ইমাম হোসাইন (রাঃ) জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন, বিকৃত শাসকের আনুগত্য করে বেঁচে থাকার চেয়ে, মৃত্যুবরণ করাই শ্রেয় - মাওলানা নিজামী
কথা সত্য। কিন্তু নিজামী কেন মরে না?
গণতন্ত্র হারাম। মহিলা নেতৃত্ব হারাম।
তাহল গণতন্ত্রের হালুয়া খাওয়াও হারাম।
মহিলার আঁচলের নিচে আশ্রয় নেওয়াও হারাম।
তারা গণতন্ত্র বিশ্বাস করেনা।
কিন্তু গণতন্ত্রের সকল সুবিধা ভোগ করে। গণতন্ত্রের সুবিধা ভোগ করে নির্বাচন করে। গণতন্ত্রের তির্থস্থান সংসদেও যায়। গণতান্ত্রিক সরকারের সকল সুবিধান গ্রহন করে। যেমন সরকারী বাড়ি, সরকারী গাড়ি, সংসদ সদস্য হিসেবে বেতন ভাতাসহ সব কিছু।
মহিলা নেতৃত্ব হারাম
কিন্তু মহিলা নেতৃত্ব ছাড়া তাদের চলে না। মহিলাদের আচঁলের নিচে না ঢুকলে ওম পায় না। একক ভাবে নির্বাচন করার হিম্মত নাই আবার গণতন্ত্রের ছায়াতলে ও মহিলাদের আঁচলের নিছে থেকে দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন দেখে।
ইসলামে যা কিছু হারাম প্রয়োজনে তাদের কাছে সেটা হালাল। তাদের কে যদি জিজ্ঞেস করা হয় গণতন্ত্র যদি হারাম হয় গণতন্ত্রের সুবিধা ভোগ করে কেন অথবা নারী নেতৃত্ব যদি হারাম হয় নারীদের আঁচলের নিছে থেকে বের হয়না কেন? তখন দেখবেন এগুলেরা স্বপক্ষে তাদের বানানু কিছু যুক্তি তুলে ধরবে। যে গুলো ইসলাম কখনও স্বীকার করে না। এমন কি তাদের সেই কথা গুলো চরম ভাবে ইসলামের অবমাননা।
এখন আমি বলব নিজামী সাহেব, ইমাম হোসাইন (রাঃ) জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে আপনি আপনার জীবনটি দিয়ে দিন। তাহলে প্রিয় ধর্ম ইসলামকে অবমাননাকারী ও একজন ধর্ম ব্যবসায়ী অন্তত পৃথিবী থেকে কমবে।
জামায়াতের আরো কিছু রুপ দেখুন। জামায়াতের ধর্ম ব্যবসার কিছু নমুনা এবং জামায়াত থেকে যে কারণে দূরে থাকতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


