এ্যাটর্নী জেনারেলের কার্যালয়ের সামনে ফুলের তোড়ার স্তুপ পরে গেছে। একের পর এক শুভাকাঙ্খী ফুল হাতে দাঁড়িয়ে আছে। এ্যাটর্নী জেনারেল মাহবুবে আলম হাসি মুখে সে সকল ফুল গ্রহণ করছে। এর মাঝেই শ্রীদেবী বেগম হাসিনা লোক মারফত একটি চিরকুট এবং ফুলের তোড়া পাঠিয়ে দিলেন। চিরকুট খুলেই এ্যাটর্নী জেনারেলের চোখ চিকচিক করে উঠলো। চিৎকার করে উঠলো ইউরেকা!!
সেদিন সাংবাদিকদের সামনে সমস্ত নীতির মাথা খেয়ে যদি না বলতাম পার্বত্য চট্রগ্রামে শান্তির জন্য শ্রীদেবী বেগম হাসিনা এবং আল্লামা সন্তু লারমার নোবেল পাওয়া উচিত। এরই মাঝে বাইরে হট্রগোলে মাহবুবে আলমের রেশ কেটে যায়।
মিছিলে মিছিলে স্লোগানে স্লোগানে রাজপথ উত্তাল। আল্লামা সন্তু লারমার
ফাঁসি চাই। পাহাড়ে শান্তির বদলে অস্ত্র তুলে দিয়েছিলো সন্তু লারমা। শান্তি চুক্তির আড়ালে সন্ত্রাসীদের লালন। চট্রগ্রামকে বাংলাদেশ হতে বিভক্ত করার পায়তারা ইত্যাদি ইত্যাদি।
সাংবাদিকদের চক্ষু কপালে!! একি ব্যাপার!! মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছে স্বয়ং সাহারা খাতুন। ঘটনা কিছুই না ছাত্রলীগের কেউ একজন নেত্রীকে বুঝালো এ্যাটর্নী জেনারেল যদি ঐ সময় আল্লামা সন্তু লারমার নাম মুখে না এনে শুধু মাত্র শ্রীদেবী বেগম হাসিনার নাম নিতো তাহলে এই শান্তি পুরষ্কার যৌথভাবে নিতে হতোনা।
ছাত্রলীগ এ্যাটর্নী জেনারেলের কার্যালয়ের সামনে ভীর করেছে হিসেব নিতে আল্লামা সন্তু লারমার কাছে থেকে কত পেয়েছে মাহবুবে আলম সাহেব।
এ্যাটর্নী জেনারেল মাহবুবে আলম সাহেব চোক্ষে ধোঁয়া দেখলো। দে ভৌ দৌড়.................।
স্বপ্নের মাঝে মোবাইল কলের আওয়াজে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ায় এ্যাটর্নী জেনারেল মাহবুবে আলম সাহেবের শেষ পরিণতি জানতে পারেনি।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



