আমার যত মিঁয়াও-২
২৯ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩
আগের পর্ব Click This Link
সাইমন আস্তে আস্তে বাসায় থাকা কমিয়ে দিচ্ছিল। তখন সে পুরোপুরি বড় হয়ে গেছে। একসময় দেখা গেল বাসায় আবার নিয়মিত থাকা শুরু করেছে। কিন্তু আগের মত আর লাফঝাপ করেনা, আস্তে আস্তে হাঁটে, বেশীর ভাগ সময় ঘুমায়। হঠাৎ এত অলস হয়ে গেল কী করে সেটা বোঝা গেল কয়েকদিন পর, যখন ওর পেট ফুলতে শুরু করল। আম্মা রাগারাগি শুরু করলেন, বললাম যে ছেলে বিড়াল দিতে, এইটা দেখি বাচ্চা পেটে ধরেছে।
তবে ততদিনে সাইমন আমাদের এত আপন হয়ে গেছে যে সে বাচ্চা দিবে জেনে আমরা আরও খুশী হলাম। আর সারাক্ষণ ভয়ে ভয়ে থাকতাম, কার বিছানায় না বাচ্চা দিয়ে দেয়। একদিন হঠাৎ দেখি তার পেট নায়িকাদের মত স্লিম হয়ে গেছে। কিন্তু কোথায় গেল বাচ্চা। সারা বাড়ি খুঁজেও পাওয়া গেলনা। তারপর কাজের ছেলে গোয়েন্দাগিরি শুরু করল। সাইমনকে সারাক্ষণ চোখে চোখে রাখল। তারপর দেখা গেল সে সবার নজর এড়িয়ে বাথরুমের উপরের স্টোরে যাওয়া-আসা করছে। মই লাগিয়ে আম্মা উঠলেন। টর্চ দিয়ে দেখা গেল তিনটা ইঁদুরের মত বাচ্চা, যার মধ্যে দুইটা কিলবিল করছে, একটা এক কোনায় পড়ে আছে। আম্মা অনেক কষ্টে সেটাকে বের করে নিয়ে আসলেন। মারা গেছে ওটা। দেখতে পুরোপুরি সাইমনের মত।
বাকী দুইটার মধ্যে একটা সাদা-কালো, আর একটা পুরো সাদা, শুধু পেছনের এক পায়ের হাঁটুতে একটা কালো ছোপ আর মাথায় একটু কালো ছোপ। আমরা মাঝে মধ্যেই টর্চ নিয়ে দেখতাম বাচ্চাগুলো। পরদিনই দেখা গেল সাদা-কালো বাচ্চাটাও নড়ছেনা। আম্মা আবারও বের করে এনে দেখলেন, এটাও মারা গেছে। আমরা সাইমনের উপর খুব রাগ করলাম, বাচ্চাগুলোর যত্ন একদমই নিতে পারছেনা সে। শেষ বাচ্চাটা আবার খুব চঞ্চল, সাইমনকে কাছে পেলেই টলতে টলতে গিয়ে খাওয়া শুরু করে দেয়। একেক সময় এত নড়াচড়া করে যে সাইমন হাই তুলতে গেলে তার মুখের ভিতর ঢুকে যায়।
এক সপ্তাহের মধ্যেই সাইমন আবার আগের রুটিনে ফিরে গেল। বাইরেই থাকত বেশীর ভাগ সময়। এদিকে তার বাচ্চাটা ক্ষুধায় চিৎকার করতে থাকত। এই বাচ্চাটার নাম দেয়া হল নিউটন (এটারও নামকরণের কপিরাইট মেজআপার)। একদিন নিউটন তারস্বরে চিৎকার করছে, এদিকে সাইমনের কোন খবর নেই। আমরা জানালা দিয়ে এদিক ওদিক খুঁজে বের করলাম ওকে, পাশের বাসার টিনের চালে একটা কালো হুলো বেড়ালের সাথে ডেটিং করছে। আমরা ডাকলাম অনেকবার, সে শুধু একবার নিরস বদনে তাকিয়েই আবার হুলোর দিকে মনযোগ দিল। বুঝলাম এটাকে শিক্ষা না দিলে আর চলছেনা। নিউটনকে নামিয়ে আনলাম স্টোর থেকে। এরপর জানালা দিয়ে বাইরে ঝুলাতে থাকলাম। নিউটনের চিৎকার শুনে সাইমন তাকাল। তারপর লাফ দিয়ে ঘরে চলে আসল। নিউটনকে ততক্ষণে ঘরে ঢুকিয়ে এনেছি। সাইমন ওকে মুখে নিয়ে আবার স্টোরে রেখে নেমে আসল। তারপর তার রাগ দেখে কে। বাথরুমের সামনে দিয়ে পায়চারি করতে করতে কর্কশ গলায় মাও মাও করতে থাকল। সবাইকে ইচ্ছা মত বকাঝকা করে আবার নিউটনকে নামিয়ে আনল।
এবার তাকে নিয়ে সোজা বড়পার বিছানায় উঠিয়ে রাখল। বড়পা সাথে সাথে লাঠি নিয়ে দৌড়ানি দিল। ভয়ে সে আমাদের বিছানায় আসতে চাইল, কিন্তু এবার মেজআপা দৌড়ানি দিল। মনের দুঃখে সে তার নিজের জন্য বানানো বিছানাতেই নিয়ে রাখল।
এরপর শুরু হল নিউটন কাহিনী........................।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিলাই, মিয়াঁও ;
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু।
লেখক বলেছেন: বিড়ালরা স্বভাবতই বেয়াদব হয়। খালি খাওয়া আর আদর ছাড়া অন্য কিছুতে পাত্তা দেয়না।
গোয়েবলস বলেছেন:
আপনার সাইমনের কথা পড়ে আমার পুষির কথা মনে পড়ে গেলও মারা গেলে আম্মু আমাকে জানায়নি কান্নকাটি করব বলে।
লেখক বলেছেন: দুঃখজনক।
লেখক বলেছেন: হালুমমমমমমমমমমম।
লেখক বলেছেন: ধইন্যা। চলবে আমি বেঁচে থাকলে।
চারুলতা বলেছেন:
হা হা হা দারূণ লাগছে চালিয়ে যান।
লেখক বলেছেন: চলবে চলবে।
লেখক বলেছেন: ভয় পেলে কাছে যাবার দরকার নেই।
জানি না কেন, কোনদিনই কোনরকম পশুপাখি হতে ১০০ হাত দূরে...
কেমন জানি একটা ভয় কাজ করে।
লেখক বলেছেন: ভয় থাকতে পারে। এটা অস্বাভাবিক কিছু না।
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
ডেটিং করতে গিয়ে বাচ্চাকেও ভুলে যায়। .... সাম রাখি না কুল রাখি অবস্থা আরকি।
লেখক বলেছেন: সেটাই দেখলাম।
ইজীটক বলেছেন:
বিলাই থিকা নিউটন শুরু করবেন, কেমন জানি হইয়া গেল না..।
লেখক বলেছেন: সবসময় আপেল দিয়েই নিউটনের কাহিনী শুরু হবে, ব্যাপারটা বোরিং।
ইজীটক বলেছেন:
বুঝলাম, নিউটন বিলাই নিয়া ও খেলা করছে।
লেখক বলেছেন: নিউটনের খেলা করার মত বুদ্ধি ছিল না। সবকিছু নিয়ে গবেষণা করা ছিল তার কাজ। নাহলে কি আর আপেল পেয়ে সেটা খাওয়া বাদ দিয়ে গবেষণা শুরু করে কেউ?
লেখক বলেছেন: ও আপনি ছিলেন তাহলে হবার সময়। ![]()
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ভয়ে ভয়ে দুইটা কথা!ফটুকে বায়ে যেইটা হা কইরা আছে সেইটা কি খাটাশ?
বিলাইয়ের প্রেম কাহিনী যে এতো রোমান্টিক হয় আমি বাপের জনমে বাদ দেন, দাদার জনমে ধার কইরাও শুনি নাই। তয় রোমান্টিসিজম কই পাইলাম এখন আবার বুঝতাছি না। মনে হয় এইডা বিলাইয়ের বাচ্চাগো লিগা আমার মনে এতই দরদ হইছে যে নিউটন মরলে আ[নের পিছনে শিওর সিংহ লেলায় দিমু!
তাই হুশিয়ার করলাম ভয়ে ভয়ে (সিংহ মামুরে রিকোয়েস্ট করছি ইমেইলে আপনের পিছনে লাগনের লিগা, অখনো মেইল ব্যাক করে নাই) যদি নিউটনের কিছু হয়, আগুনের গোডাউন কিন্তু ঘরে ঘরে জ্বলবো!
লেখক বলেছেন: বিলাইয়ের বাচ্চারে খাটাশ কইলেন? আপনের খবর আছে।
নিউটনের কী হইছে পরে জানবেন। সবাই খালি শেষ দৃশ্য আগে দেখবার চায়।
সেতূ বলেছেন:
আম্মা রাগারাগি শুরু করলেন, "বললাম যে ছেলে বিড়াল দিতে, এইটা দেখি বাচ্চা পেটে ধরেছে।"
মজা পাইলাম ...
লেখক বলেছেন: মজা পেয়েছিলাম আমরাও।
লেখক বলেছেন: ছিল বলেন কেন? জীবন কি শেষ নাকি। তবে আগে থেকেই হবু বউয়ের অনুমতি নিয়ে রাখা ভালো।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
খাটাশ কমু না তো বিলাই কমু নাকি? আপনে তো মিয়া খাটাশ কোনডা আর বিলাই কোনডা, সেইডাই চেনেন না!লেখক বলেছেন:
![]()
![]()
![]()
![]()
এই দেখেন একে বলে খাটাশ।
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
হা হা হা , খুঊঊঊঊঊব মজা পেয়েছি আপি ... সত্যি সত্যি সায়মনের কান্ড কারখানা পড়লে মনেই হয় না ও একটা বিল্লি ছিল .... এবার নিউটনের কাহিনী পড়ার অপেক্ষা করছি ... লিখতে বেশী দেরী কোরোনা কিন্তু লেখক বলেছেন: বেশী না, একটু দেরী করব। তোমার আপিটা খুব অলস।
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
নাহ দুনিয়াটাই মায়া। আমাদের কুকুরগুলোর মত আপনাদের বিড়ালগুলোও দেখি বংশনুক্রমে আপনাদের বাসায় স্থান করে নিয়েছে।
লেখক বলেছেন: তা বটে তা বটে।
সাইফুর বলেছেন:
বিড়াল কাহিনিতো মজাই লাগছে..
লেখক বলেছেন: ![]()
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ও আইচ্ছা, আমি তো ভুইলাই গেছিলাম আসলে সব বয়সের দুষ। কই থুইয়া কই যাই, কি থুইয়া কি দেহি কিছুই ঠিক নাই!যামু টয়লেটে ছোটডা করতে মনের ভুলে চইলা যাই মসজিদে নামাজ পড়তে, চলতাছে আছরের টাইম, পইড়া আইলাম জোহর, যামু অফিস ঢুকলাম সিনেমা হলে। ফোন আইলে বুঝবার পারি আজকা বুধবার অথচ মনের ভুলে ধইরাই লইছিলাম আজকা শুক্রবার!
আসলে কি যে করি ঠিক নাই, সব বয়সের দুষ! তয় আপনের কবিতাখান দারূন হইছে! কেমন জানি ছন্দে ছন্দে মিলছে!
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনি যে আমার কবিতার এত বড় (ভাতের) ফ্যান, ঝানতাম না।
পাপী বলেছেন:
এতো ছোট করে লেখেন ক্যান? দুই পর্ব একসাথে দেন।
লেখক বলেছেন: এইটা ছোট? এরচেয়ে বড় দিলে আমি নিজেই পড়বনা পুরোটা। আগের পর্বের লিংক দিলাম, এটা অবশ্য আগেই করা দরকার ছিল।
লেখক বলেছেন: হে হে। আসলে সাইমনের নামের সাথে মিল রেখে এই নাম দেয়া হয়েছিল। এরচে বেশী আমি কিছু জানিনা, যে নাম রেখেছে তাকে জিজ্ঞেস করেন।
কালপুরুষ বলেছেন:
আমি চিন্তা করতেছি সায়মন ডেটিং করা শিখলো কার কাছে? ডাল মে কুছ কালা হায়!!!
লেখক বলেছেন: আরে ব্লগের নাম্বার ওয়ান হিরো চলে এসেছেন। কিন্তু এইটা কী কইলেন। তখন আমি নান্নিসি মুন্নিসি ছোটিসি বাচ্চি থি।
চোরকাঁটা বলেছেন:
ঘটনা কি?! চোখে কি ব্যারাম হইলো নাকি?! লেখা দুইবার দেখি ক্যা?!
সাইমন, নিউটন এর পর কি মিল্টন?
লেখক বলেছেন: আসলে এডিটিং এর সময় দুইবার চাপ পড়ছিল, ঠিক কইরা দিলাম।
দেখেন না আর কী আসে।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আমি ভাতের ফ্যান খামু! কুটিকালে খাইতাম, বড়ই সোয়াদ আছিলো। অখন আম্মাজান খাইতে দেয় না, বইনে কয় টমাটুম হইয়া যামু!আমারে ভাতের ফ্যান দেও!
লেখক বলেছেন: আপনি ভুল নম্বরে ডায়াল করেছেন। আমি ভাতের ফ্যান রাখিনা, শুকিয়ে ফেলি, নাহলে ভাতের সব ভিটামিন ওতে চলে যায়।
লেখক বলেছেন: অত জোরে ধাক্কা দিয়েন না বইন, পইড়া গেলে আর লিখতে পারুমনা।
লেখক বলেছেন: মেজপার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আপনি ভুল নম্বরে ডায়াল করেছেন। আমি ভাতের ফ্যান রাখিনা, শুকিয়ে ফেলি, নাহলে ভাতের সব ভিটামিন ওতে চলে যায়।এই জন্যই চাইছি। তা আপনের নম্বরটা কত? একটু জানবার চাই
লেখক বলেছেন: ১১২৯
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ফুন নম্বর চাইলাম আপনে রূম নম্বর দিলেন? বস আমি অখনো অত এ্যাডভান্স হই নাই। আমারে ক্ষমা করেন। খুব বেশী হইলে আমার ইমেইল আইডি দিবার পারিআমারে খেমা দেন!
লেখক বলেছেন: নাম্বারের মর্তবা বুঝলেন না ক্যান।
১১২৯ = ১ ১২ ৯ = এক বারো নয় = not even once
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
মাগো আপনেরে রূম থিকা বাইর কইরা দিছে? প্রভোস্ট আপনেরে এই কথা কইছে? রুমে কি করছিলেন কওন যাইবো?দরকার প্রভোস্টরে টালা মারনের ব্যাবস্হা করুম আপনেগো বদরুননেসায়!
লেখক বলেছেন: বাঁচাও কে কোথায় আছো আমাকে বাঁচাও। আমারে উদাসী পাগলায় ধরছে। আমার নাটবল্টু সব খুইলা লইয়া যাইতাছে। তাড়াতাড়ি আমারে উদ্ধার কর।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
উদাসী..নামডা আমার চেনা লাগতাছে? এই বাচ্চা পোলাডা আপনেরে কি করছে? আপনে এত চেচাইতাছেন ক্যান?এই শিশুডারে ফাসানির ধান্ধা নাই তো?
একটা তদন্ত কমিটি আপনের রুমের সামনে বসানোরর তীব্র দাবী জানাইতেছি মৃদু তালে!
লেখক বলেছেন: ঝাড়ু লইয়া ক্ষেদামু যদি কমিটি আমার রুমের সামনে বইসা মিরিদু তালে বাজনা বাজায়।
কালপুরুষ বলেছেন:
আমারে হেরো কওনের তেব্রো পূর্তিবাদ।
লেখক বলেছেন: কন কী? আপনে তাইলে হেরোইন????????
কালপুরুষ বলেছেন:
আমারে পচাইলে সোজা চিড়িয়াখানায় পাঠায়া দিমু। বুঝবা খাঁচায় থাকতে কেমুন লাগে।
লেখক বলেছেন: আপনি শুধু শুধু রাগ করছেন কেন ভাইয়া। আপনার তো খুশী হওয়া উচিৎ। আমি কি পচাচ্ছি নাকি দেখেন। Click This Link
শ্রাবনের ফুল বলেছেন:
মিঁয়াঁও আপু...
লেখক বলেছেন: হালুমমমমমমমমমমমমম।
শ্রাবনের ফুল বলেছেন:
আচ্ছা আপু বাঘ পোষা যায় না? বিড়াল ছানার বদলে বাঘের ছানা পুষলাম আর কি...
লেখক বলেছেন: কেন যাবেনা? পুষেন না?
লেখক বলেছেন: জ্বী, ভাতে শর্করা ছাড়াও ভিটামিন বি থাকে। যেটা মাড়ের সাথে চলে যায়।
লেখক বলেছেন: কিছু তো শিক্ষা নিছেন। আমি ধন্য।
কালপুরুষ বলেছেন:
খাইছে! আমার হিরু হওনের পোস্টতো আমি দেখি নাইক্কা!! কেমতে কি!! যেইহানে আমার হিরুর বাপ হওনের কথা ঐখানে আমি নিজেই হিরু!! কই যাই!! ছবি পুরা ফ্লপ যাইবো। প্রযোজকের মাথায় বাড়ি। পরিচালকরে পাবলিক লোড়াইবো। তাইতো কই বড় বিলাই এই কথা কওনের মানি কী!!
লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু আপনারে ভুট দিইনাই। তয় ভুটাভুটি দেইখা বুঝছিলাম ঠেকান যাইব না।
শাওন৭৯ বলেছেন:
২ ডা ছানার মৃত্যুবরণে শোকাভিভূত।
লেখক বলেছেন: হুমম।
ইজীটক বলেছেন:
আপনার নিউটনের ডেটীং কাহিনী কই, তারাতারি পোস্টান।
লেখক বলেছেন: সরি ভাই, ছুটি কাটাতে গিয়ে সময় পাচ্ছি না।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
মাথার স্ক্রুগুলান কি পইড়া গেছে? না পাইলে জানান দেও, আমি বাটি চালান টেকনোলজি ব্যাব হার করুম!
লেখক বলেছেন: মনে হয় পড়ছে। তাড়াতাড়ি বাটি চালান দেন।
নীল-দর্পণ বলেছেন:
নিউটন কাহিনী র অপেক্ষায় রইলাম
লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রাখার জন্য দুঃখিত। চেষ্টা করব শিগগির দিতে।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মাথার স্ক্রুগুলান কি পইড়া গেছে? না পাইলে জানান দেও, আমি বাটি চালান টেকনোলজি ব্যাব হার করুম!ব্যাপারটা কি? নয়া লেখা কই?
লেখক বলেছেন: বাটি চালান দিয়া স্ক্রু উদ্ধার কইরা দেন, তারপর নয়া লেখা আসবে।
লেখক বলেছেন: অবশেষে মুক্ত ভাই আমারে উদ্ধার করতে আসছেন।
লেখক বলেছেন: বাঘডি বৃষ্টিতে ভিজা বিলাই হয়া গেছে। পারতেছে না আর।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
মুক্ত বয়ান বলেছেন: লুল উদাসী() এইখানে কি চায়!!!!আমার লুল তুমি কুন বাটিত ধরছো? এগুলান জমায় কি করবা? খাইবা নাকি?
বিলাই, তুমারে ছাড়ান নাই, আমি সিংহ ভাড়া করতাছি নতুন লেখা না দিলে!
লেখক বলেছেন: দুই দিন না গেলে নতুন লেখা দেওন যাইত না। সিংহ মামার লগে ভাব কইরা নিমু।
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
![]()
লেখক বলেছেন: কী দিলে ভালো হয় সাজেশন দেন।
আমার মনে হয়, বছ বুঝতে পারতেছেন, আমি কি বলতে চাইতেছি.... ।
লেখক বলেছেন: ঠিক বুঝতে পারিনাই। মাথায় ঘিলু কিছু কম আছে। তবে আপনার সাজেশন কাজে লাগাবো।
মুসাফির... বলেছেন:
আমার কাহিনী সংক্ষেপিত- আপনারটা আগে পড়িনাই। লিংক পেয়ে পড়লাম। ধন্যবাদ । তবে ভয়ের কথা হলো - আমার কাহিনী আরো লিখে আপনার চোখে পানি আনতে পারব। এটা আমার বিশ্বাস। কি বলেন .... আনব নাকি ? চোখের পানি ?
লেখক বলেছেন: ভাই আপনি যদি লিখে মন হালকা করতে পারেন তাহলে অবশ্যই লিখবেন। আর আমি যে "সমব্যথী" কথাটা লিখেছিলাম, এটা কিন্তু শুধু বিড়ালের জন্য না, আমার চোখের পানি শুধু আমার জন্যই, সবকিছু শেয়ার করা যায় না।
লেখক বলেছেন: অয়েল কাম।
মুসাফির... বলেছেন:
আমার মন্তব্যের বিপরীতে আপনার বক্তব্যটি মনোযোগ দিয়ে কয়েকবার পড়লাম : নজরুলের কবিতার জানা ক'টা লাইন স্বরন করিয়ে দিতে চাই: দৃষ্টতা মনে করবেন না যেন : মেইল পেলে খুশী হতাম: ভিক্ষা ঝুলি নিয়া ফের' দ্বারে দ্বারে ঋষি
ক্ষমাহীন হে দুর্বাসা ! যাপিতেছে নিশি
সুখে বর বধু যথা- সেখানে কখন
হে কঠোর- কন, গিয়া ডাক-- মুঢ়, শোন,
ধরনী বিলাস-কুঞ্জ নহে নহে কারো,
অভাব বিরহ আছে, আছে দুঃখ আরো,
আছে কাঁটা শয্যাতলে বাহুতে প্রিয়ার,
তাই এবে কর্ ভোগ!
লেখক বলেছেন: ভাই আমি আবার কবিতা বুঝি কম।
লেখক বলেছেন: ধইন্যা ধইন্যা।
লেখক বলেছেন: পড়তে থাকুন। ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

























চমৎকার।চলুক।+++