ন দেখছেন সেটা কতটা বাস্তব সম্মত হবে আমি ঠিক বুঝতে পারছিনা। আখাউড়ার মত মফস্বলে ব্লগ শব্দটাই আনকোরা। ব্লগার পরিচয় শুনলে মানুষ হা করে দাড়িয়ে থাকে। বুঝিয়ে বললেও ফলাফল প্রায় একই। সেখানে ব্লগাররা কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে সেটা প্রশ্ন সাপেক্ষ। সেদিন আপনাদের ঘোরাঘুরি আর ছবি তোলা তুলি দেখে অনেকের কাছে এটা একরকম পিকনিক টাইপের ব্যাপার বলেও ভ্রম হয়েছিল।
সবশেষে একটা অস্বস্তির কথা বলি।আপনার লেখার একজায়গায় লিখেছেন আখাউড়ার ব্লগার আলী মাহমেদ শুভ বলেছেন ......। ভারচুয়াল মাধ্যমের লেখকদের তাহলে আঞ্চলিক পরিচিতি ও আছে। যেমন জাতীয় পত্রিকা গুলির থাকে আঞ্চলিক প্রতিনিধি। তাহলে আমরা বলতে পারি ওরা নোয়াখালীর ব্লগার, ওরা রংপুরের ব্লগার। ঢাকার ব্লগাররা নিশ্চয়ই তাহলে এলিট শ্রেনীভূক্ত হবেন। তারা জাতীয় পর্যায়ের ব্লগার(যেমন বলা হয় আঞ্চলিক পত্রিকা জাতীয় পত্রিকা ইত্যাদি)। এলিটরা আঞ্চলিকদের আন্দোলনের তালিম দেবেন। আর স্বভাবতই আন্চলিকরা রাজধানীর এলিটদের একটু অবিশ্বাসের চোখেই দেখেন। পোড় খাওয়া এসব মানুষ মনে করেন এলিটদের কাজের চেয়ে ভড়ং বেশী।
বলতেই হচ্ছে, আলী মাহমেদ ডয়েচে ভেলের প্রথম ববস নির্বাচনে বাংলা ভাষার সেরা ব্লগার, এবং তিতাস প্রসংগে প্রথম পোস্টটি তিনি লিখেন তার নিজস্ব ব্লগ সাইটে । দিন মজুরের সেই পোস্টে আমি তার লিংক ও দিয়েছিলাম। রবীন্দ্রনাথকে নিশ্চয়ই পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবেনা যে কলকাতার কবি রবীন্দ্রনাথ বলেছেন ........
আমি আশাও করি না স্থানীয় মানুষজন বুঝবেন সেই কথা। কারণ সেই সময় এবং যোগাযোগ তৈরি হয়নি। স্থানীয় মানুষজনকে ব্লগিং শেখানোর আগে, যারা ইতোমধ্যে ব্লগার/অথবা যারা ননও তারা স্থানীয় মানুষজনকে সচেতন করতে পারেন।
লেখক এক জায়গায় রাজধানী কেন্দ্রিক আন্দোলনে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো সেটা হলে সমস্যা কোথায়?
অনিহার বদলে উল্টো এটা বরং বলা উপযুক্ত যে মনোযোগের ভর রাজধানীভিত্তিক হলে সেটা দূর্বল হয়। যদি আপনি সঠিক পাঠ করেন তাহলে দেখবেন, "কেবল রাজধানী-কেন্দ্রীক আন্দোলনের বদলে আমরা এমনও দেখতে পারি যে ব্রাম্মণবাড়ীয়া, আশুগঞ্জের ব্লগাররা প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনকে। অবহিত করেছেন স্থানীয় মানুষদের। সংগঠিত করেছেন। এটা আমাদের করতেই হবে, কেননা শেষমেশ ক্ষতিগ্রস্থ হবার জায়গায় রয়েছি সেই ৯৯.৯%।" ফলে আপনার পাঠে কেবলের ব্যবহার হারিয়ে গেছে বলেই মনে হল। নদীর ইস্যু যেমন স্থানীয় তেমনি সামগ্রিকও বটে। ফলে রাজধানী এবং স্থানীয় উভয়ের শক্তিশালী হওয়া দরকার। কেবল রাজধানী কেন্দ্রীক হলে সেটা হবে না বলেই আমার অভিমত। স্থানীয় অংশগ্রহণ জরুরী।
আর এখানেই আখাউড়ার ব্লগার আলী মাহমেদ শুভ বলেছেন ...... এর ব্যবহার। আপনার চিন্তার গঠনে যেমন এলিটকরণ নিয়ে শংকা এবং আলী মাহমেদকে স্থানীয় বানিয়ে দূর্বল করার প্রচেষ্টা দেখতে পাওয়ার শুরুটাও এখানেই। মজাটা হল আপনি এর শক্তির অংশটুকু দেখতে পেলেন না, যে একজন স্থানীয় ব্লগার হবার শক্তি কতটুকু। আপনার চিন্তা যে খুব ভেতরে এলিট কেন্দ্রীক, সেটা কি খেয়াল করেছেন? কেননা এর পরের লাইনেই আপনি হাজির হলেন "বলতেই হচ্ছে, আলী মাহমেদ ডয়েচে ভেলের প্রথম ববস নির্বাচনে বাংলা ভাষার সেরা ব্লগার, এবং তিতাস প্রসংগে প্রথম পোস্টটি তিনি লিখেন তার নিজস্ব ব্লগ সাইটে । দিন মজুরের সেই পোস্টে আমি তার লিংক ও দিয়েছিলাম। রবীন্দ্রনাথকে নিশ্চয়ই পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবেনা যে কলকাতার কবি রবীন্দ্রনাথ বলেছেন ........" মানে আপনিও এলিটকরণের রাস্তায় হাঁটলেন। আলী মাহমেদকে নানাভাবে পুন:প্রতিষ্ঠা করার দায় আমার নেই। তিনি নিজেই স্বমহিমায় ভূষিত। নিজেকে আমি আপনার দেয়া এলিট বয়ানে দেখি না এবং এটাও মনে করি না যে বড় ভাই হয়ে শেখাতে গিয়েছি। আসলে শিখে এসেছি,তাই তার কথা বলা। ব্লগারদের যোগাযোগ এবং বিস্তৃতি যে দেশের সীমানা গন্ডী পেরিয়ে সেটা আমার মনে করিয়ে দেবার দরকার নেই। পোড় খাওয়া যায়গায় কেবল নিজেদের দেখতে পাবার সমস্যাটা এখানেই, ফলে আপনার বয়ানে যাদেরকে এলিট হয়ে পড়া বলে ট্যাগিং করছেন তারা হয়ে পড়ে আপনি "নিজ" বনাম "ওরা" দূরের "ভড়ং" এমনকিছু।
আমি যদি আপনার কমেন্টের উদ্দেশ্য/ভঙ্গি ইত্যাদি নিয়ে ষড়যন্ত্র তত্ত্বমূলকভাবে ভাবতে বসি তাহলে সেটাও খুবই এলিটকেন্দ্রীক ই হবে। আমি সেই রাস্তায় যাবনা। আমি রবীন্দ্রনাথ নই, আমি ডয়েচেভেলের পুরুষ্কারও জিতিনি, আমি ফিফার মত জনপ্রিয়ও নই, আমি অমি পিয়ালের মত মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজও করিনি, কিংবা রাসেলের মত তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণও করিনি, কিন্তু আমি ব্লগার এবং আমি রবীন্দ্রনাথ নই।
অমিয় উজ্জ্বল বলেছেন:
পুরস্কার সবাইকে এলিট করেনা। যেমন এলিট নন পলান সরকার বা নোবেল পাওয়া অং সান সুচী। এটা স্বীকৃতি। তবে পুরস্কার প্রাপ্তিকে পুঁজি করে এলিট শ্রেনী ভূক্ত করার চেষ্টা করা যেতে পারে। করা হয় ও। আলী মাহমেদ প্রসংগে বলার আগে বলেছিলাম “বলতেই হচ্ছে” ..এই বলতেই কেন হল আশা করি আপনি সেটা বুঝবেন। না বলে পারলাম না বলেই, অর্থাৎ এটা বলতে হলো বলে আমি ও বিব্রত। এটা এলিট করণ নয়, একজন ব্লগারকে স্থানীয় করণের প্রতিবাদ করতে গিয়ে তার অবদানটিকে মনে করিয়ে দেওয়া যে বাংলা ভাষার জন্য একটা সার্বজনীন সম্মান তিনি এনে দিয়েছিলেন। আর রবীন্দ্রনাথ এখানে সার্বজনীনতার একটি উদাহরণ। তবে অপব্যাখ্যার দরকার হলে এখান থেকে রসদ নিতে পারবেন..যেমন বলতে পারবেন আমি রবীন্দ্রনাথের সাথে আলী মাহমেদের তুলনা করেছি(!) বা তাকে এলিট করণের পথে হেঁটেছি।
আমি খুব আশা করছি এই পোস্টের সাফল্য যেন শুধুমাত্র হিট সংখ্যা আর মন্তব্য সংখা দিয়েই নির্ণিত না হয়। সত্যিকারের একটা আন্দোলন যেন হয়।
সেটা এই পোষ্ট দিয়ে কখনোই হবে না, কোন পোষ্ট দিয়েই কখনো হয় না। হবে সেই মানুষদের দিয়ে যারা সত্যিকার আন্দোলনে রক্ত মাংস দিয়ে লড়াই করবেন।
megher_kannaa বলেছেন:
একটা নদী এভাবে মরে যেতে পারেনা। একটা নদী শুধু একটা জলাধার নয়, একটা নদী হচ্ছে জীবন ও জীবিকার ভিন্ন নাম! -সহমত
হাসানগুরু বলেছেন:
আমরা হারবোনা, হারবে া না। েতামার মািটর একটি কনা ছাড়ববোনা।
কানাবাছুর বলেছেন:
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সহ এই টাইপের সংগঠনগুলি কি বলে এই বিষয়ে?
নীল কষ্ট বলেছেন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পোস্টে কোথাও বানানটি ঠিক নেই।
হয় মর নতুবা মার( চরমভাবে প্রতিবাদী হতে হবে)__এখন এই নীতিতে চলতে হবে।
এই শেষ আশাটা লালন করতে পারে না আমাদের নেতারা তাই আমাদের এত অধপতন। তারা ভাবে দেশতো কবেই শেষ, আমি আরেকটু ক্ষতি
করলে ক্ষতি কী!!!
মাইন রানা বলেছেন:
বাকশালের সময় ছিল এক নেতার এক দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশএখন এক দলের এক দেশ আওয়ামীলীগের বাংলাদেশ
মুনিম সিদ্দিকী বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাই এমন একটি পোস্ট দেবার জন্য। ফেসবুকে আমি শেয়ার দিয়েছি। http://www.janalablog.com
প্রবাসী বলেছেন:
বাংলাদেশের জনগণ যতদিন এই দুই অগণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল আর এই দুই পারিবারিক রাজনৈতিক মাফিয়া দ্বারা শাসিত হবে, ততদিন কোন ন্যায়বিচার হবেনা। ‘আরব স্প্রিং’ এর মত বাংলাদেশেও এখন দরকার এক বিপুল অহিংস আন্দোলন। এবং ভাল মানুষদের দিয়ে একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করতে হবে যারা ২০১৩ সাধারণ নির্বাচন উভয় অগণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলকে পরাজিত করবে।
দেশী পোলা বলেছেন:
এত এত কথা না কইয়া লাঙল কোদাল নিয়া খাল কাইটা নদীর উপরের রাস্তা সরাইলেই তো হয়। দামী ক্যামেরা যে হাতে ঝোলে, সেহাতে কোদাল উঠবে কবে?
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
এটি অত্যান্ত অসাধারণ একটি লেখা হয়েছে। এরকবম লেখা দেখেলে ব্লগের প্রতি প্রেমটা আবার নতনু করে বেড়ে যায়। মনে হয় সব ছেড়ে ব্লগে পড়ে থাকি সেই ২০০৬ আর ২০০৭ এর মত। ..জীবাশ্ম ব্লগার শব্দটা কে দিয়েছে। বেশ লেগেছ।
তামীম বলছি বলেছেন:
***হাফিজ*** বলেছেন: জেগে ওঠ হাসিনা বেঁচে উঠো তিতাস বাংলাদেশের জন্য আজ হাসিনার দেশপ্রেমের বড়ই প্রয়োজন। কেমন করে এমন সিদ্ধান্ত নিল সরকার!
হুমায়ুন কবির সবুজ বলেছেন:
we are too small to say anything, but we try to say. because we are loser public.
অমিয় উজ্জ্বল বলেছেন:
দেশী পোলারে উত্তম রূপে ঝাঝা।
নীলমেঘ আমি বলেছেন:
আপনি কি লেখক?লেখালেখির অভ্যাস আছে কি আপনার?
আসছে একুশে বই মেলায় আপনার কি কি বই বের হচ্ছে?
এখন জানুয়ারি মাস, আর মাত্র এক মাস পরই শুরু হবে, বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গনে একুশে বই মেলা। যারা এবার বই বের করার কথা ভেবেছিলেন, তারা কিন্তু তাদের কাজ গুছিয়ে এনেছেন আশা রাখি।
আর এই বই মেলা, লেখক এবং বই নিয়ে আমাদের একদম নতুন ওয়েব সাইট লেখক ( ফেইসবুক পেইজ http://www.facebook.com/lekhok.boi ) ( http://www.lekhok.net/ ) । এখানে একুশে বই মেলার সব আপডেট তথ্য দেওয়া থাকবে। আর বিভিন্ন প্রকাশনির তথ্যও দেওয়া থাকবে।
আপনি আপনার অথবা আপনার পরিচিত ব্যাক্তির বই, প্রকাশনি, লেখক বা যে কোন ধরনের তথ্য দিয়ে আমাদেরকে সাহায্য করতে পারেন। এখানে তথ্য দাতার নাম উল্লেখ থাকবে।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন এডমিন এর ই-মেইলে
আমাদের লেখক কুলায় ( http://www.lekhok.net) আপনাকে আমন্ত্রণ।
অপরাজিতার কথা বলেছেন:
ব্লগারদের জন্য শুভেচ্ছা।আশা করছি এই আন্দোলন ফলপ্রসূ হবে এবং সরকার বুঝবে ,জনগনকে সবসময় দমিয়ে রাখা যায় না........ছেলেটির হাসি অমলিন থাকুক...
মাহমুদ মান্না বলেছেন:
ববিজী বলেছেন: ইতিমধ্যে ভারত বাংলাদেশের ভেতরে অনেক ভারতীয় রাজাকার তৈরী করে ফেলেছে।নিচে দেখেনতো
১। ড: গওহর রিজভী
২।দ্বীপুমনি
৩।তৌফিক এলাহী
৪।আবুল মাল
৫।শেখ হাসিনা
৬। পুরো মন্ত্রীসভার ৮০%
৭। উপদেস্টা পরিষদের ৭৫%
৮।BALএর ৯০%
স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:
এই কিশোরটিকে বাঁচাতে হবে, নিহত হওয়া থেকে, বিষণ্ন হয়ে স্বপ্নহীন হওয়া থেকে। তিতাসকে বাঁচানো সম্ভব। বাঁচানো সম্ভব এই দেশটাকে। দূর কর, প্রতিরোধ কর ট্রানজিট আর টিপাইমুখের কালো ছায়া। [/sbএই প্রথম এমন একটা লেখাই মন্তব্য করতে পেরে ভাল লাগছে! লেখক কে স্যালুট।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।