আমার মানসিক সমস্যা
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৬
একেবারে ছোটবেলা থেকেই একটা সমস্যা আছে আমার, ছোটবেলা মানে যখন থেকে স্মৃতি মনে করতে পারি, ('বুদ্ধি হবার পর থেকে' কথাটা আমার পছন্দ না, আমার এখনও বুদ্ধি-সুদ্ধির অভাব আছে)। সমস্যাটা হল আমি কিছু বিশেষ শব্দ সহ্য করতে পারি না। পারি না বললেও ভুল হয়, সহ্য করতে হয়, কিন্তু খুব কষ্টে। কিন্তু শব্দগুলো প্রকৃতপক্ষে বিরক্তিকর কিছু না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমি নিজেও এগুলো করে থাকি, কিন্তু কেন যেন অসহ্য লাগে, আমার নিজেরই সমস্যা এটা।
যেমন, কেউ যখন ফিসফিসিয়ে কিছু বলে, কেন যেন আমার প্রচন্ড বিরক্ত লাগে। কখনও কখনও রুগীরা ফিসফিসিয়ে তাদের সমস্যার কথা বলে। তাদের কিছু করার নেই, আউটডোরে অনেক মানুষের সামনে সমস্যার কথা বলতে হয়, এটুকু করাই লাগে, বুঝি। কিন্তু তবুও মেজাজ খারাপ হতে থাকে। বিরক্তি চেপে তাদের কথা শুনতে হয়। কেউ যখন ফিসফিসিয়ে কোন দোয়া করতে থাকে, সেটাও সহ্য করতে পারি না, অথচ এরকমটা আমি নিজেও করি।
চা খাওয়ার সময় যে সুরুৎ সুরুৎ শব্দ করে অনেকে (আমি বলছি না এটা খারাপ একটা কাজ), শুনলে না শোনার চেষ্টা করতে থাকি, তবুও কানে এসেই যায় আর রাগ লাগতে থাকে অকারণেই। এই শব্দটা অবশ্য আমি নিজে করি না বলেই জানি।
কোন কিছু খাওয়ার সময় মুখ বন্ধ না করে চিবালে যে চাকুম চুকুম, চাপুর চুপুর শব্দ হয়, কিছুতেই সহ্য হয় না। মাঝে মাঝে এমন কেউ পাশে খেতে বসে শব্দ করতে থাকলে উঠে সরে যাই, সব সময় সম্ভবও হয় না, কী যে এক যন্ত্রণায় পড়ি তখন। আমি নিজে খাওয়ার সময় চেষ্টা করি মুখ বন্ধ করে চিবোতে, তাই বলে একেবারে নিঃশব্দে যে খাই তা নয়, কিন্তু অন্যেরটা সহ্য হতে চায় না একদম।
বাসে জার্নি করতে হয় প্রায়ই, কেউ যখন বাসে বসে চিপস খায় মুচুর মুচুর করে, ইচ্ছা করে বাস থেকে নেমে যাই। অথচ আমি জানি আমি চিপস খেলেও একই শব্দ হয়। কিন্তু তখন মনে হয়, চিপস ছাড়া আর কিছু খাওয়ার জন্য পেল না এরা।![]()
জোরে গলা খাকারি দিয়ে গলার কফ পরিষ্কার করার শব্দ, অনবরত হাঁচি-কাশি দেয়ার শব্দ কিছুই সহ্য হয় না। প্রথম কাজটা না করলেও পরেরটা আমার বছরের কিছু নির্দিষ্ট সময় হবেই। কিন্তু অন্যেরটা যে সহ্য করতে পারি না, কী করব? মনে মনে নিজেকে মাইনাস দিতে থাকি শুধু।![]()
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হাবিজাবি ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আমারে যন্ত্রণা দিয়া জিগান কিরাম আছি?
দূর্ভাষী বলেছেন:
কি আর করবেন যে জিনিসগুলি আপনার মধ্যে বিদ্যমান, অন্যের সেগুলি ইচ্ছা না থাকলেও মেনে নিতে হবে, নিতে হয়।
লেখক বলেছেন: মেনে তো নিই। এতদিনেও কেন সয়ে গেল না সেটা ভেবেই বিরক্ত লাগে।
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
কেমুনাছো???
লেখক বলেছেন: ভালা।
লেখক বলেছেন: হে হে হে।
সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার বলেছেন:
আফা কি বিবাহিতত !!!?? তাহলে ভাইয়ার সাথে ঝগড়া হলে সারাদিনই এই কাজগুলা/শব্দগুলা(চাকুম চুকুম, চাপুর চুপুর, মুচুর মুচুর) করতে থাকবে,,,,,হা হা হা লেখক বলেছেন: সে কি আর আমার জানা নেই? টারজানকে এই তথ্য দিয়ে নিজের মাথায় মুগুড় ভাঙব নাকি আমি।
লেখক বলেছেন: সমস্যার তো অভাব নেই, একটা মাত্র বললাম। নিজের চিকিৎসাই পারি না, আপনার কী করব?![]()
হাসান মাহবুব বলেছেন:
মাই গড! আমারও এই টাইপ সমস্যা আছে। কেউ ডাল বা তরকারি দিয়ে ভাত খাওয়ার সময় যে ফুরুত ফুরুত শব্দ করে ঐটা শুনলে আমার মনে হয় যে আমি মারা যাচ্ছি, আমার মাথায় কেউ কুড়াল দিয়া বাড়ি দিতাসে মনে হয়। একদমই সহ্য করতে পারিনা। সেই ছোটবেলা থেকে এই সমস্যা, এখনও আছেই লেখক বলেছেন: ডাল খাওয়ার শব্দের কথা বলতে মনে ছিল না, এটাও সহ্য করা মুশকিল। একজনকে দেখেছি, যে কোন কিছু খেতে গিয়ে এই শব্দটা করে, কেমনে করে সেটাই আশ্চর্য ব্যাপার, এমন কি শুকনো শাকভাজি দিয়ে ভাত খেতেও তার সুরুৎ সুরুৎ আওয়াজ হয়।
আমাদের এই সমস্যার সমাধান কী?
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
আমার এই সমস্যাগুলোর সাথে আরো দুইটা বিচিত্র সমস্যা আছে...১. বাসে আমার পাশের জন যখন আয়েশ করে ঘুমাতে ঘুমাতে আমার কাঁধে মাথা রাখে (ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে) গায়ের ভিতর শিরশির করে ওঠে...
২. সিগারেটের গন্ধ। যখন আমি খাচ্ছি না কিন্তু আশপাশে অন্যকেউ খাচ্ছে
লেখক বলেছেন: এই রোগ অনেকেরই আছে দেখা যায়।
এন এইচ আর বলেছেন:
বড় বিলাই আবার কিভাবে ফিসফিসানী সহ্য করবে???????????????বাকি গুলা মেনে নিতে হবে কিছু করার নাই..............তবে গলা খাকারী দিয়ে পরিস্কার উহ মনে হয় যে করে তার গলাটাই কেটে ফেলি
লেখক বলেছেন: আর বলবেন না, কি যে অসহ্য লাগে যখন রোগীরা এসে মুখের উপর কাশতে থাকে। মুখে কাপড় দিতে বললেও না শোনার ভান করে, দেখাতে চায় সে কত অসুস্থ। সব সহ্য করে নিতে হয়।
নীল-দর্পণ বলেছেন:
"মুখ বন্ধ না করে চিবালে যে চাকুম চুকুম, চাপুর চুপুর শব্দ হয়, " শব্দটা শুনলেই আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যায়।
লেখক বলেছেন: এইখানে হাসির কী আছে শুনি? পুলাপাইন মানুষ হইল না।
তাজা কলম বলেছেন:
আমরা যে বাংগালী ভুইলা গেলে চলবে নাকি। হায় রে কানাকানি, ফিসফিসিয়ে কথা বলায় কি যে উত্তেজনা, এইটা না বুঝলে তো চলবে না। চা খামু, মুড়ি-চানাচুর খামু, আর শব্দ হইব না এটা কি আমাগোর চরিত্রের সাথে মানায়! আর গলাখাকারি দিয়া কথা বলা তো আমাগো জিনের মাঝেই লেখা আছে। ডাক্তার বড় বিলাই, আগে নিজের চিকিৎসা করান, নইলে তো পাগল হইয়া যাইবেন!
লেখক বলেছেন: পাগল হইলেই বাঁচি, কিছু আর পাত্তা দিমু না কে কী শব্দ করল না করল।
চিকনমিয়া বলেছেন:
আমারডা কই আফা, আমার সামনে কেউ নাক খুচাইলে মেজাজডা এমন খারাপ হয়, মাইর দিতাম মনে চায়
লেখক বলেছেন: আমি এইখানে শুধু শব্দগুলার কথা কইছি। নাক খুঁচানো, থুথু ফেলা এইগুলা দেখলে ইচ্ছা করে নাকে-মুখে স্কচটেপ মাইরা দিই।
লেখক বলেছেন: বাঁচছি আমার সাথে কেউ হাত মিলাইতে আসে না।
লেখক বলেছেন: ইয়ে মানে, এই জিনিসটা আমি অনেক দিই।
লেখক বলেছেন: মুখে খাবার নিয়ে কথা বলা, মুখে টুথব্রাশ নিয়ে কথা বলা, টুথব্রাশ মুখে ঝুলিয়ে ভ্রমণ করতে বের হওয়া সবগুলোই বাজে লাগে।
ও আচ্ছা দাঁত ব্রাশ করার শব্দটাও খুব বিচ্ছিরি লাগে, যদিও নিঃশব্দে ব্রাশ করতে আমিও পারি না।
লেখক বলেছেন: আমারওতো।
জেরী বলেছেন:
আরো আছে........১.কথা বলার সময় অনেকে গায়ে হাত দেয়,খুব বাজে লাগে(আমার বেস্ট ফ্রেন্ড কণা এমন করে যেটা নিয়ে ঝগড়া করতাম)
২.মাঝে অনেকদিন যাবত কারো সাথে হ্যান্ডশেক করতাম না,বিরক্ত লাগতো
৩.অনেকে খাবারের সময় ডান হাত দিয়ে খায় আবার ডান হাত দিয়ে পানির গ্লাস ধরে,তরকারী ও নেয়
৪.গন্ধ পাওয়ালা মোজা নিয়ে কেউ সামনে বসে থাকলে
৫.অনেকের আবার কথা বলার সময় থু,থু ছিটানোর ও অভ্যাস আছে
আরো মনে পড়লে বলে যাবো
লেখক বলেছেন: কিছু কিছু আছে আসলেই বাজে অভ্যাস। সবগুলো কিন্তু না। পোস্টে যা যা দিয়েছি তার অনেকগুলো আমি নিজেও করি, কিন্তু আমার সমস্যা হল অন্যেরটা সহ্য করতে পারি না।
গায়ে হাত দেয়ার কথায় মনে পড়ল, রোগীরা অনেক সময় নিজের শরীরে হাত না দিয়ে আমার শরীরে হাত দিয়ে বোঝাতে চায় তার কোন জায়গায় ব্যথা। এইরকম করলে বিরক্তির কোন রকম রাখঢাক না করে একটা জোরসে ঝাড়ি মেরে দিই।
লেখক বলেছেন: ভালো কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। বাচ্চারা মাঝে মাঝে প্লাস্টিকের খেলনা মেঝে বা দেয়ালে ঘষে ঘষে খেলতে থাকে, কেমন যে লাগে তখন!
পল্লী বাউল বলেছেন:
কোন কিছু খাওয়ার সময় মুখ বন্ধ না করে চিবালে যে চাকুম চুকুম, চাপুর চুপুর শব্দ হয়, কিছুতেই সহ্য হয় না। এ সমস্যার সাথে আমার মিল ১১০ ভাগ।
লেখক বলেছেন: এক্সট্রা ১০ ভাগের কাহিনী কী?![]()
জেরী বলেছেন:
আমার সামনে কেউ দেখিয়ে দেখিয়ে দাঁত শব্দ করে ব্রাশ করলে তাকে টয়লেট ঘষার ব্রাশ গিফট করতে চাই (মনে মনেলেখক বলেছেন: ভাগ্যিস মনে মনে করা যায়, নইলে সত্যিই পাগল হয়ে যাওয়া লাগত।
হুলো-বেড়াল বলেছেন:
ভাগনি সবই ঠিক আছে; ...এর সাথে খারাপ লাগে তখন যখন রোগী নিজেকে স্মার্ট হিসেবে প্রমাণ করতে গিয়ে মেডিকেল টার্ম ব্যবহার করে।
...আবার বিরক্ত লাগে যখন রোগী চেম্বারে এসে বেশি বেশি করে সমস্যার কথা বলে। এইটা সবারই ভুল ধারনা যে ডাক্তারের কাছে যেয়ে বেশি বেশি করে সমস্যার কথা বলতে হবে। তাতে ভাল চিকিৎসা পাওয়া যাবে। এতে ডাক্তারের শুধু ডায়াগনসিসই না বরং ট্রিটমেন্ট দিতেও সমস্যা হয়।
.....................................................................................................
খাওয়ার সময় শব্দ করা, শব্দ করে চা খাওয়া, পাব্লিক প্লেসে সিগারেট খাওয়া ..... এইগুলা পাব্লিক নুইসেন্স। আমেরিকান সমাজে মদ খাওয়া হালাল, তারা পানির মত মদ খায়। কিন্তু তারপরেও তারা পাব্লিক প্লেসে মদ খায় না--পাব্লিক নুইসেন্স বলে। অথচ আমাদের দেশে পাব্লিক প্লেসে সিগারেট খাওয়া আইনত দন্ডনীয়, তারপরও বাসে কাউকে সিগারেট ফেলতে বললে আপনাকে বলবে , আপনার অসুবিধা হলে অন্য বাসে উঠে যান; যেন সিগারেট ফেলতে বলে আমিই আইন ভাঙার অপরাধ করেছি....
লেখক বলেছেন: মাসীর কথায় ১০০% একমত।
হাল্ক বলেছেন:
আপনার সাথে কোনদিন সাক্ষাৎ করা যাবে না... যেসব জিনিস আপনার খারাপ লাগে...প্রতিটা আমার আছে। প্লাস, কথা বলার সময় মুখ থেকে থুতু বের হয়।
লেখক বলেছেন: আপনার প্লাস জিনিসটা আমারও মাঝে মাঝে হয়। কী যে অস্বস্তিকর একটা ব্যাপার।
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
বিষয়গুলির প্রতি সতর্ক হওয়া জরুরী। প্রতিটি কাজ সজ্ঞানে করলে ছোট খাট অসুন্দর থেকে বাঁচা যায়।
লেখক বলেছেন: সবগুলো কাজই যে অসুন্দর তা কিন্তু নয়, চিপস খেলে শব্দ হবেই, ফিসফিসিয়ে কথা বলাও কোন কোন সময় জরুরী হয়ে পড়ে। কিন্তু আমার কেন যেন ভালো লাগে না, তাই সমস্যাটা আমারই ধরে নিচ্ছি।
লেখক বলেছেন: ভাইয়া আপনি ফিসফিসিয়ে কী বলছেন কিছুই শুনতে পাচ্ছি না। আপনি কি কোন প্রশ্ন করছেন?
কাব্য বলেছেন:
ডাক্টোর আফা, আমি যে অছুখ বাধাইছি তাতো ফিসফিসায়ে না কইলে আমাল যে ছরম লাগবো লেখক বলেছেন: তাইলে আর কইয়েন না, শেষে মেজাজ খারাপ কইরা স্টেথোস্কোপ দিয়া বাড়ি লাগায়া দিতে পারি, কওন যায় না।
লেখক বলেছেন: মারলাম।
ফয়সালরকস বলেছেন:
উপরের সবগুলার সাথে এইডাও একটা আছে যেমুন...
সিগারেট চাইলে মুখে নিয়া দেহি ফিল্টার ভিজা...
বাথরুমের কমোডের উপর (হাই কমোড) পায়ের ছাপ...
লেখক বলেছেন: সিগারেটের ব্যাপারে কিছু কইতে পারুম না। নিজের বাসা ছাড়া অন্য কোথাও হাই কমোড ইউজ করতেই কেমন যেন লাগে।
কাব্য বলেছেন:
ওক্কি ফ্রবলেম নাই, আমি ফুসুর ফাসুর কইরা কওনের সময়, আপনের স্টেথোস্কোপটা আমার কাছে রাখুমনে
লেখক বলেছেন: এত্ত বড় সাহস! আমার জিনিস নিয়া নিতে চায়, আইজকা বাড়ি দিয়াই ছাড়ুম।
মন মানে না বলেছেন:
আমি হালকা ঘুমের ঘোরে থাকলে অন্য কারও খাওয়ার চাকুম চুকুম শব্দটা সহ্য করতে পারি না ।লেখক বলেছেন: আমি কখনই পারি না।
মেহবুবা বলেছেন:
কমন পড়েছে বিরক্তিকর বিষয়গুলি । জেরীর সাথেও মিলছে দেখছি । সবচেয়ে বিরক্ত হই যখন কেউ না জেনে অন্য কোন মানুষকে অসন্মান করে কথা বলে ।
লেখক বলেছেন: হুমম। এরকম ব্যাপারে বিরক্ত হওয়াই স্বাভাবিক।
লেখক বলেছেন: যেই খাক, বাসে বসে খাওয়া যাবে না ব্যস।
খাওয়ার সময় এই শব্দটা শুনলে আমি কানে আঙ্গুল দিয়া বইসা থাকি। মেজাজ যে কি গরম হয় বুঝাতে পারব না।
আপু এখন চা খাইতেছি। কানে আঙ্গুল দাও
লেখক বলেছেন: এখানে কানে আঙুল দেয়ার ইমো নাই, হাতে লাঠি নিয়া দাবড়ানোরও ইমো নাই, আপসুস।
অগ্নির বলেছেন:
খাবার সময় মুখ বন্ধ না করে খেলে দেখায়ও খুবই কুৎসিত । এটা বুঝেও অনেকে ইচ্ছা করেই গুরুত্ব দেয়না । কারণ অন্যের ভাললাগা খারাপ লাগাকে গুরুত্ব দেয়ার দরকার আমাদের নাই । আমার এক টিচার ছিলেন উনাকে চা দেয়া হলে আশেপাশের সবাই জেনে যাইতো যে উনি চা খাচ্ছেন । আমি উনাকে একদিন সরাসরি বলসিলাম এরপর শব্দ করা আরও বাড়ায় দিলেন । তবে আমাদের যেটা করা উচিত, যে জিনিষ অন্যের মাঝে দেখতে আমাদের ভালো লাগবেনা , সেই জিনিষ নিজে যেন না করি ।
লেখক বলেছেন: নিঃশব্দে চিপস খেতে চাইলে তো নরম হয়ে যাওয়া চিপস খাওয়া লাগবে।
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু কাউরে কুখুনু বাড়ি দিইনাই।
লেখক বলেছেন: আর কোনটা বাকী থাকল?
মিআমি বলেছেন:
আপু আমিও এর অনেক কিছু পছন্দ এবং সহ্য করতে পারিনা
কোন কিছু খাওয়ার সময় মুখ বন্ধ না করে চিবালে যে চাকুম চুকুম, চাপুর চুপুর শব্দ হয়, কিছুতেই সহ্য হয় না।
জোরে গলা খাকারি দিয়ে গলার কফ পরিষ্কার করার শব্দ, নাক পরিস্কার করার সময় বাঁশরি মত শব্দ করা ।
আমি কিন্তু ১৭ তাং কমেস্ট করেছিলাম মনে আছে দুর্ভাষী ভাইয়ের পর
নেটওয়াকের কারনে তা মনে হয় ছাপা হয়নি ।
লেখক বলেছেন: মনে হয় সামুর ভূতটা খেয়ে ফেলেছে।
চাচামিঞা বলেছেন:
আপনার কি মনে হয় না আপনি কিছুটা আত্নকেন্দ্রিক?
লেখক বলেছেন: "মনে হয়" কথাটা ঠিক না, আমি "নিশ্চিত" যে আমি "কিছুটা" না, "পুরোপুরিই" আত্মকেন্দ্রিক।
লেখক বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ।
চাচামিঞা বলেছেন:
আমিও আত্ন কেন্দ্রিক.....পুরাপুরি মিল্লা গেসে আপ্নার সাথে।
লেখক বলেছেন: চিমটি, কাঠ ছোঁয়া, লাল ছোঁয়া।
সিনসিয়ার বলেছেন:
হালুম........
লেখক বলেছেন: খেলুম......
কালপুরুষ বলেছেন:
কিছু কিছু শব্দ আমার নিজেরো পছন্দনা, যেমন নাক ডাকার শব্দ আমান কাছে অসহ্য লাগে। কেউ দাঁতে দাঁত ঘষে কিড়মিড় বা কটমট শব্দ করে আমার অসহ্য লাগে। আমার আবার ছোলা ভাজা খেতে পছন্দ, বেশ কুটমুট আওয়াজ করে। ভাবছি তোমার পাশে বসে একদিন মজা করে খাবো। মাইরি বলছি, চিপস্ খাবোনা।
লেখক বলেছেন: এইতো আরেকটা মনে করিয়ে দিলেন। ঐ কুটমুট আওয়াজটাও তো পছন্দ না, বিশেষ করে বাসের মধ্যে।
সাইফুর বলেছেন:
কিছু জিনিস মিল পেলাম
লেখক বলেছেন: কিছু কিছু সবার সাথেই মিলে মনে হয়।
লেখক বলেছেন: লুকায়া রাখছি, কেউ দেখেনাই।![]()
অগ্নির বলেছেন:
নিঃশব্দে চিপস খাওয়ার মত অদ্ভূত দাবী মনে হয় আমি করিনাই । আমার নিজেরও অনেক দোষ আছে । তবে যে কাজে অন্যের সমস্যা হয় সেইগুলি এড়িয়ে যেতে করতে চেষ্টা করি । সাধারনত খাবার সময় মুখ বন্ধ করে রাখলেই কোনো শব্দ হয়না । এমনকি চিপস বা এইজাতীয় খাবারের বেলায়ও শব্দটা অনেক এড়ানো যায় ।
লেখক বলেছেন: ঠিক।![]()
লেখক বলেছেন: সেটাই চেষ্টা করে যাচ্ছি।
চাচামিঞা বলেছেন:
আচ্ছা, আপ্নি যখন চিপস কিংবা ছোলা ভাজা খান, তখন কি আওয়াজ হয়? নাকি পানি দিয়ে ভিজিয়ে নরম করে খানলেখক বলেছেন: আমি কোথাও বলিনি আওয়াজ হয় না, পোস্ট টা আরেকটু ভালো করে পড়ে নিন।
কঁাকন বলেছেন:
শব্দ করে চা খাওয়ার জন্য অনেক বকা খাইসি কিন্তু আমি খাই আগুণ গরম চা, জিহ্বা পুড়িয়ে দেয়া গরম চা আর এই আগুণ গরম চা শব্দ না করে খাওয়া যায় না
লেখক বলেছেন: শব্দ করে চা খাওয়াতো খারাপ কিছু না। আমার মানসিক সমস্যা তাই ভালো লাগে না।
লেখক বলেছেন: এই দুনিয়ায় এত সমস্যা কেন?![]()
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা।![]()
আমি ভাল আছি বলেছেন:
বাসে চলতে গিয়ে সামনের সিটে বসা ভদ্রলোকের(!)(ভদ্রমহিলারা মনে হয় আসলেই ভদ্র, নয়ত তারা থুতুই ফেলেন নালেখক বলেছেন: কিছু কিছু ভদ্রমহিলা থুতু না অন্য কিছু ফেলেন, ওটা আরও ভয়ংকর।
লেখক বলেছেন: কেন ডাক্তার কি অন্য ডাক্তারের কাছে যেতে পারে না? নাকি ডাক্তাররা রোবট তাই তাদের রোগশোক হওয়া নিষেধ।
আমি ভাল আছি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কিছু কিছু ভদ্রমহিলা থুতু না অন্য কিছু ফেলেন, ওটা আরও ভয়ংকর। --আভি তাক নো এক্সপেরিয়েন্স লেখক বলেছেন: ওরকম এক্সপেরিয়েন্স না থাকাই ভালো, ভবিষ্যতেও যেন না হয়।
লেখক বলেছেন: দৌড়ানি দিতে ইচ্ছা করলেও বাস্তবে কোনদিন দিতে পারিনি। আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন।
লেখক বলেছেন: কে রে!!!
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা ঠিক আছে।
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা।
মাহামুদ রাহি বলেছেন:
সেন্স অফ হিউমার---বাংলা শব্দটা মনে আসছে না.....মাইনাস করার মত কিছু হয়নি। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনার কথাটা ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম না। ![]()
সন্যাসী বলেছেন:
এগুলো আপনার মানসিক সমস্যা নয়, সত্যিকারের সমস্যা। কিন্তু যারা এ সমস্যা সৃষ্টি করে, তারা বুঝতে পারেনা।
লেখক বলেছেন: কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমারই সমস্যা মনে হয়। অন্য কাউকে তো বিরক্ত হতে দেখি না।
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
তাইলে তো আমিও মানসিক রুগি!!!
লেখক বলেছেন: মানসিক রোগ আর মানসিক সমস্যা একটু হলেও আলাদা।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
জনাবা,
আদ্যোপান্ত পাঠ করিলাম। জনস্বার্থে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তুলিয়া ধরিয়া একটি ধন্যবাদযোগ্য কাজ করিয়াছেন। রচনার ছত্রে ছত্রে আপনার মেধা, উন্নত রুচি ও মননশীলতার দ্যুতি বিচ্ছুরিত হইতেছে। কালোত্তীর্ণ রচনা হিসাবে ইহা নিশ্চিতই বিদগ্ধজনের হৃদয়ে স্থায়ী হইবে। সন্দেহ নাই এইরূপ রচনাই হইবে অনাগত প্রজন্মের নিকট সকল অনুপ্রেরণার উৎস।
আপনার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করিতেছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ভাগ্যিস ব্লগে শুধু ছবিই দেখাইতে পারেন, শব্দ শুনাইতে পারেন না।
ভাবের অভাব বলেছেন:
আমার দুইটা সমস্যা আছে।১। খাওয়ার সময় যে শব্দটা হয় এবং ভাত মুখে তোলার সময় ফুপ ফাপ টাইপের যে শব্দটা হয় আমারও সহ্য হয়না।
২। কেউ খালি পায়ে বা জুতা সেন্ডেল পরেই হোক মাটি ছেঁচড়িয়ে হাঁটলে যে শব্দটা হয় সেটাও সহ্য হয় না।
লেখক বলেছেন: হুমম, আরেকটা মনে করিয়ে দিলেন।
শাহানা বলেছেন:
আমারও এরকম অনেক সমস্যা আছে। যেমন: আমি রাগারাগি চিল্লাচিল্লি সহ্য করতে পারিনা।
লেখক বলেছেন: আমারও কেমন যেন লাগে। ঠিক অসহ্য না, একটা বিশ্রী অস্বস্তি হতে থাকে।
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
আমারে তাইলে আপনি মোটেই পছন্দ করবেন না। চা খাওয়ার সুরুৎ সুরুৎ শব্দ বাদে, চপ চপ করে উচ্চস্বরে খাবার খাওয়া, মুচ মুচ করে মুচমুচে জিনিস খাওয়া, গলা খারারি দিয়ে কফ ফেলা সব বদভ্যাস আমার আছে লেখক বলেছেন: ভাগ্যিস ব্লগে কিছুই শুনাইতে পারেন না।
আপু! আপনি আমার কেমন আত্মীয় হন?
লেখক বলেছেন: ব্লগীয় আত্মীয়।![]()
সুরঞ্জনা বলেছেন:
এই সব সমস্যা নিয়ে আমি নিজেও জর্জরিত। সব চেয়ে বেশী মেজাজ খারাপ হয়, সুড়ুৎ সুড়ুৎ চা খাওয়া আর দেয়ালে বা মেঝেতে প্লাসটিক, টিন, বা নখ দিয়ে আচড়ের শব্দে। তখন মনে হয় আমার মাথা ছিড়ে যাবে। আসলেই বিলাইমনি কি করা যায় বলো তো।
লেখক বলেছেন: নিজের মাথার চুলগুলো টেনে ছেঁড়ার চেষ্টা করে দেখা যায়।
বৃষ্টিধারা বলেছেন:
এই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় কি ??
লেখক বলেছেন: আমি তো এখন পর্যন্ত পেলাম না। ![]()
বাঘ মামা বলেছেন:
জাতি ভাই সাহস করে সত্য বলা সেতো আমাদেরি মানায়,তাইনা ?ভালো লাগলো সহজ স্বীকারোক্তি,তবে কিছু কিছু শব্দ করা ঠিক নয়,নিজেওনা অন্যেও না।চা পানে শব্দ,খাওয়ার সময় মুখ খোলা রাখা,ই্ত্যাদি।
লেখক বলেছেন: হয় তো ঠিক না, কিন্তু যারা করে তারা তো বোঝে না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















.jpg)










সত্য কথা বলার জন্য প্লাস ... (এই কথাটা ফিসফিস করে বলা
চাকুম চুকুম, চাপুর চুপুর, মুচুর মুচুর
অঃটঃ ও আফাজ্বি, কিরাম আছেন গো?