সা...
বুকে পুরাকীর্তির কংকাল
পান্ডুর চাঁদ কপালে
পায়ে সুদীর্ঘ বালিয়াড়ি
তবুও
এক গুঁয়ে স্বপ্নে ফেরার জিদ।
হাঁটা পথ শেষ হয়ে আসে।
হাঁটা পথ শেষ হয়ে গেলে দিগন্ত বিস্তৃত ধান ক্ষেত; রাই সরিষার ক্ষেত; মাইলের পর মাইল পানের বরজ আর ঘাস, আগাছা, তৃণ সবুজ সবুজ। মাঝে মাঝে মাথা উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে কাকতাড়ুয়া, মাচার খুঁটি, দু'একটা আকাশ মুখী আকাশচূড়ামনি। উত্তরে সে কোন দূর হিমালয় হতে, হিম হিম বরফ ছুঁইয়ে পরদেশী বাতাস এসে ক্ষণিক এলোমেলো করে দেয় গাছের শস্যের সজ্জা। ধানের লম্বা ডগা ঝুঁকে পড়ে সরিষার সুন্দরী গায়ে, সোনালী হলুদ সরিষা মেয়েরা খিল্ খিল্ করে হাসে, সে হাসি ছড়াতে থাকে পানের বরজে, কচি সবুজ পাতারা রসজ্ঞ শ্রোতার মত মাথা নাড়ে। আকাশচূড়ামনি'র লম্বা পাতা ঝিরঝির করে কাঁপে, শব্দ ছড়ায় দূর কোন মাঠের দিকে। মাঠ থেকে পথিক থমকে দাঁড়ায়। আউশের পুরুষ্ট ছড়ায় শেষ কার্তিকের শিশির জল, জলে জেগে থাকে আদুরে পৃথিবীর ছায়া-প্রতিচ্ছবি।
সাদা বক পাখা মেলে নীল নীল শূণ্যের পানে। তার রেশ লেগে থাকে মাটির পৃথিবীর মানুষীর মনে, মানুষের মনে। আমরা তখন অবাক মানি দূর আকাশের পানে চেয়ে। পারিজাত পাখি হতে আমাদের সাধ জাগে। কোথা কোন জলাশয় ডাকে; ডাকে কোন দ্বীপ, চরাচর। ডাক শুনে আমরা উন্মনা হই; ডানা না পাওয়ার দুঃখে কাঁদি দিনভর, রাতভর। এভাবে আমরা একেকজন পৃথিবীর উষর জমিনে পরবাসী থাকি উন্মনা কাল সাথী করে।
আমাদের কাল কাটে উদাসী উন্মনা কাল,
আমাদের বুক জুড়ে পারিজাত পাখী হবার তৃষা
আহা! আমাদের এক একটি দীর্ঘশ্বাস, তাই
এক একেকটি যাপিত জীবন ।
(ছবিটি ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত )
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা ,প্রথম পর্ব : সা..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , দ্বিতীয় পর্ব : রে..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , তৃতীয় পর্ব : গা..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , চতূর্থ পর্ব : মা..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , পঞ্চম পর্ব : পা..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , ষষ্ঠ পর্ব : ধা..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , সপ্তম পর্ব : নি..." এখানে
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


